মসুর ডালে উৎকৃষ্ট পরিমাণে প্রোটিন রয়েছে। সাধারণ ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য প্রোটিনের একটি সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য উৎস হলো এ ডাল। এতে রয়েছে অ্যান্টি-এজিং উপাদান, যা বয়স ধরে রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন মসুর ডাল খেলে বার্ধক্য রোধ করা যায়। এছাড়াও এতে ভিটামিন সি, ভিটামিন ই এর মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রয়েছে। চোখ ভালো রাখতে সাহায্য করে মসুর ডাল। পুষ্টিবিদরা মনে করেন মসুর ডাল অনেক উপকারী হলেও, সবার এটি খাওয়া উচিত নয়।
যাদের রক্তে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেশি, যারা বাতের ব্যথায় ভোগে, তাদের মসুর ডাল এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ এ ডালে ‘পিউরিন’ নামে এক ধরনের উপাদান থাকে। শরীর যখন এই পিউরিন ভাঙে, তখন ইউরিক অ্যাসিড তৈরি হয়, যা অস্থিসন্ধিতে জমে ব্যথা বাড়িয়ে দিতে পারে।
যাদের কিডনিতে পাথর বা অন্যান্য সমস্যা রয়েছে, তাদের জন্যও মসুর ডাল ক্ষতিকর হতে পারে। কারণ, এ ডালে অক্সালেট থাকে যা কিডনিতে স্টোন তৈরি হওয়ার ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়। এছাড়া, কিডনি ঠিক মতো কাজ না করলে ডালে থাকা পটাশিয়াম এবং প্রোটিন রক্তে জমা হতে থাকে, যা শরীরের জন্য ক্ষতিকর।
গ্যাস, অ্যাসিডিটি বা পেট ফাঁপার মতো সমস্যা যাদের রয়েছে, তাদেরও মসুর ডাল এড়িয়ে চলা উচিত। কারণ এতে থাকা ফাইবার, শর্করা সহজে হজম হতে চায় না। আবার অন্ত্রে দীর্ঘক্ষণ জমে থাকলে গ্যাসের সমস্যা বাড়িয়ে দিতে পারে।
যাদের অ্যালার্জি আছে, তাদেরও মসুর ডাল এড়িয়ে চলা ভালো। যারা ওজন কমাতে ইচ্ছুক, তারা প্রতিদিন মসুর ডাল খাওয়া থেকে বিরত থাকুন। এতে প্রোটিন ও ফাইবার বেশি থাকায় অতিরিক্ত খেলে ওজন ও চর্বি বাড়তে পারে।




