Home Blog Page 425

ছাড়পত্র পেল সুপারস্টার শাকিব খান অভিনীত ‘তাণ্ডব’

আসন্ন ঈদুল আজহায় মুক্তি পেতে যাচ্ছে ঢাকাই সুপারস্টার শাকিব খান অভিনীত সিনেমা ‘তাণ্ডব’। বুধবার (৪ জুন) সিনেমাটি বিনাকর্তনে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে। বিষয়টি সামাজিকমাধ্যমে নিশ্চিত করেছেন প্রযোজক শাহরিয়ার শাকিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২ ঘণ্টা ৯ মিনিট ৫২ সেকেন্ডের তাণ্ডব সম্প্রতি সার্টিফিকেশন বোর্ডে জমা পড়েছিল। এরপর বোর্ডের সদস্যরা সিনেমাটি দেখে একটি মাত্র সংশোধনী দেন। স্বাস্থ্য-সম্পর্কিত সতর্কীকরণ বিধি অনুসারে চলচ্চিত্রে ‘ধূমপান / তামাক সেবন মৃত্যু ঘটায়’ সম্বলিত যে বার্তাটি উল্লেখ থাকে, সেটির ফন্ট সাইজ ‘বড়’ করার পরামর্শ দেন তাঁরা। এবার এই সংশোধনীর প্রেক্ষিতে আনকাট ছাড়পত্র পেল সিনেমাটি।

এদিকে, তাণ্ডব দেখে ভূয়সী প্রশংসা করেছেন সার্টিফিকেশন বোর্ডের সদস্য কাজী নওশাবা আহমেদ। তিনি বলেন, ‘‘দুই দিন আগে স্ক্রিনিং হয়েছে তাণ্ডব-এর। ভালো হয়েছে ছবিটি। দারুণ মেকিং। এবারের ঈদের বাকি ছবিগুলোও ভালো হয়েছে। ‘ইনসাফ’, ‘নীলচক্র’, ‘টগর’, ‘এশা মার্ডার’ সবগুলোই দেখা হয়েছে। আশা করছি রোজার ঈদের মতো এবারও সবকটা ছবি ভালো চলবে।’’

প্রসঙ্গত, তাণ্ডব-এ শাকিবের নায়িকা হিসেবে রয়েছেন সাবিলা নূর। বিশেষ একটি চরিত্রে দেখা যাবে জয়া আহসানকে। এ ছাড়াও অভিনয় করেছেন ডা. এজাজ, রোজী সিদ্দিকি, এফএস নাঈম প্রমুখ। শোনা যাচ্ছে, ক্যামিও চরিত্রে থাকছেন আফরান নিশো ও সিয়াম আহমেদ।

সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন রায়হান রাফী। প্রযোজনায় এসভিএফ আলফা আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড। সহ-প্রযোজনায় রয়েছে জনপ্রিয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকি। সহযোগিতা করেছে দীপ্ত টেলিভিশন।

এবছর হজ করলেন ১৬ লাখেরও বেশি মুসলমান

বিশ্বের ১৭১টি দেশ থেকে এ বছর হজ পালন করেছেন ১৬ লাখের বেশি মুসলমান। বৃহস্পতিবার (৫ জুন) পালিত হয়েছে পবিত্র হজ। তবে হজের আনুষ্ঠানিকতা আরও কয়েক দিন চলছে।

এ বছর হজের জন্য নিবন্ধন করেছেন মোট ১৬ লাখ ৭৩ হাজার ২৩০ জন। এর মধ্যে সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ নিবন্ধিত হাজি ছিলেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ৬৫৪ জন এবং বিভিন্ন দেশ থেকে আগত হাজির সংখ্যা ছিল ১৫ লাখ ৬ হাজার ৫৭৬ জন। পুরুষ হাজির সংখ্যা ছিল ৮ লাখ ৭৭ হাজার ৮৪১ জন। নারী হাজির সংখ্যা ছিল ৭ লাখ ৯৫ হাজার ৩৮৯ জন।

এই হাজিদের মধ্যে বিমানে সৌদি আরবে গমন করেছেন ১৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৭ জন। নৌপথে সৌদিতে গেছেন ৫ হাজার ৯৪ জন। মাইক্রো, কার ও এ জাতীয় পরিবহনে হজ করতে গেছেন ৬৬ হাজার ৪৬৫ জন হজযাত্রী।

আজ সৌদি আরবের আরাফায় পালিত হয়েছে হজের প্রধান গুরুত্বপূর্ণ ফরজ উকুফে আরাফা বা আরাফায় অবস্থান। ভোরে মিনা থেকে আরাফার উদ্দেশ্যে রওয়া দিয়েছিলেন হাজিরা। আরাফায় হজের খুতবা শুনেছেন তারা। সেখানে একত্রে জোহর ও আসর আদায় করছেন। দোয়াটা সময় আমল-ইবাদত ও দোয়ায় কাটিয়েছেন। সূর্যাস্তের পর আরাফা থেকে মুজদালিফায় যাবেন হাজিরা, সেখানে রাতযাপন করবেন।

হজের খুতবায় বছরের পর বছর ধরে নিপীড়িত ফিলিস্তিনি মুসলিমদের মুক্তি ও বিজয় কামনা করা হয়েছে। এছাড়া বিশ্ব মুসলিমের কল্যাণ ও সমৃদ্ধির জন্য বিশেষভাবে দোয়া করা হয়েছে।

এর আগে পবিত্র সকালে থেকে আরাফাতের ময়দানে অবস্থান নেন লাখ লাখ লাখ হাজি। ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’ ধ্বনিতে মুখর হয়ে উঠে আরাফাতের ময়দান।

আল-আকসায় হাজারো ফিলিস্তিনির ঈদুল আজহার নামাজ আদায়

পূর্ব জেরুজালেমের আল-আকসা মসজিদ প্রাঙ্গণে ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করেছেন হাজার হাজার ফিলিস্তিনি। আজ শুক্রবার (৬ জুন) সকাল থেকেই ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা আল-আকসা মসজিদে সমবেত হন এবং সুশৃঙ্খলভাবে ঈদের নামাজ আদায় করেন। (খবর রয়টার্সের)

ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম স্থান হিসেবে পরিচিত আল-আকসা মসজিদ ফিলিস্তিনিদের জন্য শুধু ধর্মীয় স্থানই নয়, এটি তাদের রাজনৈতিক ও জাতীয় পরিচয়েরও এক গুরুত্বপূর্ণ প্রতীক। ঈদুল আজহার দিনে এখানে নামাজ আদায় করা ফিলিস্তিনিদের জন্য ধর্মীয় ও ঐতিহ্যবাহী আচার।

ঈদের নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং এরপর পশু কোরবানির মাধ্যমে ঈদুল আজহার মূল আচার পালন করেন।

আল-আকসা মসজিদে ঈদের নামাজের এই বিশাল সমাবেশ ফিলিস্তিনিদের ধর্মীয় ঐক্য এবং দখলদারিত্বের বিরুদ্ধে তাদের প্রতিরোধের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই সমাবেশ তাদের দৃঢ় সংকল্প ও ঐতিহ্যের প্রতি অবিচল থাকার বার্তাও বহন করে।

ঈদ উপলক্ষ্যে আন্দোলন শিথিলের ঘোষণা ইশরাকের

আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে শপথের দাবিতে চলমান আন্দোলন আপাতত শিথিলের ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি নেতা ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।

মঙ্গলবার বিকেলে নগর ভবনে এসে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে এমন ঘোষণা দেন ইশরাক হোসেন। তবে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, শপথের ব্যবস্থা না করলে ফের আন্দোলনে নামবে ঢাকাবাসী।

ইশরাক হোসেন বলেন, ঈদ সামনে রেখে আজ থেকে আন্দোলন শিথিল থাকবে। তবে দাবি আদায় না হলে আবারও আন্দোলন। অনতিবিলম্বে শপথ আয়োজন করা না হলে ঢাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে শপথ আয়োজন করা হবে। মেয়রের চেয়ারে কে বসবে তা নির্ধারণ করবেন দক্ষিণের বাসিন্দারা।

এদিকে বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে মেয়রের দায়িত্ব দেওয়ার দাবিতে আজও সকাল থেকে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) নগর ভবনে টানা অবস্থান কর্মসূচি পালন করে আসছিল সংস্থাটির কর্মচারীরা। এর সঙ্গে ঢাকাবাসীর ব্যানারে নগরভবনে একত্রিত হয়েছিলেন ইশরাকের অনুসারীরা। তারা মূল ফটক আটকানোর পাশাপাশি ডিএসসিসির সব বিভাগের অফিস গেটে তালা ঝুলিয়ে রাখে। ফলে আজও বন্ধ ছিল সব সেবা কার্যক্রম। তাদের আন্দোলনের ফলে গেল ১৫ মে থেকে নগর ভবন থেকে দেওয়া সব নাগরিক সেবা বন্ধ।

২০২০ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের নির্বাচন হয়। সেসময় আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ ফজলে নূর তাপসকে বিজয়ী ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তুলে ফল বাতিল চেয়ে ২০২০ সালের ৩ মার্চ মামলা করেন ইশরাক।

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর গেল ২৭ মার্চ ঢাকার নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল সেই ফল বাতিল করে অবিভক্ত ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সাদেক হোসেন খোকার ছেলে ইশরাককে মেয়র ঘোষণা করে।

এরপর ২৭ এপ্রিল ইশরাককে ডিএসসিসি মেয়র ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করে নির্বাচন কমিশন। কিন্তু তাকে যেন শপথ পড়ানো না হয় সেজন্য গত ১৪ মে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়। এমন পরিস্থিতিতে মেয়রের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে গত ১৫ মে থেকে আন্দোলনে নামেন ইশরাক সমর্থকরা। তাদের আন্দোলনের কারণে ডিএসসিসি নগর ভবন কার্যত অচল হয়ে পড়ে। কিন্তু আইনি জটিলতার কথা বলে ইশরাকের শপথের আয়োজন থেকে বিরত থাকে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।

এরপর এ রিট মামলার ওপর কয়েক দফা শুনানির পর তা খারিজ করে আদেশ দেন হাইকোর্টের বেঞ্চ।

বুলু ও দুদুকে লিখিতভাবে সতর্ক করল বিএনপি

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু ও শামসুজ্জামান দুদুকে লিখিতভাবে সতর্ক করেছে বিএনপি। সম্প্রতি তাদের নানা বক্তব্যে বিতর্কের সৃষ্টি হওয়ায় দলের পক্ষ থেকে সতর্ক করা হয় বলে বিএনপিসূত্রে জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার (৫ জুন) দলটির দপ্তর থেকে দেওয়া এক চিঠিতে দলের এই দুই ভাইস চেয়ারম্যানকে সতর্ক করা হয়। চিঠিটি তাদের কাছে পৌঁছানো হয়েছে।

বিএনপিসূত্র আরও জানিয়েছে, এই দুই নেতার সম্প্রতি দেওয়া কিছু বক্তব্যে বিএনপি বিব্রত। চিঠিতে তাদেরকে দলীয় অবস্থান ও দৃষ্টিভঙ্গির বাইরে সভা-সেমিনারে কোনো ধরনের বক্তব্য না দেওয়ার জন্য সতর্ক করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ২০ মে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা হাসনাত আব্দুল্লাহকে ইঙ্গিত করে শামসুজ্জামান দুদু এক অনুষ্ঠানে বলেছেন, বিএনপি নেতারা যদি একত্রে প্রস্রাব করে দেয় তাহলে এই প্রস্রাবের তোড়ে ভেসে বঙ্গোপসাগরে গিয়ে পড়বা। দুদুর দেওয়া ওই বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এনসিপি নেতা সারজিস আলম। এ ছাড়াও ওই বক্তব্য ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক ট্রলের শিকার হন দুদু।

এদিকে এর আগে এক বক্তব্যে বুলু বলেছিলেন, শহিদ জিয়ার উত্তরসূরি হচ্ছেন তারেক রহমান। তার নামটি উচ্চারণ করতে হলে অজু করবেন। গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বিকালে কুমিল্লা টাউন হল মাঠে কুমিল্লা মহানগর বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে উদ্বোধকের বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেছিলেন।

এমন বক্তব্যের কারণে সামাজিকমাধ্যমে তোপের মুখে পড়েন বিএনপির এই নেতা। সমালোচনার মুখে পরে তিনি এ মন্তব্যের জন্য দুঃখপ্রকাশ করেছিলেন।

ভিজিডির চালের লাইনে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন গৃহবধূ

খাগড়াছড়িতে ঈদুল আজহা উপলক্ষে ভিজিডির চাল আনতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে আকলিমা আক্তার (২৬) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার দীঘিনালার মেরুং ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। আকলিমা আক্তার মধ্য বোয়ালখালি এলাকার রুহুল আমিনের স্ত্রী। তিনি এক সন্তানের জননী।

আকলিমা আক্তারের মামা মো. আলমগীর হোসেন বলেন, ‘আজকে দুপুর থেকে ভিজিডির চাল দেওয়ার কথা ছিল। খবর পেয়ে অন্য উপকারভোগীদের সাথে আকলিমা সকাল সাড়ে ৯টার মধ্য বোয়ালখালি এলাকা থেকে মেরুং যায়। প্রচণ্ড গরমের কারণে বিকেল ৪টার দিকে সে অসুস্থ হয়ে পড়ে। মাথা ঘুরে পড়ে যায়। চাল আনতে গিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষায় গরমে অসুস্থ হয়ে আমার ভাগনীর মৃত্যু হয়েছে।’

এ ব্যাপারে মেরুং ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মিনা চাকমা বলেন, ‘আজকে মেরুং বাজারে সাপ্তাহিক হাটের দিন ছিল। খাদ্য গুদাম থেকে ট্রাক করে ভিজিডির চাল নিয়ে আসতে দেরি হয়। এসময় অসুস্থ হয়ে আকলিমা আক্তারের মৃত্যু হয়।’

দীঘিনালা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অমিত কুমার সাহা বলেন, ‘আজকে প্রায় ৪৪০ জন নারীকে ২০ কেজি করে ভিজিডির চাল দেওয়ার কথা ছিল। এক জায়গায় গরমের মধ্যে অপেক্ষার কারণে ওই নারীর অসুস্থ হয়ে পড়েন। হার্ট অ্যাটাক করে মৃত্যু হয়। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আকলিমা আক্তারের পরিবারকে ২০ হাজার টাকার আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।’

পদ্মা-যমুনা সেতুতে একদিনে সর্বোচ্চ টোল আদায়ের রেকর্ড

পদ্মা ও যমুনা সেতু দিয়ে একদিনে সর্বোচ্চ সংখ্যক যানবাহন পারাপার এবং সর্বোচ্চ টোল আদায়ের নতুন রেকর্ড সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিনগত রাতে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সেতু বিভাগ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

এতে জানানো হয়েছে, ৫ জুন পদ্মা সেতু দিয়ে সর্বোচ্চ ৫২ হাজার ৪৮৭টি যানবাহন পারাপার হয়েছে এবং এদিন সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি ৪৩ লাখ ২৮ হাজার টাকা টোল আদায় হয়েছে।

একই দিনে দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সেতু যমুনা দিয়ে সর্বোচ্চ ৬৪ হাজার ২৮৩টি যানবাহন পারাপার হয়েছে এবং টোল আদায় হয়েছে সর্বোচ্চ চার কোটি ১৮ লাখ ১৪ হাজার ৮৫০ টাকা। এটি উভয় সেতুর ইতিহাসে এক নতুন রেকর্ড।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, এর আগে ২০২২ সালের ২৬ জুন পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী দিনে সর্বোচ্চ ৫১ হাজার ৩১৬টি যানবাহন পারাপার হয় এবং ২০২৪ সালের ৯ এপ্রিল সর্বোচ্চ টোল আদায় হয়েছিল চার কোটি ৮৯ লাখ ৯৪ হাজার ৭০০ টাকা।

আর ২০২৩ সালের ২৭ জুন যমুনা সেতু ব্যবহার করে ৫৫ হাজার ৬২১টি যানবাহন পারাপার হয়েছে এবং ২০২৪ সালের ১৪ জুন তিন কোটি ৮৩ লাখ ৪৬ হাজার ২০০ টাকা টোল আদায় হয়েছিল।

প্রীতি ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে বাংলাদেশের জয়

আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে অনায়াস জয় দিয়ে আগামী এশিয়ান কাপ বাছাইপর্বের প্রস্তুতি শুরু করল বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে ২-০ গোলের জয় পেয়েছে বাংলাদেশ।

ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ভঙ্গিমায় খেলতে নামে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। মাত্র ৬ মিনিটেই গোলের দেখা পায় বাংলাদেশ। দলের মধ্যমাঠের নতুন মুখ হামজা চৌধুরী বক্সের মধ্যে মাথা ছুঁইয়ে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন। বাংলাদেশের হয়ে এটি তার অভিষেক ম্যাচ, আর অভিষেকেই দুর্দান্ত শুরুর সাক্ষী হয়ে থাকলেন এই ইংল্যান্ডপ্রবাসী মিডফিল্ডার।

প্রথমার্ধে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় স্বাগতিকরা। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সোহেল রানা। ৫০ মিনিটে দূরপাল্লার এক দুর্দান্ত শটে ভুটানের জালে বল জড়ান এই অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার।

পুরো ম্যাচ জুড়েই বল দখল ও আক্রমণে এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। ভুটান একাধিকবার গোলমুখে আক্রমণ করলেও, গোলরক্ষক আনিসুর রহমান জিকোর দৃঢ়তায় কোনো সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি সফরকারীরা।

বেঙ্গালুরুরে আইপিএল শিরোপা উৎসবে পদদলিত হয়ে ১১ জনের মৃত্যু

আঠারো বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আইপিএলের ট্রফি ওঠে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর হাতে। পাঞ্জাব কিংসকে ৬ রানে হারিয়ে কোহলি ও তার সতীর্থরা স্পর্শ করে স্বপ্নের শিখর। কিন্তু সেই আনন্দের মাধুর্য রূপ নেয় চরম বিষাদে। বুধবার (৪ জুন) ট্রফি নিয়ে ঘরের মাঠ বেঙ্গালুরুতে পা রাখে আরসিবি দল। এরপরই সমর্থকদের বাধভাঙা উচ্ছ্বাস এক মুহূর্তেই রূপ নেয় মৃত্যুকূপে। ভিড়ের চাপে পদদলিত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন কমপক্ষে ৭ জন।

তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমে মৃত্যুর সংখ্যা নিয়ে ভিন্ন তথ্য উঠে এসেছে। টাইমস অব ইন্ডিয়া ও রয়টার্স জানিয়েছে ৭ জনের মৃত্যুর কথা, অন্যদিকে এনডিটিভি-র দাবি, এই সংখ্যাটি ১১ যাদের অধিকাংশই তরুণ এবং নারী। আহত হয়েছেন ৫০ জনেরও বেশি, যাঁদের অনেকেই হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন।

মূলত বিকেল ৫টায় কর্ণাটক বিধান সৌধ থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল বিজয় প্যারেড, যেটি চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামে গিয়ে শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে বেঙ্গালুরু পুলিশ ট্রাফিক জটের অজুহাতে প্যারেডের অনুমতি বাতিল করে। আয়োজনটি স্থানান্তরিত হয় স্টেডিয়ামের ভেতরে। যেখানে প্রবেশাধিকার ছিল সীমিত, কিন্তু তাতে জনস্রোতকে থামানো যায়নি। অতিরিক্ত ভিড় ও অব্যবস্থাপনার কারণেই ঘটে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা।

চিন্নাস্বামী স্টেডিয়ামের বাইরে ভক্তরা ধাক্কাধাক্কি করে ভেতরে ঢোকার চেষ্টা করেন, আর সেখান থেকেই ঘটনার ভয়াবহ রূপ নেয়। হাজার হাজার সমর্থককে বিধান সৌধের সামনেও খেলোয়াড়দের উৎসাহ দিতে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। শহরের বৃষ্টিভেজা আবহাওয়া পরিস্থিতি আরও খারাপ করে তোলে। আগের রাতেই জয় উদযাপনে রাস্তায় উপচে পড়া জনস্রোত সামলাতে পুলিশকে ভীষণ বেগ পেতে হয়।

কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবাকুমার দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি অতিরিক্ত জনসমাগমের জন্য ক্ষমাপ্রার্থী। আমরা পাঁচ হাজারের বেশি নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করেছিলাম, কিন্তু এটা ছিল এক আবেগপ্রবণ তরুণ ভিড়। ওদের ওপর বলপ্রয়োগ করা যেত না।’

পদদলনের এই ঘটনায় বিজেপি বিচারিক তদন্তের দাবি জানিয়েছে।

না জেনে কাউকে নিয়ে কিছু বলা খুব বড় ভুল: বর্ষা

এক যুগেরও বেশি সময় ধরে একসঙ্গে রয়েছেন অনন্ত জলিল ও আফিয়া নুসরাত বর্ষা। নিজেদের জীবনের নানা খুনসুটির মুহূর্তগুলো ভাগ করে নেন অনুরাগীদের সঙ্গে। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন এই তারকা জুটি। যেখানে অনন্ত জলিলকে কেক খাইয়ে দিচ্ছেন মডেল নাজমি জান্নাত।

বিষয়টি ভালোভাবে না নিয়ে অভিমান করে বেরিয়ে যাচ্ছেন তার স্ত্রী বলে সংবাদ প্রচার হয়। ওই ঘটনা প্রসঙ্গে মুখ খুলেছেন অনন্ত জলিলের স্ত্রী বর্ষা।

১ জুন অনুষ্ঠিত সেই ঘটনা নিয়ে আজ বুধবার নিজের ফেসবুকে এক পোস্টে অনুষ্ঠানের একগুচ্ছ ছবি অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিয়েছেন বর্ষা।

যেখানে দেখা গেছে, অভিনেতা অনন্ত জলিল তার স্ত্রীর মুখে কেক তুলে দিচ্ছেন। সংবাদমাধ্যমের দাবিতে বেজায় ক্ষেপেছেন বর্ষা। আদতে সেই ঘটনাস্থলে এমন কিছুই হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি।

অভিনেত্রী বর্ষা লিখেছেন, ‘ভাগ্যিস অনন্ত জলিল তুমি কাউকে কিছু খেতে দেওনি। এডিটগুলো খুব প্রশংসা পাবার মত। এটা খুব সাধারণ ব্যাপার ছিল। কিন্তু এই এডিটিংয়ের যুগে নিজেরা নিজেদের মতো করে মজা নিলেন। আমিও খুব হেসেছি, সাথে আপনাদের ভাইও।’

প্রশ্ন তুলে অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘মজার ব্যাপার হলো মেয়েটা কে ছিল? আমরা দুইজন কেউ চিনি না। উনি নিজে থেকেই এসে কেক খাওয়াবে অনন্ত ভাইকে। আর একটা কথা, উনি আমাদের দুইজনকে ফুল দিয়েছেন। ওনাকে কেউ বলেনি যে আপনি এগুলো করেন। নিজে নিজেই করেছেন। না জেনে কাউকে নিয়ে কিছু বলা খুব বড় ভুল এবং অপরাধ মনে রাখবেন।’