Home Blog Page 225

খিলক্ষেত পেরিয়ে উড়ালসেতুতে ‘বিজয়রথ’; সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানালেন তারেক রহমান

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে প্রিয় জন্মভূমির মাটিতে রাজকীয় প্রত্যাবর্তন করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের পর, তিনি এখন তাঁর জন্য বিশেষভাবে প্রস্তুত করা সেই লাল-সবুজ বাসে চড়ে সংবর্ধনাস্থলের দিকে এগোচ্ছেন। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, তাঁর গাড়ি বহরটি এখন খিলক্ষেত এলাকা পেরিয়ে উড়ালসেতু (ফ্লাইওভার) অতিক্রম করছে।

বিমানবন্দর থেকে বের হওয়ার পর রাস্তার দুপাশে অপেক্ষমাণ লাখো নেতাকর্মীর অভিবাদনের জবাব দিচ্ছেন তারেক রহমান।

লাল ও সবুজ রঙের এই বিশেষ বাসটির দুপাশে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের বিশাল প্রতিকৃতি শোভা পাচ্ছে।

নিরাপত্তার খাতিরে বাসের জানালাগুলো বিশেষ বুলেটপ্রুফ কাঁচ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে, যাতে ভিড়ের মধ্যেও নেতার নিরাপত্তা নিশ্চিত থাকে।

খিলক্ষেত ও কুড়িল বিশ্বরোড এলাকার জনসমুদ্র চিরে তাঁর বাসটি এখন ‘জুলাই ৩৬ এক্সপ্রেসওয়ে’ বা ৩০০ ফিট সংলগ্ন গণসংবর্ধনা মঞ্চের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। সেখানে সকাল থেকে অপেক্ষমাণ লাখ লাখ নেতাকর্মীর উদ্দেশ্যে তিনি ঐতিহাসিক ভাষণ দেবেন। দীর্ঘ দেড় যুগ পর প্রিয় নেতাকে সরাসরি দেখতে ও তাঁর কথা শুনতে পুরো ৩০০ ফিট এলাকা এখন কানায় কানায় পূর্ণ।

গণসংবর্ধনা শেষে তারেক রহমানের গাড়ি বহর সরাসরি বসুন্ধরার এভারকেয়ার হাসপাতালের দিকে রওনা হবে। সেখানে সিসিইউতে চিকিৎসাধীন মা বেগম খালেদা জিয়ার সাথে দেখা করবেন তিনি। মা-ছেলের এই আবেগঘন সাক্ষাতের পর তিনি গুলশানের বাসভবনে ফিরবেন।

উল্লেখ্য, এর আগে সকালে লন্ডন থেকে আসা বিমানটি সিলেটে সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতি করে, যার মাধ্যমে দীর্ঘ ১৭ বছর পর প্রথম দেশের মাটি স্পর্শ করার সুযোগ পান তারেক রহমান।িখিলক্ষেত পেরিয়ে উড়ালসেতুতে তারেক রহমানের ‘বিজয়রথ’: জনসমুদ্র চিরে এগোচ্ছে বিশেষ বাস

ডিসেম্বরের ২৩ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২৫৩ কোটি ডলার

ডিসেম্বর মাসের প্রথম ২৩ দিনে দেশে বিপুল পরিমাণ রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এই ২৩ দিনে দেশে এসেছে ২৫৩ কোটি ১০ লাখ বা ২.৫৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। এই হিসাবে প্রবাসীরা প্রতিদিন গড়ে ১১ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ডিসেম্বরের প্রথম ২৩ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ২৫৩ কোটি ১০ লাখ ডলার। আর গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ২২৩ কোটি ২০ লাখ ডলার। অর্থাৎ বছর ব্যবধানে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।

তিনি আরও বলেন, চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে ২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশে এসেছে ১ হাজার ৫৫৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। বছর ব্যবধানে যা বেড়েছে ১৬ দশমিক ৫০ শতাংশ।

এর আগে গত নভেম্বরে এসেছে চলতি অর্থবছরের সর্বোচ্চ ২৮৮ কোটি ৯৫ লাখ ২০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স। আর গত অক্টোবর ও সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছিল যথাক্রমে ২৫৬ কোটি ৩৪ লাখ ৮০ হাজার ও ২৬৮ কোটি ৫৮ লাখ ৮০ হাজার মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। আর গত আগস্ট ও জুলাইয়ে যথাক্রমে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ও ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

এদিকে, গত ২০২৪-২৫ অর্থবছর জুড়ে দেশে প্রবাসীরা পাঠিয়েছেন ৩০ দশমিক ৩২ বিলিয়ন বা ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স, যা দেশের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট অর্থবছরে সর্বোচ্চ প্রবাসী আয়ের রেকর্ড।

কঠোর নিরাপত্তা প্রটোকলে গুলশানের বাসায় পৌঁছেছেন ডা. জুবাইদা ও জাইমা রহমান

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান গুলশানের ১৯৬ নম্বর বাসভবনে পৌঁছেছেন। পুলিশ ও সিএসএফ সদস্যদের কঠোর নিরাপত্তা প্রটোকলে তাঁদের বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়।বৃহস্পতিবার ২৫ ডিসেম্বর দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটের দিকে তারা গুলশানের ওই বাসভবনে পৌঁছান বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

এর আগে একই দিন সকাল ৯টা ৫৭ মিনিটে তারেক রহমান, তার স্ত্রী ও কন্যাকে বহনকারী বিমানটি সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখানে স্বল্প যাত্রাবিরতির পর বিমানটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেয় এবং বেলা ১১টা ৪০ মিনিটের দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।
ঢাকায় পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরে তারেক রহমানকে স্বাগত জানান বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারা। এ সময় তিনি নেতাদের সঙ্গে কোলাকুলি ও কুশল বিনিময় করেন এবং উপস্থিত সবার উদ্দেশে হাত নেড়ে শুভেচ্ছা জানান।
উল্লেখ্য, গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় দিনগত রাত সোয়া ১২টা) তারেক রহমান ও তাঁর পরিবারকে বহনকারী বিমানটি লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে। দীর্ঘ ১৭ বছর পর পরিবারের এই প্রত্যাবর্তন ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা ও আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

শহিদ ওসমান বিন হাদির মৃত্যুর ৭ দিনেই ’বিদ্রোহী’ কবিতার ভিডিও সরিয়ে নিল অন্তর্বর্তী সরকার!

ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী বিপ্লবী শহিদ ওসমান হাদির ‘বিদ্রোহী’ কবিতা আবৃত্তির ভিডিও প্রধান উপদেষ্টার পেইজ থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বুধবার রাত থেকে ভিডিওটি পাওয়া না গেলে জুলাইয়ের বিভিন্ন পেজ থকে নানাধরণের মন্তব্য করতে দেখা যায়।

বৃহস্পতিবার জুলাই ঐক্যের পেজ থেকে এক পোস্টে বলা হয়, ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী বিপ্লবী শহিদ ওসমান হাদির ‘বিদ্রোহী’ কবিতা আবৃত্তির এই ভিডিও প্রধান উপদেষ্টার পেইজ থেকে সরিয়ে নেয়া হলো কার ইশারাতে? আমরা ইন্টারিম যেমন বানাতে পারি তেমনি লা/ত্থি মেরে নামাতেও জানি।’

জুলাইয়ের কথা পেজ থেকে বলা হয়, শহীদ ওসমান হাদির ‘বিদ্রোহী’ কবিতা আবৃত্তির ভিডিও প্রধান উপদেষ্টার পেইজ থেকে সরিয়ে নেয়া হলো কেন?

কী কারণে শহিদ ওসমান বিন হাদির এই ভিডিও সরিয়ে নেওয়া হয়েছে তার কোনো ব্যাখ্যা এখন পর্যন্ত সরকার দেয়নি।

উল্লেখ্য, গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে ভারতের মদদে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন শরীফ ওসমান বিন হাদি। তিনি ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক এবং ঢাকা–৮ আসনের সম্ভাব্য স্বতন্ত্র প্রার্থী ছিলেন। প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয় তাকে। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার তিনি শাহাদতবরণ করেন। তার জানাজায় বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ লোক অংশগ্রহণ করেন।

নোয়াখালীর বড় চমক, বিপিএলে দেখা যাবে বাবা-ছেলে জুটি

বিপিএলে প্রথমবারের মতো অংশ নিতে যাচ্ছে ‘নোয়াখালী এক্সপ্রেস’। আর নিজেদের প্রথম আসরেই এক বড় চমক দেখিয়েছে তারা। প্রথমবারের মতো বাবা ও ছেলেকে একই সঙ্গে মাঠে নামাতে যাচ্ছে দেশ ট্রাভেলসের মালিকানাধীন এই ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।

আফগান অলরাউন্ডার মোহাম্মদ নবীকে আগেই দলে নিয়েছিল নোয়াখালী। এবার টুর্নামেন্ট শুরুর ঠিক আগে তাঁর বড় ছেলে হাসান ইসাখিলকে দলে ভিড়িয়েছে তারা। ফলে বিপিএলের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বাবা ও ছেলেকে একই দলে দেখা যাবে।

মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় বাবা ও ছেলের ছবি পোস্ট করে সামাজিক মাধ্যমে তাঁদের আগমনের বার্তা দিয়েছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস।

অবশ্য মাঠের ক্রিকেটে ‘বাপ-বেটা’র জুটি বিশ্ববাসী আগেও দেখেছে। এর আগে আফগানিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটে একসঙ্গে খেলতে দেখা গেছে তাঁদের। ডানহাতি ব্যাটার ইসাখিল মূলত ওপেনিংয়ে খেলেন। আফগানিস্তানের জাতীয় দলে এখনও অভিষেক না হলেও ১৯ বছর বয়সী এই ব্যাটার খেলেছেন অনূর্ধ্ব-১৯ দলে।

আগামী ২৬ ডিসেম্বর বিপিএলের উদ্বোধনী দিনেই মাঠে নামবে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। রাত পৌনে আটটায় শুরু হতে যাওয়া ম্যাচে দলটির প্রতিপক্ষ চট্টগ্রাম রয়্যালস।

নোয়াখালী এক্সপ্রেস স্কোয়াড: হাসান মাহমুদ, সৌম্য সরকার, কুশল মেন্ডিস, জনসন চার্লস, সেদিকউল্লাহ আতাল, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, জাকের আলী অনিক, হাবিবুর রহমান সোহান, মুশফিক হাসান, শাহাদাত হোসেন দিপু, রেজাউর রহমান রাজা, নাজমুল ইসলাম অপু, আবু হাসিম, মেহেদী হাসান রানা, সৈকত আলী, সাব্বির হোসেন, রহমতউল্লাহ আলী, ইহসানউল্লাহ খান, হায়দার আলী, মাজ সাদাকাত, জহির খান, মোহাম্মদ নবী, ইবরার আহমেদ, বিলাল সামি ও হাসান ইসাখিল।

শীতে গোসলের জন্য কোন পানি ভালো—ঠান্ডা নাকি গরম?

শীত ঘনিয়ে এলে ঠান্ডা থেকে বাঁচতে গরম কাপড় পরা, উষ্ণ পানীয় পান করা কিংবা চা–কফিতে চুমুক দেওয়ার প্রবণতা বাড়ে। তবে শীতকালে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় গোসল। ঠান্ডার ভয়ে অনেকেই দেরিতে গোসল করেন, আবার কেউ ঠান্ডা পানি ব্যবহার করেন, কেউ বা গরম পানি। এই সময়ে কোন পানি দিয়ে গোসল করা শরীরের জন্য বেশি উপকারী—এ নিয়ে রয়েছে নানা মত।

এ বিষয়ে সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। প্রতিবেদনে শীতে ঠান্ডা ও গরম পানিতে গোসলের উপকারিতা ও অপকারিতা তুলে ধরা হয়েছে।

শীতে গরম পানিতে গোসলের উপকারিতা

গরম পানিতে গোসল করলে পেশির টানটান ভাব কমে এবং শরীর আরাম পায়। শীতের সময় শরীরে জমে থাকা ক্লান্তি বা ব্যথা উপশমে এটি কার্যকর। গরম পানি রক্তনালী প্রসারিত করে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। পাশাপাশি গরম পানির বাষ্প নাকের পথ পরিষ্কার করতে সহায়তা করে, ফলে ঠান্ডাজনিত অস্বস্তি কমে।

গরম পানিতে গোসলের অপকারিতা

তবে দীর্ঘক্ষণ গরম পানিতে গোসল করলে ত্বকের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হতে পারে। এতে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে পড়ে এবং চুলকানি বা জ্বালাপোড়া দেখা দিতে পারে। ত্বকের বাইরের সুরক্ষাবলয় দুর্বল হয়ে যাওয়ায় একজিমা বা সোরিয়াসিসের মতো ত্বকের সমস্যা আরও বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কাও থাকে।

শীতে ঠান্ডা পানিতে গোসলের উপকারিতা

ঠান্ডা পানিতে নিয়মিত গোসল করলে রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হয়। এটি শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে এবং শ্বেত রক্তকণিকার উৎপাদনে সহায়ক। ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে শরীর সতেজ হয়, অলসতা কমে এবং মনোযোগ বাড়ে। এছাড়া শরীরের প্রদাহ কমাতে ও জয়েন্টের ব্যথা উপশমেও এটি সহায়ক হতে পারে।

ঠান্ডা পানিতে গোসলের অসুবিধা

তবে হঠাৎ ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে শ্বাসকষ্ট দেখা দিতে পারে। হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস বা হৃদরোগে আক্রান্তদের জন্য এটি ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। যাদের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল বা রক্ত সঞ্চালন সমস্যা রয়েছে, শীতকালে ঠান্ডা পানিতে গোসল করলে শরীরে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ

বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতে কোন পানি দিয়ে গোসল করবেন তা ব্যক্তির শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে। তবে শরীরের জন্য সবচেয়ে নিরাপদ ও ভারসাম্যপূর্ণ পদ্ধতি হলো হালকা গরম পানিতে গোসল করা। এতে শীতের কষ্টও কমে, আবার ত্বকের ক্ষতিও তুলনামূলকভাবে কম হয়।

কিডনি ভালো রাখতে কী খাবেন, কোন খাবার এড়িয়ে চলবেন?

কিডনি আমাদের শরীরের এক নীরব কর্মী। রক্ত পরিষ্কার করা, অতিরিক্ত পানি ও বর্জ্য শরীর থেকে বের করে দেওয়া সব কাজই করে এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। কিছু ভুল খাদ্যাভ্যাস আর ভুল জীবনযাপনের কারণে কিডনি ধীরে ধীরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অনেকসময় যা বুঝতে দেরি হয়ে যায়। তাই কিডনি সুস্থ রাখতে চাইলে খাবারের ব্যাপারে সচেতন হওয়া জরুরি।

কিডনি ভালো রাখতে কী খাবেন?
১. পর্যাপ্ত পানি
কিডনি সুস্থ রাখার সবচেয়ে সহজ উপায় পর্যাপ্ত পানি পান। একজন সুস্থ মানুষের দিনে ৮-১০ গ্লাস পানি পান করা উচিত। তবে যাদের কিডনি রোগ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পানি খাওয়া উচিত।

২. তাজা ফল
কিডনি ভালো রাখতে খাদ্যতালিকায় রাখুন তাজা ফল। আপেল, আঙুর, নাশপাতি, পেয়ারা ও আনারসের মতো ফল কিডনির জন্য উপকারি। এসব ফলে থাকে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট যা কিডনি কোষকে সুরক্ষা দেয়।

৩. শাকসবজি
লাউ, ঝিঙে, পটল, ফুলকপি, বাঁধাকপি, শসার মতো সবজি কিডনির ওপর কম চাপ ফেলে। নিয়মিত সবজি খেলে শরীর থেকে টক্সিন বের হতে সাহায্য করে। ভালো থাকে কিডনি।

৪. স্বাস্থ্যকর প্রোটিন
খাদ্যতালিকায় রাখুন প্রোটিন। ডিমের সাদা অংশ, অল্প পরিমাণ মাছ এবং ডাল ভালো প্রোটিনের উৎস। তবে অতিরিক্ত প্রোটিন কিডনির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে, তাই এসব খাবার নির্দিষ্ট পরিমাণে খেতে হবে।

৫. কম লবণযুক্ত খাবার
লবণ কম খেলে রক্তচাপনিয়ন্ত্রণে থাকে, যা কিডনি সুস্থ রাখতে সহায়ক। রান্নায় অতিরিক্ত লবণ এড়িয়ে চলুন।

৬. ভাত ও রুটি (পরিমিত)
পরিমিত পরিমাণে সাদা ভাত বা আটা দিয়ে তৈরি রুটি খেতে পারেন। অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট ওজন বাড়ায়, যা কিডনির জন্য ক্ষতিকর।

কিডনি ভালো রাখতে কোন খাবারগুলো এড়িয়ে চলবেন?
১. অতিরিক্ত লবণযুক্ত খাবার
চিপস, আচার, প্যাকেটজাত খাবার, ফাস্টফুডে লবণ বেশি থাকে। এসব খাবার কিডনির ক্ষতি করে।

২. প্রসেসড ও ফাস্টফুড
বার্গার, পিজা, সসেজ, নুডলস ইত্যাদিতে মুখরোচক খাবারে সোডিয়াম ও ক্ষতিকর ফ্যাট থাকে, যা কিডনির ওপর বাড়তি চাপ ফেলে।

৩. অতিরিক্ত লাল মাংস
গরু ও খাসির মাংস বেশি খেলে কিডনিকে অতিরিক্ত কাজ করতে হয়। তাই এসব প্রাণীর মাংস পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।

৪. অতিরিক্ত চিনি ও সফট ড্রিংকস
কোক, এনার্জি ড্রিংক ও মিষ্টি পানীয় ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়, যা কিডনি রোগের অন্যতম কারণ।

৫. ব্যথানাশক ওষুধের অপব্যবহার
ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া নিয়মিত ব্যথানাশক ওষুধ খাবেন না। এসব ওষুধ কিডনির জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর হতে পারে।

৬. ধূমপান ও অ্যালকোহল
ধূমপান ও অ্যালকোহল স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এসব অভ্যাস কিডনির রক্তনালি ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং কিডনি রোগের ঝুঁকি বাড়ায়।

কিডনি সুস্থ রাখতে আরও কিছু পরামর্শ
নিয়মিত রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস পরীক্ষা করুন
রোজ হালকা ব্যায়াম করুন
পর্যাপ্ত ঘুম ও মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন
বছরে অন্তত একবার কিডনি ফাংশন পরীক্ষা করান
কিডনি সুস্থ রাখতে দৈনন্দিন খাবার ও জীবনযাপনে নজর দিন। খাদ্যতালিকায় স্বাস্থ্যকর পরিবর্তন আনুন, সুস্থ রাখুন কিডনি।

ছাত্রদলের কনসার্ট নিয়ে যা বললেন হিরো আলম

রাতে পোহালেই দেশে প্রত্যাবর্তন করবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার আগমন উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে আয়োজিত হয় একটি বিশেষ কনসার্ট। এই কনসার্টকে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

ভারতীয় আধিপত্যবাদ বিরোধী আন্দোলনে শহীদ শরীফ ওসমান হাদিকে দাফনের ৭২ ঘণ্টা না পেরুতেই কনসার্ট আয়োজনকে নেতিবাচকভাবে দেখছেন নেটিজেনদের একাংশ। আয়োজকদের সমালোচনা করতে ছাড়েননি কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলম।

বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খানের একটি ছবি প্রকাশ করে আলম লেখেন, ‘শহিদ ওসমান হাদির লাশ কবরে রাখা হয়েছে ৭২ ঘণ্টাও হয় নাই! শহীদ ওসমান হাদির কবরটা পাশেই। তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন উপলক্ষ্যে ছাত্রদলের আবিদুল ইসলাম আবিদরা টিএসসিতে কনসার্টের আয়োজন করেছে!’

তিনি যোগ করেন, ‘হাদী ভাই আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালের বিছানায় জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। এই শোকের সময়ে হাদী ভাইয়ের কবর থেকে মাত্র ১০০ ফুট দূরে ছাত্রদলের কনসার্ট। তারা নাচ-গান আর মাস্তিতে ব্যস্ত! ইয়া আল্লাহ আপনি তাদের সঠিক বুঝ দান করুন।’
আলমের এই স্ট্যাটাসের সঙ্গে অনেকেই একমত পোষণ করেছেন। একজন লিখেছেন, ‘বিষয়টা দুঃখ জনক’। অন্য একজন লিখেছেন, ‘মনের কথা’। আরও একজন লিখেছেন, ‘আশরাফুল আলম হিরো ভাইয়ের যতটুকু মেধা আছে সম্পূর্ণ ছাত্রদলের সেই মেধা নেই। ছাত্রদল চাঁদাবাজি সন্ত্রাসী লুটে খাওয়া আশরাফুল ভাইয়ের মেধা হলো কনটেন্ট ভিডিও করা সেই মানুষেরটা মেরে খায় না।’

স্বর্ণের দামে ফের উত্থান: ২৪ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর নতুন দাম

স্বর্ণের দামে ঊর্ধ্বগতি যেন থামার নামই নিচ্ছে না। সবশেষ ১০ দফা সমন্বয়ের মধ্যে ৮ বারই বেড়েছে এই মূল্যবান ধাতুর দাম। বিশেষ করে টানা ৬ দফা বাড়ানোর ফলে এ সময়ে ভরিতে মোট দাম বেড়েছে ১৫ হাজার ১৮৭ টাকা। সবশেষ মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম ষষ্ঠবারের মতো বাড়ানোর ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে দাম বাড়ানো হয়েছে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা, যা কার্যকর হবে বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) থেকে।

বাজুসের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম বেড়ে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নতুন দর নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ২৮২ টাকা, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে স্বর্ণের সর্বোচ্চ মূল্য।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ১৬ হাজার ১৭ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি বিক্রি হবে ১ লাখ ৮৫ হাজার ১৬৬ টাকায় এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম রাখা হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৩১৫ টাকা।
বাজুস আরও জানিয়েছে, নির্ধারিত স্বর্ণের দামের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যোগ হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির পরিমাণে পার্থক্য হতে পারে।
এর আগে গত ২২ ডিসেম্বর স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ৩ হাজার ৯৬৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ২২ হাজার ৮৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল, যা তখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ দাম ছিল। সেই দাম কার্যকর হয়েছিল ২৩ ডিসেম্বর থেকে।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে মোট ৮৯ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬২ বার দাম বেড়েছে এবং ২৭ বার কমেছে। তুলনায় ২০২৪ সালে মোট ৬২ বার সমন্বয়ের মধ্যে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর ২৭ বার কমানো হয়েছিল।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও এবার বাড়ানো হয়েছে। ভরিতে ১৭৫ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ১৩২ টাকা। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ১৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম রাখা হয়েছে ৩ হাজার ১৪৯ টাকা।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে ১২ বার। এর মধ্যে ৯ বার দাম বেড়েছে এবং মাত্র ৩ বার কমেছে। গত বছর রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল তিনবার।

রুপার দামে লাগাতার ঊর্ধ্বগতি: ভরিতে দাম কত বাড়ল?

দেশের বাজারে রুপার দামে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। সবশেষ ১০ দফা মূল্য সমন্বয়ের মধ্যে ৮ বারই বেড়েছে এই ধাতুর দাম। এর মধ্যে টানা তিন দফা বাড়ানোর ফলে রুপার ভরিপ্রতি দাম মোট বেড়েছে ৮৮৬ টাকা। সবশেষ মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) রাতে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) টানা তৃতীয়বারের মতো রুপার দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয়। এবার ভরিতে দাম বাড়ানো হয়েছে ১৭৫ টাকা।

বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে রুপার কাঁচামালের মূল্য বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ১৩২ টাকা। একই সঙ্গে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৮৯৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ১৯৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম রাখা হয়েছে ৩ হাজার ১৪৯ টাকা।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, রুপার নির্ধারিত বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরির পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে।
এর আগে চলতি বছরের ২২ ডিসেম্বর রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। সে সময় ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম ৩৮৫ টাকা বাড়িয়ে নির্ধারণ করা হয় ৪ হাজার ৯৫৭ টাকা, যা ২৩ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর ছিল। তখন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি দাম ছিল ৪ হাজার ৭২৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ৮২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ছিল ৩ হাজার ৩৩ টাকা।
চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছে মোট ১২ বার। এর মধ্যে ৯ বার দাম বেড়েছে এবং মাত্র ৩ বার কমেছে। গত বছর রুপার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল মাত্র তিনবার।
এদিকে, রুপার পাশাপাশি স্বর্ণের বাজারেও ঊর্ধ্বগতি অব্যাহত রয়েছে। ভরিতে ৪ হাজার ১৯৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার ২৮২ টাকা, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। একই সঙ্গে ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ১৬ হাজার ১৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৫ হাজার ১৬৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৪ হাজার ৩১৫ টাকা।
চলতি বছরে এখন পর্যন্ত স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে মোট ৮৯ বার। এর মধ্যে ৬২ বার দাম বেড়েছে এবং ২৭ বার কমেছে। তুলনায় ২০২৪ সালে স্বর্ণের দাম সমন্বয় হয়েছিল ৬২ বার, যার মধ্যে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল এবং ২৭ বার কমানো হয়েছিল।