সংবাদ সম্মেলনে মাহদী আমিন প্রধানমন্ত্রীর সফর বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্কের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক

0
6

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম সফর বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্কের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকবে বলে জানিয়েছেন তার উপদেষ্টা মাহদী আমিন। তিনি বলেন, এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের পারস্পরিক আস্থা, বন্ধুত্ব ও জনগণের সাথে জনগণের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও সুসংহত হয়েছে।

সফরে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে সংস্কৃতি বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো দুই দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং দীর্ঘদিনের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ককে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের মাধ্যমে আরও শক্তিশালী করা। এছাড়া বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও সন্ত্রাস দমনে ২টি কূটনৈতিক নোট বিনিময় করা হয়েছে।

সোমবার স্থানীয় সময় দুপুরে কুয়ালালামপুরের ‘শাংগ্রি লা’ হোটেলে প্রধানমন্ত্রীর সফর নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান মাহদী আমিন।

মালয়েশিয়ার পাঁচটি বৃহৎ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের পৃথক সাক্ষাৎ

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই মুখপাত্র বলেন, সফরকালে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মালয়েশিয়ার পাঁচটি বৃহৎ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তারা পৃথকভাবে সাক্ষাৎ করেছেন। এর মধ্যে রয়েছে পেট্রোনাস, আজিয়াটা, এয়ারএশিয়া, পার্ডুয়া এবং এমএমসি পোর্ট।

স্বল্পসময়ের এই সফরে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। প্রথমে দুই প্রধানমন্ত্রীর মধ্যেত একান্ত বৈঠক হয়। এরপর সীমিত পরিসরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে খোলামেলা আলোচনায় দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয় উঠে আসে। পরবর্তীতে ডেলিগেশন পর্যায়ে উভয় পক্ষের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৃহত্তর পরিসরে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ডেলিগেশন মধ্যাহ্নভোজে অংশগ্রহণ করেন। পরে মালয়েশিয়ার রাজা সুলতান ইব্রাহিম সুলতান ইস্কান্দারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সেখানেও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। উচ্চপর্যায়ের এই বৈঠকসমূহে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়েও মতবিনিময় করা হয়। একইসাথে দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়।

দ্রুততার সঙ্গে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্তকরণের আহ্বান

মাহদী আমিন বলেন, স্বাভাবিকভাবেই জনগণের স্বার্থ প্রতিষ্ঠায় প্রধানমন্ত্রী তাঁর দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী এবং রাজার সঙ্গে শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত করার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন।

দুই দেশের প্রধানমন্ত্রী ঐক্যমত পোষণ করেছেন অভিবাসনের ক্ষেত্রে ব্যয় যত কমানো যায়, যত স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায় আনা যায় এবং নিরাপদ কর্মপরিবেশে শ্রমিকদের সুরক্ষা যেন নিশ্চিত করা যায়। প্রধানমন্ত্রী সম্ভব হলে দ্রুততার সঙ্গে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার বাংলাদেশের জন্য পুনরায় উন্মুক্তকরণের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে স্বল্প অভিবাসন ব্যয়ে আরও বেশি সংখ্যক বাংলাদেশি শ্রমিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করার বিষয়ে উদ্যোগ গ্রহণের আন্তরিক অনুরোধ জানিয়েছেন।

কারাগারে অন্তরীণ শ্রমিকদের নিয়ে আলোচনা

পাশাপাশি বিভিন্ন কারণে যেসব বাংলাদেশি শ্রমিক অবৈধ অবস্থায় রয়েছেন, কিংবা কারাগারে অন্তরীণ আছেন, তাঁদেরকে কীভাবে মানবিক ও সহানুভূতিশীল উপায়ে বৈধতার আওতায় আনা যায় অথবা প্রয়োজনে নিরাপদে দেশে ফেরত পাঠানো যায়, মালয়েশিয়ার বিদ্যমান আইন অনুযায়ী সে বিষয়েও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আন্তরিক অনুরোধ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, উভয় বৈঠকে মালয়েশিয়ার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশি কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করা হয়। একইসাথে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার সম্পর্কোন্নয়নে প্রবাসী বাংলাদেশিরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথা উল্লেখ করা হয় বৈঠকে।

জ্বালানি খাতে সহযোগিতা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে একমত

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, জ্বালানি খাতে সহযোগিতা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া একমত হয়েছে। বিশেষ করে এলএনজি, তেল-গ্যাস অনুসন্ধান এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে মালয়েশিয়ার বিনিয়োগের বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের কীভাবে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও সম্মানজনকভাবে মিয়ানমারে প্রত্যাবাসন করা যায় এবং এ ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে মালয়েশিয়া কীভাবে বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে পারে, সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

মাহদী আমিন বলেন, একইভাবে, আসিয়ানের সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার হিসেবে এবং রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকোনমিক পার্টনারশিপ (আরসিইপি) এ বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে মালয়েশিয়া কিভাবে সহযোগিতা করতে পারে সে বিষয়ে আলোচনা হয়। ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায়সঙ্গত অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং মধ্যপ্রাচ্যে একটি স্থায়ী ও শান্তিপূর্ণ সমাধান অর্জনের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি সংলাপ, কূটনৈতিক উদ্যোগ ও গঠনমূলক প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। একই সঙ্গে তারা জাতিসংঘ ও ওআইসিসহ আন্তর্জাতিক ফোরামে পারস্পরিক সমন্বয় বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক আইন ও ন্যায়ভিত্তিক বিশ্বব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় যৌথভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা, মানবপাচার ও আন্তঃসীমান্ত অপরাধসহ বিভিন্ন বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা জোরদারে দুই দেশের সরকার একত্রে কাজ করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ খাত নিয়ে আলোচনা

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, এবারের ঐতিহাসিক সফরে বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার মধ্যো অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ খাত নিয়ে আলোচনা হয়েছে। খাতগুলো হলো— রাজনৈতিক সহযোগিতা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, হালাল শিল্প, ডিজিটাল অর্থনীতি, এআই এবং সেমিকন্ডাক্টর খাত, বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগ এবং তাঁদের কল্যাণে সহযোগিতা, শিক্ষা ও পর্যটন খাতে সহযোগিতা, জ্বালানি খাত, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক ও বহুপাক্ষিক সহায়তা সম্প্রসারণ। উল্লেখ্য্, সর্বমোট ৯টি বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যেো দুই দেশের সম্মতিতে ৩৩ দফার একটি যৌথ বিবৃতি ইস্যুি করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আজকের আলোচনায়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিজিটাল অর্থনীতি, সাইবার নিরাপত্তা ও আধুনিক প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি বাংলাদেশের তথ্য প্রযুক্তি খাতে, বিশেষ করে প্রযুক্তি পার্ক ও অর্থনৈতিক অঞ্চলে, মালয়েশিয়ার বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার ভূমিকার ভুয়সী প্রশংসা মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর

মাহদী আমিন বলেন, সভাশেষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর যৌথ প্রেস কনফারেন্স হয়েছে। এই যৌথ প্রেস কনফারেন্সে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের ইতিহাসে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ভূমিকার ভুয়সী প্রশংসা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের যে ত্যাগ ও সংগ্রাম রয়েছে, দেশের মানুষের অধিকার ও স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠার জন্য, তা স্মরণ করেছেন। বাংলাদেশের সঙ্গে মালয়েশিয়ার যে ভিন্নমাত্রিক ঐতিহাসিক ভ্রাতৃত্বপূর্ণ এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে, তা স্মরণ করেন।

মাহদী আমিন বলেন, পারস্পরিক স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি করে অর্থনৈতিক সহযোগিতা আরও কীভাবে শক্তিশালী করা যায় সে বিষয়ে দুই রাষ্ট্রনায়ক আলোচনা করেন। দুই দেশ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) স্বাক্ষরের লক্ষ্যে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। প্রযুক্তি, বিনিয়োগ ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে শিল্প ও ব্যবসা খাতে সহযোগিতা বাড়িয়ে নতুন কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক সুযোগ তৈরিতে দুই দেশ একসাথে কাজ করার বিষয়ে আলোচনা হয়। একই সাথে হালাল শিল্প ও হালাল ব্যবসার সম্ভাবনার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। এ খাতে মালয়েশিয়ার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশে হালাল পণ্য, সনদ প্রদান ব্যবস্থা, দক্ষ জনবল তৈরি এবং গবেষণা ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে তারা একমত হয়েছেন।

দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, মালয়েশিয়ায় বর্তমানে প্রায় ১১ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে তাঁদের ইতিবাচক অবদানকে উভয় দেশ স্বীকৃতি দেয়। দুই দেশের সরকারপ্রধান শিক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতা, বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে অংশীদারিত্ব, যৌথ গবেষণা এবং কারিগরি ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষা সম্প্রসারণে একমত পোষণ করেন। একই সঙ্গে কর্মবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা এবং শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেন উভয় সরকার প্রধান।

তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার, সামরিক প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়ন কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে উভয় দেশ একমত হন। পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় প্রশিক্ষণ এবং সক্ষমতা উন্নয়নের মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

পর্যটন ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে কীভাবে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা যায় সে বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হয়।

মাহদী আমিন বলেন, আজকের এই সফর কেবল একটি রাষ্ট্রীয় সফর নয়, এটি বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের এক ঐতিহাসিক অধ্যায় এবং ভবিষ্যৎ সহযোগিতার এক নতুন দিগন্তের সূচনা। মাত্র ১৮ ঘণ্টার এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু অত্যন্ত ফলপ্রসূ সফরে যে আলোচনা, সমঝোতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে, তা আগামী দিনে দুই দেশের জন্য বহুমাত্রিক সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচন করবে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি ও সুজন মাহমুদ।

প্রসঙ্গত, প্রধানমন্ত্রী রোববার দুই দিনের সফরে মালয়েশিয়া আসেন। আজ সন্ধ্যায় মালয়েশিয়া থেকে চার দিনের সফরে চীনে যাবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here