শীতকালেও সবজির বাজার ঊর্ধ্বমুখী, বাজারে ভোগান্তিতে ক্রেতারা

0
12

কয়েক দিন ধরেই চুয়াডাঙ্গায় শীতকালীন সবজির বাজার ঊর্ধ্বমুখী। বাজারে সবজির সরবরাহ কম থাকায় দাম বেশি। ক্রেতারা বাধ্য হয়েই বেশি দামে সবজি ক্রয় করছেন।

শনিবার সকালে চুয়াডাঙ্গা বড়বাজার পাইকারি সবজির বাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়।

প্রায় ২ সপ্তাহ ধরে চুয়াডাঙ্গায় শীতকালীন সবজির বাজার বাড়তি। যার কারণে ক্রেতারা তাদের প্রয়োজনীয় সবজি ক্রয় করতে পারছেন না। বাজারে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ১শ টাকা, উস্তে ৭০ টাকা, আলু ২২ টাকা, সিম ৩৫ টাকা, ফুলকপি ৩৫ টাকা, পাতাকপি ১৮ টাকা, মুলা ৩৫ টাকা, আদা ১৬০ টাকা, রসুন ৭০ টাকা, টমেটো ৫০ টাকা, শসা ১০০ টাকা দরে পাইকারি বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারে এ সকল সবজি ১০ থেকে ২০ টাকা কেজিতে বেশি দাম দিয়ে কিনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

মাংসের বাজার স্বাভাবিক রয়েছে। শীতকালে মাছ কম আমদানি হওয়ায় বাজারদর কিছুটা বাড়তি। প্রতি কেজি বয়লার মুরগি ১৮০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৪০ টাকা ও দেশি মুরগি ৫৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস ৭৫০টাকা ও খাসির মাংস ১১০০ টাকা দরে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে বাজারে। মাছের আকার ভেদে ১২০ থেকে ৩৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে দেশি মাছ।

চুয়াডাঙ্গা পোষ্ট অফিস পাড়ার আহসান খান জানান, বাজারে সবজির দাম অনেক বেশি। কয়েক দিনের ব্যবধানে কাঁচামরিচ কেজিতে ৬০ টাকা বেড়েছে। অন্য সবজির গায়ে হাত দেওয়া বেশ কঠিন। তাই অল্প অল্প করে সবজি কিনলাম।

চুয়াডাঙ্গা পলাশপাড়ার হারুন বলেন, এ সময় পাতাকপি-ফুলকপি বাজারে বিক্রি হয়না, কৃষকরা গরু-ছাগল দিয়ে খাওয়ায়। এখন ফুলকপি খুচরা বাজারে ৪০ টাকা কেজি ও পাতাকপি ২৫ টাকা কেজিতে নিতে হচ্ছে। বাজার করতে গিয়ে আমাদের মত অল্প আয়ের মানুষদের অবস্থা নাজেহাল।

চুয়াডাঙ্গা বড়বাজারের আড়তদার বাতেন মিয়া জানান, বাজারে সবজির চাহিদা থাকলেও আমদানি তুলনামূলক কম। যার কারণে দাম কিছুটা বাড়তি। মাঠে সবজি নেই বললেই চলে। আমদানি বাড়লে বাজার স্বাভাবিক হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here