Home Blog Page 399

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে ইঙ্গিত করে উপদেষ্টা আসিফের পোস্ট

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে ইঙ্গিত করে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্থানীয় সরকার এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। তিনি লিখেছেন, টাকা ফেরত চাইলে কাউকেই খুঁজে পাওয়া যায় না-এ বিষয়ে বন্ধুবান্ধব আর সরকারপ্রধানের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই।

প্রসঙ্গত, যুক্তরাজ্যে সফররত প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুরোধে সাড়া দেননি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে পাচার হওয়া কয়েক বিলিয়ন ডলার উদ্ধারের প্রচেষ্টায় সমর্থন আদায়ের লক্ষ্যে লন্ডনে এ সফর করছেন প্রধান উপদেষ্টা।

অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস যুক্তরাজ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম ফিন্যান্সিয়াল টাইমসকে বলেছেন, বিগত শাসনামলে ‘চুরি’ হওয়া অর্থ খুঁজে বের করতে বাংলাদেশের নতুন সরকারকে সহায়তা করার বিষয়ে যুক্তরাজ্যের নৈতিকভাবে বাধ্যবাধকতা উপলব্ধি করা উচিত। চুরি হওয়া ওই অর্থের একটি বড় অংশ বর্তমানে যুক্তরাজ্যে আছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে পাঁচটায় দেওয়া উপদেষ্টা আসিফের স্ট্যাটাসটি মুহূর্তেই ভাইরাল হয়।

আফ্রিকার প্রথম দল হিসেবে ইংল্যান্ডকে হারাল সেনেগাল

ফিফা প্রীতি ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে আফ্রিকার ফুটবল ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায় যোগ করেছে সেনেগাল। কেননা সেনেগালই প্রথম আফ্রিকান দল হিসেবে ইংল্যান্ডকে হারানোর গৌরব অর্জন করলো। টমাস টুখেলের অধীনে এটি ইংল্যান্ডের প্রথম পরাজয়, যা তাদের টানা ২৪ ম্যাচের অপরাজিত সেনেগালের জয়রথ থামিয়ে দিলো। একই সাথে, ২২ ম্যাচ ধরে আফ্রিকার কোনো দলের বিপক্ষে ইংলিশদের এটাই প্রথম হার।

মঙ্গলবার রাতে সিটি গ্রাউন্ডে ম্যাচ শুরু হওয়ার ৭ম মিনিটেই হ্যারি কেইনের গোলে এগিয়ে গিয়েছিল টমাস টুখেলের দল। কিন্তু এই অগ্রগামিতা ধরে রাখতে পারেনি ইংলিশরা। এরপর দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়িয়ে ম্যাচ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেয় সেনেগাল। ৪০তম মিনিটে নিকোলাস জ্যাকসনের ক্রসে সমতা ফেরান ইসমাইলা সার। টুখেল কোচ হয়ে আসার পর এটাই ইংল্যান্ডের জালে প্রথম গোল।

দ্বিতীয়ার্ধে সেনেগাল আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। ৬২তম মিনিটে হাবিব দিয়ারা গোল করে সেনেগালকে ২-১ গোলে এগিয়ে দেন। পিছিয়ে পড়া অবস্থায় জুড বেলিংহ্যাম বল জালে পাঠিয়েছিলেন, কিন্তু আক্রমণের শুরুর দিকে হ্যান্ডবলের কারণে ভিএআরের সাহায্যে রেফারি গোল বাতিল করে দেন। যোগ করা সময়ে শেখ সাবালি ব্যবধান ৩-১ করে ইংল্যান্ডের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন। শেষ বাঁশি বাজার পর হ্যারি কেইনরা দর্শকদের দুয়ো শুনতে শুনতে মাঠ ছাড়েন, যা তাদের হতাশাজনক পারফরম্যান্সের প্রতিচ্ছবি।

রেকর্ড মূল্যে নাদালের প্রিয় র‌্যাকেট নিলামে বিক্রি

নাদালের ২০১৭ সালের ফরাসি ওপেন ফাইনালে ব্যবহৃত র‌্যাকেটটি ১ কোটি ৭৩ লাখ ৩৬ হাজার ৩০ টাকায় বিক্রি হওয়া নিঃসন্দেহে বিশাল ঘটনা। এটির এমন দামে বিক্রির পেছনে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে। গ্র্যান্ড স্ল্যাম জেতার মুহূর্তে হাতে যে র‌্যাকেটগুলি থাকে সেগুলি সাধারণত হাতছাড়া করেন না নাদাল। কোনও ফাইনালে একাধিক র‌্যাকেট ব্যবহার করে থাকলে, অনেক সময় একটি দিয়ে দেন। 

এবার রাফায়েল নাদালের একটি র‌্যাকেট রেকর্ড মূল্যে বিক্রি হল। ২০১৭ সালে যে র‌্যাকেট নিয়ে খেলে ফরাসি ওপেন চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন রাফা। সেটি নিলামে তোলা হয়। সুইজারল্যান্ডের স্ট্যানিসলাস ওয়ারিঙ্কাকে ৬-২, ৬-৩, ৬-১ ব্যবধানে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন নাদাল।

নাদালের প্রিয় র‌্যাকেটটি প্রেস্টিজ মেমোরাবিলিয়া নিলামে তোলা হয়। ভাল দাম পাওয়ার আশা ছিল প্রথম থেকে। তবে প্রত্যাশাকে ছাপিয়ে গিয়েছে ২২ বার গ্র্যান্ড স্ল্যামজয়ীর র‌্যাকেটটির দাম। দাম উঠে ১ লক্ষ ৫৭ হাজার ৩৩৩ ডলারেরও বেশি।  যা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১ কোটি ৭৩ লাখ ৩৬ হাজার ৩০ টাকা।

কেন এত দাম উঠল র‌্যাকেটটির। এক নিলাম বিশেষজ্ঞ বলেছেন, গ্র্যান্ড স্ল্যামের ফাইনালে নাদালের ব্যবহৃত র‌্যাকেট পাওয়া কঠিন। বিশেষ করে ফরাসি ওপেন ফাইনাল খেলা র‌্যাকেট পাওয়াই যায় না। সে জন্যই নাদালের এই র‌্যাকেটটির এত দাম উঠেছে।

গ্র্যান্ড স্ল্যাম জেতার মুহূর্তে হাতে যে র‌্যাকেটগুলি ছিল, সেগুলি সাধারণত হাতছাড়া করেন না নাদাল। কোনও ফাইনালে একাধিক র‌্যাকেট ব্যবহার করে থাকলে, একটি দিয়ে দেন অনেক সময়। নিলামে ওঠা র‌্যাকেটটি অবশ্য তেমন নয়।

এই র‌্যাকেট দিয়ে ২০১৭ সালের গোটা ফাইনাল খেলেছিলেন বিশ্বের সাবেক এক নম্বর টেনিস খেলোয়াড়। তার র‌্যাকেটটি নিয়ে সংগ্রাহকদের আগ্রহও ছিল চোখে পড়ার মতো।

কালো জাদুই কেড়ে নিল তানিনের প্রাণ!

পত্রিকা কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রায়ই কালো জাদু নিয়ে নানা সংবাদ দেখা যায়। যেখানে কেউ তার নিজের স্বার্থ হাছিলের জন্য অন্যজনকে এই জাদুর মাধ্যমে মৃত্যুর দিকে নিয়ে গিয়েছে। এমন এক ঘটনার সাক্ষী হলো ঢাকাই সিনেমা। দীর্ঘ আট দিন হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) থাকার পর না ফেলার দেশে পাড়ি জিমিয়েছেন নায়িকা তানিন সুবহা (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা ৫৭ মিনিটে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তানিনের অকাল মৃত্যুর পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে আলোচনায় এসেছে তার তাবিজ-কুফরির প্রতি একসময়ের অবিশ্বাস থেকে পরে বিশ্বাস জন্মানোর কথা। কেননা তিনি এর শিকার বলে মনে করতেন।

১৯ মে একটি ফেসবুক পোস্টে নিজের শারীরিক অবস্থার অবনতির কথা জানানোর পাশাপাশি তার তাবিজ-কবজের প্রতি বিশ্বাস জন্মানোর প্রসঙ্গও আনেন তানিন সুবহা। সেটি নিয়েই এখন নেটিজেনদের মধ্যে আলোচনা।

ফেসবুক পোস্টে তানিন সুবহা লেখেন, কোনোদিন আমি তাবিজ বা কুফরিতে বিশ্বাস করতাম না। এখন করি। সুস্থ একটা মানুষকে এভাবে মেরে ফেলার চেষ্টা করে কি লাভ? ঘরের আনাচে কানাচে কত কি যে পেলাম। কেন এমন করছেন! আমি তো কারো ক্ষতি করিনি। লাস্ট ৪ মাস ধরে শুধু অসুস্থ আর অসুস্থ আমি। এসব এর ফল পাবেন চিন্তা কইরেন না। আল্লাহ ছাড় দেয় কিন্তু ছেড়ে দেয় না।

এই পোস্টের কিছুদিন পর, ২ জুন তানিন গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। এরপর থেকে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছিল। অবশেষে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তার মৃত্যু হয়।

তানিন সুবহার মৃত্যু এবং এর আগে তার ওই পোস্টকে অনেকে কাকতালীয় বলছেন। আবার কেউ কেউ এর পেছনে অন্য কিছু থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না। এ নিয়ে তদন্তের আহ্বানও জানিয়েছেন কেউ কেউ।

এদিকে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছনে, তানিনকে কালো জাদু করা হয়েছে। বিভিন্ন সময় তার বাসা থেকে নানা ধরণের তাবিজ পাওয়া গিয়েছে। শুধু তাই নয় তাদের দাবি তানিনের ব্রেনে দুইটি বান দেয়া হয় তার মস্তিস্কের কার্যক্রম বন্ধ করে দেয়ার জন্য, যার ফলশ্রুতিতেই লাইফ সাপোর্টে থাকার সময় হুট করেই তার ব্রেইন কাজ করা বন্ধ করে দেয়। যদিও তখন তার হার্ট কিছুটা সচল ছিল।

তানিনের দেয়া স্ট্যাটাস ও সার্বিক পরিস্থিতি দেখে তার কাছের অনেকেই মনে করছেন তানিনের মৃত্যু কালো জাদুর প্রভাবেই হয়েছে।

বরিশালের গৌরনদীর মোল্লারহাটের মেয়ে তানিন সুবহার মিডিয়াতে অভিষেক ঘটে আজাদ কালামের পরিচালনায় ‘যমজ’ নাটকে মোশাররফ করিমের বিপরীতে। এরপর তিনি মীর সাব্বিরের ‘আলাল দুলাল’, সেলিম রেজার ‘শেয়ানা জামাই’, নাহিদ হাসানের ‘ম্যারেজ মিডিয়া ডটকম’, মুশফিকুর রহমান গুলজারের ‘আরতির পতাকা’সহ আরো বেশ কিছু খণ্ড নাটকে অভিনয় করেছেন।

নাটকের পাশাপাশি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন তানিন। ‘মাটির পরী’ সিনেমার মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হয়। এরপর অবশ্য কয়েকটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। আর বর্তমানে তার অভিনীত কয়েকটি সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায়। অভিনয়ের পাশাপাশি একটি পার্লার গড়ে তুলেছেন তানিন সুবহা।

সেই বৃদ্ধকে ওমরাহ করাতে চান অপু বিশ্বাস

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও ব্যাপক ভাইরাল হয়। যেখানে একজন বৃদ্ধ ব্যক্তিকে পশুর হাটে জাল টাকার নোটের বান্ডেল হাতে কান্না করতে দেখা যায়। খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ওই ব্যক্তির নাম রইস উদ্দিন। নাটোরের সিংড়া উপজেলার বাসিন্দা তিনি। এবারের কোরবানির পশুর হাটে নিজের লালন-পালন করা একটি গরু নিয়ে রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ি হাটে হাজির হন বিক্রির উদ্দেশে।

এরপর ৫ জুন বৃহস্পতিবার ১ লাখ ২৩ হাজার টাকা দামে গরুটি হাটে বিক্রি করেন। কিন্তু সেখানেই জালিয়াতির শিকার হন তিনি। রইস উদ্দিনকে টাকার বান্ডেলে জাল নোট ধরিয়ে দিয়ে যান ক্রেতা। সেটা পরে টের পাওয়ার পরেই পশুর হাটে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি।

এদিকে বৃদ্ধ রইস উদ্দিনের কান্নার সেই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই অনেকেই তার দিকে সাহায্যর হাত বাড়িয়ে দেন। যাদের মধ্যে রয়েছেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাসও।

আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন নামের একটি সংগঠনের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্থ সেই বৃদ্ধের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।

ইতোমধ্যেই সেই সংগঠনের মাধ্যমে ও বিভিন্ন মানুষের সহযোগীতায় রইস উদ্দিন তার গরু বিক্রির টাকা অনুদান হিসেবে পেয়েছেন। যে কারণে অপু বিশ্বাস সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সেই ব্যক্তির ওমরাহ করার যাবতীয় খরচ তিনি বহন করবেন।

এ বিষয়ে অপু বিশ্বাসের ভাষ্য, ‘ফেসবুকে চাচার ভিডিওটি দেখলাম। যেখানে জানতে পারলাম, তিনি গরু বিক্রি করে জাল নোট পেয়েছেন। ওনারা তো খুব গরীব মানুষ। একটা গরু বিক্রির জন্য দূর-দুরান্ত থেকে আসেন। বিষয়টি আমার চোখে পড়ার পরই তার খোঁজ করতে শুরু করলাম। তখন দেখলাম, একটি সংগঠন তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। এবং তারাই আমাকে জানালো, চাচার গরু বিক্রির টাকা ইতোমধ্যেই উঠে গেছে।‘

‘এরপরে সেই সংগঠনের পক্ষ থেকে আমাকে জানানো হলো, চাচার ইচ্ছে তিনি ওমরাহ করতে চান। তাই আমিও সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তার ওমরাহ পালনের যাবতীয় খরচ আমি বহন করব। আর সে যদি এই মুহূর্তে ওমরাহ না করতে চান, তাহলে তার হাতে ৫০ হাজার টাকা তুলে দিব। যা দিয়ে তিনি নতুন করে পশু কিনতে পারবেন, বা প্রয়োজনীয় কাজে লাগতে পারবেন।’

অপু বলেন, ‘তিনি আমার বাবার বয়সী। আজকে যদি আমি তার মেয়ে হতাম তাহলে হয়তো এমন কিছুই করতাম। আমি চাই উনি আমার সন্তান-পরিবারের জন্য দোয়া করুক, এতটুকুই।’

৫.৯ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল তাইওয়ান

তাইওয়ানের পূর্ব উপকূলের কাছে বুধবার সন্ধ্যায় ৫.৯ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)। এতে রাজধানী তাইপের ভবনগুলো কাঁপতে দেখা গেছে বলে স্থানীয়দের বরাতে জানিয়েছে এএফপি।

ভূমিকম্পটির কেন্দ্র ছিল হুয়ালিয়েন শহর থেকে ৭১ কিলোমিটার (৪৪ মাইল) দক্ষিণে, উপকূলের কাছাকাছি সাগরের নিচে, প্রায় ৩১ কিলোমিটার গভীরে। এটি স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টা (গ্রিনউইচ সময় ১১:০০ টা)-এর কিছু পর আঘাত হানে।

তাইওয়ানের উপকূলবর্তী শহর চেংগং-এর একজন দমকল কর্মী বলেন, ভূমিকম্প শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কম্পিউটার স্ক্রিন আর ফ্যানগুলো প্রচণ্ডভাবে কাঁপতে শুরু করে। আগের ভূমিকম্পগুলোর চেয়ে এটি অনেক বেশি শক্তিশালী ছিল। আমি সঙ্গে সঙ্গে বাইরে দৌড়ানোর কথা চিন্তা করি।

হুয়ালিয়েন ও তাইতুং দমকল বিভাগ জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর নেই। ভূমিকম্পের পরেও পূর্বাঞ্চলের রেলসেবা স্বাভাবিকভাবেই চলছিল।

তাইতুং-এর দমকল কর্মী অ্যান্ড্রু লিউ জানান, ভূমিকেন্দ্রের কাছাকাছি উপকূলীয় এলাকাগুলোতে ২৫ জন দমকল কর্মী ও স্বেচ্ছাসেবক এবং ৫টি যানবাহন পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ‘এ অঞ্চলটি বেশ দূরের এবং জায়গাগুলোর মধ্যে দূরত্ব অনেক বেশি। তাই প্রতিটি এলাকায় পৌঁছাতে কিছুটা সময় লাগবে’।

শনিবার কানাডা সফরে যাচ্ছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার দুই দিনের সফরে শনিবার কানাডায় যাবেন। তাঁর এ সফরের কথা বুধবার কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কর্নি ঘোষণা করেন। কানাডার প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর বলছে, কিয়ার স্টারমার শনি ও রোববার দেশটির রাজধানী অটোয়া সফরে থাকবেন।

দ্বিপক্ষীয় এ সফরের পর কিয়ার স্টারমারের জি-৭ দেশের জোটের শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেওয়ার কথা। কানাডার আলবার্টায় ১৫ থেকে ১৭ জুন এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

কানাডাকে নিজেদের অঙ্গরাজ্য বানাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হুমকির মধ্যে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর এ সফর হচ্ছে। শনিবার স্টারমার কানাডার প্রধানমন্ত্রী কর্নির সঙ্গে বৈঠক করবেন, যাতে বিভিন্ন দ্বিপক্ষীয় বিষয় ছাড়াও মার্কিন প্রেসিডেন্টকে কীভাবে সামলানো যায়, তা নিয়ে আলোচনা হবে। তাদের আলোচনায় নিরাপত্তার পাশাপাশি অর্থনৈতিক সহযোগিতার বিষয়ও থাকবে।

উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি রাশেদ খানের

গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান বলেছেন, এপিএস এত দুর্নীতি করল আর আমাদের মাননীয় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ তিনি কিছুই জানতেন না? আমি সরকারের কাছে দাবী রাখতে চায় যেমনি ভাবে তদন্ত হচ্ছে এপিএস মোয়াজ্জেমকে নিয়ে ঠিকই একই ভাবে আসিফ মাহমুদের মন্ত্রনালয়ে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি যা গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। তাই তার বিরুদ্ধেও তদন্ত হতে হবে। শুধু তিনিই নন। প্রত্যেকটা উপদেষ্টার বিরুদ্ধে তদন্ত হতে হবে।

বুধবার সকালে ঝিনাইদহ শহরের একটি রেস্টুরেন্টে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মাধ্যমে এ সরকার গঠন হয়েছে উল্লেখ করে রাশেদ খান বলেন, এ সরকার একক ভাবে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে যা গ্রহণযোগ্য না। একক এই সিন্ধান্ত স্বৈরাচারী শৈখ হাসিনার আচরণকে মনে করিয়ে দিচ্ছে। নির্বাচন নিয়ে সরকার একক ভাবে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বড় বড় রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতকে উপদেষ্টারা আমলে না নিয়ে এপ্রিলে নির্বাচনের সম্ভাব্য দিন ঘোষণা করেছে। কিন্তু এই অন্তর্বর্তী সরকারকে মনে রাখতে হবে, তারা গণঅভ্যুত্থানের সরকার। এই সরকার ব্যর্থ হলে, জাতি তাদের ক্ষমা করবে না। আমরা এই সরকারের সমালোচনা করেছি, উপদেষ্টাদের কাজের সমালোচনা করেছি। আমরা একটি বারের জন্যও প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগ চাইনি। কিন্তু দেশবাসী প্রধান উপদেষ্টার পদত্যাগের নাটক দেখেছে।

আগামী বছরের এপ্রিলের প্রথমার্ধে নির্বাচনের সম্ভাব্য দিন ঘোষণার মাঝে ১/১১ এর ষড়যন্ত্র থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। তিনি বলেন, নির্বাচন সংস্কার কমিশনের নতুন প্রস্তাবে রয়েছে, ৪০ শতাংশের কম ভোট পড়লে ওইসব আসন ও কেন্দ্রে পুনরায় ভোট হবে। এপ্রিল মাস গরমের মাস। ওই সময় দেশের মানুষ ফসল নিয়ে ব্যস্ত থাকে। এপ্রিলে নির্বাচন হলে স্বাভাবিক ভাবেই ভোটার উপস্থিতি কম হবে। এভাবে ৪০ শতাংশের কম ভোট দেখাতে পারলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় রয়ে যাবে। আমরা বলতে চাই, দেশে ১/১১ নতুন করে অ্যাকটিভ করার ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। দেশে নতুন করে ভিন্ন কৌশলে ১/১১ বাস্তবায়নের ষড়যন্ত্র চলছে।

সরকার শেখ পরিবারের কাউকে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করেনি উল্লেখ করে রাশেদ খান বলেন, আওয়ামী লীগের পলাতক সন্ত্রাসীরা প্রধান উপদেষ্টা সহ গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্বদানকারীদের নিয়ে অপপ্রচার ও হুমকি-ধামিক দিচ্ছে। আমার প্রশ্ন হলো- আওয়ামী লীগের এসব অপরাধী, শেখ পরিবারের সদস্য ও বিতর্কিত নির্বাচনে কথিত এমপিরা কিভাবে দেশ ছেড়ে পালালো? কারা তাদের পালিয়ে যেতে সাহায্য করল? এই সরকারকে সেই হিসেব দিতেই হবে। সরকারের উপদেষ্টারা আওয়ামী লীগের পলাতক এমপি-মন্ত্রীদের সম্পদ পাহারা দিচ্ছে।

মতবিনিময় সভায় গণঅধিকার পরিষদের জেলা সভাপতি প্রভাষক সাখাওয়াত হোসেন, সাধারণ সম্পাদক জাহিদ ইকবাল রাজন, পেশাজীবী পরিষদের সভাপতি রাসেল আহমেদ, ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি রিহান হোসেন রায়হান ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মামুন সহ দলী নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এপ্রিলে নির্বাচন ঘোষণা এক-এগারো প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র: রাশেদ খান

আগামী বছরের এপ্রিল মাসে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ঘোষণাকে এক-এগারো প্রতিষ্ঠার ষড়যন্ত্র বলে মন্তব্য করেছেন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। তিনি বলেন, নির্বাচন সংস্কার কমিশন ৪০ শতাংশ ভোটার উপস্থিতির কথা বলেছে।

যদি এই পরিমাণ ভোট না পড়ে, তাহলে ওই আসনে পুনরায় নির্বাচন হবে। যেহেতু অন্তর্বর্তী সরকার এপ্রিলে ভোটের কথা বলেছে আর গরমে এই পরিমাণ ভোট পড়বে না বলেই মনে হয়। সেক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকার আবার থেকে যাবে। সুতরাং এক-এগারো বলে কয়ে করা লাগবে না, অটোমেটিকালি হয়ে যাবে।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের এই রোডম্যাপে সে ধরনের ষড়যন্ত্র রয়েছে। তাই বলছি লন্ডনে তারেক রহমানের সাথে বৈঠকের মাধ্যমে সরকারের নির্বাচনের সিদ্ধান্তের পরিবর্তন আসতে হবে। কয়েকজন উপদেষ্টা এ চক্রান্তের মধ্যে রয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে ঝিনাইদহ শহরের ফ্যামিলি জোন কমিউনিটি সেন্টারে নির্বাচনী রোডম্যাপ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।

রাশেদ খান বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান বলেছিলেন- প্রতিমাসে সরকারের কর্মকর্তা ও উপদেষ্টারা তাদের সম্পদের হিসাব দেবেন। কিন্তু গত ১০ মাসে একটিবারের জন্যও কেউ তাদের সম্পদের হিসাব দেয়নি।

তিনি আরও বলেন, কয়েকজন উপদেষ্টার এপিএসের এনআইডি লক করা হলো। তাদের বিরুদ্ধে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ করা হলো। তাদের বিদেশ যেতে নিষেধাজ্ঞা জারি হলো, সবই নাটক। সরকারের একজন নারী উপদেষ্টার বিরুদ্ধে লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে কিন্তু সরকার তদন্ত করছে না।

ফের আন্দোলনে যাচ্ছেন সরকারি কর্মচারীরা

সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২৫’ বাতিলের দাবিতে আন্দোলনরত কর্মচারী সংগঠনগুলো দাবি আদায়ে অনড় অবস্থানে। অনুমোদিত অধ্যাদেশটি পর্যালোচনায় উপদেষ্টা কমিটি গঠন সরকারের ইতিবাচক পদক্ষেপ দেখছেন কর্মচারী নেতারা।

তবে বিষয়টি ফয়সালা হয়ে গেছে এবং আর কোনো কথা হবে না-এমনটি মনে করছেন তারা। ঈদের ছুটির পর তাদের কর্মসূচি চলতে থাকবে এমনটি ঘোষণা দিয়েছেন তারা। অপরদিকে বৈষম্য বিরোধী কর্মচারী ঐক্য ফোরাম ঈদের ছুটির পর তাদের চারদফা দাবি আদায়ে আবার সচিবালয়ে যাওয়ার এবং অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে।

জানতে চাইলে বৈষম্য বিরোধী কর্মচারী ঐক্য ফোরামের কার্যকরী সভাপতি ও সাবেক সচিব মো. আব্দুল খালেক বলেন, স্বৈরাচারের দোসর সচিব, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিব ও উপসচিবদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। তাদের অপসারণ করে আইনের আওতায় আনতে হবে। চুক্তিভিত্তিক কর্মে নিয়োজিত বিতর্কিত কর্মকর্তাদের চুক্তি বাতিল করে আইনের আওতায় আনতে হবে। সরকারের রুলস অব বিজিসেন ভঙ্গ করে গঠন করা পদোন্নতি ও পদায়ন সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটি বাতিল করতে হবে। নিবর্তনমূলক অবৈধ কালাকানুন (সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ-২০২৫) বাতিল করতে হবে।

আব্দুল খালেক আরও বলেন, এসব দাবি প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ। এখানে আমাদের ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ নেই। দেশের জন্য অভিজ্ঞতার আলোকে আমরা দাবিগুলো তুলে ধরেছি। কিন্তু প্রশাসনে সুবিধাভোগীরা সরকারকে ভুল বুঝিয়ে বিষয়গুলোতে কোনো পদক্ষেপ নিতে দিচ্ছে না বা কর্ণপাত করছেন না। বৈষম্য বিরোধী কর্মচারী ঐক্য ফোরাম বিষয়টির শেষ দেখে ছাড়বে বলে তিনি ঘোষণা দেন।

অপরদিকে বাংলাদেশ সচিবালয় নন-ক্যাডার কর্মকর্তা কর্মচারী ঐক্য ফোরামের কো-চেয়ারম্যান মো. বাদিউল কবীর  বলেন, ঈদের পর আমাদের আন্দোলন চলতে থাকবে। প্রয়োজনে আন্দোলনটাকে আমরা বিভাগীয় পর্যায়ে নিয়ে যাব। এক কথায় নিবর্তনমূলক কালো আইন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

উল্লেখ্য সরকারি চাকরি অধ্যাদেশ ২০২৫-এ চার ধরনের অপরাধের জন্য তিন ধরনের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে।

অপরাধগুলো হলো- ১. এমন কোনো কাজ করা যাতে অনানুগত্য সৃষ্টি হয় বা এমন কাজ করা যার ফলে অন্য কর্মচারীর মধ্যে অনানুগত্য সৃষ্টি বা শৃঙ্খলা বিঘ্নিত অথবা কর্তব্যকর্ম সম্পাদনে বাধার সৃষ্টি করে। ২. সমবেতভাবে অথবা এককভাবে ছুটি ছাড়া যুক্তিসঙ্গত কারণ ছাড়া কর্মে অনুপস্থিত থাকা। ৩. কোনো কর্মচারীকে তার কর্মে অনুপস্থিত থাকতে, বিরত থাকতে বা কর্তব্য পালন না করার উসকানি দেওয়া বা প্ররোচিত করা এবং ৪. কোনো কর্মচারীকে তার কর্মে উপপস্থিত থাকতে বা কর্তব্য সম্পাদনে বাধাগ্রস্ত করা।

উল্লিখিত অপরাধের জন্য তিন ধরনের শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে অধ্যাদেশে। শাস্তিগুলো হচ্ছে- নিম্নপদ বা নিম্নবেতন গ্রেডে অবনমিতকরণ, চাকরি থেকে অপসারণ এবং চাকরি থেকে বরখাস্ত করা।