কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও উৎপাদনশীলতা বাড়াতে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল কর্মকৌশল উদ্বোধন করেছে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ। এ কৌশলে সাশ্রয়ী ইন্টারনেট, ডিজিটাল সেবা ও দক্ষতা উন্নয়ন এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের প্রস্তুতিতে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার ডিজিটাল কর্মকৌশলের উদ্বোধন ঘোষণা করে সংস্থাটি। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিশ্বব্যাংক জানায়, আগামী ১০ থেকে ১৫ বছরে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ১২০ কোটি তরুণ কর্মক্ষম বয়সে পৌঁছাবে। অথচ এ সময়ে এসব দেশের অর্থনীতিতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে প্রায় ৪২ কোটি। এ ব্যবধান কমাতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছে সংস্থাটি।
বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তি কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং সীমিত সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারে। তবে এর সুফল পেতে নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট, সাশ্রয়ী ডিভাইস, ডিজিটাল দক্ষতা ও কার্যকর সেবার সমন্বয় প্রয়োজন। কৌশলের চারটি অগ্রাধিকার হলো– নির্ভরযোগ্য ইন্টারনেট সংযোগ সম্প্রসারণ, স্মার্টফোন ও ডেটার ব্যয় কমানো, ডিজিটাল সেবা ও দক্ষতা বাড়ানো এবং এআই ব্যবহারের প্রস্তুতি তৈরি করা।
নতুন কৌশলের আওতায় ইন্টারনেট অবকাঠামো সম্প্রসারণে বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণ, স্মার্টফোন ও ব্রডব্যান্ডের ব্যয় কমানো এবং ডিজিটাল পরিচয়, অর্থ পরিশোধ ও নিরাপদ তথ্য আদান-প্রদানের ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে সহায়তা করবে বিশ্বব্যাংক। কর্মসংস্থানসংশ্লিষ্ট ডিজিটাল প্রশিক্ষণ বাড়ানোর উদ্যোগও থাকবে। পাশাপাশি উদীয়মান বাজারের দেশগুলোতে এআই ব্যবহারের সুযোগ বাড়াতে নতুন একটি উদ্যোগ ঘোষণা করেছে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ।


