পে-স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন যে পরিকল্পনা

0
5

নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে নতুন সরকারের প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার পরিকল্পনা নিয়েছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। ‘দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ’-এর ব্যানারে সংগঠিত কর্মচারীরা জানান, শিগগিরই তারা তারেক রহমান-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সাত দফা দাবি উপস্থাপন করবেন।

দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ সচিবালয়ের বাইরে দপ্তর, অধিদপ্তর ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী সংগঠনগুলোর সমন্বয়ে গঠিত একটি জোট। সংগঠনটির দাবি, শিক্ষক-কর্মচারীসহ প্রায় ২২ লাখ সরকারি কর্মচারী এ জোটের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সংগঠনের মুখ্য সমন্বয়ক ওয়ারেছ আলী গণমাধ্যমকে জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকেই পে-স্কেল নিয়ে তারা আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। লাগাতার কর্মসূচির পর সরকার একটি কমিটি গঠন করলেও দাবিগুলোর বাস্তবায়ন হয়নি। নির্বাচন শেষ হওয়ায় এখন নতুন সরকারের কাছে বিষয়টি চূড়ান্তভাবে উপস্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

এর আগে ওয়ারেছ আলীর নেতৃত্বে সংগঠনের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের দপ্তরে লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়। আবেদনে বলা হয়, ২০১৫ সালের পে-স্কেলে বৈষম্য তৈরি হয়েছে এবং বাজারমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, মুদ্রাস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণে ১১ থেকে ২০ গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন।

সাত দফা দাবি

সংগঠনটির দাবির মধ্যে রয়েছে—

১:৪ অনুপাতে ১২ ধাপে সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করে বৈষম্যহীন নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন

মূলবেতন সর্বোচ্চ ধাপে পৌঁছানো কর্মচারীদের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি অব্যাহত রাখা

২০১৫ সালের গেজেটে বাতিল হওয়া তিনটি টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহাল

স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পেনশন প্রবর্তন ও গ্রাচ্যুইটির হার শতভাগ নির্ধারণ

প্রতি পাঁচ বছর পরপর উচ্চতর গ্রেড বা পদোন্নতি

টেকনিক্যাল কাজে নিয়োজিতদের টেকনিক্যাল মর্যাদা প্রদান

ভাতা পুনর্নির্ধারণ, রেশন ব্যবস্থা চালু, চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩৫ ও অবসরের বয়স ৬২ বছর নির্ধারণ

এছাড়া উন্নয়ন প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত পদধারীদের ক্ষেত্রে বৈষম্যমূলক আদেশ বাতিলের দাবিও জানানো হয়েছে।

সংগঠনটির নেতারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন সরকার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করবে এবং দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here