ঈদের ঘোরাঘুরি, খাবার খাওয়ার রেশ এখনো রয়ে গেছে। বেড়াতে গিয়ে পথের খাবার খাচ্ছেন অনেকে। বিভিন্ন ভাজাপোড়া খাবার, রাস্তায় বিক্রি হওয়া কাটা ফল অথবা রেস্তোরাঁর খাবার খেয়ে অনেকেই ‘ফুড পয়জনিং’য়ে আক্রান্ত হন। বমি, পেট ব্যথা আর পেটের গোলমাল শুরু হলে অনেকেই অ্যান্টিবায়োটিক বা ব্যথানাশক ওষুধ খান। চিকিৎসকদের মতে, প্রাথমিক অবস্থায় ঘরোয়া কিছু উপাদানেই এই বিষক্রিয়া কাটানো সম্ভব। শরীর থেকে টক্সিন বের করে হজমপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক করতে ঘরোয়া কিছু উপকরণই কাজে আসতে পারে।
অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, অপরিষ্কার পানি, বিশেষ কোনো খাবার সহ্য না হওয়া কিংবা কোনো খাবারে ব্যাকটেরিয়া-ছত্রাক জন্মালে, তা থেকে
খাদ্যে বিষক্রিয়া হতে পারে। কাঁচা মাছ, মাংস বা শাকসবজি ঠিক মতো না ধুয়ে রান্না করলেও তা থেকে পেটে বিষক্রিয়া হতে পারে। সালমোনেল্লা ব্যাকটেরিয়া, ই কোলাই নামক ব্যাকটেরিয়া ও কয়েক রকম ছত্রাক খাদ্যে বিষক্রিয়ার জন্য দায়ী।
বিষক্রিয়া কটিয়ে ওঠার উপায় কী?
এক কাপ পানিতে আদা কুচি ফুটিয়ে নিন। তাতে এক চামচ মধু মিশিয়ে গরম গরম খান। বমি ভাব নিমেষে উধাও হবে। আদা ও মধুর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ও অ্যান্টি-ফাঙ্গাল গুণ আছে। এই দুই উপাদান প্রদাহনাশকও।
এক গ্লাস পানি নিয়ে তাতে কয়েকটি রসুনের কোয়া দিন। পানি ফুটিয়ে ছেঁকে নিন। সেই পানি অল্প অল্প করে খান। রসুনের অ্যান্টিভাইরাল ও অ্যান্টি ব্যাকটেরিয়াল গুণ বিষক্রিয়ার প্রভাব কাটিয়ে দেবে।
খাদ্যে বিষক্রিয়া কমাতে কলা খেতে পারেন। কলায় পটাশিয়ামের পরিমাণ অনেক থাকায়, এটি বিষক্রিয়া কমাতে সহায়ক।
খাদ্যে বিষক্রিয়ার কারণে শরীরে যে প্রদাহ তৈরি হয়, তার রেশ কাটাতে পারে জিরা পানি। এক গ্লাস পানিতে জিরা ভিজিয়ে রাখুন। সেই পানি ছেঁকে গরম করে খেতে পারেন।
এক গ্লাস ঈষদুষ্ণ পানিতে দু’চামচ অ্যাপেল সিডার ভিনেগার মিশিয়ে খান। এটি দ্রুত বিষক্রিয়া কাটাতে সাহায্য করবে।




