আলেম-ওলামা ও এতিমদের সম্মানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে। শনিবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এই ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বিকেল সোয়া ৫টায় ইফতার মাহফিলে আসেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসেই তিনি অতিথিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও কুশলাদি বনিমিয় করেন। এরপর ৫ টা ৩৫ মিনিটে তিনি সকলের উদ্দেশে বক্তব্য রাখেন।
বক্তব্যের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আলেম-ওলামাদের সম্মানে রমজানের প্রথম দিনেই ইফতারের আয়োজন করে থাকি। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতির কারণে এবার একটু দেরি হয়েছে। এতিমদের ব্যাপারে সরকার ও রাষ্ট্রের অবস্থান কেমন তা আজকের এই ইফতার আয়োজন দিয়েই বোঝা যায়।’
রমজান মাসেও যেসব ব্যবসায়ী অশুভ পন্থা অবলম্বন করছেন, তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘আপনাদের আহ্বান জানাই, জনগণের ওপর জুলুম করবেন না।’
জাকাত প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জাকাত দারিদ্র্য বিমোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পরিকল্পিতভাবে জাকাত বণ্টন করা গেলে দরিদ্র্যতা মোকাবিলা করা যাবে।’ তিনি জাকাত বোর্ড পুনর্গঠন করার কথাও জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার আগামী ১০-১৫ বছরের মধ্যে দেশের দারিদ্র্য দূরীকরণে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাবে।’
এ সময় ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, সমাজ কল্যাণ, মহিলা ও শিশুবিষয়কমন্ত্রী ডা. আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসনে, আসসুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমদুল্লাহ ও বায়তুল মোকাররমের খতিব মাওলানা আব্দুল মালেক উপস্থিত ছিলেন।
শায়খ আহমদুল্লাহ জানান, ‘শুধু কওমি মাদ্রাসাগুলোতে প্রায় সাত লাখ এতিম শিশু লালিত-পালিত হচ্ছে।’ তিনি আরও জানান, দেশে প্রায় চার লাখ মসজিদ রয়েছে। এই মসজিদগুলোর ইমামদের দিয়ে নানা ধরনের কল্যাণমূলক র্কাযক্রম পরিচালনার আহ্বান জানান তিনি।




