Home Blog Page 228

আমাদের সন্তানেরা আধিপত্যবাদকে লালকার্ড দেখিয়েছে, এই কার্ড সবুজ ও হলুদ হবে না

০

আজ ২৪ জানুয়ারি শনিবার দুপুরে বগুড়ার শেরপুরে জেলা জামায়াতের উদ্যোগে, বগুড়া জেলা আমীর মাওলানা আব্দুল হকের সভাপতিত্বে ১০ দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ডা. শফিকুর রহমান।

আমীরে জামায়াত বলেন, “আপনারা যদি আপনাদের ভালোবাসা ও সমর্থন দিয়ে আমাদের সঙ্গে নেন, তাহলে আমরা আমাদের সর্বশক্তি দিয়ে আপনাদের আমানতের হেফাজত করব ইনশাআল্লাহ।”

তিনি বলেন, “আমরা কথা দিচ্ছি, আল্লাহ যদি সরকার গঠনের সুযোগ দেন, তাহলে জনগণের একটি টাকার ওপরেও আমরা হাত বসাব না। আমরা কথা দিচ্ছি, আল্লাহ যদি আমাদের সরকার গঠনের সুযোগ দেন, তাহলে চাঁদাবাজদের অস্তিত্ব বাংলাদেশের ৫৬ হাজার বর্গমাইলে সহ্য করব না। দুর্নীতিকে মাটির নিচে চাপা দেওয়ার চেষ্টা করব।”

চাঁদাবাজদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “ভয় পেয়ো না চাঁদাবাজ। আমরা তোমাদের হাতেও সম্মানের রুজির কাজ তুলে দেব, ইনশাআল্লাহ। তোমরাও গর্বের সাথে বাংলাদেশে বসবাস করবে। লোভের বশবর্তী হয়ে হয়তো খারাপ করেছো, তোমরা তওবা করে ভালোভাবে চলবে।”

তিনি বলেন, বিচার আর টাকার বিনিময়ে বিক্রি হবে না। ন্যায়বিচার সকলের জন্য নিশ্চিত করা হবে। আদালত পেশা, ধর্ম, বর্ণ দেখবে না—আদালত দেখবে তিনি ক্ষতিগ্রস্ত কি না। যদি ক্ষতিগ্রস্ত হন, আদালত অবশ্যই তাঁর পক্ষে রায় দেবে। আদালত বিচার করার ক্ষেত্রে দেখবে না তিনি প্রেসিডেন্ট বা মন্ত্রী কি না, বরং দেখবে তিনি অপরাধ করেছেন কি না।

সাংবাদিকদের সজাগ দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানিয়ে আমীরে জামায়াত বলেন, “আপনারা আমাদের দিকে খাড়া দৃষ্টি রাখুন। আপনারা ‘ওয়াচডগ’ হিসেবে অত্যন্ত তীর্যকভাবে দেখবেন। তবে সাদাকে সাদা বলবেন, কালোকে কালো বলবেন। সাদার গায়ে কোনো কালো প্রলেপ লাগাবেন না। কোনো কালোকে গ্রহণ করবেন না। তাহলে দেশ ভালো চলবে এবং আপনাদের অবদানের জন্য দেশবাসী কৃতজ্ঞ থাকবে। আমরা মিডিয়াকে সেই জায়গায় দেখতে চাচ্ছি।”

দেশবাসীর উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমরা দেশকে পারস্পরিক ভালোবাসা ও সম্মানের দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। মায়েরা সম্মানের ও মর্যাদার সাথে নিরাপদে ঘরে থাকবেন ও বাইরে চলাচল করবেন। একইভাবে দেশের উন্নয়নের স্বার্থে কর্মক্ষেত্রে তাঁরা মর্যাদা ও নিরাপত্তার সাথে কাজ করবেন। সকল পেশায় তাঁদের অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করা হবে, ইনশাআল্লাহ।”

দলের ঘোষিত নীতিমালার বিষয়ে আমীরে জামায়াত বলেন, পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত সকল শিশুর চিকিৎসার দায়িত্ব নেবে রাষ্ট্র। ষাট বছরের ঊর্ধ্বে সকল মানুষের চিকিৎসার ভার নেবে রাষ্ট্র; তবে যাঁদের স্বচ্ছলতার কারণে রাষ্ট্রকে সহযোগিতা করবেন—রাষ্ট্র তাঁদের কাছে কৃতজ্ঞ থাকবে। এ ছাড়া অন্য বয়সী যাঁরা রয়েছেন, তাঁরা রাষ্ট্রের সাথে অংশীদারত্বে থাকবেন।

তরুণ-তরুণীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “আমরা যুবক-যুবতীদের বলছি, আমরা তোমাদের কোনো বেকার ভাতা দেব না। তোমাদের বেকার বানিয়ে রাখতে চাই না। তোমাদের দুই হাতকে দেশ গড়ার কারিগর বানাতে চাই। তোমাদের কাছে মর্যাদার কাজ তুলে দিতে চাই। দেশে কিংবা বিদেশে তোমরা মর্যাদার সাথে অবদান রাখবে। আমরা তোমাদের শিক্ষা দিয়ে সেইভাবেই গড়ে তুলব। শিক্ষা শেষে কাজ তোমাদের হাতে চলে আসবে, ইনশাআল্লাহ। বেকারত্বের অভিশাপ নিয়ে ঘুরতে হবে না, সে দায়িত্ব রাষ্ট্র নেবে। যার জন্য যে শিক্ষা প্রযোজ্য, যার মেধা যেখানে প্রযোজ্য, তার মেধা বিকাশে রাষ্ট্র হবে সেখানে সঙ্গী। সেই মর্যাদার বাংলাদেশ আমরা গড়তে চাচ্ছি।”

চাঁদাবাজ, দখলবাজ, মামলাবাজদের বিরুদ্ধে জনগণকে ভূমিকা রাখার এবং গণভোটের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান আমীরে জামায়াত।

পররাষ্ট্র নীতির বিষয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা সব দেশের সাথে বন্ধুত্ব চাই। কেউ আমাদের প্রভু হয়ে আসুক তা আমরা চাই না। বাংলাদেশের মানুষ ভাঙবে, কিন্তু মচকাবে না। অন্যায়ের কাছে মাথা নত করবে না। আমাদের সন্তানেরা আধিপত্যবাদকে লালকার্ড দেখিয়েছে। এই কার্ড সবুজ ও হলুদও হবে না। এইটা লালকার্ড হিসেবেই থাকবে।”

শেরপুর-ধুনট আসনে জামায়াতের এমপি প্রার্থী মাওলানা দবিবুর রহমানের হাতে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক তুলে দেন আমীরে জামায়াত।

বিশ বছর পর আজ চট্টগ্রাম যাচ্ছেন তারেক রহমান

০

দীর্ঘ বিশ বছর পর শনিবার রাতে চট্টগ্রাম যাচ্ছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আগামীকাল রবিবার চট্টগ্রামের পলোগ্রাউন্ড মাঠে তিনি জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। ইতিমধ্যেই পলোগ্রাউন্ড এলাকায় মঞ্চ নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। শহরজুড়ে তোরণ ও ব্যানারে সেজেছে স্বাগত স্বরূপ।
শেষবার চট্টগ্রাম সফর করেছিলেন তিনি ২০০৫ সালে, তখন চার দলীয় জোট সরকারের আমলে। সেসময় বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ছিলেন। চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শওকত আজম খাজা বলেন, “তারেক রহমানের চট্টগ্রাম আগমন এক উৎসবমুখর পরিস্থিতি তৈরি করবে। সমগ্র নগরবাসী উচ্ছ্বাসের সঙ্গে নেতাকে স্বাগত জানানোর জন্য প্রস্তুত।”
চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক মো. এরশাদ উল্লাহ বলেন, “অতীতে বিএনপির সভা-সমাবেশে লাখো মানুষ সমবেত হয়েছে, শত বাধা সত্ত্বেও। এবার তারেক রহমানকে কেন্দ্র করে শুধু পলোগ্রাউন্ড নয়, রাজপথও জনস্রোতে মুখরিত হবে বলে আমরা আশা করছি।”
শহরের নেতারা জানিয়েছেন, এই সফরকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামবাসী সর্বোচ্চ উৎসাহের সঙ্গে প্রস্তুতি নিচ্ছে। দলের অফিস এবং বিভিন্ন এলাকায় পতাকা, ব্যানার ও মঞ্চ সাজানো হয়েছে, যেন শহরজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়।

ভবিষ্যৎ নির্বাচনের মানদণ্ড নির্ধারণ করবে ১২ ফেব্রুয়ারির ভোট

০

আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচন বাংলাদেশে ভবিষ্যতের সব নির্বাচনের জন্য একটি মানদণ্ড স্থাপন করবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় ঢাকায় নবনিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সাক্ষাতে উভয় পক্ষ আসন্ন সাধারণ নির্বাচন, অন্তর্বর্তী সরকারের অনুমোদিত ব্যাপক শ্রম আইন, প্রস্তাবিত বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক চুক্তি এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা করেন।

অধ্যাপক ড. ইউনূস অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান পররাষ্ট্রনীতি উদ্যোগগুলো তুলে ধরেন, যার মধ্যে রয়েছে- আসিয়ান সদস্যপদ লাভে বাংলাদেশের পরিকল্পনা এবং দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (সার্ক) পুনরুজ্জীবনের প্রচেষ্টা।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, সরকার আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও স্বচ্ছ নির্বাচন অনুষ্ঠানে সম্পূর্ণ প্রস্তুত। ইউরোপীয় ইউনিয়ন বিপুলসংখ্যক নির্বাচন পর্যবেক্ষক পাঠাবে এবং অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীরাও নির্বাচন পর্যবেক্ষণে পর্যবেক্ষক পাঠাবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন, এটি হবে একটি উৎসবমুখর নির্বাচন। ভবিষ্যতে ভালো নির্বাচনের মানদণ্ড স্থাপন করবে। আসুন, আমরা আশাবাদী থাকি।

রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন বলেন, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে যেই জয়ী হোক না কেন, তার সঙ্গে কাজ করতে তিনি আগ্রহী। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার কার্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং গত ১৮ মাসে অধ্যাপক ড. ইউনূসের নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

মার্কিন রাষ্ট্রদূত নতুনভাবে প্রণীত শ্রম আইনের প্রশংসা করেন এবং দুই দেশের মধ্যে চলমান বাণিজ্য আলোচনায় অগ্রগতিকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, কৃষিপণ্যের বাণিজ্য সম্প্রসারণ ঢাকা-ওয়াশিংটন আলোচনার অন্যতম মূল স্তম্ভ।

অধ্যাপক ড. ইউনূস যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর শুল্ক হ্রাসের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং চলমান বাণিজ্য আলোচনার মাধ্যমে আরও শুল্ক কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

প্রধান উপদেষ্টা কক্সবাজারের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে ক্যাম্পে বসবাসরত এক মিলিয়নেরও বেশি রোহিঙ্গা মুসলিমকে যুক্তরাষ্ট্রের অব্যাহত মানবিক সহায়তার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের প্রশংসা করেন।

দক্ষিণ এশিয়া ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থানের কথা তুলে ধরে অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন, বাংলাদেশ আসিয়ান সদস্যপদ অর্জনের লক্ষ্যে কাজ করছে এবং ইতোমধ্যে আঞ্চলিক জোটটির সঙ্গে সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনারশিপের জন্য আবেদন করেছে।

তিনি আরও বলেন, গত ১৮ মাসে তিনি দক্ষিণ এশিয়ার জনগণ ও অর্থনীতিকে কাছাকাছি আনতে সার্ক পুনরুজ্জীবনের জন্য আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়েছেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে পরবর্তী সরকার এই উদ্যোগ অব্যাহত রাখবে।

সাক্ষাতে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক ভিসা নিষেধাজ্ঞা, যা বাংলাদেশসহ ৭৫টি দেশের ওপর আরোপ করা হয়েছে, সে বিষয়েও আলোচনা হয়। এ সময় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা ড. খলিলুর রহমান এবং এসডিজি সমন্বয়কারী লামিয়া মোর্শেদ উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র: বাসস

বিএনপিকে নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে: মাহদী আমিন

০

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থান, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা এবং দলীয় চেয়ারম্যানের সফরসূচি নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ সম্মেলন করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন। গুলশানে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি ভারতের সঙ্গে কথিত গোপন চুক্তির অভিযোগ খণ্ডন করার পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে চলা প্রতারণা সম্পর্কে দেশবাসীকে সতর্ক করেন।

জামায়াত নেতার তোলা ভারতের সঙ্গে গোপন চুক্তির অভিযোগকে ‘অজ্ঞতা অথবা রাজনৈতিক অপকৌশল’ হিসেবে অভিহিত করেছেন মাহদী আমিন। তিনি চ্যালেঞ্জ দিয়ে বলেন, এই দাবির সপক্ষে কোনো প্রমাণ নেই এবং কেউ তা উপস্থাপন করতে পারবে না। গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে ইতিবাচক রাজনীতির প্রত্যাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, তারেক রহমানের মূল দর্শন হলো ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। দেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের স্বার্থ রক্ষাই বিএনপির রাজনীতির মূল চালিকাশক্তি।

তারেক রহমানের ঘোষিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষক কার্ড’ নিয়ে একটি প্রতারক চক্র অর্থ আদায় করছে বলে অভিযোগ করেন মাহদী আমিন। তিনি স্পষ্ট করে জানান, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে এই কার্ডগুলো সম্পূর্ণ বিনামূল্যে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে বিতরণ করা হবে। বর্তমানে কেউ যদি এই কার্ডের নামে টাকা চায়, তবে তাদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে সোপর্দ করার অনুরোধ জানান তিনি।

ব্যক্তিগত সহকারী থেকে হলেন স্ত্রী

০

সম্প্রতি হৃতিকা গিরি ও হিরণের বিয়ের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে। বেনারসের ঘাটে জুটিকে সাত পাকে বাঁধা পড়ার মুহূর্ত ধরা পড়েছে, এবং সেই ছবির দ্রুত ভাইরাল হওয়ার পর নেটদুনিয়ায় হইচই শুরু হয়েছে—“এই হৃতিকা গিরি কে?”

জানা গেছে, হৃতিকা গিরি পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুরের বাসিন্দা। হিরণের স্ত্রী অনিন্দিতার তথ্য অনুযায়ী, হৃতিকার বয়স ২১ বছর। তিনি আইনের শিক্ষার্থী এবং আইনে সাম্মানিক স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এর পাশাপাশি, জাতীয় স্তরে যোগব্যায়ামে স্বর্ণপদকও জিতেছেন।

হৃতিকার ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল থেকে দেখা যায়, তিনি ২০১৯ ও ২০২২ সালে দুটি সুন্দরী প্রতিযোগিতাতেও সেরা হয়েছেন। এছাড়া, কিছু মিউজিক ভিডিওতে তাকে দেখা গেছে।

অনিন্দিতা জানিয়েছেন, হৃতিকাকে হিরণের ব্যক্তিগত সহকারী হিসাবেই চেনা। টলিউডে গুঞ্জন আছে, হিরণ একজন পরিচিত অভিনেতা এবং হৃতিকার সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ছিল।

হিরণের দ্বিতীয় বিয়ের ছবির প্রকাশে অনিন্দিতা বলেন, “আমাদের বিয়ে বয়স ২৫। ডিভোর্স হয়নি। মেয়েও এবং আমাকেও অনেক অত্যাচার সহ্য করতে হয়েছে। আমি কখনও এটি প্রকাশ করি নি, কারণ মেয়ের ক্যারিয়ার নষ্ট হতে পারে। এখন সবাই সব কিছু দেখছে। বলা বাহুল্য, এটি কতটা ন্যায্য নয়—ইনস্টাগ্রাম থেকে বিয়ের ছবি পোস্ট করা হয়েছে, অথচ মেয়ের কোনো ছবি কখনও পোস্ট করা হয়নি। হিরণের আচরণে সত্যিই হতাশ হয়েছি।”

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিন: আলীকদমে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের লিফলেট বিতরণে আরাফাতুল ইসলাম

০

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও একই দিনে অনুষ্ঠিতব্য গণভোটকে কেন্দ্র করে বান্দরবানের আলীকদমে জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালিয়েছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন বান্দরবান জেলার যুগ্ম সদস্য সচিব আরাফাতুল ইসলাম। এ সময় তিনি ভোটারদের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান এবং নাগরিক অধিকার, ভোটের গোপনীয়তা ও ভুয়া তথ্য প্রতিরোধ বিষয়ে মানুষকে সচেতন করার উদ্যোগ নেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আলীকদমের বিভিন্ন এলাকায় আরাফাতুল ইসলামের পক্ষ থেকে ভোটারদের মধ্যে একটি তথ্যভিত্তিক লিফলেট বিতরণ করা হয়। লিফলেটে ভোটারের অধিকার, নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব, ভোটকেন্দ্রে নিরাপত্তা, অনিয়ম দেখা দিলে অভিযোগ করার নিয়মসহ নানা নির্দেশনা উল্লেখ করা হয়।

লিফলেটে বলা হয়, প্রত্যেক ভোটারের ভোট দেওয়ার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে এবং কোনো ভয়-ভীতি বা বাধা ছাড়াই ভোট দিতে পারবেন। এছাড়া ভোটের গোপনীয়তা রক্ষায় ভোটার কাউকে বাধ্য নন তিনি কাকে ভোট দিয়েছেন তা জানাতে। ভোটারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব বলেও উল্লেখ করা হয়।

এদিকে গণভোটের প্রশ্ন ও ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর চার দফা প্রসঙ্গে লিফলেটে সংবিধান সংস্কার বিষয়ক কয়েকটি প্রস্তাবের প্রতি সম্মতি (হ্যাঁ/না) প্রদানের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান গঠনের কাঠামো, ভবিষ্যতে দুই কক্ষ বিশিষ্ট সংসদ কাঠামো, নারী প্রতিনিধিত্ব বৃদ্ধি, বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার নির্বাচনের মতো প্রস্তাবগুলোর কথাও রয়েছে।

লিফলেটে আরও বলা হয়, ভোটকেন্দ্রে হয়রানি বা অনিয়ম দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে প্রিসাইডিং অফিসার, দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেট, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কিংবা স্থানীয় নির্বাচন অফিসে অভিযোগ জানাতে হবে।

আরাফাতুল ইসলামের প্রচারণায় ভোটারদের উদ্দেশে ভুয়া তথ্য ও গুজব নিয়ে সতর্ক থাকার বার্তাও দেয়া হয়। এতে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনকালীন সময়ে বিভ্রান্তিমূলক প্রচারণা সহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে, তাই কোনো তথ্য শেয়ার করার আগে উৎস যাচাই করা জরুরি। নির্ভরযোগ্য তথ্যের উৎস হিসেবে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট, সরকারি বিজ্ঞপ্তি ও স্বীকৃত সংবাদমাধ্যমের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়।

স্থানীয় কয়েকজন ভোটার জানান, লিফলেটের মাধ্যমে ভোটাধিকার, নাগরিক দায়িত্ব এবং গণভোটের বিষয়টি সম্পর্কে সহজ ভাষায় ধারণা পাওয়া গেছে।

প্রচারকারীরা বলছেন, গণতন্ত্র শুধু ভোট দেওয়ায় সীমাবদ্ধ নয়; নির্বাচনের বাইরে কমিউনিটি উন্নয়ন, সামাজিক উদ্যোগে অংশ নেওয়া এবং নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কাজ পর্যবেক্ষণ করাও নাগরিক দায়িত্বের অংশ।

এ বিষয়ে আরাফাতুল ইসলাম বলেন, ভোটারদের সচেতন করাই আমাদের লক্ষ্য। সবাই যেন শান্তিপূর্ণভাবে কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেয় এবং গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে সংস্কার উদ্যোগে সমর্থন জানায়-এটাই আমরা।

যেসব সমস্যা দেখতে মাইগ্রেনের মতো হলেও মাইগ্রেন না

০

মাথাব্যথা অনেকের জীবনেই একটি বড় সমস্যা। কারও মাইগ্রেন, কারও সানোসাইটিস, কারও বা স্ট্রেস হেডেক – এগুলো অনেকের জীবনকেই ব্যাহত করে।

কিন্তু শুধু তীব্র ব্যথা মানেই কি মাইগ্রেন? অনেক সময় ব্যথার পেছনে আরও জটিল স্বাস্থ্য সমস্যা থাকতে পারে, যা মাইগ্রেনের মতো মনে হলেও আসলে আলাদা রোগের লক্ষণ।

মাইগ্রেন হলো একটি নার্ভোলজিক্যাল ডিসঅর্ডার, যা গুরুতর মাথাব্যথা, বমি-বমি ভাব, আলো ও শব্দ-সংবেদনশীলতা দিয়ে চিহ্নিত হয়। প্রায় ৪০ শতাংশ মানুষ জীবনের কোনো না কোনো সময়ে মাথাব্যথায় ভোগে। এর মধ্যে মাইগ্রেন শীর্ষস্থানে থাকে।

যদিও গবেষণা দেখায় মাইগ্রেন নিজে অন্য রোগ কারণে তৈরি করে না, তবে মাইগ্রেনের সঙ্গে সংযুক্ত বা ভুল বোঝাবুঝি হয়ে এমন কিছু সমস্যা থাকতে পারে যা দেখতে মাইগ্রেনের মতো মনে হয়। চলুন জেনে নেওয়া যাক আর কোন কোন স্বাস্থ্যসমস্যার লক্ষণ মাইগ্রেনের মতো –

যেসব সমস্যা দেখতে মাইগ্রেনের মতো হলেও মাইগ্রেন না

১. স্ট্রোক – হঠাৎ ভয়াবহ মাথাব্যথা
স্ট্রোক, বা মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ ব্লক হওয়া বা রক্তনালী ফেটে যাওয়া মাঝে মাঝে মাইগ্রেনের মতো আকস্মিক ও তীব্র ব্যথা তৈরি করতে পারে। সত্যিকারের স্ট্রোকের ব্যথা সাধারণত হঠাৎ শুরু হয়, এবং মুখ বা হাত নড়াচড়া করতে কষ্ট হয়।

তবে এটি মাইগ্রেনের মতো ধীরে ধীরে শুরু হয় না্ স্ট্রোকের ক্ষেত্রে মুখের একপাশ বাঁকা হয়ে যাওয়া, কথা বলায় অসুবিধা হওয়া ইত্যাদি লক্ষণও থাকে।

২. হার্ট ডিজিজ এবং মাইগ্রেনের সম্পর্ক
মাইগ্রেন থাকলে হার্ট ডিজিজ বা হৃদরোগের ঝুঁকি কিছুটা বেশি দেখা যায়, বিশেষ করে যাদের মাইগ্রেনের আগে অরা থাকে। অরা অর্থ চোখের সামনে আলো ঝলমল করা বা দাগ দেখতে পাওয়া। এমন ক্ষেত্রে হৃদরোগ বা হার্ট অ্যাটাকের সম্ভাবনা একটু বেড়ে যায়।

৩. খিঁচুনি বা ফোকাসের সমস্যা
কিছু সময় মাইগ্রেনের অরার লক্ষণগুলো খিঁচুনির মতো মনে হয় – অনিয়ন্ত্রিত আচরণ, বিভ্রান্তি, এমনকি কিছুক্ষণের জন্য অচেতন ভাব। গবেষকরা মনে করেন কিছু ধরণের খিঁচুনি ও মাইগ্রেনের মাঝে জিনগত সম্পর্ক থাকতে পারে।

যেসব সমস্যা দেখতে মাইগ্রেনের মতো হলেও মাইগ্রেন না

৪. কান ও শ্রবণ সমস্যা
মাইগ্রেনের সঙ্গে সম্পর্কিত বিরল একটি পরিস্থিতি হলো হঠাৎ শ্রবণশক্তি কমে যাওয়া, যা খুব তাড়াতাড়ি কয়েক দিনের মধ্যে ঘটে। যদিও এটি খুবই বিরল, মাইগ্রেনের রোগীদের মধ্যে এটি তুলনামূলক কিছুটা বেশি দেখা যায়।

৫. মনস্তাত্ত্বিক সমস্যা
মাইগ্রেন থাকলে অ্যাংজাইটি বা ডিপ্রেশনের মতো মানসিক সমস্যা জটিল হতে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে মাইগ্রেনের সঙ্গে এই মানসিক দিকগুলোর সম্পর্ক রয়েছে, কিন্তু এরা একে অপরকে সৃষ্টি করে কি না, তা নিয়ে আরও গবেষণা চলছে।

কখন সতর্ক হবেন?
যদি মাথাব্যথা অতি তীব্র ও হঠাৎ শুরু হয়, হাত বা মুখ নড়াচড়া না করে ও কথা এলোমেলো হয় – তাহলে একে কেবল মাইগ্রেন ভাবা ঠিক হবে না। এগুলো স্ট্রোক, খিঁচুনি বা অন্য গুরুতর নিউরোলজিক্যাল সমস্যার ইঙ্গিতও হতে পারে। তাই মাইগ্রেনের ব্যথায় সাধারণ ব্যথানাশক বা বিশ্রাম কাজ না করলে দ্রুত হেডেক স্পেশালিস্ট বা নিউরোলজিস্টের পরামর্শ নিন।

শ্বশুরবাড়ি থেকে পাওয়া উপহারে দিতে হবে কর

০

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) উপহার বা দানের ওপর কর আরোপসংক্রান্ত বিধানে সাম্প্রতিক সময়ে কিছু পরিবর্তন এনেছে। নতুন এই সংশোধনের ফলে কোন ক্ষেত্রে উপহার করমুক্ত থাকবে এবং কোন ক্ষেত্রে কর দিতে হবে—সে বিষয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।

এনবিআর সূত্র জানায়, নির্দিষ্ট কয়েকটি পারিবারিক সম্পর্কের মধ্যে উপহার বা দান করলে তা করমুক্ত থাকবে। তবে এসব সম্পর্কের বাইরে কারও কাছ থেকে উপহার পেলে সেটি করের আওতায় পড়বে।

যাদের কাছ থেকে উপহার পেলে কর বসবে না

চার ধরনের সম্পর্কের ক্ষেত্রে উপহার বা দান সম্পূর্ণ করমুক্ত থাকবে। এ ক্ষেত্রে অর্থ, গয়না, জমি, ফ্ল্যাটসহ স্থাবর ও অস্থাবর সব ধরনের সম্পদই কর ছাড়াই হস্তান্তর করা যাবে। করমুক্ত সম্পর্কগুলো হলো—
১. স্বামী-স্ত্রী
২. মাতা-পিতা
৩. ছেলে-মেয়ে
৪. আপন ভাই-বোন

চলতি অর্থবছর থেকে করমুক্ত দান বা উপহারের তালিকায় আপন ভাই ও বোনকে অন্তর্ভুক্ত করেছে এনবিআর। ফলে সহোদর ভাই-বোনের মধ্যে অর্থ বা সম্পদ লেনদেনে আর কর দিতে হবে না।

প্রবাসী বাংলাদেশিরা অনেক সময় ভাই-বোনের ব্যাংক হিসাবে রেমিট্যান্স বা উপহার হিসেবে অর্থ পাঠান। রেমিট্যান্স করমুক্ত হলেও উপহার হিসেবে পাঠানো অর্থ নিয়ে আগে কিছুটা অস্পষ্টতা ছিল। নতুন ব্যাখ্যায় বিষয়টি স্পষ্ট করা হয়েছে।

আইন অনুযায়ী, পাঁচ লাখ টাকার বেশি যেকোনো লেনদেন অবশ্যই ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে করতে হবে।

যাদের উপহারে কর দিতে হবে

এনবিআরের তালিকায় শ্বশুরবাড়ির সদস্যরা করমুক্ত সম্পর্কের মধ্যে নেই। ফলে শ্বশুর-শাশুড়ি, শ্যালক-শ্যালিকা কিংবা শ্বশুরবাড়ির অন্য কোনো সদস্যের কাছ থেকে টাকা, গয়না, জমি বা ফ্ল্যাট উপহার হিসেবে পেলে সেটির ওপর কর দিতে হবে।

মোদ্দাকথা, স্বামী-স্ত্রী, মাতা-পিতা, সন্তান ও আপন ভাই-বোন ছাড়া অন্য যে কারও কাছ থেকে উপহার পেলে তা করযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

এনবিআর জানিয়েছে, অনেক ক্ষেত্রে শ্বশুরবাড়ি থেকে পাওয়া সম্পদ উপহার হিসেবে কর নথিতে দেখিয়ে অবৈধ অর্থ বৈধ করার অভিযোগ রয়েছে। এসব অনিয়ম ঠেকাতেই করমুক্ত উপহারের পরিধি নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

কীভাবে রিটার্নে দেখাবেন

এনবিআর সূত্র অনুযায়ী, করমুক্ত সম্পর্ক ছাড়া অন্য যে কারও কাছ থেকে উপহার পেলে তা সংশ্লিষ্ট করবর্ষের আয়কর রিটার্নে দেখাতে হবে এবং নির্ধারিত হারে কর পরিশোধ করতে হবে। একই সঙ্গে উপহারদাতাকেও তার আয়কর রিটার্নে উপহার দেওয়ার তথ্য উল্লেখ করতে হবে।

স্বর্ণের বাজারে বড় পতন, আজ থেকে নতুন দামে বিক্রি

০

দীর্ঘদিন ধরে ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর অবশেষে দেশের স্বর্ণবাজারে স্বস্তির খবর এলো। টানা ছয় দফা দাম বাড়ার পর স্বর্ণের মূল্য কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) থেকে সারা দেশে নতুন নির্ধারিত দামে স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে।
সবশেষ গত ২২ জানুয়ারি রাতে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম ৩ হাজার ১৪৯ টাকা কমানো হয়েছে। স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য হ্রাস পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এনে এই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।
নতুন মূল্য অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৪৯ হাজার ৩১৮ টাকা। একই সঙ্গে ২১ ক্যারেট স্বর্ণের দাম পড়বে ভরিপ্রতি ২ লাখ ৩৮ হাজার ৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ২ লাখ ৪ হাজার ৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ বিক্রি হবে ভরিপ্রতি ১ লাখ ৬৭ হাজার ৪৩৭ টাকায়।
বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং বাজুস নির্ধারিত ন্যূনতম ৬ শতাংশ মজুরি যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার নকশা ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।
এর আগে চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি স্বর্ণের দামে বড় ধরনের সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৩৩৯ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫২ হাজার ৪৬৭ টাকায় উন্নীত করা হয়, যা ছিল দেশের ইতিহাসে স্বর্ণের সর্বোচ্চ মূল্য। সেই দামে ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হয়েছিল ২ লাখ ৪০ হাজার ৯৭৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ২ লাখ ৬ হাজার ৫৬৯ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৬৯ হাজার ৬৫৩ টাকা, যা কার্যকর হয়েছিল ২২ জানুয়ারি থেকে।
চলতি বছরে এ নিয়ে দেশের বাজারে মোট ১১ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হলো। এর মধ্যে ৮ দফা দাম বাড়ানো হয়েছে এবং ৩ দফা কমানো হয়েছে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে সারা বছরে স্বর্ণের দাম সমন্বয় হয়েছিল ৯৩ বার, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয় এবং ২৯ বার কমানো হয়।
স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামেও কমতি এসেছে। ভরিপ্রতি ৫২৫ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেট রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৬ হাজার ৩৫৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেট রুপার দাম ৬ হাজার ৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৫ হাজার ১৯০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ভরিপ্রতি ৩ হাজার ৯০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
চলতি বছরে এ পর্যন্ত রুপার দাম ৮ দফা সমন্বয় করা হয়েছে, যার মধ্যে ৫ দফা বেড়েছে এবং ৩ দফা কমেছে। আর ২০২৫ সালে রুপার দাম সমন্বয় হয়েছিল মোট ১৩ বার এর মধ্যে ১০ বার দাম বেড়েছিল, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার।

নির্বাচনের দিন ফজর নামাজ পড়বেন ভোটকেন্দ্রে-তারেক রহমান

০

এবার ও ভোট নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে,নির্বাচনের দিন ফজর নামাজ পড়বেন ভোটকেন্দ্রে,ধানের শীষ সরকার গঠন করলে, আমাদের তরুন সমাজে যুব সমাজে বেকার সমস্যা আছে,বেকার সমস্যা একটা বিরাট সমস্যা।বেকারদের জন্য ট্রেনিংয়ের ব্যবস্থা করবো কর্মসংস্থান এর জন্য।দেশে যেনো একটা ব্যবসা করতে পারে এবং বিদেশে গিয়ে ভালো একটা কাজ করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার(২২জানুয়ারী)রাত ১০টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার কুট্রাপাড়া খেলার মাঠে জেলা বিএনপি আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন,ফ্যামেলি কার্ডের ব্যবস্থা করবো,পুরুষের পাশাপাশি মহিলাদের যদি সাপোর্ট থাকে তাহলে একটা ফ্যামিলি খুব ভালোভাবে চলতে পারে,সন্তানদের মানুষ করতে পারে,তাই গৃহিনীদের জন্য এই ব্যবস্থা করে দেবো,তাছাড়া কৃষকদের জন্য কৃষি থাকবে বিনামূল্যে সার,বীজ যেনো কৃষকেরা পায়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া১(নাসিরনগর)আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এমএ হান্নান,ব্রাহ্মণবাড়িয়া২(সরাইল আশুগঞ্জ এবং বিজয়নগর আংশিক)আসনে বিএনপির জোট প্রার্থী আল্লামা জুনায়েদ আল হাবিব,ব্রাহ্মণবাড়িয়া৩(সদর বিজয়নগর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার খালেদ হোসেন মাহবুব (শ্যামল),ব্রাহ্মণবাড়িয়া৪(কসবা আখাউড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মুশফিকুর রহমান,ব্রাহ্মণবাড়িয়া৫(নবীনগর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম এ মান্নান,ব্রাহ্মণবাড়িয়া৬ আসনে বিএনপি জোট প্রার্থী মোঃ জোনায়েদ সাকীসহ জেলা উপজেলার হাজারও নেতাকর্মী এবং সাধারণ জনগণ।