ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ঘনিয়ে আসছে। ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণের আগে মনোনয়নপত্রে প্রকাশিত হলফনামা থেকে জানা গেছে, বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও জাতীয় পার্টির শীর্ষ ৫ নেতার মাসিক আয় লাখ টাকারও কম, যা আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সবচেয়ে কম আয়ের তালিকায় রয়েছেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। পেশায় চিকিৎসক হলেও তার আয়ের উৎস মূলত কৃষি ও অনুদান। তিনি বছরে ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা আয় করেন, যা মাসে দাঁড়ায় মাত্র ৩০ হাজার টাকায়।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের রাজনৈতিক জীবিকা নিয়ে থাকলেও তাঁর মাসিক আয় ৩৩ হাজারের কিছুটা বেশি, বার্ষিক আয় ৪ লাখ টাকা।
এদিকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দুই নেতার তুলনায় কিছুটা এগিয়ে; তার বছরে আয় ৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা, মাসিক প্রায় ৫৬ হাজার টাকা।
রংপুর-৪ আসনের প্রার্থী আখতার হোসেন নগদ ১৩ লাখ টাকা ও কৃষি ব্যবসা ও চাকরি থেকে বছরে আয় ৫ লাখ ৫ হাজার টাকা। মাসিক আয় ৪২ হাজার টাকা।
ঠাকুরগাঁও-১ আসনের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বার্ষিক আয় ১১ লাখ ৩৩ হাজার ১৮৩ টাকা; মাসিক প্রায় ৯৫ হাজার টাকা।
ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী নাহিদ ইসলাম পরামর্শক হিসেবে বছরে আয় করেন ১৬ লাখ টাকা, যা মাসে ১ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি।
পাশাপাশি, বরিশাল-৫ আসনের ফয়জুল করীম ব্যবসা, শিক্ষকতা ও মাহফিলের হাদিয়া থেকে এখন বছরে ১৪ লাখ টাকার বেশি আয় করছেন।
অন্যদিকে জাতীয় পার্টির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী শীর্ষ আয়ের তালিকায়; আইন, ব্যবসা ও অন্যান্য খাত থেকে বার্ষিক আয় ৩৩ লাখ, মাসিক ২ লাখ ৭৫ হাজার টাকা।
নির্বাচন কমিশন এবার হলফনামা বিষয়ে কঠোর। তথ্য মিথ্যা প্রমাণিত হলে প্রার্থিতা বাতিল এবং জরিমানার বিধান আছে।
মনোনয়নপত্র জমার শেষ দিন ছিল ২৯ ডিসেম্বর। বাছাই প্রক্রিয়া ৪ জানুয়ারি শেষ হয়েছে। আপিল ৬-১২ জানুয়ারি, নিষ্পত্তি ১২-১৮ জানুয়ারি। প্রার্থীরা ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত প্রত্যাহার করতে পারবেন। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ ও প্রতীক বরাদ্দ হবে ২১ জানুয়ারি। প্রচারণা ২২ জানুয়ারি থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭টা পর্যন্ত চলবে।




