Home Blog Page 427

এপ্রিলে পুঁজি কমল ১৭ হাজার কোটি টাকা

চলতি বছরের এপ্রিল মাস ছিল দেশের পুঁজিবাজারের জন্য এক কঠিন সময়। ঈদের ছুটি শেষে লেনদেন শুরু হলেও বাজার ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি। মাসজুড়ে ধারাবাহিক দরপতনে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) হারিয়েছে ১৭ হাজার কোটি টাকার বেশি মূলধন। এতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে তৈরি হয়েছে চরম হতাশা ও আস্থাহীনতা।

ডিএসইর পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এপ্রিল মাসের শুরুতে বাজারের প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ছিল ৫ হাজার ২১৯ পয়েন্টে। মাস শেষে তা নেমে আসে ৪ হাজার ৯১৭ পয়েন্টে, অর্থাৎ সূচক কমেছে ৩০২ পয়েন্ট। পুরো মাসে ১৮ কার্যদিবসের মধ্যে ১৫ দিনই ছিল দরপতনের, যা বিনিয়োগকারীদের ক্ষতির পালে আরও হাওয়া দেয়।
মাসের শুরুতে ডিএসইর মোট বাজার মূলধন ছিল ৬ লাখ ৭৩ হাজার ৮৬৬ কোটি টাকা। এপ্রিল শেষে তা কমে দাঁড়ায় ৬ লাখ ৫৬ হাজার ৫৬৯ কোটি টাকায়। অর্থাৎ মাত্র এক মাসেই পুঁজিবাজার থেকে ১৭ হাজার ২৯৭ কোটি টাকা উধাও হয়ে গেছে।

একের পর এক পতনের ফলে বিনিয়োগকারীদের অনেকেই বাজার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছেন। সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেডের (সিডিবিএল) তথ্য অনুযায়ী, শুধু এপ্রিল মাসেই ১১ হাজার ৪২৯ জন বিনিয়োগকারী তাঁদের বেনিফিশিয়ারি ওনার্স (বিও) অ্যাকাউন্ট থেকে সব টাকা তুলে নিয়েছেন। জিরো ব্যালান্সের বিও অ্যাকাউন্টের সংখ্যা ছাড়িয়ে গেছে ৩ লাখ ৮০ হাজার। পাশাপাশি সক্রিয় বিও অ্যাকাউন্টের মোট সংখ্যা এক মাসেই কমেছে ১০ হাজারের বেশি।

বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, দীর্ঘ মেয়াদে বাজারে আস্থা ফেরাতে প্রয়োজন সুপরিকল্পিত নীতিগত সহায়তা এবং নিয়ন্ত্রক সংস্থার সক্রিয় ভূমিকা।

জোবাইদার নিরাপত্তার নামে প্রতিবেশীদের বিরক্ত না করার নির্দেশ তারেক রহমানের

প্রায় দেড় যুগ পর দেশে ফিরছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী জোবাইদা রহমান। সব ঠিক থাকলে আগামী মঙ্গলবার সকালে শাশুড়ি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেশে ফিরবেন তিনি। দেশে ফিরে জোবাইদা রাজধানীর ধানমন্ডিতে তাঁর বাবার বাসায় উঠবেন বলে জানা গেছে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন গণমাধ্যমকে জানান, জোবাইদা রহমান ধানমন্ডিতে তাঁর বাবার বাসা মাহবুব ভবনে উঠবেন। বাড়ির ছোট মেয়ের আগমন উপলক্ষে বাসার সাজসজ্জা, নিরাপত্তাব্যবস্থা, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, পানি-বিদ্যুৎ-গ্যাস, জেনারেটর স্থাপনসহ বিভিন্ন প্রস্তুতির কাজ চলছে।

আতিকুর রহমান রুমন বলেন, জোবাইদা রহমানের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে বাসার ভেতরে এবং বাইরে নিরাপত্তাব্যবস্থা ঠিক করা হয়েছে। বাসার চারপাশে দেয়ালের ওপরে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে। নিরাপত্তাব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত পুলিশ সদস্য ছাড়া বিএনপির চেয়ারপারসনের সিকিউরিটি ফোর্স (সিএসএফ) সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করবেন।

হাসনাতের ওপর হামলায় জামায়াত আমিরের নিন্দা

গাজীপুরে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহর গাড়িতে হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। আজ রোববার রাতে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি এ নিন্দা জানান।

শফিকুর রহমান বলেন, গাজীপুরে হাসনাত আবদুল্লাহর গাড়িতে হামলার নিন্দা জানাই। হাসনাত আবদুল্লাহর ওপর যে বা যারা হামলা করেছে, এটা কাপুরুষোচিত। প্রতিবাদী কণ্ঠকে কখনো হামলা করে থামানো যায় না। তিনি আরও বলেন, জানি না হাসনাত আবদুল্লাহ কাদের চোখের বালি, কিংবা পথের কাঁটা। তবে এটা কোনো রাজনৈতিক আচরণ নয়। নিঃসন্দেহে এটা সন্ত্রাসী কার্যক্রম।

প্রসঙ্গত, রোববার সন্ধ্যায় গাজীপুরের চান্দনায় হাসনাত আবদুল্লাহর গাড়িতে হামলা চালায় ১০-১২ যুবক। এতে তিনি ও তাঁর সঙ্গে থাকা কয়েক সহযোগী আহত হয়েছেন। হাসনাতের ওপর হামলার প্রতিবাদে এরই মধ্যে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় বিক্ষোভ করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতা-কর্মীরা।

হেফাজতের ২০৩ মামলা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে করা ২০৩টি মামলা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, আগামী তিন মাসের মধ্যে এসব মামলা প্রত্যাহারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য থানাগুলোতে তদন্ত শুরু হয়েছে, দেওয়া হবে চূড়ান্ত প্রতিবেদন। যেসব মামলার অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর নিষ্পত্তি হবে আদালতের মাধ্যমে।

২০১৩ সালের ৫ মে মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন ঘটনায় রাজধানী ঢাকাসহ সাত জেলায় ৮৩টি মামলা করা হয়। এসব মামলায় ৩ হাজার ৪১৬ জনের নামোল্লেখসহ ৮৪ হাজার ৯৭৬ জনকে আসামি করা হয়। এর মধ্যে দুটি মামলার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছে পুলিশ। ১৮টি মামলার অভিযোগপত্র দিলেও এগুলোর বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হয়নি।

কোরবানির পশুর চামড়ার ন‍্যায‍্যমূল‍্য নিশ্চিতে কমিটি গঠনের নির্দেশ প্রধান উপদেষ্টার

আসন্ন ঈদুল আজহার সময় কোরবানির পশুর চামড়ার ন‍্যায‍্যমূল্য নিশ্চিতকরণ, পশু আনা-নেওয়া, বর্জ্য ব্যবস্থাপনাসহ সার্বিক বিষয়ে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এক বৈঠকে এ নির্দেশ দেন প্রধান উপদেষ্টা।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই আমরা দেখছি মানুষ কোরবানির পশুর চামড়ার ন‍্যায‍্যমূল্যপ্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সমাজের হতদরিদ্র মানুষেরা, যাঁরা এই চামড়া বিক্রির টাকার ওপর অনেকাংশে নির্ভরশীল। এই অব্যবস্থাপনার অবসান হওয়া প্রয়োজন।’

ক্রিকেটারদের বেইজ্জত করা হচ্ছে, দাবি তামিমের

ফিক্সিং, নিষেধাজ্ঞা নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করেছেন তামিম ইকবাল। ক্রিকেটারদের ‘বেইজ্জত-অপমান’ করা হচ্ছে বলে দাবি করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

হার্ট অ্যাটাকের পর শুক্রবার (২৫ এপ্রিল) প্রথম সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন তামিম। বিসিবির সঙ্গে বৈঠক শেষে এ সময় একাধিক বিষয়ে অসন্তোষের কথা জানান জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক।

মূলত ঢাকা প্রিমিয়ার লিগে (ডিপিএলে) তাওহীদ হৃদয়ের নিষেধাজ্ঞা ইস্যু নিয়ে গতকাল (শুক্রবার) বৈঠক বসে মোহামেডান ও বিসিবি। মোহামেডানের জ্যেষ্ঠ ক্রিকেটার তামিমসহ বেশ কয়েকজন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

ঘটনাটি গত ১২ এপ্রিলের। ডিপিএলে আবাহনী-মোহামেডান ম্যাচে আইসিসির এলিট প্যানেলের আম্পায়ার সৈকতের সঙ্গে সেদিন তর্কে জড়ান মোহামেডানের অধিনায়ক হৃদয়। শুধু মাঠে তর্কে জড়িয়েই ক্ষান্ত হননি তিনি, ম্যাচ শেষে কিছুটা বিতর্কিত সুরে বলেছিলেন, ‘তিনি (সৈকত) আন্তর্জাতিক আম্পায়ার হলে আমিও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার।’

ম্যাচ অফিশিয়ালদের সঙ্গে তর্ক ও তাদের কটাক্ষ করার কারণে ২ ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা পান হৃদয়। তবে তার শাস্তি কমানোর জন্য ডিপিএলের টেকনিক্যাল কমিটির কাছে আবেদন করে মোহামেডান কর্তৃপক্ষ। কমিটি তাতে সাড়া না দিলেও তাদের সেই সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে হৃদয়ের শাস্তি কমিয়ে এক ম্যাচে নিয়ে আসে বিসিবির আম্পায়ার বিভাগ, অথচ এই এখতিয়ার তাদের নেই।

নিয়ম ভেঙে হৃদয়ের এই শাস্তি কমানোর সিদ্ধান্তের কারণে বিসিবির চাকরি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন সৈকত। তবে নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে সৈকতের অভিমান ভাঙায় বিসিবির আম্পায়ার বিভাগ এবং সেই এক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা নতুন করে দেওয়া হয় হৃদয়কে। এই সিদ্ধান্ত নিয়েই তৈরি হয়েছে জটিলতা।

এ বিষয়ে তামিমের ভাষ্য, ‘হৃদয়ের ইস্যুটা… ওকে দুটি ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়। তখন কিন্তু কোনো খেলোয়াড় বা কেউ এটা নিয়ে কথা বলেনি! আম্পায়ার আর ম্যাচ রেফারি মিলে তাকে নিষিদ্ধ করেছেন। ব্যক্তিগতভাবে আমরা মনে করতে পারি, সিদ্ধান্তটা কঠোর ছিল, কিন্তু এটা নিয়ে আমরা কেউ কোনো কথা বলিনি। তার কিছুদিন পর দেখলাম যে, (নিষেধাজ্ঞা) দুই ম্যাচ থেকে এক ম্যাচ করা হলো; এটা বিসিবি করেছে। তখনও আমরা কেউ কোনো কথা বলিনি। তারপর হৃদয় একটা ম্যাচ না খেলে পরের দুটি ম্যাচ খেলল। স্বাভাবিকভাবে ওর যে শাস্তি ছিল, সেটা সে ভোগ করে নিয়েছে। এখন দুটি ম্যাচ খেলার পর গতকাল শুনলাম যে, তাকে আবার নিষিদ্ধ করা হয়েছে।’

‘এটা কোন নিয়মে, কীভাবে করা হয়েছে—তা আমার জানা নেই। এটা নিয়ে আমরা খুব চিন্তিত ছিলাম। এটা হাস্যকর ছিল। কোনোভাবেই সে নিষিদ্ধ হতে পারে না যে কিনা আগেই (একবার) নিষিদ্ধ হয়েছে। বিসিবি তাকে দুটি ম্যাচ খেলতে দিয়েছে। তাকে আবার আপনি কীভাবে নিষিদ্ধ করতে পারেন?’

এছাড়া, ডিপিএলের চলতি আসরে একটি ম্যাচকে ঘিরে ফিক্সিংয়ের সন্দেহ তৈরি হয়েছিল। গুলশান ক্রিকেট ক্লাব ও শাইনপুকুরের ম্যাচকে ঘিরে ওঠা সেই সন্দেহের ম্যাচটি নিয়ে বিসিবির তদন্ত চলছে।

তদন্তের অংশ হিসেবে গত ১০ এপ্রিল শাইনপুকুরের দুই ক্রিকেটার রহিম আহমেদ ও মিনহাজুল আবেদীন সাব্বিরকে মিরপুরে ডাকা হয়। এই দুজন স্টেডিয়ামের একাডেমি মাঠে উপস্থিত হয়ে বিসিবি কর্মকর্তাদের সামনে বিতর্কিত স্টাম্পিংয়ের সেই ঘটনা পুনরায় মঞ্চায়ন করে দেখান। উইকেটের দুই পাশে দুটি ক্যামেরায় ধারণ করা হয় সেই দৃশ্য। মিডিয়াকর্মীরাও সে সময় উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক মনে করেন, মিডিয়ার সামনে এই দুই ক্রিকেটারকে দিয়ে অভিনয় করানোর কোনো অধিকার কারও নেই।

‘আমরা এই জিনিসটা ক্রিকেট বোর্ডকে সরাসরি বলেছি যে দেখেন, যদি ওখানে কোনো ধরনের দুর্নীতি হয়ে থাকে বা কোনো খেলোয়াড় কোনো ধরনের দোষ করে থাকে, আমরা সবাই চাই এটার (জন্য) শাস্তি হোক; এতে আমরা শতভাগ একমত। কিন্তু তার মানে এটা না যে, আপনি ওই দুটি ছেলেকে নিয়ে গিয়ে মিডিয়ার সামনে অভিনয় করাবেন, এমনটা করার অধিকার কারো নেই।’

‘বিশ্বের কোথাও দুর্নীতি দমন ইউনিটে এমন নিয়ম নেই যে, একই জিনিস অভিনয় করিয়ে আপনি ওই দুটি ছেলেকে বেইজ্জত করবেন মিডিয়ার সামনে। এটা খেলোয়াড়দের অপমান করা। এই জিনিস নিয়ে আমরা একবিন্দুও খুশি ছিলাম না।’

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) গত আসরে কয়েকজন খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে ম্যাচ পাতানোর অভিযোগ ওঠে। যাদের নাম গণমাধ্যমে আসায়ও বিসিবিকে কাঠগড়ায় তুলেছেন তামিম।

‘বিপিএলেও ১০ জনের নাম ফাঁস হয়েছে বিসিবির ভেতর থেকে; ১০ জনের ছবি মিডিয়াতে দেওয়া হয়েছে। আমরা সবাই চাই, ওখান থেকে কেউ যদি দোষী হয়, তার শাস্তি হোক।

কিন্তু তাদের মধ্যে যদি দুজন বা আটজনও নির্দোষ বলে প্রমাণিত হয়?—প্রশ্ন রেখে তামিম তাদের নামগুলো জনগণের সামনে ফাঁস করে দেওয়াকে ‘অপমানজনক’ বলে উল্লেখ করেছেন।

তিনি বলেন, ‘এই প্রত্যেকটা জিনিস নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন ছিলাম। বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় স্টেকহোল্ডার হলো ক্রিকেটাররা। ক্রিকেটারদের যদি এভাবে ট্রিট করা শুরু করেন, তাহলে তো হলো না! এই জিনিস নিয়ে আমরা প্রেসিডেন্টকে অনুরোধ করেছি আসতে। উনি এসেছেন, সঙ্গে আরও দুজন পরিচালক (নাজমুল আবেদীন ও ইফতেখার আহমেদ) ছিলেন। আমরা লম্বা আলোচনা করেছি। আমাদের পয়েন্ট তুলে ধরে উনাকে বলেছি যে, (বিষয়গুলো নিয়ে) আমরা আপসেট।’

‘এসব নিয়ে আমাদের বিতর্ক হয়েছে। উনাদের আমরা সুন্দর করে (নিজেদের) অবস্থান পরিষ্কার করেছি যে আমরা কী অনুভব করি। তারপর উনারা উনাদের মতো করে সিদ্ধান্ত দেবেন।’

দ্বিতীয় সেশনে সাদমানের দুর্দান্ত সেঞ্চুরি

চট্টগ্রামে বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে শেষ টেস্টে দ্বিতীয় দিনের দ্বিতীয় সেশন সেঞ্চুরির স্বাদ নিয়েছেন বাংলাদেশের ওপেনার সাদমান ইসলাম।

প্রথম ইনিংসে জিম্বাবুয়ের ২২৭ রানের জবাবে সাদমানের ১২০ রানের উপর ভর কওে দ্বিতীয় দিনের চা-বিরতি পর্যন্ত ৫৭ ওভারে ৩ উইকেটে ২০৫ রান করেছে বাংলাদেশ। ৭ উইকেট হাতে নিয়ে এখনও ২২ রানে পিছিয়ে টাইগাররা।

প্রথম দিন নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৯ উইকেটে ২২৭ রান করেছিল জিম্বাবুয়ে। দ্বিতীয় দিনের প্রথম বলে বাকী ১ উইকেট হারিয়ে ২২৭ রানেই গুটিয়ে যায় সফরকারীরা।

বাংলাদেশের স্পিনার তাইজুল ইসলাম ২৭ দশমিক ১ ওভার বোলিং করে ৬০ রানে ৬ উইকেট নেন।

জবাবে দুই ওপেনার সাদমান ও এনামুল হকের দৃঢ়তায় ১১৮ রানের সূচনা পায় বাংলাদেশ। এনামুল হক ৩৯ রানে আউট হলেও টেস্ট ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি তুলে নেন সাদমান।

১৬টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৮১ বলে ১২০ রান করে চা-বিরতির আগে আউট হন সাদমান। উইকেটে সেট হয়ে ৩৩ রানে থামেন মোমিনুল।

অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত ২ ও মুশফিকুর রহিম ৯ রানে অপরাজিত আছেন।

জিম্বাবুয়ের ব্লেসিং মুজারাবানি, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা ও ব্রায়ান বেনেট ১টি করে উইকেট নেন।

প্রথমবার বাবা হচ্ছেন নাগা

দক্ষিণী সিনেমার তুমুল জনপ্রিয় নায়ক নাগা চৈতন্য। বলিউডের আরেক জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথের সঙ্গে সংসার চলাকালীন সময়ে অভিনেত্রী শোভিতা ধুলিপালার সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে যান নাগা। ফলশ্রুতিতে বিচ্ছেদে পরিণত হয় নাগা-সামান্থার দাম্পত্য জীবন। এরপর গত বছর ডিসেম্বরে নাগা চৈতন্যর সঙ্গেই সাতপাঁকে বাঁধা পড়েছেন শোভিতা ধুলিপালা। মাঝেমধ্যেই সুখের ঘরকন্নার ঝলক দেখিয়ে তারকাদম্পতি চর্চার শিরোনামে বিরাজ করেন। নাগা-সামান্থার এক দশকের সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ায় শোভিতাকেও কম কটাক্ষের শিকার হতে হয়নি। এবার গুঞ্জন, নাগা-শোভিতা নাকি জীবনের নতুন ইনিংস শুরু করতে চলেছেন মা-বাবা হিসেবে।

গত ১ মে মুম্বাইয়ে আয়োজিত ওয়েভস সামিটে শামিল হয়েছিলেন নাগা চৈতন্য এবং শোভিতা ধুলিপালা। আর সেখান থেকেই অভিনেত্রীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার জল্পনার সূত্রপাত। অনুষ্ঠানে শোভিতা ঢিলেঢালা পোশাক পরেছিলেন। আর সেটা দেখেই একাংশের অনুমান, তিনি নাকি মা হতে চলেছেন। শুধু তাই নয়, শোভিতার ছবিভিডিও দেখেও দর্শক-অনুরাগীদের একাংশের দাবি, বর্তমানে বেশিরভাগ সময়েই ঢিলে পোশাক পরেন তিনি।

বিগত কয়েক সপ্তাহ ধরেই গুঞ্জন, মা-বাবা হতে চলেছেন শোভিতা-নাগা। এমন আবহেই ওয়েভস সামিটে অভিনেত্রীকে দেখে সেই জল্পনাযজ্ঞে ঘ়ৃতাহূতি পড়ে। বেবিবাম্প ঢাকতেই নাকি ভারী শাড়ির আঁচলের আশ্রয় নিয়েছিলেন তিনি। যদিও, দম্পতি নিজে থেকে কোনো বিবৃতি দেননি। তবে খুব শিগগিরিই বাবা-মা হওয়ার সুখবর শোনাতে চলেছেন নাগা চৈতন্য এবং শোভিতা ধুলিপালা। এদিকে ঘনিষ্ঠ সূত্র এমন জল্পনা উড়িয়ে জানিয়েছে, এ রকম কোনো সুখবর আপাতত নেই। শুধুমাত্র স্টাইলিংয়ের জন্যই ঢিলেঢালা পোশাক পরেন শোভিতা।

দীর্ঘদিনের প্রেমিকা দক্ষিণী অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভুর সঙ্গে বিয়ে করেও সংসার সুখের হয়নি নাগার। তাকে ভালোবেসেই বিয়ে করেছিলেন দক্ষিণী তারকা নাগা চৈতন্য। তবে সে সম্পর্ক বেশিদিন টেকেনি। সামান্থার সঙ্গে ঘর করাকালীনই খবরে আসে অভিনেত্রী শোভিতা ধুলিপালার সঙ্গে নাকি প্রেমের সম্পর্কে লিপ্ত নাগা। ২০২২ সালে শোভিতার সঙ্গে সাক্ষাৎ হয় নাগার। সেই সময়ে হায়দরাবাদে ‘মাঙ্কিম্যান’ সিনেমার প্রচারে ব্যস্ত ছিলেন অভিনেত্রী। নাগা চৈতন্যর সঙ্গে জন্মদিন উদযাপন করতেও দেখা যায় তাকে। সেই পার্টিতেই নাকি একে-অপরকে মন দিয়ে বসেছিলেন নাগা চৈতন্য এবং শোভিতা ধুলিপালা। তার পর আক্কিনেনি পরিবারের সম্মতিতে এক হয় চার হাত।

আবারও চর্চায় মিথিলা

বাংলাদেশের এক সময়ের আলোচিত কণ্ঠশিল্পী ও সঞ্চালক রাফিয়াথ রশিদ মিথিলা এখন পুরোদস্তুর সিনেমার অভিনেত্রী। বিশেষ করে টালিউডের খ্যাতিমান নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার পর থেকেই সেখানকার ওয়েব সিরিজ এবং সিনেমায় অভিনয় করে সুনাম অর্জন করেন। তার সেই সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে ঢাকাই সিনেমায়ও। বলা চলে, বর্তমানে দুই ইন্ডাস্ট্রিতে ছুটিয়ে কাজ করছেন তিনি। গত রোজার ঈদে ‘মাইশেলফ অ্যালেন স্বপন’ সিরিজটির দ্বিতীয় মৌসুমেও দেখা গেছে তাকে। এ ওয়েব কনটেন্টটিতে তার অভিনয় দর্শকের মন কেড়েছে।

এদিকে মিথিলার ব্যক্তিজীবন নিয়েও আলোচনার কমতি নেই। বর্তমান স্বামী ওপার বাংলার পরিচালক সৃজিতের সঙ্গে নাকি ভালো নেই তিনি। সে কারণে নাকি দেশের মেয়ে দেশেই থাকছেন, এমনই গুঞ্জন। অবশ্য, ঢাকায় মিথিলার ব্যস্ততা কমও নয়। সদ্যই একটি রিয়েলিটি শো-এর বিচারকের দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি। এ ছাড়াও সক্রিয় আছেন শিক্ষকতা ও গবেষণাতেও। ব্যক্তিজীবনে একমাত্র মেয়ে আয়রাকেও দেখাশোনা করতেও ব্যস্ত তিনি।

অভিনয় ছাড়াও মডেলিং-এও ব্যস্ততা মিথিলার। এরই মধ্যে নতুন এক লুকে দেখা মিলল মিথিলাকে। সম্প্রতি একটি ফটোসেশনে তাকে দেখা মিলল ‘দ্রৌপদীর শাড়ি’র থিমে। বলে রাখা ভালো, মহাভারতের কাহিনির প্রেক্ষাপটে কবি বুদ্ধদেব বসু লিখেছিলেন ‘দ্রৌপদীর শাড়ি’। রাজসভায় সকলের সামনে দ্রৌপদী নামে এক নারীর বস্ত্রহরণের চেষ্টা করেন এক রাজা। সে সময় ঐশ্বরিক ক্ষমতায় দ্রৌপদীর সম্মান রক্ষার্থে শত শত বস্ত্র আবির্ভূত হয়। সে বস্ত্র ছিল মূলত শাড়ি। মহাভারত ও বুদ্ধদেবের সেই কবিতার দ্রৌপদী হয়েই এবার নিজেকে ধরা দিলেন মিথিলা। বলা বাহুল্য, মিথিলার এই লুকে ফুটে ওঠে পুরো একটা ট্র্যাডিশনাল ভাইব।

সামাজিক মাধ্যমে মিথিলার এই নতুন ফটোশুটও ভাইরাল। কমলা রঙের সুতি শাড়ি, লাইট মেকআপ, হাতে বালা-পলায় যেন সেই কাল্পনিক দ্রৌপদী হয়েই উঠলেন মিথিলা। এছাড়াও খোলা আঁচল, স্লিভলেস ব্লাউজে মোহনীয় লুকে ভক্তদের মাঝে রীতিমতো ঝড়- মুগ্ধতা তোলেন তিনি। বলতেই হয়, তার চিরচেনা আনমোনা চাহনিতে পুরুষের হৃদয়ে ধড়ফড়ানি হওয়ারও উপক্রম।

মিথিলার এই ছবি প্রকাশ করার সময় এক নেটিজেন বুদ্ধদেবের ‘দ্রৌপদীর শাড়ি’ কবিতার পঙ্কতিও তুলে দেন খানিকটা। যেমন- ‘রোদ্দুরের আঙুলে আঁকা মেঘের চেরা, হঠাৎ খুলে দিলো স্মৃতির অন্তহীন ফিতে; এমনি এক মেঘলা দিন, সীমান্তের শাসনহীন।’ তবে খোলামেলা শাড়িতে মিথিলার আবর্তন নতুন কিছু না। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। নেটিজেনরা তার রূপের প্রশংসায় মাতলেও অনেকে ঈষৎ সমালোচনাও করেছেন।

পোপের পোশাকে নিজের ছবি দিলেন ট্রাম্প

রোমান ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের ধর্মীয় গুরু পোপ হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশের কয়েকদিন পর, পোপের পোশাক পরিহিত একটি ছবি শেয়ার করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।

যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি ছবিটি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

গতকাল শনিবার মাকিন সংবাদমাধ্যম ‘ওয়াশিংটন টাইমস’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভাইরাল হওয়া ছবিটি পরে হোয়াইট হাউসের এক্স অ্যাকাউন্টেও শেয়ার করা হয়েছে।

পোপের বেশে প্রকাশ করা ছবিটিতে দেখা যায়, পোপের পোশাকে গম্ভীর মুখে চেয়ারে বসে আছেন ট্রাম্প। উঁচিয়ে আছেন ডান হাতের তর্জনী।

ট্রাম্পের এই ছবিটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চটেছেন অনেকে। অনেকে ট্রাম্পকে পোপ ফ্রান্সিসের মৃত্যু নিয়ে উপহাস করার অভিযোগ করেছেন।

গত ২১ এপ্রিল ৮৮ বছর বয়সে মারা যান পোপ ফ্রান্সিস। এরপর গত ২৬ এপ্রিল সেন্ট পিটার্স স্কয়ারে অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার পর তাকে রোমের ব্যাসিলিকা ডি সান্তা মারিয়া ম্যাগিওরে সমাহিত করা হয়। পোপের অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পও।

ভ্যাটিকানে কার্ডিনালরা সমবেত হয়ে নির্ধারণ কররেন ক্যাথলিক চার্চের ২৬৭তম ধর্মগুরু। এক প্রতিবেদন মতে, ২৯ এপ্রিল ট্রাম্পকে প্রশ্ন করা হয়, পরবর্তী পোপ হিসেবে তিনি কাকে দেখতে চান? এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্পের মজার উত্তর, আমি নিজেই পরবর্তী পোপ হতে চাই। এটা এখন আমার এক নম্বর পছন্দ।

রসিকতা করার পরপরই অবশ্য কে আসলে এই দায়িত্ব পেতে পারেন, সে বিষয়ে নিজের মতামত জানান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। পোপ ফ্রান্সিসের উত্তরসূরি কে হওয়া উচিত, এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমার কোনো পছন্দ নেই। তবে আমাকে বলতেই হচ্ছে, আমাদের একজন কার্ডিনাল আছেন যিনি নিউইয়র্কের একটি এলাকা থেকে এসেছেন। তিনি খুবই ভালো। দেখা যাক কী হয়।’