Home Blog Page 178

ভোট দিতে যাবার আগে যেসব তথ্য জানা জরুরি

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষ্যে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচার-প্রচারণা শেষ হয়েছে।

ভোটের দিন ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আগে ও পরে কিছু বিষয় জানা দরকার। ভোট দিতে কী কী তথ্যের প্রয়োজন, ভোট দেওয়ার নিয়ম, ব্যালটপেপার ভাঁজ করতে হয় কি করে এবং নির্দিষ্ট ব্যালট বাক্সে ফেলার বিষয়ে জেনে নিলে ভোট প্রদানে কোনো জটিল পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে না।

অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া নির্বাচনে আগামী বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ করা হবে। ভোট দিতে যাওয়ার আগেই জেনে নিতে হবে সঠিক ভোটকেন্দ্র কোনটি ও ভোটার তালিকার ক্রমিক নম্বর।

এ দুটি বিষয় জানা থাকলে সময় যেমন বাঁচবে তেমনি ঝামেলাতেও পড়তে হবে না।

নির্বাচন কমিশনের ‘Smart Election Management BD’ অ্যাপ ব্যবহার করে এসব তথ্য সহজেই জেনে নেওয়া যাবে। অ্যাপটি গুগল প্লে স্টোর ও অ্যাপল অ্যাপ স্টোর থেকে ইন্সটল করা যাবে। এছাড়া ১০৫ নম্বরে কল করে ভোটকেন্দ্র, ভোটার নম্বর এবং ক্রমিক নম্বর জেনে নেওয়া যাবে।

এ জন্য ১০৫ নম্বরে কল করার পর অপারেটরের সঙ্গে কথা বলতে ৯ চাপতে হবে। এ পদ্ধতিতে তথ্য জানতে ভোটারের এনআইডি নম্বর ও জন্মতারিখ প্রয়োজন হবে। এসব তথ্য দিয়ে সহজেই জেনে নেওয়া যাবে ভোটকেন্দ্রসহ বাকি তথ্য।

অ্যাপ ও হটলাইন ছাড়াও এসএমএসের মাধ্যমে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানা যাবে। সেজন্য মোবাইলের মেসেজ অপশনে গিয়ে ‘পিসি এনআইডি’ (PC NID) লিখে ১০৫ নম্বরে পাঠাতে হবে।

ফিরতি এসএমএসে ভোটার নম্বর ও ভোটকেন্দ্রের তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে।

এসব ছাড়াও নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট, উপজেলা বা জেলা নির্বাচন অফিস থেকেও এ তথ্য পাওয়া যাবে। ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোটার তালিকা থেকেও এই তথ্য সংগ্রহ করা যাবে।

ভোট দিতে যাওয়ার সময় জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সঙ্গে রাখা উচিৎ। তবে এটির ওপর কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। এনআইডিকার্ড থাকলে নাম ও ছবি ভোটার তালিকায় থাকলে এবং পোলিং অফিসার আপনার পরিচয় নিশ্চিত করতে পারলে সহজেই ভোট দিতে পারবেন।

ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার সময় অবশ্যই মনে রাখতে হবে, কোনো রকম দাহ্য পদার্থ বা অস্ত্র নিয়ে ভোটারদের কেন্দ্রে প্রবেশ করা সম্পূর্ণ নিষেধ।

ভোট দেওয়ার প্রক্রিয়া

ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের পর পোলিং অফিসার প্রথমে ভোটারের নাম ও ক্রমিক নম্বর মিলিয়ে দেখবেন। সবকিছু ঠিক থাকলে ভোটারের বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলে বা অন্য কোনো আঙুলে অমোচনীয় কালির দাগ দেবেন। এরপর প্রিসাইডিং অফিসার বা পোলিং অফিসার ভোটারকে দুটি ব্যালট পেপার দেবেন (সংসদ নির্বাচন ও গণভোট)। ব্যালট পেপারের পেছনে অবশ্যই অফিশিয়াল সিল এবং প্রিসাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর আছে কি না দেখে নিতে হবে।

ব্যালট পেপার নেওয়ার প্রক্রিয়া শেষে ভোট প্রদানের জন্য নির্ধারিত গোপন কক্ষে যেতে হবে। ভোটের গোপনীয়তা রক্ষা এবং ভোটটি যেন বাতিল না হয়, সে জন্য ব্যালট ভাঁজ করা প্রত্যেক ভোটারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যালটে পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকের ওপর রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে স্পষ্ট করে সিল দিতে হবে। গণভোটে হ্যাঁ/না ভোট আলাদা ব্যালটে সিল দিতে হবে। সিল দেওয়ার পর ব্যালট পেপার এমনভাবে ভাঁজ করতে হবে যেন সিলের কালি অন্য কোনো প্রতীকের ওপর না লাগে। সাধারণত লম্বালম্বিভাবে ভাঁজ করা নিরাপদ। ভাঁজ করা ব্যালট পেপারটি উন্মুক্তস্থানে রাখা সংশ্লিষ্ট স্বচ্ছ ব্যালট বাক্সে ফেলে ভোট দিতে হবে। ভোট প্রদান প্রক্রিয়া শেষে দ্রুত কেন্দ্র ত্যাগ করতে হবে।

এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহার করা হচ্ছে না। এবারের ভোট হবে সম্পূর্ণ সনাতন পদ্ধতিতে, অর্থাৎ কাগজের ব্যালট ও ব্যালট বাক্সে। ‘Smart Election Management BD’ অ্যাপসহ ডিজিটাল প্ল্যাটফরমগুলো কেবল তথ্য আদান-প্রদান ও প্রশাসনিক সহায়তার জন্য ব্যবহার করা হচ্ছে, ভোট প্রদানের জন্য নয়।

সুদ নেই, ফি-ও নেই: শরিয়াহ ধাঁচে নতুন স্থায়ী আমানত স্কিম চালু করল কৃষি ব্যাংক

সঞ্চয়ের ওপর যারা সুদ নিতে আগ্রহী নন, সেইসব নাগরিকদের কথা মাথায় রেখে শরিয়াহ ধাঁচের সুদমুক্ত স্থায়ী আমানত স্কিম চালু করেছে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (বিকেবি)।

১ ফেব্রুয়ারি থেকে এই স্কিম চালু করার জন্য গত ২৯ জানুয়ারি এক সার্কুলারে ব্যাংকটি তাদের সব শাখা ব্যবস্থাপকদের নির্দেশ দিয়েছে। ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সের যেকোনো বাংলাদেশি নাগরিক এ হিসাব খুলতে পারবেন।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. খালেদুজ্জামান টিবিএসকে বলেন, দেশের ধর্মপ্রাণ নাগরিকদের চাহিদা বিবেচনা করে সুদমুক্ত আমানত হিসাব চালু করার অনুমোদন দিয়েছে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ।

এই স্কিমের আওতায় আমানতকারীরা কোনো সুদ পাবেন না। সেই বিবেচনায় আবগারি শুল্কসহ সরকারি ও ব্যাংকের যত ধরনের চার্জ আছে, সেগুলো আমানতকারীদের থেকে নেওয়া হবে না। চার্জগুলো আমানতকারীদের পক্ষে ব্যাংক পরিশোধ করবে।

পাশাপাশি একটি নির্দিষ্ট পরিমাণে আমানত রাখলে আমানতকারীকে ডেবিট কার্ডও দেওয়া হবে।

সার্কুলারে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে অগণিত ধর্মপ্রাণ নাগরিক আছেন, যারা কষ্টার্জিত অর্থ ভবিষ্যতের নিশ্চয়তা সৃষ্টির প্রয়োজনে সঞ্চয় আকারে জমা রাখতে আগ্রহী হলেও ব্যাংকের দেওয়া সুদ নিতে আগ্রহী নন।

এসব আমানতকারীর থেকে সুদমুক্ত আমানত সংগ্রহের সম্ভাবনা রয়েছে বলে মনে করে ব্যাংকটি।

সার্কুলারে আরও বলা হয়েছে, এ ধরনের ধর্মপ্রাণ গ্রাহকদের চাহিদা বিবেচনা করে এবং সুদহিবীন ও কম সুদের আমানত সংগ্রহের লক্ষ্য অর্জন ও আমানত ভিত্তি আরও শক্তিশালী করার জন্য ‘কৃষি ব্যাংক সুদমুক্ত স্থায়ী আমানত হিসাব’ চালু করা হয়েছে। গত বছরের ১৫ অক্টোবর ব্যাংকের ৮৮৭তম বোর্ড সভায় এই হিসাব খোলার অনুমোদন দেওয়া হয়।

হিসাব খোলার শর্ত

তবে এই হিসাব খোলার কিছু শর্ত রয়েছে। এই স্কিমে সর্বনিম্ন ২৫ হাজার টাকা জমা রাখতে হবে। সর্বোচ্চ যেকোনো পরিমাণ অর্থ এই হিসাবে রাখা যাবে। আমানতের মেয়াদ হবে ১ মাস থেকে ৩ বছর বা তার বেশি।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক জানিয়েছে, এই হিসাবে নিয়ম অনুযায়ী প্রতি বছর ডিসেম্বরে সরকারি আবগারি শুল্ক কাটা হবে। তবে আবগারি শুল্ক কাটার পরবর্তী দুই দিনের মধ্যে শাখা কর্তৃক স্বয়ংক্রিয়ভাবে তা পুনর্ভরন করা হবে।

আর এই হিসাব সুদমুক্ত বিধায় উৎসে কর কাটা হবে না।

এই হিসাবের কোনো রক্ষণাবেক্ষণ চার্জ নেবে না ব্যাংক। এমনকি হিসাব বন্ধ করা, স্টেটমেন্ট চার্জ ও এসএমএস চার্জও নেবে না ব্যাংক।

ব্যক্তির পাশাপাশি মসজিদ, মন্দির, প্যাগোডা, চার্চ, কবরস্থান, মাদ্রাসা, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, ক্লাব, সমিতি বা এ ধরনের যেকোনো প্রতিষ্ঠান বা সংগঠন এ হিসাব খুলতে পারবে।

তবে এই হিসাবের বিপরীতে ব্যাংক কোনো চেক ইস্যু করবে না। অর্থাৎ হিসাবটি হবে চেকবিহীন। হিসাব খোলার সময় গ্রাহককে আমানত রশিদ দেওয়া হবে।

এই হিসাব এক শাখা থেকে অন্য শাখায় নেওয়া যাবে না। হিসাবের বিপরীতে কোনো ঋণও দেওয়া হবে না।

অন্যান্য ব্যাংকের তুলনায় যেমন হবে এ হিসাব

সাধারণত দেশের ইসলামী শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলোতে এ ধরনের হিসাব পরিচালনা করা হয়ে থাকে। আল-ওয়াদিয়াহ নামে এই হিসাব পরিচালনা করে ইসলামী শরিয়াহভিত্তিক ব্যাংকগুলো। প্রচলিত ধারার ব্যাংকগুলোর ইসলামী উইন্ডো এ ধরনের হিসাব পরিচালনা করে।

তবে অন্য কোনো রাষ্ট্রমালিকানাধীন বাণিজ্যিক বা বিশেষায়িত ব্যাংকে এখন এ ধরনের সুদমুক্ত স্থায়ী আমানত হিসাব নেই। সোনালী, জনতা, রুপালী ও অগ্রণী ব্যাংকে লিখিতভাবে সুদ নেবেন না বলে ঘোষণা দিয়ে সঞ্চয়ী হিসাব খুলে অর্থ জমা রাখতে পারেন গ্রাহক।

এই ব্যাংকগুলোর চলতি হিসাবে সুদ দেওয়া হয় না। এমনকি বেশিরভাগ বেসরকারি ব্যাংকও চলতি হিসাবের বিপরীতে সুদ দেয় না। কিন্তু ব্যাংক ভেদে আলাদা আলাদা সার্ভিস চার্জ ও মেইনটেনেন্স ফি দেওয়া লাগে গ্রাহকদের।

বর্তমানে রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের (রাকাব) সুদমুক্ত সঞ্চয়ী হিসাব রয়েছে।

এছাড়া বেসরকারি ব্যাংকের মধ্যে দ্য সিটি ব্যাংক, এবি ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক, স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক, ইষ্টার্ন ব্যাংক, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক, ডাচ-বাংলা ব্যাংক তাদের ইসলামী উইন্ডো বা উইংয়ের মাধ্যমে গ্রাহকদের সুদমুক্ত সেবা দিয়ে থাকে।

জামায়ত খুব কৌশলী দল তবে জনগণ বোকা নয়: মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জামাত খুব কৌশলী দল, তারা খুব অপপ্রচার চালায়, ধর্মকে ব্যবহার করে, চরিত্র হনন করে। তবে আমি জনগণকে বোকা ভাবি না, জনগণ অনেক চালাক

মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) সকালে ঠাকুরগাঁয়ে কালিবাড়িস্থ নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন তিনি।

নির্বাচন নিরপেক্ষ হবে কি-না এমন প্রশ্নে মির্জা ফখরুল বলেন, কিছুটা তো শঙ্কা থেকে যায়, তবে অতীতের মত কোন ইঞ্জিনিয়ারিং এবার হবে না এমনটাই আশা করছেন তিনি। ফলাফলের গ্রহণযোগ্যতার বিষয় মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা সব সময়ই ফলাফল গ্রহণ করেছি। ২০০৮ সালে বিএনপি যখন ৩০টি আসন পেল তখন আমরা সংসদে গিয়েছি। এবার আমরা আশাবাদী বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে।

নির্বাসন থেকে ক্ষমতার দ্বারপ্রান্তে তারেক রহমান: রয়টার্স

দীর্ঘ দুই দশকের নির্বাসন শেষে তারেক রহমানের বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন এবং দেশের শাসনভার গ্রহণের জোরালো সম্ভাবনা বর্তমানে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। ২০০৮ সালে চিকিৎসার জন্য লন্ডন যাওয়ার দীর্ঘ ১৭ বছর পর গত ডিসেম্বরে তিনি দেশে ফিরেছেন। বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতৃত্বে থাকা তারেক রহমান আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী পদের লড়াইয়ে সবচেয়ে এগিয়ে আছেন বলে রয়টার্সের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

শেখ হাসিনার সরকার পতনের পর দেশে যে রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি হয়েছে, সেখানে তারেক রহমানের এই উত্থানকে বাংলাদেশের ইতিহাসে এক বিশাল পরিবর্তন হিসেবে দেখা হচ্ছে। তিনি তার নির্বাচনী প্রচারণায় একটি আধুনিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ার অঙ্গীকার করেছেন। বিশেষ করে, ক্ষমতায় গেলে কোনো ব্যক্তি দুই মেয়াদের বেশি প্রধানমন্ত্রী থাকতে পারবেন না—এমন সাংবিধানিক সংস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি, যাতে ভবিষ্যতে স্বৈরতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা রোধ করা সম্ভব হয়।

তারেক রহমানের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে দরিদ্র পরিবারের জন্য আর্থিক সহায়তা বৃদ্ধি এবং দুর্নীতি দমন। তিনি দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে শুধু তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভর না করে খেলনা ও চামড়াজাত পণ্যের মতো নতুন শিল্প খাতের বিকাশে গুরুত্ব দিয়েছেন। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে তিনি কোনো বিশেষ দেশের ওপর অতি-নির্ভরশীল না হয়ে সবার সঙ্গে বন্ধুত্বের নীতি বজায় রাখার কথা জানিয়েছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের এই ফিরে আসা কেবল একটি দলের ক্ষমতায় যাওয়ার চেষ্টা নয়, বরং এটি দেশের রাজনৈতিক ধারায় এক বড় পরিবর্তন। একদিকে তিনি তার পারিবারিক রাজনৈতিক উত্তরাধিকার বহন করছেন, অন্যদিকে নিজেকে একজন আধুনিক নীতিনির্ধারক হিসেবে তরুণ প্রজন্মের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তোলার চেষ্টা চালাচ্ছেন। মাঠপর্যায়ে বিএনপির শক্তিশালী অবস্থান এবং সাধারণ মানুষের পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা তাকে এই নির্বাচনের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। এখন দেখার বিষয়, আগামী কয়েক দিনের মধ্যে তার এই নির্বাসন থেকে ক্ষমতার যাত্রা চূড়ান্ত সফলতা পায় কি না।

ভোটারের হাতে টাকা গুঁজে দেওয়ার ভিডিও ভাইরাল, যা বললেন ব্যারিস্টার শাহরিয়ার

ঢাকা-১৫ আসনে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে প্রচারণা চালানোর সময় ব্যারিস্টার এএসএম শাহরিয়ার কবিরের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। ভিডিওটিতে তাকে একজন পান বিক্রেতার সঙ্গে কথা বলতে এবং আলোচনার শেষে তাকে এক হাজার টাকা দিতে দেখা যায়।

এই ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর অনেকেই নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলেছেন। ২০০৮ সালের নির্বাচনী আচরণবিধি অনুযায়ী, নির্বাচন-পূর্ব সময়ে কোনো প্রার্থী বা তার পক্ষ থেকে কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে প্রকাশ্যে বা গোপনে কোনো প্রকার অনুদান বা চাঁদা প্রদান করা নিষিদ্ধ। এই আইনি সীমাবদ্ধতার কারণেই বিষয়টি নিয়ে সমালোচনার ঝড় ওঠে।

সমালোচনার মুখে ব্যারিস্টার শাহরিয়ার কবির তার ফেসবুক পেজে ‘মানবিক আবেদন’ শিরোনামে একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, মিরপুর এলাকায় গণসংযোগের সময় ওই পান বিক্রেতার সারাদিন বিক্রি না হওয়ার কথা জানতে পেরে তিনি কেবল মানবিক দিক বিবেচনা করে টাকাটি দিয়েছিলেন। এছাড়া একই এলাকায় শিশুদের র‍্যাকেট কেনার জন্যও তিনি কিছু টাকা উপহার হিসেবে দেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, এটি কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নয়, বরং নিছক মানবিক সাহায্য ছিল এবং গণমাধ্যম যেন বিষয়টিকে ভিন্নভাবে প্রচার না করে।

শাহরিয়ার কবির তার পোস্টে জুলকারনাইন সায়েরসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমের সমালোচনা করে বলেন, তার এই মানবিক কাজকে ভুলভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। তিনি এই ঘটনায় মর্মাহত হওয়ার কথা জানান এবং মানুষ হিসেবে কেউ কষ্ট পেয়ে থাকলে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

ভাইরাল ভিডিওটির সংলাপে দেখা যায়, শাহরিয়ার কবির ওই বিক্রেতার কাছে ব্যবসার অবস্থা জানতে চাইলে বিক্রেতা দেশের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে আতঙ্কের কথা জানান। উত্তরে শাহরিয়ার কবির তাকে ধর্মীয় বিশ্বাসের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন যে, রিজিকের মালিক একমাত্র আল্লাহ। এরপর চলে যাওয়ার সময় তিনি ওই ব্যক্তির হাতে এক হাজার টাকার নোটটি গুঁজে দেন।

স্বাধীনতাবিরোধী দলটি নির্বাচন নিয়েও ষড়যন্ত্র শুরু করেছে: বরকত উল্লাহ বুলু

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক বানিজ্য উপদেষ্টা ও নোয়াখালী-৩ (বেগমগঞ্জ) সংসদীয় আসন থেকে বার বার নির্বাচিত সংসদ সদস্য জননেতা বরকতউল্লা বুলু বলেছেন, ‘স্বাধীনতাবিরোধী দলটি নির্বাচন নিয়েও নতুন ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।

সোমবার শেষ বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণার শেষ দিনে নোয়াখালী জেলার প্রধান বানিজ্যিক কেন্দ্র চৌমুহনী পৌর শহরের রেলগেইট উত্তরের মাঠে বেগমগঞ্জ উপজেলা বিএনপি ও চৌমুহনী শহর বিএনপি’র আয়োজিত স্মরণকালের বিশাল জনসমাবেশে তিনি জামায়াতকে স্বাধীনতা বিরোধীদের সঙ্গে তুলনা করে তিনি বলেন, ‘১৯৯৬ সালে জামায়াত আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করে ১৭৩ দিন এই দেশে হরতাল পালন করেছে। ১৯৯৬ সালে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নির্বাচন করে তারা মাত্র তিনটি সিট পেয়েছে।’

উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কামাখ্যা চন্দ্র দাসের সভাপতিত্বে সভায় বিএনপি’র জেলা-উপজেলা ও পৌর শাখার বিভিন্নস্তরের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।

তিনি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বেগমগঞ্জের সর্বস্তরের জনতা উন্নয়নের প্রতীক ধানের শীষকে বিজয় নিশ্চিত করবে।

নির্বাচনী জনসভা উপলক্ষে দুপুরের পর থেকেই উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়ন এবং চৌমুহনী পৌর শহরের সকল ওয়ার্ড থেকে খন্ড খন্ড মিছিল এসে পুরো জনসভাস্থল কানায় কানায় ভরে যায়।

তিনি আরো বলেন, ২০০১ সালে নির্বাচনের পর সাবেক দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী মরহুমা বেগম খালেদা জামায়েত ইসলামকে মন্ত্রী পরিষদেও ২টি আসন দিয়েছেন। অথচ সেই জামায়েত ইসলাম এখন বিএনপি নিয়ে চরম কটাক্ষ বক্তব্য দিচ্ছেন।

বাংলাদেশের পাশে পাকিস্তান! আইসিসিকে ৩ শর্ত

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে সৃষ্ট জটিলতায় নতুন মোড় নিয়েছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড বা পিসিবির অবস্থান। নিরাপত্তার কারণে ভারত ভ্রমণে অস্বীকৃতি জানানোয় বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দিয়েছিল আইসিসি। এর প্রতিবাদে ভারতের বিপক্ষে নির্ধারিত ম্যাচ বয়কটের যে ঘোষণা পাকিস্তান দিয়েছিল, তা থেকে সরে আসতে এখন তিনটি শর্ত জুড়ে দিয়েছে তারা।

পিসিবির তিন প্রধান দাবি রোববার লাহোরে আইসিসি কর্মকর্তাদের সাথে বৈঠকে পিসিবি স্পষ্ট করেছে যে, ভারতের বিপক্ষে মাঠে নামতে হলে নিচের শর্তগুলো পূরণ করতে হবে:

বিশ্বকাপ থেকে বাদ পড়ায় বাংলাদেশের জন্য বিশেষ আর্থিক ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে হবে।

টুর্নামেন্টে অংশ না নিলেও বাংলাদেশকে পূর্ণ ‘অংশগ্রহণ ফি’ প্রদান করতে হবে।

ভবিষ্যতে আইসিসির বড় কোনো ইভেন্ট আয়োজনের স্বত্ব বাংলাদেশকে দেওয়ার গ্যারান্টি দিতে হবে।

প্রেক্ষাপট ও বর্তমান পরিস্থিতি নিরাপত্তাজনিত কারণে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ভেন্যু পরিবর্তনের অনুরোধ জানালেও আইসিসি তা নাকচ করে দেয় এবং বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেয়। শুরু থেকেই পিসিবি এর তীব্র বিরোধিতা করে আসছিল। যদিও আইসিসি এই বয়কটের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছে, তবুও পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি এখনো বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষায় অনড় অবস্থানে রয়েছেন।

পরবর্তী পদক্ষেপ এই জটিলতা নিরসনে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আজ সোমবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠকে বসছেন মহসিন নাকভি। সরকারের সবুজ সংকেত পেলে এবং আইসিসি দাবিগুলো মেনে নিলে তবেই ভারত-পাকিস্তান হাই-ভোল্টেজ ম্যাচটি মাঠে গড়ানোর সম্ভাবনা তৈরি হবে।

বিশ্ব ক্রিকেট রাজনীতিতে পাকিস্তানের এই সাহসী অবস্থান এবং বাংলাদেশের প্রতি তাঁদের সংহতি এখন আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি হওয়ায় রপ্তানি বাড়বে

জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি দেশের রপ্তানি বাণিজ্য বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। ব্যবসায়ী-বিশেষজ্ঞরা চুক্তিটিকে স্বাগত জানিয়েছেন। তাঁদের মতে, এলডিসি উত্তরণের পরও বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি জাপানের বাজারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকসহ কয়েকটি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হওয়ায় রপ্তানিকারকদের দীর্ঘদিনের বড় উদ্বেগ অনেকটাই দূর হয়েছে। আবার স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রাক্কালে জাপানের সঙ্গে অর্থনৈতিক অংশীদারিত্ব চুক্তি (ইপিএ) সইকে ঘিরে ব্যবসায়ী ও বাণিজ্য বিশেষজ্ঞদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। একদিকে চুক্তিটিকে কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে, অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য কিছু উল্লেখযোগ্য ঝুঁকির কথাও উঠে আসছে। ব্যবসায়ী নেতারা জানান, চুক্তিতে বাণিজ্য সহজীকরণ সংক্রান্ত একটি অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত রয়েছে, যেখানে ব্যবসার পরিবেশকে আরও দক্ষ ও কার্যকর করতে সরকারের জন্য বাধ্যবাধকতা নির্ধারণ করা হয়েছে। একই সঙ্গে এতে দুর্নীতিবিরোধী বিষয়ে বিস্তারিত বিধানও রাখা হয়েছে। ইপিএ চুক্তির আওতায়, কোন ব্যবসায়ীর আমদানি করা পণ্যে মিস-ডিক্লারেশন বা মিথ্যা ঘোষণা প্রমাণিত হলে এর ফলে সরকারের যে পরিমাণ রাজস্ব ক্ষতি হয়, সেই পরিমাণ জরিমানা করা যাবে। এতে ব্যবসায়ীদের হয়রানি কমবে। এদিকে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ) জানায়, এই ইপিএ বাংলাদেশের বাণিজ্য কূটনীতিতে একটি ‘ঐতিহাসিক ধাপ’। বিজিএমইএ বলেছে, এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক জাপানে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার বজায় থাকবে এবং এক ধাপে উৎপাদনসহ অনুকূল রুলস অব অরিজিন কার্যকর থাকবে, যার ফলে এলডিসি থেকে উত্তরণের পরও পোশাক পণ্য শুল্ক ছাড়াই জাপানের বাজারে প্রবেশ করতে পারবে।
বাণিজ্য বিশ্লেষকরা বলছেন, চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ জাপানের জন্য ব্যাপক পরিসরের পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দিচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে পোশাক, কাপড়, অ্যাকসেসরিজ, মোটর যন্ত্রাংশ, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং পণ্য, রাসায়নিক, কাচ, ধাতু, গয়না ও ওষুধ। এ ছাড়া ১২ বছরের মধ্যে ধাপে ধাপে জাপানি গাড়ি আমদানিতে শুল্ক প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে বাংলাদেশ। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউটিও সেলের সাবেক মহাপরিচালক ও জাপানের সঙ্গে ইপিএ আলোচনায় বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের সদস্য মো. হাফিজুর রহমান বলেন, চুক্তির কপি বিশ্লেষণে দেশীয় কয়েকটি খাতের জন্য সম্ভাব্য চ্যালেঞ্জও চিহ্নিত হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্লাস্টিক সেক্টর যথেষ্ঠ শক্তিশালী এবং দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করলেও ইপিএ চুক্তির আওতায়, জাপানি প্লাস্টিক পণ্য শূন্য শুল্কে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারবে। এ ছাড়া, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং (হালকা প্রকৌশল) পণ্য এবং সব ধরনের গ্লাস আমদানিতে জাপানকে শুল্কমুক্ত সুবিধা দিয়েছে বাংলাদেশ।

পুরোনো স্টাইলেই নির্বাচনি রাজনীতি চলছে: আসিফ আকবর

বরাবরের মতোই গানের পাশাপাশি দেশের চলমান নানা ইস্যুতে সরব কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর। এবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতা, সংসদ নির্বাচনে জোটগত রাজনীতির প্রভাব এবং যোগ্য প্রার্থীদের নিয়ে তার প্রত্যাশার কথা ব্যক্ত করলেন তিনি।

সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) এক ফেসবুক পোস্টে এসব কথা উল্লেখ করেন গায়ক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) দায়িত্বরত পরিচালক আসিফ আকবর।

নির্বাচনি রাজনীতি এখনো সেই পুরোনো ধাঁচেই চলছে উল্লেখ করে এই কণ্ঠশিল্পী লেখেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জোটগত রাজনীতির প্রভাবে মনোনয়ন বঞ্চিত হয়েছেন পরীক্ষিত এবং যোগ্য প্রার্থী। গুণগত রাজনৈতিক পরিবর্তনের কোনো লক্ষণই দৃশ্যমান নয়। জুলাই বিপ্লবোত্তর তারুণ্যের রাজনীতিতেও ক্যারিশমা দেখা যায়নি। নির্বাচনি রাজনীতি চলছে সেই পুরোনো স্টাইলেই।’

তবে ঢাকা-৯ আসনে প্রার্থীদের রাজনৈতিক মূল্যবোধের সংস্কৃতি দেখে নিজের মুগ্ধতার কথাও প্রকাশ করেন আসিফ, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ফসল ডাক্তার তাসনিম জারা ( ফুটবল) দলছুট হয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে লড়ছেন ঢাকা-৯ আসনে। জারার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী সাবেক জনপ্রিয় সংগ্রামী ছাত্রনেতা হাবিবুর রশীদ হাবিব (ধানের শীষ)। এই দুজন নির্বাচনি কাজ পরিচালনা করতে গিয়ে কোনো কাঁদা ছোড়াছুড়ি না করে রাজনৈতিক মূল্যবোধের সর্বোচ্চ সংস্কৃতি প্রদর্শন করছেন। তাদের রাজনীতি ভবিষ্যতের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।’

এরপরও বেশ কজন যোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দেওয়া হয়নি উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘অনেক মেধাবী এবং যোগ্য প্রার্থীকে নমিনেশন দেয়নি দলগুলো। একটা টেস্ট কেস হিসেবে ঝালকাঠি- ১ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার মইন ফিরোজী (হাঁস) আলোচনায় আসতে পারেন। তিনি একজন প্রথিতযশা আইনজীবী, নির্বাচন কমিশন সংস্কার কমিশনের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন। ব্যারিস্টার মইন একটি বড় দলের নমিনেশন চেয়ে পাননি, কারণ তিনি টিপিক্যাল রাজনীতিক নন। অথচ পার্লামেন্টে এ ধরনের আইন প্রণয়নকারী প্রয়োজন। তবুও তিনি দমে যাননি, যোগ্যদের অধিকার আদায়ের দৃষ্টান্ত হয়ে থাকতে চান।’

সবশেষে যোগ্য প্রার্থীরা নিশ্চয়ই একদিন সফল হিসেবে উদাহরণ তৈরি করবেন এমন প্রত্যাশার কথা জানান আসিফ। নতুন দিনের আশায় গায়কের ভাষ্য, ‘বহুদিন পর একটা ফ্রি ফেয়ার ইলেকশনের অপেক্ষায় জাতি। রাতারাতি কোনো কিছুর পরিবর্তন হবে না সেটা জানি, তবে নিশ্চয়ই একদিন ব্যারিস্টার মইন, ডাক্তার জারা, রাজনীতিক হাবিবুর রশীদরা উদাহরণ হিসেবে সফল হবেন।’

এছাড়াও পোস্টের শেষে দেশপ্রেমের শপথ, রাজনৈতিক দলগুলোর সদিচ্ছা এবং দীর্ঘদিনের জং ধরা অচলায়তন ভেঙে দেশ নতুন দিনের অপেক্ষায় বলে তিনি মন্তব্য করেন।