Home Blog Page 458

শেখ হাসিনাসহ ১৫ জনকে সাক্ষ্য দিতে তলব

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় শেখ হাসিনাসহ ১৫ জনকে সাক্ষ্য দিতে তলব করেছে জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন।

শনিবার (৮ মার্চ) এ সংক্রান্ত বিশেষ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে কমিশন। আগামী সাত দিনের মধ্যে কমিশনের ধানমন্ডি কার্যালয়ে হাজির হয়ে বা অনলাইনে সাক্ষ্য দিতে বলা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি পিলখানায় বিডিআর সদর দফতরে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের তদন্ত প্রক্রিয়ায় ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। তারা হলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) তারেক আহমেদ সিদ্দিক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র ফজলে নূর তাপস, গোপালগঞ্জ-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) শেখ ফজলুল করিম সেলিম, ঢাকা-১৩ আসনের সাবেক এমপি জাহাঙ্গীর কবির নানক, জামালপুর-৩ আসনের সাবেক এমপি মির্জা আজম, ঢাকা-৮ আসনের সাবেক এমপি আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, ৪৪ রাইফেল ব্যাটালিয়নের তৎকালীন অধিনায়ক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) মুহাম্মদ শামসুল আলম।

এছাড়া ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) মোল্লা ফজলে আকবর, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) মঈন ইউ আহমেদ, সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) আজিজ আহমেদ, র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক হাসান মাহমুদ খন্দকার, সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা আবদুল কাহার আকন্দ, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক নূর মোহাম্মদ ও পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মনিরুল ইসলাম।

এই ব্যক্তিরা দু’ পদ্ধতির যেকোনো একটির মাধ্যমে সাক্ষ্য দিতে পারেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। একটি হচ্ছে কমিশনের কার্যালয়ে হাজির হয়ে সাক্ষ্য প্রদান। কমিশনের কার্যালয়ে হাজির হয়ে সাক্ষ্য প্রদানে আগ্রহী ব্যক্তিরা +৮৮০১৭১৪০২৬৮০৮ মোবাইল নম্বরে সরাসরি যোগাযোগ করে অথবা commission@bdr-commission.org এই ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে সাক্ষাতের সময়সূচি নির্ধারণ করে কমিশনের কার্যালয়ে হাজির হয়ে সাক্ষ্য দিতে পারবেন। কার্যালয়ের ঠিকানা- বিআরআইসিএম, নতুন ভবন, সপ্তম তলা, (সায়েন্স ল্যাবরেটরি), ড. কুদরাত-এ-খুদা রোড, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৫।

কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, অনলাইনেও সাক্ষ্য দেয়া যাবে। ওই মুঠোফোন নম্বরে অথবা ওই ই-মেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করে সাক্ষাতের সময়সূচি নির্ধারণ করে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সাক্ষ্য দেয়া যাবে।

সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে কমিশন ওই ব্যক্তিদের সাক্ষ্য গ্রহণ কার্যক্রম ৩১ মার্চের মধ্যে সম্পন্ন করতে চায়। এ কারণে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের সাত দিনের মধ্যে সাক্ষীদের তাদের প্রস্তাবিত সময়সূচি ফোনকল অথবা ই-মেইল অথবা পত্রের মাধ্যমে কমিশনের ঠিকানায় লিখিতভাবে জানানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

সাক্ষীদের অসহযোগিতার ক্ষেত্রে জাতীয় স্বাধীন তদন্ত কমিশন আইন অনুযায়ী কার্যকর ব্যবস্থা নেবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

কেউ হুমকি দিলে বিএনপি কি চুপ থাকবে, টুকু

ছাত্রদের নতুন দল যদি হুমকি-ধামকি দেয় তাহলে বিএনপি চুপ করে বসে থাকবে কিনা- এমন প্রশ্ন রেখেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।

শনিবার (৮ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৯তম কারাবন্দী দিবস উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সভার আয়োজন করে উত্তরাঞ্চল ছাত্র ফোরাম।

জাতীয় নাগরিক পার্টির নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘দল করে যদি হুমকি দাও, যে এটা না হলে ওটা হবে না, ওটা না হলে, এটা হবে না। তাহলে আমরা যে এতদিন দল করে, এতবড় একটা দল তৈরি করছি, তাহলে কি আমরা চুপ করে বসে থাকব?’

‘প্রত্যেকটা জিনিসের একটা ম্যাচুরিটি লাগে’ এমন মন্তব্য করে টুকু বলেন, ‘উনারা (ছাত্ররা) নতুন রাজনৈতিক দল করেছেন, আমরা জিয়াউর রহমানের দল করি। শহীদ জিয়া সবসময় বহুদলীয় গণতন্ত্র বিশ্বাস করেছেন। একজন জেনারেল কিন্তু ক্ষমতায় গিয়ে সব চাইতে গণতান্ত্রিক চেহারা দেখিয়েছিলেন। আওয়ামী লীগের মতো দলকেও উন্মুক্ত করে দিয়েছিলেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘তারেক রহমান দেশে আসবে, নির্বাচনও হতে হবে। জনগণ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ সবাই মিলে এ আন্দোলনকে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছি।’

ভারতের অঙ্গরাজ্য আসামের ছাত্রদের ইতিহাস ও প্রসঙ্গ তুলে ধরে ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেন, ‘আসামে ছাত্রদের দ্বারা গঠিত সরকার বেশিদিন টিকতে পারেনি। ভারতের আসামে একবার কংগ্রেস ক্ষমতায় ছিল। তখন আসামের ছাত্ররা আন্দোলন করে সেখানকার সরকারের পতন ঘটিয়েছিল। পরে আসাম অধিকার পরিষদ নামে একটি ছাত্র পরিষদ করেছিল। তারা নির্বাচন করে নিরঙ্কুশ জয় লাভ করেছিল। ক্ষমতায় গিয়েছিল কিন্তু তারা সরকার বেশিদিন চালাতে পারেনি। নয় মাস কি এক বছর হয়েছিল সেই সরকারের বয়স। পরে পতন হয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘আজকে আমি খুব আতঙ্কিত হই। যে এদেশে মানুষ আমরা, আমাদের যে মাটি সংস্কৃতি আছে, সেটার মধ্য দিয়ে বড় হয়েছি আমরা। জিয়াউর রহমান সাহেব যখন প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন, পহেলা বৈশাখের মধ্যরাতে উনি রমনা বটমূলে গেছেন, উদযাপন করেছেন। কেননা, এটা আমাদের মাটি থেকেও উঠে এসেছে।’

বিএনপির সিনিয়র এ নেতা বলেন, ‘আমাদের দেশে যেমন রীতি আছে। সেসব পালন করা তার সাথে ধর্মের কোনো দ্বন্দ্ব নেই। প্রত্যেকটি দেশের নাগরিক তাদের নিজস্ব সংস্কৃতি আছে। এ জিনিসগুলোকে বন্ধ করার যে অপচেষ্টা চলছে। এটা হচ্ছে বাংলাদেশের মধ্যে অস্থিতিশীলতা তৈরি করা, ঘোলা পানি তৈরি করা।’

‘আমরা বিএনপি পরিবার’র আহ্বায়ক ও বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমনের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন বিএনপি’র রাজশাহী বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আমিরুল ইসলাম আলিম, জিয়া শিশু কিশোর সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোশাররফ হোসেন, ‘আমারা বিএনপি পরিবার’র উপদেষ্টা মো: আবুল কাশেম, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সাংগঠনিক সম্পাদক নাজমুল হাসান, ‘আমরা বিএনপি পরিবার’র সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনসহ বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে করিডোর চায় মেঘালয়

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাথে দেশটির বাকি অংশের যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে করিডোরে আগ্রহী মেঘালয় সরকার।

শুক্রবার (৭ মার্চ) ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেঘালয় সরকার বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে রাজ্য ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের সাথে দেশের বাকি অংশের যোগাযোগ বৃদ্ধির জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। আর তা হিলি-মহেন্দ্রগঞ্জ ট্রান্সন্যাশনাল ইকোনমিক করিডোরের মাধ্যমে সম্ভব হবে।

হিলি পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত শহর আর মহেন্দ্রগঞ্জ মেঘালয়ের সীমান্ত শহর। উভয় অঞ্চলেরই বাংলাদেশের সাথে সীমান্ত রয়েছে। তাই প্রস্তাবিত এই করিডোরটি মেঘালয়ের মহেন্দ্রগঞ্জের সাথে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বন্দরশহর হিলিকে সংযুক্ত করতে পারবে।

মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা বলেছেন, ১০০ কিলোমিটার দীর্ঘ এই করিডোরটি কলকাতা থেকে তুরা, বাগমারা, ডালু এবং ডাউকির মতো উন্নয়নকেন্দ্রগুলোর সাথে যোগাযোগের সময় এবং খরচ ২৫-৬০ শতাংশ কমিয়ে আনতে পারবে।

সূত্র : এনডিটিভি

নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়কের খুঁজে বিসিবি

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ব্যর্থতার পর নাজমুল হোসেন শান্তকে ওয়ানডে অধিনায়ক রাখা হবে কি না, তা সময়ই বলবে। তবে টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্বে পরিবর্তন অনেকটাই নিশ্চিত। ইতোমধ্যে তার বিকল্প হিসেবে লিটন দাসের নাম ভেসে বেড়াচ্ছে ক্রিকেট পাড়ায়।

নাজমুল হোসেন শান্তর টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছাড়ার খবরটা অবশ্য পুরনো। গত বছরেই এই নিয়ে কথা খবর আসে গণমাধ্যমে। বছরের শুরুতে বোর্ড প্রধান ফারুক আহমেদও নিশ্চিত করেছিলেন সেই খবর।

বলেছিলেন, টি-টোয়েন্টি নেতৃত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছের কথা তাকে জানিয়েছেন শান্ত। তবে এরপর বিসিবির পক্ষ থেকে তখন চূড়ান্ত কিছু জানানো হয়নি। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের ব্যস্ততা না থাকায় বিসিবিরও তাড়া ছিল না।

তবে এখন সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় এগিয়ে এসেছে। তাই অবধারিতভাবেই নতুন অধিনায়ক খুঁজতে হবে বিসিবিকে। ফলে ক্রিকেট পাড়ায় প্রশ্ন, তবে কে হবেন নতুন টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক?

এমনই এক প্রশ্নের জবাবে শনিবার (৮ মার্চ) মিরপুরে তৃতীয় বিভাগ বাছাইয়ের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে ফারুক আহমেদ বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নেব। খুব শিগগির জানা যাবে। টি-টোয়েন্টির অধিনায়কত্ব করেছেন, আর যারা এখনো দলের বাইরে নয়। এ রকম কাউকে আমরা চেষ্টা করব।’

সাম্প্রতিক সময়ে নাজমুল হোসেন শান্ত বাদে টি–টোয়েন্টিতে অধিনায়কত্ব করা একমাত্র ক্রিকেটার লিটন দাস। গত বছর ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তিন টি-টোয়েন্টিতে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। সবকিছু ঠিক থাকলে লিটনই এগিয়ে সবার থেকে।

সাকিব আল হাসান নেই, তামিম ইকবালও নিজেকে সরিয়ে নিয়েছেন আগেই। সদ্যই অবসর নিলেন মুশফিকুর রহিম আর মাহমুদউল্লাহ রিয়াদও শেষের পথে। ফলে বিসিবি সভাপতির কাছে প্রশ্ন ছিল দলকে নতুন করে সাজানো নিয়ে।

উত্তরে ফারুক আহমেদ বলেন, ‘আমাদের চেষ্টা থাকবে। আমি আগামী বিশ্বকাপে বিশ্বাস করি না। বোর্ড থেকে একটা পলিসি দেয়া হবে। আমরা বলে দেব কী চাই। ক্রিকেট অপারেশন্সের সাথে আলাপ করে চিন্তা করব আমাদের ক্রিকেটটাকে কিভাবে এগিয়ে নেয়া যায়।’

চীন-পাকিস্তানের যোগসাজশ দিল্লির জন্য যুদ্ধের আশঙ্কা : ভারতের সেনাপ্রধান

ভারতের সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী বলেছেন, পাকিস্তান এবং চীনের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের যোগসাজশ রয়েছে। এই দুই দিক থেকেই ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের আশঙ্কা রয়েছে। ইন্ডিয়া টুডেকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বিষয়টি নিয়ে তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

চীন এবং পাকিস্তানের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা প্রসঙ্গে উপেন্দ্র বলেন, আমাদের স্বীকার করতেই হবে যে চীন এবং পাকিস্তানের মধ্যে একটি উচ্চ পর্যায়ের যোগসাজশ রয়েছে। ভার্চুয়াল মাধ্যমে তা প্রায় শতভাগ। পাকিস্তানের যাবতীয় সরঞ্জাম চীন থেকে আসে। ফলে দু’দিক থেকেই ভারতের বিরুদ্ধে যুদ্ধের আশঙ্কার বিষয়টি বাস্তব।

জম্মু ও কাশ্মীরের সীমান্ত দিয়ে পাকিস্তান থেকে অনুপ্রবেশ ঘটছে বলে দাবি করেন সেনাপ্রধান। তার আশঙ্কা, এর ফলে আগামী দিনে উপত্যকায় সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ আরো বৃদ্ধি পেতে পারে। তবে কাশ্মীরে উগ্রবাদী হামলার ঘটনা আগের চেয়ে অনেক কমেছে বলে মনে করেন তিনি।

তবে পাকিস্তান থেকে অনুপ্রবেশ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে সেনাপধান বলেন, গত বছরে কাশ্মীরে যেসব হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তাদের ৬০ শতাংশই পাকিস্তানের নাগরিক। ফলে প্রতিবেশী দেশ থেকে অনবরত বহিরাগত হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে ভারত।

সূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

মাগুরার ধর্ষণের শিকার সেই শিশুকে নেয়া হলো সিএমএইচে

মাগুরায় ধর্ষণের শিকার সেই শিশুটিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল থেকে রাজধানীর সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচে) পাঠানো হয়েছে।

ঢামেক হাসপাতালের উপপরিচালক আশরাফুল আলম শনিবার (৮ মার্চ) বিকেল ৫টার দিকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, ধর্ষণের শিকার শিশুটিকে আজ দুপুরে ঢামেক হাসপাতালে দেখতে যান সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা শারমিন মুর্শিদ। উপদেষ্টার নির্দেশ ও শিশুটির চিকিৎসায় গঠিত মেডিক্যাল বোর্ডের সুপারিশে শিশুটিকে সিএমএইচে পাঠানোর সিদ্ধান্ত হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আজ বিকেল ৫টার পর শিশুটিকে কার্ডিয়াক অ্যাম্বুলেন্সে সিএমএইচে নেয়া হয়। এ সময় শিশুটির সাথে একদল চিকিৎসক ছিলেন।

এর আগে আজ দুপুরে ঢামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো: আসাদুজ্জামান জানিয়েছিলেন, শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক। ভেন্টিলেটর যন্ত্রের সাহায্যে তার শ্বাসপ্রশ্বাস চলছে। পাশবিক নির্যাতনের কারণে শিশুটির যৌনাঙ্গে ক্ষত রয়েছে। তার গলার আঘাত গুরুতর। শিশুটির চিকিৎসায় গাইনি ও অ্যানেসথেসিওলজি বিভাগের চিকিৎসকদের নিয়ে মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। তাদের সর্বোচ্চ চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে বলা হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার মাগুরা শহরে বোনের বাড়িতে বেড়াতে এসে ধর্ষণের শিকার আট বছরের ওই শিশুর এখনো অচেতন। তার জ্ঞান ফেরেনি। চিকিৎসকেরা বলেছেন, তারা আগামী ২৪ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখবেন। অচেতন অবস্থায় শিশুটিকে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ঢামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে অচেতন অবস্থায় শিশুটিকে মাগুরা ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে আনা হয়। সেখান থেকে দুপুরেই উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে সেখান থেকে পাঠানো হয় ঢামেক হাসপাতালে।

হিযবুত তাহরীরের অন্যতম সংগঠকসহ ৩৬ সদস্য গ্রেফতার

নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন হিযবুত তাহরীরের অন্তত ৩৬ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতার ব্যক্তিদের মধ্যে ২০০৯ সালে রাষ্ট্রবিরোধী প্রচারণার অন্যতম সংগঠক সাইফুল ইসলামও রয়েছেন। গতকাল শুক্রবার থেকে আজ পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

শনিবার (৮ মার্চ) প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং একথা জানিয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, ঢাকার বায়তুল মোকাররম মসজিদের বাইরে সমাবেশে অংশ নেয়া নিষিদ্ধঘোষিত দলটির সদস্যদের ধরতে পুলিশ দেশব্যাপী অভিযান শুরু করেছে।

এ বিষয়ে পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম বলেন, ‘আমরা সমাবেশের ভিডিও ফুটেজ বিশ্লেষণ করছি। হিজবুত তাহরীরের অনেক সদস্যকে চিহ্নিত করা হয়েছে। নিষিদ্ধ সংগঠনের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে যোগদানের জন্য তাদের গ্রেফতার করা হবে।’

সংগঠনটির সদস্যদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে বেশ কয়েকটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

সূত্র : বাসস

বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ শুরু করেছে স্টারলিংক

বাংলাদেশে গ্রাউন্ড আর্থ স্টেশন স্থাপনে সহায়তা দিতে যুক্তরাষ্ট্রের টেলিকম জায়ান্ট স্টারলিংকের অংশীদার হয়ে কাজ করছে কয়েকটি বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠান।

প্রধান উপদেষ্টার ডাক টেলিযোগাযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব শনিবার (৮ মার্চ) এই তথ্য নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, বর্তমানে স্টারলিংকের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফরে রয়েছেন। এই সফরে বাংলাদেশে স্টারলিংক ইন্টারনেট সেবা চালু করতে সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে চুক্তি হয়েছে।

স্টারলিংক প্রতিনিধিদলের সফরের ফলে বাংলাদেশী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের আগ্রহী ক্ষেত্রগুলো সম্পর্কে জানতে পেরেছে। কিছু ক্ষেত্রে দেশীয় প্রতিষ্ঠান তাদের নিজস্ব সম্পদ ব্যবহারে সহায়তা দেবে, আবার কিছু ক্ষেত্রে স্টারলিংক হাইটেক পার্কের জমি ব্যবহারের বিষয়টি বিবেচনা করছে।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান, লোকেশন নির্ধারণ এবং বাস্তবায়ন সংক্রান্ত বিস্তারিত আলোচনা চলমান রয়েছে।

ফয়েজ আহমদ আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, স্টারলিংক বাংলাদেশের শহর ও প্রত্যন্ত অঞ্চল, উত্তরাঞ্চল এবং উপকূলীয় এলাকাগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চগতির ইন্টারনেট নিশ্চিত করবে, যা লোডশেডিং বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের বাঁধা থেকে মুক্ত থাকবে।

তিনি আরো বলেন, ‘এটি নিরবচ্ছিন্ন এবং উচ্চমানের সেবা নিশ্চিত করবে। যেহেতু বাংলাদেশে টেলিকম-গ্রেড ফাইবার নেটওয়ার্কের কভারেজ সীমিত এবং অনেক দূরবর্তী এলাকায় এখনো লোডশেডিং সমস্যা রয়েছে, স্টারলিংক আমাদের উদ্যোক্তা, ফ্রিল্যান্সার, এনজিও এবং এসএমই ব্যবসায়ীদের দৈনন্দিন কার্যক্রম এবং ডিজিটাল অর্থনৈতিক উদ্যোগকে ত্বরান্বিত করবে।’

তিনি জানান, ‘আমরা আগামী ৯০ দিনের মধ্যে স্টারলিংকের সাথে যৌক্তিক একটি মডেল বাস্তবায়নের চেষ্টা চালিয়ে যাব।’

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ১৯ ফেব্রুয়ারি এক চিঠিতে মার্কিন শীর্ষ ব্যবসায়ী ও স্পেসএক্স-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলন মাস্ককে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান এবং দেশে স্টারলিংক স্যাটেলাইট সেবা চালুর আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টার উদ্ধৃতি দিয়ে ফয়েজ আহমেদ জানান, বাংলাদেশ সফরের মাধ্যমে তিনি দেশের তরুণ-তরুণীদের সাথে সাক্ষাৎ করার সুযোগ পাবেন, যারা এই অত্যাধুনিক প্রযুক্তির অন্যতম প্রধান সুবিধাভোগী হবেন।

অধ্যাপক ইউনূস তার হাই রিপ্রেজেনটেটিভ ড. খলিলুর রহমানকে নির্দেশ দেন যেন তিনি স্পেসএক্স দলের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে সমন্বয় করেন, যাতে আগামী ৯০ কর্মদিবসের মধ্যে বাংলাদেশে স্টারলিংক চালুর জন্য প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করা যায়।

উল্লেখ্য, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি, প্রধান উপদেষ্টা স্পেসএক্স, টেসলা এবং এক্স-এর প্রতিষ্ঠাতা ইলন মাস্কের সাথে দীর্ঘ টেলিফোন আলোচনা করেন, যাতে ভবিষ্যৎ সহযোগিতা ও বাংলাদেশে স্টারলিংক স্যাটেলাইট ইন্টারনেট পরিষেবা চালুর বিষয়ে অগ্রগতি অর্জন করা যায়।

সূত্র : বাসস

রোববার ফাইনাল ম্যাচ হলে হারে ভারত

সাদা বলের ক্রিকেটে ভারতীয় পুরুষ ক্রিকেট দল কি রোববার ‘সিনড্রোমে’ ভোগে? ঐতিহাসিকভাবে পরিসংখ্যানে চোখ রাখলে অত্যন্ত তেমনটাই মনে হবে। কারণ ভারত যখনই আইসিসি আয়োজিত সীমিত ওভারের ক্রিকেটের কোনো টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠেছে এবং সে ম্যাচটি রোববার হয়েছে, সেখানে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই হেরে গেছে টিম ইন্ডিয়া।

এ ‘ফাঁড়া’ কাটাতে পারেননি সৌরভ গাঙ্গুলি থেকে শুরু করে বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মাও। শুধু মাহেন্দ্র সিং ধোনি একবার সেই ফাঁড়া কাটাতে পেরেছিলেন। তাছাড়া বাকিরা সেই রোববার ‘ফাঁড়ায়’ ভুগেছেন।

সবমিলিয়ে সীমিত ওভারের ক্রিকেটে রোববার ছয়টি ফাইনাল (২০০২ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল ধরা হয়নি) খেলেছে ভারতীয় পুরুষ ক্রিকেট দল। তার মধ্যে পাঁচটিতেই হেরে গেছে। আর এবার আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালও পড়েছে রোববার। যা ভারতের ক্রিকেট ভক্তদের নিঃসন্দেহে ঘুম কেড়ে নেবে।

২০০০ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল

ভারতের এই ‘রোববার ফাঁড়া’ শুরু হয়েছিল ২০০০ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল থেকে। ১৫ অক্টোবর (রোববার) ম্যাচ ছিল। টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেটে ২৬৪ রান তুলেছিল সৌরভের নেতৃত্বাধীন ভারত। জবাবে ২ বল বাকি থাকতেই ৪ উইকেটে জিতে গিয়েছিল নিউজিল্যান্ড। আর এবারো চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে ভারতের প্রতিপক্ষ সেই কিউইরা।

২০০৩ সালের বিশ্বকাপ ফাইনাল

শুরুটা আহামরি না হলেও পরে দুর্দান্ত খেলে বিশ্বকাপ ফাইনালে পৌঁছে গিয়েছিল ভারতীয় দল। ফাইনাল হয়েছিল ২৩ মার্চ (রোববার)। প্রথমে ব্যাট করে ২ উইকেটে ৩৫৯ রান তুলেছিল অস্ট্রেলিয়া। জবাবে ২৩৪ রানের বেশি তুলতে পারেনি ভারত। আরেকবার আইসিসি টুর্নামেন্টের ফাইনালে হৃদয় ভেঙেছিল সৌরভের।

২০১৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ফাইনাল

বাংলাদেশের মীরপুরে ফাইনাল হয়েছিল ৬ এপ্রিল। যথারীতি রোববার পড়েছিল। প্রথম ব্যাট করে ৪ উইকেটে মাত্র ১৩৪ রান তুলেছিল ধোনির নেতৃত্বাধীন ভারত। ১৩ বল বাকি থাকতেই ৬ উইকেটে জিতে গিয়েছিল শ্রীলঙ্কা। ধোনির অধীন ভারত যে আইসিসি টুর্নামেন্টের চারটি ফাইনাল খেলেছিল ভারত, তার মধ্যে একমাত্র ২০১৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেই রানার্স-আপ হয়েছিল টিম ইন্ডিয়া।

২০১৭ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল

পুরো টুর্নামেন্টে ভালো খেলেও ফাইনালে দাঁড়াতেই পারেনি টিম ইন্ডিয়া। ফাইনাল হয়েছিল ১৮ জুন (রোববার)। প্রথমে ব্যাটিং করে ৪ উইকেটে ৩৩৮ রান তুলেছিল পাকিস্তান। জবাবে মাত্র ১৫৮ রানে অল-আউট হয়ে গিয়েছিল বিরাটের নেতৃত্বাধীন টিম ইন্ডিয়া। হেরে গিয়েছিল ১৮০ রানে।

২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপ ফাইনাল

আর সেই ১৯ নভেম্বর, রোববার পড়েছিল সেই স্বপ্নভঙ্গের দিনটি। প্রথমে ব্যাটিং করে মাত্র ২৪০ রান করেছিল ভারত। ৪২টি বল বাকি থাকতে থাকতেই অস্ট্রেলিয়া ৬ উইকেটে ফাইনাল জিতেছিল। আর তারপর রোহিত, বিরাট, জসপ্রীত বুমরাহ, কে এল রাহুল, মুহাম্মদ সিরাজ, মুহাম্মদ শামিদের ভেঙে পড়ার ছবিগুলো এখনো ভুলতে পারেননি ভারতীয়রা।

সীমিত ওভারের ক্রিকেটে ভারতের আইসিসি ট্রফি জয়

১. ১৯৮৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনাল : ২৫ জুন (শনিবার) খেলা হয়েছিল।

২. ২০০৭ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল : ২৪ সেপ্টেম্বর (সোমবার) খেলা হয়েছিল।

৩. ২০১১ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনাল : ২ এপ্রিল (শনিবার) খেলা হয়েছিল।

৪. ২০১৩ সালের আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনাল : ২৩ জুন (রোববার) খেলা হয়েছিল।

৫. ২০২৪ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনাল : ২৯ জুন (শনিবার) খেলা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, ২০০২ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালও রোববার হয়েছিল। কিন্তু বৃষ্টির জন্য ২৯ সেপ্টেম্বর (রোববার) ম্যাচটি হয়নি। পরদিন খেলা হয়েছিল। তবে সেদিনও বৃষ্টির জন্য খেলা পরিত্যক্ত হয়েছিল। যুগ্মভাবে চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। (যেহেতু ম্যাচের ফয়সালা হয়নি। তাই হিসেবের মধ্যে ধরা হয়নি।)

সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস

স্বাধীনতা পুরস্কার নেবেন না বদরুদ্দীন উমর

স্বাধীনতা পুরস্কার না নেয়ার ঘোষণা দিয়েছেন লেখক গবেষক ও রাজনীতিক বদরুদ্দীন উমর।

বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানান তিনি।

বিবৃতিতে বলা হয়, ১৯৭৩ সাল থেকে আমাকে বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা থেকে পুরস্কার দেয়া হয়েছে। আমি সেগুলোর কোনোটি গ্রহণ করিনি। এখন বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার আমাকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়ার ঘোষণা করেছেন। এজন্য তাদের ধন্যবাদ। কিন্তু তাদের দেয়া এই পুরস্কারও আমার পক্ষে গ্রহণ করা সম্ভব নয়।

উল্লেখ্য, স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর এ পুরস্কার দেয়া হয়।