Home Blog Page 442

চালের দাম নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে জাপানের কৃষিমন্ত্রীর পদত্যাগ

জাপানে চালের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধির মধ্যে বিতর্কিত মন্তব্য করে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়া দেশটির কৃষিমন্ত্রী তাকু ইটোকে অবশেষে পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছেন। স্থানীয় সময় সোমবার (১৯ মে) তিনি তার মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চাওয়ার দু’দিনের মাথায় এই পদক্ষেপ নিলেন।

 

 

এর আগে, গত রবিবার (১৮ মে) একটি রাজনৈতিক তহবিল সংগ্রহ অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী ইটোকে বলতে শোনা যায়, “আমাকে কখনো চাল কিনতে হয়নি, সমর্থকদের উপহারেই চালের সংস্থান হয়।” এই মন্তব্য দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

সমালোচকরা এই মন্তব্যকে চালের বর্তমান বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে ‘অসংবেদনশীল’ বলে আখ্যায়িত করেন। জুলাই মাসের জাতীয় নির্বাচনের আগে এমনিতেই দুর্বল অবস্থানে থাকা প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবার নেতৃত্বাধীন সংখ্যালঘু সরকারের জন্য এটি নতুন করে সমস্যা তৈরি করতে পারত।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের সাথে কথা বলার সময় ইটো বলেন, “চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় ভোক্তারা যখন কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছেন, তখন আমি একটি অত্যন্ত অসংগত মন্তব্য করেছি। তাই প্রধানমন্ত্রী শিগেরু ইশিবা আমার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন।”

তিনি আরও বলেন, “সরকার যখন চালের মূল্য নিয়ে চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছে, তখন আমার এই পদে থাকা সমীচীন নয় বলে আমি মনে করি।”

কৃষিমন্ত্রীর এই পদত্যাগ জাপানের রাজনৈতিক অস্থিরতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে, যেখানে প্রধানমন্ত্রী ইশিবার সরকার আগামী জাতীয় নির্বাচনের মুখোমুখি হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

 

 

উল্লেখ্য, জাপানে চালের মূল্যবৃদ্ধি বর্তমানে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক ও সামাজিক ইস্যু হিসেবে দেখা দিয়েছে, যা সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে প্রভাবিত করছে।

বুকার পুরস্কার পেলেন ভারতীয় লেখিকা বানু মুশতাক

বিশ্ব সাহিত্যের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ বুকার পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন ভারতীয় লেখিকা বানু মুশতাক। মঙ্গলবার (১৯ মে) ৭৭ বছর বয়সী এই প্রতিভাবান সাহিত্যিকের নাম বিজয়ী হিসেবে ঘোষণা করা হয়। তার কান্নাড়া ভাষার গল্পসংকলন ‘হার্ট ল্যাম্প’-এর জন্য তিনি এই বিশেষ সম্মাননা পেলেন। বইটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেছেন দিপা ভাস্তি।

বানু মুশতাকের পুরস্কারপ্রাপ্ত গ্রন্থ ‘হার্ট ল্যাম্প’ দক্ষিণ ভারতে বসবাসরত মুসলিম নারীদের প্রাত্যহিক জীবন নিয়ে রচিত ১২টি ছোট গল্পের সংকলন। এই বইয়ে নারীদের পারিবারিক জীবনের নানা চিত্র এবং তাদের নিরন্তর সংগ্রাম অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সাথে তুলে ধরা হয়েছে। সাহিত্য সমালোচকদের মতে, মুশতাকের লেখনী সমাজের প্রান্তিক অথচ গুরুত্বপূর্ণ এই অংশের জীবনকে আন্তর্জাতিক পাঠকের কাছে পৌঁছে দিয়েছে।

পেশাগত জীবনে বানু মুশতাক একাধারে একজন সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী এবং আইনজীবী। পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে নারী অধিকার নিয়ে কাজ করছেন। তার এই বহুমুখী অভিজ্ঞতা ও সমাজ সচেতনতা তার সাহিত্যকর্মেও গভীরভাবে প্রতিফলিত হয়েছে, যা তাকে বিশ্ব মঞ্চে এই অনন্য স্বীকৃতি এনে দিয়েছে। বুকার পুরস্কার জয়ের মাধ্যমে তিনি শুধু ভারতীয় সাহিত্যকেই নয়, বিশ্বজুড়ে নারী লেখকদেরও অনুপ্রাণিত করলেন।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার থেকে দুই উপদেষ্টার পদত্যাগের আহ্বান ইশরাকের

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও মাহফুজ আলমকে অবিলম্বে সব দায়িত্ব থেকে পদত্যাগের আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেন। বুধবার(২১ মে) সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি এই আহ্বান জানান।

ইশরাক হোসেন তাঁর পোস্টে লিখেছেন, “গণতান্ত্রিক ভাষায়, রাজনৈতিক শিষ্টাচার মেনে যৌক্তিক কারণে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ ও উপদেষ্টা মাহফুজ আলমকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সব দায়িত্ব থেকে পদত্যাগের আহ্বান জানাচ্ছি। যেহেতু এটা প্রতীয়মান যে আপনারা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত আছেন, হয়তো আগামীতে সরাসরি যুক্ত হবেন। এটাও অনেকটা স্পষ্ট, আপনারা নির্বাচন করবেন। তাহলে আপনাদের পদত্যাগের দাবি কি অযৌক্তিক? নাকি এটাই সঠিক পদক্ষেপ হবে এবং আপনাদের নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের অবসান ঘটবে।”

ইশরাক উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামের উদাহরণ টেনে বলেন, “আপনাদেরই নাহিদ ইসলাম যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করে গেছেন সেটাই অনুসরণ করুন। উনি চাইলে হয়তো আরও কিছুদিন মন্ত্রিত্ব করে তারপর এনসিপি তে যেতে পারতেন। একটা সময় ছিল সার্জিস আলম, হাসনাত আবদুল্লাহরা জোরালোভাবে দাবি করলে ওনারাও হয়তো মন্ত্রিত্ব নিতে পারতেন। কিন্তু তারা রাজনীতি করবেন বলে সেই কর্মপন্থা বেছে নিয়েছেন। হয়তো একদিন জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে সরকার গঠন করলে পূর্ণাঙ্গভাবে মন্ত্রীর দায়িত্ব, ক্ষমতা ও সম্মান আবার পাবেন।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, এই দুই উপদেষ্টার পদত্যাগ বর্তমান সরকারের নিরপেক্ষতার ইমেজকে আরও বৃদ্ধি করবে। ইশরাক মনে করেন, সরাসরি রাজনীতিতে যোগ দিয়ে দলীয় ও সাংগঠনিক কাজ করে অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পারলে তারা দেশ ও জনগণকে আরও ভালো কিছু দিতে পারবেন। অন্যথায় ক্ষমতা ধরে রাখলে দলীয় লোকজনকে বিশেষ সুবিধা দিতেই হবে, যা থেকে শতভাগ নিরপেক্ষ থাকা সম্ভব নয়।

ধানমন্ডির ঘটনায় হান্নান মাসউদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ

রাজধানীর ধানমন্ডি থানার একটি ঘটনায় আটককৃত  বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিনজনকে মুচলেকা দিয়ে ছাড়িয়ে আনার অভিযোগে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান মাসউদকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে তার দল। আগামী তিন কার্যদিবসের মধ্যে তাকে এ বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে। বুধবার (২১ মে) সকালে এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাত স্বাক্ষরিত এ নোটিশ হান্নান মাসউদের কাছে পাঠানো হয়।

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার (২০ মে) ধানমন্ডিতে হাক্কানী পাবলিশার্সের মালিকের বাসায় ঢোকার চেষ্টাকালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তিন কর্মীকে আটক করে পুলিশ। পরে আব্দুল হান্নান মাসউদের জিম্মায় মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনা বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন তোলে এবং সমালোচনার জন্ম দেয়।

নোটিশে বলা হয়েছে, “গতকাল মঙ্গলবার ধানমন্ডি থানার আওতাভুক্ত একটি আবাসিক এলাকায় ‘সমন্বয়ক’ পরিচয়ে বিশৃঙ্খলা করার অভিযোগে তিনজন ব্যক্তিকে আটক করে ধানমন্ডি থানা পুলিশ।” এতে আরও উল্লেখ করা হয়, “বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, কেন্দ্রীয় কমিটি কর্তৃক উক্ত তিনজনের অন্যতম বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, মোহাম্মদপুর থানার আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম রাব্বিকে নৈতিকতা স্খলনজনিত কারণে অব্যাহতি প্রদান করা হয়।”

এরকম পরিস্থিতিতেও আব্দুল হান্নান মাসউদ সংশ্লিষ্ট থানায় উপস্থিত হয়ে আটক তিনজনের মুচলেকা প্রদান করে তাদের জামিন করিয়েছেন বলে নোটিশে অভিযোগ করা হয়।

নোটিশে আব্দুল হান্নান মাসউদকে উদ্দেশ করে বলা হয়েছে, “এ ঘটনার প্রেক্ষিতে আপনার ব্যাখ্যা এবং আপনার বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না তার লিখিত বিবরণ আগামী তিন দিনের মধ্য শৃঙ্খলা কমিটির প্রধানের নিকট উপস্থাপন করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হলো।”

প্রসঙ্গত, গত সোমবার (১৯ মে) রাতে ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের দোসর আখ্যা দিয়ে হাক্কানী পাবলিশার্সের চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফাকে গ্রেপ্তারে চাপ ও পুলিশের সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন ওই তিনজন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, একজন তরুণ ধানমন্ডি থানার ওসিকে উদ্দেশ করে বলছেন— “আপনি কেন এইখানে কথা বলতেছেন এইভাবে। আপনি ওসি আপনি গ্রেপ্তার করলেন না কেন। আমি বলছি, আমি বলছি… আপনি গ্রেপ্তার করেন।”

এরপরই ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের নির্দেশে তিনজনকে হেফাজতে নেয় ধানমন্ডি থানা পুলিশ। সেই তিন ব্যক্তিকেই পরবর্তীতে আব্দুল হান্নান মাসউদ মুচলেকা দিয়ে ছাড়িয়ে আনেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে পাঠানো হলো আরও ৭ জুলাই যোদ্ধাকে

উন্নত চিকিৎসার জন্য আরও সাত ‘জুলাই যোদ্ধা’কে থাইল্যান্ডে পাঠানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২০ মে) বাংলাদেশ বিমানের একটি ফ্লাইটে তাদের থাইল্যান্ডের স্থানীয় একটি হাসপাতালে পাঠানো হয়। এর মধ্য দিয়ে বিদেশে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো ‘জুলাই যোদ্ধা’দের মোট সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭ জনে।

স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগমের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা ডা. মাহমুদুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টায় অ্যাম্বুলেন্সে করে আহতদের বিমানবন্দরে নেওয়া হয়। অনেকেই উন্নত চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরে এসেছেন বলেও তিনি জানান। আরও ২০ জনেরও বেশি আহত যোদ্ধাকে দেশের বাইরে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে।

ডা. মাহমুদুল হাসান জানান, গতকাল থাইল্যান্ডে পাঠানো সাতজনের মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন ছিলেন একজন, বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস থেকে তিনজন এবং সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল (সিএমএইচ) থেকে দুজন।

তিনি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন, সিএমএইচে চিকিৎসাধীন আশরাফুলের শরীরের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত সম্পূর্ণ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে গেছে। গত ৫ আগস্ট আন্দোলনের সময় তিনি যাত্রাবাড়ী এলাকায় ছিলেন। এছাড়া, নিউরোসায়েন্সেসে চিকিৎসাধীন এক তরুণের বাম পা অবশ হয়ে গেছে। বাকি সবাই স্নায়ুজনিত কারণে স্বাভাবিক চলাচলের সক্ষমতা হারিয়েছেন বলে জানানো হয়েছে।

এর আগে, খোকন চন্দ্র বর্মণ নামে এক ‘জুলাই যোদ্ধা’ মুখের সার্জারির প্রথম ধাপ শেষ করে গত ৭ মে রাশিয়া থেকে দেশে ফিরে এসেছেন।

ছুটিতে যাচ্ছেন পররাষ্ট্রসচিব জসীম, দায়িত্ব পালন করবেন নজরুল

পররাষ্ট্রসচিব মো. জসীম উদ্দিন ছুটিতে যাচ্ছেন, যা সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। তার অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্রসচিব হিসেবে দায়িত্ব নেবেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সচিব (পূর্ব) মো. নজরুল ইসলাম। মঙ্গলবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এই আকস্মিক ছুটি এবং পরবর্তী সম্ভাব্য পদায়ন কূটনৈতিক মহলে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, পররাষ্ট্রসচিব জসীম উদ্দিন দীর্ঘ কয়েক মাস ছুটিতে থাকবেন। একই সঙ্গে তাকে পররাষ্ট্রসচিবের পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। ছুটি শেষে তিনি উত্তর আমেরিকা মহাদেশের কোনো একটি দেশে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত হিসেবে নতুন দায়িত্বে যোগ দিতে পারেন বলে আভাস পাওয়া গেছে।

উল্লেখ্য, এটি অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্রসচিব পদে দ্বিতীয়বারের মতো পরিবর্তন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে বিসিএস (পররাষ্ট্র ক্যাডার) ১৩তম ব্যাচের কর্মকর্তা জসীম উদ্দিন পররাষ্ট্রসচিবের গুরুত্বপূর্ণ পদে এসেছিলেন। ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে তার অবসরোত্তর ছুটিতে (পিআরএল) যাওয়ার কথা থাকলেও, নির্ধারিত সময়ের আগেই এই পরিবর্তন সরকারের উচ্চপর্যায়ের কোনো বার্তা বহন করছে কিনা, তা নিয়ে চলছে নানা জল্পনা।

চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া কাশিমপুর কারাগারে

আলোচিত চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়াকে গাজীপুরের কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে আনা হয়েছে। গতকাল আড়াইটার দিকে তাঁকে পুলিশ প্রহরায় কারাগারে নিয়ে আসা হয় বলে জানিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ। এর আগে হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তারের পর আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে ভাটারা থানায় দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়াকে সোমবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতে নেওয়া হলে বিচারক তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। এর আগে সকালে নুসরাত ফারিয়াকে আদালতে হাজির করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

গত রোববার নুসরাত ফারিয়াকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। থাইল্যান্ড যাওয়ার সময় বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। নুসরাত ফারিয়ার বিরুদ্ধে ভাটারা থানায় করা একটি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় ওই মামলায় তাঁকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে আসামি করা হয়।

জামিন পেলেন অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে রাজধানীর ভাটারা থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়ার জামিন দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত বিশেষ সাবমিশন শেষে নুসরাত ফারিয়াকে জামিন দেন।

নুসরাত ফারিয়ার আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ ইফতেখার হোসেন এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, বিজ্ঞ চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-১ আমাদের সাবমিশনে সন্তুষ্ট হয়ে অবশেষে চলচ্চিত্র নায়িকা নুসরাত ফারিয়ার জামিন মঞ্জুর করেছেন।

ভারতীয় বিভিন্ন সংস্থার বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিষেধাজ্ঞা

অবৈধ অভিবাসনে জড়িত থাকার অভিযোগে ভারতের একাধিক ভ্রমণ সংস্থার মালিক, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের ওপর ভিসা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। সোমবার (১৯ মে) মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারতে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলোতে কনস্যুলার অ্যাফেয়ার্স এবং ডিপ্লোম্যাটিক সিকিউরিটি সার্ভিস নিয়মিতভাবে অবৈধ অভিবাসন এবং মানবপাচারের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার জন্য কাজ করছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর আরও জানিয়েছে, এই ধরনের মানবপাচার চক্রকে নির্মূল করার জন্য ভবিষ্যতে ওয়াশিংটন ভিসা নিষেধাজ্ঞা জারি রাখবে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন নীতি কেবল বিদেশিদের অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের ঝুঁকি সম্পর্কে সচেতন করাই নয়, বরং যারা এই আইন লঙ্ঘন করে তাদের জবাবদিহির আওতায় আনতেও কাজ করে। এর মধ্যে অবৈধ অভিবাসনে সহায়তাকারী ব্যক্তিরাও অন্তর্ভুক্ত।

মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর জোর দিয়ে বলেছে, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং মার্কিন নাগরিকদের সুরক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন আইন ও নীতির প্রয়োগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

পুরো পাকিস্তান ভারতের নিশানায়

ভারতের সেনাবাহিনীর আকাশ প্রতিরক্ষা শাখার মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুমের আইভান ডি’কুনহা দাবি করেছেন, পাকিস্তানের পুরো ভূখণ্ড ভারতের হামলার সীমার মধ্যে রয়েছে।

পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাতের প্রেক্ষাপটে তিনি ভারতের সামরিক সক্ষমতা নিয়ে এমন মন্তব্য করেন। ভারতীয় বার্তাসংস্থা এএনআইয়ের বরাত দিয়ে মঙ্গলবার (২০ মে) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

সোমবার এএনআইকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে লেফটেন্যান্ট জেনারেল ডি’কুনহা দাবি করেন, “পাকিস্তানের পুরো ভূখণ্ডই আমাদের হামলার আওতায়। ওরা যদি পাকিস্তান সেনাবাহিনীর জেনারেল হেডকোয়ার্টার (জিএইচকিউ) রাওয়ালপিন্ডি থেকে খাইবার পাখতুনখাওয়া-তে সরিয়েও নেয়, তাহলেও ওদের অতল গহ্বরে আশ্রয় নিতে হবে।”

জেনারেল ডি’কুনহা বলেন, “ভারতের হাতে যথেষ্ট পরিমাণ অস্ত্র ও প্রযুক্তি রয়েছে, যার মাধ্যমে পাকিস্তানের সবচেয়ে গভীর প্রান্তেও আঘাত হানা সম্ভব। সীমান্ত হোক বা দেশের (ভারতের) অভ্যন্তর থেকে ভারত যেকোনও জায়গা থেকে হামলা চালাতে প্রস্তুত।”

ডি’কুনহা দাবি করেন, “আমাদের প্রধান কাজ হলো দেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণকে রক্ষা করা। শত্রুপক্ষ যেসব হামলা চালাতে চেয়েছিল জনবসতিপূর্ণ অঞ্চল বা সেনানিবাসের ওপর-সেগুলোর বিরুদ্ধে সফল প্রতিরোধ গড়ে তোলা আমাদের বড় অর্জন।”