Home Blog Page 162

বিয়ে করলেন রাশমিকা মান্দানা, বর কে?

দীর্ঘ সাত বছরের প্রেমের পর অবশেষে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন দক্ষিণী তারকা রাশমিকা মান্দানা ও বিজয় দেবরাকোন্ডার।

রাজস্থানের উদয়পুরে বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঘনিষ্ঠ পরিসরে তাদের বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়।

হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদন অনযায়ী, সকাল প্রায় ১০টা ১০ মিনিটের কিছু পরে বিয়ে করেছেন এই জুটি।

বিয়ের প্রস্তুতি চলছিল বেশ কিছুদিন ধরেই। রাজকীয় আয়োজনে বিয়ে করেছেন তারা।

পরিবারের সদস্য ও নিকট বন্ধুদের উপস্থিতিতে আয়োজন করা হয়েছে বিয়ের অনুষ্ঠানের।

ভক্তদের ভালোবাসার ডাকনামকে সম্মান জানিয়ে নিজেদের এই মিলনকে তারা নাম দিয়েছেন ‘বিরোশ’-এর বিয়ে।

বিয়ের আনুষ্ঠানিক ছবি ও ভিডিও প্রকাশের অপেক্ষায় আছেন তাদের অগণিত ভক্ত।

স্যোশাল মিডিয়ায় ইতোমধ্যেই শুভেচ্ছার বন্যায় ভাসছেন নবদম্পতি।  অন্যদিকে, তাদের বিয়ের বিভিন্ন এআই ছবি এখন ভাইরাল হচ্ছে যেগুল ভুয়া।

রাশমিকা ও বিজয় প্রথম একসঙ্গে অভিনয় করেন ‘গীতা গোবিন্দম’ ও ‘ডিয়ার কমরেড’ সিনেমায়। পর্দার রসায়ন থেকেই বাস্তব জীবনের সম্পর্কের সূচনা। যদিও দীর্ঘদিন সম্পর্ক নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন তারা, সম্প্রতি প্রকাশ্যে নিজেদের সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন।

বিজয় দেবরাকোন্ডা ‘অর্জুন রেড্ডি’ সিনেমার মাধ্যমে সারা দেশে ব্যাপক পরিচিতি পান। অন্যদিকে রাশমিকা মান্দানা ‘গীতা গোবিন্দম’, ‘পুষ্পা: দ্য রাইজ’ ও ‘অ্যানিমাল’-এর মতো সফল সিনেমার মাধ্যমে তেলেগু ও কন্নড় সিনেমার অন্যতম জনপ্রিয় মুখ হয়ে ওঠেন।

হাট বাজার কমিটির সদস্য সচিবকে ছাড়াই টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ২০২৬ সালে বাংলা (১৪৩৩) সনের এক বছরের জন্য ২২টি  হাট বাজারের ইজারা দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। কিন্তু নিয়মনীতি তোয়াক্কা না করে ও হাট বাজার ইজারা মুল্যয়ন কমিটির সদস্য সচিবকে না জানিয়ে পত্রিকায় টেন্ডার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করায় কমিটি অন্যান্য সদস্যদের মাঝে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।

জানাগেছে, উপজেলা ৯ টি ইউনিয়নে ছোট বড় ২২টি হাট-বাজার রয়েছে। এসব হাট বাজার ইজারা ও বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে সভাপতি ও উপজেলা প্রকৌশলীকে সদস্য সচিব করে ৬ সদস্যের একটি মুল্যয়ন কমিটি গঠন করা হয়। সদস্য সচিব উপজেলা প্রকৌশলী ইজারা প্রক্রিয়ার কারিগরি দিক বাজারের আয়তন,পরিমাপ ও ইজারা মুল্য যাচাই বাচাই করবেন। তিনি দরপত্র মুল্যয়ন নথিপত্র উপস্থাপন,ইজারার ভৌত অবকাঠামো রক্ষনাবেক্ষণ এবং সরকারের বিধি মোতাবেক সর্বচ্চ দরদাতাকে ইজারা প্রদানের সুপারিশ করবেন। কিন্তু কমিটির সদস্য সচিব উপজেলা প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন এ বিষয়ে আমাকে কিছুই জানানো হয়নি। যথাযত প্রক্রিয়া অনুসরন করে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়নি বলেও তিনি জানান। অন্যান্য সদস্যরাও এ বিষয়ে কিছু জানেন না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।

এছাড়াও অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ের এক প্রভাবশালী অফিস সহকারী আত্মীয়তা রক্ষা করতে নির্বাহী অফিসারকে ম্যানেজ করে গত ২০ ফেব্রুয়ারী-২৬ ইং তারিখে তার পছন্দের লোক দিয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করান।

কিন্তু স্থানীয় সরকার আইন এবং টেন্ডার বিধিমালা অনুযায়ী হাট বাজার কমিটির সদস্য সচিবকে না জানিয়ে বা রেজুলেশন ছাড়া বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা সমপুর্ণ অবৈধ ও অনিয়ম। এর ফলে এটি প্রশাসনিক ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতির সুযোগ থেকে যায় বলে অনেকে মনে করছেন।

হাট বাজার কমিটির সদস্য লোকমান আলম বলেন,একই কথা আমারও আমি একজন সদস্য হিসেবে কিছু জানি না। এবিষয়ে কোন আলোচনা বা রেজুলেশনে স্বাক্ষর করা হয়নি। আমাকে কোন অবগত করেনি। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও হাট বাজার কমিটির সভাপতি তানজিমা আঞ্জুম সোহানিয়াকে মুঠোফোনে একাধিকবার কল ও হোয়াট’সঅ্যাপ এ মেসেজ করলেও কোন উত্তর পাওয়া যায়নি।

তিস্তা থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের অভিযান

উত্তরাঞ্চলের তিস্তা নদী ঘিরে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করা হচ্ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ প্রভাবশালীদের ছত্র ছায়ায় বেশ কিছু চক্র অর্ধশতাধিক অবৈধ বোমা মেশিন স্থাপন করে তিস্তা নদী হতে পাথর তুলে আঙুল ফুলে কলা গাছে পরিনত হচ্ছে। পাশাপাশি পাথর উত্তোলন ও তা পরিবহনে নদীর তলদেশ তলিয়ে যাচ্ছে। যার প্রভাব পড়েছে ওই এলাকার গ্রাম গুলো সড়ক ও বসতভিটাগুলোতে। অনেকে ভুমি ধ্বসের আশংঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

সুত্র মতে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার টেপাখরিবাড়ি ও খালিশাচাঁপানী এলাকায় প্রভাবশালীরা অবৈধভাবে তিস্তা নদীতে  বোমা মেশিন স্থাপন করে পাথর উত্তোলন করে আসছে। উত্তোলনকৃত পাথর প্রথমে ইঞ্জিন চালিত নৌকায় ও পরে ট্রলিতে পরিবহন করা হয়। এতে নদীপাড়ে অরাজকতা সৃস্টি করে।

এলাকাবাসীর এমন অভিযোগ পেয়ে নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করার দায়ে ১১ টি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ও কয়েকটি বোমা মেশিনসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম বিনষ্ট করেছে উপজেলা প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে টেপাখড়িবাড়ি ও খালিশাচাপানি ইউনিয়নের তিস্তা নদী সংলগ্ন এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে নেতৃত্বে দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইমরানুজ্জামান। তাকে সহায়তা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) রওশন কবির, বিজিবি ও পুলিশের সদস্যরা।

জানা যায়, একটি প্রভাবশালী মহল দীর্ঘদিন ধরে তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন করে বিক্রি করে আসছিল। অভিযোগ পেয়ে বিকেলে অভিযান চালানো হয়। এ সময় প্রশাসনের উপস্থিতি টের পেয়ে পাথর উত্তোলনকারীরা পালিয়ে যায়। পরে নদী থেকে উত্তোলিত পাথর বহনের কাজে ব্যবহৃত ১১ টি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ও ৬টি শ্যালো ও কয়েকটি বোমা মেশিন বিনষ্ট করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইমরানুজ্জামান বলেন, তিস্তা নদী থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধ করতে হবে।  আমরা প্রশাসনের পক্ষে এটি বন্ধে কাজ করছি।   অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।  আগামীতে অভিযান চলমান থাকবে।

তিস্তা থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন বন্ধে প্রশাসনের অভিযান

শ্রেণি বিভক্ত সমাজে প্রথম এবং চিরস্থায়ী যে বিভাজন সময় আর সভ্যতাকে নাড়া দিয়েছে তা হলো নারী-পুরুষ বিভেদ পার্থক্য। যা একবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকের মধ্যাহ্নে ও তাড়া করে বেড়াচ্ছে। তাছাড়া শব্দটি যৌক্তিক না হলেও কঠিন রূঢ় এক সত্যবচন। যা আজও ঘোচানো গেলই না। তথ্য প্রযুক্তির নব বিশ্বায়নে তা আরও অসহনীয় এক দুর্বিসহ বাতাবরণ। শ্রম শক্তি যে কোন সমাজ সংস্কারের অবধারিত নির্ণায়ক যা শুধু পরিবেশ পরিস্থিতির নির্ধারকই নয় বরং অভাবনীয় এক শীক্ত ময়তার চূড়ান্ত নির্দেশক। আর যে কোনো সমাজের অর্থনীতি পুরো ব্যবস্থার নির্ণায়কই নয় বরং চারিকা শক্তির বিচারেও অগ্রগণ্য।
স্বৈরাচার পতনের পর নতুন ও বদলে যাওয়া আধুনিক বাংলাদেশ পুনরায় নতুন অবয়বে তৈরি করতে গেলে হরেক বৈষম্য বিভাজন চিহ্নিত করাও জরুরি। আর শ্রম বাজারে অর্ধাংশ নারীর সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়া পরিবর্তিত পরিবেশকে আরও বেশি করে ন্যায্যতা দেওয়া। তবে ইদানীং নারীর শ্রম বাজারে দৃশ্যমান অগ্রগতিতে পিছু হটা কোনোভাবেই মান্যতা পায় না। সমসংখ্যকের যে কোনো একটি অংশ যদি তার অধিকার, ন্যায্যতা কিংবা এগিয়ে যাওয়ার পথে পিছিয়ে যায় তাহলে সার্বিক উন্নয়ন, প্রবৃদ্ধি অধরা থেকেই যাবে। আর অর্থনীতিতে তো অনেকখানিই। তাছাড়া দশভুজা নারীরা একদিকে সংসার চালান অন্যদিকে কর্মজীবন ও নির্বিঘেœ সম্পন্ন করা সমতার আদলে সবাই এগিয়ে চলার পরম বার্তা তো বটেই। যদিও নারীদের গৃহশ্রমকে কখনোই ধর্তব্যের মধ্যেই আনা হয় না। বরং বিধাতার সৃষ্টিযজ্ঞের অন্যতম কর্মযোগ হিসেবেই ধরা হয়।
সম্প্রতি অর্থনীতি ও ইডেন মহিলা কলেজের এক আলোচনা সভায় নতুন এমন সব সার্বজনীন চিরস্থায়ী তথ্য সত্য উঠে আসছে। শুধু বর্তমানে বিভিন্ন শ্রম শক্তিতে উদ্বেগজনক হারে নারীর অংশগ্রহণ কমে যাওয়াও সংশ্লিষ্টদের জন্য কোনো শুভ সংকেতই নয়। বরং অবধারিত চিরস্থায়ী দুর্ভোগের সময়ের গতিতে আরো বেহাল অবস্থাকেই প্রতীয়মান করছে।
বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি ও ইডেন মহিলা কলেজের যৌথ উদ্যোগে এক আলোচনা সভায় এই আশঙ্কা উঠে আসে। নারীর ক্ষমতায়ন নতুন কিছু নয়Ñ যা যুগ যুগান্তরের পরম নির্মাল্য। সেই সৃষ্টি আদিকাল থেকেই সমাজ সংস্কারের কৃষি সভ্যতার বিকাশও নারীর হাতেই তৈরি হয়েছে বলে নৃ ও সমাজ বিজ্ঞানীদের বদ্ধমূল ধারণা। এমনকি পৃথিবীতে যে আদি ও অকৃত্রিম সংগঠন পরিবার তাও মাতৃতান্ত্রিক বলে আমেরিকান নৃবিজ্ঞানী লুইস হেনরি মর্গান তাঁর আদিম সমাজ বইটিতে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের ভিত্তিতে গবেষণা চালিয়ে এমন চিরস্থায়ী বরমাল্য দুনিয়াকে উপহার দেন। শুধু কি তাই? পরিবার হিসেবেও মাতৃতান্ত্রিকই সবার আগে প্রতিষ্ঠা পায়। অবাধ স্বেচ্ছার আর দলগত বিয়েতে পিতার পরিচয় ছিল এক অজানা বিস্ময়। মায়ের জঠর থেকে সন্তান আসতো বলে মাকেই চেনা গেছে।

শ্রমশক্তিতে নারী

শ্রেণি বিভক্ত সমাজে প্রথম এবং চিরস্থায়ী যে বিভাজন সময় আর সভ্যতাকে নাড়া দিয়েছে তা হলো নারী-পুরুষ বিভেদ পার্থক্য। যা একবিংশ শতাব্দীর তৃতীয় দশকের মধ্যাহ্নে ও তাড়া করে বেড়াচ্ছে। তাছাড়া শব্দটি যৌক্তিক না হলেও কঠিন রূঢ় এক সত্যবচন। যা আজও ঘোচানো গেলই না। তথ্য প্রযুক্তির নব বিশ্বায়নে তা আরও অসহনীয় এক দুর্বিসহ বাতাবরণ। শ্রম শক্তি যে কোন সমাজ সংস্কারের অবধারিত নির্ণায়ক যা শুধু পরিবেশ পরিস্থিতির নির্ধারকই নয় বরং অভাবনীয় এক শীক্ত ময়তার চূড়ান্ত নির্দেশক। আর যে কোনো সমাজের অর্থনীতি পুরো ব্যবস্থার নির্ণায়কই নয় বরং চারিকা শক্তির বিচারেও অগ্রগণ্য।
স্বৈরাচার পতনের পর নতুন ও বদলে যাওয়া আধুনিক বাংলাদেশ পুনরায় নতুন অবয়বে তৈরি করতে গেলে হরেক বৈষম্য বিভাজন চিহ্নিত করাও জরুরি। আর শ্রম বাজারে অর্ধাংশ নারীর সরাসরি সম্পৃক্ত হওয়া পরিবর্তিত পরিবেশকে আরও বেশি করে ন্যায্যতা দেওয়া। তবে ইদানীং নারীর শ্রম বাজারে দৃশ্যমান অগ্রগতিতে পিছু হটা কোনোভাবেই মান্যতা পায় না। সমসংখ্যকের যে কোনো একটি অংশ যদি তার অধিকার, ন্যায্যতা কিংবা এগিয়ে যাওয়ার পথে পিছিয়ে যায় তাহলে সার্বিক উন্নয়ন, প্রবৃদ্ধি অধরা থেকেই যাবে। আর অর্থনীতিতে তো অনেকখানিই। তাছাড়া দশভুজা নারীরা একদিকে সংসার চালান অন্যদিকে কর্মজীবন ও নির্বিঘেœ সম্পন্ন করা সমতার আদলে সবাই এগিয়ে চলার পরম বার্তা তো বটেই। যদিও নারীদের গৃহশ্রমকে কখনোই ধর্তব্যের মধ্যেই আনা হয় না। বরং বিধাতার সৃষ্টিযজ্ঞের অন্যতম কর্মযোগ হিসেবেই ধরা হয়।
সম্প্রতি অর্থনীতি ও ইডেন মহিলা কলেজের এক আলোচনা সভায় নতুন এমন সব সার্বজনীন চিরস্থায়ী তথ্য সত্য উঠে আসছে। শুধু বর্তমানে বিভিন্ন শ্রম শক্তিতে উদ্বেগজনক হারে নারীর অংশগ্রহণ কমে যাওয়াও সংশ্লিষ্টদের জন্য কোনো শুভ সংকেতই নয়। বরং অবধারিত চিরস্থায়ী দুর্ভোগের সময়ের গতিতে আরো বেহাল অবস্থাকেই প্রতীয়মান করছে।
বাংলাদেশ অর্থনীতি সমিতি ও ইডেন মহিলা কলেজের যৌথ উদ্যোগে এক আলোচনা সভায় এই আশঙ্কা উঠে আসে। নারীর ক্ষমতায়ন নতুন কিছু নয়Ñ যা যুগ যুগান্তরের পরম নির্মাল্য। সেই সৃষ্টি আদিকাল থেকেই সমাজ সংস্কারের কৃষি সভ্যতার বিকাশও নারীর হাতেই তৈরি হয়েছে বলে নৃ ও সমাজ বিজ্ঞানীদের বদ্ধমূল ধারণা। এমনকি পৃথিবীতে যে আদি ও অকৃত্রিম সংগঠন পরিবার তাও মাতৃতান্ত্রিক বলে আমেরিকান নৃবিজ্ঞানী লুইস হেনরি মর্গান তাঁর আদিম সমাজ বইটিতে প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণের ভিত্তিতে গবেষণা চালিয়ে এমন চিরস্থায়ী বরমাল্য দুনিয়াকে উপহার দেন। শুধু কি তাই? পরিবার হিসেবেও মাতৃতান্ত্রিকই সবার আগে প্রতিষ্ঠা পায়। অবাধ স্বেচ্ছার আর দলগত বিয়েতে পিতার পরিচয় ছিল এক অজানা বিস্ময়। মায়ের জঠর থেকে সন্তান আসতো বলে মাকেই চেনা গেছে।

আর নব্য দুনিয়ার তথ্যপ্রযুক্তির অলংকরণে তেমন নারী শক্তি আজও তার নীরব শ্রম, অদৃশ্য কর্মনিষ্ঠায় সমাজ সভ্যতাকে নতুন মাত্রা দিয়ে যাচ্ছে। মূল্য অমূল্য আর এক হিসেবে নিকেশের বিষয়। কিন্তু বাস্তব প্রেক্ষাপট প্রতিনিয়তই যা প্রমাণ করেই যাচ্ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ত্রৈমাসিক শ্রম শক্তি জরিপে বিভিন্ন অসঙ্গতি স্পষ্টতই সামনে চলে আসে বাংলাদেশ এখনো সিংহভাগ পল্লী জননীর নিভৃত ছায়ায় কাল যাপনের এক অনন্য অধ্যায়, সময় বললেও বেশি নয়, কিন্তু। তাই শ্রম শক্তিতে নারীর অংশ কমে যাওয়ার সচিত্র প্রতিবেদন উঠে আসছে প্রান্তিক অঞ্চলও নারীদের ওপর গবেষণায়।
অতি প্রাসঙ্গিকভাবেই বিঘœতার জাল কেন এখনো সচল ক্রিয়াশীল তা অনুধাবনে পিতৃতান্ত্রিকতকেই দায়ী করা হচ্ছে। তবে তা আংশিক সত্য হলেও পুরোপুরি নয়। কারণ বিভিন্ন সময় নারীরা নিজেও অনেক কিছু থেকে আপন ইচ্ছেয় পিছিয়ে থাকেন। দৃষ্টান্ত হিসেবে উল্লেখ করা যায় যান্ত্রিক কলা কৌশলে সমসংখ্যক পিছনে পড়ে থাকা সবটা অদক্ষ আর অক্ষমতার কারণে নয়। এমনকি পুরুষের জন্য নয়। বরং নারীরা স্বভাবগত কারণে নব্যপ্রযুক্তিও আধুনিকতার অনেক নতুন সময় থেকে  পেছনে থাকেন, গ্রহণ করার মানসিকতা জগতেও সময় ক্ষেপণ করতে হয়। তবে বর্তমানে তা অনেকাংশে দূরীভূত হলেও আঁধার এখনো কাটেইনি।

তা না হলে এমন তথ্য সত্য কেন বিভিন্ন গবেষণায় উঠে আসবে? প্রশ্ন থেকেই যায়। সমতা নির্ভর শ্রম বাজার তৈরি যেমন যৌক্তিকও প্রাসঙ্গিক পাশাপাশি গ্রহণ করার মানসিকতা, মূল্যবোধও অত্যাবশ্যক। সেখানেও জোর দেয়া সময়ের অপরিহার্যতা। গ্রামীণ নারীদের উঠোন বৈঠকে মধ্যে ফোন আর যন্ত্রের প্রতি মানসিকতাই শুধু নয় গ্রহণ করার অপরিহার্যতা ও দৃশ্যমান হচ্ছে। যা যন্ত্রসভ্যতায় দেশের সবাইকে এগিয়ে নিতে শুভ পদক্ষেপ বলাই যায়। নতুন যে কোন সৃষ্টি, ভাব সম্পদ মেনে নিতে সমসংখ্যক নারী বরাবরই পেছনে ছিল। আধুনিকতার বরমাল্যে তা কমে আসলেও বাধা বিপত্তি শেকড়ের গভীরে প্রচ্ছন্নভাবে জিইয়ে আছে।
সঙ্গত কারণে নতুন পুরাতনের দ্বন্দ্বে সব সময় নারীরাই পিছিয়ে থাকে। বর্তমানে তা কমে আসলেও একেবারে শিকড় থেকে উপড়ে ফেলা সম্ভব হয়ইনি। বিশিষ্টজনের অভিমত দিচ্ছেন-নারীরা এগিয়ে যাচ্ছে নিঃসন্দেহে। কিন্তু শ্রমবাজারে তাদের মূল শক্তি বিনিয়োগ হতে দেরি হলে সমস্যা গোটা অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলার আশঙ্কা কোনোভাবেই উড়িয়ে দেওয়া যাবে না।
ইডেন মহিলা কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের প্রতিনিধি ছাড়াও বাংলাদেশ অর্থনীতি সংগঠনের প্রতিনিধিরাও অংশ নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো চিহ্নিত করলেন যে শ্রমশক্তি সমাজ সভ্যতার ধারক সেখানে সমান সংখ্যকের এক অংশও যদি পিছিয়ে থাকে তাহলে উন্নয়ন, গতিশীলতা আসতে আরও বিলম্ব হতে সময় নেবে না। আর অর্থনীতি উন্নতিশীলতাও সুদূরপরাহত হবে।
অপরাজিতা প্রতিবেদক

দেশে আজ যে দামে বিক্রি হবে স্বর্ণ

সবশেষ গত সোমবার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সে সময় ভরিতে তিন হাজার ২৬৬ টাকা বাড়িয়ে দুই লাখ ৬১ হাজার ৪০ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস।

ভোরে আমির হামজার ফেসবুক পোস্ট, মুহূর্তেই ভাইরাল

কুষ্টিয়া-৩ আসনের আলোচিত এমপি মুফতি আমির হামজা ভোররাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্ট দিয়ে তার সমর্থকদের উদ্দেশে বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ভোররাতে দেওয়া ওই পোস্টে তিনি দেশবাসী ও তার সকল শ্রেণির সমর্থকদের উদ্দেশে বলেন, তাকে নিয়ে যেসব জায়গায় কটু কথা বলা হয়, সেখানে গিয়ে কেউ যেন খারাপের জবাবে খারাপ ভাষা ব্যবহার না করেন।

পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘প্রিয় দেশবাসী এবং আমার সকল শ্রেণির সমর্থকবৃন্দ, আপনাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাই, আমাকে নিয়ে যেসমস্ত জায়গায় মিডিয়া ট্রায়াল চলে অথবা আমাকে নিয়ে কটু কথা বলা হয়, সেসব জায়গায় গিয়ে আপনারা খারাপের বিপরীতে খারাপ কথা বলে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবেন না।’

তিনি আরও বলেন, সমর্থকরা চাইলে সুন্দরভাবে বুঝিয়ে বলবেন অথবা নীরব থেকে এড়িয়ে যাবেন। তবে কোনো অবস্থাতেই তার পক্ষ নিয়ে কাউকে বিন্দুমাত্র কটু কথা না বলার আহ্বান জানান তিনি। ‘মুমিনের জবান থেকে অপর মুমিন হেফাজতে থাকবে, এটিই আমাদের কাম্য’, উল্লেখ করেন এমপি আমির হামজা।

নিজের বিরুদ্ধে কটূক্তির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এসব বিষয়ে তার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। তিনি দাবি করেন, এ ধরনের সমালোচনায় তিনি বিচলিত নন এবং ‘নিশ্চয়ই মিথ্যার উপরে সত্য বিজয়ী হবে।’

এনসিপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ইফতারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ইফতার মাহফিলে অংশ নিতে আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ।

গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসভবনে গিয়ে তার হাতে আমন্ত্রণপত্র তুলে দেন। পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, মন্ত্রী সানন্দে দাওয়াত গ্রহণ করেছেন।

পোস্টে আখতার হোসেন লেখেন, ‘দেশ যাবে নতুন পথে, ফিরবে না আর ফ্যাসিবাদে’—এই প্রতিপাদ্য সামনে রেখে এনসিপির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হবে।

রাজধানীর ধানমন্ডি আবাহনী মাঠ-এ আয়োজিত ইফতার মাহফিলের মধ্য দিয়ে মূল কর্মসূচির সূচনা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ সম্মতি দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

ভূমি অফিসে সেবা ফি সাইনবোর্ডে টানানোর নির্দেশ

ভূমিসেবায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। সরকার নির্ধারিত সব ফি উপজেলা, সার্কেল ও ইউনিয়ন কিংবা পৌর ভূমি অফিসের দৃশ্যমান স্থানে স্থায়ী সাইনবোর্ডে টানিয়ে রাখতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি বন্ধ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

নাগরিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে বলা হয়েছে, নির্ধারিত ফির বাইরে কেউ অতিরিক্ত অর্থ দাবি করলে সঙ্গে সঙ্গে ১৬১২২ নম্বরে অভিযোগ করতে হবে। নির্ধারিত ফি ছাড়া অন্য কোনো অর্থ আদায় করা যাবে না বলেও স্পষ্ট করা হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিভিন্ন সেবার ফি বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়েছে। নামজারি করতে মোট খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ১৭০ টাকা। এর মধ্যে রয়েছে কোর্ট ফি ২০ টাকা, নোটিশ জারি ফি ৫০ টাকা, রেকর্ড সংশোধন বা হালনাগাদ ফি ১ হাজার টাকা এবং প্রতি কপি খতিয়ান সরবরাহ ফি ১০০ টাকা।

খতিয়ানের সার্টিফায়েড কপি বা অনলাইন কপির জন্য ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ১২০ টাকা। ডাকযোগে কপি নিতে চাইলে অতিরিক্ত ৪০ টাকা ডাকমাশুল দিতে হবে। মৌজা মানচিত্রের প্রতি শিটের জন্য ফি ৫৪৫ টাকা; ডাকযোগে পেতে চাইলে অতিরিক্ত ১১০ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নির্ধারিত তালিকার বাইরে কোনো ধরনের অর্থ আদায় আইনসম্মত নয়। সেবাপ্রার্থীদের হয়রানি বন্ধ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা পাকিস্তানের

আফগানিস্তানের তালেবান সরকারের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য যুদ্ধ ঘোষণা করেছে পাকিস্তান।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতজুড়ে উভয় দেশের বাহিনীর মধ্যে তুমুল সংঘর্ষ শুরু হয়েছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুক্রবার আফগানিস্তানের কাবুল, কান্দাহার ও আরও অনেক জায়গায় হামলা চালিয়েছে পাকিস্তান বাহিনী।

খবরে বলা হয়েছে, কাবুলে অন্তত তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। এর আগে আফগান বাহিনী পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীকে লক্ষ্য করে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাকিস্তানের।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছেন, আমাদের ধৈর্যের সীমা পেরিয়ে গেছে। এখন আমাদের এবং তোমাদের মধ্যে প্রকাশ্য যুদ্ধ।

অন্যদিকে আফগানিস্তানের সাবেক প্রেসিডেন্ট বলেছেন, আফগানরা সকল পরিস্থিতিতে সম্পূর্ণ ঐক্যের সঙ্গে তাদের প্রিয় মাতৃভূমিকে রক্ষা করবে এবং সাহসের সাথে

তিনি আরও বলেছেন, পাকিস্তান সহিংসতা ও বোমা হামলা থেকে নিজেকে মুক্ত করতে পারবে না – এসব সমস্যা তারা নিজেই তৈরি করেছে। তাদের নিজস্ব নীতি পরিবর্তন করতে হবে এবং আফগানিস্তানের সঙ্গে সুপ্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক, শ্রদ্ধা এবং সভ্য সম্পর্কের পথ বেছে নিতে হবে।

উভয় দেশেরই নিরাপত্তা বাহিনীর বহু সদস্য নিহত হয়েছে বলে দেশ দুইটি দাবি করেছে। তবে প্রকৃত সংখ্যা এখন পর্যন্ত যাচাই করা সম্ভব হয়নি বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।