Home Blog Page 221

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক, বুধবার সারাদেশে সাধারণ ছুটি

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সরকার আগামী বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত (৩১ ডিসেম্বর ও ১ ও ২ জানুয়ারি) তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) সারাদেশে সাধারণ ছুটি থাকবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব শেখ আব্দুর রশীদ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এই তথ্য জানান।

উল্লেখ্য, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া মঙ্গলবার ভোর ৬টায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।

আপনি কি ডিপ্রেশনের শিকার? এই উপসর্গগুলোকে কখনো উপেক্ষা করবেন না

বর্তমান ব্যস্ত ও প্রতিযোগিতামূলক জীবনে মানসিক চাপ যেন নিত্যসঙ্গী। কিন্তু এই চাপ ধীরে ধীরে কখন যে ডিপ্রেশন বা বিষণ্নতায় রূপ নেয়, তা অনেকেই বুঝতে পারেন না। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষ ডিপ্রেশনে ভুগছেন, অথচ বড় একটি অংশ চিকিৎসার বাইরে থেকে যাচ্ছে। সময়মতো লক্ষণ চিনতে পারলে এই মানসিক রোগ থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

১. দীর্ঘদিন ধরে মন খারাপ থাকা
কয়েক ঘণ্টা বা একদিন মন খারাপ হওয়া স্বাভাবিক। কিন্তু টানা দুই সপ্তাহ বা তার বেশি সময় ধরে মন খারাপ, হতাশা বা শূন্যতা অনুভব করলে তা ডিপ্রেশনের লক্ষণ হতে পারে।

২. আগ্রহ ও আনন্দ হারিয়ে ফেলা
যে কাজগুলো একসময় আনন্দ দিত—গান শোনা, বই পড়া, বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো—সেগুলোতে আর আগ্রহ না থাকলে সতর্ক হওয়া জরুরি। এটি ডিপ্রেশনের অন্যতম প্রধান উপসর্গ।

৩. ঘুমের সমস্যা
ডিপ্রেশনে আক্রান্ত ব্যক্তিরা অনেক সময় অতিরিক্ত ঘুমান বা একেবারেই ঘুমাতে পারেন না। মাঝরাতে ঘন ঘন ঘুম ভেঙে যাওয়া বা ভোরে ঘুম ভেঙে যাওয়াও লক্ষণ হতে পারে।

৪. ক্ষুধা ও ওজনের পরিবর্তন
খাবারে অনীহা বা অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা দেখা দিতে পারে। এর ফলে হঠাৎ করে ওজন কমে যাওয়া বা বেড়ে যাওয়াও ডিপ্রেশনের ইঙ্গিত দেয়।

৫. সারাক্ষণ ক্লান্তি ও শক্তিহীনতা
পর্যাপ্ত বিশ্রাম নেওয়ার পরও যদি সব সময় ক্লান্ত লাগে, শরীরে শক্তি না থাকে এবং ছোট কাজও কষ্টকর মনে হয়—তাহলে তা মানসিক সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।

৬. নিজেকে মূল্যহীন মনে হওয়া
বারবার নিজেকে দোষারোপ করা, অপরাধবোধে ভোগা বা মনে হওয়া—‘আমি কিছুই পারি না’, ‘আমি বোঝা’—এই ভাবনাগুলো ডিপ্রেশনের গুরুতর লক্ষণ।

৭. মনোযোগ ও সিদ্ধান্ত নিতে সমস্যা
ডিপ্রেশনে আক্রান্ত হলে মনোযোগ কমে যায়, স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয় এবং ছোট সিদ্ধান্ত নিতেও অসুবিধা দেখা দেয়।

৮. মৃত্যু বা আত্মহত্যার চিন্তা
সবচেয়ে ভয়ংকর লক্ষণ হলো—মৃত্যু নিয়ে বারবার চিন্তা করা বা আত্মহত্যার কথা ভাবা। এমন চিন্তা মাথায় এলে অবিলম্বে বিশেষজ্ঞের সাহায্য নেওয়া জরুরি।

কী করবেন?
ডিপ্রেশন কোনো দুর্বলতা নয়, এটি একটি চিকিৎসাযোগ্য মানসিক রোগ। পরিবারের সঙ্গে কথা বলা, বিশ্বস্ত বন্ধুর সহায়তা নেওয়া এবং প্রয়োজনে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ বা কাউন্সেলরের শরণাপন্ন হওয়াই সুস্থতার প্রথম ধাপ।

মনে রাখবেন: সময়মতো চিকিৎসা নিলে ডিপ্রেশন থেকে পুরোপুরি সুস্থ হওয়া সম্ভব।

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের শোক প্রকাশ

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৬টায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)।

মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাংলাদেশ অফিসের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক শোকবার্তায় বলা হয়, বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমরা বাংলাদেশের জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ২৩ নভেম্বর রাতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর আগে গত ১৫ অক্টোবরও তিনি একই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। সে সময় তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের সদস্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী জানিয়েছিলেন, তার বুকে সংক্রমণ ছিল এবং হৃদ্‌যন্ত্র ও ফুসফুস আক্রান্ত হয়েছিল।

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রপতির গভীর শোক প্রকাশ

বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
মঙ্গলবার এক শোকবার্তায় রাষ্ট্রপতি বলেন, “সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে আমি গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছি।”

রাষ্ট্রপতি তার শোকবার্তায় বলেন, “গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন ভূমিকা বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।” জাতির এই অপূরণীয় ক্ষতির মুহূর্তে তিনি মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গ ও অনুসারীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

এ ছাড়া রাষ্ট্রপতি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, “মরহুমার স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে তার জন্য দোয়া ও প্রার্থনা করার জন্য আমি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”
এর আগে, মঙ্গলবার ভোরে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন বেগম খালেদা জিয়া। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮০ বছর।
দীর্ঘদিন ধরে তিনি হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস, আর্থ্রাইটিস, লিভার সিরোসিস ও কিডনি জটিলতাসহ নানা শারীরিক সমস্যায় ভুগছিলেন। শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে গত ২৩ নভেম্বর তাকে জরুরি ভিত্তিতে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। দেশি ও বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছিল।

খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বিএনপির জরুরি বৈঠক

বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দলের স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক ডাকা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
দলীয় সূত্র জানায়, বৈঠকে মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার জানাজার সময় নির্ধারণসহ পরবর্তী কর্মসূচি ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
এরই মধ্যে বৈঠকে অংশ নিতে বিএনপির শীর্ষ নেতারা গুলশান কার্যালয়ে উপস্থিত হতে শুরু করেছেন। সকাল সাড়ে ১০টার পর স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। এ ছাড়া সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ কেন্দ্রীয় পর্যায়ের একাধিক নেতা সেখানে উপস্থিত হন।
এদিকে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে সাতদিনের শোক কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপি।
মঙ্গলবার সকাল ৯টায় দলীয়ভাবে মৃত্যুর খবর জানানো হয়। এরপর এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
ঘোষিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে—
আগামী সাতদিন দলের সব কার্যালয়ে কালো পতাকা উত্তোলন
নেতাকর্মীদের কালো ব্যাজ ধারণ
নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ও গুলশানের চেয়ারপারসনের কার্যালয়সহ সব কার্যালয়ে শোক বই খোলা রাখা
এ বিষয়ে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন,
“এগুলো প্রাথমিকভাবে নেওয়া কর্মসূচি। পরবর্তীতে আরও কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।”

৫ ব্যাংকের গ্রাহকদের জন্য বড় সুখবর

একীভূত হওয়া পাঁচটি ব্যাংকের লাখো গ্রাহকের জন্য বড় স্বস্তির খবর দিল বাংলাদেশ ব্যাংক। আলোচিত পাঁচ ব্যাংকের আমানতকারীদের হিসাব নতুনভাবে গঠিত ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক’-এ স্থানান্তরের প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। এই প্রক্রিয়া শেষ হলেই গ্রাহকরা নিজ নিজ ব্যাংকের বিদ্যমান চেক বই ব্যবহার করে টাকা তুলতে পারবেন। শনিবার বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এসব তথ্য জানান।

অনিয়ম, দুর্বল ব্যবস্থাপনা ও ঋণ খেলাপির চাপে দেশের কয়েকটি ব্যাংক দীর্ঘদিন ধরে তীব্র তারল্য সংকটে পড়ে। এর মধ্যে সবচেয়ে সংকটে থাকা পাঁচটি ইসলামী ব্যাংককে একীভূত করে ‘সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক পিএলসি’ গঠনের অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এই ব্যাংকগুলো হলো এক্সিম ব্যাংক, সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, গ্লোবাল ইসলামী ব্যাংক এবং ইউনিয়ন ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র জানান, আগামী সপ্তাহের মধ্যেই আমানত স্থানান্তরের কাজ সম্পন্ন হতে পারে। প্রক্রিয়া শেষ হলে এই পাঁচ ব্যাংকের সব গ্রাহকের জমা অর্থ স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের হিসাবে স্থানান্তরিত হবে। এরপর গ্রাহকরা তাদের পুরোনো চেক বই ব্যবহার করে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা পর্যন্ত তুলতে পারবেন। অবশিষ্ট আমানত সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকবে এবং তাতে প্রচলিত হারে মুনাফাও দেওয়া হবে।

তিনি আরও জানান, নতুন এই ব্যাংক রাষ্ট্র মালিকানাধীন হওয়ায় আমানতকারীদের আস্থা ধীরে ধীরে ফিরে আসবে। এতে অতিরিক্ত টাকা তোলার চাপও অনেকটাই কমে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রাথমিকভাবে একজন গ্রাহক একবারে দুই লাখ টাকার বেশি তুলতে পারবেন না। তবে ধাপে ধাপে উত্তোলনের সীমা বাড়ানো হবে। যাদের হিসাবে দুই লাখ টাকার কম রয়েছে, তারা একবারেই পুরো টাকা তুলতে পারবেন। আর যাদের হিসাবে দুই লাখ টাকার বেশি জমা আছে, তারা চাইলে প্রতি তিন মাস অন্তর এক লাখ টাকা করে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত টাকা তুলতে পারবেন। ৬০ বছরের বেশি বয়সী ও গুরুতর রোগে আক্রান্ত আমানতকারীদের ক্ষেত্রে এই সীমা শিথিল রাখা হয়েছে। প্রয়োজনে তারা যেকোনো পরিমাণ অর্থ উত্তোলন করতে পারবেন।
সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় স্থাপন করা হয়েছে রাজধানীর সেনাকল্যাণ ভবনে। ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধন নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকার দিচ্ছে ২০ হাজার কোটি টাকা এবং আমানতকারীদের শেয়ার থেকে আসবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। অনুমোদিত মূলধন ধরা হয়েছে ৪০ হাজার কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, একীভূত হওয়া পাঁচ ব্যাংকে বর্তমানে প্রায় ৭৫ লাখ আমানতকারীর মোট জমা রয়েছে এক লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা। বিপরীতে ঋণের পরিমাণ এক লাখ ৯৩ হাজার কোটি টাকা, যার বড় অংশই খেলাপিতে পরিণত হয়েছে। সারা দেশে এসব ব্যাংকের রয়েছে ৭৬০টি শাখা, ৬৯৮টি উপশাখা, ৫১১টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট এবং ৯৭৫টি এটিএম বুথ।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আশা, এই একীভূতকরণের মাধ্যমে ব্যাংকিং খাতে স্থিতিশীলতা ফিরবে এবং গ্রাহকদের আস্থার সংকট কাটবে।

একদিনের ব্যবধানে সোনার দামে ফের রেকর্ড, ভরি কত?

দেশের বাজারে আবারও সোনার দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ১ হাজার ৫৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি। যা দেশের ইতিহাসে মূল্যবান এই ধাতুর সর্বোচ্চ দাম।

রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ২৯ হাজার ৪৩১ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ৯৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৭৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৫৬ হাজার ৫৩১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

এ নিয়ে চলতি বছর মোট ৯১ বার দেশের বাজারে সমন্বয় করা হলো সোনার দাম। যেখানে দাম বাড়ানো হয়েছে ৬৪ বার, আর কমেছে মাত্র ২৭ বার। আর ২০২৪ সালে দেশের বাজারে মোট ৬২ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। যেখানে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৭ বার।

সোনার দাম বাড়ানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার ৬৫ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৭৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার ৭৩২ টাকায়।

চলতি বছর এখন পর্যন্ত ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। এর মধ্যে বেড়েছে ১০ বার, আর কমেছে মাত্র ৩ বার। আর গত বছর সমন্বয় করা হয়েছিল ৩ বার।

শোবিজ থেকে সরে গেলেন শিশুশিল্পী সিমরিন লুবাবা

শিশুশিল্পী হিসেবে পরিচিত সিমরিন লুবাবা মিডিয়ায় কাজ করা থেকে বিদায় নিয়েছেন। তিনি অভিনয় ও মডেলিংসহ সব ধরনের কাজে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এবং ভবিষ্যতে আর কখনো প্রকাশ্যে মুখ দেখাবেন না বলে জানিয়েছেন। ইতোমধ্যে তিনি নেকাব পরা শুরু করেছেন।

লুবাবার জন্ম একটি সংস্কৃতিমনা পরিবারে, তার দাদা ছিলেন খ্যাতনামা মঞ্চ ও টেলিভিশন অভিনেতা প্রয়াত আব্দুল কাদের। দাদার প্রেরণায় অল্প বয়সে তিনি ক্যামেরার সামনে এসে শিশুশিল্পী হিসেবে নাটক ও বিজ্ঞাপনে নিয়মিত কাজ করতেন এবং জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। তবে হঠাৎ করে জীবনের পথ পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

লুবাবার মা, জাহিদা ইসলাম জেমি সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, লুবাবার নিজস্ব অনুভূতির ভিত্তিতে এই সিদ্ধান্ত এসেছে। তিনি বলেন, ‘লুবাবা আর মিডিয়ায় কাজ করতে চায় না, এজন্য সে নেকাব পরেছে। এই অবস্থায় মিডিয়ায় কাজ করা সম্ভব নয়।’

জাহিদা ইসলাম জেমি আরও জানান, ধর্মীয় বই পড়ার মাধ্যমে লুবাবার জীবনে এই পরিবর্তন এসেছে। তিনি বলেন, ‘লুবাবা কোরআন খতম দিয়েছে এবং নিয়মিত বিভিন্ন ধর্মীয় গ্রন্থ ও হাদিস পড়ছে। এসব পড়াশোনার মাধ্যমেই সে নিজের জীবনধারা পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

যদিও মিডিয়া থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন, তবে লুবাবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কিছু সীমিত প্রচারণামূলক কাজে অংশ নিতে পারেন, তবে এসব কাজে তিনি নেকাব পরেই অংশগ্রহণ করবেন বলে তার মা জানিয়েছেন।

এদিকে, তিনি আগামী রমজানে ওমরাহ পালন করতে মক্কা যাওয়ার পরিকল্পনাও করেছেন। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ধর্মীয় জীবনধারা অনুসরণ করতে নতুনভাবে জীবন শুরু করার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন লুবাবা।

ছড়িয়ে পড়েছে শিল্পা শেঠির ‘আপত্তিকর’ ভিডিও, নিলেন আইনি পদক্ষেপ

প্রযুক্তির অপব্যবহার করে বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠির ছবি ও ভিডিও বিকৃতি, পাশাপাশি ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এ কারণে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন অভিনেত্রী।

সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যম ও বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে তার বিকৃত ছবি ছড়িয়ে পড়ে। যার প্রেক্ষিতে তিনি এই আইনি পদক্ষেপ নেন।

অভিনেত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে বোম্বে হাইকোর্ট সংশ্লিষ্ট প্ল্যাটফর্মগুলো থেকে দ্রুত ওইসব আপত্তিকর কনটেন্ট সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন।

শিল্পা শেঠির দায়ের করা অভিযোগে বলা হয়, অনুমতি ছাড়াই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা অন্যান্য প্রযুক্তির সহায়তায় তার চেহারা, কণ্ঠস্বর ও অঙ্গভঙ্গি নকল করে অসংখ্য ছবি, ভিডিও এবং ডিজিটাল বই তৈরি করা হয়েছে। এসব কন্টেন্ট বিভিন্ন ওয়েব প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে দেওয়ায় তার ব্যক্তিগত জীবন এবং সামাজিক ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি আদালতের কাছে নিজের ব্যক্তিগত সুরক্ষা এবং এসব অপতৎপরতা বন্ধের আবেদন জানান।

মামলার শুনানি শেষে বিচারপতি অদ্বৈত শেঠনা পুরো বিষয়টিকে অত্যন্ত উদ্বেগজনক হিসেবে অভিহিত করেন। আদালত তার পর্যবেক্ষণে জানায়, অনুমতি ছাড়া কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত জীবন এভাবে জনসমক্ষে আনা বা বিকৃত করা দণ্ডনীয় অপরাধ। বিচারপতি বলেন, নারী বা পুরুষ কাউকেই এভাবে জনসমক্ষে হেনস্তা করার অধিকার কারও নেই।

শিল্পা শেঠির পক্ষ থেকে জমা দেওয়া বিকৃত ছবির স্ক্রিনশটগুলো পর্যালোচনার পর আদালত ডিজিটাল ওয়েবসাইট ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোকে অবিলম্বে সেই সব আপত্তিকর লিঙ্ক ও ভিডিও মুছে ফেলার নির্দেশ দেন।

বরিশাল-১ আসনে বিএনপি প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বরিশাল-১ (গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী এম জহির উদ্দিন স্বপন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) সকালে তিনি গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. ইব্রাহীমের কাছে তার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

এসময় গৌরনদী থানা মসজিদের ইমাম ও খতিব আলহাজ্ব ক্বারী আব্দুল আজিজ, বরিশাল জেলা উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুল, গৌরনদী উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীর লিগ্যাল টিমের প্রধান সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট রেজাউল ফিরোজ রিন্টু, প্রচার বিষয়ক উপ-কমিটির প্রধান সমন্বয়ক রফিকুল ইসলাম কাজল, অ্যাডভোকেট এসএম মনিরুজ্জামান উপস্থিত ছিলেন।