Home Blog Page 248

কে হচ্ছেন আগামীর প্রধানমন্ত্রী! উঠে এলো জরিপে

০

আসন্ন নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের জনমতে বড় ধরনের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যেখানে জনপ্রিয়তায় এককভাবে এগিয়ে রয়েছে বিএনপি। বেসরকারি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান ইনোভেশন কনসাল্টিংয়ের ‘পিপলস ইলেকশন পালস সার্ভে (পেপস)’-এর সর্বশেষ জরিপ অনুযায়ী, ৪৭ শতাংশের বেশি মানুষ বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশের ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চান।

শুক্রবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে জরিপের ফলাফল প্রকাশ করেন ইনোভেশন কনসাল্টিংয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুবাইয়াৎ সারওয়ার। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জামায়াতে ইসলামী বা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমর্থকদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এবং আওয়ামী লীগের সমর্থকদের বড় একটি অংশ এখন বিএনপিকে ভোট দেওয়ার কথা ভাবছেন। মূলত তারেক রহমানের দেশে ফেরা এবং বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে সিদ্ধান্তহীন ভোটারদের বড় অংশ বিএনপির দিকে ঝুঁকে পড়েছে।

জরিপে অংশ নেওয়া ৪৭ দশমিক ৬ শতাংশ উত্তরদাতা তারেক রহমানকে ভবিষ্যৎ প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মনোনীত করেছেন। এর পরেই রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান, যাকে পছন্দ করেছেন ২২ দশমিক ৫ শতাংশ মানুষ। এছাড়া ২ দশমিক ৭ শতাংশ মানুষ নাহিদ ইসলামকে এই পদে দেখতে চান এবং প্রায় ২২ দশমিক ২ শতাংশ ভোটার এখনো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি।

আগামীকাল নির্বাচন হলে নিজ এলাকায় কোন দলের প্রার্থী জিততে পারেন—এমন প্রশ্নের জবাবে ৫২ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ বিএনপি প্রার্থীর নাম বলেছেন। আগের জরিপের তুলনায় বিএনপির সম্ভাব্য বিজয়ী হওয়ার হার ৭ দশমিক ৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামীর ক্ষেত্রে এই হার বেড়েছে মাত্র ১ দশমিক ১ শতাংশ। জরিপ অনুযায়ী, অর্ধেকের বেশি মানুষ এখনো নিজেদের পছন্দের প্রার্থী সম্পর্কে নিশ্চিত নন, যা আসন্ন নির্বাচনে এক বড় সমীকরণ তৈরি করতে পারে।

চলতি বছরের ১৬ থেকে ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের ৬৪ জেলার ৫ হাজার ১৪৭ জন নাগরিকের সাক্ষাৎকারের ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। ভোটার উপস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনসহ ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের ওপর জনগণের মতামত নেওয়া হয়। বিআরএআইএন ও ভয়েস ফর রিফর্ম নামক দুটি নাগরিক প্ল্যাটফর্মের সহযোগিতায় এই টেলিফোন জরিপটি পরিচালিত হয়।

পে স্কেলের দাবিতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বড় পদক্ষেপ!

০

নতুন পে স্কেল ঘোষণা ও বিভিন্ন যৌক্তিক দাবি আদায়ের লক্ষ্যে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন একটি প্ল্যাটফর্মের যাত্রা শুরু হয়েছে। ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি’ নামে এই সংগঠনটি গত শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) তাদের ৩১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি গঠনের মাধ্যমে আত্মপ্রকাশ করে। নবগঠিত এই কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে মো. আব্দুল মালেক এবং সদস্য সচিব হিসেবে আশিকুল ইসলাম দায়িত্ব পেয়েছেন।

সংগঠনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের অধিকার সংরক্ষণ এবং তাদের জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে এই অরাজনৈতিক ও কল্যাণমুখী সংগঠনটি কাজ করবে। শুক্রবার আয়োজিত এক বিশেষ আলোচনা সভায় বিভিন্ন জেলার প্রতিনিধিদের মতামতের ভিত্তিতে সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় বক্তারা বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সরকারি চাকুরিজীবীদের জন্য নতুন পে স্কেলের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ঘোষিত ৩১ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. শিমুল আহমেদ, মো. শাহাবুদ্দীন মুন্সী শাবু, নূর মোহাম্মদ চৌধুরী, মো. কামরুল হাসান রুবেল এবং মো. তারেক হাসান। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে যে, আগামী তিন মাসের মধ্যে একটি পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় কমিটি গঠন করা হবে। বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি সংগঠনের সাংগঠনিক কাঠামো প্রণয়ন, নতুন সদস্য সংগ্রহ এবং একটি টেকসই কর্মপরিকল্পনা নির্ধারণের কাজ পরিচালনা করবে।

সংগঠনটি স্পষ্ট করেছে যে এটি কোনো রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে নয়, বরং সম্পূর্ণ অরাজনৈতিকভাবে চাকুরিজীবীদের যৌক্তিক দাবিদাওয়া নিয়ে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করবে। কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে সংহতি বাড়ানো এবং তাদের পেশাগত সমস্যার সমাধানে এটি একটি শক্তিশালী মাধ্যম হিসেবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। প্রয়োজন অনুযায়ী আহ্বায়ক কমিটিতে আরও সদস্য অন্তর্ভুক্ত বা বাদ দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।

১২ তারিখে জনগণ জামাত-শিবিরকে লালকার্ড দেখাবে- আবিদুল ইসলাম খান

০

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) নেতা আবিদুল ইসলাম খান বলেছেন, দীর্ঘ দুঃশাসনে বিএনপির নেতাকর্মীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়েই আজকের বাংলাদেশ। তাই দেশের সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় ধানের শীষ প্রতীকে বিজয় নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা লড়াই করেছি, কখনো পালিয়ে যাইনি, গুপ্ত রাজনীতি করিনি কিংবা সংগঠনের নাম বলতে ভয় পাইনি। ছাত্রলীগের ভেতর থেকে মানুষ নির্যাতন করিনি। তিনি অভিযোগ করেন, অভ্যুত্থানের পর জামাত ও শিবির রক্তের রাজনীতির মাধ্যমে ঐক্য বিনষ্টের চেষ্টা করছে। এসব সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ১২ তারিখে দেশের মানুষ লালকার্ড দেখাবে।
আবিদুল ইসলাম খান আরও বলেন, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে দেশে গুম ও খুনের ঘটনা ঘটেছে। মা সন্তান হারিয়েছে, সন্তান বাবাকে হারিয়েছে, এমনকি অনেক শিশু জন্মের আগেই বাবাকে হারিয়েছে ইতিহাস তার সাক্ষী। এই গুম-খুনের রাজনীতি আমাদের হাত ধরে আর ফিরে আসবে না,বলেন তিনি।
বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করাই দলের নীতি। মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই এ দেশে নিজ নিজ ধর্ম স্বাধীনভাবে পালন করবে।তিনি অভিযোগ করেন, একটি গোষ্ঠী ধর্মের নাম ব্যবহার করে অপপ্রচার চালাচ্ছে, কিন্তু অপপ্রচারের মাধ্যমে ক্ষমতায় যাওয়া যায় না।
তিনি বলেন, নারায়ে তাকবীর আল্লাহু আকবার কোনো রাজনৈতিক দলের স্লোগান নয়, এটি মুসলমানদের স্লোগান।ধর্মকে রাজনৈতিক স্বার্থে ব্যবহারের বিরুদ্ধেও তিনি সতর্কবার্তা দেন।

কুষ্টিয়া-মিরপুরের দুই আসনে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী রাগিব রূপ চৌধুরীর নির্বাচনী প্রচারণা উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে এসব কথা বলেন আবিদুল ইসলাম খান। এ সময় তিনি উপস্থিত জনসাধারণকে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান।

সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক জিএস প্রার্থী তানভীর বাড়ী হামিম, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক ভিপি প্রার্থী শেখ নুর উদ্দিন আবির, তানভীর আল হাদী, জাহিন বিশ্বাস এশাসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

স্বামী ‘বানর’ বলায় অভিমানে নিজেকে শেষ করে দিলেন স্ত্রী

উত্তরপ্রদেশের রাজধানী লখনউয়ে এক দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে। স্বামীর ‘বানর’ বলার মন্তব্যে মানসিক আঘাত পেয়ে তন্নু সিং নামের এক নারী আত্মহত্যা করেছেন। পুলিশ জানায়, ঘটনাটি পারিবারিক পরিসরে ঘটেছে এবং এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় পুলিশ ও পরিবারের বরাত দিয়ে জানা গেছে, তন্নু সিং ও তাঁর স্বামী রাহুল শ্রীবাস্তব প্রায় চার বছর আগে প্রেমের সম্পর্ক থেকে বিয়ে করেন। তাঁরা লখনউয়ের ইন্দিরানগর এলাকায় বসবাস করতেন। তন্নুর মডেলিংয়ে আগ্রহ ছিল।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত বুধবার সন্ধ্যায় তন্নু ও তাঁর পরিবার আত্মীয়ের বাড়ি সীতাপুর থেকে ফিরে এসে সবাই একসঙ্গে গল্প আর হাসি-ঠাট্টা করছিলেন। সেই সময়ে স্বামী রাহুল মজা করে তন্নুকে ‘বানর’ বলে ডাকেন। এতে তন্নু দারুণ মন খারাপ করে আলাদা ঘরে চলে যান।

পরবর্তীতে যখন তন্নুকে ডাকা হয়, তিনি সাড়া না দিলে পরিবার জানলা দিয়ে ঘরে তাকিয়ে দেখেন—তন্নু কাপড় দিয়ে বানানো ফাঁসিতে ঝুলে রয়েছেন। চিৎকারে প্রতিবেশী ও স্বামী ছুটে এসে তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে এবং ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখছে। আত্মহত্যার কারণ সম্পর্কিত পরিবারের বক্তব্য অনুযায়ী, স্বামীর এই সামান্য শব্দভঙ্গি তন্নুর মানসিক অবস্থা ভেঙে দেয়। তবে এখন পর্যন্ত এ ঘটনায় কেউ লিখিত অভিযোগ দায়ের করেনি।

 

বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশ বাদ, এবার নীরবতা ভেঙে যা বলল আয়োজক শ্রীলঙ্কা

০

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ ঘিরে বাংলাদেশ ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) মধ্যে চলমান বিতর্ক প্রায় তিন সপ্তাহ পর চূড়ান্ত রূপ নিল। নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে ভারতে নির্ধারিত ম্যাচগুলো অন্যত্র সরানোর আবেদন জানিয়েছিল বাংলাদেশ।

প্রাথমিক সূচি অনুযায়ী, টুর্নামেন্টের শুরুতে কলকাতা ও মুম্বাইয়ে বাংলাদেশের চারটি ম্যাচ খেলার কথা ছিল। তবে ভারতে নিরাপত্তা পরিস্থিতি অনুকূলে নয়—এই যুক্তিতে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে নেওয়ার অনুরোধ জানায়। মুস্তাফিজুর রহমানের আইপিএল থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘটনার পরপরই এই আবেদন আসে।

আইসিসি বাংলাদেশের অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য ২৪ ঘণ্টার সময়সীমা দিয়েছিল। কিন্তু বিসিবি নিজ অবস্থানে অনড় থাকায় শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশকে টুর্নামেন্ট থেকে বাদ দেয় আইসিসি। বাংলাদেশের পরিবর্তে বাছাইপর্বে বাদ পড়া দলগুলোর মধ্যে শীর্ষ র‍্যাঙ্কিংধারী স্কটল্যান্ডকে টুর্নামেন্টে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এ ঘটনার পর বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, বাংলাদেশের প্রতি সংহতি জানিয়ে পাকিস্তানও টুর্নামেন্ট বর্জনের কথা ভাবতে পারে অথবা ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ না খেলার সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

পুরো পরিস্থিতিতে দীর্ঘদিন নীরব ছিল সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কা। ভারত ও শ্রীলঙ্কা যৌথভাবে টুর্নামেন্টের আয়োজক হওয়ায় কলম্বোর এই নীরবতা নিয়ে ক্রিকেট বিশ্বে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। অবশেষে এ বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করেছে দ্বীপরাষ্ট্রটি।

শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটের (SLC) সেক্রেটারি বান্দুলা ডিসানায়েকে বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, আঞ্চলিক রাজনৈতিক বিরোধে জড়িয়ে পড়তে চায় না তাঁর দেশ। তিনি বলেন, “ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে যেসব বিরোধ রয়েছে, সেসব ক্ষেত্রে আমরা নিরপেক্ষ অবস্থানে আছি। এরা সবাই আমাদের বন্ধুপ্রতিম দেশ।” তবে তিনি জানান, ভবিষ্যতে আইসিসি অনুরোধ জানালে শ্রীলঙ্কা যেকোনো দেশের জন্য টুর্নামেন্ট এককভাবে আয়োজন করতেও প্রস্তুত।

উল্লেখ্য, রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে বর্তমানে ভারত ও পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলে না। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ পাকিস্তান তাদের সব ম্যাচ শ্রীলঙ্কায় খেলবে, যার মধ্যে ভারতের বিপক্ষের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচটিও রয়েছে।

শ্রীলঙ্কার ক্রীড়ামন্ত্রী সুনীল কুমারা গামাগে এএফপিকে জানান, টুর্নামেন্টটি নির্বিঘ্নে আয়োজন করাই তাঁদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। বিশেষ করে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের নিরাপত্তার দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরু হবে আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি এবং ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ৮ মার্চ।

ভারতের জন্য এক নিয়ম, বাংলাদেশের জন্য আরেক: মার্ক বুচার

০

বাংলাদেশকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দেওয়ার ঘটনাকে ‘চরম বিশৃঙ্খলা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন ইংল্যান্ডের সাবেক কিংবদন্তি ক্রিকেটার ও বিশ্লেষক মার্ক বুচার। আইসিসির সিদ্ধান্তের কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেছেন, এই পুরো প্রক্রিয়াটি ক্রিকেটের শাসনব্যবস্থার বড় ব্যর্থতার এক উদাহরণ।

‘উইজডেন ক্রিকেট উইকলি’ পডকাস্টে কথা বলতে গিয়ে বুচার বলেন, টুর্নামেন্ট শুরুর মাত্র দুই সপ্তাহ আগে বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার বিষয়টি একটি ‘সম্পূর্ণ বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি’। তিনি ভারতের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি খেলতে পাকিস্তানে না যাওয়ার সিদ্ধান্তের সঙ্গে বাংলাদেশের এই ঘটনার তুলনা টানেন।

বুচার বলেন, “এই ঘটনার আগে এমন অনেক উদাহরণ আছে যেগুলোর সঙ্গে এর মিল পাওয়া যায়; বিশেষ করে ভারতের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ইস্যু। সবাই জানত ভারত পাকিস্তানে যাবে না এবং শেষ পর্যন্ত তাদের ম্যাচগুলো দুবাইয়ে আয়োজন করা হলো। ক্রিকেট ইতিহাসে বহুবার টুর্নামেন্টের সূচি ও কাঠামো বদলানো হয়েছে কোনো একটি নির্দিষ্ট দলকে মানিয়ে নিতে; তবে সাম্প্রতিক সময়ে যেভাবে হচ্ছে, সেটা নজিরবিহীন।”

বাংলাদেশকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্তকে ঘিরে আইসিসির দ্বিমুখী অবস্থান নিয়েও প্রশ্ন তোলেন এই সাবেক ব্যাটার। তাঁর মতে, ভারতের ক্ষেত্রে যে সমাধান বের করা হয়েছিল, সেটিই ভবিষ্যতের জন্য অনুসরণযোগ্য দৃষ্টান্ত হতে পারত।

তিনি আরও বলেন, “যখন কোনো দল—হোক সেটা সরকারের সিদ্ধান্তে বা নিজেদের কারণে—নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ দেখিয়ে কোনো দেশে যেতে চায় না, তখন দুটি পথ থাকা উচিত। হয় তারা খেলবে এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে, নয়তো সরে দাঁড়াবে এবং পরের দল সুযোগ পাবে। সেটিই হওয়া উচিত ছিল সবচেয়ে ন্যায্য ও স্বচ্ছ পথ।”

উল্লেখ্য, নিরাপত্তা উদ্বেগের কথা জানিয়ে ভারতে যেতে অস্বীকৃতি জানায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। দীর্ঘ আলোচনার পর গত ২৪ জানুয়ারি আইসিসি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে ২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাদ দিয়ে স্কটল্যান্ডকে অন্তর্ভুক্ত করে। এই সিদ্ধান্তটি এমন এক সময়ে এল যখন মাত্র এক বছর আগেই ভারত ২০২৫ চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে পাকিস্তানে যেতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল। তবে সে সময় আইসিসি, বিসিসিআই ও পিসিবির সমঝোতায় ভারতের ম্যাচগুলো নিরপেক্ষ ভেন্যুতে (হাইব্রিড মডেল) আয়োজন করা হয়েছিল।

সরকারের আশ্বাস পেয়ে টেক্সটাইল মিল বন্ধের কর্মসূচি স্থগিত

০

স্পিনিং খাতে চলমান সংকট দ্রুত সমাধানে সরকারের দৃঢ় আশ্বাসের পর টেক্সটাইল মিল বন্ধের পূর্বঘোষিত কর্মসূচি আপাতত স্থগিত করেছে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে সংগঠনটি। বিটিএমএ জানায়, গত ২৭ জানুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের সভাপতিত্বে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে স্পিনিং খাতের সংকট নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। এ সময় উপদেষ্টা খাতটির সমস্যার যৌক্তিকতা স্বীকার করে দ্রুত কার্যকর ও বাস্তবসম্মত সমাধানের আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, দেশের রপ্তানি বাণিজ্যে স্পিনিং শিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে এবং সরকার এ খাতকে সচল রাখতে বদ্ধপরিকর।

একদিনের ব্যবধানেই সোনার দামে বড় পতন! নতুন দাম কত

০

রেকর্ড গড়ার মাত্র একদিন পরেই দেশের বাজারে সোনার দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। আন্তর্জাতিক বাজারের অস্থিরতা ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় প্রতি ভরিতে সোনার দাম সর্বোচ্চ ১৪ হাজার ৬৩৮ টাকা পর্যন্ত কমানো হয়েছে। আজ ৩০ জানুয়ারি শুক্রবার থেকেই নতুন এই দাম কার্যকর হবে।

বাজুসের প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির এক জরুরি সভায় এই দাম সমন্বয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার সোনার দাম বেড়ে ২ লাখ ৮৬ হাজার টাকা ছাড়িয়ে গিয়েছিল, যা ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের সর্বোচ্চ দর। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম এখন ২ লাখ ৭১ হাজার ৩৬৩ টাকা।

সোনার নতুন মূল্যতালিকা:

২২ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ৭১ হাজার ৩৬৩ টাকা।

২১ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৮ হাজার ৯৯৯ টাকা।

১৮ ক্যারেট: প্রতি ভরি ২ লাখ ২২ হাজার ২৪ টাকা।

সনাতন পদ্ধতি: প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৮৩৩ টাকা।

সোনার পাশাপাশি দেশের বাজারে রুপার দামও কমানো হয়েছে। নতুন দরে ২২ ক্যারেট রুপার ভরি ৭ হাজার ৭৫৭ টাকা এবং ২১ ক্যারেট রুপা ৭ হাজার ৪০৭ টাকায় বিক্রি হবে। বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত জুয়েলারি দোকানগুলোতে এই দাম বলবৎ থাকবে। তবে গ্রাহকদের মনে রাখতে হবে যে, উল্লিখিত মূল্যের সঙ্গে সরকার নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট এবং জুয়েলারি প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি যুক্ত হবে।

জাতি-ধর্ম-বর্ণ বিভক্তি নয়, বাংলাদেশি হিসেবে বসবাস করতে চাই

০

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, “বিএনপির শাসন আমলে এ দেশের সব ধর্মের মানুষ নিরাপদ ছিল। আমাদের দলের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এ দেশের সব ধর্মের মানুষের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছিলেন। যারা এ ভূখণ্ডে বসবাস করেন, তাদের সবাইকে তিনি ‘বাংলাদেশি’ হিসেবে পরিচয় দিয়েছিলেন। আমরাও কোনো ধরনের জাতি, ধর্ম কিংবা বর্ণ বিভক্তি চাই না; আমরা সবাই মিলে বাংলাদেশি হিসেবে বসবাস করতে চাই।”

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে তাঁর নির্বাচনী এলাকা পেকুয়া সদরের বিশ্বাসপাড়ায় হিন্দু-বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “একাত্তরে যারা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের নির্যাতন করেছিল, তারাই আবার নবরূপে ফিরে এসে নির্বাচনে দাঁড়িয়েছে। তাদের হাতে এ দেশের সব নাগরিক নিরাপদ কি না—সেটি দেশবাসীর কাছে আমার প্রশ্ন।”

তিনি আরও বলেন, “মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে একটি ধর্মভিত্তিক দলের হাতে এ দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বী ভাই-বোনদের সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হতে হয়েছিল, ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছিল; যা তাঁদের পূর্বপুরুষেরা জানেন। যারাই স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেনি কিংবা স্বাধীনতা চায়নি, তারাই সনাতনী ভাই-বোনদের ওপর এমন নির্যাতন করেছিল।”

বিশ্বাসপাড়া পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক চন্দময় বিশ্বাস তিলকের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য রাখেন—পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি বাহাদুর শাহ, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কামরান জাদীদ মুকুট, বিশ্বাসপাড়া কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরের সভাপতি শিমুল বিশ্বাস, উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের আহ্বায়ক রমেশ বিশ্বাস, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি সুমন বিশ্বাস, উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অংতোয়াইচিং রাখাইনসহ স্থানীয় ধর্মীয় ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ।

বিএনপির যে ২ নেতা সব পদ থেকে বহিষ্কার

০

দলীয় নীতি ও সংগঠন পরিপন্থি কার্যকলাপে জড়িত থাকার কারণে নোয়াখালী জেলাধীন সেনবাগ পৌর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ভিপি মফিজুল ইসলাম এবং যুগ্ম আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম লিটনকে বিএনপির প্রাথমিক সদস্য পদসহ দলীয় সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ও নীতি অমান্য করায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এর আগে বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ ও সোনারগাঁ থানার ২০ নেতাকে বহিষ্কার করে বিএনপি।

ওই দিন এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি মাজেদুল ইসলাম ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল হোসেনসহ কমিটির গুরুত্বপূর্ণ ৬ নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন ওয়ার্ড কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক পদমর্যাদার আরও ৮ নেতা এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।