Home Blog Page 372

ব্রিকস খুব দ্রুতই ভেঙে যাবে: ডোনাল্ড ট্রাম্প

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প শুক্রবার আবারও হুমকি দিয়েছেন যে, ব্রিকস গ্রুপের দেশগুলো থেকে পণ্য আমদানির ওপর তিনি ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করবেন। একই সঙ্গে তিনি বলেন, যদি এই দেশগুলো প্রকৃত অর্থে কোনো অর্থবহ জোট গঠন করে, তাহলে সেটি খুব দ্রুতই শেষ হয়ে যাবে। স্থানীয় সময় শুক্রবার হোয়াইট হাউসে তিনি এসব কথা বলেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘ছয়টি দেশের গোষ্ঠী ব্রিকসের কথা শুনে আমি তাদের খুব, খুব আঘাত করলাম। যদি তারা সত্যিকারের অর্থবহ কিছু গঠন করে, তবে সেটা খুব দ্রুতই শেষ হবে। আমরা কখনও কাউকে আমাদের সঙ্গে খেলা করতে দিতে পারি না।’

ট্রাম্প জানান, বৈশ্বিক রিজার্ভ মুদ্রা হিসেবে ডলারের অবস্থান রক্ষা করতে তিনি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেইসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডিজিটাল মুদ্রা (সেন্ট্রাল ব্যাংক ডিজিটাল কারেন্সি) চালু করতে কখনোই দেবেন না।

ট্রাম্প ৬ জুলাই ঘোষণা করেন যে, নতুন শুল্ক সেইসব দেশের ওপর প্রযোজ্য হবে যারা ব্রিকস-এর তথাকথিত অ্যান্টি-আমেরিকান নীতির সঙ্গে নিজেদের সংযুক্ত করছে।

এরইমধ্যে জি৭ (জি৭) ও জি২০ (জি২০)-র মতো বড় অর্থনীতির ফোরামগুলো বিভক্তি ও যুক্তরাষ্ট্রের আমেরিকা ফার্স্ট নীতির কারণে দুর্বল হয়ে পড়েছে। এ অবস্থায় ব্রিকস নিজেকে বহুপাক্ষিক কূটনীতির জন্য একটি বিকল্প প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উপস্থাপন করছে।

ট্রাম্প বারবার প্রমাণ ছাড়াই দাবি করে আসছেন যে, ব্রিকস গঠনের উদ্দেশ্যই হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ডলারের বৈশ্বিক ভূমিকার ক্ষতি করা। তবে ব্রিকস নেতারা এ অভিযোগ প্রত্যাখান করেছেন।

তিনশ টাকার ওপরে কাঁচা মরিচ, পেঁয়াজ-রসুনের দামও চড়া

রাজধানীতে আগের সপ্তাহে ৪০০ টাকায় উঠে যাওয়া কাঁচা মরিচের দাম কিছুটা কমলেও এখনও কেজিতে ৩০০ টাকার ওপর গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের।

এ সপ্তাহেও বিক্রেতাদের দাবি, ‘বৃষ্টির কারণে’ কাঁচা মরিচের দাম খুব একটা কমেনি। এছাড়া স্বস্তি ফেরেনি তরি-তরকারির বাজারেও; বেশির ভাগ সবজির কেজিই ছিল ৭০ থেকে ৮০ টাকার ঘরে।

শাক-সবজির সঙ্গে দাম বেড়েছে পেঁয়াজ-রসুনেও। তবে চালের বাজার আছে আগের মতোই। শুক্রবার ঢাকার মোহাম্মদপুরের শিয়া মসজিদ সংলগ্ন কাঁচাবাজার, কৃষি মার্কেট ও টাউন হল বাজার ঘুরে এমন চিত্র মিলেছে।

খুন হওয়ার আগমুহূর্তে শ্বশুরকে আসতে বলেন হাবিবা

বগুড়ায় খুন হওয়ার আগমুহূর্তে সাহায্য চেয়ে শ্বশুর বুলবুল আহম্মেদ প্রামাণিকের (৪৫) মুঠোফোনে কল করেছিলেন গৃহবধূ উম্মে হাবিবা (২০)। শ্বশুরকে দ্রুত বাড়িতে যেতে বলেছিলেন তিনি। তবে এর কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই মুঠোফোনে আর্তচিৎকার ও কান্নার আওয়াজ শুনতে পান বুলবুল। এরপর বাড়ি ফিরে দেখেন, পুত্রবধূ হাবিবার সঙ্গে খুন হয়েছেন মা লাইলী বেওয়া (৬৫)। আর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হয়ে কাতড়াচ্ছে তাঁর স্কুলপড়ুয়া মেয়ে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে বগুড়া শহরের ইসলামপুর হরিগাড়ি পশ্চিমপাড়ার এলাকার নিজ বাড়িতে কান্নাজড়িত কণ্ঠে কথাগুলো বলছিলেন বুলবুল আহম্মেদ প্রামাণিক। ওই সময় সেখানে হাবিবা ও লাইলীর মরদেহ আনা হয়। এর আগে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে লাশ দুটির ময়নাতদন্ত করা হয়।

পরিবারের দাবি, প্রেমের প্রস্তাবে সাড়া না পেয়ে গত বুধবার রাত সাড়ে আটটার দিকে ওই কিশোরীর বাড়িতে যায় সৈকত আহমেদ (১৮) নামের এক তরুণ। সেখানে গিয়ে স্কুলপড়ুয়া ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। ধস্তাধস্তির এক পর্যায়ে তাঁকে ছুরিকাঘাত করেন সৈকত। এ সময় রক্ষা করতে গেলে তাঁর দাদি লাইলী ও ভাবি হাবিবাকে ছুরি মেরে পালিয়ে যান সৈকত। ওই সময় মহল্লার পৌরটোপা বটতলা এলাকায় নিজ মুদিদোকানে বেচাবিক্রি করছিলেন বুলবুল আহম্মেদ। দোকানে তাঁর সঙ্গে স্ত্রী পারভীন আক্তারও ছিলেন। একপর্যায়ে রাত ৮টা ৩৮ মিনিট ৫৪ সেকেন্ডে বুলবুল আহম্মেদের মুঠোফোনে কল করেন হাবিবা।

এরপর আর কারও জবাব মেলেনি। দ্রুত বাড়ি ছুটে যান তিনি। দেখেন, এক পাশে পড়ে আছেন তাঁর মা এবং বউমার রক্তাক্ত লাশ। অন্য পাশে রক্তাক্ত জখম হয়ে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে তাঁর মেয়ে। বাড়ি ঢুকতেই দেখেন রক্তমাখা চাকু হাতে দৌড়ে পালাচ্ছেন সৈকত হোসেন। এ সময় সৈকতের সঙ্গে অন্য লোকও ছিল।

পুলিশ জানায়, ওই কিশোরীকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন সৈকত। তিনি ইসলামপুর হরিগাড়ি মহল্লার বাসিন্দা ও সোহেল সাখিদারের ছেলে ও একটি কলেজের দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। এলাকায় বখাটে হিসেবে তাঁর পরিচিতি আছে।

অভিযুক্ত সৈকতকে আটক করা হয়েছে জানিয়ে বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান বাসির বলেন, সৈকত মাদকাসক্ত ও বখাটে ছিল বলে স্থানীয় লোকজন জানিয়েছেন। এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা করা হয়েছে। গতকাল নিহত ব্যক্তিদের মরদেহ দাফন করা হয়।

এদিকে ওই কিশোরী বর্তমানে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। হাসপাতালটির উপপরিচালক আবদুল ওয়াদুদ জানান, অস্ত্রোপচার শেষে তাঁকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।

পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল ঘোষণা

পাকিস্তানের বিপক্ষে ঘরের মাঠে আসন্ন তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য ১৬ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। এই সিরিজে টাইগারদের নেতৃত্বে থাকবেন সদ্য সিরিজ জয়ী অধিনায়ক লিটন কুমার দাস।

আগামী ২০ জুলাই প্রথম টি-টোয়েন্টি দিয়ে শুরু হবে পাকিস্তান সিরিজ। এরপর দ্বিতীয় ও তৃতীয় টি-টোয়েন্টি হবে যথাক্রমে ২২ ও ২৪ জুলাই। সিরিজের সবকটি ম্যাচই অনুষ্ঠিত হবে মিরপুরের শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।

বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দল: লিটন কুমার দাস (অধিনায়ক), তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, নাইম শেখ, তাওহিদ হৃদয়, জাকের আলী অনিক, শামীম পাটোয়ারি, মেহেদি হাসান মিরাজ, রিশাদ হোসেন, শেখ মেহেদি হাসান, নাসুম আহমেদ, তাসকিন আহমেদ, মোস্তাফিজুর রহমান, শরিফুল ইসলাম, তানজিম হাসান, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন।

তৃষ্ণার জোড়া গোলে ভুটানকে উড়িয়ে বাংলাদেশের চারে চার

তৃষ্ণা রানীর জোড়া গোলে সাফ অনূর্ধ্ব-২০ নারী ফুটবল টুর্নামেন্টে নিজেদের চতুর্থ ম্যাচে ভুটানকে ৩-০ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের মেয়েরা টুর্নামেন্টে টানা চতুর্থ জয় তুলে নিয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে ম্যাচের ভেন্যু কিংস অ্যারেনার পরিবর্তে অনুশীলন গ্রাউন্ডে অনুষ্ঠিত হয়।

এই জয়ে ১২ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষস্থান আরও সুসংহত করেছে বাংলাদেশ। সমান ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে নেপাল। যদি বাংলাদেশ এবং নেপাল উভয় দলই তাদের পরবর্তী ম্যাচ জিতে, তাহলে ২১ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য এই দুই দলের ম্যাচটি টুর্নামেন্টের অলিখিত ফাইনালে পরিণত হবে।

ম্যাচের শুরু থেকেই বাংলাদেশ আক্রমণাত্মক ফুটবল খেললেও ৩২ মিনিট পর্যন্ত ভুটান প্রতিরোধ গড়ে তোলে। তবে, ৩৩ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় স্বপ্না রানীর পাসে দুর্দান্ত এক শটে বাংলাদেশকে লিড এনে দেন তৃষ্ণা রানী। তৃষ্ণার এই গোলেই ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। প্রথমার্ধে আক্রমণ এবং বল পজিশনে পুরো সময় জুড়েই দাপট দেখায় স্বাগতিকরা।

বিরতির পর বাংলাদেশ বেশ কিছু আক্রমণ করে। ৫৫ মিনিটে স্বপ্নার কর্নার থেকে রুমা আক্তারের হেড ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে। ৬০ মিনিটে বক্সের ভেতর তৃষ্ণা রানি ফাউলের শিকার হলে পেনাল্টি পায় বাংলাদেশ, কিন্তু স্পটকিক থেকে গোল করতে ব্যর্থ হন স্বপ্না। ৬৪ মিনিটে ভুটানের সাঙ্গে ওয়াংমো গোলরক্ষক মিলি আক্তারকে একা পেয়ে গেলেও মিলি দারুণ দক্ষতায় তাঁর শট রুখে দেন।

তবে, ৬৫ মিনিটে মুনকি আক্তারের দারুণ প্রচেষ্টায় দ্বিতীয় গোলের দেখা পান তৃষ্ণা। মুনকি ভুটানের ডিফেন্ডার সোনাম ইয়াংকে প্রতিহত করলে বল পেয়ে যান তৃষ্ণা এবং ডান পায়ের কোনাকুনি শটে জাল কাঁপাতে কোনো ভুল করেননি। ৭৪ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান স্বপ্না, রুমার পাস থেকে তাঁর দূরপাল্লার শট ক্রসবারে লেগে গোললাইন অতিক্রম করলে রেফারি গোলের বাঁশি বাজান।

এই দুর্দান্ত জয়ের ধারা বজায় রেখে বাংলাদেশ দল এখন টুর্নামেন্টের শিরোপা জয়ের স্বপ্ন দেখছে।

তানিন সুবহার মৃত্যু: সহকর্মীদের আয়োজনে দোয়া মাহফিল

গত ১০ জুন মৃত্যুবরণ করেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের উদীয়মান মুখ তানিন সুবহা। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৩১ বছর। তানিনের মৃত্যুর পর কেটে গেছে প্রায় ৪০ দিন। কিন্তু এখনো বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির পক্ষ থেকে কোনো দোয়া মাহফিল বা কোরআন খতমের আয়োজন করা হয়নি— যা নিয়ে শিল্পীমহলে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ ও হতাশা। শিল্পী সমিতির কোন সদস্যর মৃত্যু হলে সাধারণত দোয়ার আয়োজন করা হয়। তবে তানিনের বেলায় ভিন্ন কেন? এমন প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই।

তানিনের সহকর্মী শিল্পী ও সাংবাদিকদের উদ্যোগে দোয়া ও কোরআন খতমের আয়োজন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) বাদ আসর, বিএফডিসির মসজিদে তানিন সুবহার রূহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ও কোরআন খতম অনুষ্ঠিত হবে।

এই আয়োজনের উদ্যোগ নিয়েছেন চিত্রনায়িকা মুক্তি, সাংবাদিক অচিন্ত্য চয়ন, আহমেদ তেপান্তর, মাজহার বাবু, রাহাত সাইফুল, রঞ্জু সরকার, এ এইচ মুরাদ, আসিফ আলম, রুহুল আমিন ভূঁইয়া, অভিনেতা সনি রহমানসহ কয়েকজন সহকর্মী।

১৯৯৪ সালের ৫ মে, মাদারীপুরে জন্মগ্রহণ করেন তানিন সুবহা। গত ২ জুন হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাসায় ফেরেন তিনি। পরবর্তীতে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে বনশ্রীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে ধানমন্ডির একটি উন্নত হাসপাতালে স্থানান্তর করা হলে সেখানে লাইফ সাপোর্টে চলাকালীন মারা যান এই অভিনেত্রী।

২০১৫ সালে আজাদ কালামের পরিচালনায় ‘যমজ’ নাটকের মাধ্যমে ছোট পর্দায় অভিষেক হয় তানিনের। সেখানে মোশাররফ করিমের বিপরীতে অভিনয় করে দর্শকের নজর কাড়েন। পরবর্তীতে ‘আলাল দুলাল’, ‘সেয়ানা জামাই’, ‘ম্যারেজ মিডিয়া ডটকম’-এর মতো নাটকে অভিনয় করে জনপ্রিয়তা পান।

তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে— ‘অবাস্তব ভালোবাসা’, ‘মাটির পরী’, ‘স্বপ্নের সাথী’, ‘দেমাগ’ ও ‘তুই আমার’। তার অভিনীত কয়েকটি সিনেমা এখনো মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে।

প্রেম করছেন সৃজিত-সুস্মিতা

ড়িশার পুরীতে পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় তার বহু প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’-এর শুটিং করছেন। ছয় বছর ধরে লালন করা এই চিত্রনাট্য অবশেষে আলোর মুখ দেখতে চলেছে। এই ছবি তিন শতাব্দীর তিনটি প্রেমের গল্প তুলে ধরবে। তবে ছবির প্রেম প্রকাশ পাওয়ার আগেই, এবার প্রকাশ্যে এলো পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় এবং অভিনেত্রী সুস্মিতা দে’র প্রেমের গুঞ্জন।

সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে সুস্মিতা দে’র সম্পর্কের বিষয়টি নিয়ে টলিউডে কানাঘুষা শুরু হয়েছে। তাদের একসঙ্গে পুরীতে সিনেমার শুটিংয়ে উপস্থিতি এবং সাম্প্রতিক কিছু ঘটনা এই গুঞ্জনকে আরও উসকে দিয়েছে। যদিও তারা কেউই এখনও পর্যন্ত এই বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেননি, তবে তাদের ভক্ত এবং চলচ্চিত্র মহলে এই নতুন সম্পর্ক নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

ভারতীয় এক গণমাধ্যম সূত্রে জানা যায়, সিনেমার কাজের সূত্রেই সৃজিত-সুস্মিতার বেশি করে আলাপচারিতা হয়। সৃজিত মুখোপাধ্যায় মঞ্চে যেদিন প্রথম ‘মার্ক্স ইন কলকাতা’ করলেন, সেদিন তা দেখতেও গিয়েছিলেন সুস্মিতা। এ ছাড়া দুজনকে একসঙ্গে বাংলা ছবির প্রিমিয়ারে দেখা যায়। পরিচালকদের বন্ধুবান্ধদের সঙ্গেও নাকি সুস্মিতার সখ্য রয়েছে। তবে তারা প্রেমে পড়েছেন কিনা, সেই চর্চা এত দিন হয়নি।

কিন্তু পুরীর সমুদ্র যে উত্তাল। সেই সমুদ্রকে সাক্ষী রেখে অনেকের প্রেমেরও জন্ম হয়। তবে পরিচালকের ঘনিষ্ঠজন এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানান, সৃজিত-সুস্মিতার বন্ধুত্ব এখন চোখে পড়ার মতো। বিষয়টা বিশেষ বন্ধুত্বের দিকে এগিয়েছে, তেমন মনে করছেন অনেকে।

প্রসঙ্গত, সুস্মিতা সৃজিতের পরিচালনায় কাজ করার পর পুরীর সমুদ্র সৈকত থেকে পরিচালকের সঙ্গে একটা ছবি পোস্ট করেছেন। যার ক্যাপশনে লেখা রয়েছে, ‘স্যার চোখের মধ্যে।’ এরপরই নেটিজেনদের মন্তব্যের মুখে পড়েছেন এই অভিনেত্রী ও পরিচালক। কারণ সুস্মিতার পোস্ট করা সেই ছবির কমেন্ট বক্সে সৃজিত নিজেই লাভ রিয়েকশন দিয়েছেন, যা ভক্তদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।

এদিকে, ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’ ছবির শুটিংয়ে বিভিন্ন চরিত্রের লুকও প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। এই ছবিতে শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়কে দেখা গেছে ‘বিনোদিনী’ রূপে, যিশু সেনগুপ্ত থাকছেন নিত্যানন্দ প্রভুর বেশে এবং গিরীশচন্দ্র ঘোষের রূপে অভিনয় করছেন ব্রাত্য বসু। চলচ্চিত্রটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে চলতি বছরের ডিসেম্বরে।

মঙ্গল গ্রহ থেকে আসা পাথর বিপুল দামে বিক্রি হলো নিউইয়র্কে

মঙ্গল গ্রহ থেকে আসা একটি বিশাল পাথরের খণ্ড ৫৩ লাখ ডলারে (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৬৪ কোটি ২৪ লাখ ৯৮ হাজার টাকা) বিক্রি হয়েছে। বুধবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের রাজধানী নিউইয়র্ক সিটিতে বিক্রি হয়েছে এনডব্লিউএ ১৬৭৮৮ নামের পাথর খণ্ডটি।

পাথরখণ্ডটির ওজন ২৫ কেজি, রং লালচে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে তুরস্কের সরকারি বার্তাসংস্থা আনাদোলু এজেন্সি জানিয়েছে, ২০২৩ সালে সৌরজগতে এলোমেলোভাবে ঘুরতে থাকা একটি গ্রহাণুর সঙ্গে মঙ্গল গ্রহের সংঘর্ষ হয়। এতে মঙ্গলের ভূখণ্ড থেকে পাথর খণ্ডটি ভেঙে মহাকাশে মুক্ত হয়ে যায় এবং পৃথিবীর দিকে আসতে থাকে। ওই বছরই নভেম্বরে উল্কা আকারে নাইজারের সাহারা মরুভূমিতে পতিত হয় পাথরটি। বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, মঙ্গল থেকে মুক্ত হওয়ার পর ২২ কোটি ৫০ লাখ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে পৃথিবীতে পতিত হয়েছে পাথরটি।

এর আগেও বিভিন্ন সময়ে উল্কা আকারে মঙ্গল থেকে পাথরখণ্ড পৃথিবীতে পতিত হয়েছে, মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা’র তথ্য অনুসারে, বর্তমানে পৃথিবীতে মঙ্গল থেকে আসা মোট ৪০০টি পাথর বা পাথরের খণ্ড রয়েছে। তবে এই পাথরটির আকার সবচেয়ে বড়। এমনকি আকার আয়তনে মঙ্গল থেকে আসা দ্বিতীয় বৃহৎ পাথরখণ্ড থেকে এটি শতকরা ৭০ শতাংশ বড় এই পাথরটি।

পাথরটি যিনি কিনেছেন, তার নাম গোপন রেখেছে নিলাম আয়োজক সংস্থা।

২৪ ঘণ্টায় আরও ৯৪ ফিলিস্তিনিকে হত্যা করেছে ইসরায়েল

গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর বিমান হামলা ও গুলি বর্ষণে গত ২৪ ঘণ্টায় নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ৯৪ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। একইসঙ্গে আহত হয়েছেন আরও তিন শতাধিক মানুষ।

বৃহস্পতিবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৯৪ ফিলিস্তিনির মরদেহ এবং ৩৬৭ জন আহত ফিলিস্তিনিকে উপত্যকার বিভিন্ন হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়েছে। এনিয়ে ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে ইসরায়েলের হামলায় মোট নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৮ হাজার ৬৬৭ জন এবং আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৯৪ জনে।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘অনেক মরদেহ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় পড়ে আছে, যাদের কাছে উদ্ধারকর্মীরা পৌঁছাতে পারছেন না।

এতে আরও বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় হতাহতদের মধ্যে মার্কিন ও ইসরায়েলি সমর্থিত গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশনের (জিএইচএফ) ত্রাণ কেন্দ্রগুলোতে ইসরায়েলি বাহিনীর হামলায় প্রাণ হারান ২৬ জন। আহত হয়েছেন আরও ৩২ জন।

এরআগে বুধবার গাজার দক্ষিণাঞ্চলে জিএইচএফ-এর একটি ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে হুড়োহুড়িতে পদদলিত ও শ্বাসরোধে অন্তত ২১ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ২৬ মে গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ) ত্রাণ বিতরণ শুরু করার পর থেকে প্রায় প্রতিদিনই তাদের খোলা চারটি ত্রাণ কেন্দ্রের কাছে প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। ইসরায়েলি বাহিনীর এই ‘মৃত্যুর ফাঁদে’ এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৮৭৭ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৫ হাজার ৬৬৬ জনের বেশি মানুষ আহত হয়েছেন। এছাড়াও ৩৯ জন এখনো নিখোঁজ হয়েছেন।

প্রসঙ্গত, ১১ সপ্তাহ ধরে গাজায় ত্রাণ প্রবেশে অবরোধের পর আন্তর্জাতিক চাপে গত ২৬ মে জাতিসংঘকে পাশ কাটিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সহযোগিতায় জিএইচএফ— ত্রাণ বিতরণ সংস্থা খোলার ঘোষণা দেয় ইসরায়েলি।

জাতিসংঘসহ অন্যান্য খাদ্য সংস্থা জিএইচএফর এই কার্যক্রমে সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। তারা বলছে, এই উদ্যোগ মানবিক নীতিমালা লঙ্ঘন করে এবং ত্রাণকে রাজনৈতিক ও সামরিক লক্ষ্য অর্জনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের ঝুঁকি তৈরি করে।

সমাবেশে নেতাকর্মী আনতে ট্রেন ভাড়া করেছে জামায়াতে ইসলামী

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ১৯ জুলাইয়ের সমাবেশে নেতাকর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে ট্রেন ভাড়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এই সমাবেশে দলের নেতাকর্মীদের ব্যাপক অংশগ্রহণের লক্ষ্যে এই পরিবহন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের ডেপুটি চিফ সুপারিনটেনডেন্ট-১ আরফিন নাহার বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালককে ট্রেন পরিচালনার অনুমোদন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে চিঠি দিয়েছেন।

চিঠিতে বলা হয়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর অফিস সেক্রেটারির চিঠির আলোকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতীয় সমাবেশে যোগদানের জন্য ১৮ জুলাই দিনগত রাতে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছানো এবং ১৯ জুলাই দিনগত রাতে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশন থেকে ছেড়ে রাজশাহী রেলওয়ে স্টেশনে ফেরত আসার জন্য একটি স্পেশাল ট্রেন বরাদ্দের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, জামায়াতের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রাজশাহী স্টেশন থেকে ঢাকা স্টেশন পর্যন্ত রাজশাহী-ঢাকা-রাজশাহী রুটে চলাচলকারী ৭৫৫/৭৫৬ নং মধুমতি এক্সপ্রেস ট্রেনের রেক দ্বারা (লোড ১৪/২৮) স্পেশাল ট্রেন পরিচালনা করা যেতে পারে। উল্লেখিত ট্রেনের সাপ্তাহিক বন্ধের দিন শনিবার। এতে সিএমই (পশ্চিম) রাজশাহীর মতামত রয়েছে বলেও জানানো হয়।

চিঠিতে প্রস্তাবিত স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচি সম্পর্কে বলা হয়েছে, ট্রেনটি ১৯ জুলাই (শুক্রবার দিনগত) রাত ১টায় রাজশাহী ছেড়ে ঢাকা পৌঁছাবে ভোর ৬টায়। শনিবার রাত ৮টায় ঢাকা থেকে ছেড়ে রাজশাহী পৌঁছাবে রাত ১টা ১৫ মিনিটে। উভয়পথে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, হরিয়ান ও সরদহ রোড স্টেশনে যাত্রাবিরতি থাকবে। এই অবস্থায় এক জোড়া স্পেশাল ট্রেন প্রচলিত নিয়ম অনুসারে অগ্রিম ভাড়া সার্ভিস চার্জ ও অন্যান্য পাওনা পরিশোধ সাপেক্ষে পরিচালনা করা যেতে পারে বলেও জানানো হয়।

রাজনৈতিক সমাবেশে ট্রেন ভাড়া করে নেতাকর্মী আনার তেমন নজির না থাকলেও এর আগে রাজশাহীর একটি সমাবেশে ট্রেন ভাড়া করেছিল আওয়ামী লীগ। তখন রাষ্ট্রীয় সম্পদ ব্যবহার করে রাজনৈতিক সমাবেশের বিষয়ে সমালোচনা তৈরি হয়।