চেক বাউন্স ও প্রায় ৯ কোটি টাকার দেনা সংক্রান্ত মামলায় আইনি জটিলতায় পড়েন বলিউড অভিনেতা রাজপাল যাদব। এ ঘটনায় তাকে তিহার জেলে পাঠানোর পর থেকেই বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।
সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, একাধিকবার সমঝোতার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর ২ এপ্রিল দিল্লি হাইকোর্ট মামলার রায় সংরক্ষণ করেছেন। শুনানির সময় আদালতে আবেগঘন বক্তব্যও দেন এই অভিনেতা।
মামলার শুনানি করেন বিচারপতি স্বরনা কান্তা শর্মা। বকেয়া অর্থ পরিশোধের বিষয়ে রাজপাল যাদবের অবস্থান বারবার পরিবর্তন হওয়ায় আদালত অসন্তোষ প্রকাশ করেন। অঙ্গীকারপত্রে এক ধরনের প্রতিশ্রুতি দিয়ে পরে ভিন্ন অবস্থান নেওয়ায় বিষয়টি স্পষ্ট হচ্ছে না বলে মন্তব্য করেন বিচারপতি।
অভিযোগকারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে আইনজীবী অবনীত সিং সিক্কা আদালতে বলেন, রাজপাল যাদব ইতিমধ্যে সাজা মেনে নিয়েছেন, তাই দায় এড়ানোর সুযোগ নেই। তিনি আরও জানান, ২০২৪ সালে দায়ের করা পুনর্বিবেচনা আবেদনে ১,৮৯৪ দিনের বিলম্ব ছিল, যার সন্তোষজনক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।
আইনজীবীর ভাষ্য, সাজা ভোগ করলেও আর্থিক দায় থেকে মুক্তি মেলে না। বকেয়া অর্থ পরিশোধ না হওয়ায় বাধ্য হয়ে নেগোশিয়েবল ইনস্ট্রুমেন্টস অ্যাক্টের ১৩৮ ধারায় মামলা করা হয়।
শুনানির সময় আদালত দুই পক্ষকে সমঝোতায় পৌঁছানোর চেষ্টা করে। অভিযোগকারী পক্ষ পূর্ণ নিষ্পত্তি হিসেবে ৬ কোটি টাকা নিতে রাজি হলেও, সেই প্রস্তাবে সম্মতি দেননি রাজপাল যাদব।
ভার্চুয়ালি উপস্থিত হয়ে তিনি আদালতকে জানান, ইতিমধ্যে তিনি বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। পাঁচটি ফ্ল্যাট বিক্রি করতে হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
একপর্যায়ে আবেগাপ্লুত হয়ে আদালতে রাজপাল যাদব বলেন, ‘দয়া করে আমাকে আরও পাঁচবার জেলে পাঠান।




