Home Blog Page 311

১৩ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৩০ কোটি ৬০ লাখ ডলার

চলতি সেপ্টেম্বরে প্রথম ১৩ দিনে প্রবাসী আয় এলো ১৩০ কোটি ৬০ লাখ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ১৩ হাজার ৯০০ কোটি টাকা (প্রতি ডলার ১২১ দশমিক ৭৫ টাকা হিসাবে)।
এই  প্রবাসী আয় গত বছরের একই সময়ের চেয়ে ১৩ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি।
আগের বছরের সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৩ দিনে প্রবাসী আয় এসেছিল ১১৫ কোটি ডলার।
রোববার (১৫ সেপ্টেম্বর) এ তথ্য প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
চলতি সেপ্টেম্বরের প্রথম ১৩ দিনে আসা প্রবাসী আয় আগের মাস আগস্টের প্রথম ১৩ দিনে আসা আয়ের চেয়েও বেশি। আগের মাস আগস্টের ১৩দিনে প্রবাসী আয় এসেছিল ১০৪ কোটি ১৯ লাখ ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ২১ কোটি ৪৩ লাখ ৬০ হাজার ডলার। রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বিশেষায়িত কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে ১২ কোটি ডলার।
বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৯৬ কোটি ৮৭ লাখ ১০ হাজার ডলার। আর দেশে ব্যবসারত বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ২৭ লাখ ৭০ হাজার ডলার।

 

বিভাজনে আওয়ামী লীগ ফিরবে দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে: রাশেদ খান

গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, বিভাজনের সুযোগে আওয়ামী লীগ ফিরবে দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে, তখন কারো শেষরক্ষা হবে না।
সোমবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
রাশেদ খান বলেন, ‘নতুন করে কারো সঙ্গে যুগপৎ নয়, ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ রাখার পক্ষে গণঅধিকার পরিষদ। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে বিভিন্ন দলের বিভিন্ন কর্মসূচি এবং দাবিদাওয়া থাকতে পারে। এই ভিন্নমতের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা রাখতে হবে। কিন্তু ফ্যাসিবাদবিরোধী শক্তির বিভাজনের ফলে আওয়ামী ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার পথ সুগম হয়, এমন কোন পদক্ষেপের সাথে গণঅধিকার পরিষদ যুক্ত হবেনা, তবে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের পুরোপুরি বিনাশে ঐক্য গঠনের পথে আমরা ইতোমধ্যে দলীয় কার্যালয়ে বহুদলীয় বৈঠক ও শাহবাগে সংহতি সমাবেশ করেছি। ’
তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য পুরো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এবং সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচার কায়েম করা।  সেজন্য পুরো জাতি ও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বিভেদ এড়িয়ে এক ও ঐক্যবদ্ধ থাকার কোন বিকল্প নাই। বিভাজনের যেকোন সুযোগে আওয়ামী লীগ ফিরবে দ্বিগুণ শক্তি নিয়ে। তখন কারো শেষরক্ষা হবেনা। তাই আসুন এক থাকি, যে আহ্বান গতকাল মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা দলগুলোর প্রতি করেছেন।’

সাবেক মন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ

সাবেক সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূরের নামে থাকা চারটি ফ্ল্যাট ও ১০ কাঠা জমি জব্দ করেছে আদালত। একইসঙ্গে তার নামে থাকা ১৬টি ব্যাংক হিসাবও অবরুদ্ধ করা হয়েছে।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মহানগর দায়রা জজ মো. সাব্বির ফয়েজ দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের ভিত্তিতে এ আদেশ দেন। দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা আক্তারুল ইসলাম এ তথ্য জানান।
এদিন দুদকের পক্ষে সংস্থাটির সহকারী পরিচালক মো. ফেরদৌস রহমান এ আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত আবেদনটি মঞ্জুর করেন।
এর আগে গত ৩০ জুলাই পাঁচ কোটি ৩৭ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন এবং ১৫৮ কোটি ৭৮ লাখ টাকার বেশি মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে মামলা করে দুদক।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসাদুজ্জামান নূর ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৫ কোটি ৩৭ লাখ ১ হাজার ১৯০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করেছেন এবং তা নিজের দখলে রেখেছেন।
এছাড়া আসাদুজ্জামান নূরের নামে থাকা বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ১৯টি হিসাবে ১৫৮ কোটি ৭৮ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯৮ টাকার সন্দেহজনক লেনদেন হয়েছে। এই লেনদেনের মাধ্যমে অর্থ স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তরের অভিযোগ আনা হয়েছে, যা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ও দুদক আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আসাদুজ্জামান নূরের বিভিন্ন ব্যাংক হিসাবে ৮৫ কোটি ৭২ লাখ ৬৬ হাজার ৫৯৩ টাকা জমা এবং ৭৩ কোটি ৫ লাখ ৮১ হাজার ৩০৫ টাকা উত্তোলন হয়েছে। এসব লেনদেনের উৎস অস্পষ্ট।
উল্লেখ্য, গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর বেইলী রোডে নিজ বাসা থেকে আসাদুজ্জামান নূরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে আটক রয়েছেন।

নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারকে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন ও ভারতের সমর্থন

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, চীন ও ভারত নেপালের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে সাবেক প্রধান বিচারপতি সুশিলা কার্কির দায়িত্ব গ্রহণকে স্বাগত জানিয়েছে।
রোববার কাঠমান্ডুস্থ মার্কিন দূতাবাস এক বিবৃতিতে প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউডেল ও তরুণ নেতৃত্বকে গণতান্ত্রিক সমাধানের প্রতি অঙ্গীকারের জন্য প্রশংসা জানায় এবং প্রাণহানির ঘটনায় শোক প্রকাশ করে।
মার্কিন দূতাবাসের বিবৃতিতে বলা হয়, নেপালি সেনাবাহিনী ও সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগদেলের ভূমিকা দেশে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা ও বেসামরিক সরকারের শান্তিপূর্ণ রূপান্তর নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ছিল। যুক্তরাষ্ট্র ঘোষণা করেছে, আগামী ছয় মাসের মধ্যে নতুন সংসদ নির্বাচন আয়োজনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তারা অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রোববার সুশিলা কার্কিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, চীন ও নেপালের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব রয়েছে। নেপালের জনগণ যে উন্নয়নের পথ স্বাধীনভাবে বেছে নিয়েছে, চীন তা সবসময় শ্রদ্ধা করে। আমরা পাঁচ নীতির ভিত্তিতে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান জোরদার, নানা ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে নেপালের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।’
এছাড়া যুক্তরাজ্যও কার্কির দায়িত্ব গ্রহণকে ‘গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ’ আখ্যা দিয়েছে।
শুক্রবার ফেসবুক পোস্টে কাঠমান্ডুস্থ ব্রিটিশ দূতাবাস জানায়, ‌‘আরটি. অন. সুশিলা কার্কির অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ এ সপ্তাহের ঘটনার পর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। নেপালের দীর্ঘদিনের বন্ধু হিসেবে আমরা সামনের চ্যালেঞ্জগুলো স্বীকার করি এবং জবাবদিহিমূলক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনব্যবস্থার প্রতি নেপালি জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে সমর্থনের প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।’
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম এক্সে পোস্ট করে কার্কিকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেছেন, ‌‘নেপালের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য আরটি অন সুশিলা কার্কিকে শুভেচ্ছা। ভারত নেপালের জনগণের শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধির প্রতি দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’
ভারতের পক্ষ থেকে এটি ছিলো নেপাল পরিস্থিতিতে প্রথম প্রতিক্রিয়া।
সুশিলা কার্কি নেপালের ইতিহাসে প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। গত শুক্রবার রাতে শীতল নিবাসে শপথ নেওয়া এই অন্তর্বর্তী সরকারকে ছয় মাসের মধ্যে নতুন সংসদ নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রীরও পদত্যাগ চায় জেন-জি

অস্থির নেপাল স্থির হতে না হতেই আবারও আন্দোলনের হাওয়া বইছে কাঠমান্ডুতে। রাজনৈতিক সংকট রূপ নিয়েছে নতুন পর্বে। এবার দেশটির অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কিরও পদত্যাগ চাইছেন জেন-জিরা।
রোববার মধ্যরাতে আন্দোলনের প্রথম সারিতে থাকা সুদান গুরুংয়ের নেতৃত্বে বালুওয়াতারে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ করেন তারা। সুশীলার পদত্যাগ চেয়ে স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা। সোমবার নেপালে অন্তর্বর্তী সরকারে যুক্ত হন তিন মন্ত্রী। এদিন দুপুরে শীতল নিবাসে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে শপথ নেন তারা।
রোববার মধ্যরাতের কিছু আগেই এই অনুমোদন দেন সুশীলা। আর এতেই ঘটে বিপত্তি। আবারও ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন তরুণরা। অভিযোগ, তাদের সঙ্গে পরামর্শ না করেই মন্ত্রিসভার সদস্যদের নিয়োগ দিয়েছেন সুশীলা। কাঠমান্ডু পোস্ট।
বিক্ষোভকারীরা বলেছেন, তরুণদের সঙ্গে পরামর্শ না করেই মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করা হয়েছে।
গুরুং ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, ‘আমরা যদি আবার রাস্তায় নামি, কেউ আমাদের থামাতে পারবে না। আমরা যেখান থেকে নেতা বসিয়েছি, সেখান থেকেই তুলে ফেলব।’
তিনি অভিযোগ করে বলেছেন, অ্যাডভোকেট ওম প্রকাশ আর্যাল ভেতর থেকেই নিজেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বানাচ্ছেন! এতে গত সপ্তাহের বিক্ষোভে হতাহতদের স্বজনদেরও সঙ্গে এনেছিলেন গুরুং।
মন্ত্রণালয়ে সাবেক অর্থসচিব রমেশ্বর খনালকে অর্থমন্ত্রী, আইনজীবী ওম প্রকাশ আর্যালকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এবং নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের সাবেক নির্বাহী পরিচালক কুলমান ঘিসিংকে জ্বালানি ও সেচমন্ত্রী হিসাবে নিয়োগ দিয়েছেন নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী সুশীলা।
রোববার তাদের নাম ঘোষণা করা হয়। সোমবার দুপুরে শীতল নিবাসে আয়োজিত বিশেষ অনুষ্ঠানে শপথ নেন তারা। প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পৌডেল তাদের শপথবাক্য পাঠ করান। পাশাপাশি ঘিসিংকে পদ্ম কাঠামো ও পরিবহণ এবং নগর উন্নয়ন ও অতিরিক্ত আরও দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এগুলো হলো, পদ্ম কাঠামো, পরিবহণ ও নগর উন্নয়ন। এ তিনজনসহ সুশীলার নতুন কার্যালয়ে সর্বোচ্চ থাকছেন ১৫ জন।
স্বরাষ্ট্র ও আইনমন্ত্রী ওম প্রকাশ আর্যাল : সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ওম প্রকাশ আর্যালকে স্বরাষ্ট্র ও আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
২০১৬ সালে তিনি দুর্নীতি দমন কমিশনের (সিআইএএ) প্রধান লোকমান সিং কার্কির নিয়োগের বিরুদ্ধে রিট করে ব্যাপক আলোচনায় আসেন তিনি। পরে ওই মামলার রায়েই কার্কির অভিশংসনের পথ খোলে। সম্প্রতি তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি অলি ও ভূমি ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী বালা রাম অধিকারীর বিরুদ্ধে গিরিবন্ধু চা বাগান জমি কেলেঙ্কারিতে আদালতের রায় বাস্তবায়ন না করার অভিযোগে রিট দায়ের করেছিলেন। আর্যাল অতীতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সদস্য ও আন্তর্জাতিক আইন সংস্থা (আইসিজে) জেনেভা অফিসে কর্মরত ছিলেন।
অর্থমন্ত্রী রমেশ্বর খানাল:
প্রশাসনে তিন দশকের অভিজ্ঞ সাবেক অর্থ সচিব রমেশ্বর খনালকে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সরকারি হিসাব, করনীতি ও ক্রয়নীতিতে সংস্কার আনার কৃতিত্ব তার। তিনি কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও নেপাল রাষ্ট্র ব্যাংকসহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের বোর্ডে দায়িত্ব পালন করেছেন। গত বছর তার নেতৃত্বে গঠিত উচ্চস্তরের অর্থনৈতিক সংস্কার কমিশন সম্প্রতি ৪৪০ পৃষ্ঠার সুপারিশপত্র প্রকাশ করেছে, যেখানে ভারতীয় রুপির সঙ্গে স্থায়ী বিনিময় হার পুনর্বিবেচনা ও রাজনৈতিক দলগুলোকে অনুদান দেওয়ার প্রস্তাব রাখা হয়। খনাল ঘোষণা দিয়েছেন, তিনি বেতন, সরকারি বাড়ি, গাড়ি বা দেহরক্ষী নেবেন না।
অবকাঠামো ও জ্বালানি মন্ত্রী কুলমান ঘিসিং:
বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে পরিচিত কুলমান ঘিসিংকে জ্বালানি, পানি সম্পদ ও সেচ, নগর উন্নয়ন এবং শারীরিক অবকাঠামো ও পরিবহন এই তিনটি গুরত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ২০১৬ সালে নেপাল বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষের প্রধান হিসেবে তিনি শিল্প কারখানায় বিশেষ সংযোগ বন্ধ করে জনগণের মধ্যে বিদ্যুৎ বণ্টন করেন। পাশপাশি দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টার লোডশেডিং বন্ধ করতে সক্ষম হন। তার নেতৃত্বে নতুন জলবিদ্যুৎ প্রকল্প চালু হওয়ায় বর্তমানে নেপাল বিদ্যুৎ উদ্বৃত্ত দেশে পরিণত হয়েছে।

গাড়ি পোড়ানোর মামলায় মির্জা ফখরুলসহ ৭৭ জনকে অব্যাহতি

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা মহানগর দায়রা জজ সাব্বির ফয়েজের আদালত পুলিশের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে আসামিদের অব্যাহতি দেন।

এ মামলায় উল্লেখযোগ্য অপর আসামিরা হলেন– বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন-নবী খান সোহেল, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, খায়রুল কবির খোকন, বিএনপি নেতা সাইফুল আলম নিরব, সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু।

‎মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করতে এসব মামলা দায়ের করা হয়েছিল। পুলিশ তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা না পেয়ে তাদের অব্যাহতির সুপারিশ করে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। আদালত সে প্রতিবেদন আমলে নিয়ে আসামিদের অব্যাহতি দেন।

‎‎মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় হাইকোর্টে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। আগের দিন ১১ ডিসেম্বর রাজধানীর শাহবাগ থানার বার কাউন্সিলের নির্মাণাধীন প্রধান ফটকের সামনে দুষ্কৃতকারীরা মোটরসাইকেলসহ যানবাহনে অগ্নিসংযোগ করে ক্ষতিসাধন করে। আসামিরা জামিন শুনানির রায়কে প্রভাবিত করার লক্ষ্যে এবং বিচার বিভাগকে চাপ প্রয়োগের জন্য মোটরসাইকেলে অগ্নিসংযোগ করায় পুলিশ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে।

‎মামলাটির তদন্ত শেষে চলতি বছরের ১০ মে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ৭৭ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা।

আগস্টে সড়কে নিহত ৪২৮ জন : রোড সেফটি ফাউন্ডেশন

গত আগস্ট মাসে সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা ঘটেছে ৪৫১টি। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৪২৮ জন এবং আহত হয়েছেন ৭৯১ জন। নিহতের মধ্যে নারী ৬৮ জন ও শিশু ৩৪ জন। এরমধ্যে ১৪৪টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ১৩২ জন, যা মোট নিহতের ৩০.৮৪ শতাংশ। মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার হার ৩১.৯২ শতাংশ। দুর্ঘটনায় ৮৩ জন পথচারী নিহত হয়েছেন, যা মোট নিহতের ১৯.৩৯ শতাংশ। যানবাহনের চালক ও সহকারী নিহত হয়েছেন ৫২ জন, ১২.১৪ শতাংশ।

এই সময়ে ১৯টি নৌ-দুর্ঘটনায় ২৩ জন নিহত, ১৭ জন আহত এবং ৯ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ৩৭টি রেল ট্র্যাক দুর্ঘটনায় ৩১ জন নিহত এবং ১১ জন আহত হয়েছেন।

সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) সংবাদ মাধ্যমে রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক সাইদুর রহমানের পাঠানো দুর্ঘটনা প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানা যায়। ফাউন্ডেশনটি ৯টি জাতীয় দৈনিক, ৭টি অনলাইন নিউজ পোর্টাল, বিভিন্ন ইলেকট্রনিক মিডিয়া এবং নিজস্ব তথ্যের ভিত্তিতে প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দুর্ঘটনায় যানবাহনভিত্তিক নিহতের পরিসংখ্যানে দেখা যায় মোটরসাইকেল চালক ও আরোহী ১৩২ জন, বাসের যাত্রী ৩০ জন, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান-পিকআপ-ট্রলি-লরি আরোহী ২৭ জন, প্রাইভেটকার-মাইক্রোবাস-অ্যাম্বুলেন্স আরোহী ২১ জন, থ্রি-হুইলার যাত্রী (সিএনজি-অটোরিকশা-অটোভ্যান-লেগুনা) ৯৭ জন, স্থানীয়ভাবে তৈরি যানবাহনের যাত্রী (নসিমন-ভটভটি-টমটম-মাহিন্দ্র) ৩৩ জন এবং বাইসাইকেল আরোহী ৫ জন নিহত হয়েছেন।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষণ বলছে, দুর্ঘটনাগুলোর মধ্যে ২১৪টি জাতীয় মহাসড়কে, ১৩৫টি আঞ্চলিক সড়কে, ৪২টি গ্রামীণ সড়কে এবং ৬০টি শহরের সড়কে সংঘটিত হয়েছে। দুর্ঘটনাগুলোর ৯০টি মুখোমুখি সংঘর্ষ, ২০৭টি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে, ৮৫টি পথচারীকে চাপা/ধাক্কা দেওয়া, ৬২টি যানবাহনের পেছনে আঘাত করা এবং ৭টি অন্যান্য কারণে ঘটেছে।

ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১১৯টি দুর্ঘটনায় ১১৭ জন নিহত হয়েছেন। বরিশাল বিভাগে সবচেয়ে কম ১৮টি দুর্ঘটনায় ১৬ জন নিহত হয়েছেন। একক জেলা হিসেবে ঢাকা জেলায় ৩৬টি দুর্ঘটনায় ৩২ জন নিহত হয়েছেন। সবচেয়ে কম চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায়। এই জেলায় ৬টি দুর্ঘটনায় এক জন নিহত হয়েছেন। রাজধানী ঢাকায় ৩৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৫ জন নিহত এবং ৪৬ জন আহত হয়েছেন।

সড়ক দুর্ঘটনার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে— ত্রুটিপূর্ণ যানবাহন; ত্রুটিপূর্ণ সড়ক; বেপরোয়া গতি; চালকদের বেপরোয়া মানসিকতা, অদক্ষতা ও শারীরিক-মানসিক অসুস্থতা; বেতন-কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট না থাকা; মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন চলাচল; তরুণ-যুবদের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো; জনসাধারণের মধ্যে ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানার প্রবণতা; দুর্বল ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা; বিআরটিএ’র সক্ষমতার ঘাটতি এবং গণপরিবহন খাতে চাঁদাবাজিকে।

সুপারিশ হিসেবে বলা হয়েছে— দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ বৃদ্ধি করতে হবে; চালকদের বেতন-কর্মঘণ্টা নির্দিষ্ট করতে হবে; বিআরটিএ’র সক্ষমতা বৃদ্ধি করতে হবে; পরিবহন মালিক-শ্রমিক, যাত্রী ও পথচারীদের প্রতি ট্রাফিক আইনের বাধাহীন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে; মহাসড়কে স্বল্পগতির যানবাহন বন্ধ করে এগুলোর জন্য আলাদা পার্শ্ব রাস্তা (সার্ভিস রোড) তৈরি করতে হবে; পর্যায়ক্রমে সব মহাসড়কে রোড ডিভাইডার নির্মাণ করতে হবে; গণপরিবহনে চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে; রেল ও নৌ-পথ সংস্কার করে সড়ক পথের উপর চাপ কমাতে হবে; টেকসই পরিবহন কৌশল প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে এবং সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮ বাধাহীনভাবে বাস্তবায়ন করতে হবে

বাবা-মার নজরদারিতে সবসময় থাকেন তৃপ্তি দিমরি

বলিউডের জনপ্রিয় তরুণী অভিনেত্রী তৃপ্তি দিমরি নিজের ব্যক্তিজীবনের এক মজার অভিজ্ঞতা শেয়ার করলেন। সম্প্রতি এক পডকাস্ট অনুষ্ঠানে তিনি জানান, অভিনয়ে সাফল্য পাওয়ার পরও বাবা-মায়ের কঠোর নজরদারির বাইরে তিনি যেতে পারেন না।

তৃপ্তির ভাষায়, ‘আমার বাবা-মা খুবই নিয়মকানুন মানা মানুষ। তাদের মতে, লেখাপড়া করো, চাকরি করো, বিয়ে করো-এতেই জীবন শেষ। এর বাইরে কিছু ভাবার সুযোগ নেই।’

তিনি হাস্যরসের সঙ্গে আরও বলেন, ‘আমার বাবা-মা গুগলে প্রতিদিন আমার নাম সার্চ করেন। কী খবর বেরোলো, কোথায় কী বললাম, সবই তারা খুঁটিয়ে দেখেন। তাদের চোখ এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।’

অভিনয়ের ব্যস্ত জীবনের মাঝেও বাবা-মায়ের এই বাড়তি নজরদারিকে তৃপ্তি বেশ সহজভাবে নিয়েছেন। তিনি বলেন, এতে তার খারাপ লাগে না, বরং মজাই লাগে।

বর্তমানে বলিউডের সবচেয়ে আলোচিত ও ব্যস্ত নায়িকাদের তালিকায় রয়েছেন তৃপ্তি দিমরি। তবে গ্ল্যামার ও জনপ্রিয়তার আড়ালেও বাবা-মায়ের কড়া শাসন আর নজরদারি তার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।

শুরুতেই দুই উইকেট হারিয়ে চাপে বাংলাদেশ

এশিয়া কাপের দ্বিতীয় ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে টস হেরে ব্যাটিং করতে নামে বাংলাদেশ। শুরুতেই বিপর্যয়ের মুখে পড়ে বাংলাদেশ। নুয়ান তুষারার প্রথম ওভারের তিন নম্বর বোলে আউট হন তানজিদ হাসান তামিম। শূন্য রানে প্রথম ওভার শেষ করেন টাইগাররা। দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বোলে উইকেট ক্যাপারের হাতে বল তুলে দিয়ে সাজঘরে ফিরেন পারভেজ হোসেন ইমন। দ্বিতীয় ওভারেও নিজেদের ঝুঁলিতে রান তুলতে পারেননি টাইগাররা।
শনিবার আবু ধাবির শেখ জায়েদ স্টেডিয়ামে টস জিতে বাংলাদেশ দলকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে শ্রীলংকা। ম্যাচটি শুরু হয় বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টায়। একাদশে এক পরিবর্তন এনেছে বাংলাদেশ। তাসকিন আহমেদের জায়গায় এসেছেন শরিফুল ইসলাম।
বাংলাদেশের একাদশ
তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, লিটন দাস (অধিনায়ক এবং উইকেটরক্ষক), তাওহীদ হৃদয়, জাকের আলী অনিক, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, শেখ মেহেদী হাসান, রিশাদ হোসেন, তানজিম হাসান সাকিব, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান।
শ্রীলঙ্কার একাদশ
পাতুম নিশাঙ্কা, কুশল মেন্ডিস, কুশল পেরেরা, চরিত আসালাঙ্কা (অধিনায়ক), কামিন্দু মেন্ডিস, দাসুন শানাকা, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, দুষ্মন্ত চামিরা, বিনুরা ফার্নান্দো, নুয়ান তুষারা।

ম্যাড়ম্যাড়ে ম্যাচে পাকিস্তানকে গুঁড়িয়ে দিল ভারত

ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ মানেই যেন বিশেষ কিছু। তবে সাম্প্রতিক সময়ে মাঠের বাইরে যতটা উত্তাপ, মাঠে ঠিক ততটাই ম্যাড়ম্যাড়ে এই লড়াই। আজও তার ব্যতিক্রম হলো না। দুবাইতে এশিয়া কাপের গ্রুপ পর্বের ম্যাচে পাকিস্তানকে গুঁড়িয়ে দিয়েছে ভারত। ৭ উইকেটের জয়ে টুর্নামেন্টের প্রথম দল হিসেবে সুপার ফোরের খুব কাছে পৌঁছে গেল ভারত।
দুবাই আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে টসে জিতে ব্যাটিং নিয়েছিল পাকিস্তান। ইনিংসের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত কখনোই থিতু হতে পারেনি পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপ। রানের খাতা না খুলেই হার্দিক পান্ডিয়ার বলে প্যাভিলিয়নে ফেরেন ওপেনার সায়েম আইয়ুব।
সেই শুরু, এরপর নিয়মিত বিরতিতেই উইকেট হারিয়ে ধুঁকেছে পাকিস্তান। স্রোতের বিপরীতে লড়াই চাইলে গেছেন শুধু সাহিবজাদা ফারহান। ৪৪ বলে তার ৪০ রানের ইনিংসটি পাকিস্তানকে কিছুটা পথ দেখিয়েছে।
শেষের দিকে শাহিন আফ্রিদির ৪ ছক্কায় সাজানো ১৬ বলে ৩৩ রানের ক্যামিওর সুবাদে ৯ উইকেটে ১২৭ রানের পুঁজি পায় পাকিস্তান। ১৮ রানে ৩ উইকেট নিয়ে ইনিংসের সেরা বোলার কুলদিপ যাদব।
১২৮ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে কখনোই বিপদে পড়েনি ভারত। অভিষেক শর্মার ঝড়ো ইনিংসে দারুণ সূচনা পায় ভারত। ৪টি চার ও ২টি ছক্কায় ১৩ বলে ৩১ রানে ফিরেছেন অভিষেক।
তিলক ভারমা করেছেন ৩১ বলে ৩১। ভারতকে জয় এনে দিয়েই মাঠ ছেড়েছেন অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। তিনি অপরাজিত ছিলেন ৩৭ বলে ৪৭ রানে।
শেষ পর্যন্ত ৭ উইকেট ও ২৫ বল বাকি থাকতেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় ভারত। ২ ম্যাচে ৪ পয়েন্ট নিয়ে সুপার ফোরের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছেন তারা।