দেশে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় চিকিৎসা ব্যয় দিন দিন বাড়ছে, যা রোগী ও স্বজনদের জন্য বড় আর্থিক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে। হাসপাতাল ফি, ডায়াগনস্টিক পরীক্ষা, চিকিৎসক পরামর্শ ও ওষুধের খরচ মিলিয়ে অনেক ক্ষেত্রেই মোট ব্যয় সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে চলে যাচ্ছে।
রোগী ও ভোক্তারা অভিযোগ করছেন, অনেক বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার আগে সম্ভাব্য ব্যয়ের স্পষ্ট ধারণা দেওয়া হয় না। ভর্তি, পরীক্ষা ও চিকিৎসার ধাপে ধাপে অতিরিক্ত খরচ যুক্ত হওয়ায় শেষ পর্যন্ত ব্যয়ের পরিমাণ অনুমানের চেয়ে অনেক বেশি হয়ে যাচ্ছে।
স্বাস্থ্য খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আধুনিক যন্ত্রপাতি আমদানি, পরিচালন ব্যয় বৃদ্ধি ও দক্ষ জনবলের সংকটের কারণে বেসরকারি খাতে খরচ বেড়েছে। তবে রোগী অধিকার সংগঠনগুলোর মতে, কার্যকর নজরদারির অভাব ও সেবার মান–মূল্যের স্বচ্ছতা না থাকায় খরচ নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবায় খরচ নিয়ন্ত্রণে নীতিগত নির্দেশনা, মূল্য তালিকার স্বচ্ছতা এবং নিয়মিত তদারকি জরুরি। একই সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বয় বাড়ানো না গেলে সাধারণ মানুষের চিকিৎসা ব্যয়ের চাপ আরও বাড়তে পারে।




