৫০০ কোটি টাকার নতুন বিনিয়োগে ওয়ান ফার্মা, লক্ষ্য ওষুধ রপ্তানি
রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়ালো পৌনে ২৭ বিলিয়ন ডলারে
দেশের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর ধীরে ধীরে বেড়েছে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ। এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্স। চলতি এপ্রিল মাসের মাঝামাঝি সময়ে দেশের মোট রিজার্ভ বেড়ে প্রায় পৌনে ২৭ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি পৌঁছেছে। তবে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী দেশের রিজার্ভ রয়েছে ২১ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার।
লন্ডনে লাগেজভর্তি করে কী নিয়ে গেলেন তাসনিয়া ফারিণ
পাকিস্তানে বইছে রিশাদ ঝড়
বাংলাদেশি পণ্যে শতকরা ৩৭ ভাগ শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র
দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় এসেই বাণিজ্য যুদ্ধের আভাস দেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর যেই কথা সেই কাজ।
ওয়াশিংটনে স্থানীয় সময় বুধবার (২ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলনে উচ্চ মাত্রার এই শুল্ক আরোপের ঘোষণা দেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রে বছরে বাংলাদেশের রপ্তানি হয় প্রায় ৮.৪ বিলিয়ন (৮৪০ কোটি) ডলার, যা প্রধানত তৈরি পোশাক। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাক রপ্তানি দাঁড়ায় ৭.৩৪ বিলিয়ন (৭৩৪ কোটি) ডলারে। নতুন করে উচ্চ মাত্রার শুল্ক আরোপে বাংলাদেশের রপ্তানি, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
ট্রাম্পের পাল্টা এই শুল্ক আরোপে ভারতের পণ্যের ওপর ২৬ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। পাকিস্তানের পণ্যের ওপর ২৯ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। চীনা পণ্যের ওপর শুল্ক আরোপ করা হয়েছে ৩৪ শতাংশ।
এ ছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ, ভিয়েতনামের পণ্যের ওপর ৪৬ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার পণ্যে ৪৪ শতাংশ, তাইওয়ানের পণ্যে ৩২ শতাংশ, জাপানের পণ্যে ২৪ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্যে ২৫ শতাংশ, থাইল্যান্ডের পণ্যে ৩৬ শতাংশ, সুইজারল্যান্ডের পণ্যে ৩১ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ার পণ্যে ৩২ শতাংশ, মালয়েশিয়ার পণ্যে ২৪ শতাংশ, কম্বোডিয়ার পণ্যে ৪৯ শতাংশ, যুক্তরাজ্যের পণ্যে ১০ শতাংশ, দক্ষিণ আফ্রিকার পণ্যে ৩০ শতাংশ, ব্রাজিলের পণ্যে ১০ শতাংশ, সিঙ্গাপুরের পণ্যে ১০ শতাংশ, ইসরায়েলের পণ্যে ১৭ শতাংশ, ফিলিপাইনের পণ্যে ১৭ শতাংশ, চিলির পণ্যে ১০ শতাংশ, অস্ট্রেলিয়ার পণ্যে ১০ শতাংশ, তুরস্কের পণ্যে ১০ শতাংশ, কলম্বিয়ার পণ্যে ১০ শতাংশ আরোপ করা হয়েছে।
বিডিইয়র্ক ডেস্ক, নিউইয়র্ক
নিউইয়র্কে ‘বাংলাদেশি হেরিটেজ’শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
গতকাল বৃহস্পতিবার দিনটি ছিল নিউইয়র্কে বাংলাদেশি কমিউনিটির মানুষের জন্য উৎসবের, সম্মানের। নিউইয়র্ক সিটির উন্নয়ন ও কল্যাণে নিরন্তরভাবে কর্মরত বাংলাদেশিদের বিশেষ সম্মান জানানোর মধ্য দিয়ে ‘বাংলাদেশি হেরিটেজ’ উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিত্বকারী প্রবাসীদের উপস্থিতিতে এ সমাবেশে ঠিকানা পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা-সম্পাদক এম এম শাহীন ও আবাসন ব্যবসায়ী নুরুল আজিমসহ চারজনকে বিশেষ সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।
এ সময় প্রদত্ত বক্তব্যে মেয়র এরিক এডামস বলেন, ক্রমবর্ধমান কমিউনিটির সদস্য হিসেবে বাংলাদেশিরা নিউইয়র্ক সিটিকে বসবাসের চমৎকার একটি জনপদে পরিণত করতে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করছেন।
সিটি প্রশাসনের চিফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার থেকে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে অধিষ্ঠিত হয়েছেন বাংলাদেশি আমেরিকানরা। পুলিশ প্রশাসনেও বাংলাদেশিদের অবদান অনস্বীকার্য।
আফ্রিকান আমেরিকান মেয়র এরিক এডামস বলেন, আমি বহুজাতিক এই সিটির মেয়র হয়েছি আপনাদের মতোই একটি কমিউনিটির সদস্য হিসেবে। আপনারা যদি ঐক্যবদ্ধ থাকেন, তাহলে ভোটের ময়দানে আপনারাও বিজয় অর্জনে সক্ষম হবেন। আমেরিকান স্বপ্ন পূরণের পথে মার্কিন রাজনীতি ও প্রশাসনের সম্পৃক্ততার বিকল্প নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
নিউইয়র্ক সিটির প্রত্যাশার পরিপূরক জীবন-যাত্রাকে মহিমান্বিত করতে বাংলাদেশি আমেরিকানদের অসাধারণ অবদানের প্রশংসা করে এ সময় আরও বক্তব্য দেন সিটি মেয়রের চিফ প্রশাসনিক কর্মকর্তা মীর বাশার, বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল নাজমুল হুদা, বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী।
এর আগে, দুটি সংগীত পরিবেশন করেন রানু নেওয়াজ এবং অনিক রাজ। শুরুতে বাঙালি সংস্কৃতির হৃদয়কাড়া সুর উজ্জীবিত করেন সেতারে কালা মিয়া ও ঢুলি শফিক।
এ উৎসবে বিশিষ্টজনদের মধ্যে ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মুকিত চৌধুরী ও লাবলু আনসার, কমিউনিটি লিডার গিয়াস আহমেদ, শাহনেয়াজ, রাব্বি সৈয়দ, রোকন হাকিম, মহিউদ্দিন দেওয়ান, কামরুজ্জামান কামরুল, কাজী আজম, কামাল হোসেন মিঠু, আবু তাহের, আলিম খান আকাশ, আরিফ হোসেন, আকাশ রহমান, আবুল কাশেম, জাহাঙ্গির সোহরাওয়ার্দি, ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, আহসান হাবিব, জাবেদ উদ্দিন, রিজু মোহাম্মদ, আশরাফ খান লিটন, আবুল কাশেম, প্রেসিডেন্সিয়াল অ্যাওয়ার্ডপ্রাপ্ত খলিল বিরিয়ানি হাউজের কর্ণধার খলিলুর রহমান, কণ্ঠশিল্পী কৃষ্ণাতিথি, সবিতা দাস প্রমুখ।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশি আমেরিকান পুলিশ অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট এরশাদুর রহমান, ফার্স্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট এ কে এম আলম, ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ চৌধুরী, কমিউনিটি লিয়াঁজো সর্দার মামুন ও মিডিয়া লিঁয়াজো জামিল সরোয়ার প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশকে নিয়ে এমন আয়োজনে খুশি অনুষ্ঠানে উপব সকল বাংলাদেশি।
বিডিইয়র্ক ডেস্ক, নিউইয়র্ক।
নিউইয়র্কে ‘জয় বাংলা রাষ্ট্রীয় স্লোগান পরিষদ’র আয়োজনে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদযাপন
ইউএসএনিউজঅনলাইন.কম : নিউইয়র্কে ‘জয় বাংলা রাষ্ট্রীয় স্লোগান পরিষদ’র আয়োজনে ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উদযাপিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে ১৬ এপ্রিল জ্যামাইকার জেসন পার্টি হলে সংগঠনটি আলোচনা সভার আয়োজন করে।সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন স্বপনের পরিচালনায় এবং সভাপতি এডভোকেট ছায়াদ আহমেদের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের কার্য নির্বাহী সদস্য সংগঠনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা সরাফ সরকার, সংগঠনের উপদেষ্টা জহিরুল ইসলাম, স্টেট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন আজমল, সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা আমিনুল ইসলাম চুন্নু, সংগঠনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা মনির হোসেন, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামীলীগ নেতা রেজাউল করিম চৌধুরী, একেএম তারেকুল হায়দার চৌধুরী, আকতার হোসেন, ‘জয় বাংলা রাষ্ট্রীয় স্লোগান পরিষদ’র সহ সভাপতি খান শওকত, কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহ সম্পাদক ফুয়াদ হোসেন, যুক্তরাষ্ট্র স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি নুরুজ্জামান সরদার, স্টেট আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিউসবাউর সাকের জুতি, ‘জয় বাংলা রাষ্ট্রীয় স্লোগান পরিষদ’র খলিলুর রহমান, আউব চৌধুরী, ওসমান গনি চৌধুরী, নজরুল ইসলাম, শাহ আলম, যুবায়ের আলী, হাজী উস্তার আলী, জালাল উদ্দিন, হাফিজ শেখ, অধ্যাপক বুরহান উদ্দিন হাওলাদার, আব্দুল ফাত্তাহ, রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।
অনুষ্ঠানে পবিত্র কুরআন থেকে তেলাওয়াত করেন আব্দুল হাই। পবিত্র গীতা থেকে পাঠ করেন প্রভাষ চক্রবর্তী। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও আমেরিকার জাতীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়। বঙ্গবন্ধুসহ মুুজিবনগর সরকারের নের্তৃবৃন্দের আত্মার মাগফেরাত কামনায় এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।
মুজিবনগর সরকারের তাৎপর্য উল্লেখ করে বক্তারা বলেন, দিবসটি বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এক অনন্য দিন। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে এদিন মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা গ্রামের আ¤্রকাননে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। আর স্বাধীনতা সংগ্রামের সেই কঠিন মুহুর্তে মুজিবনগর সরকার বাঙ্গালীর স্বাধীনতা আন্দোলনের ন্যয়সঙ্গত অধিকারের পক্ষ্যে বহির্বিশ্বে জনমত গঠন ও বিভিন্ন রাষ্ট্রসমূহের সমর্থন আদায়ে মূল ভূমিকা পালন করে।
ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসের এ অনুষ্ঠানে বিপুলসংখ্যক আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীসহ প্রবাসীরা উপস্থিত ছিলেন।
সংগঠনের সভাপতি এডভোকেট ছায়াদ আহমেদ এবং সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন স্বপন অনুষ্ঠানে আগত সকলকে ধন্যবাদ জানান।
সৌদি সফরে কাটছাঁট, দিল্লিতে ফিরছেন মোদি
জম্মু ও কাশ্মীরের অনন্তনাগ জেলার পাহালগামের বাইসরান উপত্যকায় ভয়াবহ হামলায় বিদেশি নাগরিকসহ অন্তত ২৬ জন পর্যটক নিহত হয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে সৌদি আরব সফর সংক্ষিপ্ত করে বুধবার সকালে দেশে ফিরছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
নিরাপত্তা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের কমিটির সঙ্গে তিনি বৈঠকে বসবেন বলে জানা যাচ্ছে। বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এএনআই।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের জম্মু ও কাশ্মীরে ভয়াবহ হামলায় ২৬ জন নিহত হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সৌদি আরব সফর সংক্ষিপ্ত করে দিল্লিতে ফিরে এসেছেন। এর আগে সৌদি আরবে আয়োজিত আনুষ্ঠানিক নৈশভোজ এড়িয়ে দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেন মোদি।
মূলত বুধবার রাতে তার ফেরার কথা ছিল। তবে মঙ্গলবার পাহলগামে সন্ত্রাসী হামলার পর বুধবার সকালে তিনি ভারতে পৌঁছেছেন। সৌদি ক্রাউন প্রিন্স মোহাম্মাদ বিন সালমান হামলার নিন্দা জানিয়ে শোক প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী মোদি এবং সৌদি প্রিন্স সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন।
জেদ্দায় থাকা অবস্থায় এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তাৎক্ষণিক বিবৃতি দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এটি মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। দোষীদের কঠোর শাস্তি দেয়া হবে।’
মঙ্গলবার বিকেলে কাশ্মীরের পেহেলগামে হামলা হয়। হিমালয়ের কোলে অবস্থিত মনোরম শহর পেহেলগামকে ‘ভারতের সুইজারল্যান্ড’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়। জনপ্রিয় এই পর্যটন নগরীর এই হামলা ২০১৯ সালে পুলওয়ামা হামলার পর কাশ্মীরে সবচেয়ে প্রাণঘাতী হামলা।
পশ্চিমবঙ্গে সহিংসতা নিয়ে বাংলাদেশের মন্তব্যকে ‘অযৌক্তিক’ বলছে ভারত
জেতা ম্যাচ অবিশ্বাস্যভাবে হেরে গেলো রাজস্থান
লক্ষ্য ১৮১। ১৭ ওভার শেষে রান ২ উইকেটে ১৬৫। ১৮ বলে দরকার ২৫ রান, হাতে ৮ উইকেট। এই ম্যাচও কিনা অবিশ্বাস্যভাবে হেরে বসলো রাজস্থান রয়্যালস, হাতে ৫ উইকেট রেখে! হ্যাঁ, আইপিএলে রুদ্ধশ্বাস এক ম্যাচে রাজস্থান রয়্যালসকে ২ রানে হারিয়েছে লখনৌ সুপার জায়ান্টস। ৮ ম্যাচে ৫ জয়ে পয়েন্ট তালিকার চারে উঠে এসেছে রিশাভ পান্তের দল। সমান ম্যাচে ষষ্ঠ হারের স্বাদ পেয়েছে রাজস্থান।
জসশ্বী জয়সওয়াল আর বৈভব সূর্যবানসির ৫২ বলে ৮৫ রানের উদ্বোধনী জুটিতে রান তাড়ায় শক্ত ভিত পায় রাজস্থান। সূর্যবানসি ২০ বলে ৩৪ আর জয়সওয়াল ৫২ বলে খেলেন ৭৪ রানের ইনিংস। অধিনায়ক রিয়ান পরাগ করেন ২৬ বলে ৩৯। ১৮ ওভারে তিনি আউট হওয়ার পর ধ্রুব জুরেল, সিমরন হেটমায়ার আর শুভাম দুবে রান তাড়া করতে পারেননি। ৫ উইকেটে ১৭৮ রানে থামে রাজস্থান। এর আগে ১৯ ওভার শেষে লখনৌ সুপার জায়ান্টসের রান ছিল ৫ উইকেটে ১৫৩। শেষ ওভারে আবদুল সামাদ ঝলক দেখালেন। সন্দিপ শর্মার ওই ওভারে চার ছক্কা হাঁকালেন ডানহাতি এই ব্যাটার। তার ১০ বলে ৩০ রানের ক্যামিওতে ভর করে ৫ উইকেটে ১৮০ রানের চ্যালেঞ্জিং পুঁজি দাঁড় করায় লখনৌ।জয়পুরে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে লখনৌ সুপার জায়ান্টসের এইডেন মার্করাম ঝোড়ো শুরু করলেও টপঅর্ডারের বাকি ব্যাটাররা সুবিধা করতে পারেননি। মিচেল মার্শ ৬ বলে ৪, নিকোলাস পুরান ৮ বলে ১১ আর রিশাভ পান্ত ৯ বল খেলে ফেরেন মাত্র ৩ রানে।
৩১ বলে ফিফটি করেন মার্করাম। ৫৪ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর আয়ুশ বাদোনির সঙ্গে জুটি গড়েন তিনি। এই জুটিতে আসে ৪৯ বলে ৭৬ রান।
৪৫ বলে ৫ বাউন্ডারি আর ৩ ছক্কায় ৬৬ করে থামেন মার্করাম। ৩৪ বলে ৫ চার আর ১ ছক্কায় ৫০ করেন আয়ুশ। কিন্তু এই দুজন ছাড়া বাকিরা দলের জন্য সেভাবে অবদান রাখতে না পারায় অল্পতেই থামার শঙ্কায় ছিল লখনৌ। কিন্তু শেষ ওভারে আবদুল সামাদ চমক দেখিয়েছেন। ১০ বলে ৪ ছক্কায় তার ৩০ রানের ইনিংসটি লখনৌকে এনে দিয়েছে স্বস্তি।


