Home Blog Page 478

নিউইয়র্ক সিটি হাউজিং অথোরিটি বাংলাদেশী-আমেরিকান কর্মকর্তাদের ফ্যামিলি নাইট উদযাপন

নিউইয়র্ক সিটি হাউজিং অথোরিটি বাংলাদেশী-আমেরিকান কর্মকর্তাদের উদ্যোগে গত ২১শে ডিসেম্বর শনিবার জ্যামাইকার তাজমহল পার্টি হলে এক ফ্যামিলি নাইট উদযাপিত হয়। নিউইয়র্ক সিটি হাউজিং অথোরিটির বাংলাদেশী-আমেরিকান কর্মকর্তাদের পরিবার পরিজন সহ প্রায় দুই শতাধিক মানুষ উপস্থিত ছিলেন। গল্প,গান, বক্তৃতা,ছড়া ও নৃত্যের পরিবেশনায় অনুষ্ঠানটি একটি বাঙালি উৎসবে পরিণত হয়েছিল। তাছাড়া হরেক রকমের সুস্বাদু বাঙ্গালী খাবারও পরিবেশিত হয়।

উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক কামাল হোসেন মিঠুর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব মোঃ আসাদুজ্জামান ও সুব্রত তালুকদারের যৌথ পরিচালনায় প্রথমেই সবার উদ্দেশ্যে স্বাগত বক্তব্য রাখেন আহ্বায়ক কামাল হোসেন মিঠু, বক্তব্য রাখেন সৈয়দ রহমান মিজান,ফরিদা ইসলাম,আইরীন ইয়াসমীন,রাশেদ মামুন, নাজমুল ইসলাম,ডালি আকতার, সলিমউল্লাহ চৌধুরী, শেখ শহীদ , সানাউল হক,আকতার হোসেন,মোহাম্মদ রহিম পলাশ, অনুপমা দেবনাথ, রিজওয়ানা রাশিদ।অবসরপ্রাপ্ত সাবেক কর্মকর্তাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন,মীর মাহমুদ,কামাল আহমেদ,আতাউর চৌধুরী ,মহসিন জামান,খন্দকার আমিরুল ইসলাম প্রমুখ। তাছাড়া ছড়া পাঠ করে নিউইয়র্কের বিশিষ্ট ছড়াকার মঞ্জুর কাদের।

এ সময় অন্যান্য কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন
মোক্তার হোসেন,আবু কামাল,সুলতানা পারভীন, চন্দ্রনাথ পাল, লুবানা ইসলাম, মোহাম্মদ আজগর, দুর্জয় সাহা, সানিউর রহমান, মাহবুবুর রহমান রাজিব আহমেদ, মোহাম্মদ আজাদ, লায়লা নাহার, নাসিমা হুদা, ইফাত, ফরিদা আক্তার, সুস্মিতা, মহসিন তানিম প্রমুখ।

বক্তব্যের পর পরই শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে শিশু-কিশোরদের পক্ষ থেকে গান পরিবেশন করেন স্বপ্নীল তালুকদার। তারপর হাউজিং অথরিটি কর্মকর্তাদের মধ্যে গান পরিবেশন করেন সানাউল হক, নাজ কামাল। তবে হাউজিং অথোরিটি কর্মকর্তাদের মধ্যে দর্শকদের গান গেয়ে মাতিয়ে তুলেন বাপ্পি সোম ও শামীম রেজা এবং চন্দ্রা রায়।

সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মূল আকর্ষণ ছিলেন অতিথি শিল্পী, বিশিষ্ট সঙ্গীতশিল্পী কৃষ্ণা তিথি। তিনি রাত ১০:১৫ থেকে রাত ১২:০০ পর্যন্ত গান পরিবেশন করে দর্শকদের মুগ্ধ করেন।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই কুরআন তেলাওয়াত করেন মোহাম্মদ মহসিন জামান এবং গীতা পাঠ করেন বিধান চন্দ্র পাল। তারপরেই বাংলাদেশ এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দুই দেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশিত হয়। বিজয়ের মাস ডিসেম্বর উপলক্ষে সবাই সকল শহীদদের আত্মার শান্তি কামনায় এবং শ্রদ্ধা জানিয়ে সবাই দাঁড়িয়ে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

আহ্বায়ক কামাল হোসেন মিঠু সহ সকল বক্তাদের বক্তব্যের মূল লক্ষ্যই ছিল বাংলাদেশী-আমেরিকান নিউইয়র্ক সিটি হাউসিং অথোরিটি কর্মকর্তাদেরকে নিয়ে একটি প্লাটফর্ম দাঁড় করানো। বক্তারা বলেন,আমাদের এই অনুষ্ঠানেই প্রমাণ করেছে আমরা সবাই এক এবং অভিন্ন। সুতরাং আমরা অচিরেই একটি সংগঠন গড়ার লক্ষ্য সবাইকে নিয়ে বসব।

টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ে সেরা দশে অফস্পিনার মেহেদী

আইসিসি টি-টোয়েন্টি বোলারদের র‌্যাংকিংয়ে এক লাফে ১৩ ধাপ এগিয়ে ১০ নম্বরে উঠে এসেছেন অফস্পিনিং অলরাউন্ডার শেখ মেহেদী।

বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) ছেলেদের র‍্যাঙ্কিংয়ে আইসিসি-এর সাপ্তাহিক হালনাগাদে এ তথ্য উঠে আসে।

টি-টোয়েন্টিতে ক্যারিবীয়দের হোয়াইটওয়াশ করা তিন ম্যাচ সিরিজে টাইগারদের সেরা পারফরমার ছিলেন শেখ মেহেদী হাসান, যার পুরস্কার পেলেন আইসিসি-এর র‌্যাংকিংয়েও।

ওই তিন ম্যাচেই দুর্দান্ত বোলিং করেছেন মেহেদী, রেখেছেন ব্যাট হাতেও অবদান। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে মাত্র ১৩ রানে ৪ উইকেট শিকার করার পাশাপাশি বল হাতে ২৪ বলে অপরাজিত ২৬ রানের ইনিংস খেলেন তিনি।

লো স্কোরিং দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ব্যাট হাতে ১১ বলে ১১ এবং পরে বল হাতে ২০ রানে ২ উইকেট শিকার করেন এ অফস্পিনার।

তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে ব্যাটিংয়ে শূন্য করলেও বল হাতে ঠিকই আলো ছড়িয়েছেন। ১৩ রান দিয়ে নেন ২টি উইকেট। সবমিলিয়ে তিন ম্যাচে ৩৭ রান দিয়ে আটটি উইকেট শিকার করেন মেহেদী। এমন পারফরম্যান্সের পর বোলিং র‌্যাংকিংয়ে সেরা দশে উঠে এসেছেন তিনি।

মেহেদীর ঠিক পরের অবস্থানেই আছেন বাংলাদেশের আরেক বোলার তাসকিন আহমেদ। ৩ ম্যাচে ৭ উইকেট শিকার করা এ পেসার সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১১ নম্বরে।

এদিকে, বড় লাফ দিয়েছেন রিশাদ হোসেন আর হাসান মাহমুদ। ৩ ম্যাচে ৬ উইকেট শিকার করা রিশাদ হোসেন ২১ ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছেন ১৭তম অবস্থানে, সমান ম্যাচে ৪ উইকেট পাওয়া হাসান ২৩ ধাপ এগিয়ে ২৪ নম্বরে।

ব্যাটিং র‌্যাংকিংয়ে সেরা ত্রিশজনের মধ্যেও নেই বাংলাদেশের কেউ। ক্যারিবীয় সফরে না খেলা তাওহিদ হৃদয় দু’ ধাপ পিছিয়ে ৩১ নম্বরে, লিটন দাস এক ধাপ পিছিয়ে ৪৭তম অবস্থানে।

খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীসহ সবাইকে দেশের উন্নয়নে এগিয়ে আসার আহ্বান প্রধান উপদেষ্টার

প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূস খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীসহ সবাইকে শান্তি, কল্যাণ ও সমৃদ্ধি কামনা করে মানবতার মহান ব্রতে উদ্বুদ্ধ হয়ে দেশের উন্নয়নে এগিয়ে আসার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) বড়দিন উপলক্ষে দেয়া এক বাণীতে খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ‘বড়দিন’ উপলক্ষে এ সম্প্রদায়ের সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান তিনি।

এ উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা গতকাল মঙ্গলবার ঢাকায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়ও করেন।

প্রধান উপদেষ্টা বড়দিনের বাণীতে বলেন, ‘খ্রিষ্টান ধর্মের প্রবর্তক যিশুখ্রিষ্ট এই দিনে বেথেলহেমে জন্মগ্রহণ করেন। পৃথিবীতে ন্যায় ও শান্তি প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে শোষণমুক্ত সমাজ ব্যবস্থা প্রবর্তন ছিল যিশুখ্রিষ্টের অন্যতম ব্রত। মহামতি যিশু বিপন্ন ও অনাহারক্লিষ্ট মানুষের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করেন। তার জীবনাচরণ ও দৃঢ় চারিত্রিক গুণাবলির জন্য তিনি মানব ইতিহাসে অমর হয়ে আছেন।’

বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘হাজার বছর ধরে এদেশে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল ধর্মের মানুষ একসাথে মিলেমিশে বসবাস করছে। এখানে রয়েছে সকল ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের নিজস্ব ধর্ম পালনের পূর্ণ স্বাধীনতা।’

প্রধান উপদেষ্টা বড়দিন দেশের খ্রিষ্টান ও অন্যান্য সম্প্রদায়ের মধ্যকার বিরাজমান সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতিকে আরো সুদৃঢ় করবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

ড. ইউনূস বলেন, ছাত্র-শ্রমিক-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার একটি বৈষম্যহীন সমাজ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে অঙ্গীকারবদ্ধ।

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেনের সঞ্চালনায় খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিদের সাথে গতকাল অনুষ্ঠিত শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে খ্রিষ্টান ধর্মের নেতাদের মধ্যে বাংলাদেশের ক্যাথলিক খ্রিষ্টানদের প্রধান ধর্মগুরু আর্চবিশপ বিজয় এন ডি’ক্রুজ, দ্যা ন্যাশনাল ক্রিশ্চিয়ান ফেলোশিপ অফ বাংলাদেশের সভাপতি বিশপ ফিলীপ পি অধিকারী, বাংলাদেশ ক্রিশ্চিয়ান অ্যাসোসিয়েশনের প্রেসিডেন্ট নির্মল রোজারিও, বাংলাদেশ ক্রিশ্চিয়ান অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ইগ্লাসিওস হেমন্ত কোড়াইয়া এবং বাংলাদেশ খ্রিস্টান মহাজোটের প্রেসিডেন্ট ড্যানিয়েল নির্মল ডি’ কস্তা এসময় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন।

ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ প্রধান উপদেষ্টার নেতৃত্বে বাংলাদেশে উদারতা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি গড়ে উঠবে বলে আশা প্রকাশ করেন এবং খ্রিষ্ট্রান সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

বড়দিন উপলক্ষে খ্রিষ্ট্রান ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টকে অন্তর্বর্তী সরকার আড়াই কোটি টাকা অনুদান দিয়েছে। এজন্য সরকারকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানান খ্রিষ্টান ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ। দেশব্যাপী চার্চগুলোতে এ অনুদান বণ্টন হয়েছে বলে জানান তারা। এসময় বড়দিন উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টাকে একটি বাইবেল উপহার দেন নেতৃবৃন্দ।

বড়দিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, ‘আজকের দিনে আপনাদের সাথে দেখা হওয়ায় আমি খুব খুশি হয়েছি। আমরা ধর্মীয় সংহতি চাই। সংখ্যালঘু, সংখ্যাগরিষ্ঠ এই শব্দগুলো আমরা চাই না। এদেশে আমরা সবাই এক পরিবার, সবাই মিলে একত্রে থাকব- এটা আমাদের স্বপ্ন। এ স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য সবার এগিয়ে আসতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা মানুষ একই। আমাদের মানুষ পরিচয় আগে, তারপর ধর্ম। প্রত্যেক ধর্মে শান্তির বাণী আছে। সেই শান্তির বাণী নিজের মধ্যে স্থাপন করতে হবে। তাহলেই বিভেদ দূর হবে। নিজ নিজ ধর্মের শান্তির বাণী নিজের মনের মধ্যে স্থাপন করা গেলে অন্য ধর্মের মধ্যেও তা খুঁজে পাবেন। তখন আর অন্য ধর্মের সাথে বিভেদ হবে না। আমাদের ছেলে-মেয়েরা সুন্দর শৈশব পাবে।’

শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল, শিল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

সূত্র : বাসস

ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে একসাথে কাজ করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

দেশ ও জনগণের কল্যাণে কাজ করতে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে একসাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন।

বুধবার বঙ্গভবনে বড়দিন উপলক্ষে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীর বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এ আহ্বান জানান।

বড়দিন উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি এবং তার সহধর্মিনী ড. রেবেকা সুলতানা খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের সম্মানে এ শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।

ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন, আর্চবিশপ বিজয় এন.ডি.ক্রুজ, ভ্যাটিকানের রাষ্ট্রদূত কেভিন এস র‍্যান্ডেল এবং রাষ্ট্রপতির সচিবরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। বাংলাদেশকে একটি বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত এবং ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনকে আরো মজবুত করার ওপর জোর দেন রাষ্ট্রপতি।

এর আগে, রাষ্ট্রপতি মো: সাহাবুদ্দিন বড় দিনের একটি কেক কাটেন। পরে, রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রিত অতিথিদের সাথে কুশল বিনিময় করেন। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধি, খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের নেতারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

সূত্র : ইউএনবি

চলতি সপ্তাহে ইসরাইলে তৃতীয় হামলা হাউছিদের

চলতি সপ্তাহে ইসরাইলে তৃতীয়বারের মতো হামলা করেছে ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হাউছি সম্প্রদায়। এতে এই সপ্তাহে কয়েক মিলিয়ন ইসরাইলি আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বাধ্য হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ ডিসেম্বর) শসস্ত্র গোষ্ঠীটি এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানিয়েছে।

আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার ভোরে মধ্য ইসরাইলকে লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে হাউছি সম্প্রদায়। এ নিয়ে চলতি সপ্তাহে তৃতীয়বারের মতো হামলা চালায় গোষ্ঠীটি।

সূত্রটি জানিয়েছে, এ হামলায় হাউছিদের ব্যবহার করা ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ভূপাতিত করেছে ইসরাইলি সেনারা। এ ঘটনায় মধ্য ইসরাইলে সতর্কতামূলক সাইরেন বাজানো হয়েছিল।

ইসরাইলের ব্রডকাস্টিং কর্পোরেশন জানিয়েছে, হামলায় মধ্য ইসরাইল থেকে অনেকে পালিয়ে আশ্রয়কেন্দ্রে উঠেছে। এ সময় দ্রুত আক্রান্ত এলাকা ত্যাগ করতে গিয়ে ২০ এর বেশি ইসরাইলি আহত হয়েছে।

হাউছিরা গতকাল ঘোষণা করেছিল, অধিকৃত ফিলিস্তিনি এলাকায় ইসরাইলি বাহিনীর দু’টি ঘাঁটি লক্ষ্য করে ড্রোন হামলা করেছে ইসরাইলি সেনারা।

গোষ্ঠীটির সামরিক মুখপাত্র ইয়াহিয়া এক বিবৃতিতে বলেছেন, তার বাহিনী ইসরাইলের দু’টি সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ইয়াফা নামের দু’টি ড্রোন নিক্ষেপ করেছে।

তিনি আরো বলেন, তারা অধিকৃত আসকালান ও হাইফা নগরীতে ওই হামলা চালায়। এ সময় তাদের ড্রোনগুলো সঠিকভাবে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম হয়েছে।

এসব হামলার কথা স্বীকার করেছে ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

সূত্র : আল জাজিরা

জানুয়ারির প্রথমার্ধে লন্ডন যাচ্ছেন খালেদা জিয়া

সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া জানুয়ারির প্রথমার্ধে চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যাচ্ছেন।

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও খালেদা জিয়ার প্রধান চিকিৎসক অধ্যাপক ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেন আজ বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তবে বেগম জিয়ার বিদেশ যাত্রা নিয়ে সুনির্দিষ্টভাবে কোনো তারিখ নির্ধারিত করা হয়নি। ইতোমধ্যে কয়েকটি গণমাধ্যম সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনও করেছে। এর আগেও বেশ কয়েকবার খালেদা জিয়ার লন্ডন যাত্রার তারিখ নির্ধারিত করা হয়েছিল। কিন্তু তার শারিরীক অবস্থার ভারসাম্য বজায় না থাকায় তারিখ পরিবর্তন হচ্ছে।

মঙ্গলবার রাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে খালেদা জিয়ার বিদেশী সঙ্গীদের একটি তালিকা ছড়িয়ে পড়ে। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক নেতা মামুন খান এবং শ্যামলী এই দু’জন তাদের ফেসবুকে খালেদা জিয়ার বিদেশ সঙ্গীদের তালিকা প্রকাশ করে চূড়ান্ত তালিকা দাবি করেছেন।

বিভিন্ন মাধ্যমে বলা হচ্ছে, বেগম খালেদা জিয়া সাতজন চিকিৎসকসহ ১৬ সদস্যের একটি টিম নিয়ে চিকিৎসার জন্য আগামী ৭ জানুয়ারি লন্ডন যাচ্ছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তিনি ৭ জানুয়ারি রাত ১১টায় লন্ডনের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন।

ব্রিটেন ও যুক্তরাষ্ট্রে তিনি চিকিৎসা নেবেন। বেগম খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক, কর্মকর্তা, পরিবারের সদস্য এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দ তার সফরসঙ্গী হিসেবে যাচ্ছেন।

বেগম খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর স্ত্রী সৈয়দা শর্মিলা রহমান, বিএনপি চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. মো: এনামূল হক চৌধুরী, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য তাবিথ মোহাম্মদ আউয়াল, ডা. ফখরুদ্দীন মোহাম্মদ সিদ্দিক, ডা. মো: শাহাবুদ্দীন তালুকদার, ডা. নূরুদ্দীন আহমাদ, ডা. মো: জাফর ইকবাল, ডা. মোহাম্মদ আল মামুন, ডা. শরিফা করিম স্বর্ণা, চেয়ারপারসনের ব্যক্তিগত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, সহকারী ব্যক্তিগত সচিব মো: মাসুদুর রহমান, প্রটোকল কর্মকর্তা এস এম পারভেজ, হাউজমেড ফাতেমা বেগম এবং রূপা শিকদার।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য লন্ডন যাত্রার যাবতীয় প্রস্তুতি এরই মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলে জানা গেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় তার আসন্ন সফরকে নির্বিঘ্ন করতে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নিয়েছে। এই সফরে বেগম খালেদা জিয়া ভিআইপি প্রটোকল পাবেন। ফেরার পথে ওমরাহ করতে সৌদি আরব যাবেন।

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন হাসপাতালে ভর্তি

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন প্রচণ্ড জ্বর নিয়ে সোমবার ওয়াশিংটনের একটি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

সাবেক এই প্রেসিডেন্ট গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন শারিরীক জটিলতায় ভূগছেন। তার কার্যালয় এই খবর জানিয়েছে।

৭৮ বছর বয়সী ডেপুটি চিফস অব স্টাফ অ্যাঞ্জেল ইউরিনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে বলেছেন, ‘সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের জ্বর বেড়ে যাওয়ায় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা এবং পর্যবেক্ষনে রাখার জন্য আজ বিকেলে জর্জটাউন ইউনিভার্সিটি মেডিক্যাল সেন্টারে ভর্তি হয়েছেন।’

পোস্টে আরো বলা হয়েছে, ‘তবে তার অবস্থা আগের চেয়ে ভালো।’

এর আগে রক্তের সংক্রমণের কারণে ২০২১ সালের অক্টোবরে কয়েক দফা হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন তিনি। ক্লিনটন ২০০৪ সালে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে চিকিসকের পরামর্শে তার বাইপাস সার্জারি হয়। এর ছয় বছর পর তার হার্টে রিং পরানো হয়।
সূত্র : বাসস

ভারতের মহারাষ্ট্রে ‘অবৈধ বাংলাদেশী’দের বিরুদ্ধে অভিযান, আটক ৮

ভারতের মহারাষ্ট্রে ‘অবৈধ বাংলাদেশী’দের বিরুদ্ধে অভিযান চালাচ্ছে রাজ্য পুলিশ। পৃথক দুটি স্থান থেকে আটক করা হয়েছে আটজনকে। তাদের মধ্যে রফিক শেখ (৪১) নামে একজন আছেন, যিনি গত ২০ বছর ধরে সেখানে অবস্থান করছেন।

মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) এ খবর দিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া।

খবরে বলা হয়েছে, পুলিশ ভিওয়ান্ডির খালহের এলাকা থেকে প্রথম অভিযানে চারজনকে আটক করে। তারা গত ২-৩ বছর ধরে সেখানে অবস্থান করছিলেন এবং শ্রমিক হিসেবে কাজ করছিলেন।

তাদেরকে নারপোলি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

অপর অভিযানে ভিওয়ান্ডির কংগাঁওয়ের একটি ফ্ল্যাট থেকে চারজনকে আটক করা হয়েছে। তারা হলেন রফিক শেখ, তার ভাই মাহমুদুল (২২), কাজের লোক আনসার চৌধুরী (৩৫) ও শিভালি শিশেব (৩৩) নামে অপর এক নারী।

পুলিশ জানিয়েছে, রফিক শেখ প্রথমে ভারতে আসেন। পরে তার ভাই ও কর্মচারীকে আনেন।

এদিকে, ভারতীয় বার্তা সংস্থা পিটিআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মহারাষ্ট্রের পুলিশ জানিয়েছে, বিদেশী নাগরিক আইন ও ভারতীয় পাসপোর্ট আইনের অধীনে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

আরেক ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের তথ্যানুযায়ী, রোববার (২২ ডিসেম্বর) দিল্লিতে অভিযান চালিয়ে ১৭৫ জন অবৈধ বাংলাদেশীকে শনাক্ত করেছে দিল্লি পুলিশ।

পুলিশ জানিয়েছে, শনিবার স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টায় দিল্লির বাইরের এলাকাগুলোতে তাদের ১২ ঘণ্টার যাচাই অভিযান শুরু হয়। যারা বৈধ নথিপত্র ছাড়া অবস্থান করছেন, তাদের শনাক্ত ও আটক করতে তৎপরতা জোরদার করা হয়েছে।

জাতীয় ফুটবল দলকে আওয়ামীকরণ করে ধ্বংস করা হয়েছে : মেজর হাফিজ

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মেজর অবসরপ্রাপ্ত হাফিজ উদ্দিন আহমেদ অভিযোগ করে বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের শাসনামলে কাজী সালাউদ্দিন আহমেদ জাতীয় ফুটবল দলকে ধ্বংস করে দিয়েছে।’

এ সময় তিনি বলেন, ‘দেশে একমাত্র রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপিই ফুটবল টুর্নামেন্ট খেলার পরিকল্পনা নেয়। তিনি বলেন, ‘আমরা আওয়ামী লীগকে শাস্তি দেইনি, ওদের আল্লাহ তায়ালা শাস্তি দিয়েছে।’

মঙ্গলবার (২৪ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর হোটেল লেকশোরে জিয়া আন্তঃথানা ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৫ উপলক্ষে ট্রফি ও জার্সি উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন।

হাফিজ বলেন, ‘আমি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে এমন ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্যোগ নেয়ার জন্য ধন্যবাদ জানাই।’

তিনি বলেন, ‘আমি পূর্ব পাকিস্তানের সময়ে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সাথে রাজনীতি করেছি এবং তার সাথে ফুটবল খেলেছি।’

হাফিজ আরো বলেন, ‘আমি মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেছি এবং জাতীয় দলের একজন খেলোয়াড় হিসেবে ইরান ও বিভিন্ন দেশে ফুটবল খেলতে গিয়েছিলাম। পাকিস্তান জাতীয় দলের অধিনায়কের দায়িত্বও পালন করেছি।’

ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক বলেন, ‘আমরা মনে করছি, রাষ্ট্রের অনেক প্রতিষ্ঠানে এখনো স্বৈরাচারী হাসিনা সরকারের দোসররা আছেন। দ্রুত তাদের বিতাড়িত করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির ২৬টি থানার মধ্যে থেকে ভালো মানের খেলোয়াড় বাছাই করে আটটি ভাগে বিভক্ত করে একটি সুশৃঙ্খল ফুটবল দল গঠন করা হবে। আরাফাত রহমান কোকোর ফুটবল টুর্নামেন্ট সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে আর কোনো দলীয়করণ করা হবে না। খেলার মাঠ, ক্রীড়াঙ্গন হবে রাজনৈতিক ও দলীয়করণ মুক্ত।’

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমীন বলেন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক একজন সফল ফুটবল খেলোয়াড় ছিলেন। তার উদ্যোগে এমন ফুটবল টুর্নামেন্ট আয়োজন খুবই চমৎকার। গণতান্ত্রিক আন্দোলন সংগ্রামে তিনি গ্রেফতারসহ জেল, জুলুম-নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন। আমরা এই ফুটবল টুর্নামেন্টের মাধ্যমে একটি মেধাবী ও ভালো মানের ফুটবল খেলোয়াড় তুলে আনব। গত ১৬ বছরে আওয়ামী লীগ সরকার ফুটবলসহ ক্রীড়াঙ্গনকে ধ্বংস করেছে। আমরা বাংলাদেশের জাতীয় ফুটবল পরিচালনা কমিটির সাথে যোগাযোগ অব্যাহত রেখে, দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে ফুটবল মাঠ ও ভালো মানের খেলোয়াড় গঠনে ভূমিকা রাখব।

এ সময় সাবেক জাতীয় ফুটবলার সৈয়দ রুম্মান বিন অয়ালী সাব্বির, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্যসচিব মোস্তফা জামান, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এবং প্রধান সমন্বয়ক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সেল, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মুস্তাফিজুর রহমান সেগুন, এস এম জাহাঙ্গীর, ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, সদস্য মোজাম্মেল হোসেন সেলিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নারীকে হত্যার পর গর্তে ঢুকিয়ে আগুন দিলেন যুবলীগ নেতার ছেলে

ব্রাহ্মণবাড়িয়া আখাউড়ায় মাথা কেটে হত্যার পরে দেহ গর্তে ঢুকিয়ে হরলুজা বেগম (৫০) নামের এক নারীকে আগুনে পুড়িয়েছেন যুবলীগ নেতার ছেলে ফারহান রনি।

আখাউড়া উপজেলার হিরাপুর গ্রামের ফকিরমোরা বিজিবি ক্যাম্পের পাশের বাসিন্দা মো: নুরুল ইসলামের স্ত্রী ছিলেন হরলুজা বেগম।

এ ঘটনায় ফারহান রনিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তিনি উপজেলার দক্ষিণ ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহনেওয়াজ ভুইয়ার ছেলে। রনি চিহ্নিত মাদককারবারি।

এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শী জানান, উপজেলার গাজীরবাজার এলাকার এক ব্যক্তির বাড়ি থেকে রাজহাঁস চুরি হয়। তিনি মঙ্গলবার সকাল ৭টার দিকে হাঁস খুঁজতে এসে শাহনেওয়াজ ভুইয়ার পরিত্যক্ত টিনের ঘর থেকে ধোঁয়ার গন্ধ বের হতে দেখেন। সেখানে থাকা ফারহান রনি জানায়, সে পাতা পুড়ছে।

এ কথায় বিশ্বাস না হলে হাঁসের মালিক এনামুল, রোমান ও উবায়দুল ঘরের ভেতরে কি আছে তা দেখতে চান। এ সময় রনি ক্ষুব্ধ হয়ে তাদেরকে মারার হুমকি দেন। এতে সন্দেহ হলে গ্রামের লোকজন নিয়ে গর্তে পুড়তে থাকা লাশ দেখতে পান তারা। পরে পুলিশকে খবর দিলে লাশ উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে আখাউড়া থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শাহীনূর ইসলাম জানান, হরলুজা বেগমকে পুড়িয়ে ফেলার ঘটনায় রনিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘাতক রনির দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে নারীর মাথা উদ্ধার করা হয়েছে।