Home Blog Page 425

আগামী ৩ দিনের আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা

মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে। এ অবস্থায় দেশের অধিকাংশ জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।শুক্রবার সন্ধ্যায় আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে আরও বলা হয়, বিহার এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি দুর্বল হয়ে মৌসুমি বায়ুর অক্ষের সাথে মিলিত হয়েছে। মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ মধ্য প্রদেশ, বিহার, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। এর একটি বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত।

এ অবস্থায় শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসাথে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

শনিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

এ ছাড়া রোববার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ময়মনসিংহ বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সাথে খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোথাও কোথাও ভারী বর্ষণ হতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

ইন্টারকে জেতালেন লাউতারো, লাল কার্ড দেখলেন দুই আর্জেন্টাইন

ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপে টিকে থাকার লক্ষ্যে ‘ই’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে আর্জেন্টিনার রিভারপ্লেটকে ২-০ গোলে হারিয়ে শেষ হাসি হেসেছে ইতালির ইন্টার মিলান। এই জয়ে ইন্টারের টুর্নামেন্টে টিকে থাকা নিশ্চিত হলেও, রিভারপ্লেট দুটি লাল কার্ড দেখে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নিয়েছে। ম্যাচ চলাকালীন ক্ষুব্ধ দর্শকরা গ্যালারি থেকে নানা বস্তু ছুড়ে উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছেন।

বৃহস্পতিবার ভোরে ওয়াশিংটনের লুমেন ফিল্ডে অনুষ্ঠিত ম্যাচে দুই দলের মাঠের পারফরম্যান্স ছাপিয়ে গেছে শেষ মুহূর্তের শারিরীক লড়াইয়ে। যা ম্যাচে দ্বিতীয় আর্জেন্টাইন ফুটবলারের লাল কার্ড নিশ্চিত করে। তিক্ত এই স্বাদ পেয়েছেন আলবিসেলেস্তে জাতীয় দলের তারকা গঞ্জালো মন্টিয়েল ও লুকাস মার্টিনেজ কুয়ার্তা। বিপরীতে স্বদেশি ক্লাবের বিদায় নিশ্চিতের পথে প্রাণবন্ত ছিলেন ইন্টারের আর্জেন্টাইন তারকা লাউতারো মার্টিনেজ। যদিও তিনি গোলের একাধিক সুযোগ হাতছাড়া করেছেন।

ম্যাচের দুটি গোলই হয়েছে দ্বিতীয়ার্ধে। প্রথমার্ধে গোলের সুযোগ তৈরি হলেও কোনো দলই স্কোরশিটে নাম তুলতে পারেনি। ম্যাচের ডেডলক ভাঙে ৭২ মিনিটে ইন্টারের ১৯ বছর বয়সী ফ্রান্সেসকো পিও এসপোসিতোর গোলে। এর আগপর্যন্ত রিভারপ্লেট দারুণ লড়াই চালিয়ে গেলেও সেই মুহূর্তে বড় ধাক্কা খায়। অবশ্য প্রথম গোল হওয়ার মিনিট সাতেক আগেই তারা দশজনের দলে পরিণত হয়েছিল। রিভারের প্রায় সবাইকে ছাড়িয়ে ডি-বক্সে প্রবেশের আগমুহূর্তে ইন্টারের একজনকে কড়া ট্যাকেল করে লাল কার্ড দেখেন ডিফেন্ডার লুকাস মার্টিনেজ।

এরপর ৯০ মিনিট শেষে যোগ করা সময়ের তৃতীয় মিনিটে রিভারের কফিনে চূড়ান্ত পেরেক ঠোকেন নেরাজ্জি ডিফেন্ডার আলেসান্দ্রো বাস্তোনি। বক্সের কোণা থেকে তার বাঁ পায়ের মাটি কামড়ানো শট জালে জড়াতেই ইন্টারের পূর্ণ তিন পয়েন্ট নিশ্চিত করে। এক মিনিট বাদেই রিভারপ্লেট পরিণত হয় ৯ জনের দলে। এবার দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হলো মন্টিয়েলকে। এরপর রেফারি শেষ বাঁশি বাজাতেই মুখোমুখি অবস্থানে চলে যান দুই দলের ফুটবলাররা। যার শুরুটা হয় রিভারের মার্কোস আকুনা ও ইন্টারের ডেনজেল ডেফ্রিসের বাদানুবাদ দিয়ে, যা পরে দলীয় লড়াইয়ে পরিণত হয়।

এই হারে চলমান ক্লাব বিশ্বকাপ থেকে আর্জেন্টিনার দুটি ক্লাবই বিদায় নিশ্চিত করল। বোকা জুনিয়র্স কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও, রিভারপ্লেট নকআউট রাউন্ডে ওঠার জোর সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু তারা আসর শেষ করছে ৩ ম্যাচে একটি জয়, ড্র ও হার নিয়ে। সবমিলিয়ে তাদের পয়েন্ট ৪। বিপরীতে ইন্টার মিলান ৩ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে ‘ই’ গ্রুপের শীর্ষে থেকেই নামবে নকআউট রাউন্ডে। এই গ্রুপ থেকে ওঠা আরেকটি দল সার্জিও রামোসের মন্টেরি। দুইয়ে থাকা দলটির পয়েন্ট ৫।

মায়ামিতে মেসির আয় ২১ দলের খেলোয়াড়দের বেতনের চেয়েও বেশি!

আমেরিকার মেজর লিগ সকারে (এমএলএস) টানা তৃতীয়বারের মতো সর্বোচ্চ বেতনভুক্ত ফুটবলার হতে যাচ্ছেন ইন্টার মায়ামির আর্জেন্টাইন মহাতারকা লিওনেল মেসি। সংবাদ সংস্থা এপির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইন্টার মায়ামিতে মেসির বার্ষিক আয় ২ কোটি ৪ লাখ ৪৬ হাজার ৫৫৭ ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৪৮ কোটি ৪০ লাখ টাকা। এই বিশাল অঙ্কের বেতন ২১টি এমএলএস দলের খেলোয়াড়দের মোট বেতনের চেয়েও বেশি। এই তথ্য মেসির জনপ্রিয়তা এবং ফুটবলে তার ব্র্যান্ড মূল্যের এক দারুণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে।

বুধবার এমএলএস প্লেয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন লিগের বিভিন্ন দল ও খেলোয়াড়দের হালনাগাদকৃত বেতনের হিসাব সামনে এনেছে। যেখানে বছরে মেসির মূল বেতন ১২ মিলিয়ন ডলার, এর সঙ্গে বিভিন্ন মার্কেটিং ও এজেন্ট ফি, চুক্তিতে থাকা অন্যান্য হিসাব ও পারফরম্যান্স বোনাসও যুক্ত হয়ে আর বিশাল অঙ্ক দাঁড়ায়। যা আর্জেন্টিনার এই বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়কের এমএলএস চুক্তিতেই উল্লেখ ছিল।

মেসির মতো উচ্চ বেতনধারী তারকা যে দলে থাকেন, স্বভাবতই তারা লিগেও খরচের দিক থেকে শীর্ষ সারিতে থাকবে। ২৩ মে পর্যন্ত হিসাব মতে, এমএলএসে মেসির মায়ামি লিগের রেকর্ড সর্বোচ্চ ৪৬.৮ মিলিয়ন ডলার খরচ করে বছরে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৫৬৮ কোটি ৪৬ লাখ টাকা। পুরো অর্থের প্রায় অর্ধেকই যায় মেসির পকেটে। গত মৌসুমের চেয়ে কেবল বেতন খাতেই কমপক্ষে ৫ মিলিয়ন ডলার খরচ বেড়েছে ডেভিড বেকহ্যামের এই ক্লাবটির।

মায়ামির বেতন খাতে খরচের ধারেকাছে নেই এমএলএসের আর কোনো ক্লাব। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৪.১ মিলিয়ন ডলার টরোন্টো এফসি এবং এরপর আটলান্টা ইউনাইটেড ২৭.৬ মিলিয়ন ডলার খেলোয়াড়দের বেতনের জন্য বরাদ্দ রেখেছে। এ ছাড়া সিনসিনাতি ২৩.২ মিলিয়ন, এমএলএসের ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন এলএ গ্যালাক্সি ২২.৯ মিলিয়ন, লস অ্যাঞ্জেলস এফসি ২২.৪ মিলিয়ন এবং শিকাগোর খরচ ২২.১ মিলিয়ন ডলার। এদিক থেকে মন্ট্রিল সর্বনিম্ন ১২ মিলিয়ন এবং ফিলাডেলফিয়া ইউনিয়ন ১৩.৪ মিলিয়ন ডলার দেয় বেতন হিসেবে।

সর্বোচ্চ বেতনধারী খেলোয়াড়ের তালিকায় মেসির পরই আছেন টরোন্টোর উইঙ্গার লোরেঞ্জো ইনসিগনে, ১৫.৪ মিলিয়ন ডলার। এরপর আছেন মায়ামির সাবেক বার্সেলোনা মিডফিল্ডার সার্জিও বুসকেটস, ৮৭ লাখ ৭৫ হাজার ডলার। এ ছাড়া আটলান্টার উইঙ্গার মিগুয়েল আলমিরন ৭৮৭১০০০ ডলার, সান দিয়েগোর উইঙ্গার হার্ভিং লোজানো ৭৬৩৩৩৩৩ ডলার, টরোন্টোর উইঙ্গার ফেদেরিকো বার্নাদেশ্চি ৬২৯৫৩৮১ ডলার, নিউইয়র্ক রেডবুলসের উইঙ্গার এমিল ফর্সবার্গ ৬০২৩৬২৫ ডলার, মায়ামির লেফটব্যাক জর্দি আলবা ৬ মিলিয়ন ডলার, এলএ গ্যালাক্সির রিকুই পুইগ ৫৭৭৯৬৮৮ ডলার, শিকাগোর জনাথন বোম্বা ৫৫৮১৮০৬ ডলার ও ন্যাশভিলের হ্যানি মুখতার বার্ষিক পারিশ্রমিক ৫৩১১৬৬৭ ডলার পান।

বিচ্ছেদ বারবার, তবু বিয়েতে বিশ্বাস হারাননি শ্রাবন্তী!

কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চ্যাটার্জির ব্যক্তিগত জীবন, বিশেষত তার বিয়ে ও বিচ্ছেদ নিয়ে আলোচনা যেন থামার নয়। তিনবার সংসার ভাঙলেও ভালোবাসার ওপর তার বিশ্বাস আজও অটুট। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শ্রাবন্তী স্পষ্ট জানিয়েছেন, সম্পর্কের প্রতি তার আস্থা এখনও দৃঢ়, এবং তিনি বিয়েতেও এখনও বিশ্বাস রাখেন।

এই মন্তব্যের মাধ্যমে শ্রাবন্তী বোঝাতে চেয়েছেন যে অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা সত্ত্বেও, তিনি ব্যক্তিগত জীবনে ইতিবাচক মনোভাব পোষণ করেন এবং ভালোবাসার বন্ধনকে গুরুত্ব দেন।

নায়িকা বলেন, ‘আমি এখনও বিয়েতে বিশ্বাস করি। কারণ আমি আমার বাবা-মাকেও দেখেছি। আমি মনে করি যারা বিয়ে করছেন, তারা ভালো থাকুন। তাদের যেন একে অপরের প্রতি স্বচ্ছ্বতাটা বজায় থাকে। কেন বিয়ে করবে না? এটা তো আমরা বহু বছর ধরে দেখে আসছি।’

কিন্তু নায়িকার কোনো দাম্পত্য সম্পর্কই স্থায়িত্ব লাভ করেনি। কোথায় ভুলটা ছিল- এমন প্রশ্নে শ্রাবন্তীর জবাব, ‘আমার যেটা ভুল ছিল, আমি জীবনে ভুল মানুষ বেছে নিয়েছিলাম, যেটা হয়তো আমার আরও ভালো করে বুঝে নিয়ে করা উচিত ছিল। আসলে আমি তো খুব ইমোশোনাল একজন মানুষ। সেখানে আমার মনে হয়, আবেগে না ভেসে, আরও বাস্তবতা দিয়ে জীবনটাকে দেখা উচিত ছিল। আমি বলব নিজের ভালো থাকাটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি নিজের সম্মানটা যেখানে বজায় থাকবে সেখানে এগিয়ে যাওয়া উচিত।’

নায়িকা আরও বলেন, ‘একটাই জীবন, তাই লোকে কী বলছে না বলছে, সেটা দেখে এগিয়ে যাওয়া উচিত নয়। নিজের মন যেটা বলছে, যেটা করলে আপনার ধারণা আপনার ভালো হবে, সেটাই করা উচিত।’

বয়স ১৮ হওয়ার আগেই পরিচালক রাজীব কুমার বিশ্বাসকে বিয়ে করেন শ্রাবন্তী। এই বিয়ে সূত্রেই ছেলে ঝিনুক ওরফে অভিমন্যুকে জন্ম দেন তিনি। তারপর অবশ্য ২০১৬ সালে রাজীবের সঙ্গে বিচ্ছেদের পথে হাঁটেন অভিনেত্রী। এরপর শ্রাবন্তী ফের প্রেমে পড়েন, ফের বিয়ের পিঁড়িতে বসেন কৃষাণ ব্রিজের সঙ্গে। তবে দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে সেই বিয়ের মেয়াদ ছিল মাত্র ১ বছর। তারপর ফের তৃতীয় বার রোশন সিংকে বিয়ে করেন শ্রাবন্তী।

এক গুরুদুয়ারাতে গিয়ে প্রায় চুপিচুপিই দু’জনে বেঁধেছিলেন গাঁটছড়া। কিন্তু দেখা যায় যে, বছর ঘোরার আগেই, দু’জনের সমস্যা শুরু। ছাদ আলাদা হয় রোশন ও শ্রাবন্তীর। তারপর চলতি বছরের এপ্রিল মাসে দু’জনে আইনিভাবে আলাদা হয়েছেন।

ভেঙে গেল তারকা যুগল কেটি পেরি ও অরল্যান্ডোর সংসার

সম্প্রতি তারকা যুগল কেটি পেরি ও অরল্যান্ডো ব্লুমের সম্পর্কে তিক্ততা বাসা বেঁধেছে বলে গুঞ্জন ছড়ায়। অবশেষে সেই গুঞ্জনই সত্যি হলো। বাগদানের দীর্ঘ ৬ বছরের মাথায় সম্পর্কে ইতি টানলেন তাঁরা।

দুই তারকার ঘনিষ্ঠ সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বলে জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ইউএস উইকলি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কয়েক সপ্তাহের গুঞ্জনের পর অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্পর্কের ইতি টেনেছেন কেটি পেরি ও অরল্যান্ডো ব্লুম।

ঘনিষ্ঠ সূত্রের ভাষ্য, ‘কেটি ও অরল্যান্ডো এখন আলাদা, তবে সম্পর্কটা বন্ধুত্বপূর্ণভাবেই শেষ হয়েছে।’

সূত্রটি আরও দাবি করেছে যে, পেরি ও অরল্যান্ডোর মধ্যে কয়েক মাস ধরেই উত্তেজনা চলছিল। দীর্ঘদিনের এই মনোমালিন্যের ফলেই বিচ্ছেদ ঘটেছে।

প্রসঙ্গত, পপতারকা পেরি এর আগে ২০১০ সালে কমেডিয়ান রাসেল ব্রান্ডকে বিয়ে করেছিলেন। ২০১২ সালে তাঁদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।

এরপর ২০১৬ সালে গোল্ডেন গ্লোবসের পার্টিতে অরল্যান্ডো ব্লুমের সঙ্গে কেটি পেরির দেখা হয়। ২০১৯ সালে বাগদান হয় তাঁদের। পরের বছরই এই যুগলের সংসারে আসে কন্যাসন্তান ডেইজি। সুখবরটি দুজনেই শেয়ার করেছিলেন ইনস্টাগ্রামে। এবার তাঁদের সংসার ভেঙে গেল।

‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ নিয়ে সারজিস-হাসনাত-আখতারের আপত্তি

অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের দিন ৮ আগস্টকে ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ ঘোষণা নিয়ে আপত্তি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম এবং দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ। বৃহস্পতিবার নিজেদের ফেসবুক পোস্টে তারা এই আপত্তি জানান।

বিকেলে ফেসবুক পোস্টে আখতার হোসেন লিখেছেন, ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস সেদিন হবে, যেদিন জুলাই ঘোষণাপত্র আসবে, যেদিন মৌলিক সংস্কারের ভিত্তিতে জুলাই সনদ হবে।’

কাছাকাছি সময়ে হাসনাত আবদুল্লাহ লেখেন, ‘নতুন বাংলাদেশের জন্ম হয়েছে ৫ আগস্ট। ৮ আগস্ট না। ৫ আগস্টের সাধারণ ছাত্র-জনতার এই অর্জনকে সরকারের কুক্ষিগত করার চেষ্টা মেনে নেওয়া হবে না।’

সন্ধ্যায় সারজিস আলম লিখেছেন, ‘৮ আগস্ট দ্বিতীয় স্বাধীনতা শুরু হয়নি। দ্বিতীয় স্বাধীনতা নষ্টের, ছাড় দেওয়ার এবং বিপ্লব বেহাতের কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে। ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ এবং ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা দিবস।’

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। এর তিন দিন পর ৮ আগস্ট অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। গতকাল ৫ আগস্টকে ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস’ এবং ৮ আগস্টকে ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ ঘোষণা করে পরিপত্র জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

‘প্রথম আলো-ডেইলি স্টার ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা ছড়ায়’

প্রথম আলো ও ডেইলি স্টারকে আওয়ামী লীগের দোসর হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি জেনারেল নুরুল ইসলাম সাদ্দাম। তিনি বলেছেন, পত্রিকা দুটি পরিকল্পিতভাবে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে প্রপাগান্ডা ছড়ায়।

বৃহস্পতিবার একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শিবির সেক্রেটারি বলেন, ‘ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে রগ কাটার অভিযোগটি এক ধরনের প্রপাগান্ডা-অপপ্রচার। আওয়ামী ফ্যাসিবাদের সময়ে এই অপপ্রচার চালানো হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ইসলামী ছাত্রশিবির আদর্শিক আন্দোলন করে। আদর্শিক সংগঠনকে অন্যভাবে দমন করা কঠিন। আবার ইসলামী ছাত্রশিবিরকে চারিত্রিকভাবেও কেউ অপবাদ দিতে পারে না। চাঁদাবাজি, দুর্নীতি, স্ট্যান্ড দখল বা যেকোনো অপকর্মের সঙ্গে তারা ছাত্রশিবিরকে যুক্ত করতে পারে না।

ফলে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিরোধিতার জন্য আওয়ামী আমলে ছাত্রলীগ সুকৌশলে এই প্রপাগান্ডা চালিয়েছে। তাদের দোসর প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার ধারাবাহিকভাবে এসব প্রপাগান্ডা প্রচারে সহযোগিতা করেছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘২০১৩ সালে তাদের পত্রিকায় এটা ছাপানো হয়েছে। কিন্তু কে রগ কেটেছে তার নাম, তাকে গ্রেপ্তার করা, আইনের আওতায় আনা-এ ধরনের কোনো তথ্য সেই রিপোর্টে ছিল না।

এমন একটি ঘটনাও ঘটেনি যে শিবিরের কোনো নেতাকর্মী রগ কাটার কারণে গ্রেপ্তার হয়েছেন বা তাকে সাজা দেওয়া হয়েছে। শুধু সন্দেহ করা হচ্ছে; অনুমান করা হচ্ছে।’

শিবির সেক্রেটারি বলেন, ‘অনলাইনে সার্চ করলে ২০১৩ সালে প্রথম আলোতে প্রকাশিত এ জাতীয় কিছু নিউজের লিংক পাওয়া যায়। আমরা তখন বলেছি, শিবিরের কেউ রগ কেটে থাকলে তার নামে মামলা হয়নি কেন? কেন তাকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। ওই সময় তো আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় ছিল। মূলত কয়েকটি মিডিয়া পরিকল্পিতভাবে এই রিউমরগুলো প্রচার করেছে।’

ইসলামী ছাত্রশিবিরের সঙ্গে এজাতীয় কোনো অপরাধকর্মের সম্পর্ক নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আদর্শিক সংগঠন হিসেবে ছাত্রশিবির অপরাধকর্ম থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করে। আশা করি, গণমাধ্যমগুলো বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচার করবে এবং এজাতীয় প্রপাগান্ডা থেকে বিরত থাকবে।’

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরান বিজয়ী হয়েছে: আয়াতুল্লাহ খামেনি

ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইরান বিজয়ী হয়েছে বলে ঘোষণা করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি। যুদ্ধবিরতির দুই দিন পর বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় তিনি এ কথা বলেন।

পোস্টে খামেনি বলেন, ‘প্রতারণাপূর্ণ জায়নবাদী শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিজয় উপলক্ষে আমি দেশবাসীকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।’

ইরান পরমাণু বোমা তৈরির দোরগোড়ায়-অভিযোগ তুলে গত ১২ জুন দিবাগত মধ্যরাতে রাজধানী তেহরান ও অন্যান্য এলাকায় বিমান অভিযান শুরু করে ইসরায়েলি বাহিনী।

এই অভিযানের জবাবে ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে একের পর এক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা শুরু করে ইরানও।

ইরান-ইসরায়েলের এ সংঘাত শুরুর ১০ দিন পর ২২ জুন মধ্যরাতে ইসরায়েলের তিনটি পরমাণু স্থাপনায় হামলা চালায় মার্কিন বিমান বাহিনী। যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সামরিক কমান্ড এ অভিযানের নাম দিয়েছিল ‘দ্য মিডনাইট হ্যামার’।

ইরানে হামলা ১৫ বছরের পরিকল্পনার ‘চূড়ান্ত পরিণতি’: মার্কিন জেনারেল

যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের প্রধান জেনারেল ড্যান কেইন বলেছেন, ইরানে অপারেশন মিডনাইট হ্যামার ছিল ১৫ বছরের কাজের ‘চূড়ান্ত পরিণতি’।

‘হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্রগুলো ফোর্দো পারমাণবিক স্থাপনায় হামলায় যাতে সাফল্য অর্জন করা যায়, সেজন্য ডিজাইন, পরিকল্পনা ও সরবরাহ করা হয়েছিল’ বলেন তিনি।

কেইন আরও বলেন, ঘটনাস্থলে দুইটি ভেন্ট শ্যাফ্টে তারা হামলা করেছিল। বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, হামলা প্রতিহত করার জন্য ইরানিরা সেগুলো কংক্রিট দিয়ে ঢেকে দেওয়ার চেষ্টা করেছিল।

সারাদেশে যৌথবাহিনীর অভিযানে গ্রেপ্তার ৩৮৫ জন

সারাদেশে গত এক সপ্তাহে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত অভিযোগে ৩৮৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে যৌথবাহিনী। তাদের কাছ থেকে ২৬টি অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, ৭০টি গোলাবারুদ, ১১টি ককটেল, বিভিন্ন মাদকদ্রব্য, সন্ত্রাসী কার্যকলাপে ব্যবহৃত দেশীয় অস্ত্র, চোরাই মালপত্র, ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন ও নগদ অর্থ উদ্ধার করা হয়।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানায়, দেশের চলমান পরিস্থিতিতে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে রাখতে দেশব্যাপী পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করে চলেছে সেনাবাহিনী। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৯ থেকে ২৬ জুন সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদাতিক ডিভিশন ও স্বতন্ত্র ব্রিগেডের অধীন ইউনিটগুলো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় যৌথ অভিযান চালায়। অভিযানে চিহ্নিত সন্ত্রাসী, অবৈধ অস্ত্রধারী, চোরাকারবারি, কিশোর গ্যাং সদস্য, চাঁদাবাজ, অপহরণকারী, অবৈধ দখলদার, ডাকাত, টিসিবির পণ্য আত্মসাৎকারী, অবৈধ রিক্রুটমেন্টের সঙ্গে জড়িত দালাল, ভেজাল খাদ্যদ্রব্যের ব্যবসায়ী, অবৈধ বালু উত্তোলনকারী, মব ভায়োলেন্স সৃষ্টিকারী, মাদক কারবারি ও মাদকাসক্তসহ মোট ৩৮৫ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ ও আইনি কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য সংশ্লিষ্ট এলাকার থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত টহল ও নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এ ছাড়া বিভিন্ন স্থানে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে যৌথ অভিযান চালিয়ে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ কার্যক্রমে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করা হচ্ছে।