ইরানের সক্ষমতা বাড়াতে ড্রোন পাঠাচ্ছে রাশিয়া: গোয়েন্দা তথ্য

0
5

ধাপে ধাপে ইরানে ড্রোন, ওষুধ ও খাদ্য সামগ্রী পাঠানোর প্রক্রিয়া প্রায় সম্পন্ন করতে যাচ্ছে রাশিয়া। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইরানের সক্ষমতা বাড়াতে এগুলো পাঠানো হচ্ছে। গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে এমন তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমস।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুজন কর্মকর্তা ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে জানিয়েছেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম দফায় হামলার কয়েকদিন পর থেকে ড্রোন সরবরাহের বিষয়ে ইরান ও রাশিয়ার শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে গোপনে আলোচনা শুরু হয়। পশ্চিমা গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মতে, চলতি মাসের শুরুর দিকে মস্কো সরবরাহ শুরু করে। আগামী কয়েকদিনের মধ্যে তা সম্পন্ন হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

টাইমসের ওই প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে আরেক ব্রিটিশ গণমাধ্যম ইনডিপেনডেন্ট বৃহস্পতিবার লিখেছে, ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রায় আগ্রাসন শুরুর পর কয়েক বছর ধরে ইরানের কাছে থেকে সমর্থন পেয়েছে রাশিয়া। বর্তমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে মস্কো এখন তেহরানের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পাশে দাঁড়িয়েছে।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বারবার দাবি করেছেন, রাশিয়া ইরানকে গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ করছে। বুধবার তিনি বলেন, মস্কো যুক্তরাষ্ট্রকে ব্ল্যাকমেইল করার চেষ্টা করেছে। তারা প্রস্তাব দিয়েছে, যদি ওয়াশিংটন কিয়েভকে গোয়েন্দা তথ্য দেওয়া বন্ধ করে, বিনিময়ে মস্কোও ইরানের সঙ্গে সামরিক গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ বন্ধ করবে।

জেলেনস্কি গত সোমবার দাবি করেছিলেন, ইরানকে রাশিয়ার গোয়েন্দা তথ্য সরবরাহ অব্যাহত রাখার অকাট্য প্রমাণ তাঁর কাছে আছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছিলেন, তিনি নিজে ওই তথ্য-উপাত্ত দেখেছেন। তবে এ বিষয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য দেননি।

ড্রোন সরবরাহের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেন, বর্তমানে অনেক ভুয়া খবর ছড়ানো হচ্ছে। তবে একটি বিষয় সত্য- ইরানি নেতৃত্বের সঙ্গে সংলাপ অব্যাহত আছে।

ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হলো ইরানের তৈরি ‘শাহেদ’ ড্রোন। ইউক্রেনে হামলার সময় মস্কো প্রতি রাতে শত শত শাহেদ ড্রোন ব্যবহার করেছে। রাশিয়ার ড্রোন সরবরাহের বিষয়ে ইনডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে ইরানি কর্তৃপক্ষের বক্তব্য প্রকাশ করা হয়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here