Home Blog Page 378

বিতর্কিত নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা সাবেক সিইসি-ইসিদের বিরুদ্ধে মামলা করবে বিএনপি

দশম, একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনায় দায়িত্বে থাকা সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) ও নির্বাচন কমিশনারদের বিরুদ্ধে মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আগামীকাল রবিবার (২২ জুন) সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় এই মামলার আবেদন করবেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তার সঙ্গে আরও তিন সদস্য উপস্থিত থাকবেন বলে জানিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

শায়রুল কবির খান জানান, আগামীকাল সকাল ১০টায় নির্বাচন কমিশন অফিসে মামলার অনুলিপি জমা দেওয়া হবে এবং এরপরই থানায় আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা করা হবে।

এর আগে গত ১৬ জুন রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিতর্কিত তিনটি জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনে জড়িতদের তদন্তে একটি স্বতন্ত্র কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে সিইসি কাজী রকিবউদ্দীন আহমদের নেতৃত্বাধীন কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপি ও সমমনা দলগুলোর বর্জন করায় ১৫৩ জন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালে সিইসি কে এম নূরুল হুদার নেতৃত্বাধীন কমিশনের অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে ‘রাতের ভোট’-এর অভিযোগ ওঠে, যেখানে বিএনপি অংশ নিলেও মাত্র ৫টি আসন পায় (জোটগতভাবে ৭টি)। এছাড়া, সিইসি কাজী হাবিবুল আউয়ালের নেতৃত্বাধীন কমিশনের অধীনে ২০২৪ সালের নির্বাচনেও বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো অংশ নেয়নি এবং এই নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ ওঠে।

সম্ভাব্য তিন উত্তরসূরির নাম ঘোষণা করেছেন খামেনি

ইরানের ভূখণ্ডে ক্রমবর্ধমান ইসরায়েলি আক্রমণের মুখে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিজের জীবন ও ইসলামী প্রজাতন্ত্রের নেতৃত্ব কাঠামো রক্ষায় ‘অসাধারণ ধারাবাহিক পদক্ষেপ’ নিচ্ছেন বলে নিউ ইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে দাবি করেছে। শনিবার (২১ জুন) প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেনি তার মৃত্যুর ক্ষেত্রে সম্ভাব্য উত্তরসূরি হিসেবে তিনজন সিনিয়র ধর্মীয় নেতার নাম জানিয়েছেন।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে জরুরি যুদ্ধ পরিকল্পনার সঙ্গে পরিচিত তিন ইরানি কর্মকর্তার বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, খামেনি ইলেকট্রনিক যোগাযোগ স্থগিত করেছেন এবং সনাক্তকরণ এড়াতে একজন ‘বিশ্বস্ত সহকারীর’ মাধ্যমে কমান্ডারদের সঙ্গে কথা বলছেন। তাকে হত্যা করার ইসরায়েলি হুমকির মধ্যে সর্বোচ্চ নেতা বর্তমানে একটি ‘বাঙ্কারে’ সময় কাটাচ্ছেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। খামেনি বিশ্বাস করেন, ইসরায়েল অথবা আমেরিকা তাকে হত্যার চেষ্টা করতে পারে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, খামেনির পুত্র মোজতবা, যিনি একসময় উত্তরসূরি হিসেবে গুঞ্জনে ছিলেন, তার নাম সম্ভাব্য উত্তরসূরিদের তালিকায় নেই। নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে ইরানের গোয়েন্দা মন্ত্রণালয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সামরিক কমান্ডারদের ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহারের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।

নিউ ইয়র্ক টাইমসের এই প্রতিবেদন সম্পর্কে ইরান এখন পর্যন্ত কোনো মন্তব্য করেনি।

উল্লেখ্য, ১৩ জুন ইসরায়েল ইরানের সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনাসহ বেশ কয়েকটি স্থানে বিমান হামলা শুরু করলে শত্রুতা বৃদ্ধি পায়, যার প্রতিক্রিয়ায় তেহরান প্রতিশোধমূলক হামলা চালায়। ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ২৫ জন নিহত এবং শত শত আহত হয়েছেন। অন্যদিকে, ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ইসরায়েলি হামলায় ইরানে ৪৩০ জন নিহত এবং ৩,৫০০ জনেরও বেশি আহত হয়েছেন, যাদের বেশিরভাগই বেসামরিক নাগরিক।

ইসরায়েলে ইরানের পাল্টা হামলা

ইসরায়েলে ধারাবাহিক পাল্টা হামলা চালাচ্ছে ইরান, দাবি করছে যে তাদের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে ভেদ করতে সফল হয়েছে। ইরানের আধা-সরকারি সংবাদমাধ্যম তাসনিম নিউজের বরাত দিয়ে আজ শনিবার জানা গেছে, বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৩’-এর অংশ হিসেবে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ১৮ দফা হামলা চালিয়েছে।

আইআরজিসি’র বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইসরায়েলের কেন্দ্রস্থল, বেন গুরিয়ন বিমানবন্দর এবং ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর রসদ ও পরিচালনা কেন্দ্রগুলোতে আঘাত হানতে তারা ‘শাহেদ-১৩৬’ নামের যুদ্ধ ও আত্মঘাতী ড্রোনের ঝাঁক ব্যবহার করেছে। তাদের দাবি, এসব ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করেছে।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ইরানের দুটি ড্রোন ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভেদ করে দেশটির উত্তরাঞ্চলে ও দক্ষিণাঞ্চলে পৃথক হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী এই হামলাকে “বিরল ঘটনা” হিসেবে স্বীকার করেছে, যেখানে ইরানের একমুখী আক্রমণাত্মক ড্রোন সফলভাবে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অতিক্রম করতে পেরেছে।

তাসনিম নিউজের তথ্যমতে, গতকাল শুক্রবার রাতভর একাধিক স্কোয়াডে শাহেদ-১৩৬ ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। আজ শনিবার ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলে জর্ডান সীমান্তসংলগ্ন বেইত শেইন শহরে একটি ড্রোন আঘাত হানে, এতে একটি দুইতলা বাড়ি বিধ্বস্ত হয়। জরুরি উদ্ধারকর্মীরা জানান, বিস্ফোরণে বাড়িটির পাশে বড় ধরনের গর্ত সৃষ্টি হয়েছে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ইসরায়েলের জরুরি সেবা সংস্থা মাগেন ডেভিড আডম (এমডিএ) ধ্বংসস্তূপের ভেতর তল্লাশি চালিয়ে যাচ্ছে, তবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর তথ্যমতে, ইরানের দ্বিতীয় ড্রোনটি ইসরায়েলের দক্ষিণাঞ্চলের একটি খোলা এলাকায় আঘাত হানে, এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, আজ শনিবারের হামলায় অন্তত ছয়টি ড্রোন ছিল, যার মধ্যে কয়েকটি আরাভা মরুভূমি ও গোলান মালভূমিসহ অন্যান্য অঞ্চলে পৌঁছানোর আগেই ঠেকানো হয়েছে।

আইআরজিসি’র বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ইসরায়েলের সবচেয়ে উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ইরানের এই ড্রোনগুলো আটকাতে ব্যর্থ হয়েছে, যার ফলে ইসরায়েলিদের আবারও আশ্রয়কেন্দ্রে পালাতে বাধ্য হতে হয়েছে। এলিট বাহিনী জানিয়েছে, ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের সমন্বয়ে ইরানের এই ‘হাইব্রিড অপারেশন’ নিরবচ্ছিন্ন ও নির্ধারিত লক্ষ্য পূরণের উদ্দেশ্যে চালানো হবে।

বন্দরের দায়িত্ব বিদেশিদের দিতে ড. ইউনূসের আগ্রহ কেন, প্রশ্ন আনু মুহাম্মদের

চট্টগ্রাম বন্দরের নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল (এনসিটি) বিদেশি কোম্পানির কাছে ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ। তিনি এই প্রক্রিয়াকে দেশের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন। শনিবার(২১ জুন) রাজধানীর পল্টনে ইআরএফ কার্যালয়ে ‘চট্টগ্রাম বন্দর বিদেশি কোম্পানিকে ইজারা কেন ঝুঁকিপূর্ণ’ শীর্ষক এক মুক্ত আলোচনা সভায় গণতান্ত্রিক অধিকার কমিটি আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ডিপি ওয়ার্ল্ডকে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের (পিপিপি) মাধ্যমে জিটুজি ভিত্তিতে চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের এই কোম্পানি বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম টার্মিনাল অপারেটর। এর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন বন্দরের শ্রমিক-কর্মচারীরা।

অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ প্রশ্ন তুলেছেন, “মোহাম্মদ ইউনূসের ভাষায় ডিপি ওয়ার্ল্ড পৃথিবীর সেরা। শেখ হাসিনাও এই বন্দর ইজারা দেওয়ার চিন্তা করেছিলেন। তার (শেখ হাসিনা) তো একটা রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় স্বার্থ থাকতে পারে, কিন্তু মোহাম্মদ ইউনূসের স্বার্থটা কী? তিনি কেন এতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন, তা প্রশ্নের দাবি রাখে।”

সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, “হাসিনা সরকার এলএনজি আমদানিনির্ভর দেশ তৈরি করে গেছে। অন্তর্বর্তী সরকারেরও তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে কোনো উদ্যোগ নেই। উল্টো এলএনজি আমদানি চুক্তি করেছে। স্টারলিংকের সঙ্গে চুক্তি করেছে। এখন বিদেশি কোম্পানির হাতে চট্টগ্রাম বন্দরের দায়িত্ব তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। সবদিক থেকেই দেখা যাচ্ছে সরকার উল্টোপথে হাঁটছে।”

তিনি জাতীয় সক্ষমতা তৈরির ওপর জোর দিয়ে বলেন, বিদেশি শক্তির ওপর নির্ভর না করে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মাধ্যমে এই সক্ষমতা বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া উচিত।

আনু মুহাম্মদ বিশ্বব্যাংক, এডিবি কিংবা আইএমএফসহ আন্তর্জাতিক সংস্থার সঙ্গে করা চুক্তিগুলো জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানান। তিনি বলেন, “শেখ হাসিনার আমলে প্রাণ প্রকৃতি বিনাশকারী ও দেশবিরোধী কী কী ক্ষতিকর চুক্তি হয়েছে তা জাতির সামনে উন্মুক্ত করতে হবে। ক্ষতিকর চুক্তি বাদ দিতে হবে। ড. ইউনূস কেন সেগুলো উন্মুক্ত করছে না, প্রশ্ন তোলেন তিনি।”

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিবের আচরণ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন আনু মুহাম্মদ। তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, মোহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরে তার আস্থাভাজনরা রামপাল, রূপপুরের মতো বড় প্রকল্পের বিষয়ে শেখ হাসিনার আমলের মতোই কথা বলছেন এবং যারা প্রশ্ন তোলেন, তাদের প্রতিহত করার মনোভাব দেখা যায়।

বিদেশি বিনিয়োগ এলে সেই সম্পর্কে প্রশ্ন করা যাবে না—এ প্রবণতাকে ভুল আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “কেন, কী উদ্দেশ্য বিদেশি বিনিয়োগটি এলো তা খতিয়ে দেখতে হবে। তাদের বিনিয়োগ ভবিষ্যতে আশীর্বাদ হবে না, অভিশাপ হবে তা দেখতে হবে।”

আনু মুহাম্মদ জানান, আগামী ২৭ ও ২৮ জুন চট্টগ্রাম বন্দর ইজারা ও বিদেশি কোম্পানির ভূমিকা নিয়ে বামধারার বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে একটি জাতীয় মঞ্চ গঠিত হবে। তারা ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম লংমার্চ করবেন।

সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রকৌশলী কল্লোল মোস্তফা। তিনি বলেন, ডিপি ওয়ার্ল্ডকে ইজারা দেওয়ার ক্ষেত্রে জাতীয় স্বার্থ বিবেচনা করা হয়নি। লেখক ও গবেষক ড. মাহা মির্জা উল্লেখ করেন, কৌশলগত খাতে বেসরকারিকরণ টেকসই উন্নয়নের নিশ্চয়তা দিতে পারেনি।

সভায় আরও বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম বন্দরের সিবিএর সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ নুরুল্লা বাহার, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সাবেক অতিরিক্ত সচিব ও সদস্য (প্রশাসন ও পরিকল্পনা) মো. জাফর আলম প্রমুখ।

আজ বাংলাদেশে চব্বিশ ঘন্টায় করোনায় দুইজনের মৃত্যু

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন চারজন। শনিবার (২১ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ২১১টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়, যার মধ্যে চারজনের করোনা শনাক্ত হয়। আক্রান্ত সবাই ঢাকার (মহানগরসহ) বাসিন্দা।

করোনায় মারা যাওয়া দুজনই নারী। তাদের একজন চট্টগ্রাম এবং একজন খুলনা বিভাগের বাসিন্দা।

চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২১ জুন পর্যন্ত চার হাজার ৯৭৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে মোট ৩৯৭ জনের শরীরে করোনাভাইরাস পাওয়া গেছে। এই সময়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১১ জন।

নতুন করে চারজনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হওয়ায় মহামারির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫১ হাজার ৯৪২ জনে। এছাড়া, দুজনের মৃত্যুর মধ্যদিয়ে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৫১০ জনে।

চতুর্থ দিনে বোলিং-ব্যাটিং দুই বিভাগেই বাংলাদেশের দাপট

গল টেস্টের চতুর্থ দিনে দারুণ ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। তৃতীয় দিনটা পুরোপুরি শ্রীলঙ্কার হলেও চতুর্থ দিন বোলিং আর ব্যাটিং—দুই বিভাগেই আধিপত্য দেখিয়েছে টাইগাররা। চতুর্থ দিনে দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দ্বিতীয় ইনিংসে শক্ত ভিত গড়ছে বাংলাদেশ।

প্রথম ইনিংসে ব্যর্থ হলেও দ্বিতীয় ইনিংসে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন ওপেনার সাদমান ইসলাম। তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের ষষ্ঠ টেস্ট ফিফটি।

দিনের শুরুতে ৪ উইকেটে ৩৬৮ রান নিয়ে ব্যাট করতে নামে শ্রীলঙ্কা। কিন্তু বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে মাত্র ১১৭ রান যোগ করতেই অলআউট হয়ে যায় লঙ্কানরা। বিশেষ করে নাঈম হাসানের ফাইফার, সঙ্গে হাসান মাহমুদের ৩ উইকেট এবং তাইজুল-মুমিনুলের একটি করে উইকেট স্বাগতিকদের বড় লিড নিতে দেয়নি।

প্রথম ইনিংসে ৪৯৫ রানের পর বাংলাদেশের লিড দাঁড়ায় মাত্র ১০। এরপর নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুরুতে দুই উইকেট হারালেও ফিফটি তুলে নেন সাদমান ইসলাম, তাকে দারুণ সঙ্গ দেন অধিনায়ক শান্ত।

দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ১৭৭। সবমিলিয়ে লিড এখন ১৮৭ রান। ম্যাচ যেভাবে এগোচ্ছে, তাতে ফল না হলেও ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ আপাতত বাংলাদেশের হাতেই।

পঞ্চম দিনে দ্রুত রান তুলে লঙ্কানদের সামনে চ্যালেঞ্জিং লক্ষ্য দাঁড় করানোই হতে পারে টাইগারদের কৌশল।

ট্রেডমার্ক’ গোলে ফিফার টুর্নামেন্টে মেসির বিশ্বরেকর্ড

ফিফার টুর্নামেন্টে গোলের বিশ্বরেকর্ড গড়লেন লিওনেল মেসি। ক্লাব বিশ্বকাপে পোর্তোর বিপক্ষে ম্যাচে গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় এককভাবে শীর্ষে উঠলেন আর্জেন্টাইন মহাতারকা। ২০ বছরে ফিফার দশ টুর্নামেন্টে তার গোল এখন ২৫টি।

রেকর্ড শব্দটির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে গেছে লিওনেল মেসির নাম। আর্জেন্টাইন মহাতারকা মাঠে নামবেন, আর রেকর্ড হবে না। তা কী করে হয়? ক্লাব বিশ্বকাপে ইন্টার মায়ামির হয়ে দ্বিতীয় ম্যাচ খেলতে নেমেই ইতিহাস গড়লেন মেসি। পোর্তোর বিপক্ষে গোল করে বনে গেছেন ফিফার টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ গোলদাতা।

আগেও শীর্ষে ছিলেন। তবে, সেটা যৌথভাবে। তখন ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি মার্তার সমান ২৪ গোল ছিল তার। এবার চূড়ায় উঠলেন এককভাবে। ২০ বছরে দশটি বৈশ্বিক আসর খেলেছেন মেসি। জাতীয় দলের হয়ে বিশ্বকাপে গোল পেয়েছেন ১৩টি। অনূর্ধ্ব-২০ আর ক্লাব বিশ্বকাপে সমান ৬টি করে গোল তার।

নারী-পুরুষ মিলিয়ে সর্বোচ্চ গোলদাতাদের তালিকায় মেসি আর মার্তার পরেই আছেন রোনালদিনহো। তার সমান ১৯ গোল করে চার নাম্বারে রোনালদো। আর ১৭ গোল নিয়ে সেরা পাঁচে পর্তুগিজ তারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। চলমান ক্লাব বিশ্বকাপে আরও ম্যাচ খেলার সুযোগ আছে মেসির। সম্ভাবনা আছে আর্জেন্টিনা জার্সিতে বিশ্বকাপ খেলারও। এক্ষেত্রে গোল সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে কিংবদন্তি এই ফুটবলারের।

ক্লাব বিশ্বকাপে আরও রেকর্ড গড়েছেন মেসি। ইতিহাসের প্রথম ফুটবলার হিসেবে ১ হাজার ২৫০ গোলে কন্ট্রিবিউশান তার। ফ্রি-কিকে গোল করে আছেন সেরা তিনে। পোর্তো ম্যাচে এটি তার ৬৮তম ফ্রি-কিকের গোল। তার আগে ৭৭ গোলে শীর্ষে পার্নামবুকানো। আর ৭০ গোলে দুই নম্বরে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি পেলে। অর্থাৎ এখানেও রেকর্ড গড়ার সুযোগ আছে এলএম টেনের।

পোর্তো ম্যাচ দিয়ে ইন্টার মায়ামির হয়ে গোলের ফিফটিও হাঁকিয়েছেন মেসি।

দেশ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে মাহিয়া মাহি, বললেন ‘ঠিক আছে, ধন্যবাদ, বিদায়’

এক বছর আগে বড় পর্দায় শেষ দেখা গিয়েছিল ‘রাজকুমার’ সিনেমায়। আলোচিত কোনো নতুন কাজ নেই, তবে মাহিয়া মাহি কখনোই বাইরে যাননি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু থেকে। ব্যক্তিগত জীবন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব উপস্থিতি। সব মিলিয়ে তিনি ছিলেন শিরেনামে।

তবে এবার একেবারে ভিন্ন এক কারণে আলোচনায় এলো তাঁর নাম। নীরবে-নিভৃতে দেশ ছেড়েছেন এই ঢালিউড নায়িকা। গন্তব্য। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নিউইয়র্ক পৌঁছে নিজের ফেসবুকে একগুচ্ছ ছবি পোস্ট করেন মাহি। ক্যাপশনে মাত্র তিনটি শব্দ—‘ঠিক আছে, ধন্যবাদ, বিদায়।’ ছবির লোকেশন দেওয়া নিউইয়র্ক, যুক্তরাষ্ট্র। সংক্ষেপে, তবে স্পষ্টভাবে দেশ ছাড়ার বার্তাটিই যেন দিয়ে দিলেন তিনি।

তবে এই সফরের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে তিনি কিছু বলেননি। গণমাধ্যমকে শুধু জানালেন, “ভিসা পাওয়ার পর আর আসা হয়নি যুক্তরাষ্ট্রে। তাই এবার একটু সময় বের করে এলাম। বাচ্চা তো দেশে আছে, ঘুরে ফিরে আবার যাব।”

চলচ্চিত্রে মাহির যাত্রা শুরু ‘ভালোবাসার রঙ’ দিয়ে, ২০১২ সালে। এরপর একে একে উপহার দিয়েছেন ‘অগ্নি’, ‘পোড়ামন’, ‘অন্যরকম ভালোবাসা’, ‘অবতার’-এর মতো দর্শকনন্দিত চলচ্চিত্র। নিজের প্রাঞ্জল অভিনয় আর সাবলীল অভিব্যক্তির জন্য খুব দ্রুতই জায়গা করে নিয়েছেন ঢালিউডের প্রথম সারির নায়িকাদের তালিকায়।

সম্প্রতি চলচ্চিত্রে অনিয়মিত হলেও আলোচনায় ছিলেন নানা কারণেই। এবার যুক্তরাষ্ট্র সফর ঘিরে নতুন করে শুরু হয়েছে গুঞ্জন। মাহি কি তবে নতুন করে জীবন সাজাতে চলেছেন? ফের কি শুরু হবে নতুন অধ্যায়?

তবে আপাতত এসব প্রশ্নের জবাব সময়ই দেবে। নিউইয়র্কের আকাশে আপাতত একটিই লেখা—‘ঠিক আছে, ধন্যবাদ, বিদায়।’

অশিক্ষিত’ বলায় মার্কশিট দেখিয়ে দিলেন অভিনেত্রী

একটা সময় ভারতের বাংলা টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে কিছু ধারাবাহিক দেখানো হতো; যার অনেকগুলো দিনে দিনে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।এসব টেলিভিশন সিরিয়ালই ছিল বাঙালি তরুণীদের অন্যতম আকর্ষণ। সেখান থেকে দর্শকের প্রিয় মুখে পরিণত হন অভিনেত্রী মধুবনী গোস্বামী। কিন্তু অন্যান্য তারকাদের মতো তাকেও পড়তে হয়েছে কটাক্ষের মুখে; তাই নিন্দুকদের জবাব দিতে এই অভিনেত্রী নিলেন এক কড়া পদক্ষেপ!

যদিও পর্দা থেকে অনেকদিন ধরেই বাইরে রয়েছেন এক সময়ের নন্দিত এই অভিনয়শিল্পী। তবে লাইমলাইট-এ রয়েছেন সামাজিক মাধ্যমের হাত ধরে। নিয়মিত রয়েছেন ভ্লগিংয়ে। তার রয়েছে বেশ ভক্ত-অনুরাগীও।

এরই মধ্যে এই ভ্লগিংকে কেন্দ্র করে নিন্দুকদের কটাক্ষের মুখে মধুবনী। “ছেলে সন্তানকে দেখিয়েই তো বাড়িতে রান্না হয় আপনাদের!”— এমনই একের পর এক নানা মন্তব্যে ভরে যায় অভিনেত্রীর মন্তব্য ঘর। শুধু তাই নয়, “ভ্লগ করেই খেতে হবে, অশিক্ষিত, আর কোনো যোগ্যতা নেই”- এমন মন্তব্যও আসে বলে অভিযোগ অভিনেত্রীর।

বলা বাহুল্য, দর্শকদের এমন মন্তব্যে বিরক্ত মধুবনী ও তার স্বামীও। তারা যে অশিক্ষিত নন, তারই জবাব দিতেই পোস্ট করলেন নিজেদের মাধ্যমিকের রেজাল্ট।

তাতে দেখা যায়, মাধ্যমিকে ভালো নম্বর পেয়েই পাশ করেছিলেন দুজনে। এ নিয়ে ভারতীয় গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘অনেকে ভাবছেন আমরা রেগে আছি। কিন্তু তা নয়। কিছু কিছু মানুষ এমন জঘন্য মন্তব্য করেন, তাদের চুপ করানোর জন্য এই পোস্ট করেছি।’

প্রসঙ্গত, ১৪ বছর আগে ‘ভালোবাসা ডট কম’ সিরিয়ালে ‘ওম’ এবং ‘তোড়া’র ভালোবাসার কাহিনী মানুষের মন জয় করে নিয়েছিল অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই। কিন্তু সেই ভালোবাসার কাহিনী তাদের বাস্তব জীবনেও পরিণয়ে ঘটে। এই দুই প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন মধুবনী গোস্বামী এবং রাজা গোস্বামী। তারা এখন সংসার করছেন; রয়েছে তাদের এক সন্তানও।

নিবন্ধন পেতে রোববার ইসিতে আবেদন করবে এনসিপি: আখতার হোসেন

রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধনের জন্য আগামী রোববার নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি আবেদন করবে বলে জানিয়েছেন দলটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন। শুক্রবার রাজধানীর বাংলামোটরের রূপায়ন ট্রেড সেন্টারের এনসিপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সাধারণ সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

এসময় আখতার হোসেন বলেন, ‘যেসব মিডিয়া নারীদের নিয়ে কুরুচিপূর্ণ সংবাদ প্রচার করেছে তাদের বিরুদ্ধে প্রেস কাউন্সিলে অভিযোগ করবে এনসিপি। বিদেশে অবস্থান করে যারা নারী নেত্রীদের নিয়ে বাজে প্রচার করছে, তাদের বিষয়ে অ্যাম্বাসিগুলোতে অভিযোগ করা হবে।’

এনসিপির ৬ষ্ঠ সাধারণ সভায় গঠনতন্ত্র বিষয়ক গৃহীত সিদ্ধান্ত:  জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক সারা দেশের কাউন্সিলদের সরাসরি ভোটে নির্বাচিত হবেন। একজন সদস্য জীবনে সর্বোচ্চ দুইবার সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন এবং সর্বোচ্চ দুইবার সভাপতি পদে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টির একটি ‘রাজনৈতিক পরিষদ’ থাকবে। ‘রাজনৈতিক পরিষদ’ ন্যাশনাল কাউন্সিলের ভোটে নির্বাচিত হবে। ‘রাজনৈতিক পরিষদ’ সর্বনিম্ন এগারো (১১) জন থেকে সর্বোচ্চ পনেরো (১৫) জন সদস্যবিশিষ্ট হবে। ১১ জন সদস্য ‘ন্যাশনাল কাউন্সিল’ এর ভোটে নির্বাচিত হবেন; তন্মধ্যে নূন্যতম তিনজন নারী সদস্য থাকতে হবে।

পদাধিকারবলে দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক রাজনৈতিক পর্ষদের অন্তর্ভুক্ত হবেন। এই পর্ষদের বাকি দুজন সদস্য সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের দ্বারা মনোনীত হবেন। দলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ‘রাজনৈতিক পরিষদ’-এর নিকট দায়বদ্ধ থাকবে।

জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপির একটি ‘ন্যাশনাল কাউন্সিল’ থাকবে। এই ফোরাম ‘রাজনৈতিক পরিষদ’ নির্বাচন, সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক নির্বাচন এবং জরুরি সময়ে কিছু কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করার দায়িত্ব পালন করবেন। ন্যাশনাল কাউন্সিল কেন্দ্রীয় কমিটি, অঙ্গসংগঠনের নির্বাহী কমিটি, জেলা পদমর্যাদার কমিটি থেকে ৫ জন এবং উপজেলা পদমর্যাদার কমিটি থেকে ২ জন সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত হবে।

জাতীয় নাগরিক পার্টির একটি কেন্দ্রীয় কমিটি থাকবে। যা দলের সভাপতি, সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক, সম্পাদকমন্ডলী, অন্যান্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক সাধারণ সদস্য এবং ক্ষেত্রবিশেষ জেলা সভাপতির সমন্বয়ে গঠিত হবে। কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ হবে তিন (৩) বছর। মেয়াদের শেষ নব্বই (৯০) দিনের মধ্যে পরবর্তী কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে।

দলের নিবন্ধনের জন্য নির্বাচন কমিশনে আবেদন দাখিল করার ব্যাপারে আজকের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। দলের নিবন্ধন সংক্রান্ত ব্যাপারে নির্বাচন কমিশনের সাথে সামগ্রিক যোগাযোগের জন্য দলের পক্ষ থেকে মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, যুগ্ম-আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহ, যুগ্ম-সদস্যসচিব জহিরুল ইসলাম মুসাকে আজকের সভায় গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দায়িত্ব প্রদান করা হয়।

আজকের সভায় উপরোক্ত সংশোধনীসমূহ সহ জাতীয় নাগরিক পার্টি এনসিপি’র ‘খসড়া গঠনতন্ত্র’ পাশ হয়। গৃহীত ‘খসড়া গঠনতন্ত্র’ আগামী কাউন্সিলের পূর্বে প্রয়োজন সাপেক্ষে বর্তমান প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক কমিটি সংশোধনী আনতে পারবে।