সংরক্ষিত নারী আসনকে ঘিরে জাতীয় রাজনীতির পাশাপাশি বরিশালেও শুরু হয়েছে জোর আলোচনা। সরকার গঠনের পর সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের নির্বাচন রমজান মাসের মধ্যেই অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে আভাস দিয়েছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন।
সেইলক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ত্যাগী ও আন্দোলন সংগ্রামে সক্রিয় নারী নেত্রীরা মনোনয়ন পাওয়ার দৌঁড়ে ইতোমধ্যে তৎপরতা শুরু করেছেন।
দলীয় নেত্রীরা বলছেন, বিগত ১৭ বছর রাজপথে যাদের ভূমিকা ছিল তারাই সংরক্ষিত নারী আসনের প্রকৃত দাবিদার হওয়া উচিত। সমর্থকদের দাবি, দীর্ঘদিনের সাংগঠনিক অবদান, নেতৃত্বগুণ ও ত্যাগের স্বীকৃতি হিসেবে নারী নেত্রীদের সংরক্ষিত নারী আসনে মনোনয়ন দেওয়া হলে তা দলের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করবে।
তারা আরও বলেন, মনোনয়নেরক্ষেত্রে ত্যাগীদের মূল্যায়ন করা না হলে ভবিষ্যতে কোন নেতা-নেত্রীরা নিজেদের জীবনবাঁজি রেখে দলের জন্য ত্যাগ স্বীকার করবেন না। তাই ত্যাগীদের অতীত ইতিহাস ও ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে অবৈধ সুবিধা নেওয়ার বিষয়ে সঠিক পর্যালোচনা করে মনোনয়ন দেওয়ার জন্য তারা দলের চেয়ারম্যান ও নীতিনির্ধারকদের কাছে জোর দাবি জানিয়েছেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সংরক্ষিত নারী আসনে বরিশাল বিভাগ থেকে আলোচনায় রয়েছেন চারজন নারীনেত্রী। তারা হলেন, বিএনপির বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও সংরক্ষিত আসনের সাবেক এমপি অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরিন।
বিগত আন্দোলন সংগ্রামে রাজপথ কাঁপানো ও অসংখ্যবার কারাবরণকারী নেত্রী বরিশাল মহানগর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আফরোজা খানম নাসরিন।
বরিশাল মহানগর মহিলাদলের সভাপতি দলের দুর্দীনের আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে সক্রিয়ভাবে ভূমিকা পালন করা অধ্যাপিকা ফারহানা তিথি।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ঝালকাঠী জেলা আহবায়ক কমিটির সদস্য জিবা আমিনা আল গাজী। সাবেক সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সহিদুল আলম তালুকদারের সহধর্মিণী, বাউফল উপজেলা মহিলা দলের সাবেক সভানেত্রী এবং পটুয়াখালী জেলা বিএনপির আহবায়ক কমিটির সাবেক সদস্য হিসেবে দীর্ঘদিন রাজপথে সক্রিয় থাকা দক্ষ ও পরীক্ষিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব সালমা আলম লিলি তালুকদার।




