Home Blog Page 402

রাশিয়া কেন ইরানকে রক্ষা করছে না?

ইরান আক্রান্ত। একের পর এক হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তার সেনা ঘাঁটি, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাপনা, এমনকি রুশ-তৈরি এস-৩০০ ক্ষেপণাস্ত্রও। আর তার সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র রাশিয়া নীরব দর্শক। এই অবস্থায় স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠে, রাশিয়া কি শুধুই উপকার নেয়, বিপদের দিনে পাশে দাঁড়ায় না?

গত কয়েক বছরে মধ্যপ্রাচ্যের সবচেয়ে অচ্ছুত শক্তি ইরানকেই আলিঙ্গন করেছিল রাশিয়া। পশ্চিমবিরোধী কৌশলের অংশ হিসেবে ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেন যুদ্ধের সময় তেহরানের দিকে ঝুঁকেছিলেন। লাভও কম হয়নি। ইরান পাঠিয়েছিল ‘শাহেদ’ ড্রোন, যা ইউক্রেনে রুশ আক্রমণে কার্যকর ভূমিকা রেখেছিল। কিন্তু আজ যখন ইরান মুখোমুখি ইসরায়েলের সামরিক মেশিনের, তখন সেই পেছনের বন্ধন আর দৃঢ় নেই।

রাশিয়া ইরানকে হয়ত চায় পাশে, কিন্তু সামনে নয়। কারণ রাশিয়ার পররাষ্ট্রনীতি কেবল আদর্শ বা বন্ধুত্ব নয়, একেবারে ঠান্ডা কৌশলে গড়া। তাদের হাতে যদি কিছু উন্নত যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বা কৃত্রিম উপগ্রহ থাকে, সেগুলো ইরানের হাতে তুলে দেওয়ার ঝুঁকি নিতে চায় না রাশিয়া।

কেননা, এসব অস্ত্র ইসরায়েল একের পর এক ধ্বংস করে দিচ্ছে। আর পুতিন ইতিহাস জানেন- হারতে থাকা দলের পাশে দাঁড়ানো রাজনৈতিক আত্মহত্যা।

ইসরায়েলের সঙ্গে রাশিয়ার একটি পুরোনো ও জটিল সম্পর্ক রয়েছে। মস্কো এমন কিছু করতে চায় না যাতে তেল উৎপাদনকারী উপসাগরীয় মিত্রদের সঙ্গে রাশিয়ার বোঝাপড়ায় ছন্দপতন ঘটে। তেল দামের উপর তাদের বৈদেশিক আয়ের একটি বড় অংশ নির্ভরশীল।

ইরানের দুর্বলতা কি রাশিয়ার সুবিধা?

অদ্ভুত হলেও সত্য- ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনা দীর্ঘায়িত হলে রাশিয়ার কিছু লাভও হতে পারে। যেমন : মধ্যপ্রাচ্যে নতুন অস্থিরতা তৈরি হলে বিশ্ব দৃষ্টি ইউক্রেন থেকে সরবে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হলে তেলের দাম বাড়বে- রাশিয়ার অর্থনীতি একটু শক্তি পাবে। এছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে, তাহলে তার কৌশলগত ব্যর্থতা প্রকাশ পাবে। ট্রাম্পের ‘ইরান চুক্তি’ পরিকল্পনা ধাক্কা খাবে। অর্থাৎ ইরানের দুরবস্থায় রাশিয়া এক ধরনের ছায়া-সুখ পাচ্ছে।

তাহলে কি রাশিয়া চায় ইরান ধ্বংস হোক?

না, এতটাও নয়। পুতিন জানেন, ইরান ভেঙে পড়লে অঞ্চলে নতুন অস্থিরতা সৃষ্টি হবে। দক্ষিণ ককেশাসে- আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, জর্জিয়া- রাশিয়ার স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। আর ইরান যদি প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির দিকে যায়, তাহলে মস্কোর তেহরান-নিয়ন্ত্রণের খেলা শেষ হয়ে যাবে।

সেখানে রাশিয়া চায়

ইরান যেন পুরোপুরি ধ্বংস না হয়। আবার, ইরান যেন পারমাণবিক শক্তি হয়ে গিয়ে মস্কোর সমতুল্য মর্যাদা দাবি না করে। এটি এক ধরনের নিয়ন্ত্রিত উত্তেজনা বজায় রাখার কৌশল- না খুব বেশি দুর্বল, না খুব বেশি শক্তিশালী।

রাশিয়া কী কূটনীতির মাধ্যমে খেলতে চায়?

সম্ভবত। সম্প্রতি পুতিন যুক্তরাষ্ট্রকে ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানের ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় এনে পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়ে। তবে সেটি একটি প্রযুক্তিগত সমাধান। মূল সমস্যা- বিশ্বের দৃষ্টিতে ইরান যেন ‘পারমাণবিক অস্ত্র প্রস্তুত নয়’- এই বার্তাটা প্রচার করা।

কিন্তু আমেরিকা কোনো রকম পারমাণবিক সক্ষমতা ইরানের হাতে দেখতে চায় না এবং ইরান সেটাকে মানে আত্মসমর্পণ হিসেবে।

রাশিয়া ও ইরান এখন এক অদ্ভুত সম্পর্কের মধ্যে আবদ্ধ- একসঙ্গে হাঁটে, কিন্তু আলাদা স্বার্থে। ইরান চায় মিত্রের সহায়তা। রাশিয়া চায় শত্রুর দুর্বলতা কাজে লাগিয়ে নিজের অবস্থান পোক্ত করতে। এই সম্পর্কে আবেগ নেই, আছে হিসাব। এটা বন্ধুত্ব নয়, এটা শক্তির কূটনৈতিক ভারসাম্য।

ইরান যদি ভেবে থাকে রাশিয়া তাকে রক্ষা করতে ছুটে আসবে- তবে সেটা এক ভয়ংকর ভুল।

মার্কিন হামলার পর তেহরানে লেবুর শরবত খাওয়ানো হচ্ছে

ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। এ ঘটনায় বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ চরম মাত্রায় পৌঁছেছে। পারমাণবিক বিকীরণ ছড়িয়ে পড়াসহ মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ সংঘাতের আশঙ্কা উঁকি দিচ্ছে। এমন পরিস্থিতি তেহরানের সাধারণ মানুষের অবস্থা জানতে উদগ্রিব শান্তিপ্রিয় মানুষ। কিন্তু ইন্টারনেট বন্ধসহ নানা বাধায় সেটি জানা সম্ভব হচ্ছিল না।

অনেকে ধারণা করেছিলেন মার্কিন হামলায় তেহরান আরও দ্রুত খালি হবে। কিন্তু সেখানকার পরিস্থিতি বদলাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ইরানে রেডিও তেহরানের বাংলা বিভাগে কাজ করা গাজী আব্দুর রশীদ। তিনি ফেসবুকে লিখেন, ‘মার্কিন হামলার পর তেহরানে মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। দেশের গান বাজছে আর লেবুর শরবত খাওয়ানো হচ্ছে।’

গত সপ্তাহে ডয়চে ভেলেকে গাজী আব্দুর রশীদ বলেছিলেন, আমরা অনেক ঝুঁকিতে আছি। ১৬ জুন তো একরকম প্রাণে বেঁচে গেছি। আইআরআইবি কম্পাউন্ড প্রায় ৫০০ একর জমির ওপর। আইআরআইবি সদর দপ্তরের একদম পাশেই বিশ্ব সম্প্রচার কার্যক্রমের অফিস। ওই সদর দপ্তরে হামলা হয়েছে। আমরা সেখানেই অফিস করি। আমরা অল্পের জন্য বেঁচে গেছি। এখন আমরা সবাই বাসা থেকে অফিস করছি।

তখন তিনি জানান, তেহরানে এখন আতঙ্ক। হামলার তীব্রতা বাড়ায় বেশিরভাগ মানুষ তেহরান ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। পরিস্থিতি অস্বাভাবিক। দোকানপাট বন্ধ। অফিস, স্কুল -কলেজও বন্ধ। জরুরি সেব প্রতিষ্ঠানগুলো কাজ করছে। বিশেষ জরুরি প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাইরে বের হচ্ছেন না।

প্রসঙ্গত, হামলার পর ট্রাম্প একটি ওপেন-সোর্স গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক পোস্ট শেয়ার করেন, যেখানে দাবি করা হয়—শক্তিশালী সুরক্ষায় থাকা ফোরদো পারমাণবিক স্থাপনা ধ্বংস হয়ে গেছে।

ফোরদো হচ্ছে ইরানের সবচেয়ে গোপন ও সুরক্ষিত পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর একটি। এটি কোম প্রদেশে একটি পাহাড়ের নিচে অবস্থিত এবং বহুদিন ধরেই ইসরাইলের অন্যতম প্রধান লক্ষ্যবস্তু বলে বিবেচিত।

সংবিধানের মূলনীতি নিয়ে গণভোটে যেতে হবে : ইসলামী আন্দোলন

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্মমহাসচিব ও দলের মুখপাত্র মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, বিস্ময়কর ব্যাপার হলো সংবিধানের মূলনীতি নিয়ে আলোচনায় ’৭২ এর সংবিধানকে ভিত্তি ধরে আলোচনা করা হচ্ছে। অথচ ’৭২ এ সংবিধান যারা প্রণয়ন করেছেন তারা পাকিস্তানের সংবিধান রচনার জন্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধান রচনা করার জন্য তাদের ম্যান্ডেটই ছিল না।

রোববার (২২ জুন) জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সংলাপে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

গাজী আতাউর রহমান বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে। কিন্তু সংবিধান প্রণয়ন সভায় শুধু একটি দলের প্রতিনিধিত্ব ছিল। যুদ্ধে অংশ নেওয়া অন্যদলগুলোর মতামত সংবিধানে প্রতিফলিত হয়নি। ফলে ’৭২ এর সংবিধান একক দলের সংবিধান যেখানে আবার দুঃখজনকভাবে ভারতের সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই মূলনীতি ঠিক করা হয়েছে। ফলে ’৭২ এর সংবিধানের প্রতি জনগণের সমর্থন ছিল কিনা সেই প্রশ্ন গুরুতরভাবে বিদ্যমান আছে।

তিনি বলেন, আল্লাহর ওপরে আস্থা ও বিশ্বাস স্থাপনের ব্যাপারে কেউ কেউ বলছেন যে, এতে নাকি বিশেষ ধর্মের প্রতি প্রধান্য দেওয়া হয়। তাদেরকে বাংলাদেশের সামাজিক, ধর্মীয় ও আমাদের জিওপলিটিক্যাল বাস্তবতা বিবেচনায় রাখতে হবে। এখানে আবেগে কাজ হবে না। আমাদের রাষ্ট্র টিকে আছে কিসের ওপরে তা চিন্তা করতে হবে। আমরা একটি ক্ষুদ্র রাষ্ট্র। আমাদের চারপাশে শত্রু। আমাদের স্বাধীনতা, স্বকীয়তার ভিত্তি কি তা আমাদের বুঝতে হবে। শুধু ধর্মনিরপেক্ষতা ও বহুত্ববাদের কথা বললে আমাদের রাষ্ট্র টিকবে না।

আমাদের রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও স্বার্বভৌমত্বের ভিত্তি হলো ইসলাম। ইসলাম না থাকলে আমাদের আলাদা ভূখণ্ড হতো না। ভারতের সঙ্গে মিশতে আমাদের সমস্যা ছিল না। অতএব এই বাস্তবতা মাথায় রেখেই আমাদের রাষ্ট্রের মূলনীতি ঠিক করতে হবে। তাই সংবিধানের মুলনীতির প্রশ্নে একমত না হলে বিষয়টাকে গণভোটে নিয়ে যেতে হবে। কারণ, আমরা কয়েকটা দল মিলে এমন গুরুত্বপূর্ণ একটা সিদ্ধান্ত নিলাম তা হতে পারে না। কারণ, এটা আমাদের অস্তিত্বের প্রশ্ন আমাদের ভবিষ্যতের অস্তিত্বের প্রশ্ন।

সংলাপ শেষে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য অধ্যাপক আশরাফ আলী আকন বলেন, সাম্য ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গঠনের জন্য বহুবার আন্দোলন করেছি। কিন্তু আমরা কি দেখছি? সুইস ব্যাংকে পাচারকৃত টাকার পরিমাণ বেড়েই চলছে।

এই অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য পিআর (সংখ্যানুপাতিক) পদ্ধতিই সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। ৯১টা দেশে পিআর আছে। মানুষ কোনো দলকে ভোট দেবে না বরং ভোট দেবে দলকে। এই পদ্ধতিতে সংসদ হবে অন্তর্ভুক্তিমূলক পদ্ধতি। সংসদ হবে জবাবদিহিতামূলক সংসদ। সেজন্য আমরা এই দাবির পক্ষে জোড়ালো আন্দোলন গড়ে তুলছি। এটাই হবে জুলাই অভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় সাফল্য।

লন্ডন বৈঠক সম্পর্কে মিত্রদের জানাচ্ছে বিএনপি

লন্ডনে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং তারেক রহমানের মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠক সম্পর্কে ফ্যাসিবাদবিরোধী যুগপৎ আন্দোলনের মিত্রদের অবহিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি। এর অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র গণতন্ত্র মঞ্চের সঙ্গে বৈঠক করেছে দলটি।

লন্ডনে গত ১৩ জুন অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠক হয়।

জানা গেছে, বৈঠকে লন্ডন বৈঠক নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছে ছয় দলীয় এই রাজনৈতিক জোট।

রোববার (২২ জুন) রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা গেলে ২০২৬ সালের রমজান শুরু হওয়ার আগের সপ্তাহেও নির্বাচন আয়োজন করা যেতে পারে।

গুলশানে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বিএনপির পক্ষে স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ও ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু উপস্থিত ছিলেন। অন্যদিকে গণতন্ত্র মঞ্চের পক্ষে বর্তমান সমন্বয়ক ও ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, রাষ্ট্র সংস্কার আান্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ূম ও জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন ছিলেন।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, সোমবার (২৩ জুন) গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে দুটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। প্রথমে বিকেল ৫টায় গণফোরাম এবং পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় এনডিএমের লিয়াজো কমিটির সাথে বৈঠক করবে বিএনপি।

সাবেক সিইসি নুরুল হুদা গ্রেপ্তার

সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ কে এম নুরুল হুদাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২২ জুন) সন্ধ্যায় রাজধানীর উত্তরায় স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এ সময় তার গলা জুতার মালা পড়িয়ে ভিডিও ধারণ করতেও দেখা যায়।

উত্তরা-পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান বাংলাদেশের খবরকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘সাবেক সিইসি নুরুল হুদার বিরুদ্ধে একটি মামলা রয়েছে। তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্তাধীন এবং পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।’

এর আগে সকালে রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ একটি মামলা দায়ের করেন। মামলায় দশম, একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় দায়িত্ব পালনকারী তিনজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার-কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ, কে এম নুরুল হুদা ও কাজী হাবিবুল আউয়ালকে আসামি করা হয়।

মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ মোট ১৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া মামলায় আরও কয়েকজন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, নুরুল হুদা ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের শীর্ষ দায়িত্বে ছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক এবং বিরোধী দলের নানা অভিযোগ রয়েছে।

স্বাধীন ও দক্ষ বিচার বিভাগ গড়তে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ

 

স্বাধীন ও দক্ষ বিচার বিভাগ গড়ে তুলতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

রোববার (২২ জুন) হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে আয়োজিত ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও দক্ষতা’ বিষয়ক এক জাতীয় সেমিনারে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, জুলাই বিপ্লব নতুন সভ্যতা গড়ে তোলার সুযোগ করে দিয়েছে। প্রধান উপদেষ্টা এই সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য বিচার বিভাগ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান।

প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন-আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আসিফ নজরুল, অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান, বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, ইউএনডিপির বাংলাদেশে নিযুক্ত আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফান লিলার। আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বিগত বছরগুলোতে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ছিল না। বিচার বিভাগ যেন স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে, সেজন্য সংস্কার প্রয়োজন। বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিতকরণে পৃথক সচিবালয়ের বিকল্প নেই।’

তিনি বলেন, ‘জুলাই অভ্যুত্থানে রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য যে সুযোগ তৈরি হয়েছে, তা আর কখনও আসবে না। এ সুযোগ হারাতে দেয়া যাবে না। জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে আমাদের অনেক দূর যেতে হবে। মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে স্বাধীনভাবে কাজ করছে ট্রাইব্যুনাল। অপরাধীদের বিচারের বিষয়ে জাতি ঐক্যবদ্ধ আছেন।’

ড. ইউনূস বলেন, ‘আজকে আমাদের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত। কারণ আমরা সামনে জুলাই অভ্যুত্থানের এক বছর উদযাপন করব। আমাদের তরুণরা রক্তের বিনিময়ে তাদের প্রত্যাশা জানিয়েছে এবং আমাদের দায়িত্ব হচ্ছে, তাদের নতুন বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দেওয়া। এসব কিছুই সম্ভব যদি শুরুটা সঠিকভাবে করা হয়। জুলাই অভ্যুত্থান আমাদের সেই সুযোগ এনে দিয়েছে। এই সুযোগ আর কখনও আসবে না। এই সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত হবে না।’

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘বাংলাদেশের মানুষ একটা জটিল পরিস্থিতির মধ্যে আছে। হাজারো মানুষের ত্যাগের মধ্যে দিয়ে হওয়া জুলাই গণঅভ্যুত্থান আমাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার প্রমাণ। এই জাগরণ এসেছিল হাজারো মানুষের প্রাণের বিনিময়ে, যেখানে আরও কয়েক হাজার হতাহত হয়েছে। এখন আমরা যারা বেঁচে আছি, তাদের ওপর কিছু দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে। এই দায়ভার শেষ তখনই হবে, যখন জুলাইয়ের মানবতাবিরোধী অপরাধের ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।’

তিনি বলেন, ‘তবে আমাদের মনে রাখতে হবে, জুলাই অভ্যুত্থান ক্ষমতার পালাবদলের জন্য হয়নি। গ্রাম থেকে শহর পর্যন্ত যে গভীর আধিপত্য ও পক্ষপাতিত্ব রয়ে গেছে, তা ভেঙে ফেলার তীব্র আকাঙ্ক্ষার মধ্য দিয়ে এটি ইন্ধন পেয়েছিল। বিপ্লবের প্রতি আমাদের লক্ষ্য- আমাদের সব কর্মের দ্বারা পরিচালিত একটি ন্যায়বিচার, স্বাধীনতা, সাম্য ও মর্যাদা সৃষ্টি করা। এই অভ্যুত্থান পুরনো শৃঙ্খলা ভেঙে এমন একটি রাষ্ট্রকে উন্মোচিত করতে চেয়েছিল, যাতে কোনও একক দল কখনও মরিয়া বা কর্তৃত্ববাদী হয়ে উঠতে না পারে। এই আশা এবং অনুপ্রেরণা এখন আমাদের পুনরুত্থানের কঠিন কাজে সন্তুষ্টি জাগায়।’

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘চলমান সংস্কারের একজন স্টেকহোল্ডার হিসেবে আমাদের যা করার কথা, আমরা তাই করছি। যখন আমরা সংস্কারের কথা বলি, তখন কিন্তু অল্প কোনও কিছুর কথা বলি না, যেটি সময় এবং ক্ষমতার চাপে নষ্ট হয়ে যেতে পারে। আমরা সেসব কাজের কথাই বলছি- যেগুলো বিগত ৫৪ বছরে করা হয়নি। আমরা সেই পরিবর্তনের কথা বলি, যা শক্তিশালী গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে। আমাদের ওপর যে সংস্কারের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, সে সব কাজের ফলে স্বৈরাচারতন্ত্র ভেঙে যাবে।’

ব্রাজিলের ফ্ল্যামেঙ্গো হারিয়ে দিল ইউরোপের চেলসিকে

ব্রাজিলের ক্লাব ফ্লামেঙ্গো শুক্রবার ক্লাব বিশ্বকাপে ইউরোপের দল চেলসিকে ৩-১ গোলে হারিয়ে দিয়েছে। দ্বিতীয়ার্ধে বদলি হিসেবে নামা ব্রুনো হেনরিক এই জয়ের মূল নায়ক হয়ে উঠেছেন। তিনি একটি গোল করেন, আরেকটি করিয়েছেন।

লিঙ্কন ফিনানশিয়াল ফিল্ডে চেলসি অবশ্য প্রথমার্ধে এগিয়েই গিয়েছিল। পেদ্রো নেতোর গোলে এগিয়ে যায়। ১৩তম মিনিটে ফ্লামেঙ্গোর ডিফেন্ডার ওয়েসলির একটি ভুল কাজে লাগিয়ে বল জালে জড়ান তিনি।

কিন্তু ম্যাচের বাকি অংশে পুরো মাঠ দাপিয়ে বেড়িয়েছে ফ্লামেঙ্গো। লিঙ্কন ফিনানশিয়াল ফিল্ডে ৫৪ হাজারের বেশি দর্শকের বেশির ভাগই ছিল ফ্লামেঙ্গোর সমর্থক। তাদের গর্জনে জেগে ওঠে ব্রাজিলিয়ানরা।

দ্বিতীয়ার্ধের ৫৬তম মিনিটে মাঠে নামেন ব্রুনো হেনরিক। নামার ছয় মিনিটের মধ্যেই গোল করেন তিনি। গেরসনের ক্রসে প্লাতা হেডে বল বাড়ান, হেনরিক ঠিক জায়গায় ছিলেন। এই গোলের পর ব্রাজিলিয়ান সমর্থকদের মধ্যে যেন আগুন ধরে যায়।

তিন মিনিট পরেই আসে দ্বিতীয় গোল। কর্নার থেকে হেনরিকের হেডে বল পড়লে তা সাবেক জুভেন্টাস ডিফেন্ডার দানিলোর পায়ে আসে। তিনি ভুল করেননি, বল জালে পাঠান।

এরপর ৬৮তম মিনিটে ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় চেলসি। বদলি খেলোয়াড় নিকোলাস জ্যাকসন আয়র্তন লুকাসের পায়ে বাজে ট্যাকল করে সরাসরি লাল কার্ড দেখেন। ১০ জনের দলে পরিণত হয় চেলসি।

শেষ দিকে ফ্লামেঙ্গোর হয়ে তৃতীয় গোলটি করেন বদলি হিসেবে নামা ওয়ালেস ইয়ান। চেলসির কফিনে ঠুকে দেন শেষ পেরেকটা।

এই জয়ে ফ্লামেঙ্গো এখন গ্রুপ ‘ডি’ থেকে শেষ ষোলো নিশ্চিত করার একেবারে দ্বারপ্রান্তে।

ড্রয়ে শেষ হলো বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা গল টেস্ট

আইসিসি টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের নতুন চক্রে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গল টেস্ট ড্র করেছে বাংলাদেশ। ম্যাচজুড়েই দাপট দেখালেও শেষ পর্যন্ত জয় তুলে নিতে পারেনি টাইগাররা।

প্রথম ইনিংসে নাজমুল হোসেন শান্তর সেঞ্চুরি ও মুশফিকুর রহিমের ১৬৩ রানের কল্যাণে ৪৯৫ রানের বড় সংগ্রহ গড়ে বাংলাদেশ। জবাবে শ্রীলঙ্কা পাথুম নিসাঙ্কার ১৮৭ রানের সুবাদে ৪৮৫ রানে অলআউট হয়, যেখানে নাঈম হাসান ১২১ রানে ৫ উইকেট নেন। বাংলাদেশ ১০ রানের লিড পায়।

দ্বিতীয় ইনিংসেও শান্তর দারুণ ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ ৬ উইকেটে ২৮৫ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। শান্ত এই টেস্টের দুই ইনিংসেই সেঞ্চুরি করেন। এর আগে ২০২৩ সালে আফগানিস্তানের বিপক্ষেও তিনি এই কীর্তি গড়েছিলেন। বাংলাদেশের হয়ে মুমিনুল হক ২০১৮ সালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দুই ইনিংসে সেঞ্চুরি করেছিলেন।

দ্বিতীয় ইনিংসে শান্তর পর মুশফিকুর রহিম ৪৯ রান করে আউট হন। থারিন্দু রাতনায়াকে ৩ উইকেট নেন। এরপর শ্রীলঙ্কা ৪ উইকেটে ৭২ রান করলে দুই দলই ড্র মেনে নেয়

বিশ্বজুড়ে সাইবার হামলা: ১৬০০ কোটি পাসওয়ার্ড ফাঁস

ইতিহাসের অন্যতম বড় সাইবার হামলায় অনলাইনে ফাঁস হয়েছে ১৬ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৬০০ কোটি পাসওয়ার্ড। সাইবারনিউজ ও ফোর্বসের গতকালের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। তথ্য ফাঁসের এ ঘটনা বিশ্বের কোটি কোটি ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি তৈরি করেছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সাইবার সিকিউরিটি বিশেষজ্ঞরা। ফলে বিশ্বব্যাপী ফিশিং অ্যাটাক, পরিচয় চুরি ও অনলাইন অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ের ঘটনা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি পুরনো কোনো ডাটা ড্যাম্প নয় বরং ফাঁস হওয়া বেশির ভাগ পাসওয়ার্ড নতুন, সুসংগঠিত ও ইনফোস্টিলার নামক এক ধরনের ম্যালওয়্যার দিয়ে সংগৃহীত। এসব ম্যালওয়্যার গোপনে মানুষের ব্যবহৃত ডিভাইস থেকে ইউজারনেম ও পাসওয়ার্ড চুরি করে হ্যাকারদের কাছে পাঠায়। পরে হ্যাকাররা এসব তথ্য সরাসরি ব্যবহার করে অথবা ডার্ক ওয়েবের ফোরামে বিক্রি করে দেয়।

এভাবেই ২০২৩-২৪ সালে প্রায় ২৩ লাখ ব্যাংক কার্ডের তথ্য ডার্ক ওয়েবে ফাঁস হয়েছিল। প্রতিবেদন বলছে, সম্প্রতি ফাঁস হওয়া এসব তথ্যের মধ্যে রয়েছে গুগল, ফেসবুক, টেলিগ্রামের মতো ই-মেইল ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে গিটহাবের মতো ডেভেলপার অ্যাকাউন্ট এবং এমনকি কিছু সরকারি পোর্টালের লগ ইন তথ্য। বেশির ভাগ তথ্য সুসংগঠিতভাবে সাজানো। যেখানে ওয়েবসাইটের লিংক, ব্যবহারকারীর নাম ও পাসওয়ার্ড দেয়া আছে, যাতে হ্যাকাররা সহজেই তা ব্যবহার করতে পারে।

এ তথ্য ফাঁসের ঘটনা এতটাই পেশাদার, পরিকল্পিত ও গোছানোভাবে করা হয়েছে যে সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা এটিকে শুধু একটি সাধারণ হ্যাকিং বা চুরি নয়, বরং বৈশ্বিক সাইবার অপরাধের ব্লুপ্রিন্ট বা নীলনকশা বলে অভিহিত করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় ৩০টি বড় ডাটাসেট সংগ্রহ করা হয়েছে। যার প্রতিটিতে লাখ থেকে হাজার হাজার কোটি লগ ইন বিবরণ রয়েছে। সেখান থেকে মোট ১ হাজার ৬০০ কোটির বেশি লগ ইন তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

ফ্ল্যাট থেকে প্রখ্যাত অভিনেত্রী আয়েশা খানের মরদেহ উদ্ধার

ফ্ল্যাট থেকে পাকিস্তানের প্রখ্যাত অভিনেত্রী আয়েশা খানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মৃত অবস্থায় উদ্ধার করা হলেও মরদেহ নিয়ে চাঞ্চল্যের দেখা দিয়েছে। কেননা, ফ্ল্যাটে একা থাকতেন তিনি। এ কারণেই যত প্রশ্নের শুরু।

শুক্রবার (২০ জুন) সংবাদমাধ্যম জিও টিভির প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, করাচির গুলশান-ই-ইকবাল এলাকায় ফ্ল্যাট থেকে আয়েশা খানের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, মরদেহটি প্রায় এক সপ্তাহ আগের বলে ধারণা করা হচ্ছে। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৭ বছর।

সম্প্রতি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় অভিনেত্রীর প্রতিবেশীরা তার পরিবারকে জানায়, ফ্ল্যাট থেকে দুর্গন্ধ বের হচ্ছে। খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে পরবর্তী চিকিৎসা ও আইনি প্রক্রিয়ার জন্য জিন্নাহ স্নাতকোত্তর মেডিকেল সেন্টারে স্থানান্তর করে।

এরপর মরদেহ জেপিএমসি থেকে সোহরাব গোঠে অবস্থিত ইধি ফাউন্ডেশনের মর্গে স্থানান্তর করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, অভিনেত্রী আয়েশা খানের পরিবারের অনুরোধে ময়নাতদন্ত করা হবে। আর পরবর্তীতে জানাজার নামাজের সময় ও স্থান পরে জানিয়ে দেয়া হবে।

প্রখ্যাত এ অভিনেত্রীর মৃত্যুতে আর্টস কাউন্সিল অব পাকিস্তানের সভাপতি আহমেদ শাহ বলেছেন, দীর্ঘ ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করেছেন তিনি। তার মৃত্যু দেশের (পাকিস্তান) নাট্যজগতের জন্য বিরাট ক্ষতি।