কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। শনিবার রাতের আগুনে পুরোপুরি পুড়ে গেছে আটটি দোকান। এতে অন্তত এক কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীদের দাবি।
পুড়ে যাওয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছয়টি জুতার দোকান, একটি ওষুধের ও অপর উপহারসামগ্রী বিক্রির দোকান। ক্ষতিগ্রস্ত ভাই ভাই সুজের মালিক বাদশা মিয়ার ভাষ্য, তাঁর দোকানে প্রায় ৪০ লাখ টাকার মালপত্র ছিল। শনিবার রাত সোয়া ১১টার দিকে ফোনে আগুন লাগার খবর পান। বাজারের কাছে বাড়ি হওয়ায় আত্মীয়স্বজন নিয়ে ৩০ মিনিটের মধ্যে এসে দেখেন আগুন ছড়িয়ে গেছে কয়েকটি দোকানে। সবার সহায়তায় তিন ঘণ্টা পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
একই সময়ে আগুন লাগার সংবাদ পান পায়ে পায়ে সুজের মালিক মুক্তার হোসেন। তিনি বলেন, বাড়ি থেকে দোকানের কাছে আসতে প্রায় ঘণ্টাখানেক লেগে যায়। তিনি এসে দেখেন, সবাই আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছেন। তবে তার দোকানের প্রায় ২০ লাখ টাকার মালপত্র পুড়ে গেছে। কিছুই রক্ষা করা যায়নি।
আত্মীয়দের কাছ থেকে সাড়ে ১১টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পান সাধনা মেডিকেলে মালিক বিপুল চন্দ্র দাস। তাঁর আত্মীয়স্বজনের বাড়ি বাজারের পাশে হওয়ায় তারা দ্রুত চলে আসেন। বাড়ি থেকে নদী পাড়ি দিয়ে আসতে এই ব্যবসায়ী সময় লাগে প্রায় দুই ঘণ্টা। তাঁর দোকানে ওষুধ ছিলো প্রায় ৮ লাখ টাকার। প্রায় ৬ লাখ টাকার ওষুধ পুড়ে যায়। দুই লাখ টাকার পণ্য রক্ষা পেয়েছে।
বাজিতপুর ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার আসাদুজ্জামান জানান, শনিবার রাত ১১টা ১৫ মিনিটে অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ পান। তাদের দুটি ইউনিটের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে এলাকাবাসী, ব্যবসায়ী ও পুলিশের সহায়তায় রাত ২টা ১৫ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তিনি আরও বলেন, প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী ব্যবসায়ীদের ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ৮০ লাখ টাকা। তবে তিন কোটি টাকার মালপত্র উদ্ধার করা হয়েছে।




