গ্যাস সরবরাহ আবার কমছে, বাড়ছে লোডশেডিং

0
4

একটু স্বস্তির পর আবারও অস্বস্তি। দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত এক্সিলারেটের টার্মিনালটি চার দিন আগে আংশিক চালু হয়ে দৈনিক ৭৫ কোটি ঘনফুটে উঠেছিল তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) সরবরাহ। কিন্তু বৈরী আবহাওয়ার কারণে এলএনজিবাহী জাহাজ টার্মিনালে ভেড়ানো সম্ভব হয়নি। এতে সরবরাহ আবার কমতে শুরু করেছে।

গত সোমবার বিকেল থেকে কক্সবাজারের মহেশখালীতে সামিটের টার্মিনালের সরবরাহ নেমে এসেছে প্রায় ২০ কোটি ঘনফুটে। সব মিলিয়ে জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ এখন প্রায় ৫০ কোটি ঘনফুট। এদিকে, পূর্ণ ক্ষমতায় চালু করতে আংশিক চালু থাকা এক্সিলারেটের টার্মিনালটি ৪৮ ঘণ্টার জন্য বন্ধ করা হবে। ফলে সরবরাহ আরও কমবে। এলএনজি সরবরাহ কমায় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে আবারও চাপ সৃষ্টি হয়েছে। বাড়ছে লোডশেডিং।

এরই মধ্যে তীব্র গরমে বিদ্যুৎ সংকটে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে দেশের বিভিন্ন এলাকার মানুষ। কোথাও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১২ ঘণ্টারও কম সময়ের জন্য বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে, কোথাও ১৫ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। দীর্ঘ লোডশেডিংয়ে ব্যাহত হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য, শিল্প উৎপাদন, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও নাগরিক সেবা। ক্ষোভ থেকে কোথাও বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করা হচ্ছে, কোথাও ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটছে। গ্রাহকদের ক্ষোভ সামাল দিতে বিদ্যুৎ অফিস ও উপকেন্দ্রে পুলিশি নিরাপত্তা চাওয়া হয়েছে।

বিদ্যুৎ উৎপাদনে সাময়িক স্বস্তি এসেছিল
বিদ্যুৎ উৎপাদনে সাময়িক স্বস্তি এসেছিল গত সোমবার। গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বাড়ার পাশাপাশি ভারতের আদানি থেকে তুলনামূলক বেশি বিদ্যুৎ পাওয়ায় লোডশেডিং কমে আসে। গত রোববার মধ্যরাতের পর জাতীয় পর্যায়ে লোডশেডিং ছিল ৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশি। সোমবার মধ্যরাতের পর তা ২ হাজার মেগাওয়াটের নিচে নেমে আসে। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ছিল ১ হাজার থেকে ২ হাজার মেগাওয়াটের মধ্যে। কিন্তু এলএনজি সরবরাহ কমে যাওয়ার পর পরিস্থিতি দ্রুত পাল্টে যায়। গতকাল বেলা ৩টার দিকে লোডশেডিং বেড়ে দাঁড়ায় ৩ হাজার ৪৬৫ মেগাওয়াটে।

আবহাওয়ায় আটকে এলএনজি
বর্তমানে দেশের গ্যাসের চাহিদা মেটাতে সামিট ও এক্সিলারেট এনার্জির পরিচালনায় দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) চালু রয়েছে। দুটি টার্মিনালের সম্মিলিত সর্বোচ্চ সরবরাহ ক্ষমতা দৈনিক প্রায় ১০০ থেকে ১১০ কোটি ঘনফুট।

সূত্র জানায়, সাগর উত্তাল থাকায় সামিটের এফএসআরইউতে নতুন এলএনজি কার্গো যুক্ত করা সম্ভব হয়নি। বৈরী আবহাওয়া ও অতিরিক্ত বাতাসের কারণে আমদানি করা একটি এলএনজিবাহী জাহাজ সিঙ্গাপুর বন্দরে ফিরে গেছে। এতে সামিটের টার্মিনালে নতুন কার্গো যুক্ত হয়নি।
এর প্রভাবে সোমবার বিকেল থেকে সামিটের টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ কমে ২০ কোটি ঘনফুটে নেমে আসে। ১৫ আগস্ট নতুন একটি এলএনজিবাহী জাহাজ দেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এর মধ্যে সরবরাহ আরও কমে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আরপিজিসিএলের একজন কর্মকর্তা বলেন, নতুন কার্গো যুক্ত না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে না।

অন্য টার্মিনালও বন্ধ থাকবে
অন্যদিকে, গত ২১ জুলাই যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালটি থেকে গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় দুই সপ্তাহ পর গত ৬ আগস্ট আংশিক মেরামত শেষে আবার সরবরাহ শুরু হয়। বর্তমানে সেখান থেকে দৈনিক প্রায় ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে দেওয়া হচ্ছে। অথচ স্বাভাবিক সময়ে টার্মিনালটির সক্ষমতা ৫৫ থেকে ৬০ কোটি ঘনফুট।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত গতকাল জানিয়েছেন, মহেশখালীর এই টার্মিনালটি বর্তমানে দুটি বয়লারের একটি দিয়ে চলছে। পূর্ণ সক্ষমতায় ফিরতে হলে অপর বয়লারটি সচল করতে হবে। এ জন্য টার্মিনালটি আবার সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে হবে। এতে প্রায় ৭২ ঘণ্টা পুরো টার্মিনালের উৎপাদন বন্ধ থাকতে পারে।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোন সময়ে টার্মিনাল বন্ধ রাখলে শিল্প, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য গ্রাহকের ওপর প্রভাব কম পড়বে, এই সংকট কীভাবে মোকাবিলা করা যায় তা নিয়ে এক্সিলারেট এনার্জির সঙ্গে আলোচনা চলছে।

গরমে নাকাল জনজীবন
গ্যাসের ঘাটতির প্রভাব এরই মধ্যে বিদ্যুৎ সরবরাহে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। দেশের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘ লোডশেডিংয়ে মানুষ দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।
গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর বাসিন্দাদের অভিযোগ, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সব মিলিয়ে ১২ ঘণ্টারও কম বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় তীব্র গরমে সবচেয়ে বেশি কষ্টে পড়েছে শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ মানুষ। বিদ্যুৎনির্ভর ব্যবসা প্রতিষ্ঠানেও এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও দৈনন্দিন কার্যক্রম।

পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে কয়েক দিন ধরে, বিশেষ করে রাতে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাট হচ্ছে। উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন ও সুবিদখালী সদর এলাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকার পর অল্প সময়ের জন্য আসছে, আবার সরবরাহ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। তীব্র গরমে রাতে ঘুমাতে না পেরে অনেকেই বাইরে সময় কাটাচ্ছেন। এতে কর্মজীবী মানুষের স্বাভাবিক কাজকর্মও ব্যাহত হচ্ছে।
সিলেট নগরেও দীর্ঘ লোডশেডিংয়ে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গতকাল বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন সিলেট সিটি করপোরেশনের (চসিক) প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ না থাকলে শুধু বাসাবাড়ি বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নয়; নগরের পানি সরবরাহ, সড়কবাতি, জন্ম-মৃত্যু নিবন্ধনসহ বিভিন্ন নাগরিক সেবাও ব্যাহত হয়।
পিডিবির কর্মকর্তারা জানান, সিলেটে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম পাওয়ায় বাধ্য হয়ে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে। প্রশাসকের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে নগরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে লোডশেডিং কমানোর আশ্বাস দেন তারা।

ক্ষোভ থেকে বিক্ষোভ, নিরাপত্তা চেয়ে আবেদন
দীর্ঘ লোডশেডিংয়ের কারণে কোনো কোনো এলাকায় বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিরাপত্তাহীনতার মুখে পড়েছেন। গোপালগঞ্জে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গেছে, বিদ্যুৎ অফিস ও উপকেন্দ্রে হামলার আশঙ্কায় পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছে ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো)।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গোপালগঞ্জ পৌর এলাকায় দৈনিক বিদ্যুতের চাহিদা প্রায় ১৮ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৯ থেকে ১০ মেগাওয়াট, অর্থাৎ চাহিদার প্রায় অর্ধেক বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোথাও কোথাও ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ১৫ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না।

ওজোপাডিকোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. মাঈন উদ্দিন জেলা পুলিশ সুপারের কাছে চিঠি দিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুৎ স্থাপনাগুলোতে নিয়মিত পুলিশি টহলের অনুরোধ করেছেন। তাঁর ভাষ্য, দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় গ্রাহকদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশের সহযোগিতা প্রয়োজন।
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জেও লোডশেডিং নিয়ে ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ ঘটেছে। গত ১ আগস্ট রাতে তীব্র লোডশেডিংয়ের প্রতিবাদে স্থানীয় গ্রাহকরা আফতাবগঞ্জ পল্লী বিদ্যুৎ এরিয়া অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন। গত সোমবার সন্ধ্যার আগে ওই কার্যালয়ে আবার ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।

বেসরকারি খাতকে তেল আমদানির সুযোগ 
জ্বালানি তেলের আমদানি ও বিপণনে বেসরকারি খাতকে আরও সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সরকারি প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি যোগ্য বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে তেল আমদানির সুযোগ দিতে একটি সাধারণ নীতিমালা তৈরির কথা জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, কোনো নির্দিষ্ট কোম্পানিকে সুবিধা দিতে নয়; বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়ানো ও সরবরাহ ব্যবস্থা শক্তিশালী করতেই এ উদ্যোগ। গতকাল রাজধানীতে ফোরাম ফর এনার্জি রিপোর্টার্স বাংলাদেশ (এফইআরবি) আয়োজিত ‘জ্বালানি খাতের সংকট: সম্ভাবনা ও উত্তরণের উপায়’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতকে কেন্দ্র করে দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিয়ে অযথা আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছিল। পর্যাপ্ত মজুত থাকার পরও পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন হয়। কালোবাজারি ও অনলাইনভিত্তিক জ্বালানি বিক্রির ঘটনাও ঘটে। এই পরিস্থিতির পর বেসরকারি খাতকে তেল আমদানির সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে। তাঁর মতে, সরকারি ব্যবস্থার পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যুক্ত হলে প্রতিযোগিতা ও সরবরাহ বাড়বে।

শিল্পে গ্যাস সরবরাহের গুরুত্ব তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, গ্যাসের চাপ কমলে উদ্যোক্তাদের উৎপাদন ও নগদ অর্থপ্রবাহে বড় প্রভাব পড়ে। এতে ব্যাংক ঋণ খেলাপির ঝুঁকিও তৈরি হয়। কোনো ব্যবসায়ী যেন এ কারণে খেলাপির তালিকায় না ওঠেন, সরকার সেটি চায়।

প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির চাহিদা-সরবরাহে বড় ঘাটতি রয়েছে। প্রায় ৩০ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতা থাকলেও জ্বালানির অভাবে কেন্দ্রগুলো পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো যাচ্ছে না। দেশি কূপের গ্যাস উৎপাদন প্রতিবছর প্রায় ১৫০ মিলিয়ন ঘনফুট কমছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, নতুন এফএসআরইউ চালু করতে সাধারণত ৩০ থেকে ৩৬ মাস লাগে। তবে দুই বছরের কম সময়ে তৃতীয় এফএসআরইউ চালুর চেষ্টা চলছে। তৃতীয় ও চতুর্থ এফএসআরইউর পাশাপাশি মাতারবাড়ীতে স্থলভিত্তিক এলএনজি টার্মিনালের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জমি চিহ্নিত এবং লেনদেন পরামর্শক নিয়োগের দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এলপিজির বাজার স্থিতিশীল করতে সরকার বাল্ক এলপিজি আমদানির কথাও জানিয়েছে।

সেমিনারে জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ম. তামিম বলেন, বর্তমান সংকটের একক কোনো সমাধান নেই। গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি আমদানি ও কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রের সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে হবে। দ্রুত ২-৩ হাজার মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ যুক্ত করার পরামর্শ দেন তিনি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক কোম্পানিকে যুক্ত করে গ্যাস অনুসন্ধান এবং পুরোনো গ্যাসক্ষেত্রের সম্ভাবনাময় স্তরকে কাজে লাগানোর ওপর জোর দেন।
ড. ইজাজ হোসেন বলেন, তাৎক্ষণিক সংকট মোকাবিলায় এলএনজি আমদানি দরকার হলেও দীর্ঘ মেয়াদে দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়াতে হবে। ২০৩০ সালে গ্যাসের চাহিদা ৪ হাজার ৬০০ এমএমসিএফডি হতে পারে।

নতুন এলএনজি টার্মিনালে বিদেশি আগ্রহ
দেশে বড় পরিসরের নতুন এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনে একটি বিদেশি বেসরকারি উদ্যোক্তা গোষ্ঠী আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানিয়েছেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম। তিনি বলেন, উদ্যোক্তারা সরকারের সঙ্গে বৈঠক করে আগ্রহের কথা জানিয়েছে। তাদের কাছে আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব চাওয়া হয়েছে। প্রস্তাব পাওয়ার পর তা যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
নতুন এফএসআরইউ প্রকল্প প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোনো নির্দিষ্ট কোম্পানির প্রকল্প সরাসরি অনুমোদন করা হয়নি। সরকার জিটুজি পদ্ধতিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আগ্রহী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্য থেকে যোগ্যদের সংক্ষিপ্ত তালিকা করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে বিস্তারিত প্রস্তাব পাওয়ার পর দরকষাকষি হবে। আলোচনা সন্তোষজনক হলে চুক্তি করা হবে। দ্রুত বাস্তবায়নের প্রয়োজনেই জিটুজি পদ্ধতি নেওয়া হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here