Home Blog Page 306

ঋণের মাত্রা আরও দেড় লাখ কোটি টাকা বাড়বে

দখল ও লুটপাটের কারণে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণের মাত্রা আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যাচ্ছে। জুন প্রান্তিকে ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ আরও দেড় লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে। তখন ব্যাংক খাতে খেলাপি ঋণ পাঁচ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। এভাবে খেলাপি ঋণ বেড়ে আগামীতে মোট ঋণের মধ্যে খেলাপির হার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ছাড়িয়ে যেতে পারে। খেলাপি ঋণের কারণে ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট আরও বেড়ে যাবে। কিছু দুর্বল ব্যাংক থেকে আমানতকারীদের টাকা তুলতে আরও বেগ পেতে হবে। ব্যাংক খাতের এ সংকট আরও দীর্ঘ সময় থাকবে। এখন কার্যত ১২টি ব্যাংক দেউলিয়ার পর্যায়ে চলে গেছে। তারা আমানতকারীদের টাকা দিতে পারছে না। ১৫টি ব্যাংক অতিমাত্রায় দুর্বল হয়ে পড়েছে। যার আটটিতেই (অর্ধেকের বেশি) লুটপাট হয়েছে।
রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ব্যাংক খাত নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে বক্তারা এসব কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয় (ইউএপি) ও জার্মানির ওটিএইচ অ্যামবার্গ ওয়েইডেন যৌথভাবে এই সেমিনারের আয়োজন করে। সেখানে প্রধান অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। বক্তব্য দিয়েছেন ব্যাংকার, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট খাতের ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। মূল প্রবন্ধের খসড়া গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের ডিন মাহমুদ ওসমান ইমাম। বক্তৃতা দেন পূবালী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ আলী, সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন ও ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক সোহেল আর কে হোসেন প্রমুখ।
সেমিনারে বক্তারা বলেন, এস আলম একাই পুরো ব্যাংক খাত ধ্বংস করে দিয়েছেন। আর তার সহযোগীরা আরও ধ্বংস করেছেন। এ খাত ঘুরে দাঁড়াতে আরও অনেক সময় লাগবে। ব্যাংক খাতে সংস্কারের যেসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে সেগুলো ইতিবাচক। কিন্তু সংস্কার হলেও রাজনৈতিক সরকার এসে সংস্কারকে আর চলমান রাখে না। পাশাপাশি যেসব সংস্কার সম্পন্ন হয়, সেগুলোরও ধারাবাহিকতা বজায় রাখে না। ফলে ব্যাংক খাতের অবস্থা আগের পর্যায়ে চলে যায় বা আরও অবনতি ঘটে।
বক্তারা বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাত থেকে আওয়ামী লীগ সরকার একটি শক্তিশালী ব্যাংক খাত পেয়েছিল। কিন্তু তারা এর সুফল ধরে রাখতে পারেনি। বরং তারা সংস্কারগুলো আগের অবস্থায় নিয়ে যায়। যার ফলে ব্যাংক খাতে বড় ধরনের লুটপাট হয়েছে। লুটপাটে ব্যাংক খাত ধ্বংস হয়েছে।
সেমিনারে ব্যাংক খাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বক্তারা আরও বলেন, লুটপাটের টাকা বেশির ভাগই পাচার হয়ে গেছে। যে কারণে সেগুলো আদায়ের সম্ভাবনা নেই। ফলে ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট বেড়েছে। এ সংকট আরও থাকবে।
সেমিনারে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, যে দেশের প্রবৃদ্ধির জন্য বিদেশি বিনিয়োগ অপরিহার্য। সে দেশে বিশেষ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগ আসতে পারে। দুর্বল অবকাঠামোর কারণে দেশে বিদেশি বিনিয়োগ কম আসছে। বিনিয়োগ বাড়লে প্রবৃদ্ধি যেমন বাড়বে, তেমনি কর্মসংস্থানও বৃদ্ধি পাবে। সংস্কারের বিষয়ে গভর্নর বলেন, ব্যাংক খাতে সংস্কার চলছে। এটি চালিয়ে যাবে সরকার। ধরে রাখার দায়িত্ব নতুন সরকারের। বিগত সরকারের আমলে ব্যাংক খাতে যেসব লুটপাট হয়েছে তাকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ খাতকে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করানো চ্যালেঞ্জিং।
সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসরুর আরেফিন বলেন, একজন মাত্র ব্যক্তি যেমন একটি ব্যাংক ধ্বংস করে দিতে পারে। উলটোভাবে এক দুজন সৎ পরিচালকও একটি ব্যাংকের সফলতার জন্য যথেষ্ট। দেশের ব্যাংক খাতে মোট ঋণের পরিমাণ ১৮ লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে প্রায় ১১ লাখ কোটি টাকা সমস্যাগ্রস্ত ঋণ। এসব ঋণের বিপরীতে পর্যাপ্ত জামানত নেই। বাংলাদেশে বর্তমানে ব্যাংকের সংখ্যা ৬০টি। বিদেশি ব্যাংক বাদ দিয়ে স্থানীয় ব্যাংক রয়েছে ৫০টি। এর মধ্যে কমবেশি ৪০টি ব্যাংকই মানসম্মত নয়। এগুলোর মধ্যে প্রায় ১৫টি ব্যাংককে বলা হচ্ছে একেবারে জম্বি ব্যাংক (অতিমাত্রায় দুর্বল)। এসব ব্যাংকের অর্ধেকেই সরাসরি লুটপাট হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ব্যাংক কোম্পানি আইনের খসড়ায় ৫০ শতাংশ স্বতন্ত্র পরিচালক থাকার কথা বলা হয়েছে। একটি পরিবার একটি ব্যাংকে সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ পর্যন্ত শেয়ার রাখতে পারবে। তবে পরিবারের সংজ্ঞায় বিভিন্ন ধরনের আত্মীয়স্বজনকেও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। বাস্তবে দেশের ব্যাংক খাতে বড় লুটপাট হয়েছে বেনামি নামে, বৈধ শেয়ার মালিকানার কারণে নয়। বেনামিতে ব্যাংক লুটপাট বন্ধ করতে আইনি কাঠামো দরকার।

 

ডাকসু নির্বাচন নিয়ে ‘গুরুতর’ অভিযোগ তুললেন আবিদ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনে ভোটগ্রহণের দিন মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়েছেন বলেও দাবি করেছেন ছাত্রদলের ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম আবিদ। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) মধুর ক্যান্টিনে ডাকসু নির্বাচনের নানা অনিয়ম নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি।
আবিদ বলেন, নির্বাচনে ভোটার চিহ্নিত করার জন্য যে মারকার পেন ব্যবহার করা হয় তা অস্থায়ী হওয়ায় একই ব্যক্তি একাধিক ভোট দিয়েছে কি না তা নিয়ে সংশয়ে আছে ছাত্রদল। নির্বাচনের ব্যালট পেপার কোন প্রেস থেকে ছাপা হয়েছে তা প্রকাশ করা হয়নি। এ নিয়ে সব অভিযোগ স্পষ্ট। এটাকে আড়াল করার সুযোগ নেই।
তিনি বলেন, এই নির্বাচনকে বৈধতা দেওয়ার কোনো সুযোগ তাদের নেই। ছাত্রদল চাইলে এই বিষয়ে বড় আন্দোলন করতে পারতো উল্লেখ করে আবিদ বলেন, পূর্বের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ভেঙে যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে এগিয়ে চলছে ছাত্রদল। নির্বাচনের দিন তিনি নিজে মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন আবিদ। তবে নির্বাচনের নানা অভিযোগ নিয়ে লিখিত আবেদন জানানোর পরও আমাদের এড়িয়ে চলছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের চারদিন পর বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানানো হয়, পোলিং এজেন্টদের বাছাই প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা, আইডি কার্ড যথাসময়ে দেওয়া হয়নি। পোলিং এজেন্টদের অনুপস্থিতিতে ভোট নেওয়া হয়।

একীভূত হচ্ছে এনসিপি-গণঅধিকার, জানালেন রাশেদ খান

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও গণঅধিকার পরিষদ একীভূত হওয়ার ইতিবাচক আলোচনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. রাশেদ খান।
রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এমনটি জানান।
রাশেদ খান লিখেছেন, গণঅধিকার পরিষদ ও এনসিপি একীভূত হওয়ার ইতিবাচক আলোচনা হচ্ছে। তবে পুরো প্রক্রিয়া ভেস্তে দেওয়ার প্রচেষ্টাও থেমে নেই। তারুণ্য ঐক্যবদ্ধ হলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন শক্তির নবজন্ম হবে। এই উপলব্ধিবোধ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের মধ্যে থাকা উচিত। প্রণয় হয় উভয় পক্ষের কাছাকাছি আসা ও বোঝাপড়ার ভিত্তিতে। এরপর একে অন্যকে ছাড় দেওয়ার মাধ্যমে সেই সম্পর্ককে এগিয়ে নিতে হয়।
তিনি আরও লেখেন, দুটি দলের মধ্যে যে সম্পর্ক তৈরি হতে চলেছে, এটাকে বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব এনসিপি ও গণঅধিকার পরিষদ উভয় দলের নেতাকর্মীদের।
সব পক্ষ দায়িত্বশীল আচরণ না করলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে বহু মানুষের স্বপ্ন। এনসিপি গঠনের আগেও ঐক্য প্রক্রিয়া নিয়ে প্রচেষ্টা ছিল। নতুনভাবে সেটি আবার আলোচনায়। এবার বাস্তবায়ন না হলে জনগণ আমাদের সব পক্ষকে ধোঁকাবাজ মনে করবে।
তার ভাষায়, ন্যায্য ও সাম্যতার ভিত্তিতে একীভূত হওয়ার বিষয়ে গণঅধিকার পরিষদ অত্যন্ত ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করছে।
এ ক্ষেত্রে দল ও অঙ্গসংগঠনের সবাইকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মন্তব্য করার বিষয়ে সচেতন থাকার অনুরোধ করেন সাবেক এই ছাত্রনেতা।

 

ইসরায়েলি হামলায় নিভে গেল এক পরিবারের ২৫ জনের প্রাণ

অবরুদ্ধ গাজায় হামলা জোরদার করেছে ইসরায়েলি সেনারা। এর অংশ হিসেবে গাজা সিটির সাবরা মহল্লায় একই পরিবারের অন্তত ২৫ জনকে হত্যা করেছে তারা।
গতকাল রোববার ভোরে ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান সাবরা এলাকার কয়েকটি বাড়িতে বোমা বর্ষণ করে। আগস্টের শেষ দিকে এ এলাকায় প্রবেশ করে ট্যাংক মোতায়েন করে ইসরায়েল, যাতে পুরো অঞ্চল দখল ও ধ্বংস করার পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা যায়।
হামলার পর অন্তত ১৭ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়েছে। এখনো উদ্ধারকাজ চলছে। স্থানীয় লোকজন ও উদ্ধারকর্মীরা হাত দিয়ে ধ্বংসস্তূপ খুঁড়ে খুঁজছেন আটকে পড়া মানুষকে। পরিবার-পরিজনের আশঙ্কা, এখনো প্রায় ৫০ জন ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে আছেন।
সাবরা এলাকার ওই পরিবার আন্তর্জাতিক মহলের কাছে জরুরি সহায়তার আবেদন জানিয়েছে। ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে এখনো কণ্ঠস্বর শোনা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বজনেরা।
এক স্বজন বলেন, ‘আমি সারা বিশ্বকে অনুরোধ করছি—আমাদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন। আমাদের প্রিয়জনেরা জীবন্ত কবর হয়ে আছে। আমরা ধ্বংসস্তূপের ভেতর থেকে তাদের চিৎকার শুনতে পাচ্ছি, কিন্তু পৌঁছাতে পারছি না।’
তিনি অভিযোগ করেন, উদ্ধারকাজে অংশ নেওয়া মানুষের ওপর গুলি চালাচ্ছে ইসরায়েলি ড্রোন। তিনি বলেন, ‘যখনই আমরা তাদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা করি, ড্রোন থেকে আমাদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। পাঁচজন এগোলে চারজন মারা যায়, একজন বেঁচে থাকে।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ফুটেজে দেখা যায়, আহতদের ছোট একটি গাড়িতে করে হাসপাতালে নেওয়া হচ্ছে, চারপাশে মানুষ ভিড় করে আছে। আরেকটি ভিডিওতে এক মা চিৎকার করে বলছেন, ইসরায়েলি হামলায় তিনি তাঁর ‘সব সন্তানকে হারিয়েছেন’। গাজা সিটির দক্ষিণে সাবরা মহল্লায় এ হামলা হয়।
এ ছাড়া গাজা সিটির পশ্চিমে শাতি শরণার্থী শিবির ও দক্ষিণ-পশ্চিমের তাল আল-হাওয়া মহল্লাতেও ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল।
নাসর এলাকার লাভাল টাওয়ার ও এর পাশের একটি বাড়িতেও হামলার খবর পাওয়া গেছে।
গাজার মধ্যাঞ্চলের বুরেইজ শরণার্থী শিবিরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় আরও সাতজন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে চারটি শিশু রয়েছে। আল-জাজিরাকে এক জরুরি সূত্র জানিয়েছে, হামলাটি জাতিসংঘের ফিলিস্তিনি শরণার্থী সংস্থা (ইউএনআরডব্লিউএ) পরিচালিত একটি ক্লিনিকের কাছাকাছি চালানো হয়।
ফিলিস্তিনি বার্তা সংস্থা ওয়াফা জানিয়েছে, চিকিৎসা সূত্রের বরাতে জানা গেছে—গতকাল ভোর থেকে গাজায় ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬৮ জন নিহত হয়েছেন।
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শনিবার বিকেলে জানিয়েছিল, ২০২৩ সালের অক্টোবরে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬৫ হাজার ২৮৩ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ৫৭৫ জন।
এ ছাড়া ইসরায়েলি অবরোধ ও কৃত্রিমভাবে সৃষ্ট দুর্ভিক্ষে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও চারজন মারা গেছেন। এতে অনাহার ও খাদ্যাভাবজনিত মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৪৪০, যাদের মধ্যে ১৪৭ শিশু রয়েছে।
গতকালও বহু ভবন ধ্বংস করে দিয়েছে ইসরায়েলি সেনারা। জোরপূর্বক গাজা সিটির কয়েক লাখ মানুষকে উচ্ছেদ ও দখল নেওয়ার চেষ্টা করছে তারা। আন্তর্জাতিক মহলের সমালোচনা এবং গাজায় আটক থাকা ইসরায়েলি বন্দীদের পরিবারের বিরোধিতা উপেক্ষা করেই অভিযান চালাচ্ছে তেল আবিব।

চীনের ভয়ংকর যুদ্ধবিমান বিশ্বকাঁপানো শক্তির ইঙ্গিত!

বিশ্বের সামরিক শক্তির পালাবদলে নতুন মাত্রা যোগ করছে চীন। শুধু অর্থনীতিতেই নয়, সামরিক শক্তির ক্ষেত্রেও নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছে বেইজিং। সাম্প্রতিক সামরিক কুচকাওয়াজে দেশটির প্রদর্শিত নতুন অস্ত্রাগার ও যুদ্ধবিমান আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।
কুচকাওয়াজের শুরুতেই ৮০ দফা কামানের গোলা ছুড়ে সামরিক মহড়া উদ্বোধন করে চীন। তবে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়ে নেয় অত্যাধুনিক সিএস-৫০০০ ড্রোন, যা এতদিন গোপনে রাখা হয়েছিল। প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এ সময় স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “চীনকে হেয় করার দুঃসাহস কেউ যেন না করে।” তার বক্তব্যে পরিষ্কার বার্তা ছিল— অস্ত্র ও প্রযুক্তিতে চীন আর পিছিয়ে নেই।
কিন্তু কুচকাওয়াজের মূল আকর্ষণ ছিল নতুন পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান জে-২০ (J-20)। এটি বিশ্বের তৃতীয় স্টিলথ ফাইটার, যুক্তরাষ্ট্রের এফ-২২ র‌্যাপ্টর ও এফ-৩৫ লাইটনিং টু-এর পর। জেংদু এয়ারক্রাফ্ট ডিজাইন অ্যান্ড রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ডেপুটি চিফ ডিজাইনার কং ফেং-এর মতে, জে-২০ এমনভাবে তৈরি যে শত্রুর রাডার ও প্রতিরক্ষা জাল ভেদ করে অদৃশ্যভাবে প্রবেশ করতে সক্ষম। এর উন্নত রাডার, ইনফ্রারেড সিগন্যাল এবং দীর্ঘপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা এটিকে একদিকে গোপনীয়, অন্যদিকে ভয়ংকর আক্রমণক্ষম করে তুলেছে।
প্রযুক্তিগত দিক থেকে জে-২০ শুধু একটি বিমান নয়, বরং একটি সমন্বিত যুদ্ধব্যবস্থার অংশ। এটি প্রারম্ভিক সতর্কীকরণ বিমান ও ড্রোনের সঙ্গে একযোগে কাজ করতে পারে, যা আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে বহুমাত্রিক সুবিধা এনে দেবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বহুদূর থেকে শত্রুকে লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার ক্ষমতা চীনের বিমানবাহিনীকে নতুন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, জে-২০-এর উন্মোচন শুধু চীনের সামরিক প্রযুক্তির উন্নতির প্রতীক নয়, বরং বৈশ্বিক শক্তির ভারসাম্যে নতুন পরিবর্তনেরও ইঙ্গিত। দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া স্টিলথ প্রযুক্তিতে একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তার করলেও চীনের দ্রুত অগ্রগতি বিশ্ব সমরনীতির মানচিত্র পুনর্লিখনের বার্তা দিচ্ছে।

 

আওয়ামী লীগ ধরলে ৫ হাজার টাকা পুরস্কার’ যা বললো ডিএমপি

সম্প্রতি ফেসবুকে একটি ফটোকার্ড ভাইরাল হয়। সেখানে বলা হয়, ঝটিকা মিছিল থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ধরতে পারলে প্রত্যেক পুলিশ সদস্যের জন্য ৫ হাজার টাকা করে পুরস্কার দেওয়া হবে। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। তবে ভালো কাজের জন্য পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করা হলেও এমন ঘোষণার বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো পুরস্কার দেওয়ার কথা জানে না ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।
ডিএমপি বলছে, স্বাভাবিকভাবে ডিএমপির কোনো সদস্য ভালো কাজ করলে সেই কাজ উৎসাহিত করা হয়। এক্ষেত্রে তাদের আর্থিকভাবে পুরস্কৃত করার প্রবিধান আইনিভাবে রয়েছে। কাজে উৎসাহিত করার জন্য তাদের বিভিন্নভাবে পুরস্কৃত করার বিধান রয়েছে।
রোববার (২১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন ডিএমপির মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্সের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মুহাম্মদ তালেবুর রহমান।
‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের কাউকে ধরলেই ৫ হাজার টাকা পুরস্কার দেওয়া হবে’। এই বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তালেবুর রহমান বলেন, এটি অনেকেই অনেকভাবে ব্যাখ্যা করতে পারেন। স্বাভাবিকভাবে আমাদের কোনো সদস্য ভালো কাজ করেন, আমরা সেটি উৎসাহিত করি। এক্ষেত্রে তাদের আর্থিকভাবে পুরস্কৃত করার প্রবিধান আইনিভাবে রয়েছে। কাজে উৎসাহিত করার জন্য তাদের বিভিন্নভাবে পুরস্কৃত করার বিধান রয়েছে। তবে বিশেষভাবে কোনো একটি বিষয়ে কাজের জন্য পুরস্কৃত করার বিষয়টি আমার জানা নেই। তবে যে কোনো সময় যে কাউকে ভালো কাজের জন্য উৎসাহিত করার বিধান আমাদের রয়েছে। এবং এটা আমরা আইনের ভেতরে থেকে নিয়মের মধ্যে করি।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, রাজধানীতে ডিএমপির ছয় শতাধিক সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। যেগুলো আমাদের কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ থেকে পর্যবেক্ষণ করা হয়। এর বাইরে গুলশান, বনানী, বারিধার ও নিকেতন সোসাইটি অংশে এলওসিসি (ল অ্যান্ড অর্ডার কমিউনেশন কমিটি) নিজস্ব উদ্যোগে প্রায় ১২০০ সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। যেগুলো সংশ্লিষ্ট এলাকার নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য কাজ করছে এবং অপরাধ নিয়ন্ত্রণে অনেকাংশে ভূমিকা রাখবে। দুটি মিলে সর্বসাকুল্যে ২ হাজারের অধিক সিসিটিভি ক্যামেরা সক্রিয় রয়েছে। আমরা চেষ্টা করছি আমাদের সিসিটিভি ক্যামেরার আওতা আরও বাড়ানোর জন্য, যা অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।
মোহাম্মদপুরের এসিসহ তিন কর্মকর্তাকে প্রত্যাহারের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঢাকা মহানগরীতে ডিএমপির থানা, ফাঁড়ি বা ডিভিশনে যতগুলো ইউনিট রয়েছে, তাদের নিয়মিত কার্যক্রম পরিদর্শন ও তাদের দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য প্রায়শই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সেখানে যান। গত শুক্রবার একইভাবে মোহাম্মদপুর থানা পরিদর্শনে যান ডিএমপি অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস)। সেখানে গিয়ে ফোর্স ও অফিসারদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। এক পর্যায়ে তিনি কিছু পুলিশ সদস্যের কাজকর্মে অসন্তোষ প্রকাশ করেন। পরে বিকেলে মোহাম্মদপুর জোনের এসি, মোহাম্মদপুর থানা পরিদর্শক (অপারেশনস) ও তখনকার ডিউটি অফিসারকে ডিএমপি সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়। এটা নিতান্তই প্রশাসনিক কারণে। এটা নিয়ে অন্য কোনো অপতথ্য ছড়ানো বা ভুল ব্যাখ্যা করার কোনো অবকাশ নেই। এটাকে আমরা ইতিবাচকভাবে দেখবো। যাতে আমাদের সদস্যরা সব সময় দায়িত্ব পালনে তৎপর ও সতর্ক থাকেন।
সম্প্রতি এক পুলিশ কর্মকর্তা ঢাকাবাসীকে রাত ৯টার পর হাতিরঝিলে যেতে নিষেধ করেছেন। এ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ঢাকাবাসীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য ডিএমপি দিনরাত নিরলসভাবে পরিশ্রম করে যাচ্ছে। আমরা (ডিএমপি) আমাদের পক্ষ থেকে কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানে কোনো একটি নির্দিষ্ট সময়ে কারও চলাচলে নিরুৎসাহিত করিনি। এটা অন্য কোনো ইউনিট করে থাকলে এটা আমার জানা নেই। আমাদের পক্ষ থেকে বলতে পারি, আপনারা নিশ্চিন্তে নির্ভয়ে চলাফেরা করবেন।

শারদীয় দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, এবারের দুর্গাপূজায় কোনো ধরনের নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। বিগত বছরের তুলনায় এ বছর আরও সুসংগঠিতভাবে নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং পূজা উদযাপন হবে উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টায় নারায়ণগঞ্জে রামকৃষ্ণ মিশনের পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি পূজার সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেন এবং আয়োজকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
তিনি বলেন, সারা দেশে ৩৩ হাজার পূজামণ্ডপে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ, র‍্যাব, আনসার, বিজিবি ও সেনাবাহিনী মোতায়েন থাকবে। প্রতিটি পূজামণ্ডপে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকরাও দায়িত্ব পালন করবেন।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জে দুর্গাপূজা ঘিরে কোনো শঙ্কা নেই। প্রতিটি মণ্ডপে পূজা উদযাপন কমিটির ৭ জন স্বেচ্ছাসেবক এবং ৮ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। এছাড়া পুলিশ, র‍্যাব ও সেনাবাহিনীর সদস্যরাও নিরাপত্তা কাজে নিয়োজিত থাকবেন। এবার পূজা হবে আনন্দঘন এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য দৃষ্টান্ত।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন পুলিশের ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম মল্লিক, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসীমউদ্দিন, র‍্যাব-১১ অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এইচ এম সাজ্জাদ হোসেন, জেলা পূজা উদযাপন কমিটির উপদেষ্টা প্রবীর কুমার সাহা, সভাপতি শংকর কুমার দে, সাধারণ সম্পাদক শিখন সরকার শিপনসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে সহজ ম্যাচ কঠিন করে জিতল বাংলাদেশ

‘এখন থেকে ম্যাচটা একমাত্র বাংলাদেশেরই। জেতাটাই স্বাভাবিক, এখান থেকে হেরে বসলে নিজেদের দোষেই হারবে’ – কথাটা ধারাভাষ্যকার সঞ্জয় মাঞ্জরেকারের। জয় থেকে তখনও ২৫ রানের দূরত্বে বাংলাদেশ। প্রয়োজনীয় রানটা এক অঙ্কে নেমে আসার ঠিক আগে যখন ফুলটস বলে আউট হলেন তাওহীদ হৃদয়, তখন মনটা কু ডাক ডেকে ওঠা খুব অসম্ভব কিছু কি?
শেষ ওভারের শুরুতেই চার মেরে কাজটা সেরে ফেলছিলেন জাকের আলী। তাতে মনে হচ্ছিল জয়টাও বুঝি সহজেই চলে আসবে। তবে তা এল না। স্কোর সমতায় রেখে জাকের বিদায় নিলেন ছক্কা হাঁকাতে গিয়ে। এর এক বল পর শেখ মাহেদিও যখন বিদায় নিলেন, তখন মনে হচ্ছিল ৯ বছর আগের বেঙ্গালুরুর দুঃস্বপ্ন বুঝি ফিরে আসছে দুবাইয়ে। তবে নাসুম আহমেদ সেটা হতে দেননি। একটা রান নিয়ে নিলেন। আর তাতেই বাংলাদেশ তুলে নিল ৪ উইকেটের রুদ্ধশ্বাস এক জয়। তাতে তাদের সুপার ফোরের শুরুটাও হলো দুর্দান্তভাবে।

গান ছেড়ে দেওয়ার ইঙ্গিত তাহসানের!

 

দীর্ঘ দুই যুগের সংগীতজীবনের ক্যারিয়ারে ইতি টানার ইঙ্গিত দিয়েছেন তাহসান খান। জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা জানিয়েছেন, এরপর আর কোনো কনসার্টে তাকে দেখা যাবে না।

২৫ বছরের সংগীত জীবনের বিশেষ মুহূর্ত উদ্‌যাপন করতে অস্ট্রেলিয়া সফরে রয়েছেন তাহসান। সেখানকার পাঁচটি শহরে কন চ্যাটে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে অভিনেতার। তেমন একটি আয়োজনে ভক্তদের হৃদয়ভঙ্গের খবরটি দেন তাহসান।
সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে তেমনটি ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। তাহসানকে বলতে শোনা যায়, এটাই আমার লাস্ট কনসার্ট। আস্তে আস্তে মিউজিক ক্যারিয়ারটাও গুটিয়ে ফেলবো। মেয়ে বড় হচ্ছে, এখন কি দাঁড়ি রেখে স্টেজে দাঁড়িয়ে এমন লাফালাফি করতে ভালো লাগে?
তিনি আরও বলেন, আমার সব সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট ডিএক্টিভেট করে দিয়েছি।
গানের আগে অভিনয় থেকে ও সরে দাঁড়িয়েছেন তাহসান। গত বছর এ বিষয়ে তিনি বলেছিলেন, আমি ২০ বছর ধরে অভিনয়ে কাজ করছি। নিজেকেই নিজের বিরতি নিতে হয়। যারা আমাকে ভালোবাসে আমার কাজ ভালো লেগেছে বলেই ভালোবাসেন। যখন মনে হয় কাজ একঘেয়েমি হয়ে যাচ্ছে, খুব একটা ভালো কাজ হচ্ছে না তখন নিজেকেই থামিয়ে দিতে হয়।
এর কিছুদিন পরেই তাহসান জানিয়েছিলেন,  হেটেরোটোপিয়া নামের একটি রোগ বাসা বেঁধেছে তার কণ্ঠনালিতে। এই সমস্যায় গলার কাঠামো পরিবর্তন হয়ে যায়। কমে যায় গান গাওয়ার মনোবল। ২০১৮ সাল থেকে এই সমস্যার শুরু। সে কারণে আগের মতো এখন আর অনায়াসে গানও গাইতে পারছেন না। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যতে গান গাওয়া নিয়েও শঙ্কার কথা জানিয়েছিলেন।
‘ব্ল্যাক’ ব্যান্ডের মাধ্যমে তাহসানের সংগীত জগতে পথচলা শুরু। এরপর একক শিল্পী হিসেবে এবং পরবর্তীতে ‘তাহসান অ্যান্ড দ্য সুফিজ’ ব্যান্ডের সঙ্গে কাজ করেছেন। বর্তমানে সময়ে ‘তাহসান অ্যান্ড দ্য ব্যান্ড’-এর সঙ্গে বিভিন্ন কনসার্টে নিয়মিত পারফর্ম করতে দেখা গেছে তাহসানকে।

সেপ্টেম্বরের ২০ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৯০ কোটি ডলার

চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ২০ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা দেশে পাঠিয়েছেন ১৯০ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স। অর্থাৎ, প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ৯ কোটি ৫১ লাখ ডলার করে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত বছরের একই সময়ে দেশে রেমিট্যান্স এসেছিল ১৬১ কোটি ৪০ লাখ ডলার। সেই তুলনায় চলতি বছর এই সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ১৭ দশমিক ৯০ শতাংশ।

তিনি আরও জানান, ১৮ থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দিনে দেশে এসেছে ১৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স। চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট এসেছে ৬৮০ কোটি ৩০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১৮ দশমিক ৩০ শতাংশ বেশি।
এর আগে, আগস্ট মাসে দেশে এসেছিল ২৪২ কোটি ১৮ লাখ ৯০ হাজার ডলার এবং জুলাইয়ে এসেছিল ২৪৭ কোটি ৮০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩ হাজার ৩২ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার (৩০.৩২ বিলিয়ন), যা দেশের ইতিহাসে এক অর্থবছরে সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স আয়ের রেকর্ড।