Home Blog Page 376

তেল আবিবগামী সব ফ্লাইট মধ্য জুলাই পর্যন্ত স্থগিত করল এয়ার ফ্রান্স

ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান অস্থিরতার কারণে উদ্ভূত নিরাপত্তা পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে ফ্রান্সের জাতীয় বিমান সংস্থা এয়ার ফ্রান্স তেল আবিবগামী তাদের সব নির্ধারিত ফ্লাইট আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত ঘোষণা করেছে।

সোমবার(২৩ জুন) সিএনএন-কে পাঠানো এক বিবৃতিতে এয়ার ফ্রান্স জানিয়েছে, তারা মাঠপর্যায়ের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও মূল্যায়ন করার পর প্যারিস থেকে তেল আবিবগামী সব ফ্লাইট বাতিলের এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

শুধু তেল আবিব নয়, গত কয়েক দিনে মধ্যপ্রাচ্যের আরও বেশ কিছু গন্তব্যে এয়ার ফ্রান্সের ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এর মধ্যে আজ প্যারিস থেকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই এবং সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদগামী ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।

বিমান সংস্থাটি ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের জন্য বিকল্প ফ্লাইটের তারিখ নির্ধারণ অথবা টিকিটের সম্পূর্ণ মূল্য ফেরতের ব্যবস্থা করবে বলে জানিয়েছে।

এয়ার ফ্রান্স আরও জানিয়েছে, যাত্রীদের নিরাপত্তা ও সুরক্ষাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে তারা বিমান চলাচলের গন্তব্য এবং যাত্রাপথে চলমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির ওপর নিয়মিত নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছে।

নতুন কোন ফ্যাসিস্টকে ক্ষমতায় আনা যাবে না : ফয়জুল করীম

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেছেন, আগামীতে নতুন কোন ফ্যাসিস্টকে ক্ষমতায় আনা যাবে না। এজন্য বৃদ্ধ, যুবক-যুবতী, নারী-পুরুষকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসীদের ক্ষমতায় বসানো যাবে না। যারা গরীব মানুষের চাল লুট করে, গুদামে সংরক্ষণ করে। যারা গরীবের হক মারে।

সোমবার বিকেলে নীলফামারী পৌরসভা মাঠে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ নীলফামারী জেলা শাখার আয়োজনে অনুষ্ঠিত এক জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

দলটির জেলা শাখার সভাপতি ইয়াসিন আলীর সভাপতিত্বে জনসভা পরিচালনা করেন সাধারণ মাওলানা মুহাম্মদ আসাদুজ্জামান বিপ্লব।

ভারতের উদ্দেশ্যে মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, আপনারা যদি ভাবেন ভারত ছাড়া বাংলাদেশ চলতে পারে না তাহলে আপনারা ভ্রান্ত ধারণা নিয়ে আছেন। আমরা বলি বাংলাদেশ ছাড়া ভারত চলতে পারে না। যা প্রমাণ হয়েছে ৫ই আগষ্টের পরে।

আগামী নির্বাচনে ইসলামী দলগুলো ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে অংশ নিতে চায় উল্লেখ করে মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ইসলামীক দলগুলোর ব্যালট বাক্স একটা দিতে চাই আমরা এবং ঐতিহাসিক বিজয় হবে বাংলাদেশের মুসলমানদের।

প্রধান অতিথি বলেন, প্রয়োজনীয় সংস্কার, গণহত্যার বিচার, সংখ্যানুপাতিক পদ্ধতিতে সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন না হলে দেশে আবারো ফ্যাসিস্ট প্রতিষ্ঠিত হবে। আমরা ফ্যাসিস্ট চাই ইসলামী শাসন ব্যবস্থা চাই।

বিশেষ অতিথি হিসেবে ইসলামী আন্দোলনের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাডভোকেট হাছিবুল ইসলাম ও আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নীলফামারী জেলা শাখার আমীর অধ্যক্ষ মাওলানা মোহাম্মদ আব্দুস সাত্তার।

জনসভায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে নীলফামারী-০২ আসনে এ্যাডভোকেট এম হাছিবুল ইসলাম ও নীলফামারী-০৩ আসনে মৌলভী মোহাম্মদ আমজাদ হোসেনের নাম ঘোষণা করা হয়।

রাজনৈতিক সংস্কারে ঐকমত্য না হলে গণভোটের দাবি জামায়াতের

মৌলিক রাজনৈতিক সংস্কারের বিষয়ে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ঐকমত্য না হলে গণভোট আয়োজনের দাবি জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। সোমবার(২৩ জুন) দলের আমির ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে ঢাকায় নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিংয়ের বৈঠকে জামায়াত তাদের এই অবস্থান তুলে ধরে।

রাজধানীর মগবাজারে জামায়াত কার্যালয়ে বৈঠকের পর দলের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের সাংবাদিকদের জানান, হাইকমিশনার ঐকমত্য কমিশনের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর সংলাপের বিষয়ে জানতে চেয়েছিলেন। জবাবে জামায়াত জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীত্বের সুযোগ দুইবারের বেশি না রাখা, দ্বিকক্ষবিশিষ্ট সংসদ গঠন, নির্বাচনে ভোটের অনুপাতে সংসদের আসন বণ্টন এবং ভোটার তালিকায় প্রবাসীদের অন্তর্ভুক্তির মতো বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে। কিছু বিষয়ে একমত হওয়া গেলেও মৌলিক সংস্কারের ক্ষেত্রে এখনও ঐকমত্য হয়নি।

ডা. তাহের বলেন, দুঃখজনকভাবে যদি এই ঐকমত্য অর্জিত না হয়, তবে জামায়াত এসব বিষয়ে গণভোটের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারকে পরামর্শ দিয়েছে।

ডা. তাহের আরও বলেন, জামায়াত একটি সুষ্ঠু নির্বাচন চায় এবং অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ডের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে। কোনো দল যাতে ভবিষ্যতে ফ্যাসিবাদী হয়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়েও জামায়াত তাদের উদ্বেগ সরকারকে জানিয়েছে।

জামায়াত প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের দাবি জানিয়েছে। এর জন্য প্রয়োজনীয় ব্যয় অনুদান হিসেবে দিতে কানাডাসহ অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগী বন্ধুদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।

ডা. তাহের জানান, হাইকমিশনার আর্থিক অনুদানের বিষয়টি জাতিসংঘের মাধ্যমে সমন্বয় করার উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন।

জামায়াত নায়েবে আমির আরও জানান, আগামী নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু করতে কানাডা কারিগরি সহায়তার আশ্বাস দিয়েছে। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদারের আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

এই বৈঠকে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারসহ জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। কানাডা হাইকমিশনের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা সিওভান কের এবং নিসার আহমেদও বৈঠকে অংশ নেন।

২৪ ঘণ্টায় করোনায় আরও ৩ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ১৯

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৯ হাজার ৫১৮ জনে দাঁড়িয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত একদিনে সারাদেশে মোট ৪০৬টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে, যার মধ্যে ১৯ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত তিনজনের মধ্যে ২ জন চট্টগ্রাম এবং ১ জন ঢাকার বাসিন্দা। তাদের মধ্যে দুজন নারী ও একজন পুরুষ। বয়স বিবেচনায়, একজনের বয়স ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে, একজন ৭১ থেকে ৮০ বছর বয়সী এবং অন্যজন ৯১ থেকে ১০০ বছর বয়সী।

চলতি বছরের প্রথম দিন থেকে আজ সোমবার (২৩ জুন) পর্যন্ত মোট ১৯ জন করোনায় মারা গেছেন। এর মধ্যে ১১ জন নারী এবং ৮ জন পুরুষ।

গত ২৪ ঘণ্টায় ঢাকায় ১৮২টি নমুনা পরীক্ষা করে ৯ জনের দেহে করোনা শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া, চট্টগ্রামে ১২০টি নমুনা পরীক্ষায় ২ জন, রাজশাহীতে ১৯টি নমুনা পরীক্ষায় ৩ জন, ময়মনসিংহে ১০টি নমুনা পরীক্ষায় ১ জন এবং কক্সবাজারে ১০টি নমুনা পরীক্ষায় ১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে।

সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা শনাক্তের হার ৪.৬৮ শতাংশ। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত দেশে করোনায় মৃত্যুর হার ১.৪ শতাংশ।

ইসির নিবন্ধন চায় ১৪৭ রাজনৈতিক দল

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রেকর্ড সংখ্যক ১৪৭টি নতুন রাজনৈতিক দল নির্বাচন কমিশনে (ইসি) নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছে। সোমবার (২৩ জুন) ইসি সচিবালয়ের জনসংযোগ শাখা আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য জানিয়েছে।

রাজনৈতিক দলগুলোর নেতারা আবেদন জমা দিয়ে সাংবাদিকদের কাছে তাদের দলের নাম ও প্রতীক উল্লেখ করে দাবি করছেন যে তারা ইসির সব ধরনের শর্ত পূরণ করেই নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছেন। তারা আশাবাদী যে তাদের দলগুলো নিবন্ধন পাবে।

উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ১০ মার্চ আগ্রহী দলগুলোর কাছ থেকে নিবন্ধন আবেদন আহ্বান করেছিল ইসি। প্রাথমিকভাবে ২০ এপ্রিলের মধ্যে ৬৫টি নতুন রাজনৈতিক দল আবেদন জমা দেয়। তবে, অনেক দলের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে নিবন্ধন আবেদনের সময়সীমা দুই মাস বাড়িয়ে গত রোববার (২২ জুন) পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছিল। বর্ধিত সেই সময়সীমা গত রোববার শেষ হয়েছে।

বিশ্বকাপের টিকিট পেল কানাডা

২০২৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে জায়গা করে নিল কানাডা। আমেরিকা অঞ্চলের বাছাইপর্বে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতা ধরে রেখে বাহামাসকে ৭ উইকেটে হারিয়ে টুর্নামেন্টের এক আসন নিশ্চিত করল স্বাগতিকরা।

বাহামাসের বিপক্ষে টস জিতে আগে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় কানাডা। এরপর কালিম সানা ও শিবম শর্মার দুরন্ত বোলিংয়ে মাত্র ৫৭ রানে গুটিয়ে যায় বাহামাস। দুই বোলারই নেন ৩টি করে উইকেট। জবাবে, মাত্র ৫.৩ ওভারে ৩ উইকেট হারিয়ে লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে কানাডা। ১৪ বলে অপরাজিত ৩৬ রানের ইনিংস খেলেন দিলপ্রীত বাজওয়ার। এই জয়ে ৫ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে থেকে বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করেছে কানাডা। বাছাইপর্বে এখনও একটি ম্যাচ বাকি থাকলেও আগেই নিশ্চিত হয়েছে তাদের টিকিট।

ক্যাপ্টেন নিখিলস কিরটনের নেতৃত্বে পুরো টুর্নামেন্টজুড়েই দুর্দান্ত খেলেছে কানাডা। প্রথম ম্যাচেই বারমুডাকে হারায় ১১০ রানে। এরপর কেম্যান আইল্যান্ডসকে ৫৯ রানে এবং বাহামাসকে আগেও হারায় ১০ উইকেটে। সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত পাঁচ ম্যাচে অপরাজিত দলটি।

২০২৬ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বসবে ভারত ও শ্রীলঙ্কার মাটিতে। আয়োজক দুই দেশের পাশাপাশি ইতোমধ্যে চূড়ান্ত পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে—আফগানিস্তান, অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, যুক্তরাষ্ট্র, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আয়ারল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও পাকিস্তান।

কানাডাসহ মোট ১৩টি দল নিশ্চিত হয়ে গেছে বিশ্বকাপের মঞ্চে। বাকি ৭টি দল নির্ধারিত হবে আঞ্চলিক বাছাইপর্ব থেকে। ইউরোপ থেকে ২টি (৫-১১ জুলাই), আফ্রিকা থেকে ২টি (১৯ সেপ্টেম্বর-৪ অক্টোবর) এবং এশিয়া ও ইস্ট এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে ৩টি (১-১৭ অক্টোবর) দল বিশ্বকাপে খেলার সুযোগ পাবে।

রাজশাহীতে অঞ্চলের ক্রিকেটে ট্রেনিং ও অ্যাক্টিভিটি বাড়ানো হবে: বিসিবি সভাপতি

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেছেন, দেশব্যাপী ক্রিকেটকে ছড়িয়ে দিতে ডিসেন্ট্রালাইজড করতে হবে। তিনি বলেন, ‘রাজশাহীতে ফার্স্ট ক্লাস ক্রিকেট হয় মাঝেমধ্যে। আমরা গ্রেটার রাজশাহী রিজিয়নের মধ্যে প্রিমিয়ার লিগ চালু করবো। এখানে আমরা ক্রিকেট অ্যাক্টিভিটি  আরও বাড়াবো। এখানে ক্রিকেট ট্রেনিং প্রোগ্রাম আরও বাড়ানো হবে।’

রোববার (২২ জুন) সকালে রাজশাহী বিভাগীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ টেস্ট স্ট্যাটাসের ২৫ বছর পূর্তিতে দেশব্যাপী অনূর্ধ্ব-১২ সিক্স-এ-সাইড ক্রিকেট প্রতিযোগিতা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

বিসিবি সভাপতি বলেন, আমরা গ্রেটার রাজশাহী রিজিয়নের মধ্যে প্রিমিয়ার লিগ চালু করবো। এখানে আমরা ক্রিকেট অ্যাকটিভি আরও বাড়াবো। এখানে ক্রিকেট ট্রেইনিং প্রোগ্রাম আরও বাড়ানো হবে। ইতিমধ্যে এখানে ১৪, ১৬ ও ১৮ বছরের ক্রিকেট হচ্ছে। সেগুলোকে আমরা দুই দিনে রূপান্তর করবো।

তিনি বলেন, সব জায়গাতে ক্রিকেট ছড়িয়ে দিতে চাচ্ছি। কীভাবে এখানে আরও বেশি ক্রিকেট খেলা হতে পারে, কীভাবে রাজশাহী থেকে জাতীয় দলে খেলোয়াড়রা যুক্ত হতে পারেন। কীভাবে বাংলাদেশের ক্রিকেটকে আপনারা সাহায্য করতে পারেন। সে বিষয়ে আমরা আলোচনা করবো।

তিনি আরও বলেন, দেখছেন যে এই  গ্রাউন্ডস এত সুন্দর, এমন আউটফিল্ড কিন্তু অনেক দেশে নেই। উইকেট এত সুন্দর নেই। গ্রাইন্ডস কমিটির চেয়ারম্যান মাহবুব ভাই এখানে আছেন, দেশব্যাপী যদি আমরা এ রকম ফ্যাসিলিটিজ তৈরি করতে পারি, তাহলে কিন্তু অটোমেটিক্যালি আউটফিল্ড বের হয়ে আসবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি) কর্তৃক বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পূর্ণাঙ্গ টেস্ট স্ট্যাটাস প্রাপ্তির গৌরবময় ২৫ বছর পূর্তি উদযাপিত হতে যাচ্ছে। এই ঐতিহাসিক মাইলফলক স্মরণে, বিসিবি দেশজুড়ে বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে অনূর্ধ্ব-১২ সিক্স-এ-সাইড ক্রিকেট প্রতিযোগিতা এবং আনন্দ আয়োজনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে ক্রিকেটের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি, প্রসার এবং সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে অনাবিল আনন্দ ছড়িয়ে দেওয়াই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

মস্তিষ্কের জটিল রোগে আক্রান্ত সালমান খান

বলিউডের অন্যতম প্রভাবশালী অভিনেতা সালমান খান। ৫৮ বছর বয়সেও একের পর এক অ্যাকশনধর্মী সিনেমা উপহার দিয়ে তিনি যেন বারবার প্রমাণ করছেন, তিনি সত্যিই ‘টাইগার’। ব্যক্তিজীবনে নানা ঝড়ঝাপটার পাশাপাশি সম্প্রতি হত্যার হুমকি মাথায় নিয়ে তিনি কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে এবার শঙ্কার খবর, মস্তিষ্কের একাধিক জটিল রোগে আক্রান্ত এই তারকা।

সম্প্রতি নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় কমেডি শো ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়া কাপিল শো’-তে হাজির হয়ে সালমান খান নিজের অসুস্থতার কথা তুলে ধরেন। সেখানেই তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি ভুগছেন ট্রাইগেমিনাল নিউরালজিয়া, অ্যানিউরিজ়ম এবং এভি (আর্বোভেনাস) ম্যালফরমেশন-এর মতো দুরারোগ্য ব্যাধিতে।

সালমান বলেন, ‘প্রতিদিন হাড় ভাঙছে, পেশী ছিঁড়ে যাচ্ছে। এ দিক থেকে আমি ভীষণ দুর্বল। তবুও ট্রাইগেমিনাল নিউরালজিয়ার মতো রোগ নিয়ে শুটিং করেছি। মস্তিষ্কে রয়েছে অ্যানিউরিজ়ম। পাশাপাশি রয়েছে এভি ম্যালফরমেশনও। এই রোগগুলো নিয়েই নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছি।’

এদিকে খোজ নিয়ে জানা গেছে, সালমান খান যে রোগের কথা বলেছেন তার একটি  ট্রাইগেমিনাল নিউরালজিয়া। এটি মস্তিষ্কের স্নায়ুজনিত এক কঠিন ব্যাধি। এই রোগে মুখের বিভিন্ন অংশে হঠাৎ হঠাৎ তীব্র বিদ্যুৎচমকের মতো ব্যথা হয়। চিকিৎসকরা একে ‘সুইসাইড ডিজিজ’ বলেও উল্লেখ করেন, কারণ এই অসহনীয় ব্যথা থেকে মুক্তি পেতে অনেকেই আত্মহত্যার পথ বেছে নেন। অন্যটি ‘ব্রেইন অ্যানিউরিজ়’। মস্তিষ্কে কোনো শিরা বা ধমনী অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলে তাকে বলা হয় অ্যানিউরিজ়ম। এটি ফেটে গেলে হতে পারে প্রাণঘাতী স্ট্রোক, এমনকি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। পাশাপাশি ‘এভি ম্যালফরমেশন’ রোগের শিরা ও ধমনীর মধ্যে সংযোগ বিভ্রান্তিকরভাবে তৈরি হয়, যার ফলে রক্ত চলাচলে সমস্যা হয় এবং মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

গ্রেপ্তার নয়, বাসা থেকে অপহরণ করা হয়েছিল: মডেল মেঘনা আলম

রাজধানীর ধানমন্ডি থানার প্রতারণা ও চাঁদাবাজির অভিযোগে করা মামলায় জব্দ থাকা মোবাইল ফোন, আইপ্যাড ও পাসপোর্ট নিজের জিম্মায় চেয়ে আবেদন করেছেন মডেল মেঘনা আলম। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি মডেল নই, পলিটিক্যাল লিডারশিপ ট্রেইনার। আমাকে গ্রেপ্তার নয়, বাসা থেকে অপহরণ করা হয়েছিল।’

আজ রোববার সকালে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম এ আজহারুল ইসলামের আদালতে হাজির হন মেঘনা আলম। এরপর তার আইনজীবী মহসিন রেজা পলাশ ও মহিমা ইসলাম বাঁধন জব্দ থাকা মোবাইল, আইপ্যাড ও পাসপোর্ট নিজ জিম্মায় চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক পরে আদেশ দেবেন বলে জানান।

শুনানি শেষে মেঘনা আলম বলেন, ‘গত ৯ এপ্রিল আমাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, বলা ভুল হবে। আমাকে অপহরণ করা হয়েছিল। কারণ গ্রেপ্তার করার একটি আইনি প্রক্রিয়া থাকে, সেটা মানা হয়নি। আমার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ, মামলা বা ওয়ারেন্ট ছিল না। আইনের লোক হোক বা না হোক, আমার বাসায় এসে তাৎক্ষণিকভাবে হামলা চালিয়ে জোর করে নিয়ে যায়। এটাকে আইনি ভাষায় অপহরণ বলে, গ্রেপ্তার বলে না।’

এর আগে গত ২৮ এপ্রিল ডিটেনশন আইনে মেঘনা আলমের ৩০ দিনের আটকাদেশ বাতিল করা হয়। ওইদিনই কারামুক্ত হন তিনি। এর পর থেকে তিনি জামিনে আছেন।

রাশিয়া কেন ইরানকে রক্ষা করছে না?

ইরান আক্রান্ত। একের পর এক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তার সেনা ঘাঁটি, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনা, এমনকি রুশ-তৈরি এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্রও। আর তার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র রাশিয়া নীরব দর্শক। এই অবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠে, রাশিয়া কি শুধুই উপকার নেয়, বিপদের দিনে পাশে দাঁড়ায় না?

গত কয়েক বছরে মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে অচ্ছুত শক্তি ইরানকেই আলিঙ্গন করেছিল রাশিয়া। পশ্চিমবিরোধী কৌশলের অংশ হিসেবে ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধের সময় তেহরানের দিকে ঝুঁকেছিলেন। লাভও কম হয়নি। ইরান পাঠিয়েছিল ‘শাহেদ’ ড্রোন, যা ইউক্রেনে রুশ আক্রমণে কার্যকর ভূমিকা রেখেছিল। কিন্তু আজ যখন ইরান মুখোমুখি ইসরায়েলের সামরিক মেশিনের, তখন সেই পেছনের বন্ধন আর দৃঢ় নেই।

রাশিয়া ইরানকে হয়ত চায় পাশে, কিন্তু সামনে নয়। কারণ রাশিয়ার পররাষ্ট্রনীতি কেবল আদর্শ বা বন্ধুত্ব নয়, একেবারে ঠান্ডা কৌশলে গড়া। তাদের হাতে যদি কিছু উন্নত যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা কৃত্রিম উপগ্রহ থাকে, সেগুলো ইরানের হাতে তুলে দেওয়ার ঝুঁকি নিতে চায় না রাশিয়া।

কেননা, এসব অস্ত্র ইসরায়েল একের পর এক ধ্বংস করে দিচ্ছে। আর পুতিন ইতিহাস জানেন- হারতে থাকা দলের পাশে দাঁড়ানো রাজনৈতিক আত্মহত্যা।

ইসরায়েলের সঙ্গে রাশিয়ার একটি পুরোনো ও জটিল সম্পর্ক রয়েছে। মস্কো এমন কিছু করতে চায় না যাতে তেল উৎপাদনকারী উপসাগরীয় মিত্রদের সঙ্গে রাশিয়ার বোঝাপড়ায় ছন্দপতন ঘটে। তেল দামের উপর তাদের বৈদেশিক আয়ের একটি বড় অংশ নির্ভরশীল।

ইরানের দুর্বলতা কি রাশিয়ার সুবিধা?

অদ্ভুত হলেও সত্য- ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা দীর্ঘায়িত হলে রাশিয়ার কিছু লাভও হতে পারে। যেমন : মধ্যপ্রাচ্যে নতুন অস্থিরতা তৈরি হলে বিশ্ব দৃষ্টি ইউক্রেন থেকে সরবে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হলে তেলের দাম বাড়বে- রাশিয়ার অর্থনীতি একটু শক্তি পাবে। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তাহলে তার কৌশলগত ব্যর্থতা প্রকাশ পাবে। ট্রাম্পের ‘ইরান চুক্তি’ পরিকল্পনা ধাক্কা খাবে। অর্থাৎ ইরানের দুরবস্থায় রাশিয়া এক ধরনের ছায়া-সুখ পাচ্ছে।

তাহলে কি রাশিয়া চায় ইরান ধ্বংস হোক?

না, এতটাও নয়। পুতিন জানেন, ইরান ভেঙে পড়লে অঞ্চলে নতুন অস্থিরতা সৃষ্টি হবে। দক্ষিণ ককেশাসে- আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, জর্জিয়া- রাশিয়ার স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আর ইরান যদি প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দিকে যায়, তাহলে মস্কোর তেহরান-নিয়ন্ত্রণের খেলা শেষ হয়ে যাবে।

সেখানে রাশিয়া চায়

ইরান যেন পুরোপুরি ধ্বংস না হয়। আবার, ইরান যেন পারমাণবিক শক্তি হয়ে গিয়ে মস্কোর সমতুল্য মর্যাদা দাবি না করে। এটি এক ধরনের নিয়ন্ত্রিত উত্তেজনা বজায় রাখার কৌশল- না খুব বেশি দুর্বল, না খুব বেশি শক্তিশালী।

রাশিয়া কী কূটনীতির মাধ্যমে খেলতে চায়?

সম্ভবত। সম্প্রতি পুতিন যুক্তরাষ্ট্রকে ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় এনে পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়ে। তবে সেটি একটি প্রযুক্তিগত সমাধান। মূল সমস্যা- বিশ্বের দৃষ্টিতে ইরান যেন ‘পারমাণবিক অস্ত্র প্রস্তুত নয়’- এই বার্তাটা প্রচার করা।

কিন্তু আমেরিকা কোনো রকম পারমাণবিক সক্ষমতা ইরানের হাতে দেখতে চায় না এবং ইরান সেটাকে মানে আত্মসমর্পণ হিসেবে।

রাশিয়া ও ইরান এখন এক অদ্ভুত সম্পর্কের মধ্যে আবদ্ধ- একসঙ্গে হাঁটে, কিন্তু আলাদা স্বার্থে। ইরান চায় মিত্রের সহায়তা। রাশিয়া চায় শত্রুর দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে নিজের অবস্থান পোক্ত করতে। এই সম্পর্কে আবেগ নেই, আছে হিসাব। এটা বন্ধুত্ব নয়, এটা শক্তির কূটনৈতিক ভারসাম্য।

ইরান যদি ভেবে থাকে রাশিয়া তাকে রক্ষা করতে ছুটে আসবে- তবে সেটা এক ভয়ংকর ভুল।