Home Blog Page 350

তাসকিনের বিরুদ্ধে বন্ধুকে মারধরের অভিযোগ থানায়

বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের তারকা পেসার তাসকিন আহমেদের বিরুদ্ধে বাল্যবন্ধুকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বন্ধু সৈকত মিরপুর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

মিরপুর মডেল থানা পুলিশ অভিযোগের বিষয়টি স্বীকার করলেও সেটা জিডি হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়নি বলে নিশ্চিত করেছেন। প্রাথমিক তদন্ত চলছে। সত্যতা মিললে পরবর্তী আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

জানতে চাইলে মিরপুর মডেল থানার (ওসি) সাজ্জাদ রোমন বলেন, তাসকিনের বাল্যবন্ধু একটা অভিযোগ করেছেন। তারা একে অপরের পরিচিত। স্পেসিফিকভাবে মারধর করার কথা লেখেননি। আজকে ভোরে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে কিল-ঘুষি মারার অভিযোগ করেছেন। আমরা বিষয়টি জিডি না, অভিযোগ হিসেবে গ্রহণ করে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য অনুসন্ধান করছি। সত্যতা পেলে পরিবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এ বিষয়ে কথা বলতে তাসকিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তবে বিসিবি পরিচালক ও আম্পায়ার্স কমিটির চেয়ারম্যান ইফতেখার রহমান মিঠু বলেন, ‘সকালে দেখলাম। আমাদের আমিনুল ইসলাম বুলবুল (বিসিবি সভাপতি) এবং ফাহিম ভাইও (ক্রিকেট অপারেশন্স প্রধান) দেখছেন। ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়ে গেছে। এটা যদি ঘটে থাকে তাহলে খুবই দুঃখজনক। আইকন প্লেয়ার এসবে জড়ানো উচিত না। আমি এই ব্যাপারে আর মন্তব্য করতে চাচ্ছি না। কি হয়েছে সেটা আগে বের হোক।’

তবে যিনি অভিযোগ করেছেন তিনি নিজেই আবার থানায় আসছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। বলেন, দেখি তিনি আবার কি বলতে চান।

আমিরের বাড়িতে হাজির ২৫ পুলিশ অফিসার

বলিউড অভিনেতা আমির খানের বাড়িতে হঠাৎ করেই ২৫ জন আইপিএস কর্মকর্তা হাজির হয়েছিলেন। রোববার সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় অবস্থিত তার বাসভবনের সামনে থেকে একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে, যেখানে দেখা যায় একাধিক পুলিশ গাড়ি ও একটি বাস আমিরের বাড়ি থেকে বেরিয়ে যাচ্ছে। এই ঘটনাটি মুহূর্তেই নেটদুনিয়ায় আলোচনার বিষয় হয়ে ওঠে।

ভিডিওর ক্যাপশনে দাবি করা হয়েছে, এই ২৫ জন আইপিএস কর্মকর্তার একটি বিশেষ দল আমির খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতেই তার বাড়িতে যান। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ নিয়ে এখনো পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।

নেটিজেনদের কৌতূহলের শেষ নেই। কেউ মন্তব্য করছেন, ‘সরফরোশ ২-এর প্রস্তুতি চলছে’, কেউ বলছেন, ‘নিশ্চয়ই নিমন্ত্রণ ছিল’, আবার অনেকে মনে করছেন এটি আমিরের সর্বশেষ ছবি ‘সিতারে জামিন পর’-এর প্রমোশনাল কৌশলও হতে পারে। কারণ ছবিটি গত মাসে মুক্তি পেয়েছে এবং শিশুকেন্দ্রিক এই সিনেমা দর্শকদের মধ্যে ভালো সাড়া ফেলেছে।

উল্লেখ্য, বর্তমানে আমির ব্যস্ত ‘লাহোর ১৯৪৭’ নামের একটি দেশাত্মবোধক ছবির পোস্ট-প্রোডাকশনের কাজে। এই ছবিতে তার সঙ্গে রয়েছেন সানি দেওল।

ব্যাংককের বাজারে গুলিতে নিহত ৫, পরে বন্দুকধারীর আত্মহত্যা

থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের অর টর কোর মার্কেটে এক বন্দুকধারীর গুলিতে ৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে অধিকাংশই ছিলেন নিরাপত্তারক্ষী। সোমবার দেশটির পুলিশ এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, হামলার পর সন্দেহভাজন বন্দুকধারী আত্মহত্যা করেছে।

তবে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারক থাই পিবিএস জানিয়েছে, ব্যাংককের চাতুচাক জেলার ওর টর কোর মার্কেটে সন্দেহভাজন ব্যক্তি গুলি চালিয়ে পাঁচজনকে হত্যা করে এবং পরে নিজের ওপরও গুলি চালায়।

সন্দেহভাজনের এই হামলার উদ্দেশ্য নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষ তদন্ত শুরু করেছে। ব্যাংককের ব্যাং সু জেলার উপ-পুলিশ প্রধান ওরাপাত সুকথাই বলেছেন, ‘পুলিশ তদন্ত করছে। এখন পর্যন্ত এটি একটি গণহত্যা।’

কর্তৃপক্ষ বন্দুকধারীর পরিচয় এবং থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে চলমান সীমান্ত সংঘর্ষের সঙ্গে সম্ভাব্য যোগসূত্র নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে। তাজা পণ্য এবং জনপ্রিয় চাতুচাক সপ্তাহান্তের বাজারের কাছাকাছি অবস্থিত এই বাজারটি থাই রাজধানীর একটি ব্যস্ততম গন্তব্যস্থল।

ডেপুটি কমিশনার চারিন গোপাত্তা রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন, বন্দুকধারীসহ ছয়জন মারা গেছেন। এছাড়া এরাওয়ান জরুরি চিকিৎসা কেন্দ্র জানিয়েছে, হামলায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে চারজন নিরাপত্তা কর্মী এবং একজন মহিলা।

চাপ সৃষ্টি করে বিএনপিকে বেকায়দায় ফেলা যাবে না: মির্জা ফখরুল

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, চাপ সৃষ্টি করে বিএনপি’কে বেকায়দায় ফেলা যাবে না।তিনি বলেন, ‘আজকে যারাই চেষ্টা করুন না কেনো, আমাদেরকে (বিএনপি) বেকায়দায় ফেলার জন্য বিভিন্ন চাপ সৃষ্টি করে কোনো লাভ হবে না।’

আজ সোমবার সকালে শাহবাগ চত্বরে জাতীয়তাবাদী যুব দলের এক অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে আমাদের সামনে জুলাই-আগস্ট বিপ্লব যে সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছে নতুন বাংলাদেশ গড়বার, আমরা সেই নতুন বাংলাদেশ গড়তে চাই।

তিনি বলেন, একটা স্লোগান দিয়েছেন আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান- ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। এটার অর্থ কী? এটার অর্থ আমরা কারো কাছে মাথা নত করব না, আমরা অন্য কোনো দেশের দিকে তাকিয়ে থাকব না।

মির্জা ফখরুল আরো বলেন, ‘এই দেশের মানুষ লড়াই করেছে, লড়াই করতে জানে, লড়াই করে স্বাধীনতা এনেছে, লড়াই করে গণতন্ত্র রক্ষা করেছে এবং দেশকে মুক্ত করেছে।’

শাহবাগ চত্বরে জাতীয়তাবাদী যুব দলের উদ্যোগে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘গ্রাফিতি অঙ্কন’ অনুষ্ঠানের উদ্বোধন উপলক্ষে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে বিএনপি’র মহাসচিব নিজে রং তুলি নিয়ে স্ক্যানভাসে গ্রাফিতি আঁকার মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে মির্জা ফখরুল বলেন, আজকে নতুন বাংলাদেশকে গড়ে তুলতে হবে, যেই বাংলাদেশে যুবদল, ছাত্রদল ও বিএনপি’র দিকে তাকিয়ে সাধারণ মানুষ যেন বলে- ‘এরা ভালো মানুষ, ভালো দল’।

তিনি আরো বলেন, একটা কথা আছে ইংরেজিতে ‘পাবলিক পারসেপশন’ জনমত, জনগণের ধারণা এটাই কিন্তু রাজনীতির মূল নিয়ামক।

তিনি বলেন, জনগণ কী ভাবছে? এই যে আমার ভাই ওখানে ভ্যানে ফল বিক্রি করছেন, রিকশা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছেন রিকশা চালাচ্ছেন অথবা যিনি সবজি বিক্রি করছেন- তিনি কী ভাবছেন? আপনারা কি কখনো তাদের কাছে গিয়ে জিজ্ঞাসা করেছেন যে, ভাই যুদ্ধ তো একটা হয়ে গেলো। আমরা হাসিনাকে তাড়ালাম, এই যে গ্রাফিতি করছি, বড় বড় বই ছাপাবো, আপনার মতামতটা কী? বাংলাদেশের পরিবর্তনটা কী হলো?- তা জিজ্ঞাসা করেন তাকে।

তিনি বলেন, যদি সত্যিকার অর্থে এই দেশকে পরিবর্তন করতে চান, তাহলে জনসাধারণকে জিজ্ঞাসা করতে হবে যে, সে কী চায়? আমার ভ্যান চালক কী চায়, তার অবস্থার কতটা পরিবর্তন হয়েছে? আমার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর ব্যবসার কতটা পরিবর্তন হয়েছে। আজকে এই কথাগুলো বলছি এ জন্য যে, আজকে এর প্রয়োজন এসে গেছে।

সংস্কার প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা সারাক্ষণ সংস্কার কর্মসূচির সঙ্গে সহযোগিতা করছি, আমরা সারাক্ষণ সবাইকে নিয়ে কাজ করতে চাই।’

হাসিনার বিচার শুরু হলো না কেনো?- এমন প্রশ্ন রেখে বিএনপি’র মহাসচিব বলেন, ‘এক বছর হয়ে গেলো হাসিনার বিচার কাজ শুরু হলো না কেনো? এখনো পর্যন্ত সেই সমস্ত হত্যাকারীদের, যারা প্রকাশ্যে হত্যা করেছে, বিবিসির প্রতিবেদনে অডিওতে দেখাচ্ছে যে,  হাসিনা নির্দেশ দিয়েছে গুলি করো-এগুলো কেনো এখন পর্যন্ত আসেনি?’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা এমন কতগুলো বিষয় নিয়ে তর্ক-বির্তক করছি, এমন কতগুলো বিষয় নিয়ে আমরা নিজেদের মধ্যে কোন্দলে লিপ্ত হয়েছি, যা বাংলাদেশকে আরও পিছিয়ে দিতে পারে। ফ্যাসিস্টদের শক্তি যোগাতে পারে, ফ্যাসিস্টদের সুযোগ তৈরি করে দিতে পারে আবার নতুন করে বাংলাদেশের ওপর চেপে বসার।’

গত ১৫ বছরের বিএনপি’র নেতা-কর্মীদের ওপর ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের নিপীড়ন নির্যাতনের কথা তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, এই জুলাইয়ের আন্দোলনে যুবদলের ৭৯ জন শহীদ হয়েছেন, ছাত্রদলের ১৪২ জন শহীদ হয়েছে। শুধু কয়েকটি দল, কয়েকজন ছেলে-ছাত্র নয়, শিশু থেকে শুরু করে নব্বইয়ের বছরের বৃদ্ধ পর্যন্ত সেদিন রাস্তায় নেমে এসেছিল।

তিনি বলেন, ‘এই যে ত্যাগ, ২ হাজারের ওপরে মানুষ হারালাম, ছেলেদের হারালাম, আমাদের নেতা-কর্মীরা পঙ্গু হলো, চোখ হারালো তার একটাই তো লক্ষ্য, লক্ষ্যটা হচ্ছে, ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে বিদায় করে এই দেশে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা, একটা ন্যায্য সমাজ প্রতিষ্ঠা করা।’

৫ সমন্বয়কারী গ্রেফতারের খবরে বেদনায় নীল হয়ে গেছি উল্লেখ করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আজকে যখন পত্রিকায় দেখলাম, বেদনায় একেবারে নীল হয়ে গেছি। দেখলাম পাঁচ জন সমন্বয়কারীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তারা জোর করে একটি বাড়ি থেকে একজন সাবেক সংসদ সদস্যের কাছ থেকে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা আদায় করে নিয়েছে।

যুবদলের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ‘গোটা বাংলাদেশ তোমাদের দিকে চেয়ে আছে। তরুণ-যুবক যারা বদলে দিয়েছে, যারা পাল্টে দিয়েছে, সেই হাসিনার ক্ষমতার পতন ঘটিয়ে যারা তাকে দেশ থেকে বিতাড়িত করে দিয়েছে, তাদেরকেই তো এদেশ গড়ে তুলতে হবে। তাদেরকেই তো এদেশকে নির্মাণ করতে হবে, তাদেরকে ভবিষ্যতে একটা সুন্দর বাংলাদেশ তৈরি করতে হবে ন্যায্যতার ভিত্তিতে, মানবতার ভিত্তিতে।’

নির্বাচনে স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবে ৬০ হাজার সেনাসদস্য

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের সময় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রায় ৬০ হাজার সেনাসদস্য স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।

সোমবার (২৮ জুলাই) দুপুরে ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান তিনি।

এদিন নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বিভিন্ন স্টেক হোল্ডাদের সঙ্গে দ্বিতীয়বারের মতো বৈঠক করেন প্রধান উপদেষ্টা। বৈঠক শেষে এ বিষয়ে ব্রিফ করেন প্রেস সচিব।

ব্রিফিংয়ে শফিকুল আলম বলেন, বৈঠকে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে প্রায় ৬০ হাজারের মতো ট্রুপস নির্বাচনী ডিউটিতে থাকবেন। আপনারা জানেন, ৫ আগস্টের পর থেকে তারা মাঠে ডিউটিতে রয়েছেন। তাদের ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার আছে। আমরা আশা করছি, নির্বাচনের সময় তাদের বলিষ্ঠ ভূমিকা থাকবে। তারা স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে থাকবেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য।

এ সময় এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আমাদের ইন্টেলিজেন্ট এজেন্সিগুলো যেন জোরালোভাবে কাজ করতে পারে এবং নির্বাচনের সময় যেন আমাদের ইন্টেলিজেন্সের কোনো দুর্বলতা না থাকে সেজন্য বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে আমাদের কো-অর্ডিনেশন যেন ভালো হয়, সেটির কথাও বলা হয়েছে।

প্রেস সচিব বলেন, ইলেকশনের আগে পুলিশের প্রস্তুতির কথাও বলা হয়েছে। পুলিশের আইজি মহোদয় বলেছেন, সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর মাসে দেড় লাখ পুলিশকে ট্রেনিং দেওয়া হবে নির্বাচন উপলক্ষ্যে।

শফিকুল আলম আরও বলেন, নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচুর মিস ইনফরমেশন অলরেডি সার্কুলেট হয়েছে। সামনে এটা আরও বাড়তে পারে। এটাকে সামনে রেখে ন্যাশনাল ইনফরমেশন সেন্টার হবে যেখানে এই মিস-ইনফরমেশনগুলোকে আমরা ডিফাইন করতে পারব। সেটি ক্রিয়েট করার চিন্তাভাবনা করা হয়েছে। এটা নিয়ে অনেক বিশদ আলোচনা হয়েছে।

পুড়ে গেলে প্রথমেই যে চিকিৎসা নেবেন

আগুনে পুড়ে যাওয়ার মতো দুর্ঘটনা হঠাৎ করেই জীবনকে ওলটপালট করে দিতে পারে। পোড়া স্থানের তীব্র যন্ত্রণা, তার সঙ্গে দীর্ঘস্থায়ী চিকিৎসা ও পুনর্বাসন—সব মিলিয়ে এটি এক দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা। তবে এই ক্ষতি অনেকটাই কমিয়ে আনা সম্ভব, যদি দ্রুত এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।

অনেকের মধ্যে একটি ভুল ধারণা প্রচলিত রয়েছে যে, পোড়া জায়গায় বরফ দিলে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়। কিন্তু চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি একেবারেই ভুল এবং ঝুঁকিপূর্ণ। বরফ ত্বকের রক্তনালিগুলোকে সংকুচিত করে, ফলে রক্তপ্রবাহ হ্রাস পায় এবং টিস্যুর ক্ষতি আরও বেড়ে যায়। বরফ ব্যথা কমালেও ত্বকের প্রকৃত ক্ষতির মাত্রা ঢেকে রাখে, যা সঠিক চিকিৎসায় বাধা সৃষ্টি করতে পারে। এমনকি বরফ ত্বকে লেগে গেলে তা সরাতে গিয়ে নতুনভাবে চামড়া ছিঁড়ে যেতে পারে।

পোড়া স্থানে বরফ, মাখন, তেল বা টুথপেস্ট ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে হবে। এগুলো সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায় এবং ক্ষতস্থানে ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। ফোসকা উঠলে তা ফাটাবেন না—কারণ ফোসকা প্রাকৃতিকভাবে ক্ষতকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে।

প্রথমেই আগুনের উৎস থেকে দূরে সরে আসতে হবে এবং শরীরে থাকা গহনা বা আঁটসাঁট পোশাক খুলে ফেলতে হবে, যাতে ফোলা বা রক্তপ্রবাহের বাধা সৃষ্টি না হয়। এরপর ক্ষতস্থান ঠান্ডা প্রবহমান পানিতে ১০ থেকে ২০ মিনিট ভিজিয়ে রাখা উচিত। এটি ব্যথা ও তাপমাত্রা হ্রাসে সহায়ক। এরপর আক্রান্ত স্থান হালকা সাবান ও পানি দিয়ে পরিষ্কার করে একটি পরিষ্কার কাপড়ে শুকিয়ে নিতে হবে।

ক্ষত শুকিয়ে গেলে জীবাণুমুক্ত ও নন-স্টিক ব্যান্ডেজ দিয়ে আলতো করে ঢেকে দেওয়া উচিত। ব্যথা থাকলে প্যারাসিটামল বা আইবুপ্রোফেন খাওয়া যেতে পারে। সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক মলম ব্যবহার করা যেতে পারে। ফোসকা ফেটে গেলে তা পরিষ্কার করে জীবাণুমুক্ত ড্রেসিং দেওয়া উচিত এবং দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

আগুনে পোড়া একটি ভয়ংকর অভিজ্ঞতা হলেও, তাৎক্ষণিক সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে এর ক্ষতি অনেকাংশে হ্রাস করা সম্ভব। তাই গুজব নয়, প্রমাণভিত্তিক চিকিৎসা-পরামর্শ মেনে চলাই সবচেয়ে নিরাপদ পথ।

ব্যবসায়ীরা দিশেহারা, মুনাফা বাড়াতে মরিয়া চট্টগ্রাম বন্দর

রাজনৈতিক অস্থিরতা ও যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কনীতিতে ব্যবসায়ীরা যখন দিশেহারা; তখন মুনাফা বাড়াতে মরিয়া হয়ে উঠেছে চট্টগ্রাম বন্দর। নতুন করে তারা ৭০ থেকে ১০০ শতাংশ চার্জ বাড়ানোর প্রস্তাব পাঠিয়েছে নৌ মন্ত্রণালয়ে। তাদের এই প্রস্তাব গত বৃহস্পতিবার অনুমোদনও দিয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়।

একই সময় শতকোটি টাকা আয় করেছেন বেসরকারি ১৯টি অভ্যন্তরীণ কনটেইনার ডিপোর (আইসিডি) মালিকরাও। কোনো আলোচনা ছাড়া তারাও সর্বনিম্ন ২৯ থেকে সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ চার্জ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে আইসিডির বর্ধিত চার্জ কার্যকর হবে। তবে পরিসংখ্যান বলছে, গত অর্থবছরেও সব খরচ মিটিয়ে দুই হাজার ৯১২ কোটি টাকা বাড়তি আয় করেছে চট্টগ্রাম বন্দর।

দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের ৯২ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে চট্টগ্রাম বন্দর ও ১৯টি বেসরকারি আইসিডি। রাজনৈতিক অস্থিরতা, ডলারের বিপরীতে টাকার দাম ওঠানামা করা এবং যুক্তরাষ্ট্রের শুল্ক ঘিরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য যখন টালমাটাল; তখন আমদানি-রপ্তানির প্রধান দুই গেটওয়ের এভাবে চার্জ বাড়ানোর ঘোষণায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।

চট্টগ্রাম বন্দরের নতুন প্রস্তাবনায় প্রতিটি ২০ ফুট একক কনটেইনার হ্যান্ডলিং চার্জ ১৫ ডলার থেকে বাড়িয়ে ২৩ দশমিক ১৫ ডলার এবং ৪০ ফুট কনটেইনারের ক্ষেত্রে ২২ দশমিক ৫০ ডলার থেকে ৩৪ দশমিক ৮৩ ডলার করার কথা বলা হয়েছে। জাহাজ পাইলটিং চার্জ ৩৫৭ ডলার থেকে ৭০০ ডলারে উন্নীত করার প্রস্তাবও রয়েছে। বন্দরের প্রস্তাবিত ৫৬টি সেবার মধ্যে ১৮ খাতে ৬০ শতাংশের বেশি, ১৭ খাতে ২০ থেকে ৫৯ শতাংশ এবং ১৯ খাতে ২০ শতাংশ পর্যন্ত ট্যারিফ বাড়ানোর প্রস্তাব গেছে মন্ত্রণালয়ে। মাশুল কমানোর প্রস্তাব গেছে মাত্র দুটি খাতে।

বন্দর কর, বার্থিং ফি, ফর্কলিফট চার্জ, অন্য ইউটিলিটি খরচসহ মাত্র পাঁচটি সেবার হার ২০০৭-০৮ অর্থবছরে সামান্য পরিবর্তন হলেও বাকি সব চার্জ ১৯৮৬ সালের পর থেকে অপরিবর্তিত রয়েছে। অন্যদিকে বেসরকারি আইসিডির নতুন চার্জে প্রভাব পড়বে অন্তত ২৫ ধরনের সেবায়। এতদিন বিনামূল্যে হয়েছে– এমন ছয় ধরনের সেবায়ও এবার নতুন চার্জ যুক্ত করেছে তারা। প্রায় শতভাগ রপ্তানি পণ্য ও ৬৫ ধরনের আমদানি পণ্য হ্যান্ডলিং করে বেসরকারি আইসিডিগুলো।

তবে অর্থনীতিবিদ আনু মুহাম্মদ বলেন, বন্দর ও আইসিডির এ পদক্ষেপ প্রভাব ফেলবে দেশের সার্বিক অর্থনীতিতে। এটি মূল্যস্ফীতি আরও বাড়াতে পারে। আমদানি পণ্য আরও ব্যয়বহুল করবে। রপ্তানি পণ্যেরও খরচ বেড়ে যাবে। ব্যবসায়ীরা বাড়তি সেই খরচ সরাসরি ভোক্তার ঘাড়েই চাপিয়ে দেবেন। এর খেসারত দিতে হবে দেশের ১৭ কোটি মানুষকেই। ব্যবসায়ীদের মতামত উপেক্ষা করে বিদেশি প্রতিষ্ঠানের প্রেসক্রিপশনেই সরকার আগেভাগে ট্যারিফ বাড়ানোর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলেও মনে করেন তিনি।

তবে এ অর্থনীতিবিদের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের মুখপাত্র ও সচিব ওমর ফারুক। তিনি বলেন, ৩৯ বছর পর এভাবে চার্জ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আশপাশের দেশের তুলনায়ও চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনারপ্রতি চার্জ এখনও অনেক কম।

টেস্ট ক্রিকেটে রেকর্ডের পর রেকর্ড ভাঙছেন জো রুট

টেস্ট ক্রিকেটে রেকর্ডের পর রেকর্ড ভাঙছেন জো রুট। ম্যানচেস্টার টেস্টে ব্যাট হাতে নামতেই ইতিহাস গড়লেন এই ইংলিশ ব্যাটার। টেস্টে সর্বোচ্চ রানের তালিকায় এখন তিনি দ্বিতীয়। পেছনে ফেলেছেন কিংবদন্তি রাহুল দ্রাবিড়, জ্যাক ক্যালিস ও রিকি পন্টিংকে। সামনে আছেন শুধু শচীন টেন্ডুলকার।

ভারতের বিপক্ষে চলতি সিরিজের চতুর্থ টেস্টে মাঠে নামার আগে রুটের রান ছিল ১৩,২৫৯। তখন তার উপরে শচীন ছাড়াও ছিলেন দ্রাবিড়, ক্যালিস ও পন্টিং। একে একে সকলকেই টপকালেন তিনি। মাত্র আট বলের ব্যবধানে দ্রাবিড় ও ক্যালিসকে ছাড়িয়ে যান রুট। ১১৯ রানের মাথায় অংশুল কম্বোজের বলে সিঙ্গল নিয়ে পন্টিংকে টপকে গেলেন তিনি। ১৬৮ টেস্টে ১৩,৩৭৮ রান করেছেন পন্টিং। ১৬৬ টেস্টে কালিসের রান ১৩,২৮৯। দ্রাবিড় ১৬৪ টেস্টে ১৩,২৮৮ রান করেছেন। এটা ছিল রুটের ১৫৮তম টেস্ট। অথচ পন্টিং খেলেছেন ১৬৮টি, ক্যালিস ১৬৬টি ও দ্রাবিড় ১৬৪টি টেস্ট।

এখন তার সামনে কেবল শচীন টেন্ডুলকার, যিনি ২০০ টেস্টে করেছেন ১৫,৯২১ রান। সেই রেকর্ড ভাঙতে রুটকে খেলতে হবে আরও কয়েক বছর। তবে ফিটনেস ও ধারাবাহিকতা ধরে রাখলে এই মাইলফলকও স্পর্শ করতে পারেন তিনি।

ম্যানচেস্টারে ভারতের বিপক্ষে নিজের ১২তম টেস্ট শতরান করলেন রুট। ভারতের বিপক্ষে টেস্টে এত শতরান আর কারও নেই। স্টিভ স্মিথ ১১টা শতরান করেছেন। এত দিন দুই ক্রিকেটার এক জায়গায় ছিলেন। এ বার স্মিথকে ছাপিয়ে গেলেন রুট।

এছাড়া টেস্টে শতরানের তালিকাতেও চার নম্বরে উঠলেন রুট। টেস্টে ৩৮তম শতরান করলেন তিনি। শ্রীলঙ্কার কুমার সাঙ্গাকারার ৩৮টা শতরান রয়েছে। শীর্ষে থাকা শচীনের শতরানের সংখ্যা ৫১। দুই নম্বরে থাকা ক্যালিস ৪৫ ও তিনে থাকা পন্টিং ৪১টা শতরান করেছেন। শেষ পাঁচ বছরে ২২টা শতরান করেছেন রুট। ফলে রানের পাশাপাশি শতরানের নিরিখেও সকলকে টপকে যাওয়ার সুযোগ রয়েছে রুটের।

আমি মরে গেলে কেউ আফসোস করবেন না: অভিনেত্রী মৌ শিখা

আড়াই মাস ধরে কাজ নেই, আর এমন সংকটাপন্ন অবস্থা নিয়ে ফেসবুকে দীর্ঘ এক স্ট্যাটাসে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন ছোট ও বড় পর্দার অভিনেত্রী মৌ শিখা। দীর্ঘদিনের অভিনয় জীবন থাকার পরও বর্তমানে কাজ না পেয়ে হতাশ এই শিল্পী। বোঝাতে চেয়েছেন, বেঁচে থেকে যেহেতু মূল্যায়ন করা হচ্ছে না, তাই মৃত্যুর পর কেউ যেন তার জন্য আফসোস না করে।

মঞ্চ নাটক দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করে টিভি নাটক ও চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন মৌ শিখা। এক সময় প্রতি মাসে ১৫ থেকে ২০ দিন কাজ করলেও এখন মাসে গড়ে ৪-৫ দিনের বেশি কাজ মিলছে না তার।

শুক্রবার রাতে অভিনেত্রী তার রওশন আরা বেগম নামের ফেসবুক আইডি থেকে একটি দীর্ঘ পোস্ট দেন। সেই ফেসবুক পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো:

‘আমি মৌ শিখা। অনেক বছর থেকে অভিনয় করে আসছি। এতদিন নিজেকে অভিনেত্রী হিসেবেই জানতাম কিন্তু গত আড়াই মাস ধরে নিজেকে অভিনেত্রী ভাবতে লজ্জা হচ্ছে। আগে যেখানে মাসে ১৫ থেকে ২০ দিন কাজ করতাম সেখানে আড়াই মাস যাবত মাসে চার থেকে পাঁচ দিন কাজ করছি। তাহলে কিভাবে মনে হবে আমি অভিনয় শিল্পী?’

‘অভিনয় করেই আমার সংসার চলে। তবে আমি জানি বেঁচে থাকতে আমার মূল্যায়ন করা না হলেও আমার মৃত্যুর পর কিছু মানুষ হলেও আমাকে মনে রাখবে হয়তো বলবে আহারে মহিলা তো কত ভালো ছিল কত সহজ সরল ছিল কারো সাতপাচে ছিল না কারো সামনে পিছনে ছিল না আহারে মহিলাটার আত্মার শান্তি পাক।’

‘কিন্তু তাতে কি লাভ হবে আমার? বেঁচে থাকতে তো দরকার আমার কাজের, বেঁচে থাকতেই দেখে যেতে চাই আমার মূল্যায়ন হচ্ছে কিন্তু সেটা কি আদৌ দেখে যেতে পারবো আমি জানিনা। তবে আমার অনুরোধ আমি মরে গেলে দয়া করে কেউ আফসোস করবেন না, আমাকে মনে করারও কোনো দরকার নেই।’

‘হঠাৎ করে কেন কাজ কমে গেল? কেন আমাকে ডিরেক্টররা ডাকছেন না? কেন মনে করছেন না যে তাদের গল্পের চরিত্রের সাথে আমি নিজেকে খাপ খাওয়াতে পারব? আমি তো আমার রেমুনারেশন বাড়াইনি। ২৫ বছর যাবত মিডিয়ায় আছি, এখনো আমার রেমুনারেশন ও খুব একটা বেশী না, তাহলে?’

‘যাইহোক, যে কত দিন বাঁচে… কাজ করে যেতে চাই। আপনারা ব্যাপারটা দেখবেন। আমার সহকর্মী যারা আছেন তারা আমার ব্যাপারটা দেখে একটু সাহায্য করবেন। একটা শিল্পীর জন্য হঠাৎ করে কাজ কমে যাওয়া কম কিছু না। আপনারা পাশে থেকে আমাকে সাহায্য করবেন। আল্লাহ সহায় আছে।’

জুলাই শহীদ স্মরণসভায় অনুপস্থিত উপদেষ্টারা, ক্ষোভ রাশেদ খানের

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে আয়োজিত এক স্মরণসভায় অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টাদের অনুপস্থিতি নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ রাশেদ খান। শনিবার চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘জুলাই-২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটি’ আয়োজিত এই সভায় প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস সশরীরে উপস্থিত না হওয়ায় এবং অন্য কোনো উপদেষ্টা না আসায় রাশেদ খান এটিকে ‘শহীদ পরিবারের সঙ্গে তামাশা’ বলে মন্তব্য করেন।

মুহাম্মদ রাশেদ খান অভিযোগ করেন, সভার প্রথম সারির আসনগুলো উপদেষ্টাদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হলেও একজন উপদেষ্টাও সেখানে উপস্থিত হননি। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “খুব দুঃখ লাগছে। কষ্ট লাগছে। আজকে এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একজন উপদেষ্টাও এখানে উপস্থিত হয় নাই। এইটা শহীদ পরিবারের সাথে তামাশা। কেন আসে নাই, কী কারণে আসে নাই, তাদের কাজটা কী। এই শহীদ মায়ের কথা, শহীদ বাবার কথা শুনতে কি কষ্ট লাগে?”

শহীদ পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত থাকার পরও প্রধান উপদেষ্টার অনুপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এই গণ অধিকার পরিষদের নেতা। তিনি বলেন, প্রধান উপদেষ্টা না এসে শহীদ পরিবারের সঙ্গে অন্যায় করেছেন। মুহাম্মদ রাশেদ খান জুলাই বিপ্লবে উপদেষ্টাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “যারা দেখে নাই চোখের সামনে একজনকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। যারা বিগত ১৫ বছরের লড়াইয়ে কখনো রাজপথে নামেনি, তাদের নিয়ে সরকার গঠিত হয়েছে।”

স্মরণসভার জন্য দুই মাস ধরে প্রত্যেক উপদেষ্টার কাছে গিয়েছিলেন উল্লেখ করে জুলাই ২৪ শহীদ পরিবার সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক মো. রবিউল আওয়াল বলেন, “তাঁরা যদি না-ই আসবেন, না করে দিতেন। কেন তাঁরা মিথ্যা সান্ত্বনা দিয়েছিলেন।” অনুষ্ঠান শুরুর কিছুক্ষণ আগেও উপদেষ্টারা উপস্থিত হওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন জানিয়ে তিনি ধিক্কার জানান। এ সময় শহীদ পরিবারের অনেক সদস্যকে সভা ছেড়ে চলে যেতে দেখা যায়।

উপদেষ্টাদের জন্য সামনের সারিতে নির্ধারিত জায়গা রাখা হলেও তাঁরা না আসায় অন্যরা সেসব জায়গায় বসেছিলেন। এই ঘটনা সভায় উপস্থিত শহীদ পরিবার ও অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে।