Home Blog Page 298

নতুন শুরুর লড়াইয়ে বাংলাদেশ

এশিয়া কাপের মঞ্চে ফাইনালের কাছাকাছি গিয়েও শেষ পর্যন্ত স্বপ্ন অপূর্ণ থেকে গেছে বাংলাদেশের। সেই হতাশা ভুলে এবার টাইগাররা নামছে নতুন মিশনে। আজ থেকে শুরু হচ্ছে আফগানিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। একদিকে রশিদ খানদের ঘূর্ণি চ্যালেঞ্জ, অন্যদিকে নিজেদের ব্যাটিং ব্যর্থতা কাটিয়ে ওঠার চাপ। এই সিরিজটাই হতে পারে বাংলাদেশের জন্য নতুন পথচলার সূচনা। এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ছিল ব্যাটিং ইউনিট। টপঅর্ডার থেকে মিডল অর্ডার- কোনো স্তরেই আসেনি ধারাবাহিক রান। পারভেজ হোসেন ইমন চার ম্যাচে করেছেন মাত্র ৪০ রান, দুইবার শূন্য। তানজিদ হাসান তামিম পাঁচ ম্যাচে ৬৭ রানের বেশি করতে পারেননি। এর সঙ্গে অধিনায়ক লিটন দাসের চোট দলকে করেছে আরও দুর্বল।
সিরিজ শুরুর আগে সংবাদ সম্মেলনে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক জাকের আলী জানালেন, এবার মূল লক্ষ্য ব্যাটিংকে মজবুত করা, ‘চ্যালেঞ্জ হলো নির্দিষ্ট দিনে দল হিসেবে ভালো খেলা। এশিয়া কাপে ব্যাটিংয়ের কারণে আমাদের ভুগতে হয়েছে। তাই এবার ব্যাটিং ইউনিটেই সর্বাধিক মনোযোগ থাকবে।’

টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানের আসল শক্তি তাদের স্পিন আক্রমণ। বিশ্বসেরা লেগ স্পিনার রশিদ খানের সঙ্গে আছেন তরুণ প্রতিভা নূর আহমেদ ও রহস্যময় স্পিনার মোহাম্মদ গাজানফর। যেকোনো উইকেটে তাদের সামলানো কঠিন। এশিয়া কাপে হোঁচট খাওয়া বাংলাদেশি ব্যাটারদের জন্য তাই এটা হতে যাচ্ছে সত্যিকারের পরীক্ষা।

ব্যাটিং বিপর্যয়ের ভিড়েও যে কজন আশা দেখিয়েছেন, তাদের মধ্যে সাইফ হাসান অন্যতম। এশিয়া কাপে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছেন তিনি। জাকেরও ভরসা রাখছেন তার ওপর, ‘সাইফ খুব ভালো করছে। চাইব এই সিরিজেও ও বড় রান করুক। অন্যরাও ভালো করলে সিরিজ আমাদের পক্ষে যাবে।’

লিটনের অনুপস্থিতিতে ওপেনিংয়ে বাড়তি দায়িত্ব নিতে হবে নতুন করে দলে ফেরা সৌম্য সরকারকে। যদিও ভিসা জটিলতার কারণে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতে পৌঁছাতে পারেননি তিনি। তবে আশা করা হচ্ছেÑপ্রথম ম্যাচ থেকেই দলের সঙ্গে থাকবেন। সৌম্য যোগ হলে অভিজ্ঞতা ও আক্রমণাত্মক মানসিকতা দুটিই বাড়বে দলে। বাংলাদেশের জন্য এই সিরিজ শুধু জয়-পরাজয়ের নয় বরং আত্মবিশ্বাস ফেরানোর লড়াই। স্পিনে শক্তিশালী আফগানিস্তানের বিপক্ষে ভালো ব্যাটিং করলে সেটা হবে বড় বার্তা। আর বোলিং বিভাগেও মোস্তাফিজ-তাসকিনদের কাছ থেকে প্রত্যাশা থাকবে ধারাবাহিক সফলতার।

বাংলাদেশ দলের সমর্থকরা তাই তাকিয়ে আছে আজকের ম্যাচের দিকে। এশিয়া কাপের ব্যর্থতার ছায়া কাটিয়ে কি নতুন আলো খুঁজে পাবে টাইগাররা? নাকি আবারও ঘূর্ণির ফাঁদে হার মানতে হবে? উত্তর মিলবে শারজায়

ঝুঁকিতে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার

বাংলাদেশের অর্থনীতিতে এক বছর ধরে গতি মন্থরতা চলেছে, এরপরে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে এসে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার নতুন মার্কিন শুল্ক, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, উচ্চ নির্বাচনকালীন ব্যয়, সংকটগ্রস্ত দুর্বল ব্যাংকগুলোকে দেওয়া তারল্য সহায়তা এবং ব্যাংকখাতের অব্যাহত দুর্বলতার কারণে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট আউটলুক (এডিও) প্রতিবেদনে এসব উদ্বেগ তুলে ধরা হয়েছে।
একইসঙ্গে এডিবি বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস কিছুটা কমালেও প্রবৃদ্ধি ৫ শতাংশ হবে বলে ধারণা করছে, যা গত এপ্রিলের ৫.১ শতাংশ অনুমানের চেয়ে সামান্য কম। এরপরও এটি গত তিন বছরের মধ্যে দ্রুততম প্রবৃদ্ধি হবে। এর আগে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের জন্য মাত্র ৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধির প্রাক্কলন করেছিল এডিবি।
এডিবি সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক এবং সম্ভাব্য ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা রফতানির প্রবৃদ্ধিকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে। একই সঙ্গে ব্যবস্থাপিত ভাসমান বিনিময় হার নীতির দুর্বল বাস্তবায়ন বহিঃখাতের ভারসাম্যহীনতা আরও বাড়াতে পারে।
বাংলাদেশে এডিবির কান্ট্রি ডিরেক্টর হো ইউং জং বলেন, ভবিষ্যৎ প্রবৃদ্ধি নির্ভর করবে ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়নের মাধ্যমে প্রতিযোগিতা বাড়ানো ও বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার উপর।
মুদ্রাস্ফীতি কমলেও ঝুঁকি রয়ে গেছে : এডিবি তাদের প্রতিবেদন বলছে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে গড় মুদ্রাস্ফীতি চার বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন ৮ শতাংশে নামবে, যার এর আগের বছরের প্রায় ১০ শতাংশের থেকে কম। তবে এ উন্নতি আংশিক স্বস্তিই দিতে পারবে।
তবে ম্যানিলা-ভিত্তিক এ ঋণদাতা প্রতিষ্ঠান সতর্ক করেছে, সাম্প্রতিক সময়ের কঠোর মুদ্রানীতি সত্ত্বেও, উচ্চ নির্বাচনকালীন ব্যয় এবং দুর্বল ব্যাংকগুলোকে তারল্য সহায়তা- মূল্যস্ফীতি ও বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে চাপ বাড়াতে পারে এবং গভর্ন্যান্সের সংস্কার দুর্বল করতে পারে।
প্রতিবেদন আরও বলা হয়, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নির্ধারিত জাতীয় নির্বাচন এবং আর্থিক খাতে চলমান সংস্কারের কারণে স্বচ্ছতা, দক্ষতা ও স্থিতিশীলতা বৃদ্ধির মধ্য দিয়ে বিনিয়োগকারীর আস্থা বাড়তে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিতে ২০ শতাংশ শুল্ক : প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন শুল্ক কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের গড় শুল্কহার ১৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ৩৫ শতাংশে পৌঁছাবে। পোশাক খাতে শুল্ক ১৬.৮ শতাংশ থেকে বেড়ে দাঁড়াবে ৩৬.৮ শতাংশে, আর কিছু পণ্যে- যেমন কৃত্রিম ফাইবার সোয়েটার- শুল্ক হবে ৫২ শতাংশ। এর প্রভাব পড়বে বিশেষ করে, পোশাকখাতে কর্মসংস্থান হওয়া বিপুলসংখ্যক নারী শ্রমিকের ওপর।
যদিও এই শুল্ক ভারত বা চীনের ওপর আরোপিত শুল্কের চেয়ে তুলনামূলক কম, তবুও এগুলো যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের পণ্যের চাহিদা ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে বলে এডিবি উল্লেখ করেছে।
উন্নয়ন সহযোগীটির প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের রপ্তানিকারকদের ইউরোপীয় ইউনিয়ন বাজারেও বাড়তি প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হবে, যেখানে হয় দাম কমাতে হবে, নয়তো বাজার হারানোর ঝুঁকি নিতে হবে।
এ ঝুঁকি সামাল দিতে এডিবি সুপারিশ করেছে, বাংলাদেশকে রপ্তানি বাজার বৈচিত্র্যময় করতে হবে, নতুন বাণিজ্য চুক্তির পথ খুঁজতে হবে এবং প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে পদক্ষেপ নিতে হবে।
এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রবৃদ্ধি শ্লথ হওয়ার পূর্বাভাস : এডিবি বলছে, নতুন বৈশ্বিক বাণিজ্য পরিবেশ- যা মার্কিন শুল্ক ও সাম্প্রতিক সময়ের বিভিন্ন বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে গঠিত হচ্ছে- তার প্রভাবে উন্নয়নশীল এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রবৃদ্ধি ধীর হবে।
২০২৫ সালে অঞ্চলের প্রবৃদ্ধি হবে ৪.৮ শতাংশ এবং ২০২৬ সালে ৪.৫ শতাংশ, যা গত এপ্রিলে দেওয়া ৪.৯ শতাংশ ও ৪.৭ শতাংশ পূর্বাভাসের চেয়ে কম। মার্কিন শুল্ক বৃদ্ধির পাশাপাশি অনিশ্চিত বাণিজ্য পরিবেশ এ অঞ্চলের প্রবৃদ্ধির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
অত্র অঞ্চলে মূল্যস্ফীতি চলতি বছরে খাদ্য ও জ্বালানির কম দামের কারণে ১.৭ শতাংশে নেমে আসবে, তবে আগামী বছর খাদ্যদ্রব্যের দাম স্বাভাবিক হলে তা সামান্য বেড়ে ২.১ শতাংশে পৌঁছাতে পারে।
এডিবি আরও সতর্ক করেছে, বাণিজ্য ঝুঁকি এই অঞ্চলের প্রবৃদ্ধির প্রধান হুমকি। যুক্তরাষ্ট্র-চীনের বিদ্যমান উত্তেজনা, সেমিকন্ডাক্টর ও ওষুধে খাতভিত্তিক শুল্ক এবং ভবিষ্যৎ শুল্ক বৃদ্ধি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের দেশগুলোর অর্থনীতিকে প্রভাবিত করতে পারে।

চুক্তি অনুযায়ী শ্রমিকদের বকেয়া পরিশোধ করবে নাসা গ্রুপ

ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা চুক্তি অনুযায়ী নাসা গ্রুপের কারখানাগুলোর শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা নাসা গ্রুপ পরিশোধ করবে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মো. সানোয়ার জাহান ভুঁইয়া।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে নাসা গ্রুপের অসন্তোষ নিরসনের লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সকলের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক সভায় তিনি এ কথা জানান।
সভায় বিজিএমইএ, বিকেএমইএ, শ্রমিক, মালিক, বিভিন্ন ব্যাংক এবং নাসা গ্রুপের প্রতিনিধিরা উপস্থিতি ছিলেন।
সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় যে, নাসা গ্রুপ কর্তৃপক্ষ তাদের শ্রমিক কর্মচারীদের বকেয়া বেতন ও অন্যান্য পাওনা পরিশোধে ফান্ড সংগ্রহ করে অতি দ্রুত পাওনা পরিশোধের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং সকল শ্রমিকদের পাওনাদি অনলাইনে (বিকাশ, নগদ, রকেট ও ডাচ-বাংলা ব্যাংকিং ইত্যাদি) পরিশোধ করতে হবে। যে সকল শ্রমিকদের উল্লিখিত অ্যাকাউন্ট নেই, তাদের নামের বিস্তারিত তালিকা করে আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যে অ্যাকাউন্ট করার ব্যবস্থা করতে হবে। শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধে সমঝোতা চুক্তি অঙ্গীকার মোতাবেক নাসা গ্রুপ শ্রমিকদের উদ্দেশ্যে একটি ভিডিও বার্তা প্রচার করবে।
শ্রমিকদের বকেয়া পাওনা পরিশোধে অর্থের সংস্থানের বিষয়ে বৈঠকে বলা হয়, এক্সিম ব্যাংকে নাসা গ্রুপের জমাকৃত প্রায় ২৪ (চব্বিশ) কোটি টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সঙ্গে আলোচনা করে টাকা ছাড়করণের ব্যবস্থা নিতে হবে; ইসলামী ব্যাংকের লোকাল অফিস শাখায় নাসা গ্রুপের ক্যাশ ইনসেনটিভ বাবদ ২ কোটি ১৮ লাখ ৪১ হাজার ৮৪০ টাকা বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ছাড়করণ করতে হবে; সাউথ বাংলা অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংকে রক্ষিত নাসা গ্রুপের রফতানি বিল থেকে প্রাপ্ত ৪ কোটি ২৬ লাখ ৫৫ হাজার ৫০৭ টাকা হতে ১% ডাউন পেমেন্ট কর্তনপূর্বক অবশিষ্ট সমুদয় টাকা ছাড়করণের ব্যবস্থা গ্রহণ করে নাসা গ্রুপ কর্তৃপক্ষকে শ্রমিকের পাওনা পরিশোধ করতে হবে।
এ ছাড়া, সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক নাসা গ্রুপ কর্তৃপক্ষকে নাসা গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. নজরুল ইসলাম মজুমদার (কারান্তরীণ) এর কাছ থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি সইয়ের সময় জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট/এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
উল্লেখ্য, নাসা গ্রুপের বিদ্যমান সমস্যা নিরসনের লক্ষ্যে শ্রমিক, মালিক ও সরকারের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধির সমন্বয়ে গত ২৩ সেপ্টেম্বর একটি ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা চুক্তি সই করা হয়।

গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপি একীভূত হচ্ছে না!

গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপির একীভূত হওয়ার সুযোগ নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে প্রতীক ইস্যুতে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী জানান, এনসিপিতে যোগ দিতে হলে সদস্য ফরম পূরণ করতে হবে। এছাড়া, নির্বাচনেও এনসিপির হয়েই দাঁড়াতে হবে।
তিনি বলেন, শাপলা পেতে কোনো আইনি বাঁধা দেখছি না। এখানে ইসি স্বৈরাচারী ও বৈষম্যমূলক আচরণ করেছে। প্রতীক প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। ব্যাখ্যা দিয়েই কমিশনকে যেতে হবে। এ সময় দলটির চিঠির সমাধান না করে কমিশন থেকে চিঠি পাঠানোকে অসাংবিধানিক বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, বিএনপির অনেক নেতা ভারতের পক্ষে কথা বলছে। সেনাবাহিনী, বিএনপি, জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগ একপক্ষ। বিএনপিকে জনগণের কাতারে আসা উচিত।

বিশ্বের যেখানেই থাকুন, ভোট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে’

প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন গত মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বলেছেন, বিশ্বের যেখানেই থাকুন না কেন, আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় প্রবাসীরা এবার ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন। রাতে ইসির অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে এক ভিডিও বার্তায় এসব কথা বলেন তিনি।
সিইসি বলেন, প্রথমবারের মত প্রবাসে বসবাসরত বাংলাদেশিদের ভোট প্রদানের সুযোগকে আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় অনেক সহজ ও কার্যকর করা হচ্ছে। এটি আমাদের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার এক ঐতিহাসিক মাইলফলক। প্রবাস থেকে ভোট দিতে হলে আপনাকে অবশ্যই আউট অব কান্ট্রি ভোটিং এ রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এ লক্ষ্যে খুব শিগগির আমরা ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ নামের একটা মোবাইল অ্যাপ চালু করবো। আপনাকে আপনার মোবাইল ফোনে এই অ্যাপটি ডাউনলোড করতে হবে। ডাউনলোড করার পরে ওখানে একটা ইন্সট্রাকশনাল ভিডিও থাকবে যেখানে আপনার প্রতিটি স্টেপে আপনার ইন্সট্রাকশন পাবেন। কি করতে হবে এ বিষয়ে আপনি জানতে পারবেন।
তিনি জানান, ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপসে আপনার রেজিস্ট্রেশনের সময় আপনাকে আপনার প্রয়োজন হবে এনআইডি কার্ড আপনার পাসপোর্ট ডিটেইলস লাগবে এবং প্রবাসে আপনার ঠিকানাটা দিতে হবে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার আরও বলেন, অ্যাপসের মাধ্যমে ফেস আইডেন্টিফিকেশন করতে হবে, লাইভনেস ডিটেকশন সম্পন্ন করতে হবে। এই কাজটি করার পরে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হলে প্রবাসের ঠিকানায় ব্যালট পেপার পৌঁছে যাবে।
ভোট কিভাবে প্রদান করতে হবে এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আপনি ভোট দেওয়ার পরে শুধু খামটি পোস্ট অফিসে পোস্ট করবেন। এটা যথাযথ স্থানে আমাদের প্রদত্ত ঠিকানায় পৌঁছে যাবে। আপনি যদি বাংলাদেশি হয়ে থাকেন এবং প্রবাসী হয়ে থাকেন এবং ভোট দিতে আগ্রহী হন তাহলে অবশ্যই আপনাকে রেজিস্ট্রেশনের সুযোগটা নিতে হবে। আমরা আশা করবো আমাদের সব প্রবাসী ভাইবোন এই সুযোগটা কাজে লাগাবেন।
সিইসি আরও বলেন, ভোট সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পোস্টাল বিডি অ্যাপে পাবেন ইন্স্ট্রাকশনাল ভিডিওতে আমাদের অ্যাম্বাসি বা দূতাবাসগুলোতে পাওয়া যাবে। আমাদের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। আমাদের সরকারি গণমাধ্যমের মাধ্যমেও আপনারা এই তথ্যগুলো পাবেন।
তিনি বলেন, একটা শিশু যখন যেমন প্রথম পদক্ষেপ নেয় এটা আমাদের প্রবাসী ভোটের জন্য এটা একটা প্রথম পদক্ষেপ, এটা একটা ঐতিহাসিক সূচনা। এই ঐতিহাসিক অভিযাত্রায় আমরা প্রবাসী ভাইদের সঙ্গে পেতে চাই এবং আমরা চাইবো আপনাদের সক্রিয় অংশগ্রহণে এটা আরও কার্যকরভাবে আমরা এটা বাস্তবায়ন করতে পারবো এবং আমরা বর্তমান মোবাইল প্রযুক্তি এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আপনাদের ভোটদানের ব্যবস্থাকে আমরা অনেক সহজলভ্য এবং সহজতর করার উদ্যোগ নিয়েছি। এই প্রথমবারের মত নির্বাচন কমিশন এই এই লক্ষ্যে পদক্ষেপ নিচ্ছে। এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপে আমরা একসঙ্গে শামিল হই এবং অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনে সক্রিয় ভূমিকা রাখি। আসুন আমরা একসঙ্গে নিশ্চিত করি বিশ্বের যেখানেই থাকি না কেন সব বাংলাদেশের কণ্ঠস্বর যাতে শোনা যায়।

ইসরায়েলি আগ্রাসনে একদিনে আরও ৭৩ ফিলিস্তিনির প্রাণহানী

গাজায় ইসরাইলের অব্যাহত আগ্রাসনে একদিনে আরও ৭৩ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার (১ অক্টোবর) ভোর থেকে শুরু হওয়া ইসরাইলি হামলায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে। খবর কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার।
এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বুধবার গাজার জায়তুন এলাকা আল-ফালাহ স্কুলে দু’টি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানে। স্কুলটি কয়েকশ বাস্তুচ্যুত মানুষের জন্য আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছিল। ওই এলাকায় ইসরায়েল স্থল অভিযান সম্প্রসারণের পাশাপাশি ভয়াবহ বিমান হামলাও চালাচ্ছে।
ফিলিস্তিনি সিভিল ডিফেন্স সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছালে আরেকটি হামলায় অনেকে গুরুতর আহত হন। তাদের মধ্যে একজন পরে মারা যান।
গাজা সিটি থেকে আল জাজিরার সাংবাদিক ইব্রাহিম আল-খলিলি জানান, প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেছেন, সিভিল ডিফেন্স দল ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে মানুষ উদ্ধার করতে গেলে সরাসরি হামলা চালানো হয়, এতে তাদের অনেকে গুরুতরভাবে আহত হন।

রোহিঙ্গাদের জন্য আরও ৯৬ মিলিয়ন ডলার দেবে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য

জাতিসংঘের প্রথম উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলনে রোহিঙ্গাদের নতুন সাহায্য হিসেবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ৯৬ মিলিয়ন ডলারের প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছে।

পোস্টে তিনি লেখেন, মঙ্গলবার জাতিসংঘ সদর দপ্তরে রোহিঙ্গা বিষয়ে প্রথম উচ্চ পর্যায়ের সম্মেলনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্য ৯৬ মিলিয়ন ডলারের নতুন সাহায্যের প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ৬০ মিলিয়ন ডলার এবং যুক্তরাজ্য ৩৬ মিলিয়ন ডলার অনুদান ঘোষণা করে।

এর আগে মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত ‘মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি’ বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটের মূল উৎস মিয়ানমারে এবং সমাধানও সেখানে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মিয়ানমার ও আরাকান আর্মির ওপর কার্যকর চাপ সৃষ্টি করতে হবে, যাতে রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতন বন্ধ করে এবং তাদের দ্রুত রাখাইনে প্রত্যাবাসনের উদ্যোগ নেয়।

দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

যুক্তরাষ্ট্রে নয় দিনের সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকাল ৯টায় তাঁকে বহনকারী ফ্লাইট হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়।

নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার রাত ১১টায় (বাংলাদেশ সময় বুধবার সকাল) প্রধান উপদেষ্টা ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইনসের ফ্লাইট জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে আসে।

গত ২৬ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক ইউনূস জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে ভাষণ দেন। ৩০ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ‘মিয়ানমারের রোহিঙ্গা মুসলিম ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের পরিস্থিতি’ বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনের উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি বক্তব্য রাখেন।

২৯ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের সঙ্গে তাঁর বৈঠক হয়। একই দিনে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্রান্ডি এবং জাতিসংঘের অনুন্নত, স্থলবেষ্টিত ও ক্ষুদ্র দ্বীপরাষ্ট্রসমূহের বিষয়ক উচ্চ প্রতিনিধি রাবাব ফাতিমার সঙ্গেও তিনি আলাদাভাবে সাক্ষাৎ করেন।

নিউইয়র্কে থাকাকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়োজিত এক সংবর্ধনায় যোগ দেন ড. ইউনূস। সেখানে তিনি ট্রাম্পকে সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান। এছাড়া নেদারল্যান্ডস, পাকিস্তান, ভুটান ও কসোভোসহ কয়েকটি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের সঙ্গে তিনি দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করেন।

সাংবাদিক লাঞ্ছিতের অভিযোগে এনসিপির সংবাদ সম্মেলন বয়কট

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি গেটে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাকর্মীদের হাতে লাঞ্ছিত হওয়ার অভিযোগ এনেছেন সাংবাদিকরা।

বৃহস্পতিবার (২ অক্টোবর) সকাল পৌনে ১০টার দিকে বিমানবন্দরের ভিআইপি গেটে এ ঘটনা ঘটে। এ কারণে সাংবাদিকরা সংবাদ সম্মেলন বয়কট করে ফিরে গেছেন।

জানা গেছে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে অংশ নিয়ে আজ দেশে ফিরেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং তার সফরসঙ্গীরা। তাদের সফর নিয়ে বিমানবন্দরে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল।

সেখানে উপস্থিত গণমাধ্যমকর্মীরা জানান, বিমানবন্দরের ভিআইপি গেটে বিএনপি নেতা হুমায়ুন কবির ব্রিফিং করছিলেন। এ সময় সেখানে উপস্থিত এনসিপি নেতারা উচ্চৈঃস্বরে স্লোগান দিচ্ছিলেন। তখন এক গণমাধ্যমকর্মী তাদের থামতে অনুরোধ করেন।

এ সময় এনসিপি নেতাকর্মীরা গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর চড়াও হন এবং তাদের লাঞ্ছিত করেন। এ ঘটনার প্রতিবাদে এনসিপির সংবাদ সম্মেলন বয়কট করে ফিরে যান গণমাধ্যমকর্মীরা।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশন এবং অন্যান্য উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে যোগ দিতে গত ২৩ সেপ্টেম্বর ঢাকা ছাড়েন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। তার সফরসঙ্গী হিসেবে যান বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের, এনসিপির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক ডা. তাসনিম জারা। ৯ দিনের সফর শেষে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আজ তারা দেশে ফিরেছেন।

সাকিবের নির্বাচন করা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস ক্রীড়া উপদেষ্টার

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মুখোমুখি অবস্থানে দাঁড়িয়ে রয়েছে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান এবং যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। এবার সাকিবের নির্বাচনে আসা নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করলেন ক্রীড়া উপদেষ্টা।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে সাকিবের সঙ্গে দলে ফেরা নিয়ে যেসব কথা হয়েছিল তা প্রকাশ করেছেন আসিফ মাহমুদ।
তিনি লিখেছেন, ভাইয়া, আমাকে জোর করে নমিনেশন দেওয়া হয়েছিল। আমি শুধু নির্বাচনটাই করেছিলাম, আওয়ামিলীগের দলীয় রাজনীতিতে জড়িত হইনি।
এরপরই অসিফ লিখেছেন, ‘You know who.’ যার হাত ছাত্র-জনতার রক্তে রঞ্জিত তাকে বাংলাদেশের পতাকা বহন করতে দেওয়ার প্রশ্নই উঠেনা। বোর্ডের কর্তারা একাধিকবার রাজনৈতিক অবস্থান পরিষ্কার করতে বললেও তা না করে বরং খুনিদের এনডোর্স করা ছাড়াও শেয়ার মার্কেট কেলেঙ্কারি, মানি লন্ডারিং, ফাইনানশিয়াল ফ্রড করা কাউকে কেন শুধু ভালো ক্রিকেটার বলেই পুনর্বাসন করতে হবে? আইন সবার জন্য সমান, Face it.
মূলত, ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক ক্রিকেটার ও আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি সাকিব আল হাসান। এরপর থেকেই সমালোচনায় ভাসছেন তিনি।
রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) ৯টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্টে এ শুভেচ্ছা জানান তিনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে সাকিব হাসিনাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন, ‘শুভ জন্মদিন আপা।’ হাসিনার সঙ্গে নিজের একটি ছবি দিয়েছেন সাকিব।
সাকিবের পোস্টের কিছুক্ষণ পর ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ একটি পোস্ট করেন ফেসবুকে যা সাড়া ফেলে সকলের মাঝে।  তিনি লিখেছেন, একজনকে পুনর্বাসন না করায় সহস্র গালি দিয়েছেন আপনারা আমাকে। বাট আই ওয়াজ রাইট। এন্ড অব দ্য ডিসকাশন। আসিফের এই পোস্টের কমেন্ট সেকশনে মন্তব্যকারীরা সাকিবের প্রতি ক্ষোভ জানিয়েছে।
আসিফ মাহমুদের এই পোস্টের পর তার পাল্টা জবাবে আরেকটি পোস্ট করেছেন সাকিব। ফেসবুকে সাকিব লিখেছেন, যাক শেষমেষ কেউ একজন স্বীকার করে নিলেন যে তার  জন্য আমার আর বাংলাদেশের জার্সি গায়ে দেওয়া হলো না, বাংলাদেশের জন্য খেলতে পারলাম না!
স্ট্যাটাসটা সাকিব শেষ করেছেন এই কথা লিখে, ফিরব হয়তো কোনো দিন আপন মাতৃভূমিতে, ভালোবাসি বাংলাদেশ।
এবার সাকিবের পোস্টের জবাব দিতে মুখ খুললেন আসিফ মাহমুদ। গত সেপ্টেম্বরে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে টেস্টে খেলতে দেশে আসতে চেয়েছিলেন সাকিব। সে সময় সরকারের পক্ষ থেকে গ্রিন সিগনাল পেয়ে দুবাই পর্যন্ত আসলেও দেশে ফেরা হয়নি তার। সেই সময়ের কিছু ঘটনার কথায় পোস্টে উল্লেখ করেছেন ক্রীড়া উপদেষ্টা। এখন দেখার বিষয় সাকিব কোনো পাল্টা জবাব দেয় কি না।