Home Blog Page 243

শেখ হাসিনার দুটি লকারে ৮৩২ ভরি সোনার গয়না, যা আছে!

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দুটি লকার থেকে ৮৩২ ভরি সোনার গয়না পাওয়া গেছে। অগ্রণী ব্যাংকে থাকা ওই লকার দুটি জব্দ করা হয়েছিল। আদালতের অনুমতি নিয়ে মঙ্গলবার একজন ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে লকার দুটি খোলা হয়।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) রাতে ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সেল (সিআইসি) ও দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) যৌথ তদন্ত দল অগ্রণী ব্যাংকের লকার দুটি থেকে এসব সোনার গয়না জব্দ করে।
জানা যায়, জব্দের সোয়া দুই মাস পর আদালতের অনুমতি নিয়ে লকার দুটি খোলা হয়। এদিনই শেখ হাসিনার নামে পূবালী ব্যাংকে থাকা একটি লকার খোলা হয়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ এক কর্মকর্তা বলেন, সোনার গয়না মধ্যে উপহার হিসেবে পাওয়া দলীয় প্রতীক নৌকা রয়েছে অনেক। শেখ হাসিনার ভাই শেখ কামাল ও মেয়ে পুতুলের বিয়ের আংটিও রয়েছে। এছাড়া চুড়ি, বালা, কানের দুল রয়েছে। গত ১৭ সেপ্টেম্বর ঢাকার দিলকুশায় অগ্রণী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে লকার দুটি জব্দ করে সিআইসি, যার নম্বর ৭৫১ ও ৭৫৩।
তখন অগ্রণী ব্যাংকের এমডি আনোয়ারুল ইসলাম বলেছিলেন, শেখ হাসিনা দুটি লকার ভাড়া নিয়েছিলেন। সে দুটি নিয়ম অনুযায়ী সেভাবেই ব্যাংকে সংরক্ষিত অবস্থায় আছে। এনবিআর এসেছিল লকারের অবস্থান জানতে। আইন অনুযায়ী গ্রাহকের অনুপস্থিতিতে লকার খুলতে হলে আদালতের অনুমতি লাগবে। আদালতের অনুমতি ও একজন ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে লকার খোলা যাবে। আদালতের আদেশ পেলে ব্যাংক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলেও তখন জানিয়েছিলেন তিনি।
এর আগে পূবালী ব্যাংকের মতিঝিল শাখায় (সেনা কল্যাণ ভবন) শেখ হাসিনার একটি লকার জব্দ করে সিআইসি। ১২৮ নম্বর লকারটি শেখ হাসিনার নামে থাকার তথ্য পেয়ে ওই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল।
নিয়ম অনুযায়ী, একটি লকারের দুটি চাবি থাকে। একটি গ্রাহকের কাছে এবং আরেকটি ব্যাংকের লকার নিরাপত্তা শাখায়। লকার খুলতে হলে দুটি চাবিই লাগে।
অগ্রণী ব্যাংকে শেখ হাসিনার একটি ব্যাংক হিসাবও গত বছরের অগাস্ট থেকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিটের (বিএফআইইউ) নির্দেশে। সেই হিসাবে কত টাকা আছে, তাও জেনেছে এনবিআরের দলটি।
গত বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সেদিনই পালিয়ে ভারতে চলে যান। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের সদস্যদের কর ফাঁকি ও দুর্নীতির তদন্তে নামে।

 

১৬ বছরের কমবয়সীদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের পরিকল্পনা!

আগামী বছর থেকে ১৬ বছরের কমবয়সী শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়ায় অ্যাকাউন্ট খোলার সুযোগ বন্ধ করার পরিকল্পনা করছে মালয়েশিয়া সরকার। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।
দেশটির যোগাযোগ মন্ত্রী ফাহমি ফাজদিল রোববার (২৩ নভেম্বর) বলেছেন, অস্ট্রেলিয়া ও অন্যান্য দেশ অনলাইনে বয়সসীমা কীভাবে আরোপ করেছে, সরকার সেটি দেখছে। আশা করি আগামী বছর থেকে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো সরকারের এই সিদ্ধান্ত মানবে। ১৬ বছরের নিচের কেউ অ্যাকাউন্ট খুলতে পারবে না।
ফাজদিল আরও বলেন, আমি বিশ্বাস করি, যদি সরকার, সরকারি সংস্থা এবং অভিভাবকরা নিজ দায়িত্ব পালন করলে মালয়েশিয়ায় ইন্টারনেট শুধু দ্রুতগতির নয়; শিশু ও পরিবারগুলোর জন্য সবচেয়ে নিরাপদও হয়ে উঠবে।
মালয়েশিয়া সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ার কার্যক্রমের ওপর আরও কঠোর নিয়ন্ত্রণ আরোপ করেছে। বাড়তে থাকা সাইবার অপরাধ মোকাবিলা করা এর লক্ষ্য।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, বিদ্যমান প্ল্যাটফর্ম ও মেসেজিং সার্ভিসগুলোর ৮০ লাখেরও বেশি ব্যবহারকারী জন্য লাইসেন্স বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। এই নিয়ম চলতি বছরের জানুয়ারিতে কার্যকর হয়।
গত অক্টোবরে বেশ কয়েকজন এমপি সরকারের নেওয়া এ পরিকলপনায় সমর্থন জানিয়েছেন। তারা বলেন, নিবন্ধনের সময় ব্যবহারকারীর বয়স যাচাই করার সঠিক ব্যবস্থা থাকা উচিত।
সেপ্টেম্বরে স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত ইপসস মালয়েশিয়া এডুকেশন মনিটর ২০২৫-এর জরিপে দেখা যায়, দেশটির ৭২ শতাংশ মানুষ মনে করেন, শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার সীমিত করা উচিত।
আগামী ১০ ডিসেম্বর থেকে অস্ট্রেলিয়ায় ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম ও টিকটকসহ সব প্ল্যাটফর্মকে ১৬ বছরের নিচের ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট সরাতে বলা হয়েছে। তা না হলে প্রতিষ্ঠানগুলো বড় জরিমানার মুখোমুখি হতে পারে।
নিউজিল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লাকসন শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার সীমিত করার জন্য আইন প্রনয়নের পরিকল্পনা করছেন।
ডাচ সরকারও ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের টিকটক ও স্ন্যাপচ্যাট ব্যবহার করতে না দেওয়ার জন্য অভিভাবকদের পরামর্শ দিয়েছে। ডেনমার্ক, ফ্রান্স, গ্রিস, ইতালি ও স্পেন যৌথভাবে একটি পরীক্ষামূলক অ্যাপ চালু করছে। এটি ব্যবহারকারীর বয়স যাচাই করবে এবং শিশুদের ক্ষতিকর কনটেন্ট থেকে রক্ষা করবে।

ইসরায়েলকে ছেড়ে সৌদিতে মজেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখন সৌদি আরবের দিকে ঝুঁকছেন। হোয়াইট হাউসে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে দেওয়া জাঁকজমকপূর্ণ অভ্যর্থনা তা আরও স্পষ্ট করে। ঘোড়সওয়ার রক্ষী, পতাকা ও যুদ্ধবিমানের শোভাযাত্রায় তাকে স্বাগত জানানো হয়। এটি ট্রাম্প প্রশাসনে কোনো বিদেশি নেতার জন্য সবচেয়ে বড় আয়োজন।
সম্প্রতি ওভাল অফিসে বৈঠকের সময় ট্রাম্প যুবরাজকে বারবার ‘রাজকীয় বন্ধু’ বলে প্রশংসা করেন। তবে এক সাংবাদিক জামাল খাসোগি হত্যার প্রসঙ্গ তুলতেই ট্রাম্প বিরক্ত হয়ে ওঠেন এবং যুবরাজের পক্ষে সাফাই দেন; যা মার্কিন গোয়েন্দা রিপোর্টের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে সামরিক নীতি নিয়ে। ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের মতো এফ–৩৫ যুদ্ধবিমান পাবে এবং ইসরায়েলের সমমানের প্রযুক্তিও থাকবে। বহুদিন ধরে মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলকে সেরা অস্ত্র অগ্রাধিকার দিয়ে আসা মার্কিন নীতি এ সিদ্ধান্তে ভেঙে গেছে। এ ঘোষণায় ইসরায়েল বেজায় অসন্তুষ্ট।
এর পাশাপাশি সৌদি আরব ও আমিরাতের কাছে উন্নত এআই চিপ বিক্রির নিষেধাজ্ঞাও তুলে নেওয়া হয়েছে। এটি সৌদির বৈশ্বিক প্রযুক্তি কেন্দ্র হওয়ার স্বপ্নকে আরও এগিয়ে দিল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৯৩০-এর দশকে সৌদির তেলক্ষেত্র নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে গভীর সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল, এআই যুগেও তার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে।
সাম্প্রতিক আরও কিছু পদক্ষেপ থেকে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ট্রাম্প প্রশাসন ইসরায়েলকেন্দ্রিক নীতি থেকে সাময়িকভাবে সরে যাচ্ছে। জাতিসংঘে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের সম্ভাবনা রাখা, সিরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল করা এবং মধ্যপ্রাচ্য সফরে ইসরায়েল বাদ দিয়ে সৌদি-কাতার-ইউএই সফর—সবকিছুতেই ট্রাম্প এখন সৌদির সমর্থন আদায়কেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন।

সক্ষমতা অর্জন করে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে হবে: সেনাপ্রধান

আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সক্ষমতা অর্জন করে একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত থাকতে ইএমই কোরের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে নীলফামারীর সৈয়দপুর সেনানিবাসের ইএমই সেন্টার অ্যান্ড স্কুলের মেকানিক্যাল ভবনের সম্মেলন কক্ষে ইএমই কোরের বাৎসরিক-২০২৫ অধিনায়ক সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান।
এসময় ইএমই কোরের গৌরবোজ্জ্বল ঐতিহ্য এবং দেশমাতৃকার সেবায় অবদানের কথা উল্লেখ করে সম্মেলনে উপস্থিত কোরের ইউনিট অধিনায়ক এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের উদ্দেশে কোরের তথা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর উন্নয়নকল্পে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা সেনাপ্রধান। একইসঙ্গে কোরের প্রত্যেক সদস্য আগামী দিনে দেশ সেবার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে আশা করেন।
এর আগে ইএমই সেন্টার অ্যান্ড স্কুলে পৌঁছালে সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামানকে অভ্যর্থনা জানান জিওসি আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড, ইএমই কোরের কর্নেল কমান্ড্যান্ট ও চেয়ারম্যান আরইবি, জিওসি ৬৬ পদাতিক ডিভিশন ও এরিয়া কমান্ডার রংপুর এরিয়া এবং কমান্ড্যান্ট ইএমই সিঅ্যান্ডএস।

নতুন পে স্কেলের গ্যাজেট প্রকাশ নিয়ে সুখবর

আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে পে কমিশনের সুপারিশ প্রণয়ন ও ১৫ ডিসেম্বরের আগেই অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে গ্যাজেট প্রকাশের বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) জাতীয় পে কমিশনের সঙ্গে সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সাক্ষাতে এ বিষয়ে আলোচনা হয়।
এদিন পে কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবির।
আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে জানিয়ে বাদিউল কবির গণমাধ্যমকে জানান, বেতন গ্রেড কমিয়ে আনা, ৩০ নভেম্বরের মধ্যে পে কমিশনের সুপারিশ জমা এবং ১৫ ডিসেম্বরের আগেই অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে যাবতীয় কার্যক্রম শেষ করে পে স্কেলের গ্যাজেট অর্থাৎ নবম জাতীয় বেতন স্কেলের ঘোষণার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।
কমিশন চেয়ারম্যানের বরাত দিয়ে বাদিউল কবির জানান, তারা দাবিগুলোকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে। ৩০ নভেম্বরের মধ্যেই প্রতিবেদন দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
এর আগে নভেম্বরের মধ্যেই সুপারিশ জমা না হলে কর্মচারীরা আলটিমেটাম দিয়েছিলেন। দীর্ঘদিন কমিশনের পক্ষ থেকে কোনো তথ্য না আসায় কর্মচারীদের মধ্যে হতাশা দেখা দিয়েছিল।

ফের মুখোমুখি ‘লড়াই’ দেব-শুভশ্রীর

একই দিনে দুই তারকার সিনেমা মুক্তি মানেই যেন তাদের নীরব প্রতিযোগিতা। গত বছর ২০ ডিসেম্বর একই দিনে মুক্তি পেয়েছিল দেব ও শুভশ্রীর ‘খাদান’ ও ‘সন্তান’। চলতি বছর ‘ধূমকেতু’র প্রচারে একসঙ্গে মঞ্চে উঠলেও পরবর্তী ঘটনায় তাদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার ঝড় ওঠে। এখন দুই তারকাই ব্যস্ত বড়দিনের নতুন ছবির প্রচারে। দেবের ‘প্রজাপতি ২’ এবং শুভশ্রীর ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’-উভয় ছবি বড়দিনেই মুক্তি পাওয়ার কথা। স্বাভাবিকভাবেই বক্স অফিসে তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যেতে পারে। গত সোমবার একই সময়ে মুক্তি পেয়েছে দুটি ছবির দুটি গান। ‘প্রজাপতি ২’-এর ‘ফুটবেই বিয়ের ফুল রে’ এবং ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’-এর ‘দেখো দেখো কানাইয়ে’- দুটি গানই প্রকাশের পরপরই দর্শকের মাঝে সাড়া ফেলেছে।

শুভশ্রীর একেবারে নতুন লুক যেমন দর্শককে আকর্ষণ করেছে, তেমনি দেবের গানে ফিরেছে পুরনো দিনের নস্টালজিয়ার আবহ।

ভিন্ন স্বাদের এই দুই ছবি দর্শকদের কতটা টানতে পারে তা এখনো অনিশ্চিত। তবে নিশ্চিত- দেব ও শুভশ্রীর প্রতিযোগিতা ইতোমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে। পাশাপাশি প্রতিযোগিতায় থাকছেন কোয়েল মল্লিকও, যিনি মিতিন মাসীর চরিত্রে বড় পর্দায় ফিরছেন। ‘প্রজাপতি ২’ দিয়ে আবারও একসঙ্গে পর্দায় ফিরছেন দেব ও মিঠুন চক্রবর্তী। দেবের বিপরীতে থাকছেন জ্যোতির্ময়ী। ছবিতে একজন সিঙ্গেল বাবার জীবনসংগ্রাম ও ছেলেকে ঘিরে তার দুশ্চিন্তার গল্প ফুটে উঠবে।

অন্যদিকে সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’ ছবিতে শুভশ্রীর সঙ্গে অভিনয় করছেন যীশু সেনগুপ্ত, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, পাওলি দাম, প্রিয়াঙ্কা সরকার, পার্থ ভৌমিক ও আরাত্রিকা মাইতি। মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্যর চরিত্রে থাকছেন দিব্যজ্যোতি দত্ত।

কবে শুরু হতে পারে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, কোন গ্রুপে কারা

আইসিসি পুরুষদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সম্ভাব্য সূচি প্রকাশিত হয়েছে। যা আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হয়ে ৮ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হতে পারে। ভারত ও শ্রীলঙ্কা যৌথভাবে আসন্ন টুর্নামেন্টটির আয়োজক হিসেবে থাকছে। সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার মুম্বাইয়ে এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিক সূচি ঘোষণা করা হবে।

প্রতিবারের আইসিসি টুর্নামেন্টগুলোর মতো এবারও ভারত-পাকিস্তান একই গ্রুপে থাকছে। ১৫ ফেব্রুয়ারি কলম্বোতে একে-অপরের বিপক্ষে মাঠে নামবে এই দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী। তাদের গ্রুপে আরও রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র, নামিবিয়া ও নেদারল্যান্ডস।

মোট ২০টি দলকে চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে, প্রতি গ্রুপে পাঁচটি করে দল থাকছে। আগের ফরম্যাট অনুযায়ী প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুই দল সুপার এইটে জায়গা করে নেবে। সুপার ৮-টে কোয়ালিফাই করা আট দলকে আবার দুই গ্রুপে ভাগ করা হবে। সেখানে প্রতিটি গ্রুপের শীর্ষ দুই দল যাবে সেমি-ফাইনালের মঞ্চে।

ভারত ও শ্রীলঙ্কার যেসব ভেন্যুতে হবে ম্যাচ

ভারতের যেসব ভেন্যুতে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে: কলকাতা, চেন্নাই, দিল্লি ও আহমেদাবাদ

শ্রীলঙ্কার যেসব ভেন্যুতে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে: কলম্বো ও ক্যান্ডি

ফাইনাল ম্যাচের জন্য নির্ধারিত করা আছে আহমেদাবাদের স্টেডিয়াম। তবে পাকিস্তান ফাইনালে উঠলে ম্যাচটি কলম্বোতে সরিয়ে নেওয়া হবে।

সেমিফাইনাল ম্যাচগুলো আয়োজন করবে মুম্বাই ও কলকাতা। তবে পাকিস্তান সেমিতে উঠলে সেই ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হবে কলম্বোতে।

বিভিন্ন গ্রুপে আছে যারা

> ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র, নামিবিয়া ও নেদারল্যান্ডস

> শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া, জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড ও ওমান

> বাংলাদেশ, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নেপাল ও ইতালি

> দক্ষিণ আফ্রিকা, নিউজিল্যান্ড, আফগানিস্তান, সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও কানাডা

কুড়িগ্রামের অর্থনৈতিক অঞ্চল যুক্ত হবে গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটির সঙ্গে

ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তবগে বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে আঞ্চলিক যোগাযোগের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন। এ সময়ে তিনি বাংলাদেশ ও ভুটান, কুড়িগ্রাম–গেলেফু করিডোরের মাধ্যমে আঞ্চলিক সংযোগ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করে বলেন, দুই দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা গভীর করতে এই করিডরের ভূমিকা ‘অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’।

রোববার ঢাকায় বিডা ও বেজা-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময়ে তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে জিটুজি অংশীদারত্বে নির্মাণাধীন কুড়িগ্রাম স্পেশাল ইকোনমিক জোন ভুটানের আসন্ন বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’-র সঙ্গে যুক্ত হয়ে এক নতুন আঞ্চলিক অর্থনৈতিক প্রবাহ তৈরি করবে। এর মাধ্যমে শিল্প–বাণিজ্যিক সহযোগিতা নতুন মাত্রা পাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

বৈঠকে বিডা ও বেজা-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান (প্রতিমন্ত্রী পদমর্যাদা) আশিক চৌধুরী কুড়িগ্রাম ইকোনমিক জোন বাস্তবায়নে বাংলাদেশের সুদৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। এ সময়ে তিনি বলেন, কুড়িগ্রাম ও গেলেফু আমাদের যৌথ অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের পরিপূরক ইঞ্জিন হয়ে উঠতে পারে। বাংলাদেশের বৃহৎ বাজার, দক্ষ মানবসম্পদ ও বৈশ্বিক সংযোগের শক্তি; আর ভুটানের টেকসই উন্নয়ন, উদ্ভাবনী দৃষ্টি ও মানবিক মূল্যবোধ এই দুই শক্তির সমন্বয় সীমান্ত অতিক্রম করে নতুন প্রজন্মের অর্থনৈতিক সহযোগিতার মডেল গড়ে তুলবে।’

বৈঠকে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের আর্থিক, শিল্প ও সেবা খাতে ভুটানি বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন সুযোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান, এসব সম্ভাবনা যাচাই ও বিনিয়োগ সুযোগ অনুসন্ধানে শিগগিরই ভুটানের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করবে।

বৈঠকে বাংলাদেশের উন্নয়নবান্ধব বিনিয়োগপরিবেশ বিনির্মাণে বিডার সাম্প্রতিক সংস্কার উদ্যোগগুলো তুলে ধরা হয়; যেমন কর কাঠামো উন্নয়ন, মূলধন প্রত্যাবর্তন প্রক্রিয়ার গতিশীলতা, কার্যকর বন্দর ব্যবস্থাপনা এবং ব্যবসাবান্ধব নীতিগত সমর্থন। এ সময়ে দুই পক্ষই ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব, সাংস্কৃতিক বন্ধন ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা জোরদারের গুরুত্ব নিয়ে মতবিনিময় করেন।

ভুটান প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত হে. ই. রিনচেন কুয়েন্তসেল এবং দেশটির স্বাস্থ্য, বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে বিডা, বেজা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ভুটানে বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রতিনিধিরা বৈঠকে অংশ নেন।

বিশ্ববাজারে বেড়েছে স্বর্ণের দাম

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বেড়েছে। গত সোমবার বাজারে ফেডারেল রিজার্ভের সুদের হার কমানোর প্রত্যাশার ভিত্তিতে এক শতাংশ দাম বেড়েছে।

বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ৪৩ মিনিটে স্পট স্বর্ণের দাম এক দশমিক দুই শতাংশ বেড়ে আউন্সপ্রতি চার হাজার ১১১ দশমিক ৮৬ ডলারে পৌঁছেছে। এছাড়া ডিসেম্বর মাসের জন্য মার্কিন স্বর্ণের ফিউচার শূন্য দশমিক চার শতাংশ বেড়ে চার হাজার ৯৪ দশমিক ২ শতাংশ প্রতি আউন্সে স্থির হয়েছে।

টিডি সিকিউরিটিজের কমোডিটি স্ট্র্যাটেজি প্রধান বার্ট মেলেক বলেন, বাজারে দিন দিন আরও বিশ্বাস জন্মাচ্ছে যে, ইউএস ফেডারেল রিজার্ভ ডিসেম্বরে সুদের হার কমানোর পথে রয়েছে।

নিউইয়র্ক ফেডের প্রেসিডেন্ট জন উইলিয়ামস শুক্রবার বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সুদের হার ‘নিকট ভবিষ্যতে’ কমানো যেতে পারে, তবে এতে ফেডের মুদ্রাস্ফীতির লক্ষ্য বিঘ্নিত হবে না এবং এটি কর্মসংস্থানের বাজারে পতন রোধ করতে সাহায্য করবে।

সোমবার সিএমই ফেডওয়াচ টুল জানিয়েছে, সেপ্টেম্বর মাসে সুদের হার কমানোর সম্ভাবনা ৭৯ শতাংশ দাঁড়িয়েছে।

মেলেক বলেন, আমরা ডেটার জন্য অপেক্ষা করছি এবং প্রত্যাশা করা হচ্ছে যে, এটি কিছুটা কমতে পারে। মুদ্রাস্ফীতি খুব বেশি উচ্চ না হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এসব কিছু স্বর্ণের মূল্য বৃদ্ধির দিকে ইঙ্গিত করছে।

স্টোনএক্সের বিশ্লেষক রোনা অকনেল বলেন, ফেডের সুদের হার কমানোর বিতর্ক এবং বিশেষ করে ইউক্রেন সম্পর্কিত ভূ-রাজনৈতিক পরিবেশের পরিবর্তন, স্বর্ণের দাম আরও বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। তবে আমাদের দৃষ্টিতে এটি এখনো চার হাজার থেকে ৪ হাজার ১০০ ডলারের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে।

প্রতিবেদনেব বলা হয়েছে, স্পট রুপা প্রতি আউন্সে ১ দশমিক ৭ শতাংশ বেড়ে ৫০ দশমিক ৮৪ ডলারে পৌঁছেছে। এছাড়া প্লাটিনাম ২ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে এক হাজার ৫৪৫ দশমিক ৯১ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

বাংলাদেশে কোরআন-সুন্নাহর বিপরীতে কোন আইন করা হবে না: সালাহউদ্দিন আহমদ

কোরআন ও সুন্নাহর বিপরীতে বাংলাদেশে কোনো কানুন (আইন) করা হবে না বলে জানিয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। যদি আগে এই ধরনের আইন করা হয়ে থাকে, সেটি বাতিল করা হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

রোববার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে সম্মিলিত ইমাম খতিব পরিষদ আয়োজিত জাতীয় সম্মেলনে সালাহউদ্দিন আহমদ এ ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে ‘আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ যুক্ত করেছিলেন। তবে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট গোষ্ঠী সেটি সংবিধান থেকে উচ্ছেদ করে দিয়েছিল। এটি আবার পুনর্বহাল করা হবে।

সম্মেলনে ইমাম ও খতিবদের পক্ষ থেকে সাতটি দাবি তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে একটি হলো উপযুক্ত প্রমাণ ও তদন্ত ছাড়া কোনো ইমাম-খতিব ও আলেমকে গ্রেপ্তার বা হয়রানি করা যাবে না।

বিষয়টির উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, উপযুক্ত তথ্য–প্রমাণ ছাড়া, প্রাথমিক তদন্ত ছাড়া রাষ্ট্রের কোনো নাগরিককে গ্রেপ্তার করা যায় না। কিন্তু বিগত সময়ে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী অবৈধ সরকার দাড়ি-টুপির বিরুদ্ধে ছিল, আলেমবিদ্বেষী ছিল, তারা যে কাউকে ধরে নিয়ে এসে জঙ্গি বানানোর নাটক করত। সেই বাংলাদেশ এখন নেই। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নবযাত্রা শুরু হয়েছে। এই দেশে আইনকানুনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে কোনো বেআইনি কাজ কাউকে করতে দেওয়া হবে না।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, বিএনপি মদিনার ইসলামে বিশ্বাস করে এবং বাংলাদেশে যত ফিরকা-ফেতনা আছে, এগুলোর অবসান চায়। অবশ্যই সম্মিলিতভাবে ইমাম-খতিবরা সেভাবে কাজ করবেন। মসজিদে যেন দুনিয়ার কোনো কার্যক্রমকে প্রশ্রয় দেওয়া না হয়। সেটি তাদের খেয়াল রাখতে হবে। মসজিদ, ইমাম, খতিবদের যাতে বিতর্কের ঊর্ধ্বে রাখা হয়। রাজনৈতিক চর্চার জন্য বহু কেন্দ্র আছে, যাতে কোনো বিতর্ক না হয়, সেটা ইমাম-খতিবদের খেয়াল রাখতে হবে।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। আরও বক্তব্য দেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আমির হাবিবুল্লাহ মিয়াজী, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব মঞ্জুরুল ইসলাম আফেন্দী, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব সাখাওয়াত হোসেন রাজি, হেফাজত নেতা জুনায়েদ আল হাবিব প্রমুখ।

সম্মেলনে সাত দফা দাবি তুলে ধরেন মাওলানা আজহারুল ইসলাম। এগুলো হলো সব ধর্মের প্রতি সহিষ্ণু হয়ে ইসলামি শরিয়াহকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে হবে; রাষ্ট্রের জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে ইমাম-খতিবদের অংশগ্রহণের পাশাপাশি প্রতিটি জেলা, বিভাগীয় এবং থানা পর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে ইমাম-খতিবদের সম্পৃক্ত করতে হবে; মসজিদ, মাদ্রাসা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ ও পানির বিল মওকুফ করতে হবে; দেশের সব মসজিদের ইমামদের জন্য সার্ভিস রোল-নিয়োগবিধি প্রণয়ন করতে হবে এবং মসজিদ কমিটিতে সম্মানজনক অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে; উপযুক্ত প্রমাণ ও তদন্ত ছাড়া কোনো ইমাম-খতিব ও আলেমকে গ্রেপ্তার বা হয়রানি করা যাবে না; সরকার স্বীকৃত দাওরায়ে হাদিসের সনদপ্রাপ্ত আলেমদের সরকারি মসজিদে ইমাম-খতিব নিয়োগ ও স্কুল-কলেজে ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ এবং কাজি নিয়োগে অগ্রাধিকার দিতে হবে এবং ইমাম-খতিবগণ কর্তৃক সমাজ সংস্কারমূলক কার্যক্রম, যেমন: মাদক ও যৌতুক নিরোধ, সুদ, ঘুষ ও অবৈধ সম্পদ অর্জনে নিরুৎসাহিত করা এবং পারিবারিক ঐতিহ্য ও সামাজিক শৃঙ্খলা রক্ষামূলক প্রভৃতি কার্যক্রমের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দিতে হবে এবং এ জন্য সম্মানজনক ভাতার ব্যবস্থা করতে হবে।