রাজধানীর বাইরে থেকে ঈদ-পরবর্তী সাত দিন পর্যন্ত কাঁচা চামড়াবাহী কোনো যানবাহন ঢাকায় প্রবেশ করতে পারবে না। গতকাল রোববার বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনের (বিসিক) দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে। এতে যথাযথভাবে কাঁচা চামড়ায় লবণ দেওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিসিকের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কোরবানির পশুর চামড়া দেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ। সঠিকভাবে সংরক্ষণ করলে চামড়ার গুণগত মান বজায় থাকে এবং দেশের অর্থনীতিতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
এতে চামড়া সংরক্ষণের বিষয়ে বলা হয়, পশুর চামড়া ছাড়ানোর পর দ্রুত রক্ত-মাংস পরিষ্কার করতে হবে। প্রতি গরুর চামড়ায় আট থেকে ১০ কেজি এবং ছাগল ও ভেড়ার চামড়ায় তিন থেকে চার কেজি লবণ দিতে হবে। চামড়া ভাঁজ করে শুকনো ও ছায়াযুক্ত স্থানে সংরক্ষণ করতে হবে। তাতে দীর্ঘ সময় চামড়া ভালো থাকবে।
কাঁচা চামড়া ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কাঁচা চামড়াবাহী কোনো যানবাহন নির্ধারিত সময়ের (সাত দিন) আগে ঢাকায় প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তাই কারও কথায় চামড়া বোঝাই ট্রাক নিয়ে ঢাকায় প্রবেশের চেষ্টা করবেন না। এতে চামড়াসহ ট্রাক জব্দ করা হতে পারে।
শিল্প সচিব মো. ওবায়দুর রহমান সমকালকে বলেন, গত বছর ২০ কোটি টাকার লবণ ফ্রি দেওয়া হয়েছে, যাতে চামড়া নষ্ট না হয়। এবার ১৮ কোটি টাকার লবণ ফ্রি দেওয়া হবে। কোন কোন মিলারের কাছ থেকে লবণ কিনতে হবে, সেটিও সরবরাহকারীদের বলে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া কীভবে কাঁচা চামড়ায় লবণ দিতে হবে, কীভাবে গরু থেকে চামড়া আলাদা করে তা সংরক্ষণ করতে হবে– এসব বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়ার জন্য দুই কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।




