তোমাকে খুব দেখতে ইচ্ছে করে মা। আর স্বাদের খাবারও খেতে ইচ্ছে করে। ইচ্ছে করে বন্ধুদের সাথে ছুটোছুটি করতে খেলাধূলা করতে। কিন্তু আমি চোখে ঝাপসা দেখছি। ভালোমতো খেতেও পারছি না। দৌড়ানোর শক্তিও পাইনা। আমি আর তোমাকে দেখতে পাবোনা মা? ‘ অত্যন্ত কষ্টের একথা গুলো বলেছে অভিজিত সরকার নামের ৬ বছরের ছোট্ট এক বালক। তার বাড়ি নাটোরের সিংড়া উপজেলার শেরকোল বন্দর এলাকায়। তার বাবার নাম উত্তম সরকার, মা টপি রাণী।
এ রোগে দৃষ্টিশক্তি কমে যায়। হাঁটাচলা দুরূহ হয়ে পড়ে। খাবারে অরুচি আসে। তাছাড়া প্রসাবেও সমস্যা তৈরি হয়।
অভিজিতের বাবা উত্তম সরকার জানান অভিজিতের এই রোগের জন্য গত ২ মাসে চিকিৎসা বাবদ প্রায় দেড় লক্ষ টাকা খরচ হয়ে গেছে। ডাঃ মালিহা হাকীম জানিয়েছেন অভিজিতের লিউকোডায়োস্ট্রফির উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে দেশের বাইরে নিতে হবে, এজন্য কমপক্ষে ১০ / ১২ লক্ষ টাকা প্রযোজন। আমি গার্মেন্টসে ছোট চাকুরী করি। এতো টাকা কোথায় পাবো! তাই দেশের স্বাস্হ্য মন্ত্রণালয় এবং সমাজের বিত্তবানদের কাছে সাহায্য প্রার্থনা করছি।
অভিজিতের মা টপি রাণী বিরল ও জটিল রোগে আক্রান্ত তার একমাত্র সন্তানের চিকিৎসায় সাহায্যের জন্য সমাজের বিত্তবান ও দানশীল ব্যক্তিদের প্রতি উদাত্ত অনুরোধ জানান।




