২০২৬ সালের হজযাত্রীদের সরকারি হাসপাতাল থেকে নির্ধারিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করার সময় বাড়িয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা যাবে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে যেকোনো তথ্যের জন্য হজ কল সেন্টার ১৬১৩৬ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।
এর আগে ধর্ম মন্ত্রণালয় হজযাত্রীদের টিকা নেওয়ার আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নির্ধারিত ১১ ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ২৫ জানুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিয়েছিল। এসব পরীক্ষার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই হজযাত্রীদের টিকা দেওয়া হবে।
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, হজযাত্রীদের Urine R/M/E, Random Blood Sugar (RBS), X-Ray Chest (P/A view) রিপোর্টসহ, ECG রিপোর্টসহ, Serum Creatinine, Complete Blood Count (CBC with ESR) এবং Blood Grouping ও Rh Typing পরীক্ষার রিপোর্ট জমা দিতে হবে।
এ ছাড়া দুরারোগ্য ব্যাধি শনাক্তের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও কিছু বিশেষ পরীক্ষা সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—
সন্দেহজনক হৃদ্যন্ত্রের অকার্যকারিতার ক্ষেত্রে Echocardiography;
কিডনি জটিলতায় Serum Creatinine ও KUB-এর আলট্রাসনোগ্রাফি;
লিভার সিরোসিস সন্দেহ হলে Whole Abdomen USG ও Upper GIT Endoscopy;
এবং দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের রোগ নির্ণয়ে Sputum for AFB, Chest CT Scan, Serum Bilirubin, SGPT ও Albumin–Globulin Ratio পরীক্ষা।
স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট ও ই-হেলথ প্রোফাইলের কপি টিকা কেন্দ্রে মেডিকেল টিমের কাছে জমা দিয়ে টিকা গ্রহণের পর হজযাত্রীরা স্বাস্থ্য সনদ সংগ্রহ করতে পারবেন।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এবার বাংলাদেশ থেকে প্রাথমিকভাবে নিবন্ধিত প্রায় সাড়ে ৭৮ হাজার হজযাত্রী হজ পালন করতে পারবেন।




