কে এই হানিয়া আমির?
পাঁচ ব্যাংক একীভূত হওয়ার সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত, খুব শিগগিরই ‘টেক-অফ’
খেলাপি ঋণ নবায়নে নতুন সুবিধা ঘোষণা
নেতানিয়াহুকে ‘হিটলারের আত্মীয়’ আখ্যা দিলেন এরদোয়ান
সাড়ে সাতশ বছরের পুরোনো মসজিদ ধ্বংস করে দিলো ইসরায়েল
মানচিত্র থেকে হারাতে বসেছে ঝিনাইদহের শৈলকুপার বড়ুরিয়া গ্রাম
গ্রামের পর গ্রাম নদী ভাঙনের গর্জন। গ্রামবাসির কপালে চিন্তার ভাজ। কখন যেন সর্বনাশী গড়াই কেড়ে নেয় শেষ সম্বল ভিটেবাড়ি। সাম্প্রাতিক সময়ে তীব্র নদী ভঙনে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার কয়েকটি গ্রাম বিলীন হতে চলেছে। ইতিমধ্যে গ্রামের মানুষ তাদের মাঠের ফসলী জমি হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছেন। প্রাই প্রতি বছরই মানচিত্র থেকে মুছে যেতে থাকে ভিটেবাড়িসহ ফসলি জমি। নতুন করে বড় ধরনের ঝুঁকিতে রয়েছে সারুটিয়া ইউনিয়নের বড়ুরিয়া, কৃষ্ণনগর, হাকিমপুর ইউনিয়নের মাদলা এবং ধলহরাচন্দ্র ইউনিয়নের কাশিনাথপুর, মাজদিয়া ও উলুবাড়িয়া গ্রাম। প্রায় দুই যুগের বেশি সময় ধরে গড়াই নদীভাঙনের কবলে পড়ে বদলে গেছে নদীর গতিপথ। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বড়ুরিয়া, কৃষ্ণনগর, খুলুমবাড়ি, মাদলা, কাশিনাথপুর ও লাঙ্গলবাঁধ। ভিটেবাড়ি ও সহায়-সম্বল হারিয়ে কেউ কেউ আশ্রয় নিয়েছেন পাউবোর প্রধান সেচ খালের কাছে।
সরোজিমনে নদী ভাঙন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, গ্রামের মানুষ আতংকে বসবাস করছেন। নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে সাথে ভাঙন তীব্র আকার ধারন করেছে। পাট, কলা ক্ষেত ও মরিচের জমিসহ ভাঙতে শুরু করেছে ফসলী জমি। পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফেলা জিও ব্যাগও শ্রোতের তীব্রতায় ভেসে যাচ্ছে। অনেকে ঘরবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গ্রাম ছেড়েছেন। গড়াই নদীর ভাঙ্গনে ক্রমশ পাল্টে যাচ্ছে গ্রামের মানচিত্র।
শৈলকুপা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, শৈলকুপায় গড়াই নদীর বহমান অংশ ২০ কিলোমিটার। যার মধ্যে বড়ুরিয়া গ্রামের উপর দিয়ে প্রবাহমান দেড় কিলোমিটার. কৃষ্ণনগর এক কিলোমিটার, গোসাইডাঙ্গা পাঁচ’শ মিটার, মাদলা এলাকায় দেড় কিলোমিটার, মাঝদিয়া গ্রামে এক কিলোমিটার এবং লাঙ্গলবাধ এলাকায় পাঁচ’শ মিটার ভাঙ্গনপ্রবন। তবে বড়ুরিয়া গ্রামের দেড় কিলোমিটার অংশে বেশী ভাঙ্গন তীব্রতা দেখা দিয়েছে।
তথ্য জানা যায়, গড়াই নদীর ওপারে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার গনেশপুর আদর্শ গ্রাম। এপারের জমি ভেঙে ওপাশে জেগে ওঠা চরের জমিতে কুষ্টিয়ার মানুষ শৈলকুপার কোন মানুষকে যেতে দেয় না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। আবার এখন পর্যন্ত চর উদ্ধারেও কেউ ব্যবস্থা নেয় না।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে ২০১৯ ও ২০২১ সালে ডিপিপি প্রকল্প পরিকল্পনা কমিশনে দাখিল করা হলেও তা আলোর মুখ দেখেনি। চলতি বছরে গড়াইয়ের ভাঙন রোধে অস্থায়ী ভিত্তিতে সমীক্ষা কাজের আওতায় ১৭৫ কেজি ওজনের বালি ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হচ্ছে। পহেলা মে থেকে শুরু হওয়া প্রকল্পটি শেষ হবে ২০২৬ সালের জুন মাসে। ১৭ কোটি টাকা’র এই প্রকল্পিটি বাস্তবায়িত হবে চার ধাপে।
বড়ুরিয়া গ্রামের জাহাঙ্গীর ইসলাম জানান, তার ১০ বিঘা ফসলী জমি নদী গর্ভে চলে গেছে। নদীর ভাঙন যেভাবে তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে তাতে ভিটেবাড়িও ঠেকাতে পারবো না।
বড়ুরিয়া গ্রামের খলিলুর রহমান জানান, ১৯৬২ সালের পর থেকে নদী ভাঙন শুরু হলেও গত ২০ বছরে তীব্রতা বেড়েছে কয়েকগুন। সিএস রেকর্ড অনুযায়ী বড়ুরিয়া মৌজায় ব্যক্তি মালিকানাধীন জমির পরিমাণ ছিল ১৪ শ’ ৫৭ বিঘা। আর খাস জমি আছে ১৪৩ বিঘা। নদী ভঙনের ফলে এখন জমির পরিমাণ দাড়িয়েছে গড়ে ২ শ’ ৫০ বিঘায়। গ্রামটিতে বসবাস করতেন ৭ শত পরিবার, কিন্তু এখন বসবাস করেন ২ শত পরিবার। বাকী ৫ শত পরিবার অন্যত্র চলে গেছে।
বড়ুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা সুন্দরী খাতুন বলেন, আমাদের প্রায় ৩০ বিঘা জমি ছিল, এখন তা ১০ বিঘায় দাড়িয়েছে। একই গ্রামের বাসিন্দা মনি মোল্লা বলেন, বড়ুয়া গ্রামের প্রায় ১৪ শ’ বিঘা জমি চলে গেছে কুষ্টিয়ার অংশে।
তিনি আরো জানান, এপাশ থেকে ভেঙে নদীর ওপারে চর জেগে উঠেছে। সেখানে কুষ্টিয়ার খোকসা উপজেলার মানুষ জবরদখল করে খাচ্ছে। প্রশাসনের কেউ উদ্যোগ নেয়না এই জমি উদ্ধারে। ফলে ক্রমেই গ্রামের মানুষ নিঃস্ব হয়ে যাচ্ছে।
ঝিনাইদহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রঞ্জন কুমার দাস বলেন, বর্তমানে বর্ষার শুরুতে ভাঙ্গন রোধে অস্থায়ী সমীক্ষা কাজ চলমান আছে। জরুরী ভিত্তিতে ১৭ কোটি টাকার জিও ব্যাগ ফেলা কাজ চলমান আছে। আগামী ২০২৬ সালের জুন মাস পর্যন্ত কাজটি চলবে। এরপর স্থায়ী কাজ করা হবে বরাদ্দের ভিত্তিতে। নদীর এই অংশটুকু অবতল হওয়াতে পানির চাপ বৃদ্ধিতে পলি সরে ভাঙ্গন দেখা দেয়।
ঝিনাইদহ জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আওয়াল বলেন, শৈলকুপা অংশ ভেঙে নদীর ওপারে কুষ্টিয়া অংশে জেগে ওঠা চরের জমি উদ্ধার ও সেখানে যেন শৈলকুপার মানুষ চাষাবাদ করতে পারে সে বিষয়ে উদ্দোগ গ্রহন করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, জেলা প্রশাসন ও অন্যান্য দপ্তরের সম্মিলিত বৈঠকের পর জরিপ করে সীমানা নির্ধারনের জন্য সরকারের জরিপ অধিদপ্তরে পত্র পাঠানো হয়েছে। আশা করা যায় দ্রুতই বিধিসম্মত ভাবে নদী পাড়ের সমস্যার সমাধান করতে পারবে।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে যাচ্ছেন ফখরুলসহ ৪ রাজনীতিবিদ
‘আন্টি’ নয়, ছেলের বন্ধুরা আমাকে ‘দিদি’ বলে ডাকে: শ্রাবন্তী
কৈশোরে সংসার শুরু করেন টালিউড অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। মাত্র ১৬ বছর মা হন তিনি। বলতে গেলে সন্তান ঝিনুক আর তিনি প্রায় এক সঙ্গেই বেড়ে উঠেছেন। মা-ছেলের বোঝাপড়াটাও বন্ধুর মতো। ঝিনুকের বন্ধুরাও তাকে আন্টির বদলে দিদি ডাকে।
সম্প্রতি আনন্দবাজার পত্রিকার সঙ্গে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সিনেমা, ব্যক্তিগত জীবনসহ নানা প্রসঙ্গে কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী।
শ্রাবন্তীর ভাষ্য, তখন আমি দশম শ্রেণি। ‘চ্যাম্পিয়ন’ মুক্তি পেয়েছিল। তার পরের বছর, মানে ক্লাস ইলেভেনে আমার ছেলে হয়। অনেকে এটা শুনে আমায় বলবে ‘ইঁচড়ে পাকা’!
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে বহুবার কটাক্ষের শিকার হয়েছেন, তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আক্রমণ করা হয়েছে। কীভাবে সামলেছেন?
শ্রাবন্তী বলেন, ‘না, এখন আর গায়ে মাখি না। আর আমার মনে হয়, ছোট বয়সে মা হওয়ার অনেক সুবিধা রয়েছে। যেমন ঝিনুক হওয়ার পাঁচ বছর পরে আবার আমি কাজে ফিরি। তখন আমার মাত্র ২১ বছর বয়স। তবে এটা সত্যি, ১৬ বছরটা মা হওয়ার জন্য খুবই কম বয়স। ওটা বাড়াবাড়ি।’
অভিনেত্রী জানান, সিনেমায় অভিনয়ের আগে চিত্রনাট্য নিয়ে ছেলের সঙ্গে কথা বলেন। তার ভাষ্যে, দেবী চৌধুরাণীর চিত্রনাট্য যখন এসেছিল, সবার প্রথমে ওকে আমি শুনিয়েছিলাম। বেশ অবাকই হয়েছিল। আসলে আমরা মা-ছেলের থেকে বেশি বন্ধু। মাত্র তো ১৬ বছরের পার্থক্য! ছেলের বন্ধুরা তো আমারই বন্ধু! দুয়েকজন ছাড়া আর কেউ ‘আন্টি’ বলে না। আমি ওদের সবার দিদি।
সাক্ষাৎকারে শ্রাবন্তী কথা বলেন জেন-জিদের প্রসঙ্গেও। তিনি বলেন, ‘ছেলে এবং ওর বন্ধুদের সঙ্গে মিশি তো। তাই লিঙ্গসাম্য নিয়ে ওদের সচেতনতা, ওদের ভাষা সহজেই বুঝতে পারি। আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এত বাড়বাড়ন্ত তো ছিল না। কত পোর্টাল তৈরি হয়েছে, যা পারে তাই লিখে দেয়। তাই নতুনদের বলতে চাই, প্রথম কাজ ভালো না হলে পরেরটা যাতে ভালো হয়, সেদিকে মনোযোগ দিতে হবে। অন্য কোনো কিছু নিয়ে মন খারাপ যেন না করে।’
ক্রীড়া কর্মসূচি প্রকল্পে বরাদ্দের টাকা বেহাত, দুদকের অভিযান
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ক্রীড়া পরিদপ্তর কর্তৃক বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি প্রকল্প বাস্তবায়নে অনিয়মের আশ্রয় নিয়ে বরাদ্দকৃত সরকারি অর্থ আত্মসাতসহ নানা অনিয়মের অভিযোগে ক্রীড়া পরিদপ্তরে অভিযান চালাচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এক এনফোর্সমেন্ট টিম অভিযান চালিয়েছেন বলে সংস্থাটির জনসংযোগ দপ্তরের উপপরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম জানিয়েছেন।
অভিযোগ রয়েছে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশের প্রতিটি জেলায় এ প্রকল্পে ৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। বিভাগীয় আটটি জেলায় বরাদ্দ ছিল আরও ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে। কিন্তু কোনো খরচ না করে বরাদ্দকৃত টাকাগুলো ভাগ করে নেওয়া হয় কর্মকর্তাদের মধ্যে।
এ বিষয়ে ক্রীড়া পরিদপ্তরের সাবেক পরিচালক (যুগ্ম সচিব) আ ন ম তরিকুল ইসলামের নেতৃত্বে তদন্ত চালমান রয়েছেও বলে জানা গেছে। দুদক টিম প্রকল্প সংশ্লিষ্ট নথিপত্র সংগ্রহ করে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটনে কাজ করছে বলে জানা গেছে।
আফগানদের হারিয়ে টিকে রইল বাংলাদেশ
এশিয়া কাপে ‘বি’ গ্রুপে নিজেদের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ৮ রানে জিতেছে বাংলাদেশ। বাংলাদেশের করা ১৫৪ রানের পিছনে তাড়া করতে গিয়ে ১৪৬ রানে গুটিয়ে যায় আফগানদের ইনিংস। এখন ২ জয়ে বাংলাদেশের ৪ পয়েন্ট।
গ্রুপের শেষ ম্যাচে আফগান-শ্রীলংকার খেলার দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে লিটনদের। শ্রীলংকা জিতলে বাংলাদেশের সুপার ফোর নিশ্চিত হবে। আর আফগানরা জিতলে তখন রান রেটের দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে।
আবুধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে প্রথম ওভারের প্রথম বলেই আফগানরা অতলের উইকেট হারায়। নাসুমের বলে লেগ বিফোর হয়ে তিনি ফিরে যান। ১৮ রানে ফিরে যান জাদরান ৫ রান করে। তাকেও লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেন নাসুম। দলীয় ৫১ রানে রিশাদ নিজ বলে ক্যাচ নিয়ে নাইবকে (১৪ বলে ১৬) সাজঘরে পাঠান। ১১ রানের ব্যবধানে উইকেটরক্ষক গুরবাজও রিশাদের বলে জাকের আলীর হাতে কাটা পড়লে স্বস্তি ফিরে টাইগার ক্যাম্পে। ১৫ বলে ১৫ রান করা চৌকস তারকা মো. নবীকে বোল্ড করেন মুস্তাফিজ। তখন স্কোর বোর্ডে রান উঠে ৫ উইকেটে ৭৭। ওমরজাই মারকুটে ব্যাট চালিয়ে রানের চাকা সচল রাখেন। ১০৯ রানে ১৬ বলে ৩০ রান করা এ ব্যাটারকে তাসকিন শিকার করেন। ১২৪ রানে জানাত সোহানের হাতে রান আউট হওয়ার সময় দলীয় রান ছিল ১২৪।
এরপর মুস্তাফিজ পরপর দুই উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের জয়ের পথ সুগম করেন। ১৪৬ রানে অল আউট হয় আফগানিস্তান। মুস্তাফিজ ২৮ রানে ৩, নাসুম ১১, তাসকিন ৩৪ ও েিশাদ ১৮ রানে ২টি করে উইকেট নেন। সাইফ হাসান ৩ ওভারে দেন ৩৯ রান। এর আগে বাংলাদেশ ব্যাট করতে গিয়ে প্রথম ছয় ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে ৫৯ রান তুলে। এরপরই শুরু ব্যাটিং ধ্বস। ২০ ওভার শেষে ১৫৪ রানে থামলো বাংলাদেশ। টাইগারদের হয়ে ৩১ বলে ৫২ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেছেন তানজিদ হাসান তামিম।
চার পরিবর্তন নিয়ে আফগানদের বিপক্ষে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ। এই ম্যাচ দিয়ে সুযোগ পাওয়া সাইফ হাসান করেছেন দারুণ ব্যাটিং। তানজিদ তামিমকে যোগ্য সঙ্গ দিয়েছেন তিনি। তাতেই পাওয়ারপ্লেতে ৫৯ রান তোলে বাংলাদেশ। ১২ ম্যাচ পর ওপেনিং জুটিতে পঞ্চাশের ওপরে রান দেখলো বাংলাদেশ। সাইফকে বোল্ড করে জুটি ভাঙেন রশিদ খান। ২ বাউন্ডারি ও ১ ছক্কায় ২৮ বলে ৩০ রান করেন সাইফ। তবে ঠিকই ফিফটি তুলে নিয়েছেন তানজিদ তামিম। ২৮ বলে অর্ধশতক পূর্ণ করেন তরুণ এ ব্যাটার। তবে এরপর আর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি। ৩১ বলে ৫২ রান করে ফেরেন তানজিদ তামিম।
তিনে নামা লিটন দাস এদিন ভালো করতে পারেননি। অধিনায়কের ব্যাট থেকে এসেছে ১১ বলে ৯ রান। শামীম হোসেন পাটোয়ারী প্রত্যাশিত ঝড় তুলতে পারেননি। তার ব্যাট থেকে এসেছে ১১ বলে ১১ রান। তাওহীদ হৃদয়ও আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করতে পারেননি। ২০ বলে করেছেন ২৬ রান। জাকের আলী করেছেন হতাশ। ১৩ বলে ১২ রানে অপরাজিত ছিলেন তিনি। ৬ বলে অপরাজিত ১২ রানের ক্যামিও খেলেছেন নুরুল হাসান সোহান। আফগানিস্তানের হয়ে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন নুর আহমেদ ও রশিদ খান।


