৪৪৬ কোটি টাকায় এক লাখ টন চাল কিনবে সরকার
বাংলাদেশের নতুন রেকর্ড, এক বছরে ৩৬ কারখানা পেল আন্তর্জাতিক ‘সবুজ’ সনদ
সরকার এখন থেকেই পুরোপুরি ‘কেয়ারটেকার’ মুডে চলে যাক: আমীর খসরু
গণভোটের আগে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সুযোগ নেই
পাকিস্তানের সঙ্গে কোনও যুদ্ধ নয়’— ট্রাম্প-মোদির ফোনালাপে আলোচনা
ইসরায়েল আমেরিকার আশ্রিত রাজ্য নয়: নেতানিয়াহু
ফেব্রুয়ারিতে উৎসবমুখর নির্বাচনের জন্য সরকার সব কিছু করছে: প্রধান উপদেষ্টা
বাতিল ইভিএম, ফিরল ‘না ভোট’
মাগুরা চাউলিয়া ইউনিয়নে মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত।
শিক্ষা, সমতা ও উন্নয়ন এই প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে নিয়ে মাগুরা সদর উপজেলার ৯ নং চাউলিয়া ইউনিয়নে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মহিলাদল মাগুরা ৯ নং চাউলিয়া ইউনিয়নে মহিলা সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার ২০ অক্টোবর বিকাল ৩ টার সময় মালিকগ্রাম বোর্ড অফিস মাঠ প্রাঙ্গণে মাগুরা ৯ নং চাউলিয়া ইউনিয়ন মহিলা দলের আয়োজনে সমাবেশ হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, ৯ নং চাউলিয়া ইউনিয়ন মহিলা দলের সভাপতি বেদেনা বেগম ও সঞ্চালনা করেন ৯ নং চাউলিয়া ইউনিয়ন মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রুপিয়া বেগম।
উপস্থাপনা করেন মাগুরা পৌর শাখা মহিলা দলের আহবায়ক খুরশিদা ইয়াসমিন ইতি ও সার্বিক সহযোগিতায় মাগুরা সদর উপজেলা মহিলা দলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক হোসনেআরা খাতুন পলি।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটি সহ-ত্রাণ ও পুর্নবাসন বিষয়ক সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কমিটি মহিলা দল সহ-সভাপতি ও সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট নেওয়াজ হালিমা আরলী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মাগুরা জেলা মহিলা দল সভাপতি উম্বিয়া কুলসুম উর্মি ও মাগুরা জেলা মহিলা দল সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট ফারহানা পারভীন বিউটি।
এছাড়াও উপস্থিত সম্মানিত বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মাগুরা জেলা বিএনপি সদস্য এ্যাডভোকেট কবির, মাগুরা জেলা মহিলা দলের সহ-সভাপতি পারভীন আক্তার শিউলী, মাগুরা জেলা বিএনপি মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক জেসমিন আক্তার স্মৃতি, মহিলা দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক-১ সাবিনা ইয়াসমিন মেরী, জেলা মহিলা দলের প্রচার সম্পাদক শিরিনা পারভীন, মাগুরা জেলা মহিলা দলের বন ও পরিবেশ সম্পাদিকা জোছনা পারভীন, শ্রীপুর উপজেলা মহিলা দলের সাবেক সভাপতি অধ্যাপিকা শাহানা ফেরদৌস হ্যাপি, মাগুরা জেলা কৃষক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মাগুরা সদর কৃষক দলের সাবেক আহবায়ক এহসানুল হক পলাশ, ২ নং ওয়ার্ডের মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদক রুবি ফারহানা, সদস্য রেজিনা কবির, পৌর শাখা ৪ নং ওয়ার্ডের সভাপতি রুমা খাতুন, সাধারণ সম্পাদক জাহানারা, সহ-সভাপতি বিলকিস খাতুন, মহিলা দলের পৌরশাখা সদস্য সুমি, পৌর শাখা যুগ্ম আহবায়ক সুমা খাতুন, সদর থানা মহিলা দলের সদস্য সচিব আঞ্জুয়ারা আক্তার লিজা, থানা আহবায়ক রত্মা পারভীন, সদর থানা মহিলা দলের যুগ্ম আহবায়ক নুরজাহান, পৌর সদস্য সচিব বিউটি খাতুন, মহিলা দলের সদস্য সাবরিনা সুলতানা লাইজু, শালিখা উপজেলা মহিলা দলের সভানেত্রী কবিতা খান, চাউলিয়া ইউনিয়ন মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মেরিনা খাতুন, সহ-সভাপতি শরিফা সাবরিনা সুলতানা, বগিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাথী পারভীন শেফালী, মাগুরা জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক কমিটি মোঃ রাজু খান, মাগুরা সদর থানা জাসাস সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা কামাল নিরন শেখ, সদর কৃষক দলের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুল ইসলাম, চাউলিয়া ১ নং ওয়ার্ড বিএনপি সদস্য মোঃ ওলিউল্ল্যাহ, মহিলা দলের সদস্য মাছুমা খাতুন মিম সহ প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ্যাডভোকেট নেওয়াজ হালিমা আরলী বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মৃত মানুষের ভোট হয়ে গেছে রাতের অন্ধকারে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের জন্য আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে হবে। অতীতের ফ্যাসিস্ট সরকার শেখ হাসিনা বিএনপির উপর অনেক জুলুম অত্যাচার চালিয়েও অন্যদলে যোগদান করাতে পারেনি। এছাড়াও শেখ হাসিনা দুপুরের গরম ভাত রেখে তার আদরের পোষা প্রাণীদের রেখে এককাপড়ে পালিয়ে গিয়ে ছিলো সরকার পতনের সময় গত ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট তারিখে। এছাড়াও জামায়াত ইসলামী সহ অন্যান্য সংগঠনের লোকজন বাড়ি বাড়ি গিয়ে মহিলাদের বেহেশতের টিকিট দিয়ে তাদের কন্ট্রোল করে নিচ্ছে। আগামীতে তারেক রহমানের নেতৃত্বে সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলকে একযোগে নির্বাচনের কাজ করতে হবে।
বেশিরভাগ আমেরিকান ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পক্ষে: জরিপ
বেশিরভাগ আমেরিকান নাগরিক মনে করেন, যুক্তরাষ্ট্রের এখনই ফিলিস্তিনকে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এবং জরিপ প্রতিষ্ঠান ইপসোস পরিচালিত এক যৌথ সমীক্ষায় উঠে এসেছে এমনই ফলাফল।
রয়টার্স-ইপসোসের এই ছয় দিনব্যাপী অনলাইন জরিপ সোমবার শেষ হয়। বুধবার প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, জরিপে অংশ নেওয়া ৫৯ শতাংশ আমেরিকান ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতির পক্ষে মত দিয়েছেন। অপরদিকে, ৩৩ শতাংশ এ সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন এবং বাকিরা এ বিষয়ে অনিশ্চিত কিংবা কোনো মতামত দেননি।
দলীয়ভাবে দেখা গেলে, ডেমোক্র্যাটদের ৮০ শতাংশ এবং রিপাবলিকানদের ৪১ শতাংশ ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। তবে ট্রাম্পের নেতৃত্বাধীন রিপাবলিকানদের মধ্যে প্রায় ৫৩ শতাংশ এখনও ফিলিস্তিনের স্বীকৃতির বিরোধী।
এই সমীক্ষা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, ট্রাম্প প্রশাসনের অবস্থান মার্কিন জনগণের সামগ্রিক মতামতের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
সাম্প্রতিক সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলোর অনেকেই ফিলিস্তিনকে আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে— এর মধ্যে রয়েছে ব্রিটেন, কানাডা, ফ্রান্স ও অস্ট্রেলিয়া। তবে এসব দেশের সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা করেছে ইসরায়েল।
ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পর ১৯৪৮ সাল থেকে ফিলিস্তিন অঞ্চলে অব্যাহত সংঘাতে এখন পর্যন্ত লাখ লাখ ফিলিস্তিনি বাস্তুচ্যুত হয়েছেন, আর প্রাণ হারিয়েছেন হাজার হাজার মানুষ।
২০২৩ সালের অক্টোবরে গাজা উপত্যকার ক্ষমতাসীন গোষ্ঠী হামাস ইসরায়েলে আকস্মিক হামলা চালায়, যাতে এক হাজার ২০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হন এবং ২৫০ জনের বেশিকে ধরে নিয়ে গাজায় জিম্মি করা হয়। এর পরদিন থেকেই গাজায় ব্যাপক হামলা শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী। টানা বোমা হামলায় ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকা পরিণত হয়েছে ধ্বংসস্তূপে।
জরিপে অংশগ্রহণকারী প্রায় ৬০ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন, হামাসের হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইসরায়েল অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করেছে। অপরদিকে, ৩২ শতাংশ এই মতের বিরোধিতা করেছেন।
গত জানুয়ারিতে দ্বিতীয় মেয়াদে হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইসরায়েলকে অর্থ ও অস্ত্র দিয়ে সহায়তা করে আসছেন। পাশাপাশি গাজা যুদ্ধে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকাও পালন করছেন তিনি।
রয়টার্স-ইপসোসের জরিপে আরও দেখা যায় ৫১ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, যদি ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা ও যুদ্ধ-পরবর্তী শান্তি প্রক্রিয়ায় সফল হন তবে তিনি ‘গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতির যোগ্য’ হবেন। অন্যদিকে ৪২ শতাংশ এই বিষয়ে একমত নন।
রয়টার্স ও ইপসোসের যৌথভাবে পরিচালিত এই অনলাইন জরিপে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ৪ হাজার ৩৮৫ জন অংশ নিয়েছেন।


