Home Blog Page 434

গরমে তালের শাঁসের যত উপকারিতা

গরমে মানুষ শীতল এবং সতেজ থাকার জন্য প্রাকৃতিক উপায় খোঁজে। তালের শাঁস কেবল সতেজই করে না সেইসঙ্গে আরও অনেক উপকারিতা নিয়ে আসে। মূলত তাল কাঁচা অবস্থায় এর ভেতরে যে বীজ থাকে সেই নরম শাঁসই হলো তালশাঁস।

তালশাঁস যে কারণে উপকারী: তালশাঁস হলো পানি, ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থের একটি প্রাকৃতিক উৎস। এটি শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে, যা গ্রীষ্মকালে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই ফলে ক্যালোরি কম থাকে এবং কোনো চর্বি থাকে না, যা শিশু এবং বয়স্কদের সহ সবার জন্য এটিকে একটি স্বাস্থ্যকর খাবার।

তালশাঁস পটাসিয়াম, আয়রন এবং ভিটামিন এ এবং সি সমৃদ্ধ। পটাসিয়াম শরীরে তরল ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে এবং পেশীগুলোকে ভালভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। আয়রন রক্তের সুস্থতা বজায় রাখে। ভিটামিন এ এবং সি ত্বককে উজ্জ্বল করতে ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। ফলটি পেটের জন্যও কোমল। এটি হজমে সাহায্য করে এবং অ্যাসিডিটি বা কোষ্ঠকাঠিন্যের মতো সমস্যা প্রতিরোধ করে।

প্রাকৃতিক হাইড্রেশন: তালশাঁসের সবচেয়ে ভালো দিকগুলোর মধ্যে একটি হলো এর উচ্চ জলীয় উপাদান। প্রতিটি কামড় প্রাকৃতিক, মিষ্টি রসে পরিপূর্ণ যা ঘামের মাধ্যমে নষ্ট হওয়া তরলের ঘাটতি পূরণে সাহায্য করে। যারা বাইরে বেশি সময় কাটান, খেলাধুলা করেন অথবা তাপ থেকে দ্রুত মুক্তি চান তাদের জন্য এটি বেশ কার্যকরী।

তালশাঁস খাওয়া সহজ। বাইরের পাতলা খোসা ছাড়িয়ে নিন এবং ভেতরে নরম, জেলির মতো ফল উপভোগ করুন। এটি এমনিতেই খেতে সুস্বাদু। আবার চাইলে ফলের সালাদে যোগ করতে পারেন অথবা ঠান্ডা খাবারের জন্য স্মুদিতে মিশিয়ে খেতে পারেন। এটি টাটকা এবং ঠান্ডা করে খাওয়া সবচেয়ে ভালো।

ত্বকের জন্য ভালো: তালশাঁস ত্বকের জন্যও ভালো। এর ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থ ত্বককে নরম এবং উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে। যেহেতু তালশাঁস হজম করা সহজ, তাই যাদের পেট সংবেদনশীল বা অসুস্থতা থেকে সেরে উঠছেন তাদের জন্যও এটি উপকারী। ফুড সায়েন্স অ্যান্ড নিউট্রিশন জার্নালে প্রকাশিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, তালশাঁসের মতো উচ্চ পানির উপাদানযুক্ত ফল ডিহাইড্রেশন এবং তাপ-সম্পর্কিত অসুস্থতা প্রতিরোধে কার্যকর। এই গবেষণায় সামগ্রিক স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য গ্রীষ্মকালে মৌসুমী, পানি-সমৃদ্ধ ফল খাওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে।

মানসিক সুস্থতার জন্য টিকটক নিয়ে এলো মেডিটেশন ফিচার

ডিজিটাল সুস্থতার প্রতি গুরুত্ব দিতে টিকটক চালু করেছে গাইডেড মেডিটেশন ফিচার। এই ফিচারটি ব্যবহারকারীদের ভালো ঘুম ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতিতে সহায়তা করবে। ফিচারটি ২.৩ মিলিয়ন ডলারের গ্লোবাল মেন্টাল হেলথ এডুকেশন ফান্ডের সঙ্গে চালু করা হয়েছে, যা টিকটকে একটি নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ গঠনের লক্ষ্যে কাজ করবে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই জানিয়েছে টিকটক।

টিকটকের নতুন মেডিটেশন ফিচারটি অ্যাপটির পূর্ববর্তী ‘স্লিপ আওয়ারস’ ফিচারের অংশ হিসেবে তৈরি করা হয়েছে। গবেষণায় দেখা গেছে, মেডিটেশন ঘুমের মান উন্নয়নে সাহায্য করে। এজন্য শুরু থেকেই টিকটক মেডিটেশন ফিচারটি সব বয়সী ব্যবহারকারীদের জন্য চালু করেছে।

১৮ বছরের নিচে বয়সীদের জন্য এই ফিচারটি ডিফল্টভাবে চালু থাকবে। রাত ১০টার পর, তাদের ‘ফর ইউ’ ফিডটি সাময়িকভাবে একটি গাইডেড মেডিটেশন প্রম্পটে প্রতিস্থাপিত হবে। যদি তারা ব্রাউজিং চালিয়ে যায়, একটি দ্বিতীয় স্ক্রীন দৃশ্যমান হবে। যা স্বাস্থ্যকর স্ক্রীন টাইম অভ্যাস গড়ে তুলতে সহায়তা করবে।

টিকটকের অভ্যন্তরীণ এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, ৯৮ শতাংশ কিশোর-কিশোরী এই মেডিটেশন ফিচারটি চালু রেখেছে। বিশেষজ্ঞরা প্রতিদিন কমপক্ষে ১০ মিনিট মেডিটেশন করার পরামর্শ দেন। যা মানসিক চাপ কমাতে ও মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে। জ্যামা ইন্টারনাল মেডিসিন এবং হার্ভার্ড হেলথের গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমানোর আগে ১০–১৫ মিনিট মেডিটেশন করলে ঘুমের মান উন্নত হয় এবং মানসিক ভারসাম্য বজায় থাকে।

বিশ্বব্যাপী মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষা আরও এগিয়ে নিতে, টিকটক ২২টি দেশের ৩১টি মানসিক স্বাস্থ্য সংগঠনকে ২.৩ মিলিয়ন ডলারের বিজ্ঞাপন ক্রেডিট প্রদান করার ঘোষণা দিয়েছে। এই উদ্যোগটি ২০২৫ সালের মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা তহবিলের অংশ। যা তাদের সহযোগীদের বিশ্বাসযোগ্য এবং আকর্ষণীয় কনটেন্ট তৈরি করতে সহায়তা করবে। যা টিকটক-নেতৃত্বাধীন প্রশিক্ষণ ও সহায়তার মাধ্যমে তাদের পৌঁছানোর পরিধি বৃদ্ধি করবে।

টিকটকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ট্রাস্ট এন্ড সেফটি লিড আসমা আনজুম বলেন, ‘বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান এবং নেপালের মতো দেশে, একসময় মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে কথা বলা ছিল ট্যাবু তবে এখন এটি মুক্তভাবে আলোচনা করা হচ্ছে। আমরা একটি ইতিবাচক সাংস্কৃতিক পরিবর্তন দেখছি। ইন-অ্যাপ টুলস ও পাবলিক অ্যাওয়ারনেস ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এই অগ্রগতিতে অবদান রাখছে।’

মেডিটেশন ফিচার এবং মানসিক স্বাস্থ্য শিক্ষা তহবিল টিকটকের ডিজিটাল সুস্থতা ও সামাজিক প্রভাবের বৃহত্তর প্রতিশ্রুতির অংশ। নতুন ফিচারটির মাধ্যমে টিকটক আবারও প্রতিশ্রুতি দিচ্ছে যে, এটি শুধু বিনোদন প্রদানকারী প্ল্যাটফর্মই নয়। বরং এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যা সমাজে অর্থপূর্ণ পরিবর্তন আনতে এবং সম্প্রদায়গুলিকে শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখছে।

মুসলিম উম্মাহর বিশ্ব সম্মেলন হজ

মুসলিম উম্মাহর বিশ্ব সম্মেলন হজহজ আদায় করা মুমিনদের জীবনের এক বড় সৌভাগ্য। আল্লাহ আল কোরআনে ইরশাদ করেন, ‘আর আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য মানুষের ওপর অবশ্য কর্তব্য হলো ওই পবিত্র ঘর বায়তুল্লাহর হজ করা। পবিত্র হজ ইসলামের একটি গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে ওমর (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘রসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন, ইসলাম ধর্ম পাঁচটি খুঁটির ওপর দাঁড়িয়ে আছে।

এগুলো হলো, আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই এবং হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর প্রিয় বান্দা ও রসুল এ সাক্ষ্য দেওয়া, সালাত কায়েম, জাকাত আদায়, হজ করা ও রমজানে সিয়াম পালন (বুখারি, মুসলিম)।’

হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রসুল (সা.) বলেন, ‘হে আমার উম্মত! আল্লাহ তোমাদের ওপর হজ ফরজ করেছেন। সুতরাং সামর্থ্য হলে তোমরা হজ আদায় কর (মুসলিম) হজ সবার ওপর ফরজ নয়।’ হজ মূলত মুসলমানদের বিশ্ব সম্মিলন।

হজ ফরজ হতে হলে এ শর্তগুলো থাকা জরুরি- ১. মুসলমান হওয়া। কোনো অমুসলিমের জন্য হজ আদায় করার অনুমতি নেই। আল্লাহ বলেন, ‘হে ইমানদারগণ! নিশ্চয়ই মুশরিকরা অপবিত্র। তারা যেন মসজিদে হারামের কাছেও না আসে (সুরা তাওবাহ, আয়াত ২৮)।’ ২. প্রাপ্তবয়স্ক ও সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন হওয়া।

অপ্রাপ্তবয়স্ক ও পাগলের ওপর হজ ফরজ নয়। রসুল (সা.) বলেছেন, ‘তিন ব্যক্তি থেকে আমলনামার কলম উঠিয়ে রাখা হয়েছে। তারা হলো- পাগল, যতক্ষণ না তার মস্তিষ্ক সুস্থ হয়। ঘুমন্ত ব্যক্তি, যতক্ষণ না সে জেগে ওঠে। শিশু, যতক্ষণ পর্যন্ত সে প্রাপ্তবয়স্ক না হয় (মুসতাদরাক)।’ আজাদ বা স্বাধীন হওয়া। দাস-দাসীর ওপর হজ ফরজ নয়।

হজ আদায় করার সামর্থ্য থাকা। এ সামর্থ্য তিন দিক থেকে থাকা শর্ত যথা- ক. দৈহিক সামর্থ্য। অর্থাৎ কাবা শরিফ পর্যন্ত সফর করার শারীরিক যোগ্যতা থাকা। শারীরিকভাবে অক্ষম, অন্ধ, খোঁড়া, পক্ষাঘাতগ্রস্ত, জরাজীর্ণ বৃদ্ধ স্বয়ং চলাফেরায় অক্ষম এরূপ লোকের ওপর হজ ফরজ নয়। এমন ব্যক্তির যদি আর্থিক সামর্থ্য থাকে তাহলে বদলি হজ করানো ওয়াজিব। খ. আর্থিক সামর্থ্য। অর্থাৎ পরিবারপরিজন, চাকরবাকরদের ভরণপোষণ নিশ্চিত করে কোনো ব্যক্তির কাছে হজে যাওয়া-আসা ও পাথেয় খরচ থাকলে তার ওপর হজ ফরজ হবে। গ. নিরাপত্তা। যাতায়াতের পথ নিরাপদ থাকা। ৫. রাষ্ট্রীয় নিষেধাজ্ঞা না থাকা। ৬. হজের সময় বা মৌসুম হওয়া। হজের মৌসুম বলতে শাওয়াল, জিলকদ ও জিলহজের প্রথম ১০ দিনকে বোঝায় অথবা এমন সময়কে বোঝায় যখন থেকে রাষ্ট্রে হজের যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

কোনো ব্যক্তির জীবনের কোনো একটি বছরে উপরিউক্ত শর্তগুলোর সমন্বয় ঘটলে তার ওপর হজ ফরজ হয়ে যায়। সে যদি ওই বছর হজ আদায় না করে এবং পরে যদি সামর্থ্য হারিয়েও ফেলে তবু সে হজ আদায়ের দায় থেকে মুক্ত হবে না। মহিলাদের হজ ফরজ হওয়ার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত আরও দুটি শর্ত রয়েছে। ১. মহিলাদের সঙ্গে স্বামী অথবা এমন কোনো মুহরিম পুরুষ থাকা। মুহরিম তারা যাদের সঙ্গে চিরস্থায়ীভাবে বিয়ে নিষিদ্ধ। কোনো নারী যদি মুহরিম সঙ্গী ছাড়া হজ করে তার হজ আদায় হবে, কিন্তু মুহরিম ছাড়া সফরের কারণে গুনাহ হবে। এ ক্ষেত্রে বদলি হজ করানোই উত্তম। ২. স্বামীর মৃত্যু বা তালাকের কারণে ইদ্দত পালনকালে নারীরা হজে গমন করবে না (ফাতহুল বারি)।

হজ কখন আদায় করতে হয় এ বিষয়ে আলেমদের মধ্যে দুটি মত আছে। একদল আলেম মনে করেন কোনো ব্যক্তি যখন হজ করার সামর্থ্য লাভ করে তখন ওই বছরই হজ আদায় করা কর্তব্য। অন্যথায় বিলম্বের কারণে গুনাহগার হবে। বিলম্ব করে পরবর্তী কোনো বছরে আদায় করলেও হজ হয়ে যাবে। কিন্তু অহেতুক বিলম্ব করা অনুচিত। কেননা হজ অনাদায়ী রেখে মৃত্যুবরণ করলে মারাত্মক গুনাহ হবে। হজ আদায়ের আগে অসুস্থ হয়ে পড়লে এবং সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা না থাকলে তার জীবদ্দশায়ই বদলি হজ করানো উচিত। আর এ সুযোগও না পেলে ওয়ারিশদের উচিত ওই ব্যক্তির বদলি হজ আদায় করে তাকে দায়মুক্ত করা।

কেননা হজ সামর্থ্যবান ব্যক্তির ওপর মহান আল্লাহর হক। আরেক দল আলেম বলেন, হজ ফরজ হওয়ার পর বিভিন্ন ব্যস্ততার কারণে বিলম্ব করলে দোষ নেই। কারণ হজ ফরজ হয়েছে ষষ্ঠ হিজরিতে, রসুল (সা.) হজ আদায় করেছেন দশম হিজরিতে। তাই দেরি করে হজ করলে তাতে অসুবিধা নেই। তবে সব আলেম একমত, হজ ফরজ হলে বিনা কারণে দেরি করা উচিত নয় (তাফসিরে ইবনে কাসির)। আল্লাহতায়ালা আমাদের হজ-ওমরাহ জিয়ারতে রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কবুল করুন। আমিন।

৮০০ গোল ছুঁয়ে রোনালদো বললেন ‘এই অধ্যায় শেষ’

বছর তিনেক আগে মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরবে আল নাসরের হয়ে খেলছেন পর্তুগিজ সুপারস্টার ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। সৌদি পেশাদার লিগ মৌসুম শেষ হওয়ার ঘণ্টাখানেকের মধ্যে পর্তুগিজ এই তারকা সামাজিক যোগাযাগ মাধ্যমে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘একটি অধ্যায় শেষ।’ সেটিই তীব্র কৌতূহলের জন্ম দিয়েছে।

সোমবার সৌদি প্রো লিগে আল ফাতেহর সঙ্গে আল-নাসরের ম্যাচ ছিল। ৩-২ গোলে হেরে গেছে রোনালদোর দল। যদিও এদিন আল-নাসরের হয়ে ৯৯তম গোল আর ক্লাব ক্যারিয়ারের ৮০০তম গোলের মাইলফলক ছুঁয়েছেন।

এরই মধ্যে রোনালদোর পোস্ট ঘিরে জল্পনা চলছে। এখনই ক্যারিয়ার যে থামছে না সে ইঙ্গিত আছে তার পোস্টে। ধারণা করা হচ্ছে, আল-নাসরের সাথে সম্পর্ক শেষের ইঙ্গিত দিয়েছেন সিআরসেভেন।

৪০ বছর বয়সী পর্তুগিজ এই সুপারস্টার ২০২২ সালে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড থেকে আল-নাসরে যোগ দিয়েছিলেন। এবারের গ্রীষ্মে সৌদি পেশাদার ক্লাবটির সঙ্গে তার চুক্তি শেষ হবে। ক্লাব বিশ্বকাপে অংশ নেয়া ৩২টি ক্লাবের জন্য এ বছর ফিফা আগামী ১-১০ জুন বিশেষ একটি ট্রান্সফার উইন্ডোর খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। আল-নাসর এবারের ক্লাব বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে না। সৌদি লিগ থেকে আল-হিলাল খেলবে যুক্তরাষ্ট্রের টুর্নামেন্টটিতে।

ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো গত সপ্তাহে বলেছেন আগমী ১৪ জুন থেকে যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হওয়া বর্ধিত কলেবরের এবারের টুর্নামেন্টে ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদ, জুভেন্টাস ও স্পোর্টিং লিসবনের সাবেক এই তারকা খেলোয়াড়ের খেলার ব্যপারে আলোচান চলছে।

গতকাল আল নাসর জার্সি পরিহিত অবস্থায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিজের একটি ছবি দিয়ে সেখানে রোনাল্ডো বলেছেন, ‘এখানকার অধ্যায় শেষ। গল্পটা? এখনো লেখা হচ্ছে। সবার কাছে কৃতজ্ঞ।’ যদিও বিষয়টিকে অনেকেই রহস্যময় বলে দাবি জানিয়েছেন।

গত মাসে এশিয়ান চ্যাম্পিয়ন্স লিগের সেমিফাইনালে জাপানের কাওয়াসাকি ফ্রন্টেলের কাছে হেরে বিদায় নিয়েছে আল-নাসর। সৌদি পেশাদার লিগে তৃতীয় স্থানে থেকে মৌসুম শেষ করেছে। লিগে সর্বোচ্চ ২৪ গোল করেছেন রোনালদো।

গত বছরই পাঁচবারের ব্যালন ডি’অর জয়ী রোনালদো বলেছিলেন তার আল-নাসর ক্যারিয়ার হয়তো শেষ হতে চলেছে। রোনালদোর চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসি ইন্টার মিয়ামির হয়ে ক্লাব বিশ্বকাপে খেলবেন। ইউটিউবার ও স্ট্রিমার আইশোস্পিডের সাথে সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে ইনফান্তিনো বলেছেন, ‘ক্লাব বিশ্বকাপে হয়তোবা রোনালদো একটি দলের হয়ে খেলতে পারেন। বেশ কিছু ক্লাবের সাথে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে। ক্লাব বিশ্বাকাপে রোনালদোকে যেকোনো একটি দল নিলে তা অবাক হওয়ার মত বিষয় হবে না, দেখা যাক কি হয়।’

বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করে অসম্মানিত হয়নি এমন একটা মানুষ দেখান

আসন্ন কোরবানির ঈদে মুক্তি প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘ইনসাফ’-এর পোস্টার ঝড় তোলে নেটদুনিয়ায়। মোশাররফ করিম, তাসনিয়া ফারিণ, শরিফুল রাজের লুক নজর কাড়ে সিনেমাপ্রেমীদের। একের পর এক ধামাকা দেখাচ্ছেন সিনেমার পরিচালক সঞ্জয় সমদ্দার। এবার পাকাশ্যে এসেছে ‘ইনসাফ’ সিনেমার ওয়ার্নিং।

সোমবার সন্ধ্যায় ‘ইনসাফ’-এর ট্রেলার মুক্তি দেওয়া হয়। যেখানে শুরুতেই দেখা যায় ক্ষতবিক্ষত মরদেহ একটি জলাধারের পাশে পড়ে আছে। এরপরই শুরু হয় ভায়োলেন্স আর অ্যাকশন দৃশ্য। একটু পরেই সামনে আসেন এ সিনেমার অন্যতম অভিনেতা শরিফুল রাজ। এক মিনিট বাইশ সেকন্ডের ওয়ার্নিং যেন সত্যিই ওয়ার্নিং দিয়ে গেল।

এদিকে ভিডিও থেকে একটি কণ্ঠ ভেসে আসছে যেখানে শোনা যাচ্ছে, ঢাকা শহরে এতো অপরাধ বেড়ে গেছে। সবাই ভাবছে এক সময়ের ত্রাস ইউসুফ হয়তো আবার ফিরে এসেছে। আজব ক্যারেক্টার। খুন করার পর নাকি সে দুধ দিয়ে গোসল করে। ইউসুফ কোনো সাধারণ মাস্তান না।

একের পর এক মারকাটারি দৃশ্যে ত্রাস তৈরি করেছেন শরিফুল রাজ! শুধুমাত্র একা নন পুরো দল নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় হামলা করছেন ইউসুফ। তার আতঙ্কে তটস্থ গোটা অঞ্চল। এরপরই শরিফুলকে বলতে শোনা যায়, বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করসে ভালো কাজ করছে কিন্তু অসম্মানিত হয় নাই এমন একটা মানুষ দেখান তো!

শরিফুলময় ‘ইনসাফ’-এর ওয়ার্নিংয়ে পুলিশের চরিত্রে দেখা গেছে তাসনিয়া ফারিণকে। এক মিনিট বাইশ সেকেন্ডের ভিডিওতে জায়গায় পেয়েছেন ঢালিউডের খলঅভিনেতা মিশা সওদাগর, অভিনেতা ফজলুর রহমান বাবু।

অ্যাকশানে ভরপুর ‘ইনসাফ’ সিনেমার প্রথম ঝলক দিলেন সঞ্জয় সমদ্দার। দর্শকদের জন্য শুধু মারকাটারি দৃশ্য দিয়েই খান্ত নন তিনি। রোমান্স দিয়েও সিনেমাপ্রেমীদের আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেছেন।

‘ইনসাফে’র ওয়ানিংয়ে হালকা সাদা-পাকা চুল, দাড়িতে এক ঝলক দেখা গেছে জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিমকে। তিনিও অ্যাকশন অবতারে নজর কেড়েছেন। চোখে কালো চশমা,হাতে অস্ত্র, পরেছেন সাদা পোশাক। এক ঝলকেই যেন মন ছুঁয়ে গেলেন তিনি।

দেশজুড়ে বড় আন্দোলনের প্রস্তুতির নির্দেশ ইমরান খানের

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও কারাবন্দি নেতা ইমরান খান দেশজুড়ে বড় ধরনের আন্দোলনের জন্য প্রস্তুতি নিতে তার দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) সর্বস্তরের নেতাকর্মীকে নির্দেশ দিয়েছেন। একই সঙ্গে, সরকারের সঙ্গে গোপনে লিয়াজোঁ রাখা পিটিআই নেতাদের প্রতি কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তিনি। মঙ্গলবার(২৭ মে) আদিয়ালা কারাগারে ইমরানের সঙ্গে সাক্ষাতের পর তার বোন ও মুখপাত্র আলিমা খান সাংবাদিকদের এই তথ্য জানান।

আলিমা খান বলেন, ইমরান খান স্পষ্টভাবে বলেছেন যে, “যারা উইকেটের দু’পাশেই খেলতে চায়, দলের মধ্যে তাদের জায়গা হবে না।” এই হুঁশিয়ারি এমন এক সময়ে এলো যখন দলীয় সূত্রে খবর, পিটিআইয়ের হাইকমান্ড সরকারের সঙ্গে সংলাপের মাধ্যমে ইমরান খানের কারামুক্তির চেষ্টা করছেন।

ইমরান খানের বার্তা অনুযায়ী, তিনি সরকারের সঙ্গে কোনো প্রকার আপসে যেতে ইচ্ছুক নন। তিনি বলেছেন, প্রয়োজনে সারাজীবন কারাগারে কাটাবেন, কিন্তু মাথা নত করবেন না। এই আপসহীন মনোভাব কর্মীদের আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্য আরও উৎসাহিত করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আলিমা খান অভিযোগ করেছেন, বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকার ইমরান খানের সঙ্গে চরম নিপীড়নমূলক আচরণ করছে। তিনি বলেন, কারাগারে একজন সাধারণ কয়েদিকে যেটুকু অধিকার দেওয়া হয়, ইমরানকে সেটুকুও দেওয়া হচ্ছে না। গত আট মাসে ইমরানকে মাত্র একবার তার সন্তানদের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলতে দেওয়া হয়েছে। এমনকি কারা কর্তৃপক্ষ এখন থেকে তার বোনদেরও কারাগারে দেখা করার অনুমতি বাতিল করেছে।

এদিকে জিও নিউজের খবরে বলা হয়েছে, ইমরান খান আন্দোলন ডাকার পরও পিটিআইয়ের হাইকমান্ড সরকারের সঙ্গে তার কারামুক্তির জন্য সংলাপের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু না হলেও, অনানুষ্ঠানিকভাবে কিছু আলাপ-আলোচনা হয়েছে এবং তাতে কিছু অগ্রগতিও দেখা গেছে। এই অনানুষ্ঠানিক আলোচনায় পিটিআইয়ের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দলের চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার গওহর খান।

ইসরায়েলকে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের হুমকি জার্মানির

গাজায় ইসরায়েলের বর্বর হামলার মুখে এবার দেশটিতে অস্ত্র সরবরাহ বন্ধের হুমকি দিয়েছে জার্মানি। জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ওয়াদেফুল স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, মানবিক আইন লঙ্ঘন করে ব্যবহৃত হতে পারে এমন কোনো অস্ত্র ইসরায়েলকে সরবরাহ করবে না বার্লিন। জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মের্ৎসও গাজার চলমান যুদ্ধ নিয়ে ইসরায়েলের তীব্র সমালোচনা করেছেন। এই পদক্ষেপকে ইসরায়েলের প্রতি জার্মানির ইতিহাসে সবচেয়ে কঠোর তিরস্কার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

২০২৩ সালে গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র এবং জার্মানি উভয়ই ইসরায়েলকে সমর্থন দিয়ে আসছিল। কিন্তু ইসরায়েলি বাহিনীর লাগামহীন হামলার পরিপ্রেক্ষিতে জার্মানি তাদের নীতিতে পরিবর্তন আনছে। এই ঘটনা ইউরোপীয় ইউনিয়নকেও তাদের ইসরায়েল নীতি পুনর্বিবেচনা করতে উৎসাহিত করেছে। ইতোমধ্যে যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স এবং কানাডাও গাজা ইস্যুতে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে বাস্তব পদক্ষেপ নেওয়ার হুমকি দিয়েছে।

সম্প্রচারমাধ্যম ডব্লিউডিআর-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ওয়াদেফুল সতর্ক করে বলেছেন, ইসরায়েলের প্রতি জার্মানির ঐতিহাসিক সমর্থনকে কোনোভাবেই লক্ষ্য অর্জনের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। এর আগে ফিনল্যান্ডে এক সংবাদ সম্মেলনে জার্মান চ্যান্সেলর মের্ৎসও গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলার সমালোচনা করেছিলেন।

ঐতিহাসিকভাবে জার্মানির নেতারা ইসরায়েলের জন্য একটি বিশেষ দায়িত্ব পালনের নীতি অনুসরণ করে থাকেন। সেই প্রেক্ষাপটে দেশটির চ্যান্সেলরের এই কড়া সুর তাৎপর্যপূর্ণ। এর মধ্য দিয়ে জার্মানির জনগণের মতামতেরও একটি বিরাট পরিবর্তনের প্রতিফলন ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ওয়াদেফুল বলেছেন, “আমরা এখন এমন একটি জায়গায় আছি, যেখানে আমাদেরকে খুব সতর্কতার সঙ্গে ভাবতে হচ্ছে যে, কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়। আমরা যেখানেই ক্ষতি হওয়ার বিপদ দেখব, সেখানেই হস্তক্ষেপ করব। আর আরও ক্ষতি যাতে না হয়, সেজন্য আমরা নিশ্চিতভাবেই অস্ত্র সরবরাহ বন্ধ রাখব।”

বিএনপি একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে চায় – আমিনুল হক

বিএনপি একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে চায় জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক। অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে বিএনপি সকলকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করবে বলেও জানান তিনি।

আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর পল্লবীর বাউনিয়াবাধে সার্বজনীন শ্রী শ্রী রাম মন্দির এর ভিত্তি প্রস্তর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এসময় আমিনুল হক বলেন, পতিত স্বৈরাচার গত ১৭ বছর অসাম্প্রদায়িকের নামে তারা সাম্প্রদায়িককে বেশি প্রাধান্য দিয়েছিল। তখন তারা হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপরে বিভিন্ন ভাবে অত্যাচার নির্যাতন নিপীড়ন চালিয়ে- পরে এটাকে বিএনপির নামের ওপরে চালিয়ে দিতো। পতিত স্বৈরাচার এটাই করেছিল গত ১৭ বছর।

বিএনপি একটি সুন্দর ও সমৃদ্ধশালী  বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা যারা মুসলমান রয়েছি, আপনারা যারা হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টানসহ বিভিন্ন ধর্মের ধর্মাবলম্বী  রয়েছেন। আপনাদের প্রত্যেককে সাথে নিয়ে আমরা একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়তে চাই। আমরা একটি স্বপ্নের বাংলাদেশ- মানবিক বাংলাদেশ- সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ এবং একটি সুন্দর সমাজ গড়তে চাই।

বিএনপির একজন প্রতিনিধি হিসেবে আমি আপনাদের পাশে থেকে কাজ করতে চাই উল্লেখ করে বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্রীড়া সম্পাদক আমিনুল হক বলেন, আমি আপনাদেরই সন্তান, আপনাদের ভাই- আপনাদের বন্ধু। আমি আপনাদের পল্লবী রূপনগরের ঢাকা-১৬ আসনের একজন প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে চাই। বিএনপির একজন প্রতিনিধি হিসেবে আপনাদেরকে সাথে নিয়ে কাজ করতে চাই।

তিনি আরও বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের দল বিএনপি। বিএনপি এদেশের সাধারণ মানুষের জন্য রাজনীতি করে। বিএনপি জনগণের দল, জনগণের সহযোগিতা নিয়েই কাজ করতে চায় বিএনপি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, সার্বজনীন শ্রী শ্রী রাম মন্দির নির্মাণ কমিটির সভাপতি রাইচরন রবিদাস, সাধারণ সম্পাদক রনীল চন্দ্র দাস, কোষাধ্যক্ষ সুজন রবিদাস, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহাবুব আলম মন্টু, স্বেচ্ছাসেবকদল ঢাকা মহানগর উত্তর এর সাবেক সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন, মহানগর উত্তর বিএনপি সদস্য সাজ্জাদ হোসেন মোল্লা, ছাত্রদল ঢাকা মহানগর পশ্চিম এর সাংগঠনিক সম্পাদক ইকবাল হোসেন সোহেল, পল্লবী থানা বিএনপি যুগ্ম আহ্বায়ক আশরাফ গাজী, আনিছুর রহমান, মোতালেব হোসেন হাওলাদার,  ৫ নং ওয়ার্ড বিএনপি সভাপতি বাদশা মিয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম চান, পল্লবী থানা ছাত্রদলের সভাপতি জুয়েল খন্দকার, ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ ইসলাম নীরব, সহসভাপতি মো. নাছির প্রমুখ।

কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলাম

দীর্ঘ কারাভোগের পর অবশেষে মুক্তি পেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এ টি এম আজহারুল ইসলাম। বুধবার (২৮ মে) সকাল ৯টা ৫ মিনিটে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল থেকে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। কেরানীগঞ্জ কারাগারের তত্ত্বাবধানে তিনি এ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

ঢাকা বিভাগের কারা উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন্স) মো. জাহাঙ্গীর কবির তার মুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, আজহারুল ইসলামের মুক্তির আগে তাকে খালাস দিয়ে আপিল বিভাগের রায়ের কপি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে (কেরানীগঞ্জ) এসে পৌঁছায়। সেখানে কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে কারা কর্তৃপক্ষ তার মুক্তির প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।

এর আগে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ টি এম আজহারুল ইসলামের আপিল মঞ্জুর করে খালাসের রায় দেন। এই রায়ে সর্বোচ্চ আদালত ২০১৪ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দেওয়া আজহারের মৃত্যুদণ্ডাদেশ বহাল রেখে আপিল বিভাগের দেওয়া আগের রায় বাতিল ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে অন্য কোনো মামলা না থাকলে তাকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়।

জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন ড. ইউনূস

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস চারদিনের সফরে জাপানের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ২টা ১০ মিনিটে তাকে বহনকারী ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে। এই সফরে জাপানে বাংলাদেশের ১ লাখ দক্ষ জনশক্তি পাঠানো, মাতাড়বাড়ি-মহেশখালী প্রকল্পসহ দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং ৭টি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের বিষয়গুলি গুরুত্ব পাবে।

এছাড়া এই সফরে ড. ইউনূস টোকিওতে অনুষ্ঠিত নিক্কেই ফোরামের ‘ফিউচার অব এশিয়া’ সম্মেলনে অংশ নেবেন। পাশাপাশি জাপানের প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার সঙ্গে তার দ্বিপক্ষীয় বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম জানিয়েছেন, এই সফরে বাংলাদেশের ১ লক্ষ দক্ষ জনশক্তিকে জাপানে পাঠানো এবং মাতাড়বাড়ি-মহেশখালীর প্রকল্পসহ দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি প্রাধান্য পাবে। এছাড়া, জাপানি প্রতিষ্ঠান জাইকার সাথেও প্রধান উপদেষ্টা বৈঠক করবেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, সফরে দুই দেশের মধ্যে ৭টি সমঝোতা স্মারক সই হতে পারে। ঢাকা-টোকিও সম্পর্কের অমীমাংসিত সব ইস্যুতে আলোচনা হবে, তবে সামরিক খাত অগ্রাধিকার পাবে না। জাপানের সাথে সরাসরি বিমান যোগাযোগ পুনরায় চালুর ব্যাপারেও কথা হবে, যা এয়ারক্রাফট সংকটে বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এছাড়া, জাপানের কাছ থেকে এক বিলিয়ন ডলার স্বল্প সুদে ঋণ সহায়তার প্রস্তাব করবেন প্রধান উপদেষ্টা।