Home Blog Page 392

ইরানে হামলা ১৫ বছরের পরিকল্পনার ‘চূড়ান্ত পরিণতি’: মার্কিন জেনারেল

যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের প্রধান জেনারেল ড্যান কেইন বলেছেন, ইরানে অপারেশন মিডনাইট হ্যামার ছিল ১৫ বছরের কাজের ‘চূড়ান্ত পরিণতি’।

‘হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রগুলো ফোর্দো পারমাণবিক স্থাপনায় হামলায় যাতে সাফল্য অর্জন করা যায়, সেজন্য ডিজাইন, পরিকল্পনা ও সরবরাহ করা হয়েছিল’ বলেন তিনি।

কেইন আরও বলেন, ঘটনাস্থলে দুইটি ভেন্ট শ্যাফ্টে তারা হামলা করেছিল। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, হামলা প্রতিহত করার জন্য ইরানিরা সেগুলো কংক্রিট দিয়ে ঢেকে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল।

সারাদেশে যৌথবাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার ৩৮৫ জন

সারাদেশে গত এক সপ্তাহে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত অভিযোগে ৩৮৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনী। তাদের কাছ থেকে ২৬টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ৭০টি গোলাবারুদ, ১১টি ককটেল, বিভিন্ন মাদকদ্রব্য, সন্ত্রাসী কার্যকলাপে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র, চোরাই মালপত্র, ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, দেশের চলমান পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশব্যাপী পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে চলেছে সেনাবাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৯ থেকে ২৬ জুন সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদাতিক ডিভিশন ও স্বতন্ত্র ব্রিগেডের অধীন ইউনিটগুলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যৌথ অভিযান চালায়। অভিযানে চিহ্নিত সন্ত্রাসী, অবৈধ অস্ত্রধারী, চোরাকারবারি, কিশোর গ্যাং সদস্য, চাঁদাবাজ, অপহরণকারী, অবৈধ দখলদার, ডাকাত, টিসিবির পণ্য আত্মসাৎকারী, অবৈধ রিক্রুটমেন্টের সঙ্গে জড়িত দালাল, ভেজাল খাদ্যদ্রব্যের ব্যবসায়ী, অবৈধ বালু উত্তোলনকারী, মব ভায়োলেন্স সৃষ্টিকারী, মাদক কারবারি ও মাদকাসক্তসহ মোট ৩৮৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও আইনি কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত টহল ও নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রমে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করা হচ্ছে।

পরীক্ষায় বাড়তি সময় না দেওয়ায় পরিদর্শককে মারধর ছাত্রদল নেতার

বগুড়ার নন্দীগ্রামে এইচএসসি পরীক্ষার কেন্দ্রে উত্তরপত্র লিখতে বাড়তি সময় না দেওয়ায় কক্ষ পরিদর্শককে মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়েছেন এক ছাত্রদল নেতা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা ফিরোজ আহমেদ শাকিলকে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সকালে উপজেলার নন্দীগ্রাম সরকারি মহিলা কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রের ২০৩ নম্বর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।

বহিষ্কার হওয়া শাকিল নন্দীগ্রাম মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ও উপজেলার মাঝগ্রামের শফিকুল ইসলামের ছেলে। পরীক্ষায় অংশ নেওয়া থেকে বহিষ্কারের পাশাপাশি এদিন বিকালে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়। মারধরের শিকার কক্ষ পরিদর্শকের নাম ফেরদৌস আলী। তিনি নন্দীগ্রাম সরকারি মহিলা কলেজের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের প্রভাষক এবং ওই কেন্দ্রের পরিদর্শক। হত্যার হুমকির ঘটনায় শাকিলের বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম থানায় ডিজি করেছেন ফেরদৌস আলী। কলেজের অধ্যক্ষ বেলাল হোসেন এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ওই কেন্দ্রের পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় নন্দীগ্রাম সরকারি মহিলা কলেজ পরীক্ষা কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়। এমসিকিউ পরীক্ষার সময় শেষ হওয়ার পরও ২০৩ নম্বর কক্ষে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি ফিরোজ আহমেদ শাকিল। এমসিকিউ প্রশ্নের নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার পর কেন্দ্র পরিদর্শক ফেরদৌস আলী পরীক্ষার্থীদের উত্তরপত্র জমা দিতে বলেন। তখন সবাই উত্তরপত্র জমা দেন। এ সময় শাকিল বলেন, ‘আমি ছাত্রদলের সভাপতি’। পুনরায় উত্তরপত্র চাইলে দেবেন না বলে পরিদর্শককে মারধর ও প্রাণনাশের হুমকি দেন।

ওই কেন্দ্রের দুজন পরীক্ষার্থী জানিয়েছেন, সকাল ১০টায় বাংলা প্রথমপত্রের ৩০ মিনিটের এমসিকিউ পরীক্ষা শুরু হয়। সাড়ে ১০টায় সময় শেষে সব পরীক্ষার্থী খাতা জমা দেন। তখনও লিখছিলেন ছাত্রদল নেতা শাকিল।

কক্ষ পরিদর্শক ফেরদৌস আলী খাতা চাইলে দিতে অস্বীকৃতি জানান। তিনি খাতা জমা না দেওয়ায় পরিদর্শক লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দিতে পারছিলেন না। এ নিয়ে অন্য পরীক্ষার্থীরা আপত্তি জানালে পরিদর্শক শাকিলের হাত থেকে খাতা কেড়ে দেন। এরপর লিখিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র দেন। এতে শাকিল ক্ষুব্ধ হন। তিনি পরীক্ষা দেবেন না বলে খাতা ও প্রশ্ন নিয়ে কক্ষ থেকে বের হয়ে যান। সেইসঙ্গে নিজেকে নন্দীগ্রাম উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন আদরের ভাগনে ও মনসুর হোসেন ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি পরিচয় দিয়ে কক্ষ পরিদর্শককে হত্যার হুমকি দেন। পরিদর্শককে উদ্দেশ্য করে শাকিল বলেন, ‌‘তুই বাইরে আয়, আমার বিরুদ্ধে ১২টা মামলা আছে, তোকে খুন করলে ১৩টি মামলা হবে।’ তখন অন্য শিক্ষকরা অনুরোধ করে তাকে কক্ষে ফিরিয়ে আনেন। এ সময় শাকিল কক্ষে এসে পরিদর্শক ফেরদৌস আলীকে মারধর করে বেরিয়ে যান।

এ ব্যাপারে নন্দীগ্রাম সরকারি মহিলা ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রের সচিব সহকারী অধ্যাপক আমজাদ হোসেন বলেন, ‘কক্ষ পরিদর্শককে মারধরের ঘটনায় শাকিলকে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে পরিদর্শক ফেরদৌস আলী বলেন, ‘শাকিলকে পরীক্ষা থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। আমাকে হত্যার হুমকির ঘটনায় তার বিরুদ্ধে নন্দীগ্রাম থানায় জিডি করেছি। সেইসঙ্গে বিষয়টি শিক্ষাবোর্ড, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। তবে এ ঘটনায় পুলিশ ও প্রশাসনের সহযোগিতা পাইনি আমি।’

নন্দীগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোসা. লায়লা আঞ্জুমান বানু বলেন, এ ঘটনায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষক থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

তবে বিকালে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি পদ থেকে শাকিলকে বহিষ্কার করা হয়। জেলা ছাত্রদলের দফতর সম্পাদক সোহান ইসলাম স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

শান্ত ও সাদমানের বিদায়ে চাপে বাংলাদেশ

কলম্বো টেস্টে আগে ব্যাট করতে নেমে প্রথম সেশনে ২ উইকেট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। লাঞ্চ বিরতির পর আরও দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়েছে টাইগাররা।

এই প্রতিবেদন খেলা পর্যন্ত ৩৩ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৯০ রান। মুশফিকুর রহিম ৭ রান এবং লিটন কুমার দাস ৮ রানে ব্যাট করছেন। তবে
বৃষ্টির কারণে বর্তমানে খেলা বন্ধ আছে।

বুধবার টস জিতে আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ। ১০ বলে শূন্য রান করে সাজঘরে ফেরেন ওপেনার বিজয়। এতে দলীয় ৫ রানে প্রথম উইকেট হারায় টাইগাররা।

তৃতীয় উইকেটে মুমিনুল হক সঙ্গে নিয়ে দলের হাল ধরার চেষ্টা করেন সাদমান ইসলাম। তবে ইনিংস বড় করতে পারেননি মুমিনুল। ৩৯ বলে ২১ রান করে ক্যাচ আউট হন এই অভিজ্ঞ ব্যাটার। এরপর পিচে আসেন শান্ত। ব্যক্তিগত ৭ রান তুলতেই লাঞ্চ বিরতিতে যায় বাংলাদেশ। প্রথম সেশনে ২৬ ওভার ব্যাট ২ উইকেট হারিয়ে ৭৬ রান তুলেছিল টাইগাররা।

বিরতির পর দ্বিতীয় সেশনে ব্যাট করতে নেমেই দুই উইকেট হারিয়েছে বাংলাদেশ। ২৮তম ওভারে শেষ বলে ক্যাচ আউট হন শান্ত। পরের ওভারে তাকে সঙ্গ দিয়ে মাঠ ছাড়েন ওপেনার সাদমান। ৯৩ বলে ৪৬ রান করেন তিনি। এতে ৭৪ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।

কলম্বোয় হতাশাজনক পারফরম্যান্স বাংলাদেশের

কলম্বোয় সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টের প্রথম দিনে ব্যাট হাতে ব্যর্থ হয়েছে বাংলাদেশ। গলে প্রথম টেস্টে ব্যাটাররা দুর্দান্ত পারফর্ম করলেও, কলম্বোতে সেই ফর্ম ধরে রাখতে পারেননি নাজমুল হোসেন শান্ত-লিটন দাসরা। প্রথম দিন শেষে বৃষ্টি বিঘ্নিত ৭১ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ২২০ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ।

গলে দুই ইনিংসেি ব্যর্থ ছিলেন এনামুল হক বিজয়। তবুও এই ওপেনারকে কলম্বোতে সুযোগ দিয়েছে টিম ম্যানেজমেন্ট। তবে এবারও ব্যর্থতার বৃত্ত ভাঙতে পারলেন না তিনি। ইনিংস ওপেন করতে নেমে নতুন বলে নিজের সঙ্গেই লড়াই করেছেন। ১০ বল খেলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি তিনি। আভিশকা ফার্নান্দোর বলে ইনসাইড এজে বোল্ড হয়েছেন।

তিনে নেমে শুরুর সেই ধাক্কা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছেন মুমিনুল হক। অভিজ্ঞ এই ব্যাটার কঠিন সময় পেরিয়ে উইকেটে থিতুও হয়েছিলেন। তবে ইনিংস বড় করতে পারলেন না। ৩৯ বলে ২১ রান এসেছে তার ব্যাট থেকে।

গলের শেষ ইনিংসে যেখানে শেষ করেছিলেন, এবার যেন সেখান থেকেই শুরু করেছিলেন সাদমান ইসলাম। দারুণ ব্যাটিংয়ে ফিফটির পথেই ছিলেন। তবে ফিরেছেন ফিফটি না পাওয়ার হতাশা সঙ্গী করে। ৯৩ বলে ৪৬ রান করেছেন এই ওপেনার।

সাদমান ফেরার পর বাড়তি দায়িত্ব ছিল শান্তর কাঁধে। কিন্তু অধিনায়ক উল্টো নিজের উইকেট দিয়ে দলের ওপর চাপ বাড়ান। উইকেটের পেছনে ধরা পড়ার আগে ৩১ বলে ৮ রান করেছেন তিনি।

৭৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ যখন ধুঁকছে তখন দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন লিটন ও মুশফিক। উইকেটে থিতু হওয়ার পর গিয়ার পরিবর্তন করেন লিটন। খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসে কিছুটা আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেছেন। আর তাতে হিতে বিরপরীত হলো! সোনাল ধিনুসার করা অফ স্টাম্পের বাইরের বল টার্ন করে ভেতরে ঢোকার সময় লেইট কাট করতে যান লিটন, তাতে ব্যাটের কানায় লেগে বল চলে উইকেটকিপারের গ্লাভসে। সাজঘরে ফেরার আগে ৫৬ বলে ৩৪ রান করেছেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার। আর লিটনের বিদায়ে ভাঙে ৬৭ রানের পঞ্চম উইকেট জুটি।

লিটনের পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি মুশফিক। ৩৫ রান করে ফিরেছেন তিনি। ত্রিশের ঘরে আটকেছেন বাংলাদেশের আরো এক ব্যাটার। সাতে নামা মেহেদি মিরাজও ভালো শুরু পেয়েছিলেন। কিন্তু ইনিংস বড় করতে পারেননি। ৪২ বলে করেছেন ৩১ রান।

নাঈম হাসান উইকেটে এসে বেশ সতর্ক ছিলেন। তার ব্যাটিং বেশ ইতিবাচক ছিল। তবে দিনের একেবারে শেষ দিকে দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড হয়েছেন তিনি। তার আগে ৫১ বলে ২৫ রান করেছেন। এরপর দিনের বাকিটা সময় বিরাপদেই কাটিয়েছেন তাইজুল ও এবাদত।

১২৭ জনের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিলেন মিষ্টি জান্নাত

ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা মিষ্টি জান্নাত। বিয়ের গুঞ্জন, প্রেম এবং বিভিন্ন ব্যক্তিগত কারণে প্রায়শই নেটিজেনদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন এই অভিনেত্রী। বর্তমানে দুবাইয়ে ছুটি কাটাচ্ছেন। তবে দুবাই সফরে গিয়ে বেশ সমালোচনার মুখে পড়েছেন এ চিত্রনায়িকা।

নেটিজেনরা বিভিন্নরকম বিদ্রুপমুলক কথা বলছেন তোকে ঘিরে। সোশ্যাল মিডিয়ায় অভিনেত্রীর পোস্টে করছেন বিরুপ মন্তব্য। যা নজর এড়ায়নি মিষ্টি জান্নাতের। আর এবার তাকে ঘিরে বাজে মন্তব্য কিংবা পোস্টধারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিলেন এ চিত্রনায়িকা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টের মাধ্যমে মিষ্টি জান্নাত এ হুঁশিয়ারি দেন। তিনি লেখেন, ‘কিছু পেইজ এবং সো-কলড জার্নালিস্ট নামক ভিউ ব‍্যবসায়ীদের নাম এবং কিছু কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এর নাম, ১২৭ জন আমার পেইজে বাজে কমেন্টকারী। এদের স্ক্রিনশট, লিংক সব এন্ট্রি করা হয়েছে। সাথে কিছু সো-কলড ফেইসবুকার, টিকটকার এদের নাম নিয়ে আমার ল-ইয়ার এবং আমার ফ‍্যান – ফলোয়ার, পরিবার কাজ করছেন।’

মিষ্টি জান্নাত আরো জানান, তার এই মানহানির পেছনে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কাজ করছে। তার কথায়, ‘অতি শিগগিরই এদের আইনের আওতায় আনা হবে আমার মানহানি করার জন্য। একদল লোক পিছনে লেগেই আছে, এখন তাদের আর কোনো ক্ষমা নেই।’

২০১৪ সালে ‘লাভ স্টেশন’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দার ক্যারিয়ার শুরু করেন মিষ্টি জান্নাত। এরপর নিয়মিত কাজ করেছেন সিনেমায়।

এরপর ‘তুই আমার রানী’, ‘আমার প্রেম তুমি’, ‘চিনিবিবি’সহ কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। নায়িকা পরিচয়ের পাশাপাশি তিনি একজন চিকিৎসকও। গত বছরে শাকিব খানের সঙ্গে বিয়ের গুঞ্জনে আলোচনায় এসেছিলেন এই অভিনেত্রী। পরে অবশ্য সংবাদ সম্মেলন ডেকে তিনি জানান, পুরো বিষয়টিই আদতে গুজব।

দেবের বিপরীতে ফারিণ নন, আসছে নতুন মুখ

টালিউডের নতুন সিনেমা ‘প্রজাপতি ২’-তে অভিনেতা দেবের বিপরীতে বাংলাদেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণের আর অভিনয় করা হচ্ছে না। তার পরিবর্তে ওপার বাংলার ছোট পর্দার অভিনেত্রী জ্যোর্তিময়ী কুণ্ডুকে বেছে নেওয়া হয়েছে।

এর আগে ভারতীয় গণমাধ্যমের পক্ষ থেকে জানা গিয়েছিল, ‘প্রজাপতি ২’ সিনেমায় দেবের নায়িকা হবেন তাসনিয়া ফারিণ। কিন্তু নায়িকা বাছাইয়ের ক্ষেত্রে পরবর্তীতে নতুন সিদ্ধান্ত নেয় পরিচালক অভিজিৎ সেন। অর্থাৎ, দেবের বিপরীতে নায়িকা হিসেবে দেখা যাবে ওপার বাংলার ছোট পর্দার অভিনেত্রী জ্যোর্তিময়ী কুণ্ডুকে।

গত বছর ‘প্রজাপতি ২’-এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়। সে সময় তাসনিয়া ফারিণকে বেছে নেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বাংলাদেশের সরকার পরিবর্তনের পর সৃষ্টি হয় ভারতে যাওয়ার ভিসা জটিলতা, ফলে ভারতে যাওয়া অনিশ্চিত হয়ে যায় ফারিণের।

মব সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি বাম জোটের

সারা দেশে চলমান ‘মব সন্ত্রাস’-এর বিরুদ্ধে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে বাম গণতান্ত্রিক জোট। জোটের কেন্দ্রীয় পরিষদের সভায় চট্টগ্রামে রোড মার্চের প্রচারে পুলিশের বাধাদানের ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে।

আজ বুধবার সিপিবি অফিসে অনুষ্ঠিত ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন বামজোটের সমন্বয়ক ও বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্স। সভায় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ফিরোজ, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদ, বাসদ (মার্কসবাদী)-এর সমন্বয়ক মাসুদ রানা, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পাদক মোশরেফা মিশু ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক পার্টির নির্বাহী সভাপতি আব্দুল আলী।

সভায় বক্তারা বলেন, গত ২২ জুন লালমনিরহাটে ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে দরিদ্র নরসুন্দর বাবা ও ছেলেকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেয় মব সৃষ্টিকারী লোকজন। একইদিনে আওয়ামী লীগের প্রহসনের নির্বাচনে সহযোগিতাকারী সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার নুরুল হুদাকে ‘মব’ তৈরি করে জুতার মালা পড়ানো হয় ও মারধর করা হয়। আইনের শাসনের বিরোধী ও গণতন্ত্রের পক্ষে হুমকিস্বরূপ এসব মব সন্ত্রাস বন্ধে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

বক্তারা আরো বলেন, অন্তবর্তী সরকারের ১০ মাস অতিবাহিত হলেও অব্যাহত মব সন্ত্রাস নিয়ন্ত্রণে সরকারের ব্যর্থতা সীমাহীন।

যা কোনোক্রমেই মেনে নেওয়া যায় না। শুধু সরকার নয়, সেনাপ্রধানও মবের বিরুদ্ধে বলার পরও পরিস্থিতির কেন পরিবর্তন লক্ষ করা যাচ্ছে না। ফলে দেশের জনগণ আতঙ্কিত।

সভায় নেতৃবন্দ বলেন, বর্তমান সরকার এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে বন্দরের টার্মিনাল বিদেশি কম্পানিকে লিজ দেওয়া, রাখাইনে করিডর দেওয়ার মতো সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

এর প্রতিবাদে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী দেশপ্রেমিক জনগণ রোডমার্চের ডাক দিয়েছে। চট্টগ্রামে রোডমার্চের প্রচার চলাকালে গত ২৩ জুন পুলিশ প্রচারকাজে নেতাকর্মীদের বাধা দেয়। পুলিশের এ ধরনের আচরণ গণতন্ত্র পরিপন্থী। সভা থেকে আগামী ২৭ ও ২৮ জুন ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখে রোড মার্চ সফল করার আহ্বান জানানো হয়।

মাদারীপুরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নেতাকে কোপালেন এনসিপি নেতা

মাদারীপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কর্মীসভায় জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব মাসুম বিল্লাহকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করার অভিযোগ উঠেছে। তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় পাঠানো হয়েছে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বুধবার (২৫ জুন) বিকাল ৪টায় মাদারীপুর শহরের ভূঁইয়া কমিউনিটি সেন্টারে এনসিপি উপজেলা কমিটির আয়োজনে একটি কর্মীসভার আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাদারীপুর জেলা শাখার সদস্য সচিব মাসুম বিল্লাহ।

অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগেই এনসিপির জেলা সমন্বয় কমিটির যুগ্ম-সমন্বয়কারী হাসিবুল্লাহর নেতৃত্বে জেলা সমন্বয় কমিটির সদস্য, রাতুল ও টুটুলসহ ২০-২৫ জনের একটি দল ধারালো অস্ত্র ও হাতুড়ি নিয়ে মাসুম বিল্লাহকে অতর্কিত হামলা করে। এ সময় মাসুম বিল্লাহকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে স্থান ত্যাগ করে হামলাকারীরা।

তখন মাসুম বিল্লাহর সঙ্গে উপস্থিত বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্য নেতাকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে দ্রুত মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নিয়ে যান। তার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে পাঠান চিকিৎসক।

এ ঘটনায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মাদারীপুর জেলার আহ্বায়ক নিয়ামতউল্লা জানান, মাদারীপুর জেলায় এনসিপির যে সমন্বয় কমিটি করা হয়েছে তা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীদের আকাঙ্ক্ষা বিরোধী। ওই বিতর্কিত কমিটিতে যারা আছে তারাই মাসুম বিল্লাহর ওপরে এই হামলা চালিয়েছে। আমরা এই হামলার তীব্র নিন্দা জানাই এবং দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি জানাই।

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ঘটনা শোনার সঙ্গে সঙ্গেই আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। কিছু লোকের নামও আমরা পেয়েছি। এই ঘটনার সঙ্গে যারাই জড়িত থাকুক- তাদেরকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে ইরানে ৩ জনের ফাঁসি কার্যকর

ইসরাইলের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির দায়ে ইরানে মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত তিনজনকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। ইরান বুধবার জানিয়েছে, দুই দেশের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরদিন এ মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়।

ইসরাইলের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বিচার বিভাগ বলেছে, ‘ইদ্রিস আলী, আজাদ শোজাই ও রসুল আহমেদ রসুলকে ইহুদিবাদী শাসনের পক্ষে সহযোগিতায় গুপ্তহত্যা চালানোর লক্ষ্যে দেশে সরঞ্জাম আমদানি করার চেষ্টা চালানো জন্য গ্রেপ্তার ও বিচার করা হয়।’

‘বুধবার সকালে এই রায় কার্যকর করে তাদের ফাঁসি দেওয়া হয়েছে।’

বিচার বিভাগ জানিয়েছে, তুরস্কের সীমান্তের কাছে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় নগরী উর্মিয়ায় তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে। কারাগারের নীল পোশাক পরা তিন ব্যক্তির ছবি শেয়ার করা হয়েছে।

তেহরান নিয়মিতভাবে চিরশত্রু ইসরাইলসহ বিদেশি গোয়েন্দা পরিষেবার হয়ে কাজ করার সন্দেহে এজেন্টদের গ্রেপ্তার ও মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার ঘোষণা দিয়েছে।

গত ১৩ জুন ইরান-ইসরাইল যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর, তেহরান দেশটির চিরশত্রুদের সাথে সহযোগিতার সন্দেহে গ্রেপ্তারকৃতদের দ্রুত বিচারের প্রতিশ্রুতি দেয়।

রোববার ও সোমবার উভয় দিনেই দেশটি মোসাদের এজেন্ট হিসেবে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালসহ মানবাধিকার গোষ্ঠীগুলোর মতে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার দিক থেকে ইরান বিশ্বের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দেশ। এক্ষেত্রে চীনের পরে দেশটির স্থান।