দীর্ঘ ২৪ বছর পর বিশ্বকাপের মঞ্চে আবার মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ড। আগামীকাল আটলান্টার সেমিফাইনাল ঘিরে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে লিওনেল মেসি। আর্জেন্টিনার জার্সিতে দীর্ঘ আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এই প্রথম ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নামবেন তিনি। তবে ইংল্যান্ড শিবিরে আলোচনার কেন্দ্র শুধু মেসি নন। গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ডের মতে, আর্জেন্টিনাকে হারাতে হলে পুরো দলকেই সমান গুরুত্ব দিতে হবে।
ম্যাচ-পূর্ববর্তী সংবাদ সম্মেলনে ইংল্যান্ডের এক নম্বর গোলরক্ষক বলেন, ‘মেসি তার ক্যারিয়ারে অসংখ্য গোল করেছে এবং দলের জয়ে অবিশ্বাস্য অবদান রেখেছে। এতদিন টেলিভিশনে দেখার পর এবার তার বিপক্ষে খেলাটা দারুণ অভিজ্ঞতা হবে। আমরা জানি মেসি কতটা অসাধারণ, কিন্তু আর্জেন্টিনা দল হিসেবেও কতটা শক্তিশালী, সেটাও জানি। তাই শুধু মেসিকে নিয়ে পড়ে থাকলে চলবে না। পুরো দলের ওপরই নজর রাখতে হবে এবং তাদের দুর্বলতার জায়গাগুলো কাজে লাগাতে হবে।’
পিকফোর্ডের এই সতর্কতার পেছনে যথেষ্ট কারণও রয়েছে। সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে ৩-১ গোলে জিতলেও কোনো গোলই করেননি মেসি। তবে প্রথম গোলের আক্রমণ তৈরিতে তার অবদান ছিল গুরুত্বপূর্ণ। বাকি গোল দুটি আসে হুলিয়ান আলভারেজ ও লাউতারো মার্তিনেজের পা থেকে। অর্থাৎ, মেসির পাশাপাশি স্কালোনির আক্রমণভাগের অন্যরাও সমান কার্যকর।
চলমান বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ৮ গোল করে এমবাপ্পের সঙ্গে যৌথভাবে গোল্ডেন বুটের শীর্ষে রয়েছেন মেসি। তবে দলগত আক্রমণে সবচেয়ে এগিয়ে আর্জেন্টিনাই। আসরে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ ১৬ গোল করেছে বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। মেসির পাশাপাশি লাউতারো মার্তিনেজ, হুলিয়ান আলভারেজ, আলেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার ও লিসান্দ্রো মার্তিনেজও গোলের খাতা খুলেছেন।
অন্যদিকে, ইংল্যান্ডের রক্ষণভাগের জন্যও অপেক্ষা করছে কঠিন পরীক্ষা। থ্রি লায়ন্সরা চলতি বিশ্বকাপে ৬ গোল হজম করেছে, যার মধ্যে ৫টিই এসেছে শেষ তিন নকআউট ম্যাচে। তাই আটলান্টার সেমিফাইনালে শুধু মেসিকে আটকে রাখাই নয়, আর্জেন্টিনার সমন্বিত আক্রমণও সামলাতে হবে পিকফোর্ডদের।




