Home Blog Page 180

একদিনেই উত্থান-পতন, স্বর্ণের ভরিতে কমল ৩ হাজারের বেশি

দেশের স্বর্ণবাজারে একই দিনে বড় উত্থান ও পতনের ঘটনা ঘটেছে। সকালে দাম বাড়ানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাতে স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভরিতে ৩ হাজার ২৬৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৮২৪ টাকা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। নতুন এই দাম রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে স্বর্ণের মূল্য পুনর্নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২১ ক্যারেট স্বর্ণ বিক্রি হবে ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৪ টাকায়। ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১১ হাজার ৭৬০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ধরা হয়েছে ভরিতে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩২৭ টাকা।

বাজুস আরও জানায়, নির্ধারিত স্বর্ণের দামের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ হবে। তবে গহনার নকশা ও মান অনুযায়ী মজুরির পরিমাণে পার্থক্য হতে পারে।

উল্লেখ্য, এর আগে শনিবার সকালেই স্বর্ণের দাম বড় ধরনের সমন্বয় করেছিল বাজুস। তখন ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়, যা সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছিল।

সকালবেলার ঘোষণায় ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা।

এদিকে, স্বর্ণের দামে পরিবর্তন এলেও রুপার বাজারে কোনো পরিবর্তন হয়নি। বর্তমানে ২২ ক্যারেট রুপার প্রতি ভরি বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকায়। ২১ ক্যারেট রুপার দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেট ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপা বিক্রি হচ্ছে ভরিতে ৩ হাজার ৯০৭ টাকায়।

চায়ের কাপে ভোটের আলোড়ন—বিক্রি বেড়েছে কয়েক গুণ

নির্বাচনী মৌসুম এলেই চায়ের কাপে জমে ওঠে রাজনৈতিক আড্ডা। রাজধানী থেকে প্রত্যন্ত গ্রাম—দিন কিংবা রাত, সর্বত্র গমগম করছে চায়ের দোকান। ভোটের উত্তাপে চায়ের কাপে চুমুকের সঙ্গে চলছে তর্ক-বিতর্ক, আলোচনা আর মতবিনিময়। এর প্রভাব পড়েছে চায়ের বাজারে—বিক্রি বেড়েছে চা, চিনি, রুটি, কেক ও বিস্কুটেরও।

চায়ের দোকানিরা বলছেন, শীত মৌসুমে এমনিতেই চায়ের চাহিদা বেশি থাকে। তার ওপর জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে মানুষের আনাগোনা ও আড্ডা বেড়ে যাওয়ায় বিক্রি কয়েক গুণ বেড়েছে। অনেক দোকানে আগে যেখানে দিনে ১৫০ কাপ চা বিক্রি হতো, সেখানে এখন বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪০০ কাপ পর্যন্ত।

নির্বাচনী প্রচারণায় সারা দেশ এখন মুখর। শহর থেকে গ্রাম—সবখানেই চায়ের দোকান হয়ে উঠেছে আলোচনা কেন্দ্র। চায়ের কাপে চুমুকের ফাঁকে চলছে প্রার্থী, দল ও নির্বাচনী ইস্যু নিয়ে আলোচনা। দোকানিরা জানান, চায়ের পাশাপাশি রুটি, কেক ও বিস্কুটের বিক্রিও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বাড়তি চাহিদা মেটাতে অনেক দোকানি নতুন কাপ-কেটলি কিনেছেন, কেউ কেউ আবার মৌসুমি চায়ের দোকানও খুলেছেন।

এক চা-দোকানি জানান, নির্বাচনের আগে যে পরিমাণ চা বিক্রি হতো, এখন তার তুলনায় বিক্রি দ্বিগুণেরও বেশি। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, দোকানে ভিড়ও তত বাড়ছে।

এদিকে চাহিদা বৃদ্ধির প্রভাবে চায়ের দামে প্রভাব পড়েছে। পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানান, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো চা ও চিনির দাম বাড়িয়েছে। খোলা ও প্যাকেট চায়ের দাম কেজিপ্রতি বেড়েছে ৪০ থেকে ৮০ টাকা পর্যন্ত। এক ব্যবসায়ী বলেন, আগে যে চায়ের প্যাকেটের দাম ছিল ৩৬০ টাকা, তা এখন বেড়ে হয়েছে ৪২০ টাকা।

বিপণন প্রতিষ্ঠানগুলোর তথ্যমতে, দেশের চায়ের বাজার বর্তমানে চার হাজার কোটি টাকার বেশি। নির্বাচনী আমেজ এ বাজারে বাড়তি গতি এনেছে বলে তারা মনে করছেন।

টি ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য খন্দকার রুহুল আমিন বলেন, ভালো মানের চায়ের দাম সব সময়ই তুলনামূলক বেশি থাকে। তবে এবার নিম্নমানের চায়ের দামও বেড়েছে, যা আগে কখনো দেখা যায়নি। তাঁর মতে, নির্বাচনী মৌসুমের কারণেই চায়ের দামে এই বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে।

চায়ের বিক্রি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চাঙ্গা হয়েছে চিনির বাজারও। সব মিলিয়ে ভোটের উত্তাপে রাজনৈতিক অঙ্গনের পাশাপাশি জমে উঠেছে চায়ের ব্যবসাও।

আমরা এই বাংলাদেশ চাই না—যেখানে চাঁদাবাজে অতিষ্ঠ দেশ

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান নিজের জন্মস্থান মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় এক বিশাল নির্বাচনী সমাবেশে অংশ নিয়ে এক নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা তুলে ধরেছেন। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কুলাউড়া নবীনচন্দ্র (এনসি) উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে ১১ দলীয় নির্বাচনী জোটের এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা এই বাংলাদেশ চাই না—যেখানে চাঁদাবাজে অতিষ্ঠ দেশ। যেখানে আমার মায়ের ইজ্জত নেই, যেখানে দুর্নীতিতে ছেয়ে গেছে দেশ। যেখানে নিরীহ মানুষকে হয়রানি করা হয়। এই বাংলাদেশ আমার বাংলাদেশ নয়। এই বাংলাদেশকে তাড়িয়ে দিতে চাই। মনে করতে পারেন তাহলে কেমন বাংলাদেশ হবে? বলতে চাই এই বাংলাদেশই থাকবে, মানচিত্র ঠিক থাকবে শুধু চেহারা পাল্টে দিতে চাই।

সমাবেশে ডা. শফিকুর রহমান চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ছাত্র-জনতার ত্যাগের কথা কৃতজ্ঞতাভরে স্মরণ করে বলেন, দেশ আজ তাঁদের ঋণে ঋণী এবং যুবকদের হাত ধরেই বাংলাদেশ বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে।

বিদেশের মাটিতে মৃত্যু ও প্রবাসীদের সুরক্ষা প্রবাসীদের কল্যাণে একটি অনন্য ঘোষণা দিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, কোনো প্রবাসী যদি বিদেশে যাওয়ার খরচ তোলার আগেই সেখানে মৃত্যুবরণ করেন, তবে তাঁর পরিবারকে সেই সমপরিমাণ টাকা ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। পাশাপাশি ওই প্রবাসীর পরিবারের পূর্ণ দায়িত্ব নেবে রাষ্ট্র।

সিলেট বিমানবন্দরের উন্নয়ন সিলেটের প্রবাসীদের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি উল্লেখ করে তিনি প্রতিশ্রুতি দেন যে, ক্ষমতায় গেলে সিলেট বিমানবন্দরকে ঢাকা ও চট্টগ্রামের মতো বিশ্বমানের আধুনিক বিমানবন্দরে রূপান্তর করা হবে।

চা শ্রমিকদের সন্তানের জন্য উচ্চাশা চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, বাগানের মালিক নয়, বরং রাষ্ট্রই চা শ্রমিকদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের দায়িত্ব নেবে। তিনি এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চান যেখানে শ্রমিকের সন্তান মেধার জোরে দেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার স্বপ্ন দেখতে পারবে।

ধর্মীয় সম্প্রীতি ও সামাজিক নিরাপত্তা নিজের জন্মমাটির স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, কুলাউড়ায় হিন্দু, মুসলিম, খাসিয়াসহ সকল ধর্মের মানুষ অতীতে যেমন ভ্রাতৃত্বের সাথে বসবাস করেছেন, ভবিষ্যতেও তা বজায় থাকবে। তিনি একটি দুর্নীতিমুক্ত, চাঁদাবাজহীন এবং মা-বোনদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

নির্বাচনী সমীকরণ নির্বাচনী প্রার্থীতা নিয়ে তিনি জানান, অনেকেই তাঁকে ঢাকা বা কুলাউড়া থেকে নির্বাচন করতে অনুরোধ করেছিলেন। বর্তমানে কুলাউড়া আসনে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থীকে বিজয়ী করার মাধ্যমে আগামীর গতিপথ নির্ধারণে ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

নির্বাচনে ২৪ ঘণ্টা যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞা

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সারাদেশে যানবাহন চলাচলের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে সরকার। এ বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ গত ১ ফেব্রুয়ারি একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে বিধিনিষেধের বিস্তারিত নির্দেশনা দিয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ৩২ ধারা অনুযায়ী ভোটগ্রহণের দিন ১২ ফেব্রুয়ারি ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে। এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত—অর্থাৎ টানা ২৪ ঘণ্টা।

এ ছাড়া মোটরসাইকেল চলাচলের ক্ষেত্রে আরও কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। নির্দেশনা অনুযায়ী, ১০ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত মোট ৭২ ঘণ্টা সারাদেশে মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট গ্রহণের সময় যানবাহন চলাচলের ওপর এ বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

তবে জরুরি প্রয়োজন এবং নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কার্যক্রমের জন্য কিছু ক্ষেত্রে ছাড় রাখা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন এবং অনুমোদিত নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের ওপর এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না। একইভাবে জরুরি সেবা, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী পরিবহন, প্রয়োজনীয় দ্রব্য সরবরাহ এবং সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহন চলাচলের অনুমতি পাবে।

বিদেশগামী ও বিদেশফেরত যাত্রীদের ক্ষেত্রেও বিশেষ ছাড়ের কথা বলা হয়েছে। পাসপোর্ট ও টিকিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে বিমানবন্দর যাতায়াতে কোনো বাধা থাকবে না। পাশাপাশি দূরপাল্লার যাত্রীবাহী পরিবহন এবং স্থানীয় পর্যায়ে প্রয়োজনীয় চলাচলেও শিথিলতা রাখা হবে।

নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থী ও তাঁদের এজেন্টদের জন্যও আলাদা সুবিধা নির্ধারণ করা হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তার অনুমতি এবং নির্ধারিত স্টিকার প্রদর্শনের শর্তে প্রার্থী ও এজেন্টরা একটি করে ছোট যানবাহন—জিপ, কার বা মাইক্রোবাস—ব্যবহার করতে পারবেন।

সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষকদের ক্ষেত্রেও অনুমোদন সাপেক্ষে যানবাহন বা মোটরসাইকেল ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। নির্বাচন পরিচালনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যানবাহন এ বিধিনিষেধের আওতামুক্ত থাকবে। এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ সেবা স্বাভাবিক রাখতে বিটিআরসি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের যানবাহন জরুরি সেবার অন্তর্ভুক্ত হিসেবে চলাচল করতে পারবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও জানানো হয়েছে, জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর এলাকা এবং আন্তজেলা বা মহানগরে প্রবেশ ও বের হওয়ার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলোতে যান চলাচল স্বাভাবিক রাখার উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে যোগাযোগ ব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন না হয়।

এদিকে স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজন অনুযায়ী এ বিধিনিষেধ আরও কঠোর বা শিথিল করার ক্ষমতা রাখবেন।

আজ থেকে ভোটের মাঠে নামছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে আজ থেকে মাঠে নামছে সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে মাঠ পর্যায়ে আনসার বাহিনী মোতায়েন করা হবে। দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন ১ হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। এছাড়া নির্বাচনের আগের দিন (১১ ফেব্রুয়ারি) সকালে ১ লাখ ৫৭ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জারি করা এক পরিপত্রে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পরিপত্রে বলা হয়েছে, নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি), আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী (ভিডিপি) এবং কোস্টগার্ড মোতায়েন করা হবে। পাশাপাশি বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তায় ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হবে।

এবারের নির্বাচনে বিভিন্ন বাহিনীর মোট প্রায় ৯ লাখ সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্যে আনসার ও ভিডিপির প্রায় সাড়ে ৫ লাখ সদস্য ভোটকেন্দ্রে মোতায়েন থাকবেন। পুলিশের প্রায় দেড় লাখ, সশস্ত্র বাহিনীর এক লাখ এবং বিজিবির প্রায় ৩৫ হাজার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।

পরিপত্রে আরও বলা হয়েছে, নির্বাচনকালীন শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে সশস্ত্র বাহিনী, বিজিবি, কোস্টগার্ড, র‍্যাব, পুলিশ, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) এবং আনসার ব্যাটালিয়ন মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে। বিজিবি, র‍্যাব, এপিবিএন ও আনসার ব্যাটালিয়ন জেলা, উপজেলা ও থানা ভিত্তিক দায়িত্ব পালন করবে। উপকূলীয় এলাকায় মোতায়েন থাকবে কোস্টগার্ড। সব বাহিনী সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে রিপোর্ট করবে এবং তার নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করবে।

সূত্র জানায়, মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে সাধারণ ভোটকেন্দ্রে ১৬–১৭ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭–১৮ জন পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। মেট্রোপলিটন এলাকায় সাধারণ কেন্দ্রে ১৬ জন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ১৭ জন দায়িত্ব পালন করবেন। দুর্গম হিসেবে চিহ্নিত ২৫ জেলার নির্দিষ্ট ভোটকেন্দ্রে ১৬–১৮ জন করে পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন করা হবে। এসব সদস্য ভোটগ্রহণের দুই দিন আগে থেকে ভোটের দিন পর্যন্ত দায়িত্বে থাকবেন।

ঢাকায় আজ ৬ স্থানে তারেক রহমানের জনসভা

আর মাত্র চারদিন বাদেই দেশব্যাপী অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। এ উপলক্ষে শেষ মুহূর্তের প্রচার-প্রচারণায় ব্যস্ত অংশগ্রহণকারী রাজনৈতিক দলগুলো। বিশেষ করে সারা দেশে গণসংযোগ শেষে এবার ঢাকায় বড় ধরনের গণসংযোগের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে বিএনপি। টানা দুই দিনে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের মোট ১৪টি জনসভায় সরাসরি অংশগ্রহণ করে বক্তব্য রাখতে যাচ্ছে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

এর মধ্যে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর উত্তরের ৬টি নির্বাচনি আসনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে তারেক রহমানের জনসভা।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য নিশ্চিত করেন কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন।

সূচি অনুযায়ী, রোববার দুপুর ২টায় ঢাকা-১৭ আসনের ইসিবি চত্বর থেকে জনসভা শুরু করবেন বিএনপি চেয়ারম্যান। এরপর ধারাবাহিকভাবে পল্লবী, মিরপুর-১০, ন্যাশনাল বাংলা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ, শ্যামলী ক্লাব মাঠ এবং সবশেষে সন্ধ্যা ৬টায় বাড্ডার সাতারকুল সানভ্যালী মাঠে বক্তব্য রাখবেন তিনি।

প্রতিটি জনসভাই নির্বাচনি এলাকার গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থলে আয়োজন করা হয়েছে যাতে সাধারণ ভোটারদের কাছে বার্তা পৌঁছানো সহজ হয়।

পরদিন সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) নিজের নির্বাচনি এলাকা এবং ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ৭টি সহ মোট ৮টি নির্বাচনি জনসভায় যোগদান করবেন তারেক রহমান। এই দিন বেলা ১১টায় বনানী থেকে প্রচারণা শুরু করে কলাবাগান, পীর জঙ্গি মাজার রোড, বাসাবো, যাত্রাবাড়ী, জুরাইন এবং ধূপখোলা মাঠ হয়ে সন্ধ্যা ৬টায় লালবাগ বালুর মাঠে তিনি তার নির্বাচনি সফর শেষ করবেন।

মাহদী আমিন আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, জনগণের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই জনসভাগুলো সফল হবে এবং ভোটের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র পুনরদ্ধার হবে।

স্বামীর বিরুদ্ধে প্রতারণা ও ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগ

রাজধানীর আজিমপুরের এক তরুণী স্বামীর বিরুদ্ধে প্রতারণা, ভরণপোষণ না দেওয়া, গোপনে তোলা ব্যক্তিগত ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি এবং ইতোমধ্যে কিছু ছবি প্রকাশের অভিযোগ এনে ন্যায়বিচার দাবি করেছেন।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশনে সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়।

ভুক্তভোগী জানান, ২০২২ সালে তিনি কেরানীগঞ্জের বাসিন্দা মোহাম্মদ রকি হোসেনের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিবাহের পর তারা স্বামী-স্ত্রী হিসেবে সংসার শুরু করলেও কিছুদিন পর থেকেই স্বামীর আচরণে অস্থিরতা দেখা দেয়। তার অভিযোগ, রকি দীর্ঘ সময় ধরে আত্মগোপনে রয়েছেন, নিয়মিত ভরণপোষণ দেন না এবং নিজের ইচ্ছামতো যোগাযোগ করেন।

সোনিয়ার দাবি, স্বামী কখনও তাকে স্ত্রী হিসেবে স্বীকার করেন, আবার কখনও অস্বীকার করেন। কাবিননামার কপি চাইলে তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এরই মধ্যে রকির মায়ের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে তার কাছ থেকে মোট তিন লাখ টাকা নেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক অভিযোগটি হলো—দাম্পত্য জীবনের একান্ত মুহূর্তের কিছু ছবি গোপনে ধারণ করে তা প্রকাশের হুমকি দেওয়া। ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, তার অজ্ঞাতে ধারণ করা কিছু ব্যক্তিগত ছবি সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করা হয়েছে এবং আরও ছবি ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। টাকা না দিলে এসব ছবি ছড়িয়ে দেওয়া হবে বলে চাপ প্রয়োগ করা হচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

সোনিয়া আক্তার খুশি বলেন, “বিবাহিত স্ত্রী হিসেবে বিশ্বাস করে সংসার করেছি। এখন আমাকে ব্ল্যাকমেইল করে টাকা আদায় করা হচ্ছে। আমি এই প্রতারণার প্রতিবাদ জানাই এবং ন্যায়বিচার চাই।”

আইনজীবীদের মতে, এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে তা তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইন এবং দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হতে পারে। বিশেষ করে গোপনে ব্যক্তিগত ছবি ধারণ ও প্রচার, ব্ল্যাকমেইল এবং আর্থিক প্রতারণা—এসবের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন, ভরি কত?

টানা দুই দফায় মূল্যবৃদ্ধির পর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবশেষ সমন্বয় অনুযায়ী, ভরিতে এক লাফে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংগঠনটি। এর ফলে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) থেকে সারা দেশে নতুন এই দর কার্যকর হবে বলে বাজুসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে গত ৩ ফেব্রুয়ারি শেষবার স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছিল। সে সময় এক লাফে ১০ হাজার ৯০৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ থেকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকায় বিক্রি হবে। ২১ ক্যারেট ২ লাখ ৪২ হাজার ৯০৩ টাকায়, ১৮ ক্যারেট ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণ বিক্রি হবে ১ লাখ ৭০ হাজার ৪১১ টাকায়।

উল্লেখ্য, চলতি ২০২৬ সালে এ পর্যন্ত মোট ২৫ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাজুস। এর মধ্যে ১৬ বার দাম বাড়ানো হলেও ৯ বার কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অল্প বয়সে চুল পড়ার কারণ ও চিকিৎসা

বয়স ২০-২৫ বছরের মধ্যে অনেক তরুণের মাথার সামনের চুল পাতলা হয়ে পড়ছে।

একসময় মনে করা হতো টাক পড়া কেবল বয়স বৃদ্ধির লক্ষণ, কিন্তু আধুনিক জীবনের চাপ, অনিয়মিত ঘুম ও পুষ্টির ঘাটতি অনেক তরুণকেই এই সমস্যায় ফেলছে।

চুল পড়ার প্রধান কারণ

১. হরমোনের ভারসাম্যহীনতা: টেস্টোস্টেরন হরমোন যখন ‘ডাই-হাইড্রোটেস্টোস্টেরন’-এ রূপান্তরিত হয়, তখন চুলের ফলিকল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

২. মানসিক চাপ ও অনিদ্রা: পড়াশোনা বা কাজের চাপ ‘টেলোজেন এফ্লুভিয়াম’ তৈরি করে, যার ফলে হঠাৎ চুল পড়তে পারে।

৩. পুষ্টির অভাব ও দূষণ: প্রোটিন, বায়োটিন বা আয়রনের অভাব এবং ধুলাবালি, শক্ত পানি চুল দুর্বল করে।

চুল পড়া রোধের উপায়

১. শ্যাম্পু ও কন্ডিশনার নির্বাচন: সালফেট ও প্যারাবেনমুক্ত মৃদু শ্যাম্পু ব্যবহার করুন। ধোয়ার পর ক্যাস্টর অয়েল বা নারকেল তেল দিয়ে হালকা মাসাজ করুন।

২. পুষ্টিকর খাবার: ডিম, মাছ, বাদাম, পালং শাক, সোয়াবিন প্রতিদিন খান। বায়োটিন সমৃদ্ধ খাবার চুলের ঘনত্ব বাড়াতে সাহায্য করে।

৩. ডার্মারোলার ব্যবহার: ঘরে মাথার ত্বকে সূক্ষ্ম ছিদ্র তৈরি করে কোলাজেন বাড়ায় এবং হেয়ার সিরাম বা ওষুধের শোষণ বৃদ্ধি করে।

৪. প্রাকৃতিক ডিএইচটি ব্লকার খাবার: কুমড়োর বীজ, গ্রিন টি, আমলকী নিয়মিত খান। হরমোনজনিত চুল পড়া কমে।

৫. ধূমপান পরিহার ও পর্যাপ্ত ঘুম: ধূমপান চুলের ফলিকলে রক্ত প্রবাহ কমায়। দিনে ৭-৮ ঘণ্টা গভীর ঘুম নিন।

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?

যদি চুল ক্রমশ পাতলা হয়ে টাক পড়া শুরু হয় বা চুল টান দিলে সহজেই উঠে যায়, তাহলে দেরি না করে ত্বক বিশেষজ্ঞ বা ট্রাইকোলজিস্টের পরামর্শ নিন। প্রয়োজনে মিনোক্সিডিল বা পিআরপি থেরাপি করা হতে পারে।

ইংল্যান্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ভারত

অনূর্ধ্ব-১৯ ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ১০০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ভারত। শুক্রবার জিম্বাবুয়ের হারারেতে বৈভব সুর্যবংশীর রেকর্ড ৮০ বলে ১৭৫ রানের সৌজন্যে ৯ উইকেটে ৪১১ রানের বিশাল স্কোর গড়ে ভারত। জবাবে ৪০.২ ওভারে ৩১১ রানে অলআউট হয় ইংল্যান্ড। যুবাদের ১৬তম বিশ্বকাপে ভারতের এটি রেকর্ড ষষ্ঠ শিরোপা।

ইনিংসের অর্ধেক সময় ব্যাট করে সেঞ্চুরির পর সুযোগ ছিল ডাবল সেঞ্চুরি পূর্ণ করার। কিন্তু ৮০ বল খরচায় ১৫টি চার ও ১৫টি ছক্কায় থেমেছেন ১৭৫ রানে। আর তাতেই অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ফাইনালের ইতিহাসে প্রথম ব্যাটার হিসেবে দেড়শ’ রান ছোঁয়ার রেকর্ড গড়েন তিনি। শুক্রবার জিম্বাবুয়ের হারারে ক্রিকেট গ্রাউন্ডে এই কীর্তি গড়েন তিনি।

শুধু তাই নয়, বিহারের ১৪ বছর বয়সী এই প্রতিভাবান ব্যাটার গড়েছেন ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ ইতিহাসে দ্রুততম শতকের রেকর্ডও। এর আগে ২০২২ সালে উগান্ডার বিপক্ষে ৬৯ বলে শতক করেছিলেন রাজ অঙ্গদ বাওয়া। সূর্যবংশীই প্রথম ভারতীয় ব্যাটার, যিনি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে মাত্র ৫৫ বলে শতক করলেন, এই সংস্করণে ৫২ বলেও শতক আছে তার। এছাড়া বিশ্বকাপের ফাইনালে সর্বোচ্চ রানের মালিকও এই বাঁহাতি ব্যাটার। এর আগে এই রেকর্ডটি ছিল রাজ বাওয়ার, উগান্ডার বিপক্ষে ১৬২ রানের ইনিংসটি খেলেছিলেন তিনি।

পুরো টুর্নামেন্টে সূর্যবংশীর ব্যাট ছিল আরও ভয়ংকর। তিনি আসরে মোট ৩০টি ছক্কা হাঁকিয়ে ভেঙেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার ডেওয়াল্ড ব্রেভিসের আগের রেকর্ড (১৮ ছক্কা)। এক আসরে সর্বোচ্চ ছক্কার নতুন মানদ- এখন তার নামেই। সব মিলিয়ে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের দ্রুততম শতকের তালিকায় সূর্যবংশী উঠে এসেছেন দ্বিতীয় স্থানে। শীর্ষে আছেন অস্ট্রেলিয়ার উইল মালাইজুক। মাত্র ৫১ বলে শতক করেছিলেন তিনি। সূর্যবংশীর নিচে রয়েছেন পাকিস্তানের কাসিম আকরাম ও ইংল্যান্ডের বেন মায়েস।

ফাইনালে টস জিতে ব্যাট করতে নামে ভারত। উদ্বোধনী জুটিতে আসে ২০ রান। দ্বিতীয় উইকেটে নামেন দলনেতা আয়ুস মাত্রে। তাকে নিয়েই নিজের ব্যাটিং আগ্রাসন বৈভব সূর্যবংশী। তার বড় স্কোরে ভর করে ৯ উইকেটে ৪১১ রানের পুঁজি পায় ভারত।