Home Blog Page 192

আক্কেল দাঁতের ব্যথা: কেন হয়, কী করবেন?

মানুষের চোয়ালে স্থায়ী দাঁতের সংখ্যা মোট ৩২টি, যার মধ্যে আক্কেল দাঁতও অন্তর্ভুক্ত। তবে কার্যত ২৮টি দাঁতই কর্মক্ষম—আক্কেল দাঁত বাদে। প্রতিটি দাঁতের নির্দিষ্ট কাজ থাকলেও আক্কেল দাঁতের কোনো কার্যকর ভূমিকা নেই। এ কারণে একে অনেক সময় নিষ্ক্রিয় অঙ্গ বলা হয়। কিন্তু দুঃখজনক বাস্তবতা হলো— এই দাঁত ওঠার সময়ই অনেকের জীবনে শুরু হয় তীব্র যন্ত্রণা।

কেন আক্কেল দাঁতে এত ব্যথা হয়?

অনেক ক্ষেত্রে চোয়ালে জায়গার অভাব থাকে বা আক্কেল দাঁতের অবস্থান স্বাভাবিক হয় না। ফলে দাঁতটি মাড়ি ভেদ করে সম্পূর্ণভাবে বের হতে পারে না।

কখনো দাঁতের একটি অংশ উঠে আবার আটকে যায়। এতে—

> দাঁত ও মাড়ির ফাঁকে খাদ্যকণা আটকে যায়

> মাড়িতে প্রদাহ (ইনফ্ল্যামেশন) তৈরি হয়

> তীব্র ব্যথা অনুভূত হয়

> মুখ খুলতে বা হাঁ করতে কষ্ট হয়

সময়মতো চিকিৎসা না নিলে এই সংক্রমণ মুখ ও গলার গভীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে, যা মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হতে পারে। তাই এমন লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত দন্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

কী করবেন / কী করবেন না

যা করবেন

> আক্কেল দাঁত ওঠার কারণে সংক্রমণ হলে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করতে হবে

> ব্যথা কমাতে প্রয়োজন অনুযায়ী পেইন কিলার দেওয়া হয়

> দিনে কয়েকবার গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে কুলি করতে হবে

> ব্যথা ও সংক্রমণ কমে গেলে অনেক ক্ষেত্রে পার্শ্ববর্তী মাড়ির সামান্য অংশ কেটে দেওয়া হয়, যাতে দাঁতটি স্বাভাবিকভাবে উঠতে পারে

> যদি দাঁতের অবস্থানজনিত ত্রুটি থাকে, তাহলে আক্কেল দাঁত তুলে ফেলাই উত্তম সমাধান

যা করবেন না

> দাঁত তুলতে কখনোই হাতুড়ে বা অননুমোদিত চিকিৎসকের কাছে যাবেন না

> ব্যথা কমেছে বলে চিকিৎসা অসম্পূর্ণ রেখে দেবেন না

> নিজে নিজে ওষুধ সেবন করবেন না

আক্কেল দাঁতের ব্যথাকে অবহেলা করলে তা বড় সমস্যায় রূপ নিতে পারে। শুরুতেই সঠিক সিদ্ধান্ত ও সময়মতো দন্ত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে অপ্রয়োজনীয় যন্ত্রণা ও জটিলতা এড়ানো সম্ভব। ব্যথা সহ্য নয়— সঠিক চিকিৎসাই সমাধান।

দেশের ৬ আর্থিক প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত

দেশের ৯টি নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) বন্ধ বা অবসায়নের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৬টি প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বাকি ৩টি প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক সূচকে উন্নতির জন্য ৩ থেকে ৬ মাস সময় দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) বাংলাদেশ ব্যাংকের বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। পরে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

প্রথম ধাপে যেসব প্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্ধান্ত হয়েছে সেগুলো হলো—ফাস ফাইন্যান্স, প্রিমিয়ার লিজিং, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, অ্যাভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং ও ইন্টারন্যাশনাল লিজিং। উচ্চ খেলাপি ঋণ, দীর্ঘদিনের অনিয়ম এবং আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় এসব প্রতিষ্ঠান অবসায়নের পথে যাচ্ছে।

অন্যদিকে জিএসপি ফাইন্যান্স, প্রাইম ফাইন্যান্স ও বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানিকে (বিআইএফসি) আর্থিক সূচক উন্নয়নের সুযোগ দিয়ে ৩ থেকে ৬ মাস সময় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সন্তোষজনক অগ্রগতি না হলে এসব প্রতিষ্ঠানকেও অবসায়নের আওতায় আনা হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র জানায়, উচ্চ খেলাপি ঋণ এবং আমানত ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ায় গত বছরের মে মাসে ২০টি এনবিএফআইকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তী মূল্যায়নে দেখা যায়, এর মধ্যে ৯টি প্রতিষ্ঠানের পুনরুদ্ধার বা ঘুরে দাঁড়ানোর কর্মপরিকল্পনা সন্তোষজনক নয়। ফলে এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণের হার ৭৫ থেকে ৯৮ শতাংশে পৌঁছেছে। অবসায়ন প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে কোনো যুক্তিসংগত কারণ রয়েছে কি না, তা যাচাই করতে গত সপ্তাহে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়, যা গত রবিবার শেষ হয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এক শীর্ষ কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, শুনানিতে প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের কর্মপরিকল্পনা ও বিভিন্ন যুক্তি উপস্থাপন করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে তিনটি প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক সূচক উন্নয়নের সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত বোর্ড সভায় অনুমোদন পায়।

খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, আগের সরকারের সময় ব্যাপক অনিয়ম ও কেলেঙ্কারির কারণে এসব প্রতিষ্ঠানের খেলাপি ঋণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। উদাহরণ হিসেবে এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংকের (বর্তমানে গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক পি কে হালদারের বিরুদ্ধে চারটি এনবিএফআই—পিপলস লিজিং, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, ফাস ফাইন্যান্স ও বিআইএফসি থেকে অন্তত সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

সম্প্রতি এক সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর আহসান এইচ মনসুর জানান, অবসায়নের পথে থাকা ৯টি রুগ্‌ণ এনবিএফআইয়ের ব্যক্তি পর্যায়ের আমানতকারীরা আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে, রমজানের আগেই, তাদের মূল টাকা ফেরত পাবেন। এজন্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদ মূল্যায়নের কাজ শুরু করা হবে। সম্পদের ইতিবাচক বা নেতিবাচক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে শেয়ারহোল্ডাররা কোনো অর্থ পাবেন কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে সরকার মৌখিকভাবে প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকার অনুমোদন দিয়েছে। তবে আমানতকারীরা শুধু মূল অর্থ ফেরত পাবেন, কোনো সুদ প্রদান করা হবে না।

আবারও বাড়ল সোনার দাম, ভরি কত?

নতুন তথ্য অনুযায়ী, দেশে আবারো বেড়েছে সোনার দাম। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ঘোষণা করেছে যে, ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম প্রতি ভরিতে ৭ হাজার ৩৪৮ টাকা বাড়িয়ে ২ লাখ ৬৯ হাজার ৭৮৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি দেশের ইতিহাসে সোনার সর্বোচ্চ দাম। নতুন দাম সকাল ১০:১৫ মিনিট থেকে কার্যকর হবে।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য বৃদ্ধির কারণে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দামের অনু‌যায়ী, ২১ ক্যারেটের সোনার প্রতি ভরি দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৭ হাজার ৪৮৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ২০ হাজার ৭৪১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম নির্ধারিত হয়েছে ১ লাখ ৮১ হাজার ৭২৫ টাকা।

সোনার বিক্রয় মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫% ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬% মজুরি যুক্ত করতে হবে, যদিও গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির হার পরিবর্তিত হতে পারে।

এর আগে, গত ২৬ জানুয়ারি ভরিতে ৫ হাজার ২৪৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ৪৪০ টাকা নির্ধারণ করেছিল বাজুস, যা তখন দেশের সর্বোচ্চ ছিল।

চলতি বছরে সোনার দাম মোট ১৫ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ১২ বার দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৩ বার কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে সোনার দাম সমন্বয় ছিল ৯৩ বার, যার ৬৪ বার দাম বাড়ানো এবং ২৯ বার দাম কমানো হয়েছিল।

অপরদিকে, দেশের বাজারে রুপার দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম এখন ৭ হাজার ৭৫৭ টাকা, যা রুপার সর্বোচ্চ দাম হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে।

চলতি বছর রুপার দাম ১১ বার সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ৮ বার দাম বৃদ্ধি ও ৩ বার কমানো হয়েছে। ২০২৫ সালে রুপার দাম ১৩ বার পরিবর্তন হয়েছিল, যার মধ্যে ১০ বার দাম বাড়ানো হয় এবং ৩ বার কমানো।

নৌকা না থাকলেও আমাদের একটি প্রতিপক্ষ আছে- ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, নৌকা না থাকলেও আমাদের একটি প্রতিপক্ষ দল রয়েছে সেটি হলো দাড়িপাল্লা। ৯১ সালে আমরা দাড়িপাল্লাকে দেখেছিলাম সেসময় তার খুব কম ভোট পেয়েছিলো।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেলে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা চিলারং ইউনিয়নের মোলানী বাজারে নির্বাচনী প্রচারণার গণসংযোগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বিএনপি একটি পরীক্ষিত দল এবং আমি আপনাদের ব্যাক্তিগত ভাবে পরিচিত লোক। দীর্ঘদিন আপনাদের সাথে কাজ করেছি কখনো আপনাদের ছেড়ে যায়নি। আগামি নির্বাচনে আপনারা যদি আমাকে নির্বাচিত করেন তাহলে ঠাকুরগাঁওয়ের উন্নয়নের জন্য আমি কাজ করবো।

মহাসচিব বলেন, এর আগে আমরা কখনো ভোট দিতে পারিনি সব ভোট ফ্যাসিস্ট হাসিনা নিয়ে গেছে। এবার একটা সঠিক ভোট হবে এমন আশা করছি আমরা।যেখানে সকল ভোটাররা স্বাধীনভাবে যাকে খুশি তাকে ভোট দিতে পারবে।

তিনি বলেন, হাসিনা তাদের লোকদের ফেলে চলে গেছে দিল্লিতে।আপ্নারা চিন্তা কিরবেন না আমরা সেই বিপদ থেকে আপনাদের উদ্ধার করবো। যারা অন্যায় করেছে তাদের শাস্তি হবে। আর যারা অন্যায় করেনি, সাধারণ মানুষ আমরা তাদের বুকে টেনে নিব।

তিনি আরো বলেন, আমাদের নতুন নতুন কলকারখানা তৈরী করতে হবে। মানুষের চিকিৎসার জন্য ভালো হাসপাতাল তৈরী করবো। এটা আমার শেষ ভোট, আমার জীবনের শেষ নির্বাচন। এই শেষ ভোটে দয়া করে আপনারা সকলকে আমাকে সমর্থন করে ধানের শীষে ভোট দিয়ে আপনাদের কাজ করার সুযোগ দিবেন।

এ সময় বিএনপির বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন নির্বাচনে বিএনপি ভূমিধস বিজয় অর্জন করবে ইনশাআল্লাহ

কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনের ধানের শীষের প্রার্থী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বুধবার সকালে চকরিয়ার সাহারবিল ইউনিয়নের বিএমএস উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক নির্বাচনী পথসভায় বক্তব্য রেখেছেন। এ সময় তিনি আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ধানের শীষের ভূমিধস বিজয়ের আশাবাদ ব্যক্ত করে এক মানবিক ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতি দেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে দেশের আপামর জনগণ রাষ্ট্রের মালিকানা ফেরত পাবে। বিএনপি এমন এক বাংলাদেশ বিনির্মাণ করবে যেখানে আর কোনো মানুষ গুম হবে না এবং কোনো মাকে সন্তান হারানোর বেদনায় পুড়তে হবে না। তিনি ২৪-এর গণআন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন বা আহত হয়েছেন, তাঁদের যথাযথ মর্যাদায় প্রতিষ্ঠিত করার অঙ্গীকার করেন।

গণতন্ত্রের সৌন্দর্য নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি দল তাদের পরিকল্পনা ও কর্মসূচি জনগণের কাছে তুলে ধরবে এবং জনগণ বিচার করে ভোট দেবে। তবে একটি বিশেষ দল পরকালীন জান্নাত পাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ভোটারদের সঙ্গে ধোকা দিচ্ছে বলে তিনি সতর্ক করে দেন। সালাহউদ্দিন আহমদ ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, যারা ধর্মের দোহাই দিয়ে ধোঁকাবাজি করছে, তাদের থেকে সাবধান থাকতে হবে।

দীর্ঘ ৩৫ বছরের রাজনৈতিক জীবনের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ২০০৮ সালে কারাগারে থাকায় তিনি নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি, তবে তাঁর স্ত্রী অ্যাডভোকেট হাসিনা আহমদকে এলাকার মানুষ বিপুল ভোটে নির্বাচিত করে যে ভালোবাসা দেখিয়েছেন, তার জন্য তিনি কৃতজ্ঞ। এ সময় মাতামুহুরি উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামিল ইব্রাহীম চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক হেফাজতুর রহমান টিপুসহ স্থানীয় অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

হজযাত্রীদের জন্য বড় সুখবর

২০২৬ সালের হজযাত্রীদের সরকারি হাসপাতাল থেকে নির্ধারিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করার সময় বাড়িয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হজযাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা যাবে।

সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ধর্ম মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ বিষয়ে যেকোনো তথ্যের জন্য হজ কল সেন্টার ১৬১৩৬ নম্বরে যোগাযোগ করা যাবে।

এর আগে ধর্ম মন্ত্রণালয় হজযাত্রীদের টিকা নেওয়ার আগে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর নির্ধারিত ১১ ধরনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা ২৫ জানুয়ারির মধ্যে সম্পন্ন করার নির্দেশনা দিয়েছিল। এসব পরীক্ষার প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই হজযাত্রীদের টিকা দেওয়া হবে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, হজযাত্রীদের Urine R/M/E, Random Blood Sugar (RBS), X-Ray Chest (P/A view) রিপোর্টসহ, ECG রিপোর্টসহ, Serum Creatinine, Complete Blood Count (CBC with ESR) এবং Blood Grouping ও Rh Typing পরীক্ষার রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

এ ছাড়া দুরারোগ্য ব্যাধি শনাক্তের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী আরও কিছু বিশেষ পরীক্ষা সম্পন্ন করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—
সন্দেহজনক হৃদ্‌যন্ত্রের অকার্যকারিতার ক্ষেত্রে Echocardiography;
কিডনি জটিলতায় Serum Creatinine ও KUB-এর আলট্রাসনোগ্রাফি;
লিভার সিরোসিস সন্দেহ হলে Whole Abdomen USG ও Upper GIT Endoscopy;
এবং দীর্ঘস্থায়ী ফুসফুসের রোগ নির্ণয়ে Sputum for AFB, Chest CT Scan, Serum Bilirubin, SGPT ও Albumin–Globulin Ratio পরীক্ষা।

স্বাস্থ্য পরীক্ষার রিপোর্ট ও ই-হেলথ প্রোফাইলের কপি টিকা কেন্দ্রে মেডিকেল টিমের কাছে জমা দিয়ে টিকা গ্রহণের পর হজযাত্রীরা স্বাস্থ্য সনদ সংগ্রহ করতে পারবেন।

চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৬ মে সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এবার বাংলাদেশ থেকে প্রাথমিকভাবে নিবন্ধিত প্রায় সাড়ে ৭৮ হাজার হজযাত্রী হজ পালন করতে পারবেন।

সিইসির সঙ্গে বৈঠকে মার্কিন রাষ্ট্রদূত, যা জানা গেল

ঢাকায় নবনিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেনের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন।

বুধবার (২৮ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে সিইসির দপ্তরে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১১টা ৫০ মিনিটে বৈঠক শুরু হয়।

বৈঠকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এএমএম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ উপস্থিত ছিলেন। অপরদিকে মার্কিন প্রতিনিধি দলে রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা ডেভিড মু ও ফিরোজ আহমেদ অংশ নেন।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, দ্বিপাক্ষিক এ বৈঠকে দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের প্রস্তুতি এবং নির্বাচনসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন গত ১২ জানুয়ারি বাংলাদেশে আসেন। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশে যুক্তরাষ্ট্রের ১৯তম রাষ্ট্রদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

ভারতের জাতীয় সম্মাননা পাচ্ছেন দুই সুপারস্টার

ভারতীয় চলচ্চিত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান পদ্মবিভূষণে ভূষিত হতে যাচ্ছেন বলিউডের সদ্য প্রয়াত কিংবদন্তি অভিনেতা ধর্মেন্দ্র। একই সঙ্গে ভারতের অন্যতম জনপ্রিয় বাংলা তারকা প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় পাচ্ছেন পদ্মশ্রী সম্মাননা। ২৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায় ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২৬ সালের পদ্ম পুরস্কারপ্রাপ্তদের তালিকা প্রকাশ করে।
হিন্দি ছবির ইতিহাসে ‘হি-ম্যান’ খ্যাত ধর্মেন্দ্র কয়েক দশক ধরে বলিউডে জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিলেন। ‘শোলে’, ‘ধরম বীর’, ‘সত্যম শিবম সুন্দরম’, ‘চুপকে চুপকে’র মতো অসংখ্য জনপ্রিয় সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্রে নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছেন। দীর্ঘ অভিনয়জীবনে বাণিজ্যিক সাফল্যের পাশাপাশি অভিনয়গুণেও দর্শক ও সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন ধর্মেন্দ্র। তার এই আজীবন অবদানের স্বীকৃতিতেই তাকে পদ্মবিভূষণে ভূষিত করতে যাচ্ছে ভারত সরকার। চার দশকের বেশি সময় ধরে টালিউডের মূলধারার নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়। বাণিজ্যিক ছবির পাশাপাশি সমান্তরাল ও আর্ট সিনেমাতেও তার দাপুটে উপস্থিতি বাংলা সিনেমাকে দিয়েছে নতুন মাত্রা। সত্যজিৎ রায়ের উত্তরসূরি প্রজন্মের গুরুত্বপূর্ণ অভিনেতা হিসেবেও বহু সমালোচকের স্বীকৃতি পেয়েছেন প্রসেনজিৎ।
এছাড়াও এবার শোবিজে অবদান রাখার জন্য পদ্মভূষণ সম্মান পাচ্ছেন দক্ষিণী অভিনেতা মামুট্টি এবং জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অলকা ইয়াগনিক। পদ্মশ্রীতে ভূষিত হতে যাচ্ছেন অভিনেতা ও নির্মাতা আর মাধবন।
ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে এ বছর মোট ১৩১ জন কৃতী ব্যক্তিত্বকে পদ্ম পুরস্কারে সম্মানিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত সরকার। এর মধ্যে রয়েছেন বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট শিল্পী, সমাজকর্মী, বিজ্ঞানী ও ক্রীড়াবিদরা। ধর্মেন্দ্র ও প্রসেনজিতের এই সম্মাননা ভারতীয় চলচ্চিত্রের দুই ভিন্ন প্রজন্মের দুই তারকার দীর্ঘ ও সফল যাত্রারই আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

পতনের পাল্লা ভারি হলেও বেড়েছে সূচক, কমেছে লেনদেন

সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসের মতো দ্বিতীয় কার্যদিবস সোমবারও (২৬ জানুয়ারি) প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দাম কমেছে। এর পরও বাজারটিতে বেড়েছে সব ক’টি মূল্যসূচক। তবে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ।
ডিএসইর মতো অন্য শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও (সিএসই) দাম কমার তালিকায় রয়েছে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান রয়েছে। দাম কমার তালিকা বড় হওয়ার পরও বাজারটিতেও মূল্যসূচক বেড়েছে। তবে কমেছে লেনদেনের পরিমাণ। এদিন ডিএসইতে লেনদেন শুরু হওয়ার অল্প সময়ের মধ্যেই দাম কমার তালিকায় চলে আসে বেশিরভাগ প্রতিষ্ঠান। ফলে লেনদেনের শুরুর দিকেই সূচক ঋণাত্মক হয়ে পড়ে। লেনদেনের প্রথম সাড়ে তিন ঘণ্টা সূচক ঋণাত্মকেই থাকে। তবে শেষ ঘণ্টার লেনদেনে বড় মূলধনের কিছু প্রতিষ্ঠানের শেয়ার দাম বাড়ে। এতে দাম কমার তালিকা বড় হওয়ার পরও মূল্যসূচক বেড়েই দিনের লেনদেন শেষ হয়।
দিনের লেনদেন শেষে ডিএসইতে সব খাত মিলে দাম বাড়ার তালিকায় নাম লিখিয়েছে ১১৬টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিট। বিপরীতে দাম কমেছে ১৮৯টির। আর ৮৫টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। ভালো কোম্পানি বা ১০ শতাংশ অথবা তার বেশি লভ্যাংশ দেওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ৬০টির শেয়ার দাম বেড়েছে।

বিপরীতে ১০৬টির দাম কমেছে এবং ৩৯টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। মাঝারি মানের বা ১০ শতাংশের কম লভ্যাংশ দেওয়া ২২টি কোম্পানির শেয়ার দাম বাড়ার বিপরীতে ৪২টির দাম কমেছে এবং ১৭টির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। বিনিয়োগকারীদের লভ্যাংশ না দেওয়ার কারণে ‘জেড’ গ্রুপে স্থান হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৩৪টির শেয়ার দাম বেড়েছে।

বিশ্বকাপ বয়কট করলে যে বড় বিপদ অপেক্ষা করছে পাকিস্তানের সামনে

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে ক্রিকেট বিশ্বে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ দেখিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ভারত সফরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে আইসিসি টাইগারদের বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। এই সিদ্ধান্তকে অন্যায় ও দ্বিচারিতা আখ্যা দিয়ে পুরো টুর্নামেন্ট বয়কটের হুমকি দেয় পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। বাংলাদেশকে সমর্থন জানিয়ে এমন অবস্থান নেওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) এক বিবৃতিতে আইসিসি বাংলাদেশকে বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে এবং ইউরোপিয়ান অঞ্চলের বাছাইয়ে চতুর্থ হওয়া স্কটল্যান্ডকে র‌্যাঙ্কিং বিবেচনায় বিশ্বকাপে আমন্ত্রণ জানায়। এর পরপরই পিসিবি এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়। বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, পাকিস্তানের জাতীয় দলের ক্রিকেটাররাও পিসিবির যেকোনো সিদ্ধান্তে সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে গত সোমবার (২৬ জানুয়ারি) পিসিবি চেয়ারম্যান মহসিন নাকভি প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের সঙ্গে বৈঠক করেন। তবে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া না নেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অন্তত সপ্তাহের শেষ পর্যন্ত স্থগিত রাখা হয়েছে। পিসিবি চেয়ারম্যান একাধিকবার জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত পুরোপুরি সরকারের ওপর নির্ভরশীল। এমনকি বিশ্বকাপের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করা হলেও সরকারের চূড়ান্ত অনুমোদন এখনো মেলেনি।

বিশ্লেষকদের মতে, শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ বয়কট করা পাকিস্তানের জন্য অত্যন্ত কঠিন, প্রায় অসম্ভব সিদ্ধান্ত। কারণ আইসিসির প্রতিটি পূর্ণ সদস্য দেশকে বড় টুর্নামেন্টের আগে টুর্নামেন্ট পার্টিসিপেশন এগ্রিমেন্টে (টিপিএ) স্বাক্ষর করতে হয়। শেষ মুহূর্তে সরে দাঁড়ালে পাকিস্তান সরাসরি এই চুক্তি লঙ্ঘন করবে। এমন পরিস্থিতিতে আইসিসি পাকিস্তানের বার্ষিক রাজস্ব অংশ স্থগিত করতে পারে, যার পরিমাণ প্রায় ৩ কোটি ৪৫ লাখ মার্কিন ডলার। অর্থনৈতিকভাবে চাপে থাকা পিসিবির জন্য এটি হবে বড় ধাক্কা।

এ ছাড়া রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হলে আইসিসির কঠোর নিষেধাজ্ঞার মুখেও পড়তে পারে পাকিস্তান। অতীতে জিম্বাবুয়ে ও শ্রীলঙ্কা এমন শাস্তির নজির রয়েছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিষেধাজ্ঞা, এশিয়া কাপ থেকে বাদ পড়া কিংবা ভবিষ্যতে বড় টুর্নামেন্ট আয়োজনের অধিকার হারানোর ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। উল্লেখ্য, ২০২৮ নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট আয়োজনের দায়িত্ব রয়েছে পাকিস্তানের হাতে।

বিশ্বকাপ বয়কটের প্রভাব পড়তে পারে পাকিস্তান সুপার লিগেও (পিএসএল)। বিদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ ছাড়া পিএসএলের সাফল্য কল্পনাই করা যায় না। কিন্তু আইসিসি বা অন্যান্য বোর্ড পাল্টা পদক্ষেপ হিসেবে তাদের খেলোয়াড়দের পিএসএলে খেলতে ‘নো অবজেকশন সার্টিফিকেট’ না দিলে টুর্নামেন্টটি বড় সংকটে পড়বে।

সবচেয়ে বড় আশঙ্কা হলো আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে একঘরে হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা। দ্বিপাক্ষিক সিরিজই বোর্ডগুলোর আয়ের প্রধান উৎস। বড় দলগুলোর সঙ্গে সিরিজ না পেলে পিসিবির রাজস্ব মারাত্মকভাবে কমে যেতে পারে।

বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানালেও শেষ পর্যন্ত বিশ্বকাপ বয়কটের সিদ্ধান্ত নাও নিতে পারে পাকিস্তান। বিকল্প হিসেবে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ বর্জন, কালো আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামা বা বাংলাদেশকে জয় উৎসর্গের মতো প্রতীকী প্রতিবাদের কথাও ভাবছে পিসিবি। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসার সম্ভাবনা রয়েছে।