Home Blog Page 292

শনিবার খোলা থাকবে ব্যাংক

সাপ্তাহিক ছুটির দিন শনিবার (১৮ অক্টোবর) ব্যাংক খোলা থাকবে। হজ কার্যক্রমের সুবিধার্থে ব্যাংকের নির্দিষ্ট কিছু শাখা খোলা রাখার নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে এ-সংক্রান্ত একটি নির্দেশনা জারি করা হয়।

ব্যাংক কোম্পানি আইন অনুযায়ী জারি করা এ নির্দেশনায় বলা হয়, ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে ২০২৬ সালের হজ নিবন্ধনের অর্থ জমা দেওয়ার সুবিধার্থে হজের অর্থ গ্রহণকারী ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলো ১৮ অক্টোবর খোলা রাখতে হবে। যত সময় হজের নিবন্ধনের অর্থ জমা দেওয়ার জন্য গ্রাহক থাকবেন, ততক্ষণ অর্থ গ্রহণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে জনস্বার্থে এ নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

জুলাই সনদে সই না করার ব্যাখ্যা দিলেন সারোয়ার তুষার

জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) অংশ না প্রসঙ্গে ব্যাখ্যা দিয়েছেন দলটির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। এ নিয়ে এনসিপি একটা সহজ ও স্পষ্ট দাবি জানিয়েছিল বলেও জানান তিনি।

শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) তার ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড পেজ থেকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জুলাই সনদে এনসিপির স্বাক্ষর না করার কারণ জানান।

কালবেলার পাঠকদের জন্য তার ফেসবুক পোস্ট হুবহু তুলে ধরা হলো।

পোস্টে তুষার লেখেন, ‘এনসিপি একটা সহজ ও স্পষ্ট দাবি জানিয়েছিল। জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামায় বাস্তবায়ন পদ্ধতির উল্লেখ থাকতে হবে। অর্থাৎ, কীভাবে আপনি জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবেন, কীভাবে আইনি ও সাংবিধানিক ভিত্তি নিশ্চিত করা হবে– এর উল্লেখ সনদে থাকতে হবে।

‘কারণ জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে এ ব্যাপারে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশ> গণভোট> আগামী সংসদের দ্বৈত ক্ষমতা [কনস্টিটিউয়েন্ট পাওয়ার (গাঠনিক ক্ষমতা) + আইন প্রণয়নী ক্ষমতা] — এই প্রক্রিয়ায় সনদ বাস্তবায়ন হবে। এতে সকল রাজনৈতিক দল একমত হয়েছে। তাহলে এটা সনদে উল্লেখ থাকতে সমস্যা কোথায়?

‘সমস্যা হলো প্রতারণা করার খাসলত। এটা উল্লেখ না রাখতে চাওয়ার কারণ হলো পরবর্তীতে বলা হবে ওই মৌখিক ঐকমত্যের কোনো গুরুত্ব নাই, সাংবিধানিক পথের (যার অর্থ করা হয় পার্লামেন্টের কাছে সংবিধান সংশোধনের এখতিয়ার প্রদান) বাইরে যাওয়ার সুযোগ নাই ইত্যাদি। এই মতলবের কারণেই ঐকমত্যে আসা বিষয়েও সনদে উল্লেখ রাখতে গড়িমসি করা হয়েছে।

‘কমিশন ও সরকারের তরফ থেকে বলা হয়েছে, এখন আর সনদ সংশোধনের সুযোগ নাই। অথচ আজ যখন আহতরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দাবিতে বিক্ষোভ জানাল (মাসিক ভাতা, চিকিৎসা, আইনি সুরক্ষা ও নিরাপত্তা), তখন চাপে পড়ে সাথে সাথে সনদের টেক্সটের ৫ নং ধারা সংশোধন করা হলো। কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রীয়াজ ক্ষমাও চাইলেন।

‘এখন কীভাবে সনদের টেক্সট সংশোধন করা গেল? আর বাস্তবায়ন পদ্ধতির উল্লেখের যৌক্তিক দাবিকে কীভাবে অগ্রাহ্য করা গেল? কার/কাদের নির্দেশে? এগুলোই এখনকার প্রতাপশালী রাজনীতি।

‘কিংস পার্টি, কিংস পার্টি বলে চিৎকার না করে কমিশন ও সরকারের অদৃশ্য নিয়ন্ত্রক কারা চোখ-কান খুলে তা বোঝার চেষ্টা করা দরকার।

‘উদ্ভূত পরিস্থিতির সকল দায় সরকারের। এনসিপির সহনশীলতা ও সহযোগিতার মনোভাবকে দুর্বলতা ভেবে বসবেন না।’

সব ব্যাঙ এক পাল্লায় ওঠানো যাবে না : মির্জা আব্বাস

জুলাই সনদে কয়েকটি দলের স্বাক্ষর না করার প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, সব ব্যাঙকে এক পাল্লায় উঠানো যাবে না।

শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) সংসদ ভবনে জুলাই সনদে স্বাক্ষর শেষে সাংবাদিকদের এ মন্তব্য করেন তিনি।

মির্জা আব্বাস বলেন, কেউ লাফাবে, কেউ উঠবে। আমি বিশ্বাস করি, যারা স্বাক্ষর করেনি, তারা আবার স্বাক্ষর করতে আসবে। তাদের জন্য ওই অপশন (সুযোগ) আছে।

তিনি বলেন, আমি বলছি না সনদ এমন একটা বিশাল কিছু হয়ে গেল। তবে সনদকে অস্বীকারও করা যাবে না। যারা অস্বীকার করবে, তারা রাজনীতিতে থাকতে পারবে না।

এদিন বিকাল ৫টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ সনদে স্বাক্ষর করেন।

এ ছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।

পবিত্র নগরী মক্কাকে ঘিরে সৌদির নতুন পরিকল্পনা

পবিত্র নগরী মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদকে ঘিরে সুবিশাল পরিকল্পনা সাজিয়েছে সৌদি আরব। এজন্য মেগা প্রজেক্ট ঘোষণা করা হয়েছে। আর এই প্রজেক্টের অধীনে গ্র্যান্ড মসিজদের কাছেই আকাশচুম্বী অট্টালিকা নির্মাণ করা হবে। মূলত মক্কা নগরীতে আগত বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলিমদের জন্য থাকার ব্যবস্থা, আতিথেয়তা এবং নামাজ আদায়ের সুবিধা অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

এই উন্নয়ন প্রকল্পের নামকরণ করা হয়েছে কিং সালমান গেট নামে, যা আগামী বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে। সৌদি আরবের ক্ষমতাধর নেতা ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমান ১২ মিলিয়ন স্কয়ার মিটারজুড়ে এই প্রকল্প গড়ে তুলবেন। এই প্রকল্পের মধ্যে থাকবে আবাসিক, বাণিজ্যিক, সাংস্কৃতিক ও হোটেল সুবিধা। এছাড়া ইনডোর এবং আউটডোরে একসঙ্গে প্রায় ৯ লাখ মানুষের নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা থাকবে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে বানানো নতুন এই প্রকল্পের একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, মক্কা নগরীর পাশ দিয়ে সুবিশাল উঁচু উঁচু ভবনগুলো দাঁড়িয়ে আছে। এর ওপরে দিয়ে উড়ে যাচ্ছে শান্তির পায়রা। এই মেগা প্রকল্পটি বাস্তবায়নে কাজ করবে রুয়া আলহারাম আলমাক্কি নামের একটি প্রতিষ্ঠান। নতুন এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে ৩ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

২০৩০ সালের মধ্যে পবিত্র নগরী মক্কায় ৩ কোটি হজ যাত্রীকে স্বাগত জানানোর লক্ষ্যে ব্যাপক কর্মতৎপরতা শুরু করেছে সৌদি আরব। অন্যান্য মেগা প্রজেক্টের পাশাপাশি মক্কা-মদিনাকে ঘিরে এই পরিকল্পনা সাজিয়েছে সৌদি। কারণ পবিত্র এই নগরীকে ঘিরে বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়ের বিশেষ এক আকর্ষণ আছে।

ইউক্রেন যুদ্ধের সমাপ্তি টানতে বসবেন ট্রাম্প-পুতিন

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ফোনালাপ ছিল খুবই ভালো এবং অত্যন্ত ফলপ্রসূ। উভয় নেতা আগামী সপ্তাহে উচ্চস্তরের আলোচনার জন্য সম্মত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) হোয়াইট হাউস এ তথ্য জানিয়েছে।

হোয়াইট হাউসের এক সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুপক্ষ একটি সম্ভাব্য মুখোমুখি সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত করার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে। এটি বুদাপেস্টে হওয়ার কথা রয়েছে। তবে তারিখ এখনও নির্ধারিত হয়নি।

ফোনালাপের পর ট্রাম্প জানান, তিনি বিশ্বাস করেন যে মধ্যপ্রাচ্যে সাম্প্রতিক অগ্রগতি রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের সমাপ্তির জন্য আলোচনা শুরু করতে সহায়তা করবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, যুদ্ধোত্তর বাণিজ্য সম্পর্ক নিয়েও আলোচনা হবে। দুই দেশই পরবর্তী সপ্তাহে শীর্ষ পর্যায়ের উপদেষ্টাদের পাঠাবে। আমেরিকার প্রতিনিধিত্ব করবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মারকো রুবিও।

ট্রাম্প জানান, পুতিন তাকে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রচেষ্টায় তার ভূমিকার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন।

ট্রাম্প বলেন, আমি বিশ্বাস করি, ফোনালাপটি বাস্তব অগ্রগতি সৃষ্টির একটি সূচনা। তিনি আরও যোগ করেন, পুতিনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার মাধ্যমে এই কলঙ্কজনক যুদ্ধ শেষ করার বিকল্প অন্বেষণ করবেন।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, তিনি শুক্রবার হোয়াইট হাউসে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কিকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। সেখানে তারা পুতিনের সঙ্গে আলোচনার বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন। একইসঙ্গে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা করবেন।

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সেমিনার অনুষ্ঠিত

বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের (বাপশক) প্রধান কার্যালয়ে বৃহস্পতিবার এক বৈজ্ঞানিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে। অনুষ্ঠানে দেশের খ্যাতনামা বিজ্ঞানী, চিকিৎসক, শিক্ষাবিদ ও নীতিনির্ধারকরা উপস্থিত ছিলেন।

সেমিনারে প্রধান অতিথি ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাপশকের চেয়ারম্যান ড. মো. মজিবুর রহমান।

সেমিনার শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কমিশনের সদস্য ড. দেবাশীষ পাল। সভাপতির বক্তব্যে ড. মজিবুর রহমান সংশ্লিষ্ট সবাইকে সেমিনার সফলভাবে আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ জানান।

তিনি সচিবের বিজ্ঞানমনস্কতার প্রশংসা করে বিভিন্ন সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য সহযোগিতা কামনা করেন। বিশেষভাবে হাই পাওয়ার রিসার্চ রিএক্টর স্থাপন, জনবল বৃদ্ধি এবং তেজস্ক্রিয় কাঁচামাল আমদানি সংক্রান্ত জটিলতা নিরসণের জন্য মন্ত্রণালয়ের সুদৃষ্টি ও সমর্থনের আবেদন জানান।

সচিব মো. আনোয়ার হোসেন তার বক্তব্যে ক্রমবর্ধমান ক্যান্সার রোগের বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি কমিশনের গবেষণা ও সেবামূলক কাজের পরিধি বৃদ্ধির আহ্বান জানান। সচিব মন্ত্রণালয়ের ইতিবাচক মনোভাব তুলে ধরে সীমাবদ্ধতা দূরীকরণের জন্য সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রস্তুতির গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

সেমিনারের মূল অংশে বাংলাদেশে পরমাণু চিকিৎসার ইতিহাস, বর্তমান রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা পদ্ধতি, রেডিও আইসোটোপের ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে মোট চারটি বৈজ্ঞানিক প্রবন্ধ উপস্থাপন করা হয়। সবশেষে বিশেষজ্ঞ প্যানেলিস্টদের অংশগ্রহণে একটি প্রাণবন্ত মুক্ত আলোচনার মাধ্যমে সেমিনার সমাপ্ত হয়।

নির্বাচন কীভাবে হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক নেতাদের প্রধান উপদেষ্টার আহ্বান

রাজনৈতিক নেতাদের আহ্বান জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, ঐকমত্যের ভিত্তিতে আমরা যেভাবে জুলাই জাতীয় সনদ করলাম, তেমনি আপনারা রাজনৈতিক নেতারা বসে ঐকমত্যের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নিন, কীভাবে নির্বাচন করবেন। যেমন-তেমন করে নির্বাচন করলে তো আবার পুরোনো জায়গায় ফিরে যাব। এত কিছু করে তাহলে লাভটা কী হলো?

শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

ড. ইউনূস বলেন, ‘আজ আমরা যে ঐক্যের সুর বাজিয়েছি, সেই ঐক্যের সুর নিয়েই নির্বাচনের দিকে যেতে চাই। ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন হবে, সেই নির্বাচনে এই ঐক্য যেন বজায় থাকে।’

ড. ইউনূস বলেন, এই সনদের মাধ্যমে আমরা আরেকটা বড় কাজ করলাম। আমরা বর্বরতা থেকে সভ্যতায় এলাম। আমরা এক বর্বর জগতে ছিলাম, যেখানে আইন-কানুন ছিল না। মানুষের যা ইচ্ছা তা করতে পারত। এখন আমরা সভ্যতায় এলাম এবং এমন সভ্যতা আমরা গড়ে তুলব, মানুষ বিস্ময় চোখে আমাদের দেখবে। কাজেই সেটা এখন আমাদের পরবর্তী জীবন— এই সনদ-পরবর্তী জীবন আমরা কীভাবে গঠন করব, তার ওপর নির্ভর করবে।

তর্কবিতর্কের অবসান হবে জানিয়ে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত আমরা আমাদের যে সম্পদ আছে, যেটা আমরা ব্যবহার করতে পারিনি। আমি বারবার যেটার কথা উল্লেখ করি, এটা হলো বঙ্গোপসাগর। বঙ্গোপসাগর আমাদেরই অঞ্চল, আমাদেরই বাংলাদেশের অংশ। কোনো দিন আমরা খেয়াল করে দেখি নাই এই অংশে আমরা কী করি। এই অংশ অত্যন্ত সম্পদশালী অংশ। আমরা বলছি যে এটা আমরা পূর্ণ ব্যবহার করতে চাই, সম্পদকে আমরা এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। আমরা আর তর্কবিতর্কের মধ্যে থাকতে চাই না। সে জন্যই আজ সনদ হলো। এই সনদ তর্কবিতর্কের অবসান করবে। আমরা নিয়মমতো চলে যাব। আমরা এখন নিয়মমাফিক চলার জন্য তৈরি হয়েছি।

সমুদ্রবন্দরের সুবিধা নিয়ে ড. ইউনূস বলেন, আমি বারবার বলছি যে আমরা যদি সমুদ্রবন্দর করে দিই, তাহলে সারা দুনিয়ার জাহাজ আমাদের বন্দরে ভিড়তে বাধ্য হবে। আমাদের পণ্য সিঙ্গাপুরে খালাস করে দিয়ে চলে যেতে হবে না। অন্য দেশের পণ্য সিঙ্গাপুরে খালাস করে দিয়ে যেতে হবে না। আমার দুয়ার পর্যন্ত নিয়ে আসতে পারবে এবং অন্যান্য দেশের যারা সুযোগ দিতে পারবে না, তাদের পণ্য এখানে দেওয়া যাবে। আমাদের এখান থেকে তারা নিয়ে যাবে। কাজেই এটা একটা বিরাট সুযোগ।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আমাদের পরিকল্পনায় যদি আমরা মাতারবাড়ি, কক্সবাজার, মহেশখালী সবকিছু মিলিয়ে একযোগে বন্দর উন্নত করি, তাহলে পুরো এলাকা নতুন সিঙ্গাপুরে পরিণত হবে। এটা নির্ঘাত। এটার থেকে কেউ বাইরে যেতে পারবে না। সব দেশের মানুষ এখানে আসবে। আমরা আমাদের অর্থনীতির অংশ হিসেবে আঞ্চলিক অর্থনীতি গড়ে তুলতে পারি। আমরা নেপালে, ভুটানে, সেভেন সিস্টারসে তাদের সঙ্গে আর্থিক সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারি শুধু এই বন্দরের কারণে, এই যোগাযোগের কারণে। তারাও সমৃদ্ধ হবে, আমরাও সমৃদ্ধ হব। কাজেই এই সুযোগগুলো আছে, যদি আমরা পথমত ঠিকমতো চলতে পারি।

ল্যাবএইডের কর্ণধার সাকিফ শামীমকে নিয়ে ফিচার করলো ইউএসএ টুডে

বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা শিল্পের জন্য এক অনন্য ও গৌরবের মুহূর্ত নিয়ে এসেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম প্রভাবশালী প্রকাশনা ‘ইউএসএ টুডে’। এই বিশ্বখ্যাত দৈনিকের বিশেষ প্রতিবেদনে ফিচার্ড হয়েছেন ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল এন্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টারের দূরদর্শী ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও ল্যাবএইড গ্রুপের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব সাকিফ শামীম। ইউএসএ টুডে-র মত আন্তর্জাতিক পত্রিকায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্যখাতকে তুলে ধরা নিঃসন্দেহে দেশের জন্য বিশাল সম্মান এবং বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্যসেবা মানচিত্রে বাংলাদেশকে এক উদীয়মান কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

ইউএসএ টুডে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম বৃহৎ ও সবচেয়ে বেশি প্রচারিত দৈনিক সংবাদপত্র। এর গতিশীল নকশা, সংক্ষিপ্ত, সুস্পষ্ট প্রতিবেদন এবং জনপ্রিয় সংস্কৃতি বিষয়ক গল্প অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে এটি বিশ্বজুড়ে অনেক সংবাদপত্রের শৈলীকে প্রভাবিত করেছে। বিশ্বজুড়ে লক্ষ লক্ষ পাঠকের কাছে পৌঁছানো এই প্রকাশনায় সাকিফ শামীমের সাক্ষাৎকার ও ল্যাবএইডের কার্যক্রম তুলে ধরায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্যপ্রযুক্তি এবং চিকিৎসা সক্ষমতা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত হলো।

সাকিফ শামীম বর্তমানে ল্যাবএইড গ্রুপের নেতৃত্ব দিচ্ছেন, যা তাঁর বাবার হাতে ১৯৮৪ সালে যাত্রা শুরু করেছিল। এটি এখন ছয়টি বিশেষায়িত হাসপাতাল, ৪৫টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার, একটি মেডিকেল কলেজ, ফার্মাসিউটিক্যালস, রিয়েল এস্টেট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ ১২,০০০-এরও বেশি কর্মচারী নিয়ে দেশের বৃহত্তম স্বাস্থ্যসেবা গ্রুপে পরিণত হয়েছে। তাঁর নেতৃত্বে ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল এন্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টার বর্তমানে দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় ও এশিয়ার সেরা হাসপাতালগুলোর মধ্যে গণ্য হচ্ছে, যা রোগ নির্ণয় থেকে শুরু করে সমন্বিত ক্যান্সার পরিচর্যা প্রদান করছে।

সাকিফ শামীমের নেতৃত্ব স্বাস্থ্যসেবায় প্রযুক্তিনির্ভর বিপ্লব ঘটিয়েছে। তিনি লাইফপ্লাস বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছেন, যা তিন লাখেরও বেশি সক্রিয় ব্যবহারকারী নিয়ে দেশের বৃহত্তম হেলথটেক কোম্পানিগুলোর একটি। পাশাপাশি, তিনি Labaid GPT নামে একটি জেনারেটিভ এআই প্ল্যাটফর্ম চালু করেছেন, যা ডাক্তার ও রোগীদের জন্য সেকেন্ড অপিনিয়ন প্রদানের লক্ষ্যে তৈরি এবং এটি ল্যাবএইডের বহু বছরের সংরক্ষিত ডেটা দ্বারা চালিত। তাঁর দূরদর্শী উদ্যোগে, ল্যাবএইড গ্রুপ ভার্চু-কেয়ার এআই (Virtuecare AI)-এর মাধ্যমে অগমেন্টেড রিয়্যালিটি (AR) এবং ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি (VR) প্রযুক্তির ব্যবহারও শুরু করেছে, যার লক্ষ্য দক্ষিণ এশিয়া, আফ্রিকা এবং অনুরূপ অঞ্চলের মানুষের জন্য উন্নত প্রযুক্তি সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য করে তোলা।

ল্যাবএইড গ্রুপের সম্প্রসারণ কৌশল সুদূরপ্রসারী; তারা ঢাকায় ২৫০ মিলিয়ন ডলারের (আনুমানিক ২০০০ কোটি টাকা) একটি ৭৫০ শয্যার সুপার-স্পেশালিটি হাসপাতাল তৈরির পরিকল্পনা করেছে এবং আগামী ৫ থেকে ৭ বছরের মধ্যে দেশজুড়ে ৩০টি ক্যান্সার সেন্টার স্থাপনের পরিকল্পনা নিয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে উদ্ভাবন ও বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ানোর লক্ষ্যে ল্যাবএইড বাংলাদেশ ছাড়াও সিঙ্গাপুর এবং হংকংয়ে পাবলিক হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতাল এবং হার্ভার্ড মেডিক্যাল স্কুলের মত বৈশ্বিক সংস্থাগুলোর সাথেও তাদের কোশলগত অংশীদারিত্ব রয়েছে।

সাকিফ শামীম বলেন, ল্যাবএইড শুধু একটি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নয়—এটি রূপান্তরের একটি মঞ্চ। সাকিফ শামীমের চূড়ান্ত লক্ষ্য হলো বাংলাদেশে চিকিৎসা খাতে আমূল পরিবর্তন নিয়ে আসা। তিনি বিশ্বাস করেন, সঠিক অবকাঠামো এবং অংশীদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশীদের আর চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখী হতে হবে না, বরং বাংলাদেশ পার্শ্ববর্তী দেশগুলো থেকে রোগীদের আকৃষ্ট করতে পারবে। তাঁর উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা হলো আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ল্যাবএইড গ্রুপকে $১০ বিলিয়ন কর্পোরেশনে রূপান্তরিত করা, যার মাধ্যমে তিন থেকে চার বছরের মধ্যে বছরে প্রায় ৭-৮ মিলিয়ন মানুষের কাছে বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়া যাবে। সাকিফ শামীমের মতে, বিশ্বমানের স্বাস্থ্যসেবা একটি বিলাসিতা নয়, বরং প্রতিটি মানুষের অধিকার।

জানুন কখন, কীভাবে, কোন ফল খাবেন!

ফল শরীরের অন্যতম প্রাকৃতিক পুষ্টির উৎস। এতে থাকে ভিটামিন, মিনারেলস, কার্বোহাইড্রেট ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট— যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ত্বকের যত্নে সাহায্য করে এবং হজমের সমস্যাও কমায়। তবে সব কিছুরই যেমন নিয়ম আছে, ফল খাওয়ারও আছে সঠিক সময় ও উপায়। তা না মানলে উপকারের বদলে হতে পারে উল্টো ক্ষতি।

কখন এবং কীভাবে ফল খাবেন

বিশেষজ্ঞদের মতে, ফল একটি সম্পূর্ণ খাবার। তাই এটি মূল খাবারের সঙ্গে খাওয়া ঠিক নয়।
খাবার খাওয়ার কমপক্ষে আধ ঘণ্টা আগে বা এক ঘণ্টা পরে ফল খাওয়া সবচেয়ে ভালো।
খাবারের সঙ্গে ফল খেলে এতে থাকা শর্করা ও কার্বোহাইড্রেট একত্রে হজমে সমস্যা তৈরি করতে পারে।

দিনের কোন সময় ফল খাওয়া সবচেয়ে উপকারী

ফল খাওয়ার আদর্শ সময় হলো সকাল।
ঘুম থেকে উঠে মুখ ধুয়ে, পানি খাওয়ার কিছুক্ষণ পর ফল খেলে এটি সহজে হজম হয়। এসময় ফলে থাকা গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন ও এনজাইম শরীরে ভালোভাবে কাজ করে।

এছাড়া সকাল ও দুপুরের মাঝামাঝি সময়ে যখন হালকা ক্ষুধা লাগে, তখন ফল খাওয়া খুব উপকারী। এই সময় ফলের সঙ্গে সামান্য বাদাম বা দানাশস্য নিলে তা হালকা নাশতা হিসেবেও চমৎকার।

শরীরচর্চা করার আগে বা পরে ফল খাওয়াও উপকারী, কারণ এতে থাকা প্রাকৃতিক চিনি দ্রুত শক্তি যোগায়।

কোন ফল কখন খাবেন

রাতে প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খেলে পরদিন সকালে পেঁপে খান। এতে থাকা পাপাইন এনজাইম প্রোটিন হজমে সাহায্য করে।

বেশি লবণ খেলে পরদিন সকালে তরমুজ খান— এটি শরীরের সোডিয়াম ভারসাম্য ঠিক রাখে।

বেশি কার্বোহাইড্রেট খাওয়ার পরদিন সকালে আপেল খেলে শরীর হালকা থাকে ও ফোলাভাব কমে।

কখন ফল খাওয়া ক্ষতিকর

ঘুমানোর আগে ফল খাওয়া রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

মূল খাবারের সঙ্গে ফল খাওয়া হজমে সমস্যা তৈরি করে।

বিকেলে চা বা নাশতার সঙ্গে ফল খাওয়া অনেক সময় বিষক্রিয়ার কারণ হতে পারে।

যেসব ফল একসঙ্গে খাওয়া বিপজ্জনক

কমলালেবু ও গাজর একসঙ্গে খাওয়া গ্যাস ও কিডনির সমস্যা বাড়াতে পারে।

আঙুর ও খেজুর একসঙ্গে খেলে অম্বল হয়।

পেয়ারা ও কলা একসঙ্গে খেলে গ্যাস, বদহজম, মাথা ঘোরা হতে পারে।

পেঁপে ও লেবু একসঙ্গে খেলে রক্তাল্পতা ও হিমোগ্লোবিন ভারসাম্য নষ্ট হয়।

টক ফল (যেমন আঙুর, আপেল) ও মিষ্টি ফল (যেমন কলা, কিশমিশ) একসঙ্গে খাওয়া ঠিক নয়।

তরমুজের সঙ্গে অন্য ফল খেলে হজমে ব্যাঘাত ঘটে।

ফল খাওয়ার অভ্যাস শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী, তবে সময়, পরিমাণ ও সঠিক সমন্বয় জানা জরুরি।
ঠিক সময়ে ও সঠিকভাবে ফল খেলে শরীর পায় প্রয়োজনীয় পুষ্টি, বাড়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা, কমে ক্লান্তি ও হজমজনিত সমস্যা।
পুষ্টিবিদদের মতে, “খালি পেটে পানি, ভরা পেটে ফল”— এই ধারণা বদলে সময় মেনে ফল খাওয়ার অভ্যাসই রাখবে আপনাকে আরও সুস্থ ও সতেজ।

বাংলাদেশে আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মোচিত হলো ‘এআই পার্টি ফোন’ রিয়েলমি ১৫ সিরিজ

বাংলাদেশে বহুল প্রতীক্ষিত রিয়েলমি ১৫ সিরিজ উন্মোচনের ঘোষণা দিয়েছে তরুণদের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি। বাজারের সবধরনের সেগমেন্টের প্রয়োজন মেটাতে সিরিজটিতে থাকছে তিনটি মডেল – রিয়েলমি ১৫ ফাইভজি, রিয়েলমি ১৫ প্রো ফাইভজি ও রিয়েলমি ১৫টি ফাইভজি। আগামী প্রজন্মের ডিজিটাল ক্রিয়েটর ও এআই-প্রেমিদের জন্য ডিজাইন করা এই ডিভাইসটিতে সর্বাধুনিক পারফরম্যান্স, উদ্ভাবনী এআই ফিচার ও সর্বাধুনিক ক্যামেরা রয়েছে, যা মোবাইল ব্যবহারের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

ক্রেতারা তাদের পছন্দের মডেল ১২-১৫ অক্টোবর পর্যন্ত প্রি-বুক করতে পারবেন। প্রি-অর্ডার করা ক্রেতাদের জন্য থাকছে এক্সক্লুসিভ গিফট বক্স, রিয়েলমি বাডস টি২০০ লাইট, এক্সক্লুসিভ গোল্ড সার্ভিস কার্ড, রিয়েলমি এক্সক্লুসিভ ওয়াটার বোতল ও কার্ড ছাড়াই ইজি টপপে ক্যাশ ইএমআই সুবিধা। প্রি-অর্ডারের এই অফারটি সীমিত সময়ের জন্য প্রযোজ্য এবং এক্ষেত্রে নির্ধারিত শর্তাবলী প্রযোজ্য হবে। বিশেষভাবে, প্রথম সেল পিরিয়ডে রিয়েলমি ১৫ প্রো ফাইভজি বা ১৫ ফাইভজি প্রি-অর্ডারের ক্রেতাদের জন্য এক্সক্লুসিভ গিফট বক্স থাকছে।

রিয়েলমি ১৫ সিরিজে রয়েছে একদম নতুন এআই এডিট জিনি ও এআই-সক্ষম ট্রিপল ক্যামেরা সেটআপের মতো অনন্য ফিচার। বেস ১৫ মডেলে আলট্রা-স্মুথ ভিজ্যুয়াল অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে ১৪৪ হার্জ রিফ্রেশ রেট সহ ৬.৭৭ ইঞ্চির অ্যামোলেড ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যবহারকারীদের ৪কে ভিডিও, প্রাণবন্ত পোর্ট্রেইট ও ঝকঝকে ছবি অনায়াসে তোলার সুযোগ করে দিবে। আরও বেশি প্রিমিয়াম ফিল দিতে রিয়েলমি ১৫ প্রো ফাইভজিতে ৬.৮ ইঞ্চির ১৪৪ হার্জ হাইপারগ্লো ৪ডি কার্ভ+ ডিসপ্লে ব্যবহার করা হয়েছে। ফ্রন্ট ও রেয়ার দুইটি ক্যামেরাতেই ৬০ এফপিএস (ফ্রেম পার সেকেন্ড) ৪কে ভিডিও রেকর্ডিং করার সুবিধা রয়েছে, যা ক্রিয়েটর ও ভ্লগারদের জন্য সিনেমাটিক মানের ভিজ্যুয়াল নিশ্চিত করবে। এছাড়াও, ১৫ সিরিজে আইপি৬৯ রেটিং ব্যবহার করা হয়েছে, যা পানি ও ধুলাবালি প্রতিরোধে এই খাতের সর্বোচ্চ মানদণ্ড। একইসাথে, ১৫ প্রো ডিভাইসটিকে আরও বেশি ডিউরেবল করে তুলতে এতে কর্নিং গরিলা গ্লাস স্ক্রিন প্রোটেকটর ব্যবহার করা হয়েছে।

রিয়েলমি ১৫ প্রো’তে শক্তিশালী স্ন্যাপড্রাগন ৭ জেন ৪ চিপসেট ব্যবহার করা হয়েছে, যেখানে রিয়েলমি ১৫-তে ডাইমেনসিটি ৭৩০০+ ফাইভজি চিপসেট রয়েছে; যা সর্বোচ্চ পারফরম্যান্স ও একইসাথে, ব্যবহারকারীদের জন্য সমৃদ্ধ ও নিরবচ্ছিন্ন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করবে। ডিভাইসগুলোতে ৭০০০ বর্গমিলিমিটার ভিসি কুলিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে, যা হেভি গেমিং ও মাল্টিটাস্কিংয়ের সময়েও তাপনিঃসরণকে কার্যকর রাখে। ব্যবহারকারীদের জন্য আরও বেশি সাশ্রয় নিশ্চিত করতে রিয়েলমি ১৫টি ডিভাইসে ডাইমেনসিটি ৬৪০০ ম্যাক্স ফাইভজি চিপসেট ব্যবহার করা হয়েছে।

৭০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার টাইটান ব্যাটারি, ৮০ ওয়াট সুপার-ফাস্ট চার্জিং ও স্লিক-এরগোনমিক ডিজাইন সহ আসা রিয়েলমি ১৫ ফাইভজি ও ১৫ প্রো ফাইভজি ডিভাইস নিরবচ্ছিন্ন পারফরম্যান্স, দীর্ঘস্থায়ী কর্মক্ষমতা ও অনবদ্য বিনোদন নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি, ১৫টি ফাইভজিতে ৭০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার টাইটান ব্যাটারি ও ৬০ ওয়াট ফাস্ট চার্জিং সুবিধা রয়েছে।

বেশকিছু অনন্য কালার ভ্যারিয়েন্টে এসেছে রিয়েলমি ১৫ প্রো ফাইভজি, রিয়েলমি ১৫ ফাইভজি ও রিয়েলমি ১৫টি ফাইভজি। ফ্লোয়িং সিলভার ও ভেলভেট গ্রিনের মতো দুইটি অনন্য রঙে পাওয়া যাবে ১৫ প্রো, যেখানে ভেলভেট গ্রিন ভ্যারিয়েন্টটি লেদার ব্যাকে পাওয়া যাবে। সিল্ক পিঙ্ক ও স্যুট টাইটানিয়াম, এই দুইটি কালার ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাবে রিয়েলমি ১৫। স্যুট টাইটানিয়াম ও ফ্লোয়িং সিলভারের মতো আরও দুইটি অনন্য রঙে পাওয়া যাবে রিয়েলমি ১৫টি। রিয়েলমি ১৫ প্রো ফাইভজির (১২ জিবি/২৫৬ জিবি) দাম ধরা হয়েছে মাত্র ৫৯,৯৯৯ টাকা, রিয়েলমি ১৫ ফাইভজির (১২ জিবি/২৫৬ জিবি) মাত্র ৪৪,৯৯৯ টাকা ও রিয়েলমি ১৫টি ফাইভজির (৮ জিবি/২৫৬ জিবি) মাত্র ৩২,৯৯৯ টাকা। এআই-সক্ষম মোবাইল ফটোগ্রাফি ও পারফরম্যান্সের নতুন যুগে প্রবেশ করতে এখনই প্রি-অর্ডার করুন রিয়েলমি ১৫ সিরিজ।