Home Blog Page 447

সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন প্রধান উপদেষ্টা

স্বাধীনতা দিবস ও পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

সন্ধ্যা ৭টায় বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে তার ভাষণ সরাসরি সম্প্রচার করা হবে বলে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে জানানো হয়েছে।

গণআন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতন ঘটার তিন দিনের মাথায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেন অধ্যাপক ইউনূস।

এরপর বেশ কয়েকবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দিতে দেখা গেছে তাকে।

সূত্র : বিবিসি

শৈলশহরে হামজা-সুনীল টক্করের ম্যাচ ঘিরে আকর্ষণ তুঙ্গে

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ম্যাচ ঘিরে মাতামাতি, উত্তেজনা ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দু’দেশের সমর্থকদের তর্কবিতর্ক বহুদিন হলো একটা আলাদা উচ্চতায় পৌঁছে গেছে। ফুটবল এত দিন তার ধারেকাছেও ছিল না, কিন্তু মঙ্গলবার (২৫ মার্চ) সন্ধ্যায় ভারতের মেঘালয়ের রাজধানী, শৈলশহর শিলংয়ে দু’দেশের ফুটবল প্রতিদ্বন্দ্বিতাতেও নতুন একটা ধারা যে তৈরি হতে যাচ্ছে তাতে কোনো সন্দেহ নেই!

এদিন স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় এএফসি এশিয়ান কাপ কোয়ালিফায়ার পর্বের ম্যাচে মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দল, যে ম্যাচটিকে ঘিরে উন্মাদনার পারদ দু’দেশেই ঊর্ধ্বমুখী।

এমনিতে ফিফার আন্তর্জাতিক র‍্যাঙ্কিংয়ে দু’টি দলই ‘লাস্ট বেঞ্চের ছাত্র’। ২১০টি দেশের মধ্যে ভারতের বর্তমান র‍্যাঙ্কিং ১২৬, আর বাংলাদেশের ১৮৫।

কাজেই বিশ্ব ফুটবলে নিচের সারির দু’টি জাতীয় দলের ম্যাচকে ঘিরে আপাতদৃষ্টিতে তেমন কোনো হইচই হওয়ার কারণই ছিল না, অথচ হচ্ছে। যার কিছু কারণ ফুটবল-সংক্রান্ত, কিছুটা আবার ফুটবলের বাইরেরও।

প্রথমত, এই ম্যাচের মধ্যে দিয়েই প্রথম বাংলাদেশের জার্সি পরে মাঠে নামছেন ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ তারকা হামজা চৌধুরী। যেরকম আন্তর্জাতিক মাপের ফুটবলার এর আগে কখনো দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দলের হয়ে কখনো খেলেননি।

সুতরাং হামজা চৌধুরীর যোগদান পুরো বাংলাদেশ টিমটার কাছে সমর্থকদের প্রত্যাশা এক লাফে অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে।

দ্বিতীয়ত, এই ম্যাচের ঠিক আগেই অবসর ভেঙে আবার জাতীয় দলের জার্সি গায়ে তুলে নিয়েছেন ভারতের সফলতম ফুটবল অধিনায়ক ও সবচেয়ে বেশি আন্তর্জাতিক গোল স্কোরার সুনীল ছেত্রী।

৪০ পেরোনো সুনীল ছেত্রী গত বুধবার (১৯ মার্চ) ওই শিলংয়ের মাঠেই মালদ্বীপের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে আন্তর্জাতিক ফুটবলে ‘কামব্যাক’ করেছেন, নিজে গোল করেছেন এবং দলকে ৩-০ জেতানোর পেছনেও তার বড় ভূমিকা ছিল।

ফুটবল টিমগেম হতে পারে, তবে মঙ্গলবারের ম্যাচটাকে দু’দেশের অনেক সমর্থকই হামজা চৌধুরী বনাম সুনীল ছেত্রীর মোকাবিলা হিসেবেই দেখছেন।

তবে এসবের বাইরেও গত সাত-আট মাস ধরে ভারত ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে যে তীব্র উত্তেজনা চলছে, সেই রাজনীতিরও অবধারিত প্রভাব পড়েছে এই ফুটবল ম্যাচের ওপর। দু’দলের সমর্থকরাই রীতিমতো ‘চার্জড’ হয়ে আছেন।

তাছাড়া মালদ্বীপ ও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে এই জোড়া ম্যাচ দিয়ে ভারতের আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাপে অভিষেক হচ্ছে শিলং-এর, ফলে সে কারণেও মেঘালয়ের স্থানীয় দর্শক ও ফুটবল অনুরাগীদের মধ্যেও আগ্রহ তুঙ্গে। বাংলাদেশ ম্যাচের টিকিটও বিক্রি হচ্ছে হু হু করে।

ফলে সব মিলিয়ে খুব অন্য রকমের এবং ব্যতিক্রমী একটা ভারত-বাংলাদেশ ফুটবল ম্যাচ মাঠে গড়াতে যাচ্ছে আগামীকাল সন্ধ্যায়।

কতটা কাজ করবে ‘হামজা ফ্যাক্টর’?

২৭ বছর বয়সী হামজা চৌধুরী চলতি বছরের জানুয়ারি পর্যন্ত প্রিমিয়ার লিগ ক্লাব লেস্টার সিটির হয়ে মোট ৫৭টি ম্যাচ খেলেছেন।

জানুয়ারিতে ‘লোনে’ শেফিল্ড ইউনাইটেডে যাওয়ার আগে পর্যন্ত ফক্সেস অ্যাকাডেমির এই গ্র্যাজুয়েটই ছিলেন বিগত দু’দশকের মধ্যে প্রিমিয়ার লিগে খেলা একমাত্র ব্রিটিশ এশিয়ান।

এখন বাংলাদেশী মায়ের সূত্রে তার বাংলাদেশ জাতীয় দলে খেলার সিদ্ধান্ত দলটার প্রোফাইল যে এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে, তাতে কোনো সন্দেহ নেই। বাংলাদেশে এসে নামার পর থেকেই তাকে ঘিরে চলছে প্রবল মাতামাতি।

গত ২০ মার্চ ভারতের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে বাংলাদেশের ক্যাপ্টেন জামাল ভূঁইয়া এই কারণেই সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, ‘মনে হচ্ছে যেন আমাদের মেসি এসে গেছে!’

জামাল ভূঁইয়া নিজে বাংলাদেশে এসেছেন ডেনমার্ক থেকে, কিন্তু তার বলতে কোনো দ্বিধা নেই, ‘আমি যখন প্রথম এসেছিলাম, তার চেয়ে উৎসাহটা এখন পাঁচ গুণ বেশি! হাজার হোক হামজা প্রিমিয়ার লিগ প্লেয়ার, এটা আমাদের মনোবল অনেক বাড়িয়ে দেবে।’

তবে একজন ফুটবলার পুরো দলের খেলার মান কতটা উন্নত করতে পারবেন, তা নিয়ে তর্ক আছে যথারীতি।

বাংলাদেশ ফুটবলকে হাতের তালুর মতোন চেনেন অস্কার ব্রুজন, যিনি এখন কলকাতার ইস্টবেঙ্গল ক্লাবে কোচিং করান। ব্রুজন আগে বাংলাদেশের জাতীয় দলের কোচ ছিলেন, বসুন্ধরা কিংস ক্লাবেও কোচিং করিয়েছেন বহুদিন।

তিনি টাইমস অব ইন্ডিয়াকে বলেছেন, ‘প্রিমিয়ার লিগের একজন তারকা যখন আপনার দলে খেলে, দলের বাকিরাও কিন্তু নিজেদের সেরাটা উজাড় করে দিতে উদ্বুদ্ধ হয়। তাই আমি বলব, এখানে বাংলাদেশের অ্যাডভান্টেজটা হলো মনস্তাত্ত্বিক।’

হামজা চৌধুরী সেন্টার ব্যাক বা ডিফেন্সিভ মিডফিল্ড পোজিশনে খেলতে পারেন। তবে অস্কার ব্রুজনের ধারণা, বাংলাদেশ তাকে বেশি করে সামনে এগিয়ে (ফরোয়ার্ড) খেলাতে চাইবে।

ব্রুজন জানান, ‘বাংলাদেশ দলে কিন্তু শারীরিকভাবে শক্তসমর্থ বেশ কয়েকজন ফুটবলার আছে। তবে ওদের মাঝমাঠে কিছুটা সৃষ্টিশীলতার অভাব লক্ষ্য করা যায়। এখন হামজা খেলাতে ওকে ঘিরে খেলার প্যাটার্নটা বদলানোর চেষ্টা হবে ধারণা করছি।’

হামজা চৌধুরী নিজে অবশ্য এর আগে বাংলাদেশে থাকতেই ভারতকে হারানোর হুমকি দিয়েছেন।

তিনি সিলেটে ভক্তদের কাছে কথা দিয়েছেন, ‘টু উইনস, টু ডার্বিজ। ইনশাল্লাহ্ উই উইল উইন, অ্যান্ড উই উইল প্রোগ্রেস!’

চল্লিশোর্ধ্ব সুনীল ছেত্রী কী করতে পারেন?

আধুনিক ভারতীয় ফুটবলের সবচেয়ে বড় তারকা ও লেজেন্ড হলেন সুনীল ছেত্রী, যিনি গত বছরের জুন মাসেই আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে অবসর নিয়েছিলেন। অনেকেই মানেন, তার মাপের এত বড় গোল স্কোরার ভারতীয় ফুটবলে আর আসেনি।

ভারতের হয়ে ও দেশের বিভিন্ন ক্লাবের হয়ে তার ২৬৮টি গোল আছে, যা একটি রেকর্ড। ১৫২টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে তিনি গোল দিয়েছেন মোট ৯৫টি, যা সারাবিশ্বে চতুর্থ।

পর্তুগালের ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো, ইরানের আলি দাইয়ি আর আর্জেন্টিনার লিওনেল মেসি ছাড়া নিজের দেশের হয়ে এত গোল আর কেউ করেননি।

গত জুন মাসে বিশ্বকাপের বাছাই পর্বে কুয়েতের বিরুদ্ধে ম্যাচের পরই তিনি অবসরের কথা ঘোষণা করেছিলেন, তার ঠিক দু’মাস পরেই ৪০ পূর্ণ করেন সুনীল ছেত্রী।

কিন্তু ভারতের বর্তমান কোচ মানোলো মার্কোয়েজ তাকে বুঝিয়ে-শুনিয়ে আবার জাতীয় দলের হয়ে খেলার জন্য রাজি করিয়েছেন।

মার্কোয়েজ বলেন, ‘এশিয়ান কাপ আমাদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই টুর্নামেন্ট ও সামনের ম্যাচগুলোতে আমাদের ভালো করাটা খুব জরুরি, তাই আমি সুনীলের সাথে কথা বলি। ও এলে আমাদের দল অনেক শক্তিশালী হবে, এটা বুঝেই ও ফিরতে রাজি হয়েছে।’

মালদ্বীপের বিরুদ্ধে প্রত্যাবর্তনের ম্যাচে নিজে গোল করে সুনীলও বুঝিয়ে দিয়েছেন তিনি এখনো ফুরিয়ে যাননি। ৭৬ মিনিটে দলের হয়ে তৃতীয় গোলটা করে রীতিমতো আবেগপ্রবণও হয়ে পড়েছিলেন তিনি।

তবে যতই অভিজ্ঞতা থাক, ৪০ পেরিয়ে যাওয়া একজন ফুটবলার শেষ পর্যন্ত মাঠে কতটা কী করতে পারবেন তা নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই।

ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচের আগে যে হামজা চৌধুরীকে নিয়ে এত আলোচনা, তিনি নিজেও কিন্তু সুনীল ছেত্রীকে বেশি সমীহ করতে চাননি।

হামজা বলেছেন, ‘ছেত্রীকে আমি খুব একটা বেশি দেখিনি। হ্যাঁ, ভারতের হয়ে ও প্রচুর খেলেছে, অনেক অভিজ্ঞতা। ও ভালো প্লেয়ার ঠিকই, কিন্তু আমি নিশ্চিত ওর চেয়েও ভালো অনেক প্লেয়ারের বিরুদ্ধেই খেলেছি।’

‘আর হ্যাঁ, এটা কিন্তু হামজা বনাম ছেত্রী নয়। মনে রাখতে হবে এটা ভারত বনাম বাংলাদেশ!’

শিলংজুড়ে ফুটবল জ্বর

মঙ্গলবার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ম্যাচটা অনুষ্ঠিত হবে পাহাড়ি শহর শিলংয়ের জহরলাল নেহরু স্টেডিয়ামে, যে মাঠটা ‘পোলো গ্রাউন্ড’ নামেই বেশি পরিচিত।

প্রায় ৩০ হাজার দর্শক আসনের এই মাঠে ন্যূনতম টিকিটের দাম রাখা হয়েছিল মাত্র ১০০ রুপি, ফলে হু হু করে টিকিট বিক্রি হচ্ছে। রোববার বিকেলে ফোন করে জানা গেল, আর অল্প কিছু টিকিটই বাকি আছে।

সাত দিনের ব্যবধানে এই স্টেডিয়ামে দু’টি আন্তর্জাতিক ম্যাচ হচ্ছে, অথচ শিলংয়ে এর আগে কখনো ভারতের জাতীয় দল খেলেইনি।

ভারতে ফুটবল সাংবাদিকতার পরিচিত মুখ রূপায়ন ভট্টাচার্যর কথায়, ‘শিলং আসলে এটা ডিজার্ভ করে। কারণ বাইচুং ভুটিয়া-পরবর্তী যুগে ভারতীয় ফুটবলে যে বিপ্লব ঘটে গেছে, তাতে সবচেয়ে বড় অবদান মণিপুরের, তার পরেই আসবে মেঘালয়ের নাম।’

তিনি বলেন, ‘ওই রাজ্যের ফুটবল অবকাঠামোও বেশ ভালো। শিলংয়ের স্টেডিয়ামটা যেমন শহরের একদম মাঝখানে, লোকজন খুব সহজে মাঠে আসতে পারেন। রাজ্যের কর্মকর্তারাও বেশ দক্ষ ও সৎ।’

মেঘালয়ের একটা সমৃদ্ধ ফুটবল সংস্কৃতি আছে বলেই ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ ঘিরে পরিবেশ এত জমজমাট হয়ে উঠেছে, এটা অনেকেই মানছেন।

ডাউকি সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশী নাগরিকদের স্থলপথে শিলং যাওয়া বেশ সহজ, ফলে ভারত ভিসার কড়াকাড়ি শিথিল করলে হয়তো আরো বহু বাংলাদেশী সমর্থক এ ম্যাচ দেখতে শিলংয়ে যেত পারতেন।

তবে গত ৫ আগস্টের পর থেকে ভারত ও বাংলাদেশের গণমাধ্যমে সীমান্ত সংঘাত, সংখ্যালঘু নির্যাতন বা শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেয়াসহ নানা ইস্যুতে যে ধরনের পাল্টাপাল্টি ‘প্রচারযুদ্ধ’ চলছে, তারও একটা প্রভাব অবধারিতভাবে এই ম্যাচের ওপর পড়েছে।

রূপায়ণ ভট্টাচার্য বলেন, ‘হামজা চৌধুরী বা সুনীল ছেত্রী ছেড়েই দিলাম, ম্যাচটাকে ঘিরে এত আকর্ষণের প্রধান কারণ যে এই মুহূর্তের রাজনৈতিক পরিবেশ, তা তো বোঝাই যাচ্ছে!’

সূত্র : বিবিসি

গুরুতর অসুস্থ হয়ে লাইফ সাপোর্টে তামিম

মোহামেডানের হয়ে ডিপিএলের ম্যাচ খেলতে সাভারের বিকেএসপি মাঠে হাজির হয়েছিলেন তামিম ইকবাল। সেখানেই অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট থেকে সদ্যই সাবেক হয়ে যাওয়া এই তারকা ক্রিকেটার। প্রাথমিক অবস্থায় তাকে ঢাকায় আনার জন্য হেলিকপ্টার নেয়া হলেও পরিস্থিতি মোটেই অনুকূলে ছিল না।

শেষ পর্যন্ত সাভারেই জরুরিভিত্তিতে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। বিকেএসপির পাশেই ফজিলাতুননেসা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে তাকে। ধারণা করা হচ্ছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন তামিম ইকবাল।

এদিকে, তামিম ইকবালের সবশেষ অবস্থা নিয়ে যোগাযোগ করা হয় ডিপিএল সমন্বয়কারী সাব্বির আহমেদ রুবেলের সঙ্গে। জবাবে ঢাকা পোস্টকে জানালেন, বর্তমানে সাভারের ফজিলাতুননেসা হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন।

ঢাকা থেকে ইতোমধ্যে তার ভাই নাফিস ইকবাল এবং স্ত্রী পৌছেছেন। মিরপুর থেকে গিয়েছেন বিসিবির পরিচালকরা। এদিকে আজ হওয়ার কথা ছিল বিসিবির বোর্ড মিটিং। তবে সেটি শেষ পর্যন্ত স্থগিত হয়ে গিয়েছে। 

ভারতে গ্রোক ঝড়ে বিপাকে বিজেপি-আরএসএস

এমন একটা পরিস্থিতিতে পড়তে হবে, তা হয়তো কল্পনাও করেনি ভারতের ক্ষমতাসীন নরেন্দ্র মোদি সরকার। প্রশ্ন করলেই মিলছে এমন জবাব, যা দেশটির ক্ষমতাসীন কট্টরপন্থি বিজেপি-আরএসএস সরকারের মুখ বন্ধ করতে যথেষ্ট। এর প্রতিকারও বের করতে পারছে না। কারণ, এর পেছনে সংশ্লিষ্টতা রয়েছে মার্কিন ধনকুবের ও প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠজন ইলন মাস্কের। সূত্র: দ্য ওয়্যার

কথা হচ্ছিল উন্নতমানের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) চ্যাটবট ‘গ্রোক-৩’ নিয়ে। ইলন মাস্কের সামাজিক মাধ্যম ‘এক্স’ ব্যবহারকারীরা এর মাধ্যমে নানা প্রশ্নের উত্তর জানতে পারছেন। যে কোনো বিষয়ের সত্যতা যাচাই করতে পারছেন। গ্রোকের দাবি, এসব জবাব পুরোপুরি তথ্যনির্ভর। তবে এ নিয়ে বিপাকে পড়েছে কট্টরপন্থি সংগঠনগুলো। এতদিন এসব সংগঠন যা দাবি করছিল, গ্রোক তার উল্টো উত্তর দিচ্ছে। কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী ‘বার ডান্সার’ ছিলেন কিনা– প্রশ্নে বলছে, তিনি বার অ্যাটেন্ডেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন; ডান্সার ছিলেন না। ২০২৪ সালের নির্বাচনের আগে মোদির ‘অনুপ্রবেশকারী’ মন্তব্যের জবাবে গ্রোক বলছে, এটা তিনি করেছেন ‘হিন্দু জাতীয়তাবাদ’ জাগাতে।

ব্রিটিশদের কাছে সবচেয়ে বেশিবার কে ক্ষমা চেয়েছেন এবং কে তাদের কাছ থেকে মাসে ৬০ টাকা পেনশন নিতেন– এমন প্রশ্নে গ্রোক বলছে ভারতের হিন্দুত্ববাদী নেতা বিনায়ক দামোদর সাভারকরের কথা। একজন জানতে চান, ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে আরএসএসের ভূমিকা কী ছিল। উত্তরে বলা হয়, ‘গবেষণালব্ধ তথ্য অনুসারে আরএসএসের ভূমিকা ন্যূনতম অথবা শূন্য ছিল। কারও কারও দাবি– ভূমিকা ছিল, কিন্তু প্রমাণ দেখাচ্ছে তা অতি নগণ্য। কেউ কেউ ব্যক্তিগতভাবে স্বাধীনতা আন্দোলনে যোগ দিয়ে থাকতে পারেন, তবে সংগঠন হিসেবে নয়।

বিজেপির অন্দর মহলে দাবি উঠছে, অবিলম্বে ‘গ্রোক-৩’ নিয়ন্ত্রণ করা হোক। কিন্তু সে দাবি মেনে সরকারের সক্রিয় হওয়াও সহজ নয়। কারণ এটি মার্কিন ধনকুবের ইলন মাস্কের।

হামজাকে নিয়ে ভারতেও মাতামাতি

২০১৩ সালের সাফে পাকিস্তান দলে খেলেছিলেন ইংলিশ লিগের ক্লাব ফুলহ্যামে খেলা জেশ রহমান। তাকে নিয়ে যতোটা মাতামাতি হয়েছিল এর চেয়ে অনেক বেশি মাতামাতি এখন বাংলাদেশী হামজা দেওয়ান চৌধুরীকে নিয়ে।

লেস্টারসিটির গন্ডী পেরিয়ে হাজমা এখন প্রিমিয়ার লিগের পরের স্তর চ্যাম্পিয়নশিপ লিগের ফুটবলার। এরপরও তাকে ঘিরে উন্মদনার কমতি নেই। তা বাংলাদেশে যেমন, লাল-সবুজদের প্রতিপক্ষ ভারতেও তাই। ২৫ মার্চ ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম ম্যাচ এশিয়ান কাপের বাছাই পর্বের।

এই ম্যাচের জন্য গতকাল ভারত গেছে হাভিয়ার কাবরেরা বাহিনী। সকালে ঢাকা থেকে কলকাতা হয়ে ম্যাচের ভেন্যু মেঘালয়ের রাজধানী শিলংয়ে পৌঁছা। কলকাতা বিমানবন্দরে এক ঘণ্টার উপরে ট্রানজিট ছিল বাংলাদেশ দলের। এই অল্প সময়ে জামাল ভূঁইয়ারা বিমানবন্দরের ভেতরেই ছিলেন। তবে এই সুযোগে হামজার সাথে ছবি তুলতে ভুল করেনি বিমানবন্দরে থাকা লোকজন। সেখানেই তারা ইংল্যান্ড প্রবাসী ফুটবলারটির সাথে নিজেদের মোবাইলে ক্যামেরাবন্দী করেছেন। ট্রানজিট শেষে হাভিয়ার কাবরেরা বাহিনী ভারতীয় অভ্যন্তরীণ বিমানে চড়ে শিলংয়ে যায়।

ভারতের সেভেন সিস্টার্সের এই শহরে বাংলাদেশ দল পৌঁছার পর থেকেই চলেছে হামজাকে নিয়ে মাতামাতি। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে হোটেল লবিতে থাকা পর্যন্ত বাংলাদেশ দলের নতুন প্রবাসী ফুটবলারটির পিছু নেয় ভারতীয়রা। হোটেল লবিতে এক ঘণ্টরও বেশি ছিল বাংলাদেশ দল। তখন লবিতে হামজার সাথে ছবি তুলেছেন হোটেলের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। সাথে বিভিন্ন কর্মকর্তার ছোট ছোট ছেলে-মেয়েরা ছিল। জানান বাফুফের মিডিয়া ম্যানেজার সাদমান সাকিব। হোটেল কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ দলের সদস্যদের সবাইকে সম্মানসূচক বস্ত্র উত্তরীয় গলায় পরিয়ে দেয়।

গতকাল অবশ্য বাংলাদেশ দলের কোনো অনুশীলন ছিল না। আজ মাঠে নামবে জামাল-হামজারা।

এদিকে গতকাল বাংলাদেশ দল ২৩ ফুটবলারের বদলে ২৪ জনকে নিয়ে ভারতের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়।

সাধারণত ২৩ ফুটবলার নেয়ার নিয়ম। কেন এক খেলোয়াড় বেশি নিয়েছে দলের সাথে সম্পর্কে কোনো তথ্য জানা যায়নি। দলের সাথে ভারত যাওয়া হয়নি মিডফিল্ডারম আরিফ হোসেন, স্ট্রাইকার পিয়াস আহমেদ নোভা ও ডিফেন্ডার তাজউদ্দিন। নোভাকে যথেষ্ট সম্ভাবনাময় স্ট্রাইকার ভাবা হচ্ছে। মালদ্বীপের বিপক্ষে সর্বশেষ ফিফা প্রীতি ম্যাচে বদলি হিসেবে নেমে দারুণ খেলেছিলেন তিনি।

এদিকে বাংলাদেশকে মোকাবেলার আগে গত পরশু প্রীতি ম্যাচ খেলেছিল মালদ্বীপের বিপক্ষে। ওই ম্যাচে তাদের ৩-০ গোলে জয়। এর একটি গোল অবসর ভেঙ্গে ফেরা সুনীল ছেত্রীর। ম্যাচ শেষে ভারতের কোচ মানোলো মার্কুয়েজ বেশ সতর্ক উত্তর দিলেন বাংলাদেশ দল ও হামজা চৌধুরীকে নিয়ে।

তার মতে, ‘হামজা ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ ছেড়ে চ্যাম্পিয়নশিপ লিগের দল শেফিল্ড ইউনাইটেডে গেলেও সেখানে সে নিয়মিতই খেলছে। সে অসাধারণ এক খেলোয়াড়।’

এরপর বাংলাদেশ দলকে নিয়ে তার বক্তব্য, বাংলাদেশ দল গত কয়েক বছর ধরে একই কোচের অধীনে বেশ ভালো খেলছে। আমার মনে হয় ম্যাচটি করোর জন্যই সহজ হবে না। দুই দলের জন্যই ম্যাচটি কঠিন হবে।

ভারতে যাওয়া বাংলাদেশ দল : হামাজ চৌধুরী, জামাল ভূঁইয়া, মিতুল মারমা, সুজন হোসেন, মেহেদী হাসান শ্রাবণ, শাকিল আহাদ তপু, রহমত মিয়া, শাকিল হোসেন, ঈসা ফয়সাল, তারিক রায়হান কাজী, তপু বর্মন, সাদউদ্দিন, মোহাম্মদ হৃদয়, সৈয়দ শাহ কাজেম কিরমানী, মো: সোহেল রানা, সোহেল রানা, চন্দন রায়, মজিবুর রহমান জনি, শেখ মোরসালিন, রাকিব হোসেন, শাহরিয়ার ইমন, মোহাম্মদ ইব্রাহিম, ফয়সাল আহমেদ ফাহিম, আল আমিন।

আনপ্রেডিক্টেবল পাকিস্তানের রেকর্ড গড়া জয়

ক্রিকেট মানেই যেখানে অনিশ্চয়তার খেলা, পাকিস্তান যেন সেখানে একটু বেশিই রহস্যে ঘেরা। আনপ্রেডিক্টেবল শব্দটা তো এমনি এমনিই জুটেনি। অকল্যান্ডেও তার ব্যক্তিক্রম কিছু ঘটেনি।

অকল্যান্ডে সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের করা ২০৪ রান ২৪ বল ও ৯ উইকেট হাতে রেখেই পেরিয়ে গেছে পাকিস্তান। ১৬ ওভারেই দুই শতাধিক রান তাড়ার ঘটনা আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে এটিই প্রথম।

এমন দাপুটে জয় দেখে কে বলবে, এই দলটাই আগের দুই ম্যাচে ব্যাটিংয়ে ধুঁকেছে। প্রথম ম্যাচে ৯১ রানে গুটিয়ে যাবার পর দ্বিতীয় ম্যাচে তুলে ১৩৫ রান। হেরে যায় সেই দুটো ম্যাচেই। আর এবার যখন লক্ষ্য ২০৫ রানের। দেখা দেয় দুই ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ হারের শঙ্কা।

সেই শঙ্কা তুড়ি মেরে উড়িয়ে দেন হাসান-নাওয়াজ। সিরিজের প্রথম দুই টি-টোয়েন্টিতে রানের খাতা খুলতে না পারা এই তরুণ ক্যারিয়ারের তৃতীয় ম্যাচেই পৌঁছে যান তিন অংকের ঘরে! খেলেন ৪৫ বলে ১০৫ রানের ইনিংস।

হার না মানা এই ইনিংস খেলার পথে হাসান ভাঙেন পাকিস্তানের হয়ে বাবর আজমের দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড। মাত্র ৪৪ বলে পৌঁছান তিন অংকের ঘরে। বাবরের দ্রুততম সেঞ্চুরিটি ছিল ৪৯ বলে।

ওপেনার হারিসের সাথে তুলেন ৭৪ রান। ২০ বলে ৪১ রান করে ৫.৫ ওভারে আউট হন হারিস। এরপর দ্বিতীয় উইকেটে সালমান আগার সাথে গড়েন অবিচ্ছিন্ন ১৩৩ রানের জুটি। যেখানে ৩০ বলে ৭৫ রানই তোলেন হাসান।

৩১ বলে ৫১ রানে অপরাজিত থাকেন আগা সালমান। তাতে মাত্র ১৬ ওভারেই জয়ের বন্দরে পৌঁছায় পাকিস্তান। দুই শতাধিক রান তাড়ায় যা সবচেয়ে দ্রুততম জয়ের রেকর্ড।

এর আগে আগে ব্যাট করে ১৯.৫ ওভারে ২০৪ রানে অলআউট হয় নিউজিল্যান্ড। দলের হয়ে ৪৪ বলে সর্বোচ্চ ৯৪ রান করেন মার্ক চাপম্যান। ১৮ বলে ৩১ রান আসে ব্রেসওয়েলের ব্যাটে।

পাকিস্তানের হয়ে হারিস রউফ ৩, শাহিন আফ্রিদি, আব্বাস আফ্রিদি ও আবরার আহমেদ নেন দুটো করে উইকেট।

২০২৪ সালে বিশ্বজুড়ে রেকর্ডসংখ্যক অভিবাসীর মৃত্যু

২০২৪ সালে সীমান্ত পাড়ি দিতে গিয়ে বিশ্বজুড়ে রেকর্ড ৮,৯৩৮ জন অভিবাসী প্রাণ হারিয়েছেন। শুক্রবার জাতিসঙ্ঘের অভিবাসন সংস্থা (আইওএম) এ তথ্য জানিয়েছে।

সংস্থাটি সতর্ক করেছে যে প্রকৃত সংখ্যা আরো বেশি হতে পারে। কারণ অনেক মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত হয় না বা নিখোঁজ ব্যক্তিদের কোনো সন্ধান মেলে না। এ তথ্য প্রকাশ করেছে সংবাদ সংস্থা এপি।

আইওএম-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, গত বছর অভিবাসীদের জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক অঞ্চল ছিল এশিয়া, যেখানে ২,৭৮৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভূমধ্যসাগর, যেখানে ২,৪৫২ জন প্রাণ হারিয়েছেন এবং তৃতীয় স্থানে রয়েছে আফ্রিকা, যেখানে ২,২৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এছাড়া ক্যারিবীয় অঞ্চলে ৩৪১ জন, ইউরোপে ২৩৩ জন এবং কলম্বিয়া ও পানামার মধ্যবর্তী দারিয়েন গিরিখাতে ১৭৪ জনের মৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।

আইওএম-এর মিসিং মাইগ্রেন্টস প্রকল্পের সমন্বয়ক জুলিয়া ব্ল্যাক জানিয়েছেন, বাস্তবে মৃত্যুর সংখ্যা আরো বেশি হতে পারে। কারণ অনেক মৃত্যুর ঘটনা নথিভুক্ত হয় না এবং নিখোঁজ ব্যক্তিদের খোঁজ মেলাও প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন অর্থসহায়তা সঙ্কটের কারণে আইওএম তাদের গুরুত্বপূর্ণ ‘জীবন রক্ষাকারী’ কর্মসূচির অনেকগুলো বন্ধ করতে বাধ্য হয়েছে। এর ফলে বিশ্বের লাখো অভিবাসী নতুন করে সংকটে পড়বেন। বিশেষজ্ঞরা এই গুরুতর অভিবাসন সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে দ্রুত মানবিক পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।

পাঁচ লাখের বেশি অভিবাসীর বৈধতা বাতিল করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন জানিয়েছে, তারা কিউবা, হাইতি, নিকারাগুয়া ও ভেনেজুয়েলা থেকে আসা পাঁচ লাখ ৩০ হাজার অভিবাসীর অস্থায়ী বৈধতা বাতিল করতে যাচ্ছে। এই অভিবাসীদের থাকার অনুমতি ও বহিষ্কার সুরক্ষা বাতিল হবে আগামী ২৪ এপ্রিল। এর আগেই তারা যেন দেশটি ছেড়ে চলে যায়, সে বিষয়ে তাদেরকে সতর্ক করা হয়েছে।

মার্কিন ফেডারেল সরকারের এক বিজ্ঞপ্তিতে এমনটাই বলা হয়েছে।

এই পাঁচ লাখ ৩০ হাজার অভিবাসীকে বাইডেন প্রশাসনের সময় চালু হওয়া সিএইচএনভি নামক একটি প্রোগ্রামের আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করার সুযোগ দেয়া হয়েছিল। এর মাধ্যমে বৈধভাবে অভিবাসনের সুযোগ দেয়া হতো। তবে ট্রাম্প দেশটির প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব নেয়ার পর এই প্রোগ্রাম স্থগিত করেন।

অভিবাসীদের মধ্যে কতজন এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে থাকার জন্য অন্য কোনো ভিসা বা আইনি অবস্থান অর্জন করেছেন, সে বিষয়টি এখনো স্পষ্ট নয়।

২০২২ সালে ডেমোক্র্যাটিক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের প্রশাসনের অধীনে শুরু হওয়া এই প্রোগ্রামটি প্রথমে শুধুমাত্র ভেনেজুয়েলানদের জন্য ছিল। পরে প্রোগ্রামটি অন্যান্য দেশের জন্যও চালু হয়।

এই প্রোগামের আওতায় এসব অভিবাসী ও তাদের পরিবারের সদস্যদেরকে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসের অনুমতি দেয়া হয়েছিলো এবং তাদেরকে দুই বছরের জন্য অস্থায়ী অভিবাসন মর্যাদা বা প্যারোল দেয়া হয়েছিলো।

সিএইচএনভি প্রোগ্রামটি চালুর বিষয়ে বাইডেন প্রশাসনের যুক্তি ছিল, এটি যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ সীমান্তে অবৈধ অভিবাসন কমাতে সহায়তা করবে। একইসাথে যারা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করছেন, এই প্রোগ্রামের আওতায় তাদেরকে আরো ভালোভাবে যাচাই করা যাবে।

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ বাইডেন প্রশাসনের সমালোচনা করেছে এবং জানিয়েছে, এই কর্মসূচি তার লক্ষ্য পূরণে ব্যর্থ হয়েছে।

সংস্থাটি থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বাইডেন প্রশাসন অভিবাসীদের যুক্তারাষ্ট্রে চাকরির জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সুযোগ করে দিয়েছে এবং মার্কিন শ্রমিকদের ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। প্রতারণার ঘটনা চিহ্নিত করা হলেও কর্মচারীদেরকে জোরপূর্বক এই কর্মসূচির প্রচার করতে বাধ্য করেছে এবং পরে অপরাধ বৃদ্ধির দায় রিপাবলিকানদের উপর চাপিয়েছে।’

তবে ফেডারেল রেজিস্টারের ৩৫ পৃষ্ঠার এক নোটিশে বলা হয়েছে, সিএইচএনভি কর্মসূচির আওতায় যুক্তরাষ্ট্রে থাকা কিছু ব্যক্তিকে বিশেষ বিবেচনায় থাকার অনুমতি দেয়া হতে পারে।

এদিকে, রাশিয়ার সাথে যুদ্ধ থেকে পালিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয় নেয়া প্রায় দুই লাখ ৪০ হাজার ইউক্রেনের নাগরিকদের অস্থায়ী বৈধতা বাতিল করা হবে কিনা সেই বিষয়েও বিবেচনা করতে শুরু করেছে ট্রাম্প প্রশাসন।

ওই কর্মসূচির আওতায় হাইতি থেকে দুই লাখ ১৩ হাজার, ভেনেজুয়েলা থেকে এক লাখ ২০ হাজার ৭০০, কিউবা থেকে এক লাখ ১০ হাজার ৯০০ এবং নিকারাগুয়া থেকে ৯৩ হাজার অভিবাসীকে ভিসা দেয়া হয়েছিল।

জানুয়ারিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসাবে দায়িত্বভার গ্রহণের পর একাধিক অভিবাসী কর্মসূচি বাতিল করেছেন ট্রাম্প। যদিও তার বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত আইনি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে।

সূত্র : বিবিসি

সংস্কার ও নির্বাচনকে মুখোমুখি করা ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক’

সংস্কার ও নির্বাচনকে যেভাবে মুখোমুখি করা হচ্ছে তা ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক’ বলে মনে করছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সংস্কার এবং নির্বাচনকে দৃশ্যত যেভাবে মুখোমুখি করে ফেলা হয়েছে এটি নিঃসন্দেহে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যমূলক।’

শুক্রবার (২১ মার্চ) বিকেলে ইস্কাটনের লেডিস ক্লাবে পেশাজীবীদের সন্মানে এক ইফতার মাহফিলে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন।

তারেক রহমান বলেন, ‘যারা সংস্কার শেষ করার পর জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠানে কথা বলছেন, তাদেরকে উদ্দেশে বলতে চাই, যেটি শেষ হয়ে যায় সেটি সংস্কার নয়। কারণ সংস্কার কখনো শেষ হয় না। সংস্কার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। দেশের বর্তমান সংবিধান যেটিকে ইচ্ছামতন কাটাছেঁড়া করে পতিত পলাতক স্বৈরাচার প্রায় তাদের দলীয় সংবিধানে পরিণত করে ফেলেছিল সেই সংবিধানের ৬৫ অনুচ্ছেদের ২ দফায় লেখা রয়েছে, জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে জনপ্রতিনিধিদের জাতীয় সংসদ গঠিত হবে। সংবিধানে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকার পরেও পলাতক ফ্যাসিবাদী সরকারের আমলে বাংলাদেশের মানুষ দেখেছে, বার বার সারা বিশ্ব দেখেছে বার বার জনগণের ভোট ছাড়াই গঠন করা হয়েছিল জাতীয় সংসদ। পলাতক স্বৈরাচার সংবিধান মানেনি।’

তিনি বলেন, ‘এই কারণে বিএনপি মনে করে গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে কেতাবি কিংবা পুঁথিগত সংস্কার থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক অধিকার এবং আচরণের ব্যবহারিক প্রয়োগ। জনগণের গণতান্ত্রিক চর্চার মধ্য দিয়ে কেবল সংস্কার টেকসই, সফল এবং কার্য্কর হয়ে উঠতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘দেশের বিশিষ্ট নাগরিক তথা সুশীল সমাজ এবং পেশাজীবীদের ভূমিকা ও অবদান অনিস্বীকার্য। রাষ্ট্র এবং রাজনীতির ভালো-মন্দের অনেক কিছুই নির্ভর করে রাজনীতিবিদদের দেশপ্রেম ও রাষ্ট্র পরিচালনার নীতির ওপর। এক্ষেত্রে রাষ্ট্র ও সমাজে বিশিষ্ট নাগরিক ও পেশাজীবীদের ভূমিকা যত বেশি কার্য্কর থাকে রাজনৈতিক সরকারও তত বেশি দায়িত্বশীল এবং শক্তিশালী হয়।’

‘রাজনীতিকে যদি একটি সুসংগঠিত সুসংঘবদ্ধ ঘরের ছাদের সাথে আমরা তুলনা করি তাহলে খুব সম্ভবত সিভিল সোসাইটি এবং পেশাজীবীরা হচ্ছে সেই ঘরের খুঁটি বা পিলার। সুতরাং একটি রাষ্ট্রে রাজনীতিবিদ, সিভিল সোসাইটি এবং পেশাজীবীরা একে অপরের পরিপূরক।’

তিনি আরো বলেন, ‘দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গৌণ ইস্যুকে মুখ্য ইস্যু বানাতে গিয়ে নিজেদের অজান্তে ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্যের মধ্যে সংশয়-সন্দেহের জন্ম দেয়া হয়েছে বা হচ্ছে। আমি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে আবারো বলতে চাই, সরকারের এমন কোনো পদক্ষেপ নেয়া উচিত হবে না যাতে রাষ্ট্র এবং রাজনীতিতে পলাতক স্বৈরাচারের দোসররা পুনর্বাসিত হওয়ার সুযোগ পায়।’

‘পতিত স্বৈরাচারের দোসরদের হাতে এখনো রাষ্ট্র থেকে লুন্ঠন করা, জনগণের পকেট থেকে লুন্ঠন করা হাজার হাজার কোটি টাকা রয়ে গেছে। এমন পরিস্থিতিতে জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার হওয়ার অর্থ সারা দেশে ঘাপটি মেরে থাকা পলাতক স্বৈরাচারের দোসরদেরকে রাজনীতিতে পুনর্বাসনের

সুযোগ সৃষ্টি করে দেয়া।’

তারেক বলেন, ‘দীর্ঘ দেড় দশকের মাফিয়া শাসনকালে তরুণ প্রজন্মের প্রায় সাড়ে তিন কোটি ভোটারসহ কেউ ভোট দিতে পারেনি। এসব ভোটারদের রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার জন্যে সবার আগে প্রয়োজন জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠান।’

‘নাগরিক রাজনৈতিকভাবে ক্ষমতাশালী না হলে কোনো সংস্কারই কিন্তু টেকসই হবে না।’

গণতন্ত্র ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান দীর্ঘ আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান।

ইফতার অনুষ্ঠানে সাংবাদিক শফিক রেহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক এ এস এম ফায়েজ, অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক মাহবুব উল্লাহ, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নাল আবেদীন, ব্যবসায়ী সালাহ উদ্দিন আলমগীর, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক সুকোমল বড়ুয়া, নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন, দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক আবদুল হাই শিকদার, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক এম এ আজিজ ও সৈয়দ আবদাল আহমেদ বক্তব্য রাখেন।

বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজের শিক্ষক, উলামা-মাশায়েখ, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী, কৃষিবিদ, সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার ব্যক্তিরা এই ইফতারে অংশ নেন।

অনুষ্ঠানে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, আমীর খসুর মাহমুদ চৌধুরী, সালাহ উদ্দিন আহমেদ, সেলিমা রহমান, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, ভাইস চেয়ারম্যান আলতাফ হোসেন চৌধুরী, বরকত উল্লাহ বুলু, আবদুস সালাম পিন্টু, নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এএম আবদুল হালিম, ইসমাইল জবিউল্লাহসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের ষড়যন্ত্র হচ্ছে : হাসনাত

ক্যান্টনমেন্ট থেকে ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ প্রজেক্টের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ফেরানোর প্রস্তাব দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ। গতকাল শুক্রবার রাতে হাসনাত তার ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এসব তথ্য জানান।

হাসনাত ওই পোস্টে বলেন, কিছুদিন আগে আমি আপনাদের বলেছিলাম যে, ‘রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ’ নামে নতুন একটি ষড়যন্ত্র নিয়ে আসার পরিকল্পনা চলছে। এই পরিকল্পনা পুরোপুরি ভারতের। সাবের হোসেন চৌধুরী, শিরিন শারমিন, তাপসকে সামনে রেখে এই পরিকল্পনা সাজানো হচ্ছে। আমিসহ আরো দুইজনের কাছে ক্যান্টনমেন্ট থেকে এই পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয় ১১ মার্চ বেলা আড়াইটায়। আমাদেরকে প্রস্তাব দেয়া হয় আসন সমঝতার বিনিময়ে আমরা যেন এই প্রস্তাব মেনে নিই। আমাদেরকে বলা হয়, ইতোমধ্যে একাধিক রাজনৈতিক দলকেও এই প্রস্তাব দেয়া হয়েছে- তারা শর্তসাপেক্ষে আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনে রাজি হয়েছে। একটি বিরোধী দল থাকার চেয়ে একটি দুর্বল আওয়ামী লীগসহ একাধিক বিরোধী দল থাকা নাকি ভালো। ফলে আপনি দেখবেন গত দুই দিন মিডিয়াতে আওয়ামী লীগের পক্ষে একাধিক রাজনীতিবিদ বয়ান দেয়া শুরু করেছে।

তিনি বলেন, আমাদেরকে আরো বলা হয়, রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ যাদের দিয়ে করা হবে, তারা এপ্রিল-মে থেকে শেখ পরিবারের অপরাধ স্বীকার করবে, হাসিনাকে অস্বীকার করবে এবং তারা বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ করবে এমন প্রতিশ্রুতি নিয়ে জনগণের সামনে হাজির হবে। আমাদেরকে এই প্রস্তাব দেয়া হলে আমরা তৎক্ষণাৎ এর বিরোধিতা করি এবং জানাই, আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনের পরিকল্পনা বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগের বিচার নিয়ে কাজ করুন। এর উত্তরে আমাদের বলা হয়, আওয়ামী লীগকে ফিরতে কোন ধরনের বাধা দিলে দেশে যে সঙ্কট সৃষ্টি হবে, তার দায়ভার আমাদের নিতে হবে এবং ‘আওয়ামী লীগ মাস্ট কাম ব্যাক’। আলোচনার একপর্যায় বলি- যেই দল এখনো ক্ষমা চায় নাই, অপরাধ স্বীকার করে নাই, সেই দলকে আপনারা কিভাবে ক্ষমা করে দেবেন! অপরপক্ষ থেকে রেগে গিয়ে উত্তর আসে, ‘ইউ পিপল নো নাথিং। ইউ ল্যাক উইজডোম এন্ড এক্সপিরিয়েন্স। উই আর ইন দিজ সার্ভিস ফর এটলিস্ট ফোর্টি ইয়ার্স। তোমার বয়সের থেকে বেশি। তা ছাড়া আওয়ামী লীগ ছাড়া ‘ইনক্লুসিভ’ ইলেকশন হবে না।’

হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, আমি উত্তরে বলি, ‘আওয়ামী লীগের সাথে কোনো ইনক্লুসিভিটি হতে পারে না। আওয়ামী লীগকে ফেরাতে হলে আমাদের লাশের উপর দিয়ে ফেরাতে হবে। আওয়ামী লীগ ফেরানোর চেষ্টা করা হলে যে সঙ্কট তৈরি হবে, তার দায়ভার আপনাদের নিতে হবে’। পরে- মিটিং অসমাপ্ত রেখেই আমাদের চলে আসতে হয়। জুলাই আন্দোলনের সময়ও আমাদের দিয়ে অনেককিছু করানোর চেষ্টা করা হয়েছে। কখনো এজেন্সি কখনো বা ক্যান্টনমেন্ট থেকে নানা ধরনের প্রেসক্রিপশন গ্রহণ করতে চাপ দেয়া হয়েছে। আমরা ওসব চাপে নতি স্বীকার না করে আপনাদের তথা জনগণের উপরেই আস্থা রেখেছি। আপনাদের সাথে নিয়েই হাসিনার চূড়ান্ত পতন ঘটিয়েছি। আজকেও ক্যান্টনমেন্টের চাপকে অস্বীকার করে আমি আবারো আপনাদের উপরেই ভরসা রাখতে চাই।

ফেসবুকে পোস্ট দেয়ার পরে নিরাপত্তা শঙ্কার কথা জানিয়ে হাসনাত বলেন, এই পোস্ট দেয়ার পর আমার কী হবে আমি জানি না। নানামুখী প্রেসারে আমাকে হয়তো পড়তে হবে। হয়তো বিপদেও পড়তে হতে পারে। কিন্তু আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের প্রশ্নে কোন ধরনের আপস করার সুযোগ নাই। জুলাইয়ের দিনগুলোতে জনগণের স্রোতে ক্যান্টনমেন্ট আর এজেন্সির সব প্রেসক্রিপশন আমরা উড়িয়ে দিয়েছিলাম। আজ আবারো যদি আপনাদের সমর্থন পাই, রাজপথে আপনাদের পাশে পাই তবে আবারো এই আওয়ামী লীগ পুনর্বাসনের ভারতীয় ষড়যন্ত্রও আমরা উড়িয়ে দিতে পারব। আসুন, সব যদি কিন্তু পাশে রেখে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। আওয়ামী লীগ রাজনীতি করতে পারলে জুলাই ব্যর্থ হবে। আমাদের শরীরে এক বিন্দু রক্ত থাকা পর্যন্ত আমাদের শহীদদের রক্ত আমরা বৃথা হতে দিবো না। ৫ আগস্টের পরের বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের কামব্যাকের আর কোনো সুযোগ নাই বরং আওয়ামী লীগকে অবশ্যই নিষিদ্ধ হতেই হবে।