ইউক্রেনে নিযুক্ত ভারপ্রাপ্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত জুলি ডেভিস তাঁর দায়িত্ব থেকে সরে যাচ্ছেন। ট্রাম্পের নীতির সঙ্গে মতপার্থক্যের কারণে তিনি এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে ফিনান্সিয়াল টাইমস। তবে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এমন দাবি নাকচ করেছে।
গত বছরের জানুয়ারিতে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ট্রাম্প ইউক্রেনে রাশিয়ার আগ্রাসন বন্ধের চেষ্টা চালিয়েছেন। তবে এখন পর্যন্ত ব্যর্থ হয়েছেন। ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গেও তাঁর সম্পর্ক ওঠানামা করেছে। ওয়াশিংটন ইরান যুদ্ধে জড়ানোর পর থেকে ইউক্রেনে যুদ্ধবিরতির আলোচনায়ও ভাটা পড়েছে। বিপরীতে বেশ কিছু ক্ষেত্রে ট্রাম্প রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের প্রতি বন্ধুত্বপূর্ণ মনোভাব দেখিয়েছেন।
ফিনান্সিয়াল টাইমস বলছে, ট্রাম্পের নীতির সঙ্গে মতপার্থক্য এবং ইউক্রেনের প্রতি সমর্থন ধীরে ধীরে কমে আসায় রাষ্ট্রদূত ডেভিস নিজের ভূমিকা নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। তবে স্টেট ডিপার্টমেন্ট বা মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বর্ণনা প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, ট্রাম্পের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে ডেভিস দায়িত্ব ছাড়ছেন না।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র টমি পিগট বলেন, রাষ্ট্রদূত ডেভিস রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে টেকসই শান্তি আনতে ট্রাম্প প্রশাসনের প্রচেষ্টার একজন দৃঢ় সমর্থক। তিনি আগামী জুনে আনুষ্ঠানিকভাবে বিদায় নেবেন। এর আগ পর্যন্ত তিনি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নীতি এগিয়ে নিয়ে যাবেন।
গত বছরের মে মাসে ইউক্রেনে চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স হিসেবে দায়িত্ব নেন ডেভিস। তাঁর আগে আরেক কূটনীতিক ব্রিজেট ব্রিংক ট্রাম্পের ইউক্রেন নীতির বিরোধিতা করে পদত্যাগ করেছিলেন।




